Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৭৭ হাদিসসমূহ
। আমির ইবনু শাহর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাজ্জাসীর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তখন তার এক ছেলে ইঞ্জীলের একটি আয়াত পড়লে আমি হাসলাম। তিনি বললেন, তুমি কি মহান আল্লাহর বাণী শুনে হাসছো![1] সহীহ।
حدثنا اسماعيل بن عمر، اخبرنا ابراهيم بن موسى، اخبرنا ابن ابي زايدة، عن مجالد، عن عامر، - يعني الشعبي - عن عامر بن شهر، قال : كنت عند النجاشي فقرا ابن له اية من الانجيل فضحكت فقال : اتضحك من كلام الله
। ইবনু আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর জন্য আশ্রয় প্রার্থনা করতেন এভাবেঃ ‘‘আমি তোমাদের দু’জনের জন্য আল্লাহর পূর্ণাঙ্গ কালেমাসমূহের মাধ্যমে প্রত্যেক শয়তানের ও বিষাক্ত প্রাণী থেকে এবং সকল প্রকার বদনজর থেকে মুক্তি চাইছি।’’ অতঃপর তিনি বলতেনঃ তোমাদের পিতা [ইবরাহীম (আঃ)] ও ইসমাঈল এবং ইসহাক (আঃ) উভয়ের জন্য এ দু‘আ পড়ে আশ্রয় চাইতেন। ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এতে প্রমাণিত হয় যে, আল-কুরআন মাখলূক নয়।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن المنهال بن عمرو، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال : كان النبي صلى الله عليه وسلم يعوذ الحسن والحسين : " اعيذكما بكلمات الله التامة من كل شيطان وهامة ومن كل عين لامة " . ثم يقول : " كان ابوكم يعوذ بهما اسماعيل واسحاق " . قال ابو داود : هذا دليل على ان القران ليس بمخلوق
। আব্দুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন মহান আল্লাহ ওহী প্রেরণের কথা বলেন, তখন এক আকাশের অধিবাসীগণ অন্য আকাশ থেকে সাফা পর্বতের উপর দিয়ে শিকল টানা শব্দের মতই শব্দ শুনতে পান। আর আওয়াজ শুনে তারা বেহুশ হয়ে যায় এবং জিবরীল (আঃ) তাদের নিকট উপস্থিত হলে তাদের অন্তর থেকে ভয় বিদূরীত হয়ে তারা হুশ ফিরে পায়। অতঃপর তারা বলে, হে জিবরীল! আপনার রব কি বলেছেন? তিনি বললেন, যা সত্য তাই বলেছেন। তখন তারা বলে, সত্যই বলেছেন, সত্যই বলেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن ابي سريج الرازي، وعلي بن الحسين بن ابراهيم، وعلي بن مسلم، قالوا حدثنا ابو معاوية، حدثنا الاعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " اذا تكلم الله بالوحى سمع اهل السماء للسماء صلصلة كجر السلسلة على الصفا فيصعقون، فلا يزالون كذلك حتى ياتيهم جبريل حتى اذا جاءهم جبريل فزع عن قلوبهم " . قال : " فيقولون : يا جبريل ماذا قال ربك فيقول : الحق فيقولون : الحق الحق
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার উম্মাতের কাবীরাহ গুনাহগারদের জন্য আমার শাফা‘আত।[1] সহীহ।
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا بسطام بن حريث، عن اشعث الحداني، عن انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال : " شفاعتي لاهل الكباير من امتي
। ইমরান ইবনু হুসাইন (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমার উম্মাতের একটি গোত্র আমার শাফা‘আত পেয়ে জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভ করে বেরিয়ে আসবে, অতঃপর তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর তাদেরকে জাহান্নামের অধিবাসী নামে আখ্যায়িত করা হবে।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن الحسن بن ذكوان، حدثنا ابو رجاء، قال حدثني عمران بن حصين، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال : " يخرج قوم من النار بشفاعة محمد فيدخلون الجنة ويسمون الجهنميين
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ জান্নাতের অধিবাসীরা সেখানে পানাহার করবে।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابي سفيان، عن جابر، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول : " ان اهل الجنة ياكلون فيها ويشربون
। আব্দুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, সূর একটি শিং এর ন্যায়, তাতে ফুঁ দেয়া হবে।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا معتمر، قال سمعت ابي قال، حدثنا اسلم، عن بشر بن شغاف، عن عبد الله بن عمرو، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال : " الصور قرن ينفخ فيه
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি আদম সন্তানকে মাটি খেয়ে ফেলবে, শুধু মেরুদন্ডের নীচের হাড়টুকু বাকী থাকবে। এ থেকেই তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে এবং এ থেকেই তাকে পুনর্গঠন করা হবে।[1] সহীহ।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " كل ابن ادم تاكل الارض الا عجب الذنب، منه خلق وفيه يركب
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহান আল্লাহ জান্নাত তৈরী করে জিবরীল (আঃ)-কে আদেশ দিলেন, তুমি গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার ইজ্জতের কসম! এটি সম্পর্কে যেই শুনবে, সে তাতে প্রবেশ না করে ছাড়বে না। অতঃপর তিনি (আল্লাহ) তাকে কষ্টসাধ্য বিষয়সমূহ দ্বারা বেষ্টিত করে পুনরায় বললেন, হে জিবরীল! এবার আবার গিয়ে তা দেখে আসো। অতএব তিনি আবার গিয়ে দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার অত্যন্ত ভয় হচ্ছে যে, কেউই তাতে প্রবেশ করতে পারবে না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, অতঃপর মহান আল্লাহ জাহান্নাম তৈরী করে বললেন, হে জিবরীল! তুমি গিয়ে তা দেখে এসো। অতএব তিনি তা দেখে এসে বললেন, হে আমার রব! আপনার ইজ্জতের কসম! কেউই তাতে প্রবেশ করতে চাইবে না। অতঃপর আল্লাহ একে লোভ-লালসা, কামনা-বাসনা ইত্যাদি আকর্ষণে আচ্ছাদিত করে পুনরায় জিবরীল (আঃ)-কে বললেন, যাও তা দেখে এসো! তিনি সেখানে গিয়ে তা দেখে এসে বললেন, হে রব! আপনার মর্যাদার কসম! আমার ভয় হচ্ছে যে, কেউই অবশিষ্ট থাকবে না, সকলেই তাতে প্রবেশ করবে।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " لما خلق الله الجنة قال لجبريل : اذهب فانظر اليها . فذهب فنظر اليها ثم جاء فقال : اى رب وعزتك لا يسمع بها احد الا دخلها ثم حفها بالمكاره ثم قال : يا جبريل اذهب فانظر اليها فذهب فنظر اليها ثم جاء فقال : اى رب وعزتك لقد خشيت ان لا يدخلها احد " . قال : " فلما خلق الله النار قال : يا جبريل اذهب فانظر اليها . فذهب فنظر اليها ثم جاء فقال : اى رب وعزتك لا يسمع بها احد فيدخلها فحفها بالشهوات ثم قال : يا جبريل اذهب فانظر اليها . فذهب فنظر اليها ثم جاء فقال : اى رب وعزتك لقد خشيت ان لا يبقى احد الا دخلها
। ইবনু উমার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই তোমাদের সামনে যে হাওয রয়েছে তার বিস্তৃতি জারবাহ ও আযরুহ-এর মধ্যবর্তী দূরত্বের সমান।[1] সহীহ।
حدثنا سليمان بن حرب، ومسدد، قالا حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " ان امامكم حوضا ما بين ناحيتيه كما بين جرباء واذرح
। যায়িদ ইবনু আরকাম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সফরকালে এক জায়গায় যাত্রাবিরতি করলে তিনি বলেনঃ হাওযে কাওসারে যেসব লোক আমার নিকট উপস্থিত হবে, তাদের তুলনায় তোমরা তাদের এক লাখ ভাগের এক ভাগ মাত্র। তিনি (বর্ণনাকারী আবূ হামযাহ) বললেন, আমি (যায়িদ ইবনু আরকামকে) বললাম, আপনারা সেখানে তখন কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, সাতশো অথবা আটশো।[1] সহীহ।
حدثنا حفص بن عمر النمري، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابي حمزة، عن زيد بن ارقم، قال : كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فنزلنا منزلا فقال : " ما انتم جزء من ماية الف جزء ممن يرد على الحوض " . قال قلت : كم كنتم يوميذ قال : سبعماية او ثمانماية
। আল-মুখতার ইবনু ফুলফুল সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তন্দ্রাচ্ছন্ন হলেন। অতঃপর মুচকি হেসে মাথা তুলে তিনি তাদেরকে অথবা তাঁকে তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কেন হাসলেন? তিনি বললেন, এইমাত্র আমার উপর একটি সূরা নাযিল হয়েছে। অতঃপর তিনি পড়লেন, পরম করুণাময় ও দয়ালু আল্লাহর নামে। ‘‘নিশ্চয়ই আমি আপনাকে আল-কাওসার দান করেছি।’’ এভাবে তিনি সূরাটি পাঠ শেষ করে বললেন, তোমরা কি জানো কাওসার কী? তারা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বলেন, তা এমন একটি পানির ঝর্ণা যা আমার রব জান্নাতে সৃষ্টি করে রেখেছেন। তাতে অসংখ্য কল্যাণ বিদ্যমান। তাতে হাওয ও কাওসারও রয়েছে। আমার উম্মতগণ কিয়ামতের দিন সেখানে উপস্থিত হবে। এর পানপাত্রের সংখ্যা হবে (আকাশের) তারকার সমপরিমাণ।[1] হাসান।
حدثنا هناد بن السري، حدثنا محمد بن فضيل، عن المختار بن فلفل، قال سمعت انس بن مالك، يقول : اغفى رسول الله صلى الله عليه وسلم اغفاءة فرفع راسه متبسما، فاما قال لهم واما قالوا له : يا رسول الله لم ضحكت فقال : " انه انزلت على انفا سورة " . فقرا بسم الله الرحمن الرحيم {انا اعطيناك الكوثر} حتى ختمها فلما قراها قال : " هل تدرون ما الكوثر " . قالوا : الله ورسوله اعلم . قال : " فانه نهر وعدنيه ربي عز وجل في الجنة، وعليه خير كثير عليه حوض ترد عليه امتي يوم القيامة انيته عدد الكواكب
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, মি‘রাজের রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জান্নাতে পরিভ্রমণ করানো হয়। এ সময় তাঁর সামনে একটি নহর উপস্থিত করা হয় যার উভয় তীর খাঁটি নীলকান্ত মণি দ্বারা সুশোভিত ছিলো। যে ফিরিশতা তাঁর সাথে ছিলেন, তার হাতে আঘাত করলে কস্তুরী বেরিয়ে আসে। অতঃপর মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সফরসঙ্গী ফিরিশতাকে প্রশ্ন করলেন, এটা কি? তিনি বললেন, এ হলো সেই কাওসার যা মহামহিমান্বিত আল্লাহ আপনাকে দান করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا عاصم بن النضر، حدثنا المعتمر، قال سمعت ابي قال، حدثنا قتادة، عن انس بن مالك، قال : لما عرج بنبي الله صلى الله عليه وسلم في الجنة - او كما قال - عرض له نهر حافتاه الياقوت المجيب او قال المجوف، فضرب الملك الذي معه يده فاستخرج مسكا فقال محمد صلى الله عليه وسلم للملك الذي معه : " ما هذا " . قال : هذا الكوثر الذي اعطاك الله عز وجل
। আব্দুস সালাম ইবনু আবূ হাযিম আবূ তালূত (রহঃ) বলেন, আমি আবূ বারযাহ (রাঃ)-কে দেখেছি, তিনি উবাইদুল্লাহ ইবনু যিয়াদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন। সেখানে লোকজনের সাথে উপস্থিত মুসলিম নামীয় এক ব্যক্তি আমার নিকট হাদীস বর্ণনা করে বলেন, উবাইদুল্লাহ তাঁকে দেখে বললো, তোমাদের এই বেটে ও মাংসল মুহাম্মাদী। শায়খ (আবূ বারযাহ) কথাটি বুঝতে পারলেন। তিনি বললেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহচর্য লাভকারী আমার মতো ব্যক্তি এসব লোকের মাঝে অবস্থান করা উচিৎ নয় যারা আমাকে (তাঁর সাহাবী হওয়ায়) দোষারোপ করে। উবাইদুল্লাহ তাকে বললো, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহচর্য লাভ তো আপনার জন্য গৌরবের বিষয়, দোষের বিষয় নয়। পুনরায় সে বললো, আমি আপনার নিকট হাওয কাওসার সম্পর্কে প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ডেকে পাঠিয়েছি। আপনি কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে কিছু বলতে শুনেছেন? আবূ বারযাহ (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ, একবার নয়, দু’বার নয়, তিন বার নয়, চারবার নয়, পাঁচ বার নয় (অনেকবার শুনেছি)। যে ব্যক্তি তা মিথ্যা জানবে তাকে আল্লাহ তা থেকে পান করাবেন না। অতঃপর তিনি রাগান্বিত অবস্থায় চলে গেলেন।[1] সহীহ।
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا عبد السلام بن ابي حازم ابو طالوت، قال شهدت ابا برزة دخل على عبيد الله بن زياد فحدثني فلان، سماه مسلم وكان في السماط فلما راه عبيد الله قال : ان محمديكم هذا الدحداح، ففهمها الشيخ فقال ما كنت احسب اني ابقى في قوم يعيروني بصحبة محمد صلى الله عليه وسلم فقال له عبيد الله ان صحبة محمد صلى الله عليه وسلم لك زين غير شين ثم قال : انما بعثت اليك لاسالك عن الحوض سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يذكر فيه شييا فقال ابو برزة : نعم لا مرة ولا ثنتين ولا ثلاثا ولا اربعا ولا خمسا، فمن كذب به فلا سقاه الله منه ثم خرج مغضبا
। আল বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিশ্চয়ই মুসলিম ব্যক্তিকে যখন কবরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তখন সে এ সাক্ষ্য দেয়, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। এ হচ্ছে আল্লাহর এ কালামের অর্থঃ ‘‘যারা শাশ্বত বাণীর উপর ঈমান এনেছে আল্লাহ তাদেরকে সুপ্রতিষ্ঠিত রাখবেন...’’ (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭)।[1] সহীহ।
حدثنا ابو الوليد الطيالسي، حدثنا شعبة، عن علقمة بن مرثد، عن سعد بن عبيدة، عن البراء بن عازب، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : " ان المسلم اذا سيل في القبر فشهد ان لا اله الا الله وان محمدا رسول الله صلى الله عليه وسلم فذلك قول الله عز وجل { يثبت الله الذين امنوا بالقول الثابت}
। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনী নাজ্জার গোত্রের একটি খেজুর বাগানে প্রবেশ করে একটা শব্দ শুনে শঙ্কিত হয়ে প্রশ্ন করলেন, এ কবরগুলো কাদের? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এরা সেসব লোক যারা জাহেলী যুগে মারা গেছে। তিনি বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট জাহান্নামের আযাব থেকে ও দাজ্জাল সৃষ্ট বিপর্যয় থেকে আশ্রয় চাও। তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! তা কেন? তিনি বললেন, যখন কোনো মু‘মিন ব্যক্তিকে তার কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফিরিশতা এসে বলে, তুমি কার ইবাদাত করতে? যদি আল্লাহ তাকে পথ দেখান, তাহলে সে বলে, আমি আল্লাহর ইবাদাত করতাম। অতঃপর তাকে প্রশ্ন করা হয়, তুমি এ ব্যক্তি (মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্বন্ধে কি বলতে? সে বলে, তিনি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল! এরপর তাকে অন্য প্রশ্ন না করে তাকে নিয়ে এমন একটি ঘরে যাওয়া হয় যা তার জন্য জাহান্নামে (তৈরী করা) ছিলো। অতঃপর তাকে বলা হয়, এটা তোমার ঘর যা জাহান্নামে তোমার জন্য ছিলো। কিন্তু আল্লাহ তোমাকে এ থেকে রক্ষা করেছেন এবং দয়া করে এর পরিবর্তে তোমার জন্য জান্নাতে একটি ঘরের ব্যবস্থা করেছেন। তখন সে বলে, আমাকে একটু ছেড়ে দিন, আমি আমার পরিবার-পরিজনকে এ সুসংবাদটি দিয়ে আসি। তাকে বলা হবে, তুমি এখানেই বসবাস করো। পক্ষান্তরে, যখন কোনো কাফির ব্যক্তিকে কবরে রাখা হয় তখন তার নিকট একজন ফিরিশতা এসে তাকে ধাক্কা দিয়ে বলে, তুমি কার ইবাদাত করতে? সে বলে, আমি জানি না। অতঃপর তাকে বলা হয়, তুমি জানতে চাওনি এবং অনুসরণও করনি। অতঃপর প্রশ্ন করা হয়, এ ব্যক্তি (মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্বন্ধে তুমি কি বলতে? সে বলবে, অন্যান্য লোক যা বলতো আমিও তাই বলতাম। তখন তার দু’ কানের মধ্যস্থলে লোহার হাতুড়ি দিয়ে স্বজোরে আঘাত করা হয় এতে সে এমন জোরে চিৎকার করে যে, মানুষ ও জীন জাতি ছাড়া অন্য সকল সৃষ্ট জীব তা শুনতে পায়।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن سليمان الانباري، حدثنا عبد الوهاب بن عطاء الخفاف ابو نصر، عن سعيد، عن قتادة، عن انس بن مالك، قال : ان نبي الله صلى الله عليه وسلم دخل نخلا لبني النجار فسمع صوتا ففزع فقال : " من اصحاب هذه القبور " . قالوا : يا رسول الله ناس ماتوا في الجاهلية . فقال : " تعوذوا بالله من عذاب النار ومن فتنة الدجال " . قالوا : ومم ذاك يا رسول الله قال : " ان المومن اذا وضع في قبره اتاه ملك فيقول له : ما كنت تعبد فان الله هداه قال : كنت اعبد الله . فيقال له : ما كنت تقول في هذا الرجل فيقول : هو عبد الله ورسوله فما يسال عن شىء غيرها فينطلق به الى بيت كان له في النار، فيقال له : هذا بيتك كان لك في النار ولكن الله عصمك ورحمك فابدلك به بيتا في الجنة فيقول : دعوني حتى اذهب فابشر اهلي . فيقال له : اسكن . وان الكافر اذا وضع في قبره اتاه ملك فينتهره فيقول له : ما كنت تعبد فيقول : لا ادري . فيقال له : لا دريت ولا تليت . فيقال له : فما كنت تقول في هذا الرجل فيقول : كنت اقول ما يقول الناس . فيضربه بمطراق من حديد بين اذنيه فيصيح صيحة يسمعها الخلق غير الثقلين
। আব্দুল ওয়াহাব (রাঃ) সূত্রে অনুরূপ হাদীস বর্ণিত। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, যখন কোনো লোককে কবরে রেখে তার সঙ্গীরা এতটুকু দূরে চলে যায় যেখান থেকে সে তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় তখন তার নিকট দু’ জন ফিরিশতা এসে বলে ... অতঃপর প্রথমোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এতে কাফিরেরর সঙ্গে মুনাফিকের কথা রয়েছে এবং বলা হয়েছেঃ আর কাফির ও মুনাফিককে প্রশ্ন করা হবে। তিনি বলবেন, মানব ও জীন ছাড়া যারা কবরের নিকট থাকে সকলেই চিৎকার শুনতে পায়।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن سليمان، حدثنا عبد الوهاب، بمثل هذا الاسناد نحوه قال : " ان العبد اذا وضع في قبره وتولى عنه اصحابه انه ليسمع قرع نعالهم، فياتيه ملكان فيقولان له " . فذكر قريبا من حديث الاول قال فيه : " واما الكافر والمنافق فيقولان له " . زاد : " المنافق " . وقال : " يسمعها من يليه غير الثقلين
। আল-বারা‘আ ইবনু আযিব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে আনসার গোত্রের এক ব্যক্তির জানাযায় শরীক হওয়ার জন্য রওয়ানা হয়ে কবরের নিকট গেলাম। কিন্তু তখনও কবর খনন শেষ হয়নি। তাই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসলেন এবং আমরাও তাঁর চারিদিকে নীরবে তাঁকে ঘিরে বসে পড়লাম, যেন আমাদের মাথার উপর পাখি বসে আছে। তখন তাঁর হাতে ছিলো একখানা লাঠি, তা দিয়ে তিনি মাটিতে আঁচড় কাটছিলেন। অতঃপর তিনি মাথা তুলে দু’ বা তিনবার বললেন, তোমরা আল্লাহর নিকট কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাও। বর্ণনাকারী জারীর তার আরো উল্লেখ করেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, মৃত ব্যক্তি তাদের জুতার শব্দ শুনতে পায় যখন তারা ফিরে যেতে থাকে, আর তখনই তাকে বলা হয়, হে অমুক! তোমার রব কে? তোমার দীন কি এবং তোমার নবী কে? হান্নাদ (রহঃ) বলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, অতঃপর তার নিকট দু’ জন ফিরিশতা এসে তাকে বসিয়ে উভয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? তখন সে বলে, আমার রব আল্লাহ। তারা উভয়ে তাকে প্রশ্ন করে, তোমার দীন কি? সে বলে, আমার দীন হলো ইসলাম। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন, তিনি কে? তিনি বলেন, সে বলে, তিনি আল্লাহর রাসূল। তারপর তারা উভয়ে আবার বলে, তুমি কি করে জানতে পারলে? সে বলে, আমি আল্লাহর কিতাব পড়েছি এবং তার প্রতি ঈমান এনেছি এবং সত্য বলে স্বীকার করেছি। জারির বর্ণিত হাদীসে রয়েছেঃ এটাই হলো আল্লাহর এ বাণীর অর্থঃ ‘‘যারা এ শাশ্বত বাণীতে ঈমান এনেছে তাদেরকে দুনিয়া ও আখিরাতে আল্লাহ সুপথ প্রতিষ্ঠিত রাখবেন।’’ (সূরা ইবরাহীমঃ ২৭) এরপর বর্ণনাকারী জারির ও হান্নাদ উভয়ে একইরূপ বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অতঃপর আকাশ থেকে একজন ঘোষক ঘোষণ করেন, আমার বান্দা যথাযথ বলেছে, সুতরাং তার জন্য জান্নাতের একটি বিছানা বিছিয়ে দাও এবং তাকে জান্নাতের পোশাক পড়িয়ে দাও। এছাড়া তার জন্য জান্নাতের দিকে একটা দরজা খুলে দাও। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, সুতরাং তার দিকে জান্নাতের স্নিগ্ধকর হাওয়া ও তার সুগন্ধি বইতে থাকে। তিনি আরো বলেন, ঐ দরজা তার দৃষ্টিসীমা পর্যন্ত প্রশস্ত করা হয়। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফিরদের মৃত্যু প্রসঙ্গে বলেন, তার রূহকে তার শরীরের ফিরিয়ে আনা হয় এবং দু’ জন ফিরিশতা এসে তাকে বসিয়ে প্রশ্ন করে, তোমার রব কে? সে উত্তর দেয়, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারপর ঐ তারা প্রশ্ন করেন, তোমার দ্বীন কি? সে বলে, হায়! আমি কিছুই জানি না। তারা প্রশ্ন করে, এ লোকটি তোমাদের মধ্যে প্রেরিত হয়েছিলেন তিনি কে? সে বলে, হায়! আমি তো জানি না। তখন আকাশের দিক থেকে একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা করেন, সে মিথ্যা বলছে। সুতরাং তার জন্য জাহান্নামের একটি বিছানা এনে বিছিয়ে দাও এবং তাকে জাহান্নামের পোশাক পরিয়ে দাও। আর তার জন্য জাহান্নামের দিকে দরজা খুলে দাও। তিনি বলেন, অতঃপর তার দিকে জাহান্নামের উত্তপ্ত বাতাস আসতে থাকে। এছাড়া তার জন্য তার কবরকে সংকীর্ণ করে দেয়া হয়, ফলে তার একদিকের পাজর অপর দিকের পাজরের মধ্যে ঢুকে যায়। বর্ণনাকারী জারির বর্ণিত হাদিসে রয়েছেঃ তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, অতঃপর তার জন্য এক অন্ধ ও বধির ফিরিশতাকে নিযুক্ত করা হয়, যার সঙ্গে একটি লোহার হাতুড়ি থাকবে, যদি এ দ্বারা পাহাড়কে আঘাত করা হয় তাহলে তা ধুলায় পরিণত হয়ে যাবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তারপর সে তাকে হাতুড়ি দিয়ে স্বজোরে আঘাত করতে থাকে, এতে সে বিকট শব্দে চিৎকার করতে থাকে। যা মানুষ ও জীন ছাড়া পূর্ব থেকে পশ্চিম পর্যন্ত সকল সৃষ্ট জীবই শুনতে পায়। আঘাতের ফলে সে মাটিতে মিশে যায়। তিনি বলেন, অতঃপর (শাস্তি অব্যাহত রাখার জন্য) পুনরায় তাতে রূহ ফেরত দেয়া হয়।[1] সহীহ।
। আল-বারাআ (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। আমি এটি সহীহ এবং যঈফে পাইনি।
حدثنا هناد بن السري، حدثنا عبد الله بن نمير، حدثنا الاعمش، حدثنا المنهال، عن ابي عمر، : زاذان قال سمعت البراء، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال فذكر نحوه
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা তিনি জাহান্নামের কথা স্মরণ করে কাঁদলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি কাঁদছো কেন? তিনি বললেন, জাহান্নামের কথা স্মরণ হওয়ায় কাঁদছি। আপনি কিয়ামতের দিন আপনার পরিবারের কথা মনে রাখবেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ অবশ্য তিনটি স্থান যেখানে কেউ কারো কথা স্মরণ রাখবে না। মিযানের নিকট, যতক্ষণ পর্যন্ত না সে জানতে পারবে তার আমলের পরিমাণ কম হবে না কি বেশী; আমলনামা প্রাপ্তির স্থান যখন বলা হবে, ‘‘তোমার আমলনামা পাঠ করো’’ (সূরা আল-হাক্কাহঃ ১৯); কেননা তখন সবাই পেরেশান থাকবে যে, তার আমলনামা ডান হাতে পাচ্ছে নাকি বাম হাবে পাচ্ছে নাকি পিছন দিক থেকে পাচ্ছে; আর পুলসিরাতের নিকট, যখন তা জাহান্নামের উপর প্রতিষ্ঠিত করা হবে।[1] দুর্বলঃ মিশকাহ হা/ ৫৫২০।
حدثنا يعقوب بن ابراهيم، وحميد بن مسعدة، ان اسماعيل بن ابراهيم، حدثهم قال اخبرنا يونس، عن الحسن، عن عايشة، : انها ذكرت النار فبكت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " ما يبكيك " . قالت : ذكرت النار فبكيت، فهل تذكرون اهليكم يوم القيامة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم : " اما في ثلاثة مواطن فلا يذكر احد احدا : عند الميزان حتى يعلم ايخف ميزانه او يثقل، وعند الكتاب حين يقال { هاوم اقرءوا كتابيه } حتى يعلم اين يقع كتابه افي يمينه ام في شماله ام من وراء ظهره، وعند الصراط اذا وضع بين ظهرى جهنم " . قال يعقوب : عن يونس وهذا لفظ حديثه
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، ح وحدثنا هناد بن السري، حدثنا ابو معاوية، - وهذا لفظ هناد - عن الاعمش، عن المنهال، عن زاذان، عن البراء بن عازب، قال : خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في جنازة رجل من الانصار، فانتهينا الى القبر ولما يلحد، فجلس رسول الله صلى الله عليه وسلم وجلسنا حوله كانما على رءوسنا الطير، وفي يده عود ينكت به في الارض، فرفع راسه فقال : " استعيذوا بالله من عذاب القبر " . مرتين او ثلاثا - زاد في حديث جرير ها هنا - وقال : " وانه ليسمع خفق نعالهم اذا ولوا مدبرين حين يقال له : يا هذا من ربك وما دينك ومن نبيك " . قال هناد قال : " وياتيه ملكان فيجلسانه فيقولان له : من ربك فيقول : ربي الله . فيقولان له : ما دينك فيقول : ديني الاسلام . فيقولان له : ما هذا الرجل الذي بعث فيكم قال فيقول : هو رسول الله صلى الله عليه وسلم . فيقولان : وما يدريك فيقول : قرات كتاب الله فامنت به وصدقت " . زاد في حديث جرير : " فذلك قول الله عز وجل { يثبت الله الذين امنوا } " . الاية . ثم اتفقا قال : " فينادي مناد من السماء : ان قد صدق عبدي فافرشوه من الجنة، وافتحوا له بابا الى الجنة والبسوه من الجنة " . قال : " فياتيه من روحها وطيبها " . قال : " ويفتح له فيها مد بصره " . قال : " وان الكافر " . فذكر موته قال : " وتعاد روحه في جسده وياتيه ملكان فيجلسانه فيقولان : من ربك فيقول : هاه هاه هاه لا ادري . فيقولان له : ما دينك فيقول : هاه هاه لا ادري . فيقولان : ما هذا الرجل الذي بعث فيكم فيقول : هاه هاه لا ادري . فينادي مناد من السماء : ان كذب فافرشوه من النار والبسوه من النار، وافتحوا له بابا الى النار " . قال : " فياتيه من حرها وسمومها " . قال : " ويضيق عليه قبره حتى تختلف فيه اضلاعه " . زاد في حديث جرير قال : " ثم يقيض له اعمى ابكم معه مرزبة من حديد، لو ضرب بها جبل لصار ترابا " . قال : " فيضربه بها ضربة يسمعها ما بين المشرق والمغرب الا الثقلين فيصير ترابا " . قال : " ثم تعاد فيه الروح