Loading...

Loading...
বইসমূহ
২৩৫ হাদিসসমূহ
। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বজ্রধ্বনি ও মেঘের গর্জন শুনলে বলতেনঃ “হে আল্লাহ! তোমার গযব দিয়ে আমাদেরকে মেরে ফেলো না, তোমার শাস্তি দিয়ে আমাদেরকে নিশ্চিহ্ন করো না, বরং তার আগেই আমাদেরকে মাফ করে দাও”। যঈফ, যঈফা (১০৪২), আল কালিমুত তায়্যিব (১৫৮১১১) আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধু উপরোক্ত সূত্রেই এ হাদীস জেনেছি।
حدثنا ��تيبة، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن الحجاج بن ارطاة، عن ابي مطر، عن سالم بن عبد الله بن عمر، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا سمع صوت الرعد والصواعق قال " اللهم لا تقتلنا بغضبك ولا تهلكنا بعذابك وعافنا قبل ذلك " . قال هذا حديث غريب لا نعرفه الا من هذا الوجه
। ত্বালহা ইবনু উবাইদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নতুন চাঁদ দেখার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ “হে আল্লাহ আমাদের জন্য চাদটিকে বারাকাতময় (নিরাপদ), ঈমান, নিরাপত্তা ও শান্তির বাহন করে উদিত করো! হে নতুন চাঁদ। আল্লাহ তা'আলা আমারও প্রভু, তোমারও প্রভু। সহীহঃ সহীহাহ (হাঃ ১৮১৬), আল-কালিমুত তাইয়্যিব (১৬১/১১৪)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابو عامر العقدي، حدثنا سليمان بن سفيان المدني، حدثني بلال بن يحيى بن طلحة بن عبيد الله، عن ابيه، عن جده، طلحة بن عبيد الله ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا راى الهلال قال " اللهم اهلله علينا باليمن والايمان والسلامة والاسلام ربي وربك الله " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب
। মু'আয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে দুই লোক পরস্পরকে গালি-গালাজ করে। এমনকি তাদের একজনের মুখমণ্ডলের রাগের ছাপ স্পষ্ট হয়ে উঠে। সে সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ নিশ্চয় আমি এমন একটি বাক্য জানি, এ ব্যক্তিটি যদি তা উচ্চারণ করত তবে অবশ্যই তার ক্রোধ চলে যেত। তা হলঃ “আমি বিতাড়িত শাইতান হতে আল্লাহ তা'আলার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি।" সহীহঃ রাওযুন নায়ীর (হাঃ ৬৩৫), বুখারী (হাঃ ৬১১৫), মুসলিম (হাঃ ৮/৩০-৩১), সুলাইমান ইবনু সুরাদ হতে। এই অনুচ্ছেদে সুলাইমান ইবনু সুরাদ হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার-আবদুর রহমান (ইবনু আবূ লাইলা) হতে, তিনি সুফইয়ান (রহঃ) হতে এই সনদে একই রকম বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসটি মুরসাল। আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলা (রাহঃ) মুআয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) হতে আদৌ হাদীস শুনেননি। কারণ মুআয (রাযিঃ) উমর ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ)-এর খিলাফতকালে মৃত্যুবরণ করেন। আর যে সময় উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) শহীদ হন সে সময় আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলা মাত্র ছয় বছরের বালক। শু'বাহ (রাহঃ) হাকাম হতে, তিনি আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলার সূত্রে একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন। আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলা (রাহঃ) উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) হতে রিওয়ায়াত করেছেন এবং তিনি তাকে প্রত্যক্ষ করেছেন। আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলার উপনাম আবূ ঈসা এবং তার পিতা আবী লাইলার নাম ইয়াসার। আবদুর রহমান ইবনু আবী লাইলা হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এক শত বিশজন সাহাবীর সাক্ষাৎ লাভ করেছি।
حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا قبيصة، اخبرنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن معاذ بن جبل، رضى الله عنه قال استب رجلان عند النبي صلى الله عليه وسلم حتى عرف الغضب في وجه احدهما فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اني لاعلم كلمة لو قالها لذهب غضبه اعوذ بالله من الشيطان الرجيم " . حدثنا بندار، حدثنا عبد الرحمن، عن سفيان، بهذا الاسناد نحوه . قال وفي الباب عن سليمان بن صرد قال وهذا حديث مرسل . عبد الرحمن بن ابي ليلى لم يسمع من معاذ بن جبل مات معاذ في خلافة عمر بن الخطاب وقتل عمر بن الخطاب وعبد الرحمن بن ابي ليلى غلام ابن ست سنين وهكذا روى شعبة عن الحكم عن عبد الرحمن بن ابي ليلى وقد روى عبد الرحمن بن ابي ليلى عن عمر بن الخطاب وراه وعبد الرحمن بن ابي ليلى يكنى ابا عيسى وابو ليلى اسمه يسار وروي عن عبد الرحمن بن ابي ليلى قال ادركت عشرين وماية من الانصار من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তিনি বলতে শুনেছেনঃ তোমাদের কেউ তার পছন্দনীয় স্বপ্ন দেখে থাকলে তা আল্লাহ তা'আলার পক্ষ হতে। অতএব সে যেন এজন্য আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা করে এবং যা সে দেখেছে তা অন্যের নিকট প্রকাশ করে। আর সে এর বিপরীত মন্দ স্বপ্ন দেখলে তা শাইতানের পক্ষ হতে। অতএব সে যেন এর অনিষ্ট হতে আল্লাহ তা'আলার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করে এবং অন্য কারো নিকট তা ব্যক্ত না করে। তাহলে তাতে তার কোন অনিষ্ট হবে না। সহীহঃ তা’লীকুর রাগীব (হাঃ ২/২৬২), সহীহ আল-জামি" (হাঃ ৫৪৯, ৫৫০), বুখারী। এ অনুচ্ছেদে আবূ কাতাদাহ (রাযিঃ) কর্তৃক হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে হাদীসটি হাসান গারীব সহীহ। ইবনুল হাদ-এর নাম ইয়াযীদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উসামা ইবনুল হাদ আল-মাদীনী। হাদীস বিশারদদের মতে তিনি নির্ভরযোগ্য হাদীস বর্ণনাকারী। তার সনদে ইমাম মালিক প্রমুখ হাদীস রিওয়ায়াত করেছেন।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا بكر بن مضر، عن ابن الهاد، عن عبد الله بن خباب، عن ابي سعيد الخدري، انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا راى احدكم الرويا يحبها فانما هي من الله فليحمد الله عليها وليحدث بما راى واذا راى غير ذلك مما يكره فانما هي من الشيطان فليستعذ بالله من شرها ولا يذكرها لاحد فانها لا تضره " . قال وفي الباب عن ابي قتادة . قال وهذا حديث حسن صحيح غريب من هذا الوجه . وابن الهاد اسمه يزيد بن عبد الله بن اسامة بن الهاد المدني وهو ثقة روى عنه مالك والناس
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, সাহাবাগণ (তাদের বাগানে) সর্বপ্রথম পাকা ফল দেখলে তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে (হাদীয়াহ স্বরূপ) নিয়ে আসত। ফলটি নিজ হাতে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতেনঃ “হে আল্লাহ! আমাদের ফলমূলে আমাদেরকে বারাকাত দাও, আমাদের শহরে আমাদেরকে বারাকাত দাও এবং আমাদের দাঁড়িপাল্লায় আমাদের বারাকাত দাও। হে আল্লাহ! ইবরাহীম নিশ্চয়ই তোমার বান্দা, তোমার বন্ধু ও তোমার নবী এবং আমিও তোমার বান্দা ও তোমার নবী। তোমার নিকট তিনি মক্কা ভূমির জন্য দু'আ করেছিলেন। তোমার নিকট আমিও মাদীনার জন্য দু’আ করছি, যেভাবে তিনি মক্কার জন্য তোমার নিকট দু'আ করেছিলেন এবং আরও সম-পর্যায়ের"। বর্ণনাকারী বলেন, তারপর তিনি কোন বালককে উপস্থিত দেখতে পেলে ফলটি তাকে দিয়ে দিতেন। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৩২৯), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، واخبرنا قتيبة، عن مالك، عن سهيل بن ابي صالح، عن ابيه، عن ابي هريرة، رضى الله عنه قال كان الناس اذا راوا اول الثمر جاءوا به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذا اخذه رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اللهم بارك لنا في ثمارنا وبارك لنا في مدينتنا وبارك لنا في صاعنا ومدنا اللهم ان ابراهيم عبدك وخليلك ونبيك واني عبدك ونبيك وانه دعاك لمكة وانا ادعوك للمدينة بمثل ما دعاك به لمكة ومثله معه " . ثم يدعو اصغر وليد يراه فيعطيه ذلك الثمر . قال هذا حديث حسن صحيح
। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি ও খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাযিঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে মাইমূনাহ (রাযিঃ)-এর কাছে গেলাম। আমাদের জন্য তিনি এক পাত্র দুধ নিয়ে এলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তা হতে) পান করলেন। তার ডান পাশে ছিলাম আমি এবং খালিদ ছিলেন তার বাম পাশে। তিনি আমাকে বললেনঃ এখন তোমার পান করার পালা। তবে তুমি চাইলে তোমার উপর খালিদকে অগ্রাধিকার দিতে পার। আমি বললাম, আপনার উচ্ছিষ্টে আমি আমার উপর কোন লোককে অগ্রাধিকার দিব না। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা যাকে আহার করান সে যেন বলে, “হে আল্লাহ! আমাদেরকে এ খাদ্যে বারাকাত দাও এবং আমাদেরকে এর চাইতে উত্তম খাবার আহার করাও।” আর আল্লাহ তা'আলা যাকে দুধ পান করান সে যেন বলে, “হে আল্লাহ! এ দুধে আমাদেরকে বারাকাত দাও এবং এর চাইতেও বেশি আমাদেরকে দান কর।” এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ একই সঙ্গে পান ও আহারের জন্য যথেষ্ট হওয়ার মত দুধের বিকল্প কোন খাবার নেই। হাসানঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৩২২)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান। এ হাদীস কিছু বর্ণনাকারী আলী ইবনু যাইদ কর্তৃক রিওয়ায়াত করেছেন এবং এক বর্ণনাকারীর নাম বলেছেনঃ উমার ইবনু হারমালাহ্। আবার কয়েকজন বর্ণনাকারী বলেছেন, 'আমর ইবনু হারমালাহ, আসলে এটা সঠিক নয়।
حدثنا احمد بن منيع، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، حدثنا علي بن زيد، عن عمر، وهو ابن ابي حرملة عن ابن عباس، قال دخلت مع رسول الله صلى الله عليه وسلم انا وخالد بن الوليد على ميمونة فجاءتنا باناء من لبن فشرب رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا على يمينه وخالد على شماله فقال لي " الشربة لك فان شيت اثرت بها خالدا " . فقلت ما كنت اوثر على سورك احدا . ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من اطعمه الله الطعام فليقل اللهم بارك لنا فيه واطعمنا خيرا منه . ومن سقاه الله لبنا فليقل اللهم بارك لنا فيه وزدنا منه " . وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ليس شيء يجزي مكان الطعام والشراب غير اللبن " . قال هذا حديث حسن . وقد روى بعضهم هذا الحديث عن علي بن زيد فقال عن عمر بن حرملة . وقال بعضهم عمرو بن حرملة ولا يصح
। আবূ উমামাহ্ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে হতে (খাবার শেষে) দস্তরখান তুলে নেয়া কালে তিনি বলতেনঃ “সকল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার জন্য, পবিত্র ও বারাকাতময় বিপুল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার জন্য। হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা তা কখনো ছাড়তে পারব না এবং তা হতে অমুখাপেক্ষীও হতে পারব না”। সহীহঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩২৮৪), বুখারী। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا ثور بن يزيد، حدثنا خالد بن معدان، عن ابي امامة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا رفعت المايدة من بين يديه يقول " الحمد لله حمدا كثيرا طيبا مباركا فيه غير مودع ولا مستغنى عنه ربنا " . قال هذا حديث حسن صحيح
। আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন খেতেন অথবা কিছু পান করতেন, তখন বলতেনঃ “সকল প্রশংসা আল্লাহ্ তা'আলার জন্য, যিনি আমাদেরকে খাবার খাইয়েছেন ও পান করিয়েছেন এবং মুসলিমদের অন্তর্গত করেছেন"। যঈফ, ইবনু মাজাহ
حدثنا ابو سعيد الاشج، حدثنا حفص بن غياث، وابو خالد الاحمر عن حجاج بن ارطاة، عن رياح بن عبيدة، قال حفص عن ابن اخي ابي سعيد، وقال ابو خالد، عن مولى، لابي سعيد عن ابي سعيد، رضى الله عنه قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اكل او شرب قال " الحمد لله الذي اطعمنا وسقانا وجعلنا مسلمين
। সাহল ইবনু মু'আয ইবনু আনাস (রাযিঃ) হতে তার পিতার সনদে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আহার করার পর বলল, “সকল প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার জন্য যিনি আমাকে এটা আহার করিয়েছেন এবং এটা আমাকে রিযক দিয়েছেন, আমার তা লাভ করার প্রচেষ্টা বা শক্তি ব্যতীত”, তার আগের সকল অপরাধ ক্ষমা করা হয়। হাসানঃ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩২৮৫)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আবূ মারহুমের নাম আবদুর রহীম ইবনু মাইমূন।
حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا عبد الله بن يزيد المقري، حدثنا سعيد بن ابي ايوب، حدثني ابو مرحوم، عن سهل بن معاذ بن انس، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من اكل طعاما فقال الحمد لله الذي اطعمني هذا ورزقنيه من غير حول مني ولا قوة . غفر له ما تقدم من ذنبه " . قال هذا حديث حسن غريب وابو مرحوم اسمه عبد الرحيم بن ميمون
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা মোরগের ডাক শুনতে পেলে সে সময় আল্লাহ তা'আলার কাছে তার অনুগ্রহ প্রার্থনা করবে। কেননা সে ফেরেশতাকে প্রত্যক্ষ করেছে। আর যখন তোমরা গাধার চীৎকার শুনবে তখন আল্লাই তা'আলার নিকট শাইতান হতে আশ্রয় প্রার্থনা করবে। কেননা সে শাইতানকে দেখেছে। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن الاعرج، عن ابي هريرة، رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا سمعتم صياح الديكة فاسالوا الله من فضله فانها رات ملكا واذا سمعتم نهيق الحمار فتعوذوا بالله من الشيطان الرجيم فانه راى شيطانا " . قال هذا حديث حسن صحيح
। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পৃথিবীর বক্ষে যে লোকই বলে, “আল্লাহু তা'আলা ব্যতীত কোন মা'বূদ নেই, আল্লাহ সুমহান, খারাপকে রোধ করা এবং কল্যাণকে লাভ করার শক্তি আল্লাহ তা'আলা ছাড়া অন্য কারো নেই", তার অপরাধগুলো মাফ করা হয়, যদিও তা সাগরের ফেনারাশির ন্যায় (বেশি) হয়। হাসানঃ তা’লীকুর রাগীব (হাঃ ২/২৪৯)। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীস শুবাহ্ (রহঃ) আবূ বালজ হতে এই সনদে একই রকম রিওয়ায়াত করেছেন,তবে তা তিনি মারফুরূপে রিওয়ায়াত করেননি। আবূ বালজের নাম ইয়াহইয়া ইবনু আবী সুলাইম, তিনি ইবনু সুলাইম বলেও অবহিত। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার-ইবনু আবী আদী হতে, তিনি হাতিম ইবনু আবী সাগীরাহ হতে, তিনি আবু বালজ হতে, তিনি আমর ইবনু মায়মুন হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আমর হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সনদে উপরোক্ত হাদীসের একই রকম বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার-মুহাম্মাদ ইবনু জাফার হতে, তিনি শুবাহ হতে, তিনি আবূ বালজ (রাহঃ) হতে এই সনদে একই রকম হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে তিনি তা মারফুরূপে বর্ণনা করেননি।
حدثنا عبد الله بن ابي زياد الكوفي، حدثنا عبد الله بن ابي بكر السهمي، عن حاتم بن ابي صغيرة، عن ابي بلج، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله بن عمرو، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما على الارض احد يقول لا اله الا الله والله اكبر ولا حول ولا قوة الا بالله . الا كفرت عنه خطاياه ولو كانت مثل زبد البحر " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب . وروى شعبة هذا الحديث عن ابي بلج بهذا الاسناد نحوه ولم يرفعه وابو بلج اسمه يحيى بن ابي سليم ويقال ايضا يحيى بن سليم . حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن ابي عدي، عن حاتم بن ابي صغيرة، عن ابي بلج، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه وحاتم يكنى ابا يونس القشيري . حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن ابي بلج، نحوه ولم يرفعه
। আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, এক যুদ্ধে আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। ফেরার কালে যখন আমরা মাদীনার উঁচু ভূমি পার হচ্ছিলাম সে সময় লোকেরা সজোরে তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করে। ফলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেলনঃ তোমাদের প্রভু বধিরও নন এবং অনুপস্থিতও নন। তিনি তোমাদের মাঝেই আছেন এবং তোমাদের সওয়ারীর সম্মুখেই আছেন। তারপর তিনি বললেনঃ হে 'আবদুল্লাহ ইবনু কাইস (আবূ মূসা)। আমি কি তোমাকে জান্নাতের অন্যতম রত্ন ভাণ্ডার সম্পর্কে জানাব না? তা হল “লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”। সহীহঃ সহীহ ইবনু মাজাহ (হাঃ ৩৮২৪), বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ উসমান আন-নাহদীর নাম ‘আবদুর রহমান ইবনু মুল্ল। আবূ না'আমার নাম 'আমর ইবনু ঈসা। “তিনি তোমাদের মাঝে আছেন এবং তোমাদের বাহনের সম্মুখে আছেন” বাক্যাংশের মর্মার্থ এই যে, তার জ্ঞান ও কুদরত সব জায়গায় পরিব্যপ্ত।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا مرحوم بن عبد العزيز العطار، حدثنا ابو نعامة السعدي، عن ابي عثمان النهدي، عن ابي موسى الاشعري، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في غزاة فلما قفلنا اشرفنا على المدينة فكبر الناس تكبيرة ورفعوا بها اصواتهم فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان ربكم ليس باصم ولا غايب هو بينكم وبين رءوس رحالكم " . ثم قال " يا عبد الله بن قيس الا اعلمك كنزا من كنوز الجنة لا حول ولا قوة الا بالله " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح وابو عثمان النهدي اسمه عبد الرحمن بن مل وابو نعامة اسمه عمرو بن عيسى . ومعنى قوله بينكم وبين رءوس رحالكم يعني علمه وقدرته
। ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মি'রাজের রাতে আমি ইবরাহীম (আঃ)-এর সঙ্গে দেখা করেছি। তিনি বললেনঃ হে মুহাম্মাদ" আপনার উম্মাতকে আমার সালাম পৌছিয়ে দিন এবং তাদেরকে জানান যে, জান্নাতের যমীন অতীব সুগন্ধি সমৃদ্ধ এবং সেখানকার পানি অত্যন্ত সুস্বাদু। তা একটি সমতল ভূমি এবং তার গাছপালা হল “সুবহানাল্লাহ ওয়ালহামদু লিল্লাহ ওয়ালা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার"। হাসানঃ তা’লীকুর রাগীব (হাঃ ২/২৪৫, ২৫৬), আল-কালিমুত তাইয়্যিব (হাঃ ১৫/৬), সহীহাহ (হাঃ ১০৬)। আবূ আইউব (রাযিঃ) কর্তৃকও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, উপর্যুক্ত সনদে এ হাদীসটি হাসান এবং ইবনু মাসউদ (রাযিঃ)-এর বর্ণনার পরিপ্রেক্ষিতে গারীব।
حدثنا عبد الله بن ابي زياد، حدثنا سيار، حدثنا عبد الواحد بن زياد، عن عبد الرحمن بن اسحاق، عن القاسم بن عبد الرحمن، عن ابيه، عن ابن مسعود، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقيت ابراهيم ليلة اسري بي فقال يا محمد اقري امتك مني السلام واخبرهم ان الجنة طيبة التربة عذبة الماء وانها قيعان وان غراسها سبحان الله والحمد لله ولا اله الا الله والله اكبر " . قال وفي الباب عن ابي ايوب . قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه من حديث ابن مسعود
। সা'দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সঙ্গে উপস্থিত সাহাবীগণকে বললেনঃ তোমাদের কেউ কি এক হাজার নেকী অর্জন করতে অক্ষম? উপস্থিতদের একজন প্রশ্ন করলেন, আমাদের একজন কিভাবে এক হাজার নেকী অর্জন করবে? তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ একশতবার তাসবীহ (সুবহানাল্লাহ) পাঠ করলে তার ‘আমলনামায় এক হাজার নেকী লিপিবদ্ধ করা হবে এবং তার এক হাজার অপরাধ ক্ষমা করা হবে। সহীহঃ মুসলিম (হাঃ ৮/৭১)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا موسى الجهني، حدثني مصعب بن سعد، عن ابيه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال لجلسايه " ايعجز احدكم ان يكسب الف حسنة " . فساله سايل من جلسايه كيف يكسب احدنا الف حسنة قال " يسبح احدكم ماية تسبيحة تكتب له الف حسنة وتحط عنه الف سيية " . قال هذا حديث حسن صحيح
। জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক (একবার) বলে “সুবহানাল্লাহিল আযীম ওয়াবিহামদিহী”, তার জন্য জান্নাতে একটি খেজুর গাছ লাগানো হয়। সহীহঃ রাওযুন নায়ীর (হাঃ ২৪৩), সহীহাহ (হাঃ ৬৪)। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব সহীহ। হাদীসটি আমরা শুধুমাত্র আবূয যুবাইর এর বরাতে জাবির (রাযিঃ) হতে অবগত হয়েছি।
حدثنا احمد بن منيع، وغير، واحد، قالوا حدثنا روح بن عبادة، عن حجاج الصواف، عن ابي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قال سبحان الله العظيم وبحمده . غرست له نخلة في الجنة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب لا نعرفه الا من حديث ابي الزبير عن جابر
। জাবির (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক বলে “সুবহানাল্লাহিল আযম ওয়াবিহামদিহী” (আমি মহান আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা সহকারে পবিত্রতা ঘোষণা করছি) জান্নাতে তার জন্য একটি খেজুর গাছ লাগানো হয়। সহীহঃ দেখুন পূর্বের হাদীস। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান গারীব।
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا المومل، عن حماد بن سلمة، عن ابي الزبير، عن جابر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قال سبحان الله العظيم وبحمده غرست له نخلة في الجنة " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক একশত বার “সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী” বলে তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হয়, তা সাগরের ফেনারাশির সমপর্যায় হলেও। সহীহঃ আল-কালিমুত তাইয়্যিব তাহকীক সানী, বুখারী। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا نصر بن عبد الرحمن الكوفي، حدثنا المحاربي، عن مالك بن انس، عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال سبحان الله وبحمده ماية مرة غفرت له ذنوبه وان كانت مثل زبد البحر " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন দুটি বাক্য আছে যা মুখে উচ্চারণ করা অতি সহজ, ওজনে খুবই ভারী এবং করুণাময় আল্লাহ তা'আলার নিকট অতি প্রিয়ঃ “সুবৃহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী, সুবহানাল্লাহিল আমীম” (মহা পবিত্র আল্লাহ তা'আলা, তিনি মহামহিম, মহা পবিত্র আল্লাহ তা'আলা, সকল প্রশংসা তার জন্য)। সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
حدثنا يوسف بن عيسى، حدثنا محمد بن الفضيل، عن عمارة بن القعقاع، عن ابي زرعة بن عمرو بن جرير، عن ابي هريرة، رضى الله عنه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كلمتان خفيفتان على اللسان ثقيلتان في الميزان حبيبتان الى الرحمن سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم " . قال هذا حديث حسن غريب صحيح
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক প্রত্যহ একশত বার বলেঃ “আল্লাহ তা'আলা ছাড়া কোন মা’বুদ নেই, তিনি এক, তার কোন অংশীদার নেই, রাজত্ব একমাত্র তারই, সকল প্রশংসা তার জন্য। তিনিই প্রাণ দান করেন এবং মৃত্যু দেন। সকল কিছুর উপর তিনি সর্বশক্তিমান”, সে দশটি গোলাম মুক্ত করার সমপরিমাণ সাওয়াব পায়, একশত সাওয়াব তার আমলনামায় লিপিবদ্ধ করা হয় এবং তার (‘আমলনামা হতে) একশত গুনাহ মুছে ফেলা হয়। ঐ দিন সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে শয়তান হতে রক্ষা করা হয় এবং তার চাইতে উত্তম বস্তু নিয়ে আর কেউ আসবে না, তবে যে লোক উক্ত দুআ তার তুলনায় বেশী সংখ্যায় পাঠ করে তার কথা আলাদা। “প্ৰাণ দান করেন এবং মৃত্যু দেন” এই অংশ ব্যতীত হাদীসটি সহীহ আল-কালিমুত তাইয়্যিব তাহকীক সানী পৃষ্ঠা (২৬) বুখারী ও মুসলিম ঐ অতিরিক্ত অংশ ব্যতীত। একই সানাদসূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত আছেঃ “যে লোক একশতবার সুবহানাল্লাহি ওয়াবিহামদিহী” বলে তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করা হয় তা সাগরের ফেনারাশির চেয়ে বেশি হলেও। সহীহঃ এটা (৩৪৬৬) নং হাদীসের পুনরুক্তি। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।
حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا معن، حدثنا مالك، عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال لا اله الا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد يحيي ويميت وهو على كل شيء قدير في يوم ماية مرة كانت له عدل عشر رقاب وكتبت له ماية حسنة ومحيت عنه ماية سيية وكان له حرزا من الشيطان يومه ذلك حتى يمسي ولم يات احد بافضل مما جاء به الا احد عمل اكثر من ذلك " . وبهذا الاسناد عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قال سبحان الله وبحمده ماية مرة حطت خطاياه وان كانت اكثر من زبد البحر " . قال هذا حديث حسن صحيح
। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক সকালে ও বিকালে একশত বার বলেঃ “সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী,” কিয়ামতের দিন তার চাইতে উত্তম (আমলকারী) আর কেউ হবে না। তবে যে লোক তার ন্যায় কিংবা তার চাইতে অধিক পরিমাণ তা বলে (সে উত্তম আমলকারী বলে গণ্য হবে)। সহীহঃ তাহ‘লীকুর রাগীব (হাঃ ১/২২৬), মুসলিম। আবূ ঈসা বলেন, হাদীসটি হাসান সহীহ গারীব।
حدثنا محمد بن عبد الملك بن ابي الشوارب، حدثنا عبد العزيز بن المختار، عن سهيل بن ابي صالح، عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من قال حين يصبح وحين يمسي سبحان الله وبحمده ماية مرة لم يات احد يوم القيامة بافضل مما جاء به الا احد قال مثل ما قال او زاد عليه " . قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح غريب