Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল, গ্রাম হইতে লোকেরা আমাদের জন্য গোশত নিয়া আসে, জানি না ইহাতে যবেহ্ করার সময় বিসমিল্লাহ বলা হইয়াছিল কিনা। (উহা আমরা আহার করিতে পারি কি?) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ নিজেরা বিসমিল্লাহ পড়িয়া আহার করিয়া নিও। মালিক (রহঃ) বলেনঃ এই জবাবটি ইসলামের প্রথম যুগের।
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، انه قال سيل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقيل له يا رسول الله ان ناسا من اهل البادية ياتوننا بلحمان ولا ندري هل سموا الله عليها ام لا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سموا الله عليها ثم كلوها " . قال مالك وذلك في اول الاسلام
রেওয়ায়ত ২. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বর্ণনা করেন, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস ইবন আবী রবীয়া মাখযুমী (রাঃ) স্বীয় গোলামকে একটি পশু যবেহ করিতে নির্দেশ দেন। যবেহ করার সময় 'আবদুল্লাহ তাহাকে বলিলেনঃ বিসমিল্লাহ বলিয়া নাও। সে বলিলঃ হ্যাঁ, বলিয়াছি। আবদুল্লাহ পুনরায় বলিলেনঃ কম বখত বিসমিল্লাহ বলিয়া নাও। সে বলিলঃ বলিয়াছি। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস ইবন আবী রবীয়া (রাঃ) তখন বলিলেনঃ আল্লাহর কসম, এই গোশত আমি খাইব না।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، ان عبد الله بن عياش بن ابي ربيعة المخزومي، امر غلاما له ان يذبح ذبيحة فلما اراد ان يذبحها قال له سم الله . فقال له الغلام قد سميت . فقال له سم الله ويحك . قال له قد سميت الله . فقال له عبد الله بن عياش والله لا اطعمها ابدا
রেওয়ায়ত ৩. আতা ইবন ইয়াসার (রাঃ) বলেনঃ বনু হারিসা গোত্রের আনসারী জনৈক ব্যক্তি উহুদের নিকট তাহার দুধালো উষ্ট্রী চরাইতেছিল। উষ্ট্রীটি মৃত্যুমুখী হইলে তিনি একটি ধারাল লাকড়ি দ্বারা উষ্ট্রীটি যবেহ করেন। অতঃপর এই বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ ইহাতে কোন দোষ নাই। তুমি উহা খাইতে পার।
حدثني يحيى، عن مالك، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، ان رجلا، من الانصار من بني حارثة كان يرعى لقحة له باحد فاصابها الموت فذكاها بشظاظ فسيل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " ليس بها باس فكلوها
রেওয়ায়ত ৪. মুআয ইবন সা'দ (রাঃ) অথবা সা'দ ইবন মুআয (রাঃ) হইতে বর্ণিত, কাব ইবন মালিক (রাঃ)-এর দাসী মদীনার অদূরবতী সলা নামক স্থানে বকর চরাইতেছিল। হঠাৎ একটি বকরী মরিয়া যাইতেছে দেখিয়া সে একটি ধারাল পাথর দ্বারা উহাকে যবেহ করিয়া ফেলে। পরে এই সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হইলে তিনি বলিলেনঃ ইহাতে কোন দোষ নাই। তুমি উহা খাইতে পার।
وحدثني عن مالك، عن نافع، عن رجل، من الانصار عن معاذ بن سعد، او سعد بن معاذ ان جارية، لكعب بن مالك كانت ترعى غنما لها بسلع فاصيبت شاة منها فادركتها فذكتها بحجر فسيل رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " لا باس بها فكلوها
রেওয়ায়ত ৫. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল- আরবীয় খ্রিস্টান কর্তৃক যবেহকৃত পশুর গোশত খাওয়া জায়েয কি না? তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, কোন অসুবিধা নাই। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াতটি পাঠ করেনঃ (وَمَنْ يَتَوَلَّهُمْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ) অর্থাৎ উহাদের সহিত যে ব্যক্তি বন্ধুত্ব করিবে সে উহাদের মধ্যেই গণ্য হইবে।
وحدثني عن مالك، عن ثور بن زيد الديلي، عن عبد الله بن عباس، انه سيل عن ذبايح، نصارى العرب فقال لا باس بها وتلا هذه الاية {ومن يتولهم منكم فانه منهم}
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عباس، كان يقول ما فرى الاوداج فكلوه
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عباس، كان يقول ما فرى الاوداج فكلوه
রেওয়ায়ত ৬. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাঁহার নিকট রেওয়ায়ত পৌঁছিয়াছে যে আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলিতেনঃ যাহা ধমনীসমূহ কাটিয়া দেয় উহা হইতে আহার করিতে পার। সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিতেন, যে জিনিসের সাহায্যে যবেহ করা হয় উহা যদি ধমনীসমূহ কাটিয়া দেয় তবে প্রয়োজনের সময় উহা আহার করা যায়।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن سعيد بن المسيب، انه كان يقول ما ذبح به اذا بضع فلا باس به اذا اضطررت اليه
রেওয়ায়ত ৭. আকীল ইবন আবু তালীব (রাঃ)-এর আযাদ করা গোলাম আবু মুররা (রহঃ) আবু হুরায়রা (রাঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করেন, একটি বকরী যবেহ করার পর উহার অংশ বিশেষ (পা) নড়াচড়া করিয়াছিল, উহা খাওয়া কি জায়েয হইবে? আবু হুরায়রা (রাঃ) বললেন, আহার করিতে পার। পরে আবু মুররা যাইদ ইবন সাবিত (রাঃ)-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি বলিলেন: মৃত পশুও অনেক সময় নড়িয়া উঠিতে পারে এবং উহা আহার করিতে তিনি নিষেধ করিয়া দিলেন। মালিক (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করা হইয়াছিল, কোন একটি বকরী উপর হইতে পড়িয়া উহার পা ভাঙ্গিয়া যায়। তখন মালিক উহাকে যবেহ করিয়া ফেলে। যবেহ করার সময় রক্ত বাহির হইয়াছিল বটে, তবে উহা নড়াচড়া করে নাই। ইহার গোশত খাওয়া কি জায়েয হইবে? মালিক (রহঃ) বলিলেন, যবেহ করার সময় যদি রক্ত প্রবাহিত হয় এবং চক্ষু নড়ে তবে উহার গোশত খাইতে পার।
حدثني يحيى، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن ابي مرة، مولى عقيل بن ابي طالب انه سال ابا هريرة عن شاة، ذبحت فتحرك بعضها فامره ان ياكلها ثم سال عن ذلك زيد بن ثابت فقال ان الميتة لتتحرك ونهاه عن ذلك . وسيل مالك عن شاة تردت فتكسرت فادركها صاحبها فذبحها فسال الدم منها ولم تتحرك فقال مالك اذا كان ذبحها ونفسها يجري وهي تطرف فلياكلها
রেওয়ায়ত ৮. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেনঃ উটনী নাহর করা হইলে উহার উদরস্থ বাচ্চাটিরও যবেহ হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে। শর্ত হইল, বাচ্চার সমস্ত অঙ্গ পূর্ণ হইতে হইবে এবং উহার লোম গজাইতে হইবে। আর বাচ্চাটি যদি জীবিত বাহির হয় তবে রক্ত বাহির করিয়া দেওয়ার উদ্দেশ্য আলাদাভাবে উহা যবেহ করিতে হইবে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، انه كان يقول اذا نحرت الناقة فذكاة ما في بطنها في ذكاتها اذا كان قد تم خلقه ونبت شعره فاذا خرج من بطن امه ذبح حتى يخرج الدم من جوفه
রেওয়ায়ত ৯. সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলতেন, উদরস্থ বাচ্চাটি যদি পূর্ণাঙ্গ হইয়া থাকে এবং উহার লোম গজাইয়া থাকে তবে মায়ের যবেহ বাচ্চার যবেহ বলিয়া গণ্য হইবে।
وحدثني عن مالك، عن يزيد بن عبد الله بن قسيط الليثي، عن سعيد بن المسيب، انه كان يقول ذكاة ما في بطن الذبيحة في ذكاة امه اذا كان قد تم خلقه ونبت شعره