Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৪৩ হাদিসসমূহ
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ লুণ্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না। যে ব্যক্তি দিবালোকে লুণ্ঠন করে সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।[1] সহীহ।
حدثنا نصر بن علي، اخبرنا محمد بن بكر، حدثنا ابن جريج، قال قال ابو الزبير قال جابر بن عبد الله قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس على المنتهب قطع ومن انتهب نهبة مشهورة فليس منا
। একই সূত্রে জাবির (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতারকের হাত কাটা যাবে না।[1] সহীহ।
وبهذا الاسناد قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس على الخاين قطع
। জাবির (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তাতে আরো রয়েছেঃ লুণ্ঠনকারীর হাত কাটা যাবে না। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু জুরাইজ উপরোক্ত হাদীসদ্বয় আবুয-যুবায়র থেকে শুনেননি। আমি আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) থেকে জেনেছি, তিনি বলেছেন, ইবনু জুরাইজ উপরোক্ত হাদীসদ্বয় ইয়াসীন আয-যাইয়াতের কাছে শুনেছেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, মুগীরাহ ইবনু মুসলিম হাদীসদ্বয় আবূ-যুবায়র (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا نصر بن علي، اخبرنا عيسى بن يونس، عن ابن جريج، عن ابي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم بمثله زاد " ولا على المختلس قطع " . قال ابو داود هذان الحديثان لم يسمعهما ابن جريج من ابي الزبير وبلغني عن احمد بن حنبل انه قال انما سمعهما ابن جريج من ياسين الزيات . قال ابو داود وقد رواهما المغيرة بن مسلم عن ابي الزبير عن جابر عن النبي صلى الله عليه وسلم
। সাফওয়ান ইবনু উমাইয়্যাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি তিরিশ দিরহাম মূল্যের আমার একটি চাদরে মসজিদে ঘুমিয়েছিলাম। অতঃপর এক ব্যক্তি এসে আমার কাছ থেকে সেটা টেনে নিয়ে যায়। তাকে হাতে নাতে ধরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আসা হলে তিনি তার হাত কাটার আদেশ দিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, আমি তাঁর নিকট হাযির হয়ে বললাম, মাত্র ত্রিশটি দিরহামের কারণে আপনি তার হাত কাটবেন? আমি তার নিটক এটা বাকীতে বিক্রি করছি। তিনি বললেনঃ তুমি তাকে আমার নিকট নিয়ে আসার পূর্বে তা করলে না কেন? ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, যায়িদাহ সিমাকের সূত্রে জুআইদ ইবনু হুযাইর থেকে এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, সাফওয়ান ঘুমিয়েছিলেন। তাউস ও মুজাহিদ এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, তিনি ঘুমন্ত ছিলেন। চোর এসে তার মাথার নীচ থেকে চাঁদরটি চুরি করে নিয়ে যায়। আবূ সালামাহ ইবনু আব্দুর রাহমান এ হাদীস বর্ণনা করে বলেন, চোরটি তার মাথার নীচ থেকে চাদরটা টান দিয়ে নিয়ে যায়। তিনি জাগ্রত হয়ে চিৎকার দেন এবং তাকে ধরে ফেলা হয়। যুহরী (রহঃ) সাফওয়ান ইবনু আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণনা করে বলেন, তার চাদরটাকে তিনি বালিশ বানিয়ে মাথার নীচে রেখে মসজিদে ঘুমান। এ সময় এক চোর এসে তার চাদরটা হস্তগত করে। তিনি তাকে ধরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট নিয়ে আসেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا عمرو بن حماد بن طلحة، حدثنا اسباط، عن سماك بن حرب، عن حميد ابن اخت، صفوان عن صفوان بن امية، قال كنت نايما في المسجد على خميصة لي ثمن ثلاثين درهما فجاء رجل فاختلسها مني فاخذ الرجل فاتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم فامر به ليقطع . قال فاتيته فقلت انقطعه من اجل ثلاثين درهما انا ابيعه وانسيه ثمنها قال " فهلا كان هذا قبل ان تاتيني به " . قال ابو داود ورواه زايدة عن سماك عن جعيد بن جحير قال نام صفوان . ورواه مجاهد وطاوس انه كان نايما فجاء سارق فسرق خميصة من تحت راسه . ورواه ابو سلمة بن عبد الرحمن قال فاستله من تحت راسه فاستيقظ فصاح به فاخذ . ورواه الزهري عن صفوان بن عبد الله قال فنام في المسجد وتوسد رداءه فجاءه سارق فاخذ رداءه فاخذ السارق فجيء به الى النبي صلى الله عليه وسلم
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। জনৈকা মাখযূমী মহিলা বিভিন্ন জিনিস ধার নিয়ে পরে তা অস্বীকার করতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশে তার হাত কেটে দেয়া হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, জুরাইরিয়া নাফি‘ থেকে ইবনু উমার অথবা সাফিয়্যাহ বিনতু আবূ উবাইদ সূত্রে বর্ণনা করেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাষণ দিতে দাঁড়িয়ে বলেনঃ এমন কোনো মহিলা আছে কি যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিকট তওবা করবে? একথা তিনি তিনবার বলেন। তখন ঐ মহিলাটি সেখানে উপস্থিত ছিলো; কিন্তু সে দাঁড়ায়নি এবং কথাও বলেনি। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু গানাজ নাফি‘র সূত্রে সাফিয়্যাহ বিনতু আবূ উবাইদ সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করে বলেনঃ মহিলাটির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়া হয়।[1] সহীহ।
حدثنا الحسن بن علي، ومخلد بن خالد، - المعنى - قالا حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، - قال مخلد عن معمر، - عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، ان امراة، مخزومية كانت تستعير المتاع وتجحده فامر النبي صلى الله عليه وسلم بها فقطعت يدها . قال ابو داود رواه جويرية عن نافع عن ابن عمر او عن صفية بنت ابي عبيد زاد فيه وان النبي صلى الله عليه وسلم قام خطيبا فقال " هل من امراة تايبة الى الله عز وجل ورسوله " . ثلاث مرات وتلك شاهدة فلم تقم ولم تتكلم . قال ابو داود ورواه ابن غنج عن نافع عن صفية بنت ابي عبيد قال فيه فشهد عليها
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। এক অপরিচিত মহিলা কিছু পরিচিত লোকের নামে অলংকার ধার নেয়। অতঃপর সে এগুলো বিক্রি করে দেয়। তাকে ধরে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির করা হয়। তিনি তার হাত কাটার নির্দেশ দেন। এ সেই মহিলা যার জন্য উসামাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) সুপারিশ করেছিলেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ব্যাপারে যা বলার বলেছিলেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن يحيى بن فارس، حدثنا ابو صالح، عن الليث، قال حدثني يونس، عن ابن شهاب، قال كان عروة يحدث ان عايشة رضى الله عنها قالت استعارت امراة - تعني - حليا على السنة اناس يعرفون ولا تعرف هي فباعته فاخذت فاتي بها النبي صلى الله عليه وسلم فامر بقطع يدها وهي التي شفع فيها اسامة بن زيد وقال فيها رسول الله صلى الله عليه وسلم ما قال
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাখযূম গোত্রের এক মহিলা জিনিসপত্র ধার নেয়ার পর তা অস্বীকার করতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত কাটতে নির্দেশ দেন। ইবনু শিহাব থেকে বর্ণিত এই হাদীসে আরো আছেঃ অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত কেটে দেন।[1] সহীহ।
حدثنا عباس بن عبد العظيم، ومحمد بن يحيى، قالا حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عروة، عن عايشة، قالت كانت امراة مخزومية تستعير المتاع وتجحده فامر النبي صلى الله عليه وسلم بقطع يدها وقص نحو حديث قتيبة عن الليث عن ابن شهاب زاد فقطع النبي صلى الله عليه وسلم يدها
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিন ধরণের লোকের উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছেঃ (১) নিদ্রিত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয়, (২) অসুস্থ (পাগল) ব্যক্তি, যতক্ষণ না আরোগ্য লাভ করে এবং (৩) অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালক, যতক্ষণ না বালেগ হয়।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا حماد بن سلمة، عن حماد، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة، رضى الله عنها ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " رفع القلم عن ثلاثة عن النايم حتى يستيقظ وعن المبتلى حتى يبرا وعن الصبي حتى يكبر
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা যেনার অপরাধে জনৈকা উম্মাদিনীকে ধরে এনে উমার (রাঃ)-এর নিকট হাযির করা হয়। তিনি এ ব্যাপারে লোকদের সঙ্গে পরামর্শ করে তাকে পাথর মেরে হত্যা করার নির্দেশ দেন। এ সময় আলী (রাঃ) তার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি প্রশ্ন করলেন এর কি হয়েছে? উপস্থিত লোকেরা বললো, সে অমুক গোত্রের উম্মাদিনী (পাগল মহিলা), সে যেনা করেছে। উমার (রাঃ) তাকে পাথর মেরে হত্যা করার আদেশ দিয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি বললেন, তোমরা তাকে নিয়ে ফিরে যাও। অতঃপর তিনি উমারের নিকট এসে বললে, হে আমীরুল মু‘মিনীন! আপনি কি জানেন না, তিন ধরণের লোকের উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছেঃ (১) পাগল, যতক্ষণ না সুস্থ হয়, (২) নিদ্রিত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয় এবং (৩) নাবালেগ শিশু, যতক্ষণ না বালেগ হবে। তিনি বললেন, হ্যাঁ। আলী (রাঃ) বলেন, তাহলে তাকে পাথর মারা হবে কেন? তিনি বলেন, কোনো কারণ নেই। আলী (রাঃ) বলেন, তবে তাকে ছেড়ে দিন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাকে ছেড়ে দিলেন এবং ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি উচ্চারণ করলেন।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابي ظبيان، عن ابن عباس، قال اتي عمر بمجنونة قد زنت فاستشار فيها اناسا فامر بها عمر ان ترجم فمر بها على علي بن ابي طالب رضوان الله عليه فقال ما شان هذه قالوا مجنونة بني فلان زنت فامر بها عمر ان ترجم . قال فقال ارجعوا بها ثم اتاه فقال يا امير المومنين اما علمت ان القلم قد رفع عن ثلاثة عن المجنون حتى يبرا وعن النايم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يعقل قال بلى . قال فما بال هذه ترجم قال لا شىء . قال فارسلها . قال فارسلها . قال فجعل يكبر
। আ‘মাশ (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। এতে রয়েছেঃ তিনি বলেন, নাবালেগ যতক্ষণ না বুদ্ধিমান হবে। তিনি বলেনঃ পাগল যতক্ষণ না সুস্থ জ্ঞানসম্পন্ন হবে। বর্ণনাকারী বলেন, উমার (রাঃ) ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনি দিতে থাকেন।[1] সহীহ।
حدثنا يوسف بن موسى، حدثنا وكيع، عن الاعمش، نحوه وقال ايضا حتى يعقل . وقال وعن المجنون حتى يفيق . قال فجعل عمر يكبر
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ)-এর পাশ দিয়ে যাওয়া ... অতঃপর উসমান ইবনু অবূ শাইরাহ বর্ণিত হাদীসের সমার্থবোধক হাদীস বর্ণিত। তিনি বলেন, আপনার কি মনে নেই, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন প্রকার লোকের উপর থেকে কলম তুলে রাখা হয়েছেঃ (১) নির্বোধ পাগল, যতক্ষণ না সুস্থ হয়, (২) নিদ্রিত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয় এবং (৩) নাবালেগ শিশু, যতক্ষণ না প্রাপ্তবয়স্ক হয়। একথা শুনে উমার (রাঃ) বলেন, আপনি সত্যিই বলেছেন। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি দন্ডিতাকে ছেড়ে দিলেন।[1] সহীহ।
حدثنا ابن السرح، اخبرنا ابن وهب، اخبرني جرير بن حازم، عن سليمان بن مهران، عن ابي ظبيان، عن ابن عباس، قال مر على علي بن ابي طالب رضى الله عنه بمعنى عثمان . قال اوما تذكر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " رفع القلم عن ثلاثة عن المجنون المغلوب على عقله حتى يفيق وعن النايم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يحتلم " . قال صدقت قال فخلى عنها سبيلها
। আবূ যিবয়ান (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হান্নাদ আল-জানবী বলেছেনঃ একদা এক যেনাকারিনীকে উমার (রাঃ)-এর নিকট হাযির করা হলে তিনি তাকে পাথর মেরে হত্যার আদেশ দেন। এ সময় আলী (রাঃ) ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় তাকে ছেড়ে দিলেন। উমার (রাঃ) এ সংবাদ পেয়ে আলী (রাঃ)-কে ডেকে পাঠান। আলী (রাঃ) তার নিকট এসে বলেন, হে আমীরুল মু‘মিনীন! আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন প্রকার লোকের উপর থেকে কলম তুলে রাখা হয়েছেঃ (১) নাবালেগ, যতক্ষণ না বালেগ হয়, (২) নিদ্রিত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয় এবং (৩) পাগল, যতক্ষণ না সুস্থ হয়। আর এ তো অমুক গোত্রের পাগলিনী। সে যা করেছে, সম্ভবত উম্মাদ অবস্থায় তা করেছে। বর্ণনাকারী বলেন। উমার (রাঃ) বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই। অতঃপর আলী (রাঃ) বলেন, আমিও জানতাম না।[1] সহীহঃ এ কথাটি বাদেঃ ‘‘সম্ভবত উম্মাদ অবস্থায়...।’’
حدثنا هناد، عن ابي الاحوص، ح وحدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، - المعنى - عن عطاء بن السايب، عن ابي ظبيان، - قال هناد - الجنبي قال اتي عمر بامراة قد فجرت فامر برجمها فمر علي رضى الله عنه فاخذها فخلى سبيلها فاخبر عمر قال ادعوا لي عليا . فجاء علي رضى الله عنه فقال يا امير المومنين لقد علمت ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " رفع القلم عن ثلاثة عن الصبي حتى يبلغ وعن النايم حتى يستيقظ وعن المعتوه حتى يبرا " . وان هذه معتوهة بني فلان لعل الذي اتاها اتاها وهي في بلايها . قال فقال عمر لا ادري . فقال علي عليه السلام وانا لا ادري
। আলী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিন ধরণের লোকের উপর থেকে কলম উঠিয়ে নেয়া হয়েছেঃ (১) ঘুমন্ত ব্যক্তি, যতক্ষণ না জাগ্রত হয়, (২) নাবালেগ, যতক্ষণ না সে বালেগ হয় এবং (৩) পাগল, যতক্ষণ না জ্ঞানসম্পন্ন হয়। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, ইবনু জুরাইজ পর্যায়ক্রমে কাসমম ইবনু ইয়াযীদ থেকে আলী (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে এ হাদীস বর্ণনা করেন। তাতে 'বার্ধক্যজনিত কারণে নিস্তেজ বুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি' কথাটুকু রয়েছে।[1] সহীহ।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، عن خالد، عن ابي الضحى، عن علي، عليه السلام عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " رفع القلم عن ثلاثة عن النايم حتى يستيقظ وعن الصبي حتى يحتلم وعن المجنون حتى يعقل " . قال ابو داود رواه ابن جريج عن القاسم بن يزيد عن علي رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم زاد فيه " والخرف
। আতিয়্যাহ আল-কুরাযী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বনী কুরাইযার বন্দীদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম। তারা দেখতো, যার নাভীর নীচে চুল উঠেছে তাকে হত্যা করা হতো; আর যার উঠেনি, তাকে হত্যা করা হতো না। আর আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম, যাদের তা উঠেনি।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، اخبرنا عبد الملك بن عمير، حدثني عطية القرظي، قال كنت من سبى بني قريظة فكانوا ينظرون فمن انبت الشعر قتل ومن لم ينبت لم يقتل فكنت فيمن لم ينبت
। আব্দুল মালিক ইবনু উমাইর (রহঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। আতিয়্যাহ (রাঃ) বলেন, তারা (মুসলিমরা) আমার নাভীর নীচ অনাবৃত করে দেখলো যে, চুল উঠেনি। সুতরাং তারা আমাকে বন্দীদের অন্তর্ভুক্ত করলো।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، بهذا الحديث قال فكشفوا عانتي فوجدوها لم تنبت فجعلوني في السبى
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। উহুদ যুদ্ধের সময় তাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির করা হয়। তখন তিনি চৌদ্দ বছরের বালক ছিলেন। তিনি তাকে অনুমতি দেননি। আবার খন্দক যুদ্ধের সময়ও তাকে হাযির করা হয়, তখন তিনি ছিলেন পনের বছরের তরুণ। তখন তিনি তাকে (যুদ্ধ করার) অনুমতি দেন।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال اخبرني نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم عرضه يوم احد وهو ابن اربع عشرة سنة فلم يجزه وعرضه يوم الخندق وهو ابن خمس عشرة سنة فاجازه
। উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাফি‘ (রহঃ) বলেছেন, আমি এ হাদীস উমার ইবনু আব্দুর আযীয (রহঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, এ বয়সটাই নাবালেগ ও সাবালেগের মধ্যকার সীমারেখা।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا ابن ادريس، عن عبيد الله بن عمر، قال قال نافع حدثت بهذا الحديث، عمر بن عبد العزيز فقال ان هذا الحد بين الصغير والكبير
। জুনাদাহ ইবনু আবূ উমাইয়্যাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বুসর ইবনু আরতাত (রাঃ)-এর সাথে নৌযুদ্ধে ছিলাম। এ সময় মিসদার নামক এক চোরকে ধরে তার নিকট হাযির করা হলো। সে একটি উষ্ট্রী চুরি করেছিল। তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ সফরে হাত কাটা যাবে না। অন্যথায় আমি অবশ্যই এর হাত কেটে দিতাম।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، اخبرني حيوة بن شريح، عن عياش بن عباس القتباني، عن شييم بن بيتان، ويزيد بن صبح الاصبحي، عن جنادة بن ابي امية، قال كنا مع بسر بن ارطاة في البحر فاتي بسارق يقال له مصدر قد سرق بختية فقال قد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تقطع الايدي في السفر " . ولولا ذلك لقطعته
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ডেকে বললেন, হে আবূ যার! আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনার সৌভাগ্যপূর্ণ দরবারে উপস্থিত। তিনি বললেনঃ তুমি কী করবে যখন মানুষ মৃত্যুমুখে পতিত হবে এবং তখন একটি ঘর অর্থাৎ কবরের ক্রয়মূল্য হবে একটি ক্রীতদাসের মূল্যের সমান? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন অথবা আল্লাহ ও তাঁর রাসূল আমার জন্য যা পছন্দ করেন। তিনি বললেনঃ তুমি তখন ধৈর্য ধরবে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, হাম্মাদ ইবনু আবূ সুলাইমান বলেছেন, কাফন চোরের হাত কাটতে হবে; কেননা সে মৃত ব্যক্তির ঘরে হানা দেয়।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن ابي عمران، عن المشعث بن طريف، عن عبد الله بن الصامت، عن ابي ذر، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا ابا ذر " . قلت لبيك يا رسول الله وسعديك . فقال " كيف انت اذا اصاب الناس موت يكون البيت فيه بالوصيف " . يعني القبر . قلت الله ورسوله اعلم او ما خار الله لي ورسوله . قال " عليك بالصبر " . او قال " تصبر " . قال ابو داود قال حماد بن ابي سليمان يقطع النباش لانه دخل على الميت بيته
। জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক চোরকে ধরে আনা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে চুরি করেছে। তিনি বললেনঃ এর হাত কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, তার হাত কেটে দেয়া হলো। অতঃপর তাকে দ্বিতীয়বার তাঁর নিকট ধরে আনা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহ রাসূল! সে তো চুরি করেছে। তিনি আদেশ দিলেন, তোমরা এর অপর হাত কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, তার হাত কেটে দেয়া হলো। তৃতীয়াবার তাকে তাঁর নিকট ধরে আনা হলে তিনি বলেনঃ তোমরা একে হত্যা করো। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে তো চুরি করেছে। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমরা তার অঙ্গ (এক পা) কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এবার তার পা কাটা হলো। অতঃপর চতুর্থবার তাকে ধরে আনা হলে তিনি তাকে হত্যা করার আদেশ দেন। লোকেরা বললো, হে আল্লাহর রাসূল! সে তো চুরি করেছে। তিনি বললেনঃ তাহলে তারে (আরেক পা) কেটে দাও। বর্ণনাকারী বলেন, এবারত তার অপর পা কাটা হলো। অতঃপর পঞ্চমবার তাকে ধরে আনা হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে হত্যা করার আদেশ দেন। জাবির (রাঃ) বলেন, অতএব আমরা তাকে নিয়ে গিয়ে হত্যা করলাম এবং হেঁচড়িয়ে টেনে নিয়ে একটি কূপে ফেলে দিয়ে তার উপর পাথরচাপা দিলাম।[1] হাসান।
حدثنا محمد بن عبد الله بن عبيد بن عقيل الهلالي، حدثنا جدي، عن مصعب بن ثابت بن عبد الله بن الزبير، عن محمد بن المنكدر، عن جابر بن عبد الله، قال جيء بسارق الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله انما سرق . فقال " اقطعوه " . قال فقطع ثم جيء به الثانية فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله انما سرق . فقال " اقطعوه " . قال فقطع ثم جيء به الثالثة فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله انما سرق . قال " اقطعوه " . ثم اتي به الرابعة فقال " اقتلوه " . فقالوا يا رسول الله انما سرق . قال " اقطعوه " . فاتي به الخامسة فقال " اقتلوه " . قال جابر فانطلقنا به فقتلناه ثم اجتررناه فالقيناه في بير ورمينا عليه الحجارة