Loading...
Loading...
বইসমূহ
76 হাদিসসমূহ
রেওয়ায়ত ১. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) বলিয়াছেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুইটি কাঠ তৈয়ার করাইবার মনস্থ করিয়াছিলেন, যেন একটির দ্বারা অপরটির উপর আঘাত করিয়া ধ্বনি সৃষ্টি করিয়া মানুষকে নামাযের জামাতের...
রেওয়ায়ত ২. আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ যখন তোমরা আযান শোন তখন মুয়াযযিনের অনুরূপ তোমরাও বল।
রেওয়ায়ত ৩. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ মানুষ যদি জানিত আযান ও প্রথম কাতারে কী (বরকত ও মঙ্গল) রহিয়াছে, তবে উহা পাইবার জন্য লটারী ছাড়া উপায় না থাকিলে তাহারা উহা...
রেওয়ায়ত ৪. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ যখন নামাযের ইকামত বলা হয় তখন তাড়াহুড়া না কুরিয়া ধীরে সুস্থে আসিবে। অতঃপর জামাতের সঙ্গে যতখানি পাইবে উহা পড়িয়া অবশিষ...
রেওয়ায়ত ৫. আবদুর রহমান ইবন আবি সাসা'আ' আনসারী মাযনী (রহঃ) কর্তৃক তাহার পিতা হইতে বর্ণিত, আবু সাঈদ খুদরী (রাঃ) তাহাকে উদ্দেশ্য করিয়া বলিয়াছেনঃ আমি দেখিতেছি তুমি মাঠ ও বকরীকে ভালবাস। তুমি যখন তোমার বকরীর সঙ্গে থাক অথবা...
রেওয়ায়ত ৬. আবু হুরায়রা (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ নামাযের জন্য আযান দেওয়ার সময় শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়িতে ছাড়িতে পালায়, যেন সে আযানের শব্দ না শোনে। আযান শেষ হইলে সে আব...
রেওয়ায়ত ৭. সাহল ইবন সা’আদ সায়েদী (রাঃ) বর্ণনা করিয়াছেনঃ দুইটি মুহূর্ত এইরূপ আছে সেই সময় অসমানের দরওয়াজা খোলা হয় এবং সেই মুহূর্তদ্বয়ে প্রার্থনাকারীর প্রার্থনা কুচিৎ ফেরত দেওয়া হয়; নামাযের আযানের মুহুর্ত এবং আল্লা...
রেওয়ায়ত ৮. মালিক (রহঃ) বলিয়াছেন, তাহার নিকট সংবাদ পৌছিয়াছে যে, ফজরের নামাযের সংবাদ দেওয়ার জন্য মুয়াযযিন উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট আসিলেন এবং তাহাকে নিদ্রিত পাইয়া বলিলেন- (يا امير المؤمنين) الصَّلاَةُ خَيْرٌ مِ...
রেওয়ায়ত ৯. নাফি (রহঃ) বর্ণনা করিয়াছেন- আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) ইকামত শুনিয়া ‘বকী’ নামক স্থান হইতে মসজিদের দিকে ত্বরিত ধাবিত হইয়াছিলেন।
রেওয়ায়ত ১০. নাফি’ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, এক শীতল রজনীতে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) আযান দিতে নির্দেশ দিলেন। আযানের পর বললেনঃ (أَلاَ صَلُّوا فِي الرِّحَالِ)-তোমরা নিজ নিজ আবাসে নামায পড়। তারপর তিনি বলিলেনঃ শীতল ও বর্ষনশীলা রজ...
রেওয়ায়ত ১১. নাফি' (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আবদুল্লাহ্ ইবন উমর (রাঃ) সফরে শুধু ইকামত বলিতেন। অবশ্য ফজরের সময় আযান ও ইকামত উভয়ের ব্যবস্থা করা হইত। তিনি বলিতেনঃ আযান বলিতে হয় সেই ইমামের বেলায় যাহার সহিত নামায পড়িবার উদ্দেশ্...
রেওয়ায়ত ১২. হিশাম ইবন উরওয়া (রহঃ) হইতে বর্ণিত, তাহার পিতা বলিয়াছেনঃ তুমি সফরে থাকিলে ইচ্ছা করিলে আযান ও ইকামত দুইটিই বলিতে পার, আর যদি চাও, আযান না দিয়া কেবল ইকামতও বলিতে পার। ইয়াহইয়া (রহঃ) হইতে বর্ণিত, আমি মালিক...
রেওয়ায়ত ১৩. ইয়াহইয়া ইবন সাঈদ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, সাঈদ ইবন মুসায়্যাব (রহঃ) বলিয়াছেন, যে ব্যক্তি মাঠে নামায পড়ে তাহার ডাইনে একজন ও বামে একজন ফেরেশতা নামাযে দাঁড়ান। আর যদি সে আযান ও ইকামত দিয়া নামায পড়ে তবে তাহার প...
রেওয়ায়ত ১৪. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ বিলাল রাত্রি থাকিতে আযান দেয়। অতএব ইবন উম্মি-মাকতুম আযান না দেওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার করিতে পার।
রেওয়ায়ত ১৫. সালিম ইবন আবদুল্লাহ্ (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিয়াছেনঃ বিলাল রাত (অবশিষ্ট থাকিতে) আযান দেয়। অতঃপর তোমরা পানাহার করিতে থাক যতক্ষণ ইবন উম্মি মাকতুম আযান না দেয়। তিনি (...
রেওয়ায়ত ১৬. আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায আরম্ভ করার সময় উভয় হাত কাঁধ বরাবর তুলিতেন এবং যখন রুকু হইতে মাথা তুলিতেন তখনও দুই হাত অনুরূপভাবে তুলিতেন এবং বলতেন (سَم...
রেওয়ায়ত ১৭. আলী ইবন হুসায়ন আলী ইবন আবি তালিব (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের মধ্যে যখন নিচের দিক ঝুঁকিতেন ও মাথা উপরে তুলিতেন তখন তকবীর (আল্লাহু আকবার) বলতেন। তিনি আল্লাহর সহিত মি...
রেওয়ায়ত ১৮. সুলায়মান ইবন ইয়াসার (রহঃ) হইতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযে দুই হাত উপরে উঠাইতেন।
রেওয়ায়ত ১৯. আবি সালমা ইবন আবদুর রহমান ইবন আওফ (রহঃ) বর্ণনা করিয়াছেন, আবু হুরায়রা (রাঃ) তাহাদের (শিক্ষাদানের) উদ্দেশ্যে নামায পড়িতেন এবং তিনি যতবার নিচের দিকে ঝুঁকিতেন ও মাথা উপরে তুলিতেন ততবার তকবীর (আল্লাহু আকবার)...