Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০২ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ৩৭. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) (তিনি নিজে) কাহারও সম্মুখ দিয়া চলাচল করিতেন না এবং অন্য কাহাকেও তাহার সামনে দিয়া চলিতে দিতেন না।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان لا يمر بين يدى احد ولا يدع احدا يمر بين يديه
রেওয়ায়ত ৩৮. আবদুল্লাহ্ ইবন আব্বাস (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমি একটি গাধীর উপর সওয়ার হইয়া আসিলাম। আমি সেই সময় সাবালগ হওয়ার কাছাকাছি বয়সে উপনীত হইয়াছি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন মিনাতে লোকদের নামায পড়াইতেছিলেন। আমি কোন একটি কাতারের মাঝ দিয়া চলিলাম, তারপর (সওয়ারী হইতে) অবতরণ করিয়া গাধীকে চরিবার জন্য ছাড়িয়া দিলাম এবং আমি কাতারে শামিল হইলাম। ইহার জন্য আমাকে কেউ কোন তিরস্কার করেন নাই।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن عبد الله بن عباس، انه قال اقبلت راكبا على اتان - وانا يوميذ قد ناهزت الاحتلام - ورسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي للناس بمنى فمررت بين يدى بعض الصف فنزلت فارسلت الاتان ترتع ودخلت في الصف فلم ينكر ذلك على احد
রেওয়ায়ত ৩৯. মালিক (রহঃ) বলেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, নামায কায়েম আছে, এমন অবস্থায় সা’দ ইবন আবি ওয়াক্কাস (রাঃ) কোন কোন সময় কাতারের মাঝ দিয়া চলাচল করিতেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যদি নামায আদায় হইয়া যায় এবং ইমাম নিয়ত করিয়া ফেলেন, তখন কোন ব্যক্তি কাতারের মাঝ দিয়া ব্যতীত অন্য কোন রাস্তায় মসজিদে প্রবেশ করিতে (নামাযে শামিল হওয়ার জন্য) না পারিলে, তাহার জন্য এ ব্যাপারে (কাতারের মধ্য দিয়া প্রবেশ করার) অবকাশ আছে বলিয়া আমি মনে করি।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان سعد بن ابي وقاص، كان يمر بين يدى بعض الصفوف والصلاة قايمة . قال مالك وانا ارى ذلك واسعا اذا اقيمت الصلاة وبعد ان يحرم الامام ولم يجد المرء مدخلا الى المسجد الا بين الصفوف
রেওয়ায়ত ৪০. মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, মুসল্লির সম্মুখ দিয়া যাহা কিছু চলাচল করে, তাহা নামায নষ্ট করে না। এইরূপ বলিয়াছেন আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ)। সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) বলিতেনঃ মুসল্লির সামনে দিয়া যাহা কিছু চলাচল করে উহার কোনটাই নামাযকে নষ্ট করে না।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان علي بن ابي طالب، قال لا يقطع الصلاة شىء مما يمر بين يدى المصلي
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، كان يقول لا يقطع الصلاة شىء مما يمر بين يدى المصلي
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، كان يقول لا يقطع الصلاة شىء مما يمر بين يدى المصلي
حدثني يحيى، عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عمر، كان يستتر براحلته اذا صلى
حدثني يحيى، عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عمر، كان يستتر براحلته اذا صلى
রেওয়ায়ত ৪২. মালিক (রহঃ) বলেনঃ তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) উটের পিঠের হাড় দ্বারা সুতরা করিতেন। হিশাম ইবন উরওয়াহ (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন- তিনি সুতরা সামনে না করিয়া মরুভূমিতে নামায পড়িতেন। (কারণ সেখানে লোকজনের চলাচল তেমন ছিল না।)
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، ان اباه، كان يصلي في الصحراء الى غير سترة
রেওয়ায়ত ৪২. আবু জাফর কারী (রহঃ) বলেন, আমি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে দেখিয়াছি, তিনি সিজদার জন্য যখন নত হইতেন, তখন তাহার কপাল রাখার স্থান হইতে খুব হালকাভাবে হাত বুলাইয়া কাঁকর সরাইতেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابي جعفر القاري، انه قال رايت عبد الله بن عمر اذا اهوى ليسجد مسح الحصباء لموضع جبهته مسحا خفيفا
রেওয়ায়ত ৪৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবু যর (রাঃ) বলিতেনঃ কাঁকর সরাইবার জন্য মাত্র একবার হাত বুলানো যায়। তবে উহা হইতে বিরত থাকাটা লাল বর্ণের উট অপেক্ষাও উত্তম।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، انه بلغه ان ابا ذر، كان يقول مسح الحصباء مسحة واحدة وتركها خير من حمر النعم
রেওয়ায়ত ৪৪. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) সফ (কাতারসমূহ) বরাবর করার নির্দেশ দিতেন। যখন এই কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিরা তাহার নিকট আসিত এবং সফসমূহ বরাবর হইয়াছে বলিয়া তাহাকে জানাইত, তখন তিনি তকবীর বলিতেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، ان عمر بن الخطاب، كان يامر بتسوية الصفوف فاذا جاءوه فاخبروه ان قد استوت كبر
রেওয়ায়ত ৪৫. আবূ সুহায়ল ইবন মালিক (রহঃ) তাহার পিতা মালিক ইবন আবি আমির ইয়াসাহাবী হইতে বর্ণনা করেন, তিনি বলিয়াছেনঃ আমি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। অতঃপর নামাযের ইকামত আরম্ভ হইল, আমি তখন তাহার সাথে আমার জন্য ভাতা নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে আলাপ করিতেছিলাম। আমি বিরতি ছাড়াই তাহার সাথে আলাপরত ছিলাম। তিনি তাহার উভয় জুতার সাহায্যে কাকর (সরাইয়া) জায়গা সমান করিতেছিলেন। এমন সময় কতিপয় লোক তাহার নিকট আসিলেন, যাহাদিগকে তিনি সফ বরাবর করার কাজে নিযুক্ত করিয়াছিলেন এবং তাঁহাকে জানাইলেন যে, সফসমূহ বরাবর হইয়াছে। তিনি আমাকে বললেন, কাতারে বরাবর হইয়া দাঁড়াইয়া যাও। অতঃপর তিনি আল্লাহু আকবার বলিলেন।
وحدثني عن مالك، عن عمه ابي سهيل بن مالك، عن ابيه، انه قال كنت مع عثمان بن عفان فقامت الصلاة وانا اكلمه، في ان يفرض، لي فلم ازل اكلمه وهو يسوي الحصباء بنعليه حتى جاءه رجال قد كان وكلهم بتسوية الصفوف . فاخبروه ان الصفوف قد استوت فقال لي استو في الصف . ثم كبر
রেওয়ায়ত ৪৬. আবদুল করীম ইবন আবুল মুখারিক (রহঃ) বলিয়াছেন, নবুয়তের কালাম হইতেছে এই কালাম, যখন তুমি লজ্জা পরিহার কর, তবে তুমি যাহা ইচ্ছা তাহা করিতে পার। নামাযে উভয় হাতের একটিকে অপরটির উপর রাখা (এইভাবে) যে, ডান হাত বাম হাতের উপর রাখিবে, ইফতারে ত্বরা করা ও সাহরী (খাওয়া)-তে বিলম্ব করা।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عبد الكريم بن ابي المخارق البصري، انه قال من كلام النبوة اذا لم تستحي فافعل ما شيت ووضع اليدين احداهما على الاخرى في الصلاة يضع اليمنى على اليسرى وتعجيل الفطر والاستيناء بالسحور
রেওয়ায়ত ৪৭. সাহল ইবন সা’দ আস-সাঈদী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, লোকদিগকে নির্দেশ প্রদান করা হইত যেন নামাযে প্রত্যেকে তাহার ডান হাত বাম হাতের কজির উপর রাখে। আবু হাযিম (রহঃ) বলেনঃ আমি জানি যে, তিনি এই বাক্যের সনদ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্যন্ত পৌছাইতেন।
وحدثني عن مالك، عن ابي حازم بن دينار، عن سهل بن سعد، انه قال كان الناس يومرون ان يضع الرجل اليد اليمنى على ذراعه اليسرى في الصلاة . قال ابو حازم لا اعلم الا انه ينمي ذلك
রেওয়ায়ত ৪৮. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) কোন নামাযেই কুনূত পাঠ করিতেন না।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان لا يقنت في شىء من الصلاة
রেওয়ায়ত ৪৯. আবদুল্লাহ ইবন আরকাম (রাঃ) তাহার সহচরদের ইমামতি করিতেন। একদিন নামায শুরু হইল। সেই মুহুর্তে তিনি স্বীয় প্রয়োজন সারার উদ্দেশ্যে বাহিরে গমন করিলেন। অনন্তর (তথা হইতে) ফিরিলেন। তারপর তিনি বলিলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ফরমাইতে শুনিয়াছিঃ তোমাদের কেউ (পায়খানা-পেশাবের জন্য) ঢালু জায়গায় যাওয়ার মনস্থ করিলে তবে নামাযের পূর্বে উহা সারিয়া নিবে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان عبد الله بن الارقم، كان يوم اصحابه فحضرت الصلاة يوما فذهب لحاجته ثم رجع فقال اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا اراد احدكم الغايط فليبدا به قبل الصلاة
রেওয়ায়ত ৫০. যায়দ ইবন আসলাম (রহঃ) হইতে বর্ণিত, উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ) বলিয়াছেনঃ তোমাদের কেউ যেন এমন সময় কখনও নামায না পড়ে, যখন (পায়খানা-প্রস্রাবের বেগবশত) তাহার পাছাদ্বয় মিলাইয়া (চাপ দিয়া) রাখে।
وحدثني عن مالك، عن زيد بن اسلم، ان عمر بن الخطاب، قال لا يصلين احدكم وهو ضام بين وركيه
রেওয়ায়ত ৫১. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়াছেনঃ তোমাদের এক ব্যক্তি যে মুসল্লায় নামায পড়িয়াছে, সে মুসল্লায় যতক্ষণ বসা থাকে এবং ওযু টুটিয়া যায় মত কোন কাজ না করে ততক্ষণ ফেরেশতাগণ এই বলিয়া তাহার জন্য দোআ করিতে থাকেনঃ (اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ) অর্থাৎ হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার গুনাহ্ মাফ কর, হে আল্লাহ! তোমার এই বান্দার প্রতি রহমত বর্ষণ কর। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ হাদীসে বর্ণিত (مَا لَمْ يُحْدِثِ) মা-লাম য়ুহদিস বাক্যটির অর্থ আমার মতে, (মুসল্লি কর্তৃক) এমন কোন কাজ করা যাহাতে ওযু ভাঙিয়া যায়, ইহা অন্যকিছু নহে।
وحدثني يحيى، عن مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " الملايكة تصلي على احدكم ما دام في مصلاه الذي صلى فيه ما لم يحدث اللهم اغفر له اللهم ارحمه
রেওয়ায়ত ৫২. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়াছেনঃ তোমাদের এক ব্যক্তি, যতক্ষণ নামায তাহাকে আবদ্ধ রাখিবে- নামায ছাড়া অন্য কোন বস্তু স্বীয় পরিবারবর্গের দিকে ফিরিয়া যাইতে তাহাকে বাধা প্রদান করে নাই, ততক্ষণ সে নামাযে থাকিবে।
وحدثني عن مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يزال احدكم في صلاة ما كانت الصلاة تحبسه لا يمنعه ان ينقلب الى اهله الا الصلاة
রেওয়ায়ত ৫৩. আবু বকর ইবন আবদুর রহমান (রহঃ) বলিতেন, যে ব্যক্তি সকালে ও বিকালে মসজিদের দিকে গমন করে এবং সে মসজিদে কোন ভাল কথা শিক্ষা করার জন্য অথবা শিক্ষা দেওয়ার জন্যই গমন করে, সে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করিবে আল্লাহর রাস্তায় মুজাহিদের মত (গণ্য) হইয়া, এমন মুজাহিদ যে গনীমতের মালসহকারে (গৃহে) ফিরিয়াছে।
وحدثني عن مالك، عن سمى، مولى ابي بكر ان ابا بكر بن عبد الرحمن، كان يقول من غدا او راح الى المسجد لا يريد غيره ليتعلم خيرا او ليعلمه ثم رجع الى بيته كان كالمجاهد في سبيل الله رجع غانما
রেওয়ায়ত ৫৪. নুয়ায়ম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি আবূ হুরায়রা (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ তোমাদের একজন যখন নামায পড়ে, তারপর জায়নামাযে বসা থাকে, তবে ফেরেশতারা তাহার জন্য اللَّهُمَّ اغْفِرْ لَهُ (হে আল্লাহ ইহাকে ক্ষমা কর) اللَّهُمَّ ارْحَمْهُ (হে আল্লাহ ইহাকে দয়া কর) বলিয়া দোআ করিতে থাকেন। অতঃপর সে যদি জায়নামায হইতে দাঁড়াইয়া যায় কিন্তু নামাযের অপেক্ষায় বসিয়া থাকে, তবে সে যেন নামাযেই রহিয়াছে।
وحدثني عن مالك، عن نعيم بن عبد الله المجمر، انه سمع ابا هريرة، يقول اذا صلى احدكم ثم جلس في مصلاه لم تزل الملايكة تصلي عليه اللهم اغفر له اللهم ارحمه فان قام من مصلاه فجلس في المسجد ينتظر الصلاة لم يزل في صلاة حتى يصلي