Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০২ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার তাবুক সফরকালে যোহর ও আসরের নামায একত্রে পড়িয়াছিলেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن داود بن الحصين، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الظهر والعصر في سفره الى تبوك
রেওয়ায়ত ২. আবুত তুফায়েল আমির ইবন ওয়াসিলা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, মুআয ইবন জবল (রাঃ) তাহাকে বলিয়াছেনঃ তাহারা তাবুকের যুদ্ধের বৎসর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সফরে বাহির হইলেন। (সেই সফরে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যোহর, আসর, মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়িতেন। (মুআয) বলিলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন নামাযে দেরি করিলেন, অতঃপর তিনি আগমন করিলেন এবং যোহর ও আসর একত্রে পড়িলেন। আবার ভিতরে গেলেন, পুনরায় বাহির হইলেন, তারপর মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়িলেন। অতঃপর বলিলেনঃ তোমরা আগামীকাল ইনশাআল্লাহ তবুকের ঝর্ণার কাছে পৌছিয়া যাইবে। তোমরা দিনের প্রথমাংশেই সেইখানে পৌছিবে। যে অগ্রে সেই স্থানে পৌছে, আমি না আসা পর্যন্ত সেই ব্যক্তি যেন উহার সামান্যতম পানিও স্পর্শ না করে। অতঃপর আমরা সেখানে পৌছিলাম। কিন্তু আমাদের আগেভাগে সেখানে দুইজন লোক পৌছিয়া গিয়াছিল। আর ঝর্ণা হইতে অতি সামান্য পানি নির্গত হইতেছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তিদ্বয়কে জিজ্ঞাসা করিলেনঃ তোমরা কি ইহার পানি হইতে কিছু স্পর্শ করিয়াছ? তাহারা উভয়ে হ্যাঁসূচক উত্তর দিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাদিগকে অনেক তিরস্কার করিলেন এবং আল্লাহর যতটুকু ইচ্ছা ততটুকু তাহদের সম্পর্কে বলিলেন। তারপর তাহারা আঁজলা ভরিয়া অল্প অল্প করিয়া কিছু পানি কোন এক পাত্রে জমা করিলেন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই পানিতে তাহার উভয় হাত ও মুখমণ্ডল ধুইলেন এবং সেই পানি ঝর্ণায় নিক্ষেপ করিলেন যদ্দরুন ঝর্ণ হইতে ফল্গুধারার মত অনেক পানি উঠিতে লাগিল। লোকজন ঝর্ণা হইতে পানি পান করিয়া তৃষ্ণা নিবারণ করিলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ হে মুআয, সম্ভবত তুমি দীর্ঘায়ু লাভ করিবে এবং তুমি এ ঝর্ণার পানি দ্বারা এই স্থানের অনেক বাগবাগিচায় পূর্ণভাবে পানি সেচ হইতে দেখিবে।
وحدثني عن مالك، عن ابي الزبير المكي، عن ابي الطفيل، عامر بن واثلة ان معاذ بن جبل، اخبره انهم، خرجوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام تبوك فكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يجمع بين الظهر والعصر والمغرب والعشاء - قال - فاخر الصلاة يوما ثم خرج فصلى الظهر والعصر جميعا ثم دخل ثم خرج فصلى المغرب والعشاء جميعا ثم قال " انكم ستاتون غدا ان شاء الله عين تبوك وانكم لن تاتوها حتى يضحى النهار فمن جاءها فلا يمس من مايها شييا حتى اتي " . فجيناها وقد سبقنا اليها رجلان والعين تبض بشىء من ماء فسالهما رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل مسستما من مايها شييا " . فقالا نعم . فسبهما رسول الله صلى الله عليه وسلم وقال لهما ما شاء الله ان يقول ثم غرفوا بايديهم من العين قليلا قليلا حتى اجتمع في شىء ثم غسل رسول الله صلى الله عليه وسلم فيه وجهه ويديه ثم اعاده فيها فجرت العين بماء كثير فاستقى الناس ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يوشك يا معاذ ان طالت بك حياة ان ترى ها هنا قد ملي جنانا
রেওয়ায়ত ৩. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলিয়াছেনঃ যদি (কোন কারণবশত) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দ্রুত ভ্রমণ করিতে হইত, তবে তিনি মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا عجل به السير يجمع بين المغرب والعشاء
রেওয়ায়ত ৪. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত, ভয়-ভীতিজনিত কোন কারণ ছাড়া এবং সফর ব্যতিরেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে যোহর ও আসর একসঙ্গে এবং মাগরিব ও ইশা এক সঙ্গে পড়াইয়াছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমার মতে ইহা বৃষ্টির জন্য ছিল।
حدثني عن مالك، عن ابي الزبير المكي، عن سعيد بن جبير، عن عبد الله بن عباس، انه قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الظهر والعصر جميعا والمغرب والعشاء جميعا في غير خوف ولا سفر
রেওয়ায়ত ৫. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আমীরগণ বর্ষণকালে মাগরিব ও ইশার নামাযকে একত্রে পড়িলে আবদুল্লাহু ইবন উমর (রাঃ) তাহাদের সঙ্গে (উক্ত দুই ওয়াক্তের) নামায একত্রে পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا جمع الامراء بين المغرب والعشاء في المطر جمع معهم
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، انه سال سالم بن عبد الله هل يجمع بين الظهر والعصر في السفر فقال نعم لا باس بذلك الم تر الى صلاة الناس بعرفة
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، انه سال سالم بن عبد الله هل يجمع بين الظهر والعصر في السفر فقال نعم لا باس بذلك الم تر الى صلاة الناس بعرفة
রেওয়ায়ত ৬. ইবন শিহাব (রহঃ) সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ)-কে প্রশ্ন করিলেনঃ সফরে যোহর ও আসরকে পর্যায়ক্রমে একত্রে পড়া যায় কিনা? তিনি বলিলেনঃ হ্যাঁ, ইহাতে কোন দোষ নাই, আরাফাতে লোকজনের নামাযের প্রতি (যাহা এক সঙ্গে পড়া হয়) তুমি কি লক্ষ কর নাই? আলী ইবন হুসায়ন (রাঃ) বলতেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিনে সফরের ইচ্ছা করিলে যোহর ও আসর একযোগে পড়িতেন। আর রাত্রে সফরের ইচ্ছা করিলে মাগরিব ও ইশা একত্রে পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، انه بلغه عن علي بن حسين، انه كان يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا اراد ان يسير يومه جمع بين الظهر والعصر واذا اراد ان يسير ليله جمع بين المغرب والعشاء
রেওয়ায়ত ৭. খালিদ ইবন আসীদ (রহঃ)-এর বংশের জনৈক ব্যক্তি আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-কে প্রশ্ন করিলেনঃ হে আবূ আবদুর রহমান। আমরা সালাতুল খওফ (ভয়জনিত অবস্থায় নামায) ও সালাতুল হাযর (মুকীম অবস্থায় নামায)-এর উল্লেখ কুরআনে পাই, কিন্তু সালাতুস সফর (সফরের নামাযের কথা তো কুরআনে) পাই না? আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বললেনঃ হে আমার ভাতিজা আল্লাহ্ তা'আলা আমাদের নিকট যখন মুহাম্মদ রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে প্রেরণ করিয়াছেন, তখন আমরা কিছু জানিতাম না, ফলে আমরা তাহাকে যেরূপ করিতে দেখিয়াছি সেরূপ করিয়া থাকি।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن رجل، من ال خالد بن اسيد انه سال عبد الله بن عمر فقال يا ابا عبد الرحمن انا نجد صلاة الخوف وصلاة الحضر في القران ولا نجد صلاة السفر فقال ابن عمر يا ابن اخي ان الله عز وجل بعث الينا محمدا صلى الله عليه وسلم ولا نعلم شييا فانما نفعل كما رايناه يفعل
রেওয়ায়ত ৮. নবী করীম রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়েশা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, সফরে এবং হাযরে (মুকীম থাকাকালীন) দুই-দুই রাকাআতই ফরয করা হয়, অতঃপর সফরের নামায পূর্বাবস্থায় বাকি রাখা হয়, আবাসের নামাযে বৃদ্ধি করা হয়।
وحدثني عن مالك، عن صالح بن كيسان، عن عروة بن الزبير، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم انها قالت فرضت الصلاة ركعتين ركعتين في الحضر والسفر فاقرت صلاة السفر وزيد في صلاة الحضر
রেওয়ায়ত ৯. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ)-এর নিকট জিজ্ঞাসা করিলেনঃ আপনি আপনার পিতাকে সফরে মাগরিবের নামায সর্বাধিক কতটুকু বিলম্বে পড়িতে দেখিয়াছেন? তখন সালিম (রহঃ) বলিলেনঃ আমরা যখন যাতুল-জায়শ নামক স্থানে, তখন সূর্যস্ত হয়, তিনি মাগরিবের নামায আকীক নামক স্থানে গিয়া পড়িয়াছেন। (দুই স্থানের দূরত্ব ৭ মাইল)
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، انه قال لسالم بن عبد الله ما اشد ما رايت اباك اخر المغرب في السفر فقال سالم غربت الشمس ونحن بذات الجيش فصلى المغرب بالعقيق
রেওয়ায়ত ১০. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হজ্জ অথবা উমরার উদ্দেশ্যে বাহির হইলে যুলহুলায়ফা[1] নামক স্থানে নামায কসর পড়িতেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا خرج حاجا او معتمرا قصر الصلاة بذي الحليفة
রেওয়ায়ত ১১. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বর্ণনা করেন- তাহার পিতা সওয়ারীতে আরোহণ করিয়া রীম[1] নামক স্থানে যান এবং তিনি এতটুকু পথ ভ্রমণে নামায কসর পড়িয়াছেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, উক্ত স্থানটির দূরত্ব অন্তত চার বরীদ[2] হইবে।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، عن ابيه، انه ركب الى ريم فقصر الصلاة في مسيره ذلك . قال مالك وذلك نحو من اربعة برد
রেওয়ায়ত ১২. সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) সওয়ার হইয়া যাতুন-নুসুব (ذات النصب) নামক স্থানের দিকে গমন করিলেন। তিনি তাহার এই পরিমাণ যাত্রায় নামায কসর পড়িলেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বলেন, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, যাতুন-নুসুব ও মদীনার মধ্যে ব্যবধান হইল চার বরীদ।
حدثني عن مالك، عن نافع، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، ركب الى ذات النصب فقصر الصلاة في مسيره ذلك . قال مالك وبين ذات النصب والمدينة اربعة برد
وحدثني عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، انه كان يسافر الى خيبر فيقصر الصلاة
وحدثني عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، انه كان يسافر الى خيبر فيقصر الصلاة
রেওয়ায়ত ১৩. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) খায়বরের দিকে সফর করিতেন এবং নামায কসর পড়িতেন। সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) পূর্ণ একদিনের সফরে কসর পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، كان يقصر الصلاة في مسيره اليوم التام
রেওয়ায়ত ১৪. নাফি' (রহঃ) আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর সঙ্গে এক বরীদ সফর করিতেন কিন্তু নামায কসর পড়িতেন না।
وحدثني عن مالك، عن نافع، انه كان يسافر مع ابن عمر البريد فلا يقصر الصلاة
রেওয়ায়ত ১৫. মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, তাহার নিকট রেওয়ায়ত পৌছিয়াছে যে, আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) মক্কা হইতে তায়েফ অথবা মক্কা হইতে উসফান বা মক্কা হইতে জিদ্দার সমান দূরত্বের স্থানে সফরে বাহির হইলে কসর পড়িতেন। ইয়াহইয়া (রহঃ) বর্ণনা করেন- মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, উক্ত পথের দূরত্ব চার বরীদ পরিমাণ। তিনি আরও বলিয়াছেন যে, নামায কসর পড়ার জন্য এতটুকু ব্যবধান বা দূরত্ব (مسافت) আমার নিকট পছন্দনীয়। মালিক (রহঃ) আরও বলেন, যে ব্যক্তি সফরের নিয়ত করে, সে যতক্ষণ নিজের পল্লীর গৃহাদি ছাড়িয়া না যাইবে, ততক্ষণ নামায কসর পড়িবে না। অনুরূপ ফেরার পথেও যতক্ষণ নিজ গ্রামের সর্বপ্রথম গৃহ বা উহার নিকটতম স্থান পর্যন্ত না পৌছিবে নামায পূর্ণ পড়িবে না।
وحدثني عن مالك، انه بلغه ان عبد الله بن عباس، كان يقصر الصلاة في مثل ما بين مكة والطايف وفي مثل ما بين مكة وعسفان وفي مثل ما بين مكة وجدة . قال مالك وذلك اربعة برد وذلك احب ما تقصر الى فيه الصلاة . قال مالك لا يقصر الذي يريد السفر الصلاة حتى يخرج من بيوت القرية ولا يتم حتى يدخل اول بيوت القرية او يقارب ذلك
রেওয়ায়ত ১৬. সালিম ইবন আবদুল্লাহ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) বলিতেনঃ আমি যতক্ষণ অবস্থান করার নিয়ত না করি ততক্ষণ মুসাফিরের মত নামায পড়িতে থাকি, যদিও বা এই অবস্থায় বার রাত্রি পর্যন্ত আবদ্ধ থাকি।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، كان يقول اصلي صلاة المسافر ما لم اجمع مكثا وان حبسني ذلك اثنتى عشرة ليلة
রেওয়ায়ত ১৭. নাফি (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ইবন উমর (রাঃ) মক্কায় দশ রাত্রি পর্যন্ত অবস্থান করিয়াছিলেন এবং নামায কসর পড়িয়াছিলেন। কেবল ইমামের সাথে নামায পড়িলে তখন ইমামের নামাযের মতই পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان ابن عمر، اقام بمكة عشر ليال يقصر الصلاة الا ان يصليها مع الامام فيصليها بصلاته
রেওয়ায়ত ১৮. আতা খোরাসানী (রহঃ) সাঈদ ইবনে মুসায়্যাব (রহঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি চারি রাত্রি পর্যন্ত ইকামতের নিয়ত করিবে মুসাফির হওয়া সত্ত্বেও সে নামায পূর্ণই পড়িবে। মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ আমি যাহা শুনিয়াছি তন্মধ্যে ইহা আমার পছন্দনীয় বটে। মালিক (রহঃ)-কে কয়েদীদের নামায সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলিলেনঃ মুকীমের মতই নামায পড়িবে, কিন্তু যদি সে মুসাফির হয় (তবে কসর পড়িবে)।
حدثني يحيى، عن مالك، عن عطاء الخراساني، انه سمع سعيد بن المسيب، قال من اجمع اقامة اربع ليال وهو مسافر اتم الصلاة . قال مالك وذلك احب ما سمعت الى . وسيل مالك عن صلاة الاسير فقال مثل صلاة المقيم الا ان يكون مسافرا