Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৭ হাদিসসমূহ
অতঃপর আমরা উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর নিকট গেলাম। তিনিও অনুরূপ কথাই বললেন। (১৯২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮০৫ শেষাংশ)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن سمى، مولى ابي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام بن المغيرة انه سمع ابا بكر بن عبد الرحمن، كنت انا وابي،، فذهبت معه، حتى دخلنا على عايشة رضى الله عنها قالت اشهد على رسول الله صلى الله عليه وسلم ان كان ليصبح جنبا من جماع غير احتلام، ثم يصومه. ثم دخلنا على ام سلمة، فقالت مثل ذلك
অতঃপর আমরা উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর নিকট গেলাম। তিনিও অনুরূপ কথাই বললেন। (১৯২৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮০৫ শেষাংশ)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن سمى، مولى ابي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام بن المغيرة انه سمع ابا بكر بن عبد الرحمن، كنت انا وابي،، فذهبت معه، حتى دخلنا على عايشة رضى الله عنها قالت اشهد على رسول الله صلى الله عليه وسلم ان كان ليصبح جنبا من جماع غير احتلام، ثم يصومه. ثم دخلنا على ام سلمة، فقالت مثل ذلك
وَقَالَ عَطَاءٌ إِنْ اسْتَنْثَرَ فَدَخَلَ الْمَاءُ فِي حَلْقِهِ لاَ بَأْسَ إِنْ لَمْ يَمْلِكْ وَقَالَ الْحَسَنُ إِنْ دَخَلَ حَلْقَهُ الذُّبَاب فَلاَ شَيْءَ عَلَيْهِ وَقَالَ الْحَسَنُ وَمُجَاهِدٌ إِنْ جَامَعَ نَاسِيًا فَلاَ شَيْءَ عَلَيْهِ ‘আত্বা (রহ.) বলেন, নাকে পানি দিতে গিয়ে যদি তা কন্ঠনালীতে ঢুকে যায়, আর সে ফিরাতে সক্ষম না হয় তা হলে কোন দোষ নেই। হাসান (রহ.) বলেন, সায়িম ব্যক্তির কন্ঠনালীতে মাছি ঢুকে পড়লে তার কিছু করতে হবে না। হাসান এবং মুজাহিদ (রহ.) বলেছেন, সায়িম ব্যক্তি যদি ভুলবশতঃ স্ত্রী সহবাস করে ফেলে, তবে তার কিছু করতে হবে না। ১৯৩৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সওম পালনকারী ভুলক্রমে যদি আহার করে বা পান করে ফেলে, তাহলে সে যেন তার সওম পুরা করে নেয়। কেননা আল্লাহই তাকে পানাহার করিয়েছেন। (৬৬৬৯, মুসলিম ১৩/৩৩, হাঃ ১১৫৫, আহমাদ ৬৬৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯৫ ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، اخبرنا يزيد بن زريع، حدثنا هشام، حدثنا ابن سيرين، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا نسي فاكل وشرب فليتم صومه، فانما اطعمه الله وسقاه
وَيُذْكَرُ عَنْ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَسْتَاكُ، وَهُوَ صَائِمٌ مَا لاَ أُحْصِي أَوْ أَعُدُّ. وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ عِنْدَ كُلِّ وُضُوءٍ». وَيُرْوَى نَحْوُهُ عَنْ جَابِرٍ وَزَيْدِ بْنِ خَالِدٍ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلَمْ يَخُصَّ الصَّائِمَ مِنْ غَيْرِهِ. وَقَالَتْ عَائِشَةُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَطْهَرَةٌ لِلْفَمِ، مَرْضَاةٌ لِلرَّبِّ». وَقَالَ عَطَاءٌ وَقَتَادَةُ يَبْتَلِعُ رِيقَهُ ‘আমির ইবনু রাবী‘আহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে সায়িম অবস্থায় অসংখ্য বার মিসওয়াক করতে দেখেছি। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমার উম্মাতের জন্য যদি কষ্টকর মনে না করতাম তাহলে প্রতিবার উযুর সময়ই আমি তাদের মিসওয়াকের নির্দেশ দিতাম। জাবির (রাঃ) এবং যায়েদ ইবনু খালিদ (রাঃ)-এর সূত্রে নবী সল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং তিনি সায়িম এবং যে সায়িম নয়, তাদের মধ্যে কোন পার্থক্য করেননি। ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, মিসওয়াক করায় রয়েছে মুখের পবিত্রতা ও আল্লাহর সন্তুষ্টি। ‘আত্বা (রহ.) এবং কাতাদাহ (রহ.) বলেছেন, সায়িম তার মুখের থুথু গিলে ফেলতে পারে। ১৯৩৪. হুমরান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উসমান (রাঃ)-কে উযূ করতে দেখেছি। তিনি তিনবার হাতের উপর পানি ঢাললেন। এরপর কুলি করলেন, নাকে পানি দিলেন। অতঃপর তিনবার চেহারা (মুখমন্ডল) ধুলেন। এরপর ডান হাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন এবং বামহাত কনুই পর্যন্ত তিনবার ধুলেন। এরপর তিনি মাথা মাসাহ করলেন। অতঃপর ডান পা তিনবার ধুলেন অতঃপর বাম পা তিনবার ধুলেন। এরপর বললেন, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে উযূ করতে দেখেছি আমার এ উযূর মতই। এরপর তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি আমার এ উযূর মত উযূ করে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করবে এবং এতে মনে মনে কোন কিছুর চিন্তা-ভাবনায় লিপ্ত হবে না, তার অতীতের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে। (১৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا معمر، قال حدثني الزهري، عن عطاء بن يزيد، عن حمران، رايت عثمان رضى الله عنه توضا، فافرغ على يديه ثلاثا، ثم تمضمض واستنثر، ثم غسل وجهه ثلاثا، ثم غسل يده اليمنى الى المرفق ثلاثا، ثم غسل يده اليسرى الى المرفق ثلاثا، ثم مسح براسه، ثم غسل رجله اليمنى ثلاثا، ثم اليسرى ثلاثا، ثم قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم توضا نحو وضويي هذا، ثم قال " من توضا وضويي هذا، ثم يصلي ركعتين، لا يحدث نفسه فيهما بشىء، الا غفر له ما تقدم من ذنبه
بَاب قَوْلِ النَّبِيِّ إِذَا تَوَضَّأَ فَلْيَسْتَنْشِقْ بِمَنْخِرِهِ الْمَاءَ وَلَمْ يُمَيِّزْ بَيْنَ الصَّائِمِ وَغَيْرِهِ ৩০/২৮. অধ্যায় : নবী (সাঃ)-এর বাণী : যখন উযূ করবে তখন নাকের ছিদ্র দিয়ে পানি টেনে নিবে। وَقَالَ الْحَسَنُ لاَ بَأْسَ بِالسَّعُوطِ لِلصَّائِمِ إِنْ لَمْ يَصِلْ إِلَى حَلْقِهِ وَيَكْتَحِلُ وَقَالَ عَطَاءٌ إِنْ تَمَضْمَضَ ثُمَّ أَفْرَغَ مَا فِي فِيهِ مِنْ الْمَاءِ لاَ يَضِيرُهُ إِنْ لَمْ يَزْدَرِدْ رِيقَهُ وَمَاذَا بَقِيَ فِي فِيهِ وَلاَ يَمْضَغُ الْعِلْكَ فَإِنْ ازْدَرَدَ رِيقَ الْعِلْكِ لاَ أَقُولُ إِنَّهُ يُفْطِرُ وَلَكِنْ يُنْهَى عَنْهُ فَإِنْ اسْتَنْثَرَ فَدَخَلَ الْمَاءُ حَلْقَهُ لاَ بَأْسَ لَمْ يَمْلِكْ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সায়িম এবং সায়িম নয়, তাদের মধ্যে কোন পার্থক্য করেননি। হাসান (রহ.) বলেন, সায়িমের জন্য নাকে ঔষধ ব্যবহার করায় দোষ নেই যদি তা কন্ঠনালীতে না পৌঁছে এবং সে সুরমা ব্যবহার করতে পারবে। ‘আত্বা (রহ.) বলেন, কুলি করে মুখের পানি ফেলে দেয়ার পর থুথু এবং মুখের অবশিষ্ট পানি গিলে ফেলায় কোন ক্ষতি নেই এবং সায়িম গোন্দ (আঠা) চিবাবে না। গোন্দ চিবিয়ে যদি কেউ থুথু গিলে ফেলে, তা হলে তার সওম নষ্ট হয়ে যাবে, আমি এ কথা বলছি না, তবে এরূপ করা হতে নিষেধ করা উচিত। وَيُذْكَرُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَفَعَهُ مَنْ أَفْطَرَ يَوْمًا مِنْ رَمَضَانَ مِنْ غَيْرِ عُذْرٍ وَلاَ مَرَضٍ لَمْ يَقْضِهِ صِيَامُ الدَّهْرِ وَإِنْ صَامَهُ وَبِهِ قَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ وَقَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ وَالشَّعْبِيُّ وَابْنُ جُبَيْرٍ وَإِبْرَاهِيمُ وَقَتَادَةُ وَحَمَّادٌ يَقْضِي يَوْمًا مَكَانَهُ আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে একটি মারফূ‘ হাদীস বর্ণিত আছে, যে ব্যক্তি ওযর এবং রোগ ব্যতীত রমাযানের একটি সওম ভেঙ্গে ফেলল, তার সারা জীবনের সওমের দ্বারাও এ কাযা আদায় হবে না, যদিও সে সারা জীবন সওম পালন করে। ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ)-ও অনুরূপ কথাই বলেছেন। সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব, শা‘বী, ইবনু যুবায়র, ইব্রাহীম, কাতাদাহ এবং হাম্মাদ (রহ.) বলেছেন, তার স্থলে একদিন কাযা করবে। ১৯৩৫. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে বলল যে, সে তো জ্বলে গেছে। তিনি বললেনঃ তোমার কি হয়েছে? লোকটি বলল, রমাযানে আমি স্ত্রী সহবাস করে ফেলেছি। এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে (খেজুর ভর্তি) ঝুড়ি এল, যাকে ‘আরাক (১৫ সা‘ পরিমাণ) বলা হয়। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ অগ্নিদগ্ধ লোকটি কোথায়? লোকটি বলল, আমি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ গুলো সদাকাহ করে দাও। (৬৮২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن منير، سمع يزيد بن هارون، حدثنا يحيى هو ابن سعيد ان عبد الرحمن بن القاسم، اخبره عن محمد بن جعفر بن الزبير بن العوام بن خويلد، عن عباد بن عبد الله بن الزبير، اخبره انه، سمع عايشة رضى الله عنها تقول ان رجلا اتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال انه احترق. قال " مالك ". قال اصبت اهلي في رمضان. فاتي النبي صلى الله عليه وسلم بمكتل، يدعى العرق فقال " اين المحترق ". قال انا. قال " تصدق بهذا
فَتُصُدِّقَ عَلَيْهِ فَلْيُكَفِّرْ এবং তাকে সদাকাহ দেয়া হয়, তাহলে সে যেন তা কাফ্ফারা স্বরূপ দিয়ে দেয়। ১৯৩৬. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপবিষ্ট ছিলাম। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমি ধ্বংস হয়ে গেছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার কী হয়েছে? সে বলল, আমি সায়িম অবস্থায় আমার স্ত্রীর সাথে মিলিত হয়েছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আযাদ করার মত কোন ক্রীতদাস তুমি পাবে কি? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তুমি কি একাধারে দু’মাস সওম পালন করতে পারবে? সে বলল, না। এরপর তিনি বললেনঃ ষাটজন মিসকীন খাওয়াতে পারবে কি? সে বলল, না। রাবী বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেমে গেলেন, আমরাও এ অবস্থায় ছিলাম। এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এক ‘আরাক পেশ করা হল যাতে খেজুর ছিল। ‘আরাক হল ঝুড়ি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ প্রশ্নকারী কোথায়? সে বলল, আমি। তিনি বললেনঃ এগুলো নিয়ে সদাকাহ করে দাও। তখন লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার চাইতেও বেশি অভাবগ্রস্তকে সদাকাহ করব? আল্লাহর শপথ, মাদ্বীনার উভয় লাবা অর্থাৎ উভয় প্রান্তের মধ্যে আমার পরিবারের চেয়ে অভাবগ্রস্ত কেউ নেই। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে উঠলেন এবং তাঁর দাঁত (আনইয়াব) দেখা গেল। অতঃপর তিনি বললেনঃ এগুলো তোমার পরিবারকে খাওয়াও। (১৯৩৭, ২৬০০, ৫৩৬৮, ৬০৮৭, ৬১৬৪, ৬৭০৯, ৬৭১০, ৬৭১১, ৬৮২১, মুসলিম ১৩/১৪, হাঃ ১১১১, আহমাদ ৭২৯৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني حميد بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة رضى الله عنه قال بينما نحن جلوس عند النبي صلى الله عليه وسلم اذ جاءه رجل، فقال يا رسول الله هلكت. قال " ما لك ". قال وقعت على امراتي وانا صايم. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل تجد رقبة تعتقها ". قال لا. قال " فهل تستطيع ان تصوم شهرين متتابعين ". قال لا. فقال " فهل تجد اطعام ستين مسكينا ". قال لا. قال فمكث النبي صلى الله عليه وسلم، فبينا نحن على ذلك اتي النبي صلى الله عليه وسلم بعرق فيها تمر والعرق المكتل قال " اين السايل ". فقال انا. قال " خذها فتصدق به ". فقال الرجل اعلى افقر مني يا رسول الله فوالله ما بين لابتيها يريد الحرتين اهل بيت افقر من اهل بيتي، فضحك النبي صلى الله عليه وسلم حتى بدت انيابه ثم قال " اطعمه اهلك
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে এসে বলল, এই হতভাগা স্ত্রী সহবাস করেছে রমাযানে। তিনি বললেনঃ তুমি কি একটি গোলাম আযাদ করতে পারবে? লোকটি বলল, না। তিনি বললেনঃ তুমি কি ক্রমাগত দু’ মাস সিয়াম পালন করতে পারবে? লোকটি বলল, না। তিনি বললেনঃ তুমি কি ষাটজন মিসকীন খাওয়াতে পারবে? সে বলল, না। এমতাবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এক ‘আরাক অর্থাৎ এক ঝুড়ি খেজুর এল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এগুলো তোমার তরফ হতে লোকদেরকে আহার করাও। লোকটি বলল, আমার চাইতেও অধিক অভাবগ্রস্ত কে? অথচ মাদ্বীনার উভয় লাবার অর্থাৎ হাররার মধ্যবর্তী স্থলে আমার পরিবারের চেয়ে অধিক অভাবগ্রস্ত কেউ নেই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হলে তুমি স্বীয় পরিবারকেই খাওয়াও। (১৯৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن ابي هريرة رضى الله عنه جاء رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال ان الاخر وقع على امراته في رمضان. فقال " اتجد ما تحرر رقبة ". قال لا. قال " فتستطيع ان تصوم شهرين متتابعين ". قال لا. قال " افتجد ما تطعم به ستين مسكينا ". قال لا. قال فاتي النبي صلى الله عليه وسلم بعرق فيه تمر وهو الزبيل قال " اطعم هذا عنك ". قال على احوج منا ما بين لابتيها اهل بيت احوج منا. قال " فاطعمه اهلك
وَقَالَ لِي يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلاَّمٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَكَمِ بْنِ ثَوْبَانَ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ t إِذَا قَاءَ فَلاَ يُفْطِرُ إِنَّمَا يُخْرِجُ وَلاَ يُولِجُ وَيُذْكَرُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ يُفْطِرُ وَالأَوَّلُ أَصَحُّ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَعِكْرِمَةُ الصَّوْمُ مِمَّا دَخَلَ وَلَيْسَ مِمَّا خَرَجَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ ثُمَّ تَرَكَهُ فَكَانَ يَحْتَجِمُ بِاللَّيْلِ وَاحْتَجَمَ أَبُو مُوسَى لَيْلاً وَيُذْكَرُ عَنْ سَعْدٍ وَزَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ وَأُمِّ سَلَمَةَ احْتَجَمُوا صِيَامًا وَقَالَ بُكَيْرٌ عَنْ أُمِّ عَلْقَمَةَ كُنَّا نَحْتَجِمُ عِنْدَ عَائِشَةَ فَلاَ تَنْهَى وَيُرْوَى عَنْ الْحَسَنِ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مَرْفُوعًا فَقَالَ أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ وَقَالَ لِي عَيَّاشٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ مِثْلَهُ قِيلَ لَهُ عَنْ النَّبِيِّ قَالَ نَعَمْ ثُمَّ قَالَ اللهُ أَعْلَمُ ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, ইয়াহইয়া ইবনু সালিহ (রহ.) আমাকে বলেছেন...আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বমি করলে সওম ভঙ্গ হয় না। কেননা এতে কিছু বের হয়, ভিতরে প্রবেশ করে না। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে এও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন, সওম ভঙ্গ হয়ে যাবে। প্রথম উক্তিটি বেশি সহীহ। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) এবং ‘ইকরিমাহ (রহ.) বলেন, কোন কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে সওম নষ্ট হয়; কিন্তু বের হওয়ার কারণে নয়। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সায়িম অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতেন। অবশ্য পরবর্তী সময় তিনি দিনে শিঙ্গা লাগানো ছেড়ে দিয়ে রাতে শিঙ্গা লাগাতেন। আবূ মূসা (রাঃ) রাতে শিঙ্গা লাগিয়েছেন। সা‘ঈদ, যায়দ ইবনু আরকাম এবং উম্মু সালামাহ (রাযি.) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তাঁরা সকলেই সওম পালনকারী অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতেন। বুকায়র (রহ.) উম্মু ‘আলকামাহ (রহ.) হতে বর্ণনা করেন যে, আমরা ‘আয়িশাহ্ (রাযি.)-এর সামনে শিঙ্গা লাগাতাম, তিনি আমাদের নিষেধ করতেন না। হাসান (রহ.) হতে একাধিক রাবী সূত্রে মরফূ‘ হাদীসে আছে যে, শিঙ্গা প্রয়োগকারী এবং গ্রহণকারী উভয়ের সওমই নষ্ট হয়ে যাবে। ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, ‘আইয়াশ (রহ.) হাসান (রহ.) হতে আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এ কি নবী হতে বর্ণিত? তিনি বললেন, হাঁ। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহই সবচেয়ে অধিক জানেন। ১৯৩৮. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহরিম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন এবং সায়িম অবস্থায়ও শিঙ্গা লাগিয়েছেন। (১৮৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا معلى بن اسد، حدثنا وهيب، عن ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم احتجم، وهو محرم واحتجم وهو صايم
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সায়িম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন। (১৮৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ১৮০০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، حدثنا ايوب، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال احتجم النبي صلى الله عليه وسلم وهو صايم
সাবিত আল-বুনানী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে প্রশ্ন করা হল, আপনারা কি সায়িমের শিঙ্গা লাগানো (রক্তমোক্ষম) অপছন্দ করতেন? তিনি বললেন, না। তবে দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে অপছন্দ করতাম। শাবাবা (রহ.) শু‘বাহ, (রহ.) হতে عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে’ কথাটি অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم بن ابي اياس، حدثنا شعبة، قال سمعت ثابتا البناني، يسال انس بن مالك رضى الله عنه اكنتم تكرهون الحجامة للصايم قال لا. الا من اجل الضعف. وزاد شبابة حدثنا شعبة على عهد النبي صلى الله عليه وسلم
ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সফরে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ছিলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে বললেনঃ সওয়ারী হতে নেমে আমার জন্য ছাতু গুলিয়ে আন। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সূর্য এখনো অস্ত যায়নি। তিনি বললেনঃ সওয়ারী হতে নেমে আমার জন্য ছাতু গুলিয়ে আন। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! সূর্য এখনো ডুবেনি। তিনি বললেনঃ সওয়ারী হতে নামো এবং আমার জন্য ছাতু গুলিয়ে আন। অতঃপর সে সওয়ারী হতে নেমে ছাতু গুলিয়ে আনলে তিনি তা পান করলেন এবং হাতের ইঙ্গিতে বললেনঃ যখন দেখবে রাত এদিক হতে ঘনিয়ে আসছে তখন বুঝবে, সওম পালনকারী ব্যক্তির ইফতারের সময় হয়েছে। জারীর (রাঃ) এবং আবূ বাকর ইবনু ‘আইয়াশ...ইবনু আবূ ‘আওফা (রাঃ) হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, কোন এক সফরে আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ছিলাম। (১৯৫৫, ১৯৫৬, ১৯৫৮, ৫২৯৭, মুসলিম ১৩/১০, হাঃ ১১০১, আহমাদ ২৩১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن ابي اسحاق الشيباني، سمع ابن ابي اوفى رضى الله عنه قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر فقال لرجل " انزل فاجدح لي ". قال يا رسول الله الشمس. قال " انزل فاجدح لي ". قال يا رسول الله الشمس. قال " انزل فاجدح لي ". فنزل، فجدح له، فشرب، ثم رمى بيده ها هنا، ثم قال " اذا رايتم الليل اقبل من ها هنا فقد افطر الصايم ". تابعه جرير وابو بكر بن عياش عن الشيباني عن ابن ابي اوفى قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر
‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। হামযাহ ইবনু ‘আমর আসলামী (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি একাধারে সিয়ামব্রত পালন করছি। (১৯৪৩, মুসলিম ১৩/১৭, হাঃ ১১২১, আহমাদ ১৬০৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن هشام، قال حدثني ابي، عن عايشة، ان حمزة بن عمرو الاسلمي، قال يا رسول الله اني اسرد الصوم
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, হামযাহ ইবনু ‘আমর আসলামী (রাঃ) অধিক সওম পালনে অভ্যস্ত ছিলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বললেন, আমি সফরেও কি সওম পালন করতে পারি? তিনি বললেনঃ ইচ্ছা করলে তুমি সওম পালন করতে পার, আবার ইচ্ছা করলে নাও করতে পার। (১৯৪২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان حمزة بن عمرو الاسلمي قال للنبي صلى الله عليه وسلم ااصوم في السفر وكان كثير الصيام. فقال " ان شيت فصم، وان شيت فافطر
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওমের অবস্থায় কোন এক রমাযানে মক্কার পথে যাত্রা করলেন। কাদীদ নামক স্থানে পৌঁছার পর তিনি সওম ভঙ্গ করে ফেললে লোকেরা সকলেই সওম ভঙ্গ করলেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেন, ‘উসফান ও কুদায়দ নামক দুই স্থানের মধ্যে কাদীদ একটি ঝর্ণা। (১৯৪৮, ২৯৫৩, ৪২৭৫, ৪২৭৬, ৪২৭৭, ৪২৭৮, ৪২৭৯, মুসলিম ১৩/১৫, হাঃ ১১১৩, আহমাদ ২১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج الى مكة في رمضان فصام حتى بلغ الكديد افطر، فافطر الناس. قال ابو عبد الله والكديد ماء بين عسفان وقديد
আবুদ্ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন এক সফরে প্রচন্ড গরমের দিনে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে যাত্রা করলাম। গরম এত প্রচন্ড ছিল যে, প্রত্যেকেই আপন আপন হাত মাথার উপর তুলে ধরেছিলেন। এ সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং ইবনে রাওয়াহা (রাঃ) ব্যতীত আমাদের কেউই সিয়ামরত ছিলেন না। (মুসলিম ১৩/১৭, হাঃ ১১২২, আহমাদ ২৭৫৭৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا يحيى بن حمزة، عن عبد الرحمن بن يزيد بن جابر، ان اسماعيل بن عبيد الله، حدثه عن ام الدرداء، عن ابي الدرداء رضى الله عنه قال خرجنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض اسفاره في يوم حار حتى يضع الرجل يده على راسه من شدة الحر، وما فينا صايم الا ما كان من النبي صلى الله عليه وسلم وابن رواحة
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সফরে ছিলেন, হঠাৎ তিনি লোকের জটলা এবং ছায়ার নিচে এক ব্যক্তিকে দেখে জিজ্ঞেস করলেনঃ এর কী হয়েছে? লোকেরা বলল, সে সায়িম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সফরে সওম পালনে কোন সওয়াব নেই। (মুসলিম ১৫/১৩, হাঃ ১১১৫, আহমাদ ১৪৪৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০৬,, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا محمد بن عبد الرحمن الانصاري، قال سمعت محمد بن عمرو بن الحسن بن علي، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهم قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر، فراى زحاما، ورجلا قد ظلل عليه، فقال " ما هذا ". فقالوا صايم. فقال " ليس من البر الصوم في السفر
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সফরে যেতাম। সায়িম ব্যক্তি গায়ের সায়িমকে (যে সওম পালন করছে না) এবং গায়ের সায়িম ব্যক্তি সায়িমকে দোষারোপ করত না। (মুসলিম ১৩/১৫, হাঃ ১১১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن حميد الطويل، عن انس بن مالك، قال كنا نسافر مع النبي صلى الله عليه وسلم فلم يعب الصايم على المفطر، ولا المفطر على الصايم
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনা হতে মক্কা্য় রওয়ানা হলেন। তখন তিনি সওম পালন করছিলেন। ‘উসফানে পৌঁছার পর তিনি পানি আনার জন্য আদেশ করলেন। অতঃপর তিনি লোকদেরকে দেখানোর জন্য পানি হাতের উপর উঁচু করে ধরে সওম ভঙ্গ করলেন এবং এ অবস্থায় মক্কা্য় পৌঁছলেন। এ ছিল রমাযান মাসে। তাই ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলতেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওম পালন করেছেন এবং সওম ভঙ্গ করেছেন। যার ইচ্ছা সওম পালন করতে পারে আর যার ইচ্ছা সওম ভঙ্গ করতে পারে। (১৯৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا ابو عوانة، عن منصور، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم من المدينة الى مكة، فصام حتى بلغ عسفان، ثم دعا بماء فرفعه الى يديه ليريه الناس فافطر، حتى قدم مكة، وذلك في رمضان فكان ابن عباس يقول قد صام رسول الله صلى الله عليه وسلم وافطر، فمن شاء صام، ومن شاء افطر
(وَبَيِّنَاتٍ مِنْ الْهُدَى وَالْفُرْقَانِ فَمَنْ شَهِدَ مِنْكُمْ الشَّهْرَ فَلْيَصُمْهُ وَمَنْ كَانَ مَرِيضًا أَوْ عَلَى سَفَرٍ فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ يُرِيدُ اللهُ بِكُمْ الْيُسْرَ وَلاَ يُرِيدُ بِكُمْ الْعُسْرَ وَلِتُكْمِلُوا الْعِدَّةَ وَلِتُكَبِّرُوا اللهَ عَلَى مَا هَدَاكُمْ وَلَعَلَّكُمْ تَشْكُرُونَ) ইবনু ‘উমার (রাঃ) এবং সালামাহ ইবনু আকওয়া‘ (রাযি.) বলেন যে, উক্ত আয়াতকে রহিত করেছে এ আয়াতঃ ‘‘রমাযান মাস, এ মাসেই কুরআন অবতীর্ণ করা হয়েছে, যা মানুষের জন্য হিদায়াত, সৎপথের স্পষ্ট নিদর্শন এবং সত্যাসত্যের পার্থক্যকারী। সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাস পাবে সে যেন এ মাসে সিয়াম পালন করে। তবে কেউ অসুস্থ হলে কিংবা সফরে থাকলে সে অন্য সময়ে সওম এর সংখ্যা পূরণ করে দিবে। আল্লাহ চান তোমাদের জন্য সহজ করতে, তিনি এমন কিছু চান না যা তোমাদের জন্য কষ্টকর। যাতে তোমরা সংখ্যা পূরণ কর এবং তোমাদের সৎপথে পরিচালিত করার দরুন আল্লাহর মহিমা বর্ণনা কর এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে পার।’’ (আল-বাকারাহঃ ১৮৫) نَزَلَ رَمَضَانُ فَشَقَّ عَلَيْهِمْ فَكَانَ مَنْ أَطْعَمَ كُلَّ يَوْمٍ مِسْكِينًا تَرَكَ الصَّوْمَ مِمَّنْ يُطِيقُهُ وَرُخِّصَ لَهُمْ فِي ذَلِكَ فَنَسَخَتْهَا (وَأَنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ) فَأُمِرُوا بِالصَّوْمِ ইবনু নুমাইর (রহ.) ইবনু আবূ লায়লা (রহ.) হতে বর্ণনা করেন যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবীগণ আমাদের কাছে বর্ণনা করেছেন, রমাযানের হুকুম নাযিল হলে তা পালন করা তাঁদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়ায়। তাই তাঁদের মধ্যে কেউ সওম পালনে সক্ষম হওয়া সত্ত্বেও সওম ত্যাগ করে প্রতিদিনের পরিবর্তে একজন মিসকীনকে খাওয়াতো। এ ব্যাপারে তাদের অনুমতিও দেওয়া হয়েছিল।(وَأَنْ تَصُومُوا خَيْرٌ لَكُمْ) ‘আর সওম পালন করাই তোমাদের জন্য উত্তম’, এ আয়াতটি পূর্বের হুকুমকে রহিত করে দেয় এবং সবাইকে সওম পালনের নির্দেশ দেয়া হয়। ১৯৪৯. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি (فِدْيَةٌ طَعَامُ مَسَاكِينَ) আয়াতটি পড়ে বলেছেন যে, ইহা মানসূখ (রহিত)। (৪৫০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عياش، حدثنا عبد الاعلى، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قرا فدية طعام مساكين. قال هي منسوخة
وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لاَ بَأْسَ أَنْ يُفَرَّقَ لِقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ) وَقَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ فِي صَوْمِ الْعَشْرِ لاَ يَصْلُحُ حَتَّى يَبْدَأَ بِرَمَضَانَ وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ إِذَا فَرَّطَ حَتَّى جَاءَ رَمَضَانُ آخَرُ يَصُومُهُمَا وَلَمْ يَرَ عَلَيْهِ طَعَامًا وَيُذْكَرُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مُرْسَلاً وَابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ يُطْعِمُ وَلَمْ يَذْكُرْ اللهُ الإِطْعَامَ إِنَّمَا قَالَ (فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, পৃথক পৃথক রাখলে কোন ক্ষতি নেই। কেননা, আল্লাহ বলেছেন, (فَعِدَّةٌ مِنْ أَيَّامٍ أُخَرَ) ‘অন্যদিনে এর সংখ্যা পূর্ণ করবে’- (আল-বাকারাহ (২) : ১৮৪)। সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যাব (রহ.) বলেছেন, রমাযানের কাযা আদায় না করে যুলহাজ্জ মাসের প্রথম দশকে সওম পালন করা উচিত নয়। ইবরাহীম নাখ‘ঈ (রহ.) বলেন, অবহেলার কারণে যদি পরবর্তী রমাযান এসে যায় তাহলে উভয় রমাযানের সওম এক সাথে আদায় করবে। মিসকীন খাওয়াতে হবে বলে তিনি মনে করেন না। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। একটি মুরসাল হাদীসে এবং ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, সে খাওয়াবে; অথচ আল্লাহ তা‘আলা খাওয়ানোর কথাটি উল্লেখ করেননি। বরং তিনি বলেছেন, ‘অন্যদিনে এর সংখ্যা পূর্ণ করবে’- (আল-বাকারাহ : ১৮৪)। ১৯৫০. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার উপর রমাযানের যে কাযা হয়ে যেত তা পরবর্তী শা‘বান ব্যতীত আমি আদায় করতে পারতাম না। ইয়াহ্ইয়া (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ব্যস্ততার কারণে কিংবা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে ব্যস্ততার কারণে। (মুসলিম ১৩/২৬, হাঃ ১১৪৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا يحيى، عن ابي سلمة، قال سمعت عايشة رضى الله عنها تقول كان يكون على الصوم من رمضان، فما استطيع ان اقضي الا في شعبان. قال يحيى الشغل من النبي او بالنبي صلى الله عليه وسلم