Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৩৫ হাদিসসমূহ
। ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সাহাবীগণকে বললেনঃ তোমরা “সুবৃহানাল্লাহ ওয়া বিহামদিহী” এক শতবার বল। যে ব্যক্তি তা একবার বলে তার জন্য দশটি সাওয়াব লিখা হয় যে ব্যক্তি তা দশবার বলে তার এক শত সাওয়াব হয়। আর যে ব্যক্তি তা এক শতবার বলে তার জন্য এক হাজার সাওয়াব লিখা হয় এবং যে ব্যক্তি তা এর চেয়েও বেশি বলে আল্লাহ তা'আলা তাঁকে আরও অধিক সাওয়াব দান করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান তিনি তাকে মাফ করেন। অত্যন্ত দুর্বল, যঈফা (৪০৬৭) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান ও গারীব।
حدثنا اسماعيل بن موسى الكوفي، حدثنا داود بن الزبرقان، عن مطر الوراق، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم لاصحابه " قولوا سبحان الله وبحمده ماية مرة من قالها مرة كتبت له عشرا ومن قالها عشرا كتبت له ماية ومن قالها ماية كتبت له الفا ومن زاد زاده الله ومن استغفر غفر الله له " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب
। আমর ইবনু শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে এক শতবার এবং সন্ধ্যায় এক শতবার “সবুহানাল্লাহ" বলে সে এক শতবার হাজ্জ আদায়কারীর অনুরূপ। যে ব্যক্তি সকালে এক শতবার এবং সন্ধ্যায় এক শতবার "আলহামদু লিল্লাহ" বলে সে আল্লাহ্ তা'আলার পথে (জিহাদে) এক শত ঘোড়া দানকারীর মত অথবা তিনি বলেছেনঃ এক শত জিহাদে অংশ গ্রহণকারীর মত। যে ব্যক্তি সকালে এক শতবার এবং সন্ধ্যায় এক শতবার "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" বলে সে ইসমাঈল আলাইহিস সালাম-এর বংশের এক শত দাস আযাদকারীর মত। আর যে ব্যক্তি সকালে এক শতবার এবং সন্ধ্যায় এক শতবার আল্লাহু আকবার" বলে, সেই দিনের মধ্যে তার চেয়ে আর কেউ অধিক কিছু (আমল) উপস্থাপন করতে পারবে না, তবে যে ব্যক্তি তার অনুরূপ সংখ্যায় পড়েছে অথবা তার চেয়ে অধিক সংখ্যায় পড়েছে সে ছাড়া। মুনকার, যঈফা (১৩১৫), মিশকাত, তাহকীক ছানী (২৩১২), তা’লীকুর রাগীব (১/২২৯) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব।
حدثنا محمد بن وزير الواسطي، حدثنا ابو سفيان الحميري، هو سعيد بن يحيى الواسطي عن الضحاك بن حمرة، عن عمرو بن شعيب، عن ابيه، عن جده، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من سبح الله ماية بالغداة وماية بالعشي كان كمن حج ماية مرة ومن حمد الله ماية بالغداة وماية بالعشي كان كمن حمل على ماية فرس في سبيل الله او قال غزا ماية غزوة ومن هلل الله ماية بالغداة وماية بالعشي كان كمن اعتق ماية رقبة من ولد اسماعيل ومن كبر الله ماية بالغداة وماية بالعشي لم يات في ذلك اليوم احد باكثر مما اتى به الا من قال مثل ما قال او زاد على ما قال " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب
। যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রামাযান মাসের এক তাসবীহ অন্য মাসের হাজার তাসবীহ হতেও বেশি ফায়ীলাতপূর্ণ। সদন দুর্বল, বিচ্ছিন্ন
حدثنا الحسين بن الاسود العجلي البغدادي، حدثنا يحيى بن ادم، عن الحسن بن صالح، عن ابي بشر، عن الزهري، قال تسبيحة في رمضان افضل من الف تسبيحة في غيره
। তামীমুদ-দারী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দশবার বলে, “আমি সাক্ষ্য দেই যে, আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তার কোন শারীক নেই, তিনি একমাত্র ইলাহ এবং একক সত্তা, তিনি স্বয়ংসম্পূর্ণ, তিনি গ্রহণ করেননি কোন বিবি এবং কোন সন্তান, তার সমকক্ষ কেউ নেই", আল্লাহ তা'আলা (তার আমলনামায়) চল্লিশ লক্ষ সাওয়াব লিখে দেন। যঈফ, যঈফা (৩৬১১) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব, এই একটি মাত্র সনদসূত্রেই আমরা এ হাদীস জেনেছি। আল-খালীল ইবনু মুররা হাদীসবেত্তাদের মতে তেমন মজবুত রাবী নন। মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল (আল-বুখারী) (রাহঃ) বলেন, তিনি পরিত্যক্ত রাবী।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن الخليل بن مرة، عن الازهر بن عبد الله، عن تميم الداري، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال " من قال اشهد ان لا اله الا الله وحده لا شريك له الها واحدا احدا صمدا لم يتخذ صاحبة ولا ولدا ولم يكن له كفوا احد عشر مرات كتب الله له اربعين الف الف حسنة " . قال هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . والخليل بن مرة ليس بالقوي عند اصحاب الحديث . قال محمد بن اسماعيل هو منكر الحديث
। আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি ফজরের নামাযের পর তার দুই পা ভাজ করা অবস্থায় (তাশাহহুদের অবস্থায়) কোন কথাবার্তা বলার পূর্বে দশবার বলে, “আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত কোন ইলাহ নেই, তিনি এক, তার কোন শারীক নেই, রাজত্ব তারই, সকল প্রশংসা তার জন্য, তিনিই জীবন দান করেন এবং মৃত্যু দান করেন, তিনি সকল কিছুর উপর সর্বশক্তিমান”, তার আমলনামায় দশটি সাওয়াব লেখা হয়, তার দশটি গুনাহ মুছে ফেলা হয় এবং তার সম্মান দশগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়। সে ঐ দিন সব রকমের সংকট হতে নিরাপদ থাকবে এবং শাইতানের ধোকা হতে তাকে পাহারা দেয়া হবে এবং ঐ দিন শিরকীর গুনাহ ছাড়া অন্য কোন প্রকারের গুনাহ তাকে সংকটাপন্ন করতে পারবে না। যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (১/১৬৬) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
حدثنا اسحاق بن منصور، حدثنا علي بن معبد المصري، حدثنا عبيد الله بن عمرو الرقي، عن زيد بن ابي انيسة، عن شهر بن حوشب، عن عبد الرحمن بن غنم، عن ابي ذر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال في دبر صلاة الفجر وهو ثاني رجليه قبل ان يتكلم لا اله الا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد يحيي ويميت وهو على كل شيء قدير عشر مرات كتب له عشر حسنات ومحي عنه عشر سييات ورفع له عشر درجات وكان يومه ذلك في حرز من كل مكروه وحرس من الشيطان ولم ينبغ لذنب ان يدركه في ذلك اليوم الا الشرك بالله " . قال هذا حديث حسن غريب صحيح
। আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদাহ আল-আসলামী (রহঃ) হতে তার বাবার সুত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোককে তার দুআ এভাবে বলতে শুনেনঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে প্রার্থনা করছি আর সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তুমিই একমাত্র আল্লাহ, তুমি ছাড়া অন্য কোন মা'বূদ নেই, তুমি একক সত্তা, স্বয়ংসম্পূর্ণ, যিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং তাকেও জন্ম দেয়া হয়নি, তার সমকক্ষ কেউ নেই।" বর্ণনাকারী বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেনঃ সেই মহান সত্তার কসম যার হাতে আমার জীবন! নিঃসন্দেহে এই লোক আল্লাহ তা'আলার মহান নামের ওয়াসীলায় তার নিকটে প্রার্থনা করেছে, যে নামের ওয়াসীলায় দুআ করা হলে তিনি কবুল করেন এবং যে নামের ওয়াসীলায় প্রার্থনা করলে তিনি দান করেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৫৭)। যাইদ ইবনু হুবাব (রাহঃ) বলেন, উক্ত হাদীস কয়েক বছর পর আমি যুহাইর ইবনু মু'আবিয়াহর কাছে উল্লেখ করলাম। সে সময় তিনি বললেন, আমার কাছে আবূ ইসহাক মালিক ইবনু মিগওয়ালের সূত্রে তা রিওয়ায়াত করেছেন। যাইদ (রাহঃ) বলেন, তারপর এ হাদীস আমি সুফইয়ানের কাছে উল্লেখ করলে তিনিও আমাকে মালিক ইবনু মিগওয়ালের সনদে তা বর্ণনা করেন। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। শারীক (রাহঃ) আবূ ইসহাক হতে, তিনি ইবনু বুরাইদাহ হতে, তিনি তার পিতার সনদে এ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন। আর এ হাদীস আবূ ইসহাক আল-হামদানী মালিক ইবনু মিগওয়ালের সনদে বর্ণনা করেছেন। এতে তিনি তার শাইখের নাম গোপন করেছেন। শারীক এ হাদীসটি আবূ ইসহাক হতে বর্ণনা করেছেন।
حدثنا جعفر بن محمد بن عمران الثعلبي الكوفي، حدثنا زيد بن حباب، عن مالك بن مغول، عن عبد الله بن بريدة الاسلمي، عن ابيه، قال سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يدعو وهو يقول اللهم اني اسالك باني اشهد انك انت الله لا اله الا انت الاحد الصمد الذي لم يلد ولم يولد ولم يكن له كفوا احد . قال فقال " والذي نفسي بيده لقد سال الله باسمه الاعظم الذي اذا دعي به اجاب واذا سيل به اعطى " . قال زيد فذكرته لزهير بن معاوية بعد ذلك بسنين فقال حدثني ابو اسحاق عن مالك بن مغول . قال زيد ثم ذكرته لسفيان الثوري فحدثني عن مالك . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وروى شريك هذا الحديث عن ابي اسحاق عن ابن بريدة عن ابيه وانما اخذه ابو اسحاق الهمداني عن مالك بن مغول وانما دلسه . وروى شريك هذا الحديث عن ابي اسحاق
। ফাযালাহ্ ইবনু উবাইদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মসজিদে) বসা অবস্থায় ছিলেন। সে সময় জনৈক লোক মসজিদে প্রবেশ করে নামায আদায় করল, তারপর বলল, “হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দাও এবং আমার প্রতি দয়া কর"। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে নামায়ী! তুমি তো তড়িঘড়ি করলে। যখন তুমি নামায শেষ করে বসবে সে সময় শুরুতে আল্লাহ তা'আলার যথোপযুক্ত প্রশংসা করবে এবং আমার উপর দরূদ ও সালাম প্রেরণ করবে, তারপর আল্লাহ তা'আলার নিকটে দু'আ করবে। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর অপর লোক এসে নামায আদায় করে প্রথমে আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা করল, তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদ ও সালাম পেশ করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ হে নামাযী! এবার দুআ কর কবুল করা হবে। সহীহঃ সিফাতুস সালাত, সহীহ আবূ দাউদ (হাঃ ১৩৩১)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান। এ হাদীস হাইওয়াহ ইবনু শুরাইহ আবূ হানী আল-খাওলানী হতে বর্ণনা করেছেন। আবূ হানীর নাম হুমাইদ, ইবনু হানী এবং আবূ আলী আল-জান্বীর নাম আমর ইবনু মালিক।
حدثنا قتيبة، حدثنا رشدين بن سعد، عن ابي هاني الخولاني، عن ابي علي الجنبي، عن فضالة بن عبيد، قال بينا رسول الله صلى الله عليه وسلم قاعدا اذ دخل رجل فصلى فقال اللهم اغفر لي وارحمني . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عجلت ايها المصلي اذا صليت فقعدت فاحمد الله بما هو اهله وصل على ثم ادعه " . قال ثم صلى رجل اخر بعد ذلك فحمد الله وصلى على النبي صلى الله عليه وسلم فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " ايها المصلي ادع تجب " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن رواه حيوة بن شريح عن ابي هاني الخولاني وابو هاني اسمه حميد بن هاني وابو علي الجنبي اسمه عمرو بن مالك
। ফাযালাহ ইবনু উবাইদ (রাযিঃ) বলেন, এক লোককে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নামাযের মাঝে দু'আ করতে শুনলেন, কিন্তু নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর সে দরূদ পড়েনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ ব্যক্তিটি তাড়াহুড়া করেছে। তারপর তিনি তাকে ডাকলেন এবং তাকে বা অপর কাউকে বললেনঃ তোমাদের কেউ নামায আদায় করলে সে যেন আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও তার গুণগান করে, তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর দরূদ পাঠ করে, তারপর তার মনের কামনা অনুযায়ী দুআ করে। সহীহঃ দেখুন পূর্বে বর্ণিত হাদীসটির পূর্বের হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الله بن يزيد المقري، حدثنا حيوة بن شريح، حدثني ابو هاني الخولاني، ان عمرو بن مالك الجنبي، اخبره انه، سمع فضالة بن عبيد، يقول سمع النبي صلى الله عليه وسلم رجلا يدعو في صلاته فلم يصل على النبي صلى الله عليه وسلم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " عجل هذا " . ثم دعاه فقال له او لغيره " اذا صلى احدكم فليبدا بتحميد الله والثناء عليه ثم ليصل على النبي صلى الله عليه وسلم ثم ليدع بعد بما شاء " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। আসমা বিনতু ইয়াযীদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলার মহান নাম (ইসমে আযম) এই দুই আয়াতের মাঝে নিহিত আছে (অনুবাদ) “আর তোমাদের মা’বুদ একমাত্র আল্লাহ। তিনি ছাড়া অন্য কোন মা'বূদ নেই। তিনি দয়াময়, অতি দয়ালু”(সূরা বাক্কারাহ ১৬৩)। আর সূরা আ-লি ইমরানের প্রারম্ভিক আয়াত (অনুবাদ) “আলিফ-লাম-মীম। তিনিই আল্লাহ, তিনি ছাড়া অন্য কোন মা’বুদ নেই। তিনি চিরঞ্জীব ও চিরস্থায়ী”- (সূরা আ-লি ইমরান ১-২)। হাসানঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৫৫)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا علي بن خشرم، حدثنا عيسى بن يونس، عن عبيد الله بن ابي زياد القداح، كذا قال عن شهر بن حوشب، عن اسماء بنت يزيد، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " اسم الله الاعظم في هاتين الايتين : ( والهكم اله واحد لا اله الا هو الرحمن الرحيم ) وفاتحة ال عمران (الم * الله لا اله الا هو الحى القيوم ) " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কবুল হওয়ার পূর্ণ আস্থা নিয়ে আল্লাহ তা'আলার কাছে দুআ কর। তোমরা জেনে রাখ যে, আল্লাহ তা'আলা নিশ্চয় অমনোযোগী ও অসাড় মনের দুআ কবুল করেন না। হাসানঃ সহীহ হাদীস সিরিজ (হাঃ ৫৯৬)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। শুধুমাত্র উপর্যুক্ত সনদেই আমরা এ হাদীস জানতে পেরেছি। তিনি আরও বলেন, আমি আব্বাস আল-"আনবারী (রাহঃ)-কে বলতে শুনেছি, তোমরা আবদুল্লাহ ইবনু মু'আবিয়াহ আল-জুমাহী হতে হাদীস লিপিবদ্ধ কর। কেননা তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী।
حدثنا عبد الله بن معاوية الجمحي، - وهو رجل صالح حدثنا صالح المري، عن هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ادعوا الله وانتم موقنون بالاجابة واعلموا ان الله لا يستجيب دعاء من قلب غافل لاه " . قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه . سمعت عباسا العنبري يقول اكتبوا عن عبد الله بن معاوية الجمحي فانه ثقة
। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমাকে দৈহিক সুস্থতা দান কর, আমার দৃষ্টি শক্তির সুস্থতা দান কর এবং উহাকে আমার উত্তরাধিকার বানিয়ে দাও। আল্লাহ ভিন্ন কোন ইলাহ নেই। তিনি অতি সহনশীল ও দয়ালু। মহান আরশের মালিক আল্লাহ তা'আলা অতি পবিত্র। বিশ্বের রক্ষণাবেক্ষণাকারী আল্লাহ্ তা'আলার জন্য সকল প্রশংসা”। সনদ দুর্বল আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। তিনি আরও বলেনঃ আমি মুহাম্মাদ (ইমাম বুখারী)-কে বলতে শুনেছি, হাবীব ইবনু আবূ সাবিত উরওয়া ইবনুয যুবাইর (রাহঃ) হতে সরাসরি কিছুই শুনেননি।
حدثنا ابو كريب، حدثنا معاوية بن هشام، عن حمزة الزيات، عن حبيب بن ابي ثابت، عن عروة، عن عايشة، قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم عافني في جسدي وعافني في بصري واجعله الوارث مني لا اله الا الله الحليم الكريم سبحان الله رب العرش العظيم والحمد لله رب العالمين " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . قال سمعت محمدا يقول حبيب بن ابي ثابت لم يسمع من عروة بن الزبير شييا وحبيب بن ابي ثابت هو حبيب بن قيس بن دينار وقد ادرك عمر وابن عباس والله اعلم
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে ফাতিমাহ (রাযিঃ) একটি খাদিম চাইলেন। তিনি তাকে বললেনঃ তুমি বল, “হে আল্লাহ, সাত আকাশের প্রতিপালক এবং মহান আরশের প্রভু, আমাদের প্রতিপালক এবং প্রতিটি বস্তুর পালনকর্তা, তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন অবতীর্ণকারী এবং শস্যবীজ ও আঁটির অংকুর উদগমনকারী! আমি এমন প্রতিটি জিনিসের অনিষ্ট হতে তোমার নিকটে আশ্রয় চাই যার মস্তকের অগ্রভাগের চুলগুলো তুমি ধরে রেখেছ (অর্থাৎ তোমার নিয়ন্ত্রণাধীন)। তুমিই শুরু, তোমার আগে কিছুই নেই। তুমিই শেষ, তোমার পরেও কিছুই নেই। তুমিই প্রবল ও বিজয়ী, তোমার উপর কিছুই নেই। তুমিই লুকানো, তুমি ছাড়া আর কিছুই নেই। অতএব আমার ঋণ তুমি মিটিয়ে দাও এবং দরিদ্রতা হতে আমাকে স্বাবলম্বী করে দাও”। সহীহঃ মুসলিম (হাঃ ৮/৭৯)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমাশের কিছু শাগরিদ তার সূত্রে একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন। আবার তাদের মধ্যে কিছু বর্ণনাকারী আমাশ হতে, তিনি আবূ সালিহ হতে এই সনদে এটিকে মুরসালভাবে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তাতে আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ)-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করেননি।
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال جاءت فاطمة الى النبي صلى الله عليه وسلم تساله خادما فقال لها " قولي اللهم رب السموات السبع ورب العرش العظيم ربنا ورب كل شيء منزل التوراة والانجيل والقران فالق الحب والنوى اعوذ بك من شر كل شيء انت اخذ بناصيته انت الاول فليس قبلك شيء وانت الاخر فليس بعدك شيء وانت الظاهر فليس فوقك شيء وانت الباطن فليس دونك شيء اقض عني الدين واغنني من الفقر " . قال هذا حديث حسن غريب وهكذا روى بعض اصحاب الاعمش عن الاعمش نحو هذا . وروى بعضهم عن الاعمش عن ابي صالح مرسل ولم يذكر فيه عن ابي هريرة
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি আশ্রয় প্রার্থনা করি এমন মন হতে যা (তোমার ভয়ে) ভীত হয় না, এমন দুআ হতে যা শুনা হয় না (প্রত্যাখ্যান করা হয়), এমন আত্মা হতে যা পরিতৃপ্ত হয় না এবং এমন জ্ঞান হতে যা কাজে আসে না। তোমার নিকট আমি এ চার জিনিস হতে আশ্রয় চাই”। সহীহঃ তা’লীকুর রাগীব (হাঃ ১/৭৫-৭৬), সহীহ আবূ দাউদ (হাঃ ১৩৮৪-১৩৮৫)ו এ অনুচ্ছেদে জাবির, আবূ হুরাইরাহ ও ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) কর্তৃকও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে আবদুল্লাহ ইবনু 'আমূরের বর্ণনা হিসেবে হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
حدثنا ابو كريب، حدثنا يحيى بن ادم، عن ابي بكر بن عياش، عن الاعمش، عن عمرو بن مرة، عن عبد الله بن الحارث، عن زهير بن الاقمر، عن عبد الله بن عمرو، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اللهم اني اعوذ بك من قلب لا يخشع ودعاء لا يسمع ومن نفس لا تشبع ومن علم لا ينفع اعوذ بك من هولاء الاربع " . قال وفي الباب عن جابر وابي هريرة وابن مسعود . قال وهذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه من حديث عبد الله بن عمرو
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পিতাকে বললেনঃ হে হুসাইন! তুমি প্রতিদিন কত উপাস্যের পূজা-আৰ্চনা কর? আমার পিতা বললেন, সাতজন, ছয়জন এ মাটির দুনিয়াতে এবং একজন আকাশে। এবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি এদের মধ্যে কার থেকে আশা ও ভীতি অনুভব কর? তিনি বললেন, যে আকাশে আছে তার হতে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে হুসাইন, আহা! যদি তুমি ইসলাম গ্রহণ করতে তাহলে আমি তোমাকে দুটি বাক্য শিখিয়ে দিতাম যা তোমার কল্যাণে আসত। রাবী বলেনঃ হুসাইন (রাঃ) ইসলাম গ্রহণ করার পর বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি আমাকে যে দুটি বাক্য শিখিয়ে দেয়ার ওয়াদা করেছিলেন, এখন তা আমাকে শিখিয়ে দিন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি বল, “হে আল্লাহ! আমাকে হিদায়াত নসীব কর এবং আমার নাফসের অনিষ্ট হতে আমাকে বাঁচাও”। যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (২৪৭৬) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান গারীব। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) হতে এ হাদীস অন্যসূত্রেও বর্ণিত হয়েছে।
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو معاوية، عن شبيب بن شيبة، عن الحسن البصري، عن عمران بن حصين، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم لابي " يا حصين كم تعبد اليوم الها " . قال ابي سبعة ستا في الارض وواحدا في السماء . قال " فايهم تعد لرغبتك ورهبتك " . قال الذي في السماء . قال " يا حصين اما انك لو اسلمت علمتك كلمتين تنفعانك " . قال فلما اسلم حصين قال يا رسول الله علمني الكلمتين اللتين وعدتني . فقال " قل اللهم الهمني رشدي واعذني من شر نفسي " . قال هذا حديث حسن غريب . وقد روي هذا الحديث عن عمران بن حصين من غير هذا الوجه
। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি অনেকবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নিম্নোক্ত বাক্যের মাধ্যমে দু'আ করতে শুনেছিঃ “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই দুর্ভাবনা ও দুশ্চিন্তা হতে, অক্ষমতা ও অলসতা হতে, কৃপণতা ও ঋণের বোঝা হতে এবং মানুষের প্রাধান্য থেকে।" সহীহঃ গাইয়াতুল মারাম (হাঃ ৩৪৭), সহীহ আবূ দাউদ (হাঃ ১৩৭৭-১৩৭৮), বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান এবং আমর ইবনু আবী আমরের বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত সনদে গারীব।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عامر العقدي، حدثنا ابو مصعب المدني، عن عمرو بن ابي عمرو، مولى المطلب عن انس بن مالك، رضى الله عنه قال كثيرا ما كنت اسمع النبي صلى الله عليه وسلم يدعو بهولاء الكلمات " اللهم اني اعوذ بك من الهم والحزن والعجز والكسل والبخل وضلع الدين وغلبة الرجال " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه من حديث عمرو بن ابي عمرو
। আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুআ করে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি আশ্রয় প্রার্থনা করি অলসতা, বাৰ্ধক্য, কাপুরুষতা, কৃপণতা, মাসীহ দাজ্জালের পরীক্ষা এবং কবরের শাস্তি হতে।” সহীহঃ সহীহ আবূ দাউদ (হাঃ ১৩৭৭), বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا علي بن حجر، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن حميد، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم كان يدعو يقول " اللهم اني اعوذ بك من الكسل والهرم والجبن والبخل وفتنة المسيح وعذاب القبر " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আমি তার স্বীয় হস্তে গুণে গুণে তাসবীহ পাঠ করতে দেখেছি। সহীহঃ এটি ৩৪১১ নং হাদীসের পুনরুক্তি। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান এবং এই সনদে-আতা ইবনুস সায়িব হতে আ'মাশের বর্ণিত হাদীস হিসেবে গারীব। এ হাদীস শুবাহ ও সুফইয়ান সাওরী আতা ইবনুস সায়িবের সনদে আরো দীর্ঘাকারে রিওয়ায়াত করেছেন। এ অনুচ্ছেদে ইউসাইরা বিনতু ইয়াসির (রাযিঃ) হতে হাদীস বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে মহিলা সম্প্রদায়! তোমরা আঙ্গুলে গুনে গুণে তাসবীহ পাঠ কর। কেননা ওগুলো জিজ্ঞাসিত হবে এবং তারা সাক্ষ্য দিবে।
حدثنا محمد بن عبد الاعلى، - بصري - حدثنا عثام بن علي، عن الاعمش، عن عطاء بن السايب، عن ابيه، عن عبد الله بن عمرو، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم يعقد التسبيح . وقال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه من حديث الاعمش عن عطاء بن السايب . وروى شعبة والثوري هذا الحديث عن عطاء بن السايب بطوله . وفي الباب عن يسيرة بنت ياسر عن النبي صلى الله عليه وسلم قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا معشر النساء اعقدن بالانامل فانهن مسيولات مستنطقات
। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক রোগাক্রান্ত লোকের খোজ-খবর নিতে গিয়ে দেখেন যে, সে রোগে জর্জরিত হয়ে একেবারে চড়ুই পাখির বাচ্চার ন্যায় ক্ষীণ হয়ে গেছে। তিনি তাকে বললেনঃ রোগমুক্তির জন্য তুমি কি আল্লাহ তা'আলার নিকট দুআ করনি, তুমি কি তোমার প্রভুর কাছে শান্তি ও সুস্থতা কামনা করনি? সে বলল, আমি বলেছিলাম, “হে আল্লাহ! আমাকে তুমি আখিরাতে যে শাস্তি দিবে তা এ দুনিয়াতে আগেভাগেই দিয়ে দাও।” নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সুবহানাল্লাহ! তা সহ্য করার মত শক্তি-সামর্থ্য তোমার কোনটাই নেই। তুমি এভাবে কি বলতে পারলে নাঃ “হে আল্লাহ! দুনিয়াতেও আমাদেরকে মঙ্গল দান কর, আখিরাতেও মঙ্গল দান কর এবং জাহান্নামের অগ্নি হতে আমাদেরকে হিফাযাত কর?” সহীহঃ সহীহ আবূ দাউদ (হাঃ ১৩২৯), মুসলিম, বুখারী শুধুমাত্র দু'আর অংশ বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে হাদীসটি হাসান, সহীহ গারীব। আনাস (রাযিঃ)-এর বরাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا سهل بن يوسف، حدثنا حميد، عن ثابت البناني، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم عاد رجلا قد جهد حتى صار مثل الفرخ فقال له " اما كنت تدعو اما كنت تسال ربك العافية " . قال كنت اقول اللهم ما كنت معاقبي به في الاخرة فعجله لي في الدنيا . فقال النبي صلى الله عليه وسلم " سبحان الله انك لا تطيقه - او لا تستطيعه افلا كنت تقول اللهم اتنا في الدنيا حسنة وفي الاخرة حسنة وقنا عذاب النار " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . وقد روي من غير وجه عن انس عن النبي صلى الله عليه وسلم
। “রাববানা আ-তিনা ফিদদুনইয়া হাসানাতাও ওয়াফিল আ-খিরাতি হাসানাহ" এই আয়াতের ব্যাখ্যায় হাসান (রহঃ) বলেনঃ দুনিয়ার কল্যাণ হল জ্ঞান ও ইবাদাত, আখিরাতের কল্যাণ হল জান্নাত। হাসান লিগাইরিহীঃ তাফসীর ত্বাবারী (৪/২০৫)। মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না খালিদ ইবনুল হারিস হতে, তিনি হুমাইদ হতে, তিনি সাবিত হতে, তিনি আনাস (রাযিঃ) হতে এই সূত্রে উপরিউক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন।
حدثنا هارون بن عبد الله البزاز، حدثنا روح بن عبادة، عن هشام بن حسان، عن الحسن، في قوله : ( ربنا اتنا في الدنيا حسنة وفي الاخرة حسنة ) قال في الدنيا العلم والعبادة وفي الاخرة الجنة
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু'আ করতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি হিদায়াত, তাকওয়া, চরিত্রের নির্মলতা ও আত্মনির্ভরশীলতা প্রার্থনা করি”। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮৩২), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، قال انبانا شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت ابا الاحوص، يحدث عن عبد الله، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يدعو " اللهم اني اسالك الهدى والتقى والعفاف والغنى " . قال هذا حديث حسن صحيح