Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৭ হাদিসসমূহ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের সাথে ঈলা করলেন। এ সময় তাঁর পা মচকে গিয়েছিল। তখন তিনি উপরের কামরায় ঊনত্রিশ রাত অবস্থান করেন। এরপর তিনি নেমে আসলে সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো এক মাসের জন্য ঈলা করেছিলেন। তিনি বললেনঃ মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়ে থাকে। (৩৭৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا سليمان بن بلال، عن حميد، عن انس رضى الله عنه قال الى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نسايه، وكانت انفكت رجله، فاقام في مشربة تسعا وعشرين ليلة، ثم نزل فقالوا يا رسول الله اليت شهرا. فقال " ان الشهر يكون تسعا وعشرين
قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ قَالَ إِسْحَاقُ وَإِنْ كَانَ نَاقِصًا فَهُوَ تَمَامٌ وَقَالَ مُحَمَّدٌ لاَ يَجْتَمِعَانِ كِلاَهُمَا نَاقِصٌ আবূ আবদুল্লাহ বলেন, ইসহাক বলেছেন, যদি কম (ঊনত্রিশ) হয় সেটাই পূর্ণ হিসেবে গণ্য। আর মুহাম্মাদ বলেন, (একই বছরে) উভয় ঈদ অপূর্ণ (ঊনত্রিশদিনের) মাস হবে না। ১৯১২. ‘আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকরা হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, দু’টি মাস কম হয় না। তা হল ঈদের দু’মাস- রমাযানের মাস ও যুলহাজ্জের মাস। আবূ ‘আবদুল্লাহ (রহ.) বলেছেন, আহমাদ ইবনু হাম্বল (রহ.) বলেন, রমাযান ঘাটতি হলে যুলহাজ্জ পূর্ণ হবে। আর যুলহাজ্জ ঘাটটি হলে রমাযান পূর্ণ হবে। আবুল হাসান (রহ.) বলেন, ইসহাক ইবনু রাহওয়াই (রহ.) বলেন, ফাযীলতের দিক হতে এ দু’ মাসে কোন ঘাটতি নেই, মাস ঊনত্রিশ দিনে হোক বা ত্রিশ দিনে হোক। (মুসলিম ১৩/৭, হাঃ ১০৮৯, আহমাদ ২০৫০১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، قال سمعت اسحاق، عن عبد الرحمن بن ابي بكرة، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم. وحدثني مسدد، حدثنا معتمر، عن خالد الحذاء، قال اخبرني عبد الرحمن بن ابي بكرة، عن ابيه رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " شهران لا ينقصان شهرا عيد رمضان وذو الحجة
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমরা উম্মী জাতি। আমরা লিখি না এবং হিসাবও করি না। মাস এরূপ অর্থাৎ কখনও ঊনত্রিশ দিনের আবার কখনো ত্রিশ দিনের হয়ে থাকে। (১৯০৮, মুসলিম ১৩/২, হাঃ ১০৮০, আহমাদ ৪৮১৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا الاسود بن قيس، حدثنا سعيد بن عمرو، انه سمع ابن عمر رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قال " انا امة امية، لا نكتب ولا نحسب الشهر هكذا وهكذا ". يعني مرة تسعة وعشرين، ومرة ثلاثين
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কেউ রমাযানের একদিন কিংবা দু’দিন আগে হতে সওম শুরু করবে না। তবে কেউ যদি এ সময় সিয়াম পালনে অভ্যস্ত থাকে তাহলে সে সেদিন সওম পালন করতে পারবে। (মুসলিম ১৩/৩, হাঃ ১০৮২, আহমাদ ১০১৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، حدثنا يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يتقدمن احدكم رمضان بصوم يوم او يومين، الا ان يكون رجل كان يصوم صومه فليصم ذلك اليوم
(أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ هُنَّ لِبَاسٌ لَكُمْ وَأَنْتُمْ لِبَاسٌ لَهُنَّ عَلِمَ اللهُ أَنَّكُمْ كُنْتُمْ تَخْتَانُونَ أَنْفُسَكُمْ فَتَابَ عَلَيْكُمْ وَعَفَا عَنْكُمْ فَالآنَ بَاشِرُوهُنَّ وَابْتَغُوا مَا كَتَبَ اللهُ لَكُمْ) ‘‘তোমাদের জন্য বৈধ করা হয়েছে সিয়ামের রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা। তারা তোমাদের পোশাক এবং তোমরা তাদের পোশাক। আল্লাহ জানতেন যে, তোমরা নিজেদের সাথে প্রতারণা করছিলে। সুতরাং তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করলেন এবং তোমাদের অব্যাহতি দিলেন। অতএব, এখন থেকে তোমরা তাদের সাথে সহবাস করতে পার এবং আল্লাহ তোমাদের জন্য যা কিছু বিধিবদ্ধ করেছেন তা কামনা কর।’’ (আল-বাকারাহ্ঃ ১৮৭) ১৯১৫. বারা’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাহাবীগণের অবস্থা এই ছিল যে, যদি তাঁদের কেউ সওম পালন করতেন তাহলে ইফ্তারের সময় হলে ইফ্তার না করে নিদ্রা গেলে সে রাত্রে এবং পরের দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত কিছুই খেতেন না। কায়স ইবনু সিরমা আনসারী (রাঃ) সওম করেছিলেন। ইফ্তারের সময় তিনি তাঁর স্ত্রীর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার কাছে কিছু খাবার আছে কি? তিনি বললেন, না, তবে আমি যাচ্ছি, দেখি আপনার জন্য কিছু খোঁজ করে আনি। তিনি দিনে কাজে নিয়োজিত থাকতেন। তাই ঘুমে তাঁর দু’চোখ বুজে গেল। এরপর তাঁর স্ত্রী এসে যখন তাঁকে দেখলেন, তখন তাঁকে বললেন, হায়, তুমি বঞ্চিত হয়ে গেলে! পরদিন দুপুর হলে তিনি অজ্ঞান হয়ে যান। এ ঘটনাটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উল্লেখ করা হলে কুরআনের এ আয়াত অবতীর্ণ হয়- ‘‘সিয়ামের রাতে তোমাদের স্ত্রী সম্ভোগ হালাল করা হয়েছে’’- (আল-বাকারাহ্ঃ ১৮৭)। এর হুকুম সম্বন্ধে অবহিত হয়ে সাহাবীগণ খুবই খুশি হলেন। এরপর নাযিল হলঃ ‘‘আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের সাদা রেখা পরিষ্কার দেখা যায়’’- (আল-বাকারাহ্ঃ ১৮৭)। (৪৫০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد الله بن موسى، عن اسراييل، عن ابي اسحاق، عن البراء رضى الله عنه قال كان اصحاب محمد صلى الله عليه وسلم اذا كان الرجل صايما، فحضر الافطار، فنام قبل ان يفطر لم ياكل ليلته ولا يومه، حتى يمسي، وان قيس بن صرمة الانصاري كان صايما، فلما حضر الافطار اتى امراته، فقال لها اعندك طعام قالت لا ولكن انطلق، فاطلب لك. وكان يومه يعمل، فغلبته عيناه، فجاءته امراته، فلما راته قالت خيبة لك. فلما انتصف النهار غشي عليه، فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فنزلت هذه الاية {احل لكم ليلة الصيام الرفث الى نسايكم} ففرحوا بها فرحا شديدا، ونزلت {وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الابيض من الخيط الاسود}
(وَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمْ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنْ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنْ الْفَجْرِ ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ) فِيهِ الْبَرَاءُ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‘‘আর তোমরা পানাহার কর যতক্ষণ না কালো রেখা থেকে ভোরের সাদা রেখা পরিষ্কার দেখা যায়। তারপর রোযা পূর্ণ কর রাত পর্যন্ত’’- (আল-বাকারাহঃ ১৮৭)। এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বারা‘ (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করেছেন। ১৯১৬. ‘আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এই আয়াত নাযিল হলোঃ (حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمْ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنْ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ) ‘‘তোমরা পানাহার কর (রাত্রির) কাল রেখা হতে (ভোরের) সাদা রেখা যতক্ষণ স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়’’ তখন আমি একটি কাল এবং একটি সাদা রশি নিলাম এবং উভয়টিকে আমার বালিশের নিচে রেখে দিলাম। রাতে আমি এগুলোর দিকে বারবার তাকাতে থাকি। কিন্তু আমার নিকট পার্থক্য প্রকাশিত হলো না। তাই সকালেই আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট গিয়ে এ বিষয় বললাম। তিনি বললেনঃ এতো রাতের আধার এবং দিনের আলো। (৪৫০৯, ৪৫১০, মুসলিম ১৩/৮, হাঃ ১০৯০, আহমাদ ১৯৩৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حجاج بن منهال، حدثنا هشيم، قال اخبرني حصين بن عبد الرحمن، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم رضى الله عنه قال لما نزلت {حتى يتبين لكم الخيط الابيض من الخيط الاسود} عمدت الى عقال اسود والى عقال ابيض، فجعلتهما تحت وسادتي، فجعلت انظر في الليل، فلا يستبين لي، فغدوت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكرت له ذلك فقال " انما ذلك سواد الليل وبياض النهار
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন এই আয়াত নাযিল হলঃ‘‘তোমরা পানাহার কর, যতক্ষণ কাল রেখা হতে সাদা রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়।’’ কিন্তু তখনো (مِنْ الْفَجْرِ) কথাটি নাযিল হয়নি। তখন সওম পালন করতে ইচ্ছুক লোকেরা নিজেদের দুই পায়ে একটি কাল এবং একটি সাদা সুতলি বেঁধে নিতেন এবং সাদা কাল এই দু’টির মধ্যে পার্থক্য না দেখা পর্যন্ত তাঁরা পানাহার করতে থাকতেন। এরপর আল্লাহ তা‘আলা-(مِنْ الْفَجْرِ) -ধ্বত্র শব্দটি নাযিল করলে সকলেই বুঝতে পারলেন যে, এ দ্বারা উদ্দেশ্য হল রাত (-এর আধার) এবং দিন (-এর আলো)। (৪৫১১, মুসলিম ১৩/৮, হাঃ ১০৯১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن ابي مريم، حدثنا ابن ابي حازم، عن ابيه، عن سهل بن سعد، ح. حدثني سعيد بن ابي مريم، حدثنا ابو غسان، محمد بن مطرف قال حدثني ابو حازم، عن سهل بن سعد، قال انزلت {وكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الابيض من الخيط الاسود} ولم ينزل من الفجر، فكان رجال اذا ارادوا الصوم ربط احدهم في رجله الخيط الابيض والخيط الاسود، ولم يزل ياكل حتى يتبين له رويتهما، فانزل الله بعد {من الفجر} فعلموا انه انما يعني الليل والنهار
কাসিম (রহ.) বলেন, এদের উভয়ের আযানের মাঝে শুধু এতটুকু ব্যবধান ছিল যে, একজন নামতেন এবং অন্যজন উঠতেন। (৬২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، عن ابي اسامة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر.والقاسم بن محمد عن عايشة رضى الله عنها ان بلالا، كان يوذن بليل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كلوا واشربوا حتى يوذن ابن ام مكتوم، فانه لا يوذن حتى يطلع الفجر ". قال القاسم ولم يكن بين اذانهما الا ان يرقى ذا وينزل ذا
কাসিম (রহ.) বলেন, এদের উভয়ের আযানের মাঝে শুধু এতটুকু ব্যবধান ছিল যে, একজন নামতেন এবং অন্যজন উঠতেন। (৬২২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، عن ابي اسامة، عن عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر.والقاسم بن محمد عن عايشة رضى الله عنها ان بلالا، كان يوذن بليل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كلوا واشربوا حتى يوذن ابن ام مكتوم، فانه لا يوذن حتى يطلع الفجر ". قال القاسم ولم يكن بين اذانهما الا ان يرقى ذا وينزل ذا
সাহল ইবনু ‘সাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার পরিবার-পরিজনের মাঝে সাহরী খেতাম। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সালাতে অংশ গ্রহণ করার জন্য জলদি করতাম। (৫৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عبيد الله، حدثنا عبد العزيز بن ابي حازم، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد رضى الله عنه قال كنت اتسحر في اهلي، ثم تكون سرعتي ان ادرك السجود مع رسول الله صلى الله عليه وسلم
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সাহরী খাই এরপর তিনি সালাতের জন্য দাঁড়ান। বর্ণনাকারী বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, আযান ও সাহরীর মাঝে কতটুকু ব্যবধান ছিল? তিনি বললেন, পঞ্চাশ আয়াত (পাঠ করা) পরিমাণ। (৫৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا هشام، حدثنا قتادة، عن انس، عن زيد بن ثابت رضى الله عنه قال تسحرنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم قام الى الصلاة. قلت كم كان بين الاذان والسحور قال قدر خمسين اية
لأَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابَهُ وَاصَلُوا وَلَمْ يُذْكَرْ السَّحُورُ কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ ক্রমাগতভাবে সওম পালন করেছেন কিন্তু সেখানে সাহরীর কোন উল্লেখ নেই। ১৯২২. ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটানা সওম পালন করতে থাকলে লোকেরাও একটানা সওম পালন করতে শুরু করে। এ কাজ তাদের জন্য কষ্টকর হয়ে দাঁড়াল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিষেধ করলেন। তারা বলল, আপনি যে এক নাগাড়ে সওম পালন করছেন? তিনি বললেনঃ আমি তো তোমাদের মত নই। আমাকে খাওয়ানো হয় ও পান করানো হয়। (১৯৬২, মুসলিম ১৩/১১, হাঃ ১১০২, আহমাদ ৬১৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ১৭৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا جويرية، عن نافع، عن عبد الله رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم واصل فواصل الناس فشق عليهم، فنهاهم. قالوا انك تواصل. قال " لست كهييتكم، اني اظل اطعم واسقى
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা সাহরী খাও, কেননা সাহরীতে বরকত রয়েছে। (মুসলিম ১৩/৯, হাঃ ১০৯৫, আহমাদ ১১৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ১৭৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم بن ابي اياس، حدثنا شعبة، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت انس بن مالك رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " تسحروا فان في السحور بركة
وَقَالَتْ أُمَّ الدَّرْدَاءِ كَانَ أَبُو الدَّرْدَاءِ يَقُولُ عِنْدَكُمْ طَعَامٌ فَإِنْ قُلْنَا لاَ قَالَ فَإِنِّي صَائِمٌ يَوْمِي هَذَا وَفَعَلَهُ أَبُو طَلْحَةَ وَأَبُو هُرَيْرَةَ وَابْنُ عَبَّاسٍ وَحُذَيْفَةُ উম্মু দারদা (রাঃ) বলেন যে, আবুদ-দারদা (রাঃ) তাঁকে এসে জিজ্ঞেস করতেন, তোমাদের কাছে কিছু খাবার আছে? আমরা যদি বলতাম, নেই, তাহলে তিনি বলতেন, আমি আজ সওম পালন করব। আবূ তালহা, আবূ হুরাইরাহ্, ইবনু ‘আব্বাস এবং হুযায়ফা (রাঃ) অনুরূপ করতেন। ১৯২৪. সালমা ইবনু আকওয়া‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ‘আশূরার দিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে এ বলে লোকদের মধ্যে ঘোষণা দেয়ার জন্য পাঠালেন যে, যে ব্যক্তি খেয়ে ফেলেছে সে যেন পূর্ণ করে নেয় অথবা বলেছেন, সে যেন সওম আদায় করে নেয় আর যে এখনো খায়নি সে যেন আর না খায়। (২০০৭, ৭২৬৫, মুসলিম ১৩/২১, হাঃ ১১৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم، عن يزيد بن ابي عبيد، عن سلمة بن الاكوع رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم بعث رجلا ينادي في الناس، يوم عاشوراء " ان من اكل فليتم او فليصم، ومن لم ياكل فلا ياكل
আবূ বাকর ইবনু ‘আবদুর রাহমান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আমার পিতা ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) এবং উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর নিকট গেলাম। (অপর বর্ণনায়) আবুল ইয়ামান (রহ.)...মারওয়ান (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) এবং উম্মু সালামাহ (রাযি.) তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নিজ স্ত্রীর সাথে মিলনজনিত জুনূবী অবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সওম পালন করতেন। মারওয়ান (রহ.) ‘আবদুর রাহমান ইবনু হারিস (রহ.)-কে বললেন, আল্লাহর শপথ করে বলছি, এ হাদীস শুনিয়ে তুমি আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-কে শঙ্কিত করে দিবে। এ সময় মারওয়ান (রহ.) মাদ্বীনার গভর্নর ছিলেন। আবূ বাকর (রহ.) বলেন, মারওয়ান এর কথা ‘আবদুর রাহমান (রহ.) পছন্দ করেননি। রাবী বলেন, এরপর ভাগ্যক্রমে আমরা যুল-হুলাইফাতে একত্রিত হই। সেখানে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর একখন্ড জমি ছিল। ‘আবদুর রাহমান (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-কে বললেন, আমি আপনার নিকট একটি কথা বলতে চাই, মারওয়ান যদি এ বিষয়টি আমাকে কসম দিয়ে না বলতেন, তা হলে আমি তা আপনার সঙ্গে আলোচনা করতাম না। অতঃপর তিনি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) ও উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর বর্ণিত উক্তিটি উল্লেখ করলেন। ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) অনুরূপ একটি হাদীস আমাকে শুনিয়েছেন এবং এ বিষয়ে তিনি সর্বাধিক অবগত। হাম্মাম (রহ.) এবং ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, এরূপ ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওম পরিত্যাগ করে খাওয়ার হুকুম দিতেন। প্রথমোক্ত হাদীসটি সনদের দিক হতে বিশুদ্ধ। (১৯২৫=১৯৩০, ১৯৩১) (১৯২৬=১৯৩২, মুসলিম ১৩/১৩, হাঃ ১১০৯, আহমাদ ২৬৬৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن سمى، مولى ابي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام بن المغيرة انه سمع ابا بكر بن عبد الرحمن، قال كنت انا وابي، حين دخلنا على عايشة وام سلمة ح. حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني ابو بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، ان اباه عبد الرحمن، اخبر مروان، ان عايشة، وام سلمة اخبرتاه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدركه الفجر وهو جنب من اهله، ثم يغتسل ويصوم. وقال مروان لعبد الرحمن بن الحارث اقسم بالله لتقرعن بها ابا هريرة. ومروان يوميذ على المدينة. فقال ابو بكر فكره ذلك عبد الرحمن، ثم قدر لنا ان نجتمع بذي الحليفة، وكانت لابي هريرة هنالك ارض، فقال عبد الرحمن لابي هريرة اني ذاكر لك امرا، ولولا مروان اقسم على فيه لم اذكره لك. فذكر قول عايشة وام سلمة. فقال كذلك حدثني الفضل بن عباس، وهن اعلم، وقال همام وابن عبد الله بن عمر عن ابي هريرة كان النبي صلى الله عليه وسلم يامر بالفطر. والاول اسند
আবূ বাকর ইবনু ‘আবদুর রাহমান (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এবং আমার পিতা ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) এবং উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর নিকট গেলাম। (অপর বর্ণনায়) আবুল ইয়ামান (রহ.)...মারওয়ান (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) এবং উম্মু সালামাহ (রাযি.) তাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, নিজ স্ত্রীর সাথে মিলনজনিত জুনূবী অবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ফজরের সময় হয়ে যেত। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সওম পালন করতেন। মারওয়ান (রহ.) ‘আবদুর রাহমান ইবনু হারিস (রহ.)-কে বললেন, আল্লাহর শপথ করে বলছি, এ হাদীস শুনিয়ে তুমি আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-কে শঙ্কিত করে দিবে। এ সময় মারওয়ান (রহ.) মাদ্বীনার গভর্নর ছিলেন। আবূ বাকর (রহ.) বলেন, মারওয়ান এর কথা ‘আবদুর রাহমান (রহ.) পছন্দ করেননি। রাবী বলেন, এরপর ভাগ্যক্রমে আমরা যুল-হুলাইফাতে একত্রিত হই। সেখানে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর একখন্ড জমি ছিল। ‘আবদুর রাহমান (রহ.) আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ)-কে বললেন, আমি আপনার নিকট একটি কথা বলতে চাই, মারওয়ান যদি এ বিষয়টি আমাকে কসম দিয়ে না বলতেন, তা হলে আমি তা আপনার সঙ্গে আলোচনা করতাম না। অতঃপর তিনি ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) ও উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর বর্ণিত উক্তিটি উল্লেখ করলেন। ফায্ল ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) অনুরূপ একটি হাদীস আমাকে শুনিয়েছেন এবং এ বিষয়ে তিনি সর্বাধিক অবগত। হাম্মাম (রহ.) এবং ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত, এরূপ ক্ষেত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওম পরিত্যাগ করে খাওয়ার হুকুম দিতেন। প্রথমোক্ত হাদীসটি সনদের দিক হতে বিশুদ্ধ। (১৯২৫=১৯৩০, ১৯৩১) (১৯২৬=১৯৩২, মুসলিম ১৩/১৩, হাঃ ১১০৯, আহমাদ ২৬৬৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن سمى، مولى ابي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام بن المغيرة انه سمع ابا بكر بن عبد الرحمن، قال كنت انا وابي، حين دخلنا على عايشة وام سلمة ح. حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني ابو بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام، ان اباه عبد الرحمن، اخبر مروان، ان عايشة، وام سلمة اخبرتاه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يدركه الفجر وهو جنب من اهله، ثم يغتسل ويصوم. وقال مروان لعبد الرحمن بن الحارث اقسم بالله لتقرعن بها ابا هريرة. ومروان يوميذ على المدينة. فقال ابو بكر فكره ذلك عبد الرحمن، ثم قدر لنا ان نجتمع بذي الحليفة، وكانت لابي هريرة هنالك ارض، فقال عبد الرحمن لابي هريرة اني ذاكر لك امرا، ولولا مروان اقسم على فيه لم اذكره لك. فذكر قول عايشة وام سلمة. فقال كذلك حدثني الفضل بن عباس، وهن اعلم، وقال همام وابن عبد الله بن عمر عن ابي هريرة كان النبي صلى الله عليه وسلم يامر بالفطر. والاول اسند
وَقَالَتْ عَائِشَةُ يَحْرُمُ عَلَيْهِ فَرْجُهَا ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, সওম পালনকারীর জন্য তার স্ত্রীর লজ্জাস্থান হারাম। ১৯২৭. ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সওমের অবস্থায় চুমু খেতেন এবং গায়ে গা লাগাতেন। তবে তিনি তার প্রবৃত্তি নিয়ন্ত্রণে তোমাদের চেয়ে অধিক সক্ষম ছিলেন। وَقَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ (مَآرِبُ) حَاجَةٌ قَالَ طَاوُسٌ (غَيْرِ أُولِي الإِرْبَةِ) الأَحْمَقُ لاَ حَاجَةَ لَهُ فِي النِّسَاءِ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন,(مَآرِبُ) মানে হাজত বা চাহিদা। তাউস (রহ.) বলেন, (غَيْرِ أُولِي الإِرْبَةِ) মানে বোধহীন, যার মেয়েদের প্রতি কোন খাহিশ নেই। (১৯২৮, মুসলিম ১৩/১১, হাঃ ১১০৬)(আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، قال عن شعبة، عن الحكم، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يقبل ويباشر، وهو صايم، وكان املككم لاربه. وقال قال ابن عباس {مارب} حاجة. قال طاوس {اولي الاربة} الاحمق لا حاجة له في النساء
وَقَالَ جَابِرُ بْنُ زَيْدٍ إِنْ نَظَرَ فَأَمْنَى يُتِمُّ صَوْمَهُ জাবির ইবনু যায়দ (রহ.) বলেন, (নারীদের দিকে) তাকালে যদি বীর্যপাত ঘটে, তাহলেও সওম পূর্ণ করবে। ১৯২৮. ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সায়িম অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোন কোন স্ত্রীকে চুমু খেতেন। (এ কথা বলে) ‘আয়িশাহ্ (রাযি.) হেসে দিলেন। (১৯২৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، عن هشام، قال اخبرني ابي، عن عايشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها قالت ان كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليقبل بعض ازواجه وهو صايم. ثم ضحكت
উম্মু সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে একই চাদরে আমি ছিলাম। এমন সময় আমার ঋতু শুরু হল। তখন আমি আমার হায়যের কাপড় পরিধান করলাম। তিনি বললেন : তোমার কী হলো? তোমার কি ঋতু দেখা দিয়েছে? আমি বললাম, হাঁ; অতঃপর আমি আবার তাঁর সঙ্গে চাদরের ভিতর ঢুকে পড়লাম। তিনি এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই পাত্র হতে গোসল করতেন এবং সায়িম অবস্থায় আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে চুমু দিতেন। (২৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن هشام بن ابي عبد الله، حدثنا يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن زينب ابنة ام سلمة، عن امها رضى الله عنهما قالت بينما انا مع، رسول الله صلى الله عليه وسلم في الخميلة اذ حضت فانسللت، فاخذت ثياب حيضتي فقال " ما لك انفست ". قلت نعم. فدخلت معه في الخميلة، وكانت هي ورسول الله صلى الله عليه وسلم يغتسلان من اناء واحد، وكان يقبلها وهو صايم
وَبَلَّ ابْنُ عُمَرَ ثَوْبًا فَأَلْقَاهُ عَلَيْهِ وَهُوَ صَائِمٌ وَدَخَلَ الشَّعْبِيُّ الْحَمَّامَ وَهُوَ صَائِمٌ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لاَ بَأْسَ أَنْ يَتَطَعَّمَ الْقِدْرَ أَوْ الشَّيْءَ وَقَالَ الْحَسَنُ لاَ بَأْسَ بِالْمَضْمَضَةِ وَالتَّبَرُّدِ لِلصَّائِمِ وَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ إِذَا كَانَ يَوْمُ صَوْمِ أَحَدِكُمْ فَلْيُصْبِحْ دَهِينًا مُتَرَجِّلاً وَقَالَ أَنَسٌ إِنَّ لِي أَبْزَنَ أَتَقَحَّمُ فِيهِ وَأَنَا صَائِمٌ وَيُذْكَرُ عَنْ النَّبِيِّ أَنَّهُ اسْتَاكَ وَهُوَ صَائِمٌ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ يَسْتَاكُ أَوَّلَ النَّهَارِ وَآخِرَهُ وَلاَ يَبْلَعُ رِيقَهُ وَقَالَ عَطَاءٌ إِنْ ازْدَرَدَ رِيقَهُ لاَ أَقُولُ يُفْطِرُ وَقَالَ ابْنُ سِيرِينَ لاَ بَأْسَ بِالسِّوَاكِ الرَّطْبِ قِيلَ لَهُ طَعْمٌ قَالَ وَالْمَاءُ لَهُ طَعْمٌ وَأَنْتَ تُمَضْمِضُ بِهِ وَلَمْ يَرَ أَنَسٌ وَالْحَسَنُ وَإِبْرَاهِيمُ بِالْكُحْلِ لِلصَّائِمِ بَأْسًا সওমরত অবস্থায় ইবনু ‘উমার (রাঃ) একটি কাপড় ভিজালেন এরপর তা গায়ে দেয়া হলো। সওমরত অবস্থায় শা‘বী (রহ.) গোসলখানায় প্রবেশ করেছেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, হাঁড়ি হতে কিছু বা অন্য কোন জিনিস চেটে স্বাদ দেখায় কোন দোষ নেই। হাসান (রহ.) বলেন, সওম পালনকারীর কুলি করা এবং ঠান্ডা লাগান দূষণীয় নয়। ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বলেন, তোমাদের কেউ সওম পালন করলে সে যেন সকালে তেল লাগায় এবং চুল আঁচড়িয়ে নেয়। আনাস (রাঃ) বলেন, আমার একটি হাউজ আছে, আমি সায়িম অবস্থায় তাতে প্রবেশ করি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি সায়িম অবস্থায় মিস্ওয়াক করতেন। ইবনু ‘উমার (রাঃ) সায়িম অবস্থায় দিনের প্রথমভাগে এবং শেষভাগে মিস্ওয়াক করতেন। ‘আত্বা (রহ.) বলেন, থুথু গিলে ফেললে সওম ভঙ্গ হয়েছে বলা যায় না। ইবনু সীরীন (রহ.) বলেন, কাঁচা মিসওয়াক ব্যবহারে কোন দোষ নেই। প্রশ্ন করা হল, কাঁচা মিসওয়াকের তো স্বাদ রয়েছে? তিনি বলেন, পানিরও তো স্বাদ আছে, অথচ এ পানি দিয়েই তুমি কুলি কর। আনাস (রাঃ), হাসান (রহ.) এবং ইব্রাহীম (রহ.) সায়িমের সুরমা ব্যবহারে কোন দোষ মনে করতেন না। ১৯৩০. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রমাযান মাসে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর ভোর হয়ে যেত ইহ্তিলাম (স্বপ্নদোষ) ব্যতীত (জুনুবী অবস্থায়)। তখন তিনি গোসল করতেন এবং সওম পালন করতেন। (১৯২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا ابن وهب، حدثنا يونس، عن ابن شهاب، عن عروة، وابي، بكر قالت عايشة رضى الله عنها كان النبي صلى الله عليه وسلم يدركه الفجر {جنبا} في رمضان، من غير حلم فيغتسل ويصوم