Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৪৩ হাদিসসমূহ
। আব্দুর রাহমান ইবনু মুহাইরিম (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ফাদালাহ ইবনু উবাইদ (রাঃ)-কে বললাম, চোরের কাটা হাত গর্দানের সঙ্গে বেঁধে দেয়া কি সুন্নাত? তিনি বললেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক চোরকে নিয়ে আসা হলে তার হাত কাটা হয় এবং তাঁর নির্দেশমত তা গর্দানের সঙ্গে বেঁধে দেয়া হয়।[1] দুর্বল।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عمر بن علي، حدثنا الحجاج، عن مكحول، عن عبد الرحمن بن محيريز، قال سالنا فضالة بن عبيد عن تعليق اليد، في العنق للسارق امن السنة هو قال اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بسارق فقطعت يده ثم امر بها فعلقت في عنقه
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দাস যদি চুরি করে তবে তাকে এক নাশ্ অর্থাৎ বিশ দিরহামের বিনিময়ে হলেও বিক্রি করে দাও।[1] দুর্বল।
حدثنا موسى، - يعني ابن اسماعيل - حدثنا ابو عوانة، عن عمر بن ابي سلمة، عن ابيه، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا سرق المملوك فبعه ولو بنش
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যারা অশ্লীল কাজ করে, তবে তোমাদের মধ্য থেকে চার ব্যক্তিকে তাদের উপর সাক্ষী দাঁড় করাও। অতঃপর তারা সাক্ষ্য দিলে তাদেরকে ঘরে আবদ্ধ করে রাখো, যতক্ষণ না মৃত্যু তাদের অবসান ঘটায় অথবা আল্লাহ তাদের জন্য অন্য কোনো পথ বের করেন’’ (সূরা আন-নিসাঃ ১৫)। মেয়েদের সম্পর্কে একথা বলে পুরুষদের সম্পর্কে আলোচনা করেছেন, অতঃপর উভয়ের সম্পর্কে একত্রে আলোচনা করেছেনঃ ‘‘আর তোমাদের মধ্যে দু’ জন নারী-পুরুষ যদি এ অশ্লীল কাজ করে, তবে তাদের শাসন করো। অনন্তর তারা যদি তওবা করে এবং নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়, তবে তাদেরকে ছেড়ে দাও।’’ (সূরা আন-নিসাঃ ১৬)। উপরোক্ত আয়াতের নির্দেশ ‘বেত্রাঘাত’ সংক্রান্ত আয়াত দ্বারা রহিত হয়েছে। অতএব আল্লাহর বাণীঃ ‘‘ব্যভিচারিনী এবং ব্যভিচারী, তাদের প্রত্যেককে একশো বেত্রাঘাত করো।’’ (সূরা আন-নূরঃ ২)।[1] সনদ হাসান।
حدثنا احمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثني علي بن الحسين، عن ابيه، عن يزيد النحوي، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال { واللاتي ياتين الفاحشة من نسايكم فاستشهدوا عليهن اربعة منكم فان شهدوا فامسكوهن في البيوت حتى يتوفاهن الموت او يجعل الله لهن سبيلا } وذكر الرجل بعد المراة ثم جمعهما فقال { واللذان ياتيانها منكم فاذوهما فان تابا واصلحا فاعرضوا عنهما } فنسخ ذلك باية الجلد فقال { الزانية والزاني فاجلدوا كل واحد منهما ماية جلدة}
। মুজাহিদ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর বাণী, ‘আস-সাবীল’ অর্থাৎ হাদ্দ। সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, ‘ফাআযূহুমা’ অর্থ অবিবাহিতের শাস্তি এবং ‘ফাআমসিকূহুন্না ফিল বুয়ূত’ অর্থ বিবাহিতের শাস্তি।[1] হাসান মাকতূ।
حدثنا احمد بن محمد بن ثابت، حدثنا موسى، - يعني ابن مسعود - عن شبل، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، قال السبيل الحد قال سفيان { فاذوهما } البكران { فامسكوهن في البيوت } الثيبات
। উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার থেকে গ্রহণ করো। আল্লাহ তাদের জন্য বিধান দিয়েছেনঃ বিবাহিত পুরুষ ও বিবাহিতা নারী অপরাধী প্রমাণিত হলে, তাদের শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা। আর অবিবাহিত পুরুষ ও অবিবাহিতা নারীর শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও এক বছরের নির্বাসন।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن الحسن، عن حطان بن عبد الله الرقاشي، عن عبادة بن الصامت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " خذوا عني خذوا عني قد جعل الله لهن سبيلا الثيب بالثيب جلد ماية ورمى بالحجارة والبكر بالبكر جلد ماية ونفى سنة
। ইয়াহইয়াহ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। এতে রয়েছেঃ তাদের শাস্তি হলো একশো বেত্রাঘাত ও পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা।[1] সহীহ।
حدثنا وهب بن بقية، ومحمد بن الصباح بن سفيان، قالا حدثنا هشيم، عن منصور، عن الحسن، باسناد يحيى ومعناه قالا " جلد ماية والرجم
। উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। লোকজন সা‘দ ইবনু উবাদাহ (রাঃ)-কে বললো, হে সাবিতের পিতা! হাদ্দ সংক্রান্ত আয়াত নাযিল হয়েছে। অতএব আপনি যদি আপনার স্ত্রীর সঙ্গে কোনো পুরুষ লোককে দেখতে পান তাহলে আপনি কি করবেন? তিনি বলেন, আমি তরবারির আঘাতে উভয়কে নিস্তব্ধ করে দিতাম। আমি কি যাবো এবং চারজন সাক্ষী একত্র করবো, আর এ সুযোগে তারা তাদের অপকর্ম সেরে নিবে? অতএব তারা গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একত্র হয়ে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি সাবিতের পিতাকে দেখেননি, তিনি এই এই কথা বলেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তরবারিই যথেষ্ট সাক্ষী। অতঃপর তিনি বলেন, না না, আমি আশঙ্কা করি যে, কোনো উন্মত্ত ও আত্মমর্যাদাবোধ সম্পন্ন লোকই এ পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারে। আরেক বর্ণনায় রয়েছেঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর ক্রীতদাসীর সঙ্গে সংগমে লিপ্ত হয়।’ ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, আল-ফাদল ইবনু দালহাম হাদীসের হাফিয নন। তিনি ওয়াসিত অঞ্চলের কসাই ছিলেন।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/ ২৩৪১।
حدثنا محمد بن عوف الطايي، حدثنا الربيع بن روح بن خليد، حدثنا محمد بن خالد، - يعني الوهبي - حدثنا الفضل بن دلهم، عن الحسن، عن سلمة بن المحبق، عن عبادة بن الصامت، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث فقال ناس لسعد بن عبادة يا ابا ثابت قد نزلت الحدود لو انك وجدت مع امراتك رجلا كيف كنت صانعا قال كنت ضاربهما بالسيف حتى يسكتا افانا اذهب فاجمع اربعة شهداء فالى ذلك قد قضى الحاجة . فانطلقوا فاجتمعوا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله الم تر الى ابي ثابت قال كذا وكذا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كفى بالسيف شاهدا " . ثم قال " لا لا اخاف ان يتتايع فيها السكران والغيران " . قال ابو داود روى وكيع اول هذا الحديث عن الفضل بن دلهم عن الحسن عن قبيصة بن حريث عن سلمة بن المحبق عن النبي صلى الله عليه وسلم . وانما هذا اسناد حديث ابن المحبق ان رجلا وقع على جارية امراته . قال ابو داود الفضل بن دلهم ليس بالحافظ كان قصابا بواسط
। আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) তার ভাষণে বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সত্য দীনসহ পাঠিয়েছেন এবং তাঁর উপর কিতাব নাযিল করেছেন। আর তিনি তাঁর উপর যা নাযিল করেছেন, রজম সংক্রান্ত আয়াত তার অন্তর্ভুক্ত। আমরা তা পাঠ করেছি এবং সংরক্ষণ করেছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রজম করেছেন আর আমরাও তাঁর পরে রজম করেছি। তবে আমার আশঙ্কা হচ্ছে, কাল প্রবাহের দীর্ঘতায় কেউ হয় তো বলবে, আমরা তো আল্লাহর নাযিলকৃত তিাবে রজমের আয়াত পাইনি। ফলে তারা আল্লাহর নাযিলকৃত একটা ফরজ পরিত্যাগ করে পথভ্রষ্ট হবে। জেনে রাখো বিবাহিত নারী-পুরুষ ব্যভিচারের অপরাধে দায়ী প্রমাণিত হলে অথবা অন্তঃসত্তা হলে অথবা স্বীকারোক্তি করলে তাদেরকে রজম করা অবধারিত। আল্লাহর কসম! লোকেরা যদি একথা না বলতো যে, উমার আল্লাহর কিতাবে কিছু বর্ধিত করেছেন। তাহলে আমি অবশ্যই এ আয়াত লিখে দিতাম।[1] সহীহ।
حدثنا عبد الله بن محمد النفيلي، حدثنا هشيم، حدثنا الزهري، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن عبد الله بن عباس، ان عمر، - يعني ابن الخطاب - رضى الله عنه خطب فقال ان الله بعث محمدا صلى الله عليه وسلم بالحق وانزل عليه الكتاب فكان فيما انزل عليه اية الرجم فقراناها ووعيناها ورجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ورجمنا من بعده واني خشيت - ان طال بالناس الزمان - ان يقول قايل ما نجد اية الرجم في كتاب الله فيضلوا بترك فريضة انزلها الله تعالى فالرجم حق على من زنى من الرجال والنساء اذا كان محصنا اذا قامت البينة او كان حمل او اعتراف وايم الله لولا ان يقول الناس زاد عمر في كتاب الله عز وجل لكتبتها
। ইয়াযীদ ইবনু সু‘আইম ইবনু হায্যাল (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাঈয ইবনু মালিক ইয়াতিম ছিলো। সে আমার পিতার তত্ত্বাবধানে ছিলো। সে এক গোত্রের জনৈক বাঁদীর সঙ্গে সঙ্গম করে। আমার পিতা তাকে বলেন, তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যাও এবং তাঁকে তোমার কৃতকর্মের ব্যাপারে জানাও। তিনি হয় তো তোমার জন্য ক্ষমা চাইবেন। বস্তুতঃ এর দ্বারা তিনি তার অপরাধ থেকে মুক্তির সন্ধানই চেয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর সে তাঁর নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো যেনা করেছি; সুতরাং আমার উপর আল্লাহর নির্ধারিত শাস্তি বাস্তবায়িত করুন। তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে পুনরায় বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো যেনা করেছি; আমার উপর আল্লাহর কিতাব বাস্তবায়িত করুন। তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবারো বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো যেনা করেছি; আমার উপর আল্লাহর কিতাব বাস্তবায়িত করুন। একথা সে চারবার বলার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তো চারবার একথা বললেন, তা কার সঙ্গে? সে বললো, অমুক নারীর সঙ্গে। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি তার সঙ্গে শুয়েছ? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি আবারো প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি তার শরীরে শরীর মিশিয়েছ? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি পুনরায় প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি তার সঙ্গে সঙ্গম করেছো? সে বললো, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তাকে আল-হাররা এলাকায় নিয়ে যাওয়া হলো। যখন তাকে পাথর মারা শুরু হলো, সে আঘাতের চোটে আতঙ্কিত হলো এবং দ্রুত দৌঁড়াতে লাগলো। আব্দুল্লাহ ইবনু উনাইস (রাঃ) এমতাবস্থায় তার সাক্ষাৎ পেলেন যে, তাকে পাথর মারার জন্য নিয়োজিত ব্যক্তিগণ তাকে ধরতে অপারগ হলো। তিনি উটের সামনের পায়ের হাড় তুলে তার দিকে নিক্ষেপ করেন এবং তাতে সে নিহত হয়। অতঃপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে এ ঘটনা ব্যক্ত করেন। তিনি বললেনঃ তোমরা তাকে ছেড়ে দিলে না কেন? সে হয় তো তওবা করতো, আর আল্লাহ তার তওবা কবূল করতেন।[1] সহীহঃ এ কথাটি বাদেঃ (... لعله أن)
حدثنا محمد بن سليمان الانباري، حدثنا وكيع، عن هشام بن سعد، قال حدثني يزيد بن نعيم بن هزال، عن ابيه، قال كان ماعز بن مالك يتيما في حجر ابي . فاصاب جارية من الحى فقال له ابي ايت رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبره بما صنعت لعله يستغفر لك وانما يريد بذلك رجاء ان يكون له مخرجا فاتاه فقال يا رسول الله اني زنيت فاقم على كتاب الله . فاعرض عنه فعاد فقال يا رسول الله اني زنيت فاقم على كتاب الله . حتى قالها اربع مرار . قال صلى الله عليه وسلم " انك قد قلتها اربع مرات فبمن " . قال بفلانة . قال " هل ضاجعتها " . قال نعم . قال " هل باشرتها " . قال نعم . قال " هل جامعتها " . قال نعم . قال فامر به ان يرجم فاخرج به الى الحرة . فلما رجم فوجد مس الحجارة جزع فخرج يشتد فلقيه عبد الله بن انيس وقد عجز اصحابه فنزع له بوظيف بعير فرماه به فقتله ثم اتى النبي صلى الله عليه وسلم فذكر ذلك له فقال " هلا تركتموه لعله ان يتوب فيتوب الله عليه
। মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাঈয ইবনু মালিকের ঘটনা আসিম ইবনু উমার ইবনু কাতাদাহর নিকট উল্লেখ করলাম। তিনি আমাকে বললেন, হাসান ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আলী ইবনু আবূ তালিব আমাকে বলেছেন, এরা আসলাম গোত্রের কতক লোক যাদেরকে আমি দোষারোপ করি না এবং যাদের নিকট থেকে তুমি আমার নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীঃ ‘‘তোমরা তাকে ছেড়ে দিলে না কেন’’ বর্ণনা করেছো আমি এ হাদীস হৃদয়ঙ্গম করতে পারিনি। অতএব আমি তাকে জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ)-এর নিকট এসে বললাম, আসলাম গোত্রের কয়েকজন লোক বর্ণনা করছে যে, পাথর নিক্ষেপের মারাত্মক চোট পেয়ে মাঈযের হতবুদ্ধি হয়ে যাওয়ার ঘটনা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আলোচনা করাতে তিনি বলেনঃ ‘‘তোমরা তাকে ছেড়ে দিলে না কেন?’’ অথচ আমি তো এ হাদীস সম্পর্কে জানি না। জাবির বললেন, হে ভাতিজা! এ হাদীস সম্পর্কিত ঘটনা আমি অধিক জ্ঞাত। কেননা আমিও লোকটিকে পাথর মারার জন্য নিয়োজিত ব্যক্তিদের অন্যতম। আমরা যখন তাকে নিয়ে বেরিয়ে গিয়ে পাথর মারা শুরু করলাম তখন পাথর নিক্ষেপের মারাত্মক চোট পেয়ে সে আমাদের নিকট চিৎকার করে বলতে লাগলো, হে লোক সকল! তোমরা আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ফিরিয়ে নিয়ে চলো। আমার আপনজনেরাই আমাকে হত্যার জন্য দায়ী। তারা আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তারা আমাকে বলেছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে হত্যা করবেন না। তথাপি আমরা তাকে হত্যা না করে ছাড়িনি। অতঃপর আমরা যখন ফিরে এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসব কথা বললাম, তখন তিনি বললেনঃ তোমরা তাকে ছেড়ে দিলে না কেন এবং আমার নিকট নিয়ে এলে না কেন? যাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অনুতাপ কবূল করতেন। কিন্তু তিনি হাদ্দ পরিত্যাগ করার জন্য একথা বলেননি। বর্ণনাকারী বলেন, এবার আমি এ হাদীসের মর্ম বুঝতে পারলাম।[1] হাসান।
حدثنا عبيد الله بن عمر بن ميسرة، حدثنا يزيد بن زريع، عن محمد بن اسحاق، قال ذكرت لعاصم بن عمر بن قتادة قصة ماعز بن مالك فقال لي حدثني حسن بن محمد بن علي بن ابي طالب، قال حدثني ذلك، من قول رسول الله صلى الله عليه وسلم " فهلا تركتموه " . من شيتم من رجال اسلم ممن لا اتهم . قال ولم اعرف هذا الحديث قال فجيت جابر بن عبد الله فقلت ان رجالا من اسلم يحدثون ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لهم حين ذكروا له جزع ماعز من الحجارة حين اصابته " الا تركتموه " . وما اعرف الحديث قال يا ابن اخي انا اعلم الناس بهذا الحديث كنت فيمن رجم الرجل انا لما خرجنا به فرجمناه فوجد مس الحجارة صرخ بنا يا قوم ردوني الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فان قومي قتلوني وغروني من نفسي واخبروني ان رسول الله صلى الله عليه وسلم غير قاتلي فلم ننزع عنه حتى قتلناه فلما رجعنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم واخبرناه قال " فهلا تركتموه وجيتموني به " . ليستثبت رسول الله صلى الله عليه وسلم منه فاما لترك حد فلا قال فعرفت وجه الحديث
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা মাঈয ইবনু মালিক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে বললো যে, সে যেনা করেছে। একথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে কয়েকবার একথা বললো, আর তিনি প্রতিবার মুখ ফিরিয়ে নিলেন। অতঃপর তিনি তার গোত্রের লোকদের প্রশ্ন করলেনঃ সে কি পাগল? তারা বললো, তার তো কোনো সমস্যা নেই। তিনি তাকে প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি তার সঙ্গে এটা করেছো? সে বললো, হ্যাঁ। অতএব তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যা করার আদেশ দিলেন। অতঃপর তাকে নিয়ে যাওয়া হলো এবং পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা হলো। আর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর জানাযার সালাত পড়েননি।[1] সনদ সহীহ।
حدثنا ابو كامل، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا خالد، - يعني الحذاء - عن عكرمة، عن ابن عباس، ان ماعز بن مالك، اتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال انه زنى . فاعرض عنه فاعاد عليه مرارا فاعرض عنه فسال قومه " امجنون هو " . قالوا ليس به باس . قال " افعلت بها " . قال نعم . فامر به ان يرجم فانطلق به فرجم ولم يصل عليه
। জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মাঈয ইবনু মালিককে দেখেছি, যখন তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির করা হয়। সে ছিলো বেটে, মাংসল ও বলিষ্ঠ গড়নের লোক, তার দেহে কোনো চাঁদর ছিলো না। সে নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য দিয়ে বলে যে, সে যেনা করেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সম্ভবত তুমি তাকে চুমু দিয়েছ। সে বললো, না, আল্লাহর কসম! এ দুর্ভাগা নিশ্চয়ই যেনা করেছে। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তাকে পাথর নিক্ষেপে হত্যা করা হয়। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ভাষন দিতে গিয়ে বলেনঃ জেনে রাখো! আমরা যখনই আল্লাহর রাস্তায় জিহাদে যাই, আর এদিকে যদি তাদের কেউ পিছনে গিয়ে পাঠা ছাগলের ন্যায় ভ্যাভ্যা করে এবং কোনো নারীকে যৎকিঞ্চিৎ বীর্য দান করে, জেনে রাখো! আল্লাহ যদি আমাকে তাদের কারো উপর নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা দেন, তবে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিয়ে নারীদের থেকে প্রতিহত করবো।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا ابو عوانة، عن سماك، عن جابر بن سمرة، قال رايت ماعز بن مالك حين جيء به الى النبي صلى الله عليه وسلم رجلا قصيرا اعضل ليس عليه رداء فشهد على نفسه اربع مرات انه قد زنى . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فلعلك قبلتها " . قال لا والله انه قد زنى الاخر . قال فرجمه ثم خطب فقال " الا كلما نفرنا في سبيل الله عز وجل خلف احدهم له نبيب كنبيب التيس يمنح احداهن الكثبة اما ان الله ان يمكني من احد منهم الا نكلته عنهن
। সিমাক (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জাবির ইবনু সামুরাহ (রাঃ)-কে উপরোক্ত হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। তবে পূর্বোক্ত বর্ণনাটি পূর্ণাঙ্গ। তিনি বলেন, সে দু’বার এ কথা বলেছে। সিমাক বলেন, আমি সাঈদ ইবনু জুবাইরের নিকট এ হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বলেন, সে বরং চারবার একথা বলেছে।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن المثنى، عن محمد بن جعفر، عن شعبة، عن سماك، قال سمعت جابر بن سمرة، بهذا الحديث والاول اتم قال فرده مرتين . قال سماك فحدثت به سعيد بن جبير فقال انه رده اربع مرات
। শূ‘বাহ (রহঃ) বলেন, আমি সিমাককে ‘কুসবাহ’ এর অর্থ বললাম। তিনি বললেন, অল্প দুধ।[1] সহীহ।
حدثنا عبد الغني بن ابي عقيل المصري، حدثنا خالد، - يعني ابن عبد الرحمن - قال قال شعبة فسالت سماكا عن الكثبة فقال اللبن القليل
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাঈয ইবনু মালিককে ডেকে বললেনঃ তোমার সম্বন্ধে যে সংবাদ আমার কানে পৌঁছেছে তা কি সত্য? সে বললো, আমার সম্বন্ধে আপনার নিকট কিরূপ সংবাদ পৌঁছেছে? তিনি বললেনঃ তুমি নাকি অমুক গোত্রের জনৈক বাঁদীর সঙ্গে যেনা করেছো? সে বললো, হ্যাঁ। অতঃপর সে চারবার একথার স্বীকারোক্তি করে। সুতরাং তিনি তাকে পাথর নিক্ষেপে হত্যা করার আদেশ দেন। অতঃপর তাকে পাথর মারা হয়।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا ابو عوانة، عن سماك بن حرب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لماعز بن مالك " احق ما بلغني عنك " . قال وما بلغك عني قال " بلغني عنك انك وقعت على جارية بني فلان " . قال نعم . فشهد اربع شهادات فامر به فرجم
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা মাঈয ইবনু মালিক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে যেনা করেছে বলে দু’বার সাক্ষ্য দেয়। তিনি তাকে তাড়িয়ে দিলে সে আবারো এসে দু’বার যেনার স্বীকারোক্তি করে। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেনঃ তুমি নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য দিয়েছে। তোমরা একে নিয়ে যাও এবং ‘রজম’ করো।[1] সহীহ।
حدثنا نصر بن علي، اخبرنا ابو احمد، اخبرنا اسراييل، عن سماك بن حرب، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال جاء ماعز بن مالك الى النبي صلى الله عليه وسلم فاعترف بالزنا مرتين فطرده ثم جاء فاعترف بالزنا مرتين فقال " شهدت على نفسك اربع مرات اذهبوا به فارجموه
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাঈয ইবনু মালিককে বললেনঃ তুমি সম্ভবতঃ চুমু খেয়েছো অথবা হাতে স্পর্শ করেচো অথবা তাকিয়েছো? সে বললো, না। তিনি বললেনঃ তবে কি তুমি যেনা করেছো? সে বললো, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, সে একথা বলতেই তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যা করার আদেশ দেন। বর্ণনাকারী মূসা (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেননি, বরং এটি ওয়াহবের বর্ণনা।[1] সহীহ।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا جرير، حدثني يعلى، عن عكرمة، ان النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا زهير بن حرب وعقبة بن مكرم قالا حدثنا وهب بن جرير حدثنا ابي قال سمعت يعلى بن حكيم يحدث عن عكرمة عن ابن عباس ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لماعز بن مالك " لعلك قبلت او غمزت او نظرت " . قال لا . قال " افنكتها " . قال نعم . قال فعند ذلك امر برجمه . ولم يذكر موسى عن ابن عباس وهذا لفظ وهب
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেছেন, একদা আসলাম গোত্রীয় এক লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে নিজের বিরুদ্ধে চারবার সাক্ষ্য দেয় যে, সে জনৈকা নারীর সঙ্গে হারাম কাজ করেছে। প্রতিবারই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। পঞ্চমবার সে একথা বললে তিনি তার দিকে ফিরে প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি তার সঙ্গে যেনা করেছো? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তোমার লজ্জাস্থান কি তার লজ্জাস্থানে ঢুকেছে? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ যেরূপ সুরমা শলাকা সুরমা দানীতে ঢুকে যায় এবং রশি যেরূপ কূপের মধ্যে ঢুকে পড়ে? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি জানো, যেনা কি? সে বললো, হ্যাঁ। কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে বৈধ সহবাস করে, আমি ঐ নারীর সঙ্গে অবৈধভাবে তা করেছি। তিনি বললেনঃ তোমার এ কথা বলার উদ্দেশ্য কি? সে বললো, আপনি আমাকে পবিত্র করবেন, এটাই আমার উদ্দেশ্য। অতঃপর তিনি আদেশ দিলেন তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হলো। অতঃপর আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুনতে পান যে, তাঁর দু’ জন সাহাবী একে অপরকে বলছেন লোকটিকে দেখো, আল্লাহ যার অপরাধ গোপন রাখলেন, অথচ নিজেকেই সে রক্ষা করতে পারলো না, অতঃপর কুকুরের মতো তাকে পাথর মেরে হত্যা করা হলো। তিনি তাদের এ কথা শুনে চুপ থাকলেন এবং কিছু সময় চলার পর একটি গাধার লাশের নিকট এলেন যার পা উপরের দিকে উঠেছিল। তিনি বললেনঃ অমুক অমুক কোথায়? তারা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা এখানে। তিনি বললেনঃ তোমরা দু’জন নেমে গিয়ে এ গাধার গোশত খাও। তারা বললো, হে আল্লাহর নবী! এটা কি কেউ খেতে পারে? তিনি বললেনঃ তোমরা এখন তোমাদের এক ভাইয়ের মর্যাদা নিয়ে যেরূপ মন্তব্য করেছো, তা এর গোশত খাওয়ার চাইতেও গুরুতর। সেই সত্তার কসম যাঁর হাতে আমার প্রাণ! নিশ্চয়ই সে এখন জান্নাতের ঝর্ণাসমূহে আনন্দে ডুব দিচ্ছে।[1] দুর্বলঃ ইরওয়া হা/ ২৩৫৪, যঈফাহ হা/ ২৯৫৭।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا عبد الرزاق، عن ابن جريج، قال اخبرني ابو الزبير، ان عبد الرحمن بن الصامت ابن عم ابي هريرة، اخبره انه، سمع ابا هريرة، يقول جاء الاسلمي الى نبي الله صلى الله عليه وسلم فشهد على نفسه انه اصاب امراة حراما اربع مرات كل ذلك يعرض عنه النبي صلى الله عليه وسلم فاقبل في الخامسة فقال " انكتها " . قال نعم . قال " حتى غاب ذلك منك في ذلك منها " . قال نعم . قال " كما يغيب المرود في المكحلة والرشاء في البير " . قال نعم . قال " فهل تدري ما الزنا " . قال نعم اتيت منها حراما ما ياتي الرجل من امراته حلالا . قال " فما تريد بهذا القول " . قال اريد ان تطهرني . فامر به فرجم فسمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلين من اصحابه يقول احدهما لصاحبه انظر الى هذا الذي ستر الله عليه فلم تدعه نفسه حتى رجم رجم الكلب . فسكت عنهما ثم سار ساعة حتى مر بجيفة حمار شايل برجله فقال " اين فلان وفلان " . فقالا نحن ذان يا رسول الله . قال " انزلا فكلا من جيفة هذا الحمار " . فقالا يا نبي الله من ياكل من هذا قال " فما نلتما من عرض اخيكما انفا اشد من اكل منه والذي نفسي بيده انه الان لفي انهار الجنة ينقمس فيها
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। এতে আরো রয়েছেঃ হাসান ইবনু আলী বলেন, বর্ণনাকারী বিভিন্ন শব্দে হাদীসটি আমার নিকট বর্ণনা করেছেন। কেউ বলেছেন, লোকজন মাঈযকে গাছের সঙ্গে বেঁধেছিল আবার কেউ বলেছেন, তাকে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল।[1] দুর্বল।
حدثنا الحسن بن علي، حدثنا ابو عاصم، حدثنا ابن جريج، قال اخبرنا ابو الزبير، عن ابن عم ابي هريرة، عن ابي هريرة، بنحوه زاد واختلفوا فقال بعضهم ربط الى شجرة وقال بعضهم وقف
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা আসলাম গোত্রের জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে যেনার কথা স্বীকার করলে তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। সে আবারো সাক্ষ্য দিলো। তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন। এরূপে সে চারবার নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলো। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রশ্ন করেনঃ তোমার পাগলামী রোগ আছে নাকি? সে বললো, না। তিনি পুনরায় প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি বিবাহিত? সে বললো, হ্যাঁ। বর্ণনাকারী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পাথর মারার আদেশ দিলেন। ঈদগাহে তাকে পাথর মারা হয়। পাথরের আঘাত যখন তাকে সন্ত্রস্ত করে তুললো সে পালাতে লাগলো। অতঃপর তাকে ধরে এনে পাথর মেরে হত্যা করা হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সম্পর্কে উত্তম কথা বলেছেন, তবে তার জানাযা পড়েননি।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن المتوكل العسقلاني، والحسن بن علي، قالا حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابي سلمة، عن جابر بن عبد الله، ان رجلا، من اسلم جاء الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاعترف بالزنا فاعرض عنه ثم اعترف فاعرض عنه حتى شهد على نفسه اربع شهادات فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ابك جنون " . قال لا . قال " احصنت " . قال نعم . قال فامر به النبي صلى الله عليه وسلم فرجم في المصلى فلما اذلقته الحجارة فر فادرك فرجم حتى مات فقال له النبي صلى الله عليه وسلم خيرا ولم يصل عليه