Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৩ হাদিসসমূহ
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى ( وَلاَ تَحْسَبَنَّ اللهَ غَافِلاً عَمَّا يَعْمَلُ الظَّالِمُونَ إِنَّمَا يُؤَخِّرُهُمْ لِيَوْمٍ تَشْخَصُ فِيهِ الأَبْصَارُ مُهْطِعِينَ مُقْنِعِي رُءُوسِهِمْ ) رَافِعِي الْمُقْنِعُ وَالْمُقْمِحُ وَاحِدٌ وَقَالَ مُجَاهِدٌ (مُهْطِعِينَ) مُدِيمِي النَّظَرِ وَيُقَالُ مُسْرِعِينَ (لاَ يَرْتَدُّ إِلَيْهِمْ طَرْفُهُمْ وَأَفْئِدَتُهُمْ هَوَاءٌ) يَعْنِي جُوفًا لاَ عُقُولَ لَهُمْ ( وَأَنْذِرْ النَّاسَ يَوْمَ يَأْتِيهِمْ الْعَذَابُ فَيَقُولُ الَّذِينَ ظَلَمُوا رَبَّنَا أَخِّرْنَا إِلَى أَجَلٍ قَرِيبٍ نُجِبْ دَعْوَتَكَ وَنَتَّبِعْ الرُّسُلَ أَوَلَمْ تَكُونُوا أَقْسَمْتُمْ مِنْ قَبْلُ مَا لَكُمْ مِنْ زَوَالٍ وَسَكَنْتُمْ فِي مَسَاكِنِ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَنْفُسَهُمْ وَتَبَيَّنَ لَكُمْ كَيْفَ فَعَلْنَا بِهِمْ وَضَرَبْنَا لَكُمْ الأَمْثَالَ وَقَدْ مَكَرُوا مَكْرَهُمْ وَعِنْدَ اللهِ مَكْرُهُمْ وَإِنْ كَانَ مَكْرُهُمْ لِتَزُولَ مِنْهُ الْجِبَالُ فَلاَ تَحْسِبَنَّ اللهَ مُخْلِفَ وَعْدِهِ رُسُلَهُ إِنَّ اللهَ عَزِيزٌ ذُو انْتِقَامٍ ) আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘আর তুমি কখনও মনে করো না যে, যালিমরা যা করে সে সম্বন্ধে আল্লাহ বেখবর। তবে তিনি তাদেরকে অবকাশ দেন সেদিন পর্যন্ত, যেদিন চক্ষুসমূহ বিস্ফারিত হবে। ভীত-বিহবল চিত্তে মস্তক ঊর্ধ্বমুখী করে তারা দৌড়াতে থাকবে, নিজেদের দিকে তাদের দৃষ্টি ফিরে আসবে না এবং তাদের অন্তর হবে শূন্য।’’ (لاَ يَرْتَدُّ إِلَيْهِمْ طَرْفُهُمْ وَأَفْئِدَتُهُمْ هَوَاءٌ) অর্থাৎ উপরের দিকে তাদের মাথা তুলে। ﴿الْمُقْنِعُ﴾ এবং ﴿الْمُقْمِعُ﴾ সমার্থক শব্দ। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, (مُهْطِعِينَ) অর্থ দৃষ্টি অবনত করে। ﴿هَوَاءٌ) শব্দের অর্থ জ্ঞানশূন্য। আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘কাজেই মানুষকে সতর্ক কর সেদিনের ব্যাপারে যেদিন তাদের উপর ‘আযাব আসবে। যারা জুলুম করেছিল তারা তখন বলবে, ‘হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে অল্পদিনের জন্য সময় দাও, আমরা তোমার আহবানে সাড়া দিব আর রাসূলদের কথা মেনে চলব।’ (তখন তাদেরকে বলা হবে) তোমরা কি পূর্বে শপথ করে বলনি যে, তোমাদের কক্ষনো পতন ঘটবে না? অথচ তোমরা সেই লোকগুলোর বাসভূমিতে বসবাস করছিলে যারা নিজেদের প্রতি জুলুম করেছিল আর তোমাদেরকে স্পষ্ট করে দেখিয়ে দেয়া হয়েছিল আমি তাদের সঙ্গে কেমন ব্যবহার করেছিলাম। আর আমি বহু উদাহরণ টেনে তোমাদেরকে বুঝিয়েও দিয়েছিলাম। তারা যে চক্রান্ত করেছিল তা ছিল সত্যিই ভয়ানক, কিন্তু তাদের চক্রান্ত আল্লাহ্র দৃষ্টির ভিতরেই ছিল, যদিও তাদের চক্রান্তগুলো এমন ছিল যে, তাতে পর্বতও টলে যেত। (অবস্থা যতই প্রতিকূল হোক না কেন) তুমি কক্ষনো মনে কর না যে, আল্লাহ তাঁর রাসূলগণকে দেয়া ওয়া‘দা খেলাপ করবেন, আল্লাহ মহা প্রতাপশালী, প্রবল প্রতিশোধ গ্রহণকারী।’’ (ইবরাহীমঃ ৪২-৪৭) ২৪৪০. আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মু’মিনগণ যখন জাহান্নাম হতে মুক্তি পাবে, তখন জান্নাত ও জাহান্নামের মাঝখানে এক পুলের উপর তাদের আটকে রাখা হবে। তখন পৃথিবীতে একের প্রতি অন্যের যা যা জুলুম ও অন্যায় ছিল, তার প্রতিশোধ গ্রহণের পরে যখন তারা পরিচ্ছন্ন হয়ে যাবে, তখন তাদেরকে জান্নাতে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হবে। সেই সত্তার কসম! যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, নিশ্চয়ই তাদের প্রত্যেকে পৃথিবীতে তার আবাসস্থল যেরূপ চিনত, তার চেয়ে অধিক তার জান্নাতের আবাসস্থল চিনতে পারবে। (৬৫৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا معاذ بن هشام، حدثني ابي، عن قتادة، عن ابي المتوكل الناجي، عن ابي سعيد الخدري رضى الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا خلص المومنون من النار حبسوا بقنطرة بين الجنة والنار، فيتقاصون مظالم كانت بينهم في الدنيا، حتى اذا نقوا وهذبوا اذن لهم بدخول الجنة، فوالذي نفس محمد صلى الله عليه وسلم بيده لاحدهم بمسكنه في الجنة ادل بمنزله كان في الدنيا ". وقال يونس بن محمد حدثنا شيبان عن قتادة حدثنا ابو المتوكل
সাফওয়ান ইবনু মুহরিব আল-মাযিনী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর সাথে তাঁর হাত ধরে চলছিলাম। এ সময় এক ব্যক্তি এসে বলল, কিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর মু’মিন বান্দার একান্তে কথাবার্তা সম্পর্কে আপনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কী বলতে শুনেছেন? তখন তিনি বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছি যে, আল্লাহ তা‘আলা মু’মিন ব্যক্তিকে নিজের কাছে নিয়ে আসবেন এবং তার উপর স্বীয় আবরণ দ্বারা তাকে ঢেকে নিবেন। তারপর বলবেন, অমুক পাপের কথা কি তুমি জান? তখন সে বলবে, হ্যাঁ, হে আমার প্রতিপালক! এভাবে তিনি তার কাছ হতে তার পাপগুলো স্বীকার করিয়ে নিবেন। আর সে মনে করবে যে, তার ধ্বংস অনিবার্য। তখন আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, আমি পৃথিবীতে তোমার পাপ গোপন করে রেখেছিলাম। আর আজ আমি তা মাফ করে দিব’’। তারপর তার নেকের আমলনামা তাকে দেয়া হবে। কিন্তু কাফির ও মুনাফিকদের সম্পর্কে সাক্ষীরা বলবে, এরাই তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে মিথ্যা বলেছিল। সাবধান, যালিমদের উপর আল্লাহর অভিসম্পাত। (৪৬৮৫, ৬০৭০, ৭৫১৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا همام، قال اخبرني قتادة، عن صفوان بن محرز المازني، قال بينما انا امشي، مع ابن عمر رضى الله عنهما اخذ بيده اذ عرض رجل، فقال كيف سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم في النجوى فقال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان الله يدني المومن فيضع عليه كنفه، ويستره فيقول اتعرف ذنب كذا اتعرف ذنب كذا فيقول نعم اى رب. حتى اذا قرره بذنوبه وراى في نفسه انه هلك قال سترتها عليك في الدنيا، وانا اغفرها لك اليوم. فيعطى كتاب حسناته، واما الكافر والمنافقون فيقول الاشهاد هولاء الذين كذبوا على ربهم، الا لعنة الله على الظالمين
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, মুসলিম মুসলিমের ভাই। সে তার উপর জুলুম করবে না এবং তাকে যালিমের হাতে সোপর্দ করবে না। যে কেউ তার ভাইয়ের অভাব পূরণ করবে,আল্লাহ তার অভাব পূরণ করবেন।যে কেউ তার মুসলিম ভাইয়ের বিপদ দুর করবে, আল্লাহ তা‘আলা কিয়ামতের দিন তার বিপদসমূহ দূর করবেন। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের দোষ ঢেকে রাখবে, আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার দোষ ঢেকে রাখবেন। (৬৯৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، ان سالما، اخبره ان عبد الله بن عمر رضى الله عنهما اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " المسلم اخو المسلم، لا يظلمه ولا يسلمه، ومن كان في حاجة اخيه كان الله في حاجته، ومن فرج عن مسلم كربة فرج الله عنه كربة من كربات يوم القيامة، ومن ستر مسلما ستره الله يوم القيامة
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে যালিম হোক অথবা মাযলুম। (অর্থাৎ যালিম ভাইকে যুলুম থেকে বিরত রাখবে এবং মাযলুম ভাইকে যালিমের হাত হতে রক্ষা করবে)। (২৪৪৪, ৬৯৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا هشيم، اخبرنا عبيد الله بن ابي بكر بن انس، وحميد الطويل، سمعا انس بن مالك رضى الله عنه يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انصر اخاك ظالما او مظلوما
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে যালিম হোক অথবা মাযলুম। তিনি (আনাস) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! মাযলুমকে সাহায্য করব, তা তো বুঝলাম। কিন্তু যালিমকে কি করে সাহায্য করব? তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি তার হাত ধরে তাকে বিরত রাখবে। (অর্থাৎ তাকে যুলুম করতে দিবে না)। (২৪৪৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، عن حميد، عن انس رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انصر اخاك ظالما او مظلوما ". قالوا يا رسول الله هذا ننصره مظلوما، فكيف ننصره ظالما قال " تاخذ فوق يديه
বারা ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সাতটি বিষয়ে নির্দেশ দিয়েছেন এবং সাতটি বিষয়ে নিষেধ করেছেন। তারপর তিনি উল্লেখ করলেন, অসুস্থদের খোঁজখবর নেয়া, জানাযায় পিছে পিছে যাওয়া, হাঁচির জবাবে ইয়ারহামুকাল্লাহ্ বলা, সালামের উত্তর দেয়া, অত্যাচারিতকে সাহায্য করা, আহবানকারীর প্রতি সাড়া দেয়া, কসমকারীকে দায়িত্ব মুক্ত করা। (১২৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن الربيع، حدثنا شعبة، عن الاشعث بن سليم، قال سمعت معاوية بن سويد، سمعت البراء بن عازب رضى الله عنهما قال امرنا النبي صلى الله عليه وسلم بسبع، ونهانا عن سبع. فذكر عيادة المريض، واتباع الجنايز، وتشميت العاطس، ورد السلام، ونصر المظلوم، واجابة الداعي، وابرار المقسم
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এক মু’মিন আর এক মু’মিনের জন্য ইমারত তুল্য, যার এক অংশ আর এক অংশকে সুদৃঢ় করে। আর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক হাতের আঙ্গুল আর এক হাতের আঙ্গুলে প্রবেশ করিয়ে দেখালেন। (৪৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المومن للمومن كالبنيان يشد بعضه بعضا ". وشبك بين اصابعه
بَاب الِانْتِصَارِ مِنْ الظَّالِمِ لِقَوْلِهِ جَلَّ ذِكْرُهُ ৪৬/৬. অত্যাচারী হতে প্রতিশোধ নেয়া। ( لاَ يُحِبُّ اللهُ الْجَهْرَ بِالسُّوءِ مِنْ الْقَوْلِ إِلاَّ مَنْ ظُلِمَ وَكَانَ اللهُ سَمِيعًا عَلِيمًا ) ( وَالَّذِينَ إِذَا أَصَابَهُمْ الْبَغْيُ هُمْ يَنْتَصِرُونَ ) قَالَ إِبْرَاهِيمُ كَانُوا يَكْرَهُونَ أَنْ يُسْتَذَلُّوا فَإِذَا قَدَرُوا عَفَوْا আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘মন্দ কথার প্রচারণা আল্লাহ পছন্দ করেন না, তবে যার উপর যুলুম করা হয়েছে। আর আল্লাহ শ্রবণকারী, জ্ঞানী’’- (আন-নিসাঃ ১৪৮)। ‘‘এবং যারা অত্যাচারিত হলে প্রতিশোধ গ্রহণ করে’’- (শূরাঃ ৩৯)। ইবরাহীম (রহ.) বলেন, সহাবায়ে কিরাম (রাঃ) অপমানিত হওয়াকে পছন্দ করতেন না, তবে ক্ষমতা লাভ করলে মাফ করে দিতেন। 46/7. بَاب عَفْوِ الْمَظْلُومِ ৪৬/৭. অধ্যায় : নির্যাতিতকে ক্ষমা করা। لِقَوْلِهِ تَعَالَى ( إِنْ تُبْدُوا خَيْرًا أَوْ تُخْفُوهُ أَوْ تَعْفُوا عَنْ سُوءٍ فَإِنَّ اللهَ كَانَ عَفُوًّا قَدِيرًا ) ( وَجَزَاءُ سَيِّئَةٍ سَيِّئَةٌ مِثْلُهَا فَمَنْ عَفَا وَأَصْلَحَ فَأَجْرُهُ عَلَى اللهِ إِنَّهُ لاَ يُحِبُّ الظَّالِمِينَ وَلَمَنْ انْتَصَرَ بَعْدَ ظُلْمِهِ فَأُولَئِكَ مَا عَلَيْهِمْ مِنْ سَبِيلٍ إِنَّمَا السَّبِيلُ عَلَى الَّذِينَ يَظْلِمُونَ النَّاسَ وَيَبْغُونَ فِي الأَرْضِ بِغَيْرِ الْحَقِّ أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ أَلِيمٌ وَلَمَنْ صَبَرَ وَغَفَرَ إِنَّ ذَلِكَ لَمِنْ عَزْمِ الأُمُورِ) (وَتَرَى الظَّالِمِينَ لَمَّا رَأَوْا الْعَذَابَ يَقُولُونَ هَلْ إِلَى مَرَدٍّ مِنْ سَبِيلٍ) আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা সৎকর্ম প্রকাশ্যে করলে অথবা গোপনে করলে অথবা দোষ ক্ষমা করলে আল্লাহও দোষ মোচনকারী, শক্তিমান’’- (আন-নিসাঃ ১৪৯)। ‘‘মন্দের প্রতিফল অনুরূপ মন্দ, কিন্তু যে মাফ করে দেয় এবং আপোষে নিষ্পত্তি করে, তার পুরস্কার আল্লাহর নিকটই রয়েছে। তিনি যালিমদের পছন্দ করেন না। তবে অত্যাচারিত হওয়ার পর যারা প্রতিবিধান করে, তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। কেবল তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অবলম্বন করা হবে, যারা মানুষের উপর জুলুম করে এবং পৃথিবীতে অন্যায়ভাবে বিদ্রোহাচরণ করে বেড়ায়। এদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। অবশ্য যে ধৈর্য ধারণ করে এবং মাফ করে দেয়, এতো হবে দৃঢ়সংকল্পের কাজ। আল্লাহ যাকে পথভ্রষ্ট করেন তার জন্য কোন অভিভাবক নেই। যালিমরা (কিয়ামতের দিন) যখন শাস্তি দেখবে, তখন আপনি তাদের বলতে শুনবেন প্রত্যাবর্তনের কোন পথ আছে কি?’’ (শূরা (৪২) : ৪০-৪৪) ২৪৪৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জুলুম কিয়ামতের দিন অনেক অন্ধকারের রূপ ধারণ করবে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا عبد العزيز الماجشون، اخبرنا عبد الله بن دينار، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الظلم ظلمات يوم القيامة
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মু‘আয (রাঃ)-কে ইয়ামানে পাঠান এবং তাকে বলেন, মাযলুমের ফরিয়াদকে ভয় করবে। কেননা, তার ফরিয়াদ এবং আল্লাহর মাঝে কোন পর্দা থাকে না। (১৩৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا وكيع، حدثنا زكرياء بن اسحاق المكي، عن يحيى بن عبد الله بن صيفي، عن ابي معبد، مولى ابن عباس عن ابن عباس رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذا الى اليمن، فقال " اتق دعوة المظلوم، فانها ليس بينها وبين الله حجاب
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রমহানি বা অন্য কোন বিষয়ে যুলুমের জন্য দায়ী থাকে, সে যেন আজই তার কাছ হতে মাফ করিয়ে নেয়, সে দিন আসার পূর্বে যে দিন তার কোন দ্বীনার বা দিরহাম থাকবে না। সে দিন তার কোন সৎকর্ম না থাকলে তার যুলুমের পরিমাণ তা তার নিকট হতে নেয়া হবে আর তার কোন সৎকর্ম না থাকলে তার প্রতিপক্ষের পাপ হতে নিয়ে তা তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহ.) বলেন, ইসমাঈল ইবনু উয়াইস (রহ.) বলেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরী (রহ.) কবরস্থানের পার্শ্বে অবস্থান করতেন বলে আল-মাকবুরী বলা হত। আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহ.) এও বলেছেন, সাঈদ আল-মাকবুরী হলেন, বনূ লাইসের আযাদকৃত গোলাম। ইনি হলেন সাঈদ ইবনু আবূ সাঈদ। আর আবূ সাঈদের নাম হলো কায়সান। (৬৫৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم بن ابي اياس، حدثنا ابن ابي ذيب، حدثنا سعيد المقبري، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من كانت له مظلمة لاحد من عرضه او شىء فليتحلله منه اليوم، قبل ان لا يكون دينار ولا درهم، ان كان له عمل صالح اخذ منه بقدر مظلمته، وان لم تكن له حسنات اخذ من سييات صاحبه فحمل عليه ". قال ابو عبد الله قال اسماعيل بن ابي اويس انما سمي المقبري لانه كان نزل ناحية المقابر. قال ابو عبد الله وسعيد المقبري هو مولى بني ليث، وهو سعيد بن ابي سعيد، واسم ابي سعيد كيسان
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, ‘‘কোন স্ত্রী যদি স্বামীর অবজ্ঞা ও উপেক্ষার ভয় করে’’- (আন-নিসাঃ ১২৮) আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে তিনি (‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর কাছে বেশী যাওয়া-আসা করত না বরং তাকে পরিত্যাগ অর্থাৎ তালাক দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করত। [1] এ অবস্থায় স্ত্রী বলল, আমি তোমাকে আমার ব্যাপারে দায়মুক্ত করে দিলাম। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে এই আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। (২৬৯৪, ৪৬০১, ৫২০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها – {وان امراة خافت من بعلها نشوزا او اعراضا} قالت الرجل تكون عنده المراة، ليس بمستكثر منها، يريد ان يفارقها، فتقول اجعلك من شاني في حل. فنزلت هذه الاية في ذلك
সাহল ইবনু সা‘দ সায়াদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে কিছু পানীয় দ্রব্য আনা হল। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা হতে কিছুটা পান করলেন। তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ডান দিকে বসা ছিল একটি বালক, আর বাম দিকে ছিলেন বয়োজ্যেষ্ঠরা। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বালকটিকে বললেন, এ বয়োজ্যেষ্ঠদেরকে দেয়ার জন্য তুমি আমাকে অনুমতি দিবে কি? তখন বালকটি বলল, না, হে আল্লাহর রাসূল! আল্লাহর কসম! আমি আপনার কাছ হতে প্রাপ্য আমার অংশে কাউকে অগ্রাধিকার দিব না। রাবী বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানির পেয়ালাটা তার হাতে ঠেলে দিলেন। (২৩৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابي حازم بن دينار، عن سهل بن سعد الساعدي رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اتي بشراب، فشرب منه وعن يمينه غلام وعن يساره الاشياخ، فقال للغلام " اتاذن لي ان اعطي هولاء ". فقال الغلام لا والله يا رسول الله لا اوثر بنصيبي منك احدا. قال فتله رسول الله صلى الله عليه وسلم في يده
সাঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কারো জমির অংশ জুলুম করে কেড়ে নেয়, কিয়ামতের দিন এর সাত তবক জমিন তার গলায় লটকিয়ে দেয়া হবে। (৩১৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال حدثني طلحة بن عبد الله، ان عبد الرحمن بن عمرو بن سهل، اخبره ان سعيد بن زيد رضى الله عنه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من ظلم من الارض شييا طوقه من سبع ارضين
আবূ সালামাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বর্ণনা করেন যে, তাঁর এবং কয়েকজন লোকের মধ্যে একটি বিবাদ ছিল। ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর কাছে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, হে আবূ সালামাহ! জমির ব্যাপারে সতর্ক থাক। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি এক বিঘত জমি অন্যায়ভাবে নিয়ে নেয়, (কিয়ামতের দিন) এর সাত তবক জমি তার গলায় লটকিয়ে দেয়া হবে। (৩১৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا حسين، عن يحيى بن ابي كثير، قال حدثني محمد بن ابراهيم، ان ابا سلمة، حدثه انه، كانت بينه وبين اناس خصومة، فذكر لعايشة رضى الله عنها فقالت يا ابا سلمة اجتنب الارض، فان النبي صلى الله عليه وسلم قال " من ظلم قيد شبر من الارض طوقه من سبع ارضين
সালিম (রহ.)-এর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে সামান্য পরিমাণ জমিও নিয়ে নিবে, কিয়ামতের দিন তাকে সাত তবক জমিনের নীচ পর্যন্ত ধসিয়ে দেয়া হবে। আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু মুবারক (রহ.) কর্তৃক খুরাসানে রচিত হাদীসগ্রন্থে এ হাদীসটি নেই। এ হাদীসটি বসরায় লোকজনকে শুনানো হয়েছে। (৩১৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا عبد الله بن المبارك، حدثنا موسى بن عقبة، عن سالم، عن ابيه رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " من اخذ من الارض شييا بغير حقه خسف به يوم القيامة الى سبع ارضين ". قال ابو عبد الله هذا الحديث ليس بخراسان في كتاب ابن المبارك، املاه عليهم بالبصرة
জাবালাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মাদ্বীনায় কিছু সংখ্যক ইরাকী লোকের সাথে ছিলাম। একবার আমরা দুর্ভিক্ষের কবলে পতিত হই, তখন ইবনু যুবাইর (রাঃ) আমাদেরকে খেজুর খেতে দিতেন। ইবনু উমার (রাঃ) আমাদের নিকট দিয়ে যেতেন এবং বলতেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাউকে তার ভাইয়ের অনুমতি ব্যতীত এক সাথে দু’টো করে খেজুর খেতে নিষেধ করেছেন। (২৪৮৯, ২৪৯০, ৫৪৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، حدثنا شعبة، عن جبلة، كنا بالمدينة في بعض اهل العراق، فاصابنا سنة، فكان ابن الزبير يرزقنا التمر، فكان ابن عمر رضى الله عنهما يمر بنا فيقول ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الاقران، الا ان يستاذن الرجل منكم اخاه
আবূ মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আবূ শুয়াইব (রাঃ) নামক এক আনসারীর গোশত বিক্রেতা একজন গোলাম ছিল। একদিন আবূ শুয়াইব (রাঃ) তাকে বললেন, আমার জন্য পাঁচজন লোকের খাবার তৈরী কর। আমি আশা করছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে দাওয়াত করব। আর তিনি উক্ত পাঁচজনের একজন। উক্ত আনসারী নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর চেহারায় ক্ষুধার ছাপ লক্ষ্য করেছিলেন। কাজেই তিনি তাঁকে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাওয়াত করলেন। কিন্তু তাঁদের সঙ্গে আরেকজন লোক আসলেন, যাকে দাওয়াত করা হয়নি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আনসারীকে) বললেন, এ আমাদের পিছে পিছে চলে এসেছে। তুমি কি তাকে অনুমতি দিচ্ছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (২০৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا ابو عوانة، عن الاعمش، عن ابي وايل، عن ابي مسعود، ان رجلا، من الانصار يقال له ابو شعيب كان له غلام لحام فقال له ابو شعيب اصنع لي طعام خمسة لعلي ادعو النبي صلى الله عليه وسلم خامس خمسة. وابصر في وجه النبي صلى الله عليه وسلم الجوع فدعاه، فتبعهم رجل لم يدع فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ان هذا قد اتبعنا اتاذن له ". قال نعم
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহর নিকট সেই লোক সবচেয়ে বেশী ঘৃণিত, যে অতি ঝগড়াটে। (৪০২৩, ৭১৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم، عن ابن جريج، عن ابن ابي مليكة، عن عايشة رضى الله عنها عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان ابغض الرجال الى الله الالد الخصم
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিনী উম্মু সালামাহ (রাযি.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন যে, একদিন তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরের দরজার নিকটে ঝগড়ার শব্দ শুনতে পেয়ে তাদের নিকট বেরিয়ে আসলেন। [তাঁর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে বিচার চাওয়া হল] তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তো একজন মানুষ। আমার কাছে (কোন কোন সময়) ঝগড়াকারীরা আসে। তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ অন্যের চেয়ে অধিক বাকপটু। তখন আমি মনে করি যে, সে সত্য বলেছে। তাই আমি তার পক্ষে রায় দেই। বিচারে যদি আমি ভুলবশত অন্য কোন মুসলিমের হক তাকে দিয়ে থাকি, তবে তা দোযখের টুকরা। এখন সে তা গ্রহণ করুক বা ত্যাগ করুক। (২৬৮০, ৬৯৬৭, ৭১৬৯, ৮১৮১, ৭১৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني ابراهيم بن سعد، عن صالح، عن ابن شهاب، قال اخبرني عروة بن الزبير، ان زينب بنت ام سلمة، اخبرته ان امها ام سلمة رضى الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم اخبرتها عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه سمع خصومة بباب حجرته، فخرج اليهم، فقال " انما انا بشر وانه ياتيني الخصم، فلعل بعضكم ان يكون ابلغ من بعض، فاحسب انه صدق، فاقضي له بذلك، فمن قضيت له بحق مسلم فانما هي قطعة من النار، فلياخذها او فليتركها
‘আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, চারটি স্বভাব যার মধ্যে থাকে, সে মুনাফিক অথবা যার মধ্যে এ চারটি স্বভাবের কোন একটা থাকে, তার মধ্যেও মুনাফিকীর একটি স্বভাব থাকে, যে পর্যন্ত না সে তা পরিত্যাগ করে। (১) সে যখন কথা বলে মিথ্যা বলে (২) যখন ওয়াদা করে ভঙ্গ করে (৩) যখন চুক্তি করে তা লঙ্ঘন করে (৪) যখন ঝগড়া করে অশ্লীল বাক্যালাপ করে। (৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا بشر بن خالد، اخبرنا محمد، عن شعبة، عن سليمان، عن عبد الله بن مرة، عن مسروق، عن عبد الله بن عمرو رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اربع من كن فيه كان منافقا، او كانت فيه خصلة من اربعة كانت فيه خصلة من النفاق، حتى يدعها اذا حدث كذب، واذا وعد اخلف، واذا عاهد غدر، واذا خاصم فجر