Loading...

Loading...
বইসমূহ
৭৬ হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ২০. সলিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) যখন নিচের দিকে ঝুঁকিতেন ও মাথা উপরে তুলিতেন তখন তকবীর বলিতেন। নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) নামায আরম্ভ করার সময় উভয় হাত কাঁধ বরাবর তুলিতেন। আর যখন রুকৃ হইতে মাথা তুলিতেন তখন দুই হাত কাঁধের একটু নিচ পর্যন্ত তুলিতেন।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، كان يكبر في الصلاة كلما خفض ورفع . وحدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا افتتح الصلاة رفع يديه حذو منكبيه واذا رفع راسه من الركوع رفعهما دون ذلك
রেওয়ায়ত ২১. আবু নঈম ওয়াহব ইবন কায়সান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ) তাহাদিগকে নামাযের ‘তকবীর শিক্ষা দিতেন। তিনি আরও বর্ণনা করিয়াছেনঃ নিচের দিকে ঝুঁকিবার ও মাথা উপরে তুলিবার সময় ‘তকবীর’ বলার জন্য তিনি [জাবির (রাঃ)] আমাদিগকে নির্দেশ দিতেন।
وحدثني عن مالك، عن ابي نعيم، وهب بن كيسان عن جابر بن عبد الله، انه كان يعلمهم التكبير في الصلاة . قال فكان يامرنا ان نكبر كلما خفضنا ورفعنا
রেওয়ায়ত ২২. মালিক (রহঃ) ইবন শিহাব (রহঃ) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন- তিনি বলিয়াছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি এক রাকআত নামায পায় এবং একবার তকবীর বলে তাহার জন্য ঐ এক ‘তকবীর যথেষ্ট হইবে। ইয়াহইয়া (রহঃ) মালিক (রহঃ) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন- ঐ এক ‘তকবীরই যথেষ্ট হইবে যদি সে উক্ত তকবীর দ্বারা ‘তকবীর-এ তাহরীমা’-এর নিয়ত করে। ইয়াহইয়া (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মালিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করা হইলঃ এক ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে নামাযে শরীক হইল কিন্তু সে তববীর-এ তাহরীমা’ ও রুকূর ‘তকবীর বলিতে ভুলিয়া গেল। নামায এক রাকআত পড়ার পর তাহার স্মরণ হইল যে, সে ‘তাহরীমা’ ও রুকূর তকবীর বলে নাই। অতঃপর দ্বিতীয় রাকআতে সে তকবীর বলিল। তাহার কি করা উচিত? তিনি উত্তর দিলেন, সেই ব্যক্তির জন্য নামায শুরু হইতে পুনরায় পড়া আমি ভাল মনে করি। আর যদি কোন ব্যক্তি ইমামের সঙ্গে ‘তকবীর-এ-তাহরীমা’ বলিতে ভুলিয়া যায়, প্রথম রুকূর সময় তকবীর’ বলে, রুকূর তকবীরের সঙ্গে ‘তকবীর-এ-তাহরীমা’রও নিয়ত করে, তবে আমার মতে উক্ত রুকূর ‘তকবীর’ই তাহার জন্য যথেষ্ট হইবে। ইয়াহইয়া (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি একা একা নামায পড়িতেছে সে ‘তকবীর-এ-তাহরীমা’ ভুলিয়া গেলে তাহাকে নামায পুনরায় পড়িতে হইবে। ইয়াহইয়া (রহঃ) হইতে বর্ণিত, মালিক (রহঃ) বলিয়াছেনঃ ইমাম যদি ‘তকবীর-এ-তাহরীমা’ বলিতে ভুলিয়া গেলেন এবং নামায সমাপ্ত করিলেন, তবে আমার মতে ইমাম ও মুকতাদী উভয়ের নামায পুনরায় পড়া উচিত, এমন কি মুকতাদীগণ তকবীর বলিয়া থাকিলেও।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، انه كان يقول اذا ادرك الرجل الركعة فكبر تكبيرة واحدة اجزات عنه تلك التكبيرة . قال مالك وذلك اذا نوى بتلك التكبيرة افتتاح الصلاة . وسيل مالك عن رجل دخل مع الامام فنسي تكبيرة الافتتاح وتكبيرة الركوع حتى صلى ركعة ثم ذكر انه لم يكن كبر تكبيرة الافتتاح ولا عند الركوع وكبر في الركعة الثانية قال يبتدي صلاته احب الى ولو سها مع الامام عن تكبيرة الافتتاح وكبر في الركوع الاول رايت ذلك مجزيا عنه اذا نوى بها تكبيرة الافتتاح . قال مالك في الذي يصلي لنفسه فنسي تكبيرة الافتتاح انه يستانف صلاته . وقال مالك في امام ينسى تكبيرة الافتتاح حتى يفرغ من صلاته قال ارى ان يعيد ويعيد من خلفه الصلاة وان كان من خلفه قد كبروا فانهم يعيدون
রেওয়ায়ত ২৩. মুহাম্মদ ইবন যুবায়র ইবন মুতায়িম (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলিয়াছেনঃ আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মাগরিবের নামাযে সূরা[1] (والطُّورِ) পাঠ করতেন শুনিয়াছি।
حدثني يحيى، عن مالك، عن ابن شهاب، عن محمد بن جبير بن مطعم، عن ابيه، انه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم قرا بالطور في المغرب
রেওয়ায়ত ২৪. আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) হইতে বর্ণিত, উম্মুল ফযল বিনত হারিস (রাঃ) তাহাকে সূরা[1] (وَالْمُرْسَلاَتِ عُرْفًا) পাঠ করিতে শুনিয়া বলিয়াছিলেন, হে বৎস! তুমি এই সূর্য পাঠ করিয়া রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা স্মরণ করাইয়া দিলে। এই সূরাটি সর্বশেষ সূরা যাহা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পবিত্র মুখে মাগরিবের নামাযে পাঠ করিতে আমি শুনিয়াছি।
وحدثني عن مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، عن عبد الله بن عباس، ان ام الفضل بنت الحارث، سمعته وهو، يقرا {والمرسلات عرفا} فقالت له يا بنى لقد ذكرتني بقراءتك هذه السورة انها لاخر ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقرا بها في المغرب
রেওয়ায়ত ২৫. কায়স ইবন হারিস (রহঃ) আবু আবদুল্লাহ সুনাবিহি (রাঃ) হইতে বর্ণনা করিয়াছেন- তিনি (আবু আবদুল্লাহ সুনাবিহি) বলিয়াছেনঃ আমি আবু বকর (রাঃ)-এর খিলাফতকালে মদীনায় আগমন করিলাম এবং তাহার ইমামতিতে মাগরিবের নামায পড়িলাম। তিনি প্রথম দুই রাকাআতে সূরা ফাতিহার পর (قِصَارِ الْمُفَصَّلِ) (কিসার-ই-মুফাসসাল) হইতে এক রাকাআতে একটি করিয়া সূরা পাঠ করিলেন; তারপর তৃতীয় রাকাআতে দাঁড়াইলেন । আমি তখন তাহার এত নিকটবর্তী ছিলাম যে, আমার কাপড় তাহার কাপড়কে প্রায় স্পর্শ করিতেছিল। সেই সময় আমি তাহাকে সূরা ফাতিহা ও (নিচের) আয়াতটি পাঠ করিতে শুনিয়াছিঃ (رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِنْ لَدُنْكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنْتَ الْوَهَّابُ) অর্থঃ হে আমাদের প্রতিপালক সরলপথ প্রদর্শনের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্য-লংঘনপ্রবণ করিও না এবং তোমার নিকট হইতে আমাদিগকে করুণা দাও, তুমিই মহাদাতা। (সূরা আলে ইমরানঃ)
وحدثني عن مالك، عن ابي عبيد، مولى سليمان بن عبد الملك عن عبادة بن نسى، عن قيس بن الحارث، عن ابي عبد الله الصنابحي، قال قدمت المدينة في خلافة ابي بكر الصديق فصليت وراءه المغرب فقرا في الركعتين الاوليين بام القران وسورة سورة من قصار المفصل ثم قام في الثالثة فدنوت منه حتى ان ثيابي لتكاد ان تمس ثيابه فسمعته قرا بام القران وبهذه الاية {ربنا لا تزغ قلوبنا بعد اذ هديتنا وهب لنا من لدنك رحمة انك انت الوهاب}
রেওয়ায়ত ২৬. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) যখন একা নামায পড়িতেন তখন চার রাকআত বিশিষ্ট নামাযের প্রত্যেক রাকআতে সূরা ফাতিহার সঙ্গে একটি সূরা পাঠ করিতেন। আর এমনও হইত যে, ফরয নামাযের এক রাকাআতে দুই-তিনটি সূরা একসাথেও পাঠ করিতেন। আর মাগরিবের নামাযে প্রথম দুই রাক’আতে সূরা ফাতিহার সাথে একটি করিয়া সূরা পড়িতেন।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا صلى وحده يقرا في الاربع جميعا في كل ركعة بام القران وسورة من القران وكان يقرا احيانا بالسورتين والثلاث في الركعة الواحدة من صلاة الفريضة ويقرا في الركعتين من المغرب كذلك بام القران وسورة سورة
রেওয়ায়ত ২৭. আদী ইবন সাবিত আনসারী (রহঃ) হইতে বর্ণিত, বারা ইবন আযির (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহিত ইশার নামায পড়িয়ছিলাম। তিনি সেই নামাযে সূরা[1] (والتِّينِ وَالزَّيْتُونِ) পড়িয়ছিলেন।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عدي بن ثابت الانصاري، عن البراء بن عازب، انه قال صليت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم العشاء فقرا فيها بالتين والزيتون
রেওয়ায়ত ২৮. ইবরাহীম ইবন আবদিল্লাহ ইবন হুনায়ন (রহঃ) তাহার পিতা হইতে তিনি আলী ইবন আবি তালিব (রাঃ) হইতে বর্ণনা করিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (قَسِّيِّ) ও (معصفر) (পুরুষদিগকে) পরিধান করিতে নিষেধ করিয়াছেন, আরও নিষেধ করিয়াছেন পুরুষদিগকে স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করিতে। রুকূতে কুরআন পাঠ করিতেও তিনি নিষেধ করিয়াছেন। قَسِّيِّ রেখাযুক্ত এক প্রকার রেশমী বস্ত্র এবং (معصفر) হলুদ বর্ণের বস্ত্র।
حدثني يحيى، عن مالك، عن نافع، عن ابراهيم بن عبد الله بن حنين، عن ابيه، عن علي بن ابي طالب، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس القسي وعن تختم الذهب وعن قراءة القران في الركوع
রেওয়ায়ত ২৯. আবু হাযিম তাম্মার (রহঃ) কর্তৃক বায়াযী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল লোকের কাছে আগমন করিলেন, সেই সময় তাহারা (ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত হইয়া) নামায পড়িতেছিলেন এবং উচ্চকণ্ঠে কুরআন পড়িতেছিলেন। ইহা দেখিয়া তিনি বলিলেনঃ নামাযরত ব্যক্তি তাহার প্রতিপালকের সাথে মোনাজাত করে, কাজেই তাহার খেয়াল রাখা উচিত যে, কিরূপে তাহার প্রভুর সহিত আলাপ করিতেছে। আর তোমরা সরবে (নামাযে) কুরআন পাঠে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতা করিও না।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن محمد بن ابراهيم بن الحارث التيمي، عن ابي حازم التمار، عن البياضي، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج على الناس وهم يصلون وقد علت اصواتهم بالقراءة فقال " ان المصلي يناجي ربه فلينظر بما يناجيه به ولا يجهر بعضكم على بعض بالقران
রেওয়ায়ত ৩০. হুমায়দ-এ তবীল (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আনাস ইবন মালিক (রাঃ) বলিয়াছেনঃ আমি আবু বকর, উমর, উসমান (রাঃ)-এর পশ্চাতে (নামাযে) দাঁড়াইয়াছি। তাহাদের কেউই নামায আরম্ভ করার পর (بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ) সরবে পড়িতেন না।
وحدثني عن مالك، عن حميد الطويل، عن انس بن مالك، انه قال قمت وراء ابي بكر وعمر وعثمان فكلهم كان لا يقرا {بسم الله الرحمن الرحيم } اذا افتتح الصلاة
রেওয়ায়ত ৩১. আবু সুহায়ল ইবন মালিক (রহঃ) কর্তৃক তাহার পিতা হইতে বর্ণিত-তিনি বলিয়াছেনঃ আমরা বলাত (بلاط) নামক স্থানে অবস্থিত আবু জুহায়মের বাড়ি হইতে উমর (রাঃ)-এর কিরা'আত শুনিতাম।
وحدثني عن مالك، عن عمه ابي سهيل بن مالك، عن ابيه، انه قال كنا نسمع قراءة عمر بن الخطاب عند دار ابي جهم بالبلاط
রেওয়ায়ত ৩২. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ)-এর নিয়ম ছিলঃ যে নামাযে ইমাম সরবে কিরা'আত পড়িতেন সেই নামাযে ইমামের সহিত কিছু অংশ ছুটিয়া গেলে ইমাম সালাম ফিরাইবার পর আবদুল্লাহ্ (রাঃ) দাঁড়াইয়া অবশিষ্ট নামায সরবে কিরা'আত সহকারে পড়িতেন। ইয়াযিদ ইবন রূমান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি বলিয়াছেনঃ আমি নাফি’ ইবন যুবায়র ইবন মুতায়িম-এর পার্শ্বে দাঁড়াইয়া নামায পড়িতাম। তিনি আমাকে হস্ত দ্বারা যখন চাপ দিতেন অর্থাৎ ইশারা করিতেন তখন আমি তাহাকে কিরা'আত বলিয়া দিতাম, অথচ আমরা উভয়েই তখন নামাযে।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان اذا فاته شىء من الصلاة مع الامام فيما جهر فيه الامام بالقراءة انه اذا سلم الامام - قام عبد الله بن عمر فقرا لنفسه فيما يقضي وجهر
وحدثني عن مالك، عن يزيد بن رومان، انه قال كنت اصلي الى جانب نافع بن جبير بن مطعم فيغمزني فافتح عليه ونحن نصلي
وحدثني عن مالك، عن يزيد بن رومان، انه قال كنت اصلي الى جانب نافع بن جبير بن مطعم فيغمزني فافتح عليه ونحن نصلي
রেওয়ায়ত ৩৩. হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করিয়াছেন, আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) ফজরের নামাযে পড়িলেন, তিনি ফজরের উভয় রাকাআতে সূরা বাকারা পাঠ করিলেন।
حدثني يحيى، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، ان ابا بكر الصديق، صلى الصبح فقرا فيها سورة البقرة في الركعتين كلتيهما
রেওয়ায়ত ৩৪. হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) তাহার পিতা হইতে বর্ণনা করিয়াছেন যে, তিনি আবদুল্লাহ ইবন আমির ইবন রবী’আ-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ আমরা উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর পিছনে ফজরের নামায পড়িয়াছি। তিনি ফজরের নামাযে সূরা ইউসুফ ও সূরা হাজ্জ ধীরেসুস্থে পাঠ করিয়াছিলেন। তিনি (হিশাম-এর পিতা) বলিলেনঃ তখন তো ফজর হইয়া যাইত অর্থাৎ চতুর্দিক আলোকিত হইয়া উঠিত। তিনি (আবদুল্লাহ ইবন আমির ইবন রবী’আ) বললেনঃ হ্যাঁ।
وحدثني عن مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، انه سمع عبد الله بن عامر بن ربيعة، يقول صلينا وراء عمر بن الخطاب الصبح فقرا فيها بسورة يوسف وسورة الحج قراءة بطيية فقلت والله اذا لقد كان يقوم حين يطلع الفجر . قال اجل
রেওয়ায়ত ৩৫. কাসিম ইবন মুহাম্মদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ফারাফিসা ইবন উমাইর আল-হানাফি (রহঃ) বলিয়াছেনঃ উসমান ইবন আফফান (রাঃ) ফজরের নামাযে প্রায় সূরা ইউসূফ পাঠ করিতেন। তাহার (পুনঃ পুনঃ) তিলাওয়াত হইতেই আমি উক্ত সূরা কণ্ঠস্থ করিয়াছি।
وحدثني عن مالك، عن يحيى بن سعيد، وربيعة بن ابي عبد الرحمن، عن القاسم بن محمد، ان الفرافصة بن عمير الحنفي، قال ما اخذت سورة يوسف الا من قراءة عثمان بن عفان اياها في الصبح من كثرة ما كان يرددها لنا
রেওয়ায়ত ৩৬. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) ফজরের নামাযে ‘মুফাসসাল’ -এর প্রথম দশটি সূরা হইতে পাঠ করিতেন; প্রতি রাকাআতে উম্মুল কুরআন (ফাতিহা) এবং একটি সূরা।
وحدثني عن مالك، عن نافع، ان عبد الله بن عمر، كان يقرا في الصبح في السفر بالعشر السور الاول من المفصل في كل ركعة بام القران وسورة
রেওয়ায়ত ৩৭. আলী ইবন আবদুর রহমান ইবন ইয়াকুব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, ‘আমির ইবন কুরায়য’-এর মাওলা আবূ সাঈদ (রহঃ) তাহার নিকট বর্ণনা করিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উবাই ইবন কা'ব (রাঃ)-কে ডাকিলেন, তখন তিনি নামায পড়িতেছিলেন। নামায শেষ করিয়া তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সমীপে হাযির হইলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আপন হাত তাহার হাতের উপর রাখিলেন, তখন তিনি (উবাই ইবন কা'ব) মসজিদের দরজা দিয়া বাহির হইতে চাহিতেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহাকে বললেন, আমার ইচ্ছা যে, তুমি একটি সূরা জ্ঞাত না হইয়া মসজিদ হইতে বাহির হইবে না। সূরাটি এইরূপ যে, উহার সমতুল্য কোন সূরা তওরীত, ইঞ্জিল এমন কি খোদ কুরআনেও অবতীর্ণ হয় নাই। উবাই (রাঃ) বলিলেনঃ ইহা শুনিয়া সূরাটি জানিবার বাসনায় আমি ধীরে ধীরে চলিতে লাগিলাম। অতঃপর আমি বলিলামঃ হে আল্লাহ্র রাসূল! যেই সূরাটি জ্ঞাত করাইবার বিষয় আপনি আমাকে বলিয়াছেন, তাহা কোন সূরা? তিনি বললেন, তুমি নামায আরম্ভ করার পর কিরূপে কিরাআত পড়। উবাই (রাঃ) বলেন, আমি সূরা ফাতিহা (الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ) হইতে শেষ পর্যন্ত তাহাকে পড়িয়া শুনাইলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইহাই সেই সূরা। (যে সূরার কথা বলিয়াছিলাম) এ সূরার নামই (السَّبْعُ الْمَثَانِي وَالْقُرْآنُ الْعَظِيمُ) যাহা আমাকে প্রদান করা হইয়াছে।
حدثني يحيى، عن مالك، عن العلاء بن عبد الرحمن بن يعقوب، ان ابا سعيد، مولى عامر بن كريز اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نادى ابى بن كعب وهو يصلي فلما فرغ من صلاته لحقه فوضع رسول الله صلى الله عليه وسلم يده على يده وهو يريد ان يخرج من باب المسجد فقال " اني لارجو ان لا تخرج من المسجد حتى تعلم سورة ما انزل الله في التوراة ولا في الانجيل ولا في القران مثلها " . قال ابى فجعلت ابطي في المشى رجاء ذلك ثم قلت يا رسول الله السورة التي وعدتني . قال " كيف تقرا اذا افتتحت الصلاة " . قال فقرات {الحمد لله رب العالمين} حتى اتيت على اخرها . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هي هذه السورة وهي السبع المثاني والقران العظيم الذي اعطيت
রেওয়ায়ত ৩৮. আবু নুয়ায়ম ওহ্ব ইবন কায়সান (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তিনি জাবির ইবন আবদুল্লাহ্ (রাঃ)-কে বলিতে শুনিয়াছেনঃ যে ব্যক্তি এমন এক রাকাআত নামায পড়িয়াছে যাহাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করে নাই তাহার নামায হয় নাই, অবশ্য যদি সেই ব্যক্তি ইমামের পশ্চাতে (নামায পড়িয়া) থাকে (তবে তাহার নামায শুদ্ধ হইয়াছে।)
وحدثني عن مالك، عن ابي نعيم، وهب بن كيسان انه سمع جابر بن عبد الله، يقول من صلى ركعة لم يقرا فيها بام القران فلم يصل الا وراء الامام