Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৭৭ হাদিসসমূহ
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইয়াহুদীরা একাত্তর অথবা বাহাত্তর দল-উপদলে বিভক্ত হয়েছে এবং খৃষ্টানরাও একাত্তর অথবা বাহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে, আর আমার উম্মত হবে তিয়াত্তর দলে বিভক্ত।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا وهب بن بقية، عن خالد، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افترقت اليهود على احدى او ثنتين وسبعين فرقة وتفرقت النصارى على احدى او ثنتين وسبعين فرقة وتفترق امتي على ثلاث وسبعين فرقة
। মু‘আবিয়াহ ইবনু আবূ সুফিয়ান (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি দাঁড়িয়ে বললেন, জেনে রাখো! তোমাদের পূর্ববর্তী আহলে কিতাব বাহাত্তর দলে বিভক্ত হয়েছে এবং এ উম্মত অদূর ভবিষ্যতে তিয়াত্তর দলে বিভক্ত হবে। এর মধ্যে বাহাত্তর দল জাহান্নামে যাবে এবং একটি জান্নাতে যাবে। আর সে দল হচ্ছে আল-জামা‘আত। ইবনু ইয়াহইয়া ও আমর (রহঃ) বলেন, ‘‘বিষয়টি হলো, আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এমন দলের আর্বিভাব ঘটবে যাদের সর্বশরীরে (বিদ‘আতের) প্রবৃত্তি এমনভাবে অনুপ্রবেশ করবে যেমন পাগলা কুকুর কামড়ালে জলাতঙ্ক রোগীর সর্বশরীরে সঞ্চারিত হয়।[1] হাসান।
حدثنا احمد بن حنبل، ومحمد بن يحيى، قالا حدثنا ابو المغيرة، حدثنا صفوان، ح وحدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا بقية، قال حدثني صفوان، نحوه قال حدثني ازهر بن عبد الله الحرازي، عن ابي عامر الهوزني، عن معاوية بن ابي سفيان، انه قام فينا فقال الا ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قام فينا فقال " الا ان من قبلكم من اهل الكتاب افترقوا على ثنتين وسبعين ملة وان هذه الملة ستفترق على ثلاث وسبعين ثنتان وسبعون في النار وواحدة في الجنة وهي الجماعة " . زاد ابن يحيى وعمرو في حديثيهما " وانه سيخرج من امتي اقوام تجارى بهم تلك الاهواء كما يتجارى الكلب لصاحبه " . وقال عمرو " الكلب بصاحبه لا يبقى منه عرق ولا مفصل الا دخله
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত পড়লেনঃ ‘‘তিনিই আপনার উপর কিতাব নাযিল করেছেন, যার কিছু সংখ্যক আয়াত মুহকাম ... থেকে কিন্তু ‘‘জ্ঞানী ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহণ করে না।’’ (৩ঃ ৭ পর্যন্ত)। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘যখন তোমরা দেখবে সেসব লোককে যারা মুতাশাবিহ আয়াতের অনুসরণ করছে, তখন মনে করবে, এরাই সেসব লোক আল্লাহ যাদের নাম নিয়েছেন। সুতরাং তোমরা তাদের থেকে সতর্ক থাকবে।[1] সহীহ।
حدثنا القعنبي، حدثنا يزيد بن ابراهيم التستري، عن عبد الله بن ابي مليكة، عن القاسم بن محمد، عن عايشة، رضى الله عنها قالت قرا رسول الله صلى الله عليه وسلم هذه الاية { هو الذي انزل عليك الكتاب منه ايات محكمات } الى { اولو الالباب } قالت فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فاذا رايتم الذين يتبعون ما تشابه منه فاوليك الذين سمى الله فاحذروهم
। আবূ যার (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কাউকে ভালোবাসা এবং আল্লাহর জন্যই বিদ্বেষ পোষণ করা অতি উত্তম কাজ।[1] দুর্বলঃ যঈফাহ হা/ ১৩১০।
حدثنا مسدد، حدثنا خالد بن عبد الله، حدثنا يزيد بن ابي زياد، عن مجاهد، عن رجل، عن ابي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افضل الاعمال الحب في الله والبغض في الله
। ইবনু শিহাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে আব্দুর রাহমান ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু কা‘ব ইবনু মালিক জানিয়েছে যে, কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)-এর পুত্র আব্দুল্লাহ (রাঃ) যিনি তার পিতার অন্ধ হয়ে যাওয়ার পর পুত্রদের মধ্য থেকে তার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি বলেন, আমি আমার পিতা কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে শুনেছি এবং বর্ণনাকারী ইবনুস সারহ তার তাবূকের যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে অংশগ্রহণ না করে পিছনে থেকে যাওয়ার ঘটনা উল্লেখ করেন। কা‘ব (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ঐ তিনজনের সঙ্গে কথা বলতে মুসলিমদেরকে বারণ করলেন। এ অবস্থায় অনেক দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আমি আমার চাচাতো ভাই আবূ কাতাদাহ (রহঃ)-এর বাগানের দেয়ালে উঠে তাকে সালাম দিলাম। কিন্তু আল্লাহর কসম! তিনি আমার সালামের জবাব দেননি। অতঃপর বর্ণনাকারী তার তওবা কবূল হওয়া সম্পর্কে আয়াত নাযিল হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেন।[1] সহীহ।
حدثنا ابن السرح، اخبرنا ابن وهب، قال اخبرنا يونس، عن ابن شهاب، قال فاخبرني عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب بن مالك، ان عبد الله بن كعب، - وكان قايد كعب من بنيه حين عمي - قال سمعت كعب بن مالك، - وذكر ابن السرح قصة تخلفه عن النبي صلى الله عليه وسلم في غزوة تبوك - قال ونهى رسول الله صلى الله عليه وسلم المسلمين عن كلامنا ايها الثلاثة حتى اذا طال على تسورت جدار حايط ابي قتادة وهو ابن عمي فسلمت عليه فوالله ما رد على السلام . ثم ساق خبر تنزيل توبته
। আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমার দু’ হাত কেটে গেলে আমি আমার পরিবার-পরিজনের নিকট আসি। তারা আমাকে (হাতকে) জাফরান দ্বারা রাঙিয়ে দিলো। পরবর্তী দিন আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে তাঁকে সালাম করলাম। কিন্তু তিনি আমার সালামের জবাব না দিয়ে বললেনঃ তুমি ফিরে গিয়ে তোমার হাতের রং ধুয়ে ফেলো।[1] হাসান।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، اخبرنا عطاء الخراساني، عن يحيى بن يعمر، عن عمار بن ياسر، قال قدمت على اهلي وقد تشققت يداى فخلقوني بزعفران فغدوت على النبي صلى الله عليه وسلم فسلمت عليه فلم يرد على وقال " اذهب فاغسل هذا عنك
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। সাফিয়্যাহ বিনতু হুযাই (রাঃ)-এর উট রোগাক্রান্ত হলো এবং যাইনাব (রাঃ)-এর নিকট তার অতিরিক্ত বাহন ছিলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যাইনাব (রাঃ)-কে তার বাহনটি সাফিয়্যাহ (রাঃ)-কে দিতে বললেন। যাইনাব (রাঃ) বললেন, আমি কি ঐ ইয়াহুদীনীকে দিবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে নারাজ হলেন এবং যিলহজ (হজ্জ), মুহাররম ও সফর মাসের কিছু দিন তার সংশ্রব পরিহার করলেন।[1] দুর্বলঃ গায়াতুল মারাম হা/ ৪১০।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن ثابت البناني، عن سمية، عن عايشة، رضى الله عنها انه اعتل بعير لصفية بنت حيى وعند زينب فضل ظهر فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لزينب " اعطيها بعيرا " . فقالت انا اعطي تلك اليهودية فغضب رسول الله صلى الله عليه وسلم فهجرها ذا الحجة والمحرم وبعض صفر
। আবূ হুরায়রাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কুরআন সম্বন্ধে সন্দেহ পোষণ করা কুফরী।[1] হাসান সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا يزيد، - يعني ابن هارون - اخبرنا محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " المراء في القران كفر
। আল-মিকদাম ইবনু মা‘দীকারিব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জেনে রাখো! আমাকে কিতাব এবং তার সঙ্গে অনুরূপ কিছু দেয়া হয়েছে। জেনে রাখো! এমন এক সময় আসবে যখন কোনো প্রাচুর্যবান লোক তার আসনে বসে বলবে, তোমরা শুধু এ কুরআনকেই গ্রহণ করো, তাতে যা হালাল পাবে তা হালাল এবং যা হারাম পাবে তা হারাম মেনে নিবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, জেনে রাখো! গৃহপালিত গাধা তোমাদের জন্য হালাল নয় এবং ছেদন দাঁতবিশিষ্ট হিংস্র পশুও নয়। অনুরূপ সন্ধিবদ্ধ অমুসলিম গোত্রের হারানো বস্তু তোমাদের জন্য হালাল নয়, অবশ্য যদি সে এর মুখাপেক্ষী না হয়। আর যখন কোনো লোক কোনো সম্প্রদায়ের নিকট আগন্তুক হিসেবে পৌঁছে তখন তাদের উচিত তার মেহমানদারী করা। যদি তারা তা না করে, তাহলে তাদেরকে কষ্ট দিয়ে হলেও তার মেহমানদারীর পরিমাণ জিনিস আদায় করার অধিকার তার আছে।[1] সহীহ।
حدثنا عبد الوهاب بن نجدة، حدثنا ابو عمرو بن كثير بن دينار، عن حريز بن عثمان، عن عبد الرحمن بن ابي عوف، عن المقدام بن معديكرب، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه قال " الا اني اوتيت الكتاب ومثله معه الا يوشك رجل شبعان على اريكته يقول عليكم بهذا القران فما وجدتم فيه من حلال فاحلوه وما وجدتم فيه من حرام فحرموه الا لا يحل لكم لحم الحمار الاهلي ولا كل ذي ناب من السبع ولا لقطة معاهد الا ان يستغني عنها صاحبها ومن نزل بقوم فعليهم ان يقروه فان لم يقروه فله ان يعقبهم بمثل قراه
। উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ রাফি‘ (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ অচিরেই তোমাদের মধ্যকার কোনো ব্যক্তি তার গদি আঁটা আসনে হেলান দিয়ে বসে থাকাবস্থায় তার নিকট আমার নির্দেশিত কোনো কর্তব্য বা নিষেধাজ্ঞা পৌঁছবে, তখন সে বলবে, আমি অবহিত নই। আমরা যা আল্লাহর কিতাবে পাবো শুধু তারই অনুসরণ করবো।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن محمد بن حنبل، وعبد الله بن محمد النفيلي، قالا حدثنا سفيان، عن ابي النضر، عن عبيد الله بن ابي رافع، عن ابيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا الفين احدكم متكيا على اريكته ياتيه الامر من امري مما امرت به او نهيت عنه فيقول لا ندري ما وجدنا في كتاب الله اتبعناه
। আয়িশাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের এই দীনের মধ্যে এমন কিছু প্রবর্তন করবে যা তাতে নেই, তা প্রত্যাখ্যাত। ইবনু ঈসা (রহঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোনো ব্যক্তি আমাদের আচার-অনুষ্ঠানের বিপরীত কোনো কিছু প্রবর্তন করলে তা বর্জনীয়।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن الصباح البزاز، حدثنا ابراهيم بن سعد، ح وحدثنا محمد بن عيسى، حدثنا عبد الله بن جعفر المخرمي، وابراهيم بن سعد، عن سعد بن ابراهيم، عن القاسم بن محمد، عن عايشة، رضى الله عنها قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من احدث في امرنا هذا ما ليس فيه فهو رد " . قال ابن عيسى قال النبي صلى الله عليه وسلم " من صنع امرا على غير امرنا فهو رد
। আব্দুর রাহমান ইবনু আমর আস-সুলামী ও হুজর ইবনু হুজর (রাঃ) বলেন, একদা আমরা আল-ইরবাদ ইবনু সারিয়াহ (রাঃ)-এর নিকট আসলাম। যাদের সম্পর্কে এ আয়াত নাযিল হয়েছে তিনি তাদের অন্তর্ভুক্তঃ ‘‘তাদেরও কোনো অপরাধ নেই যারা তোমার নিকট বাহনের জন্য এলে তুমি বলেছিলেঃ আমি তোমাদের জন্য কোনো বাহনের ব্যবস্থা করতে পারছি না।’’ (সূরা আত-তওবাঃ ৯২)। আমরা সালাম দিয়ে বললাম, আমরা আপনাকে দেখতে, আপনার অসুস্থতার খবর নিতে এবং আপনার কাছ থেকে কিছু অর্জন করতে এসেছি। আল-ইরবাদ (রাঃ) বললেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে সালাত আদায় করলেন, অতঃপর আমাদের দিকে ফিরে আমাদের উদ্দেশ্য জ্বালাময়ী ভাষণ দিলেন, তাতে চোখগুলো অশ্রুসিক্ত হলো এবং অন্তরগুলো বিগলিত হলো। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ যেন কারো বিদায়ী ভাষণ! অতএব আপনি আমাদেরকে কি নির্দেশ দেন? তিনি বলেনঃ আমি তোমাদেরকে আল্লাহভীতির, শ্রবণ ও আনুগত্যের উপদেশ দিচ্ছি, যদিও সে (আমীর) একজন হাবশী গোলাম হয়। কারণ তোমাদের মধ্যে যারা আমার পরে জীবিত থাকবে তারা অচিরেই প্রচুর মতবিরোধ দেখবে। তখন তোমরা অবশ্যই আমার সুন্নাত এবং আমার হিদায়াতপ্রাপ্ত খলীফাহগণের সুন্নাত অনুসরণ করবে, তা দাঁত দিয়ে কামড়ে আঁকড়ে থাকবে। সাবধান! (ধর্মে) প্রতিটি নব আবিষ্কার সম্পর্কে! কারণ প্রতিটি নব আবিষ্কার হলো বিদ‘আত এবং প্রতিটি বিদ‘আত হলো ভ্রষ্টতা।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا الوليد بن مسلم، حدثنا ثور بن يزيد، قال حدثني خالد بن معدان، قال حدثني عبد الرحمن بن عمرو السلمي، وحجر بن حجر، قالا اتينا العرباض بن سارية وهو ممن نزل فيه { ولا على الذين اذا ما اتوك لتحملهم قلت لا اجد ما احملكم عليه } فسلمنا وقلنا اتيناك زايرين وعايدين ومقتبسين . فقال العرباض صلى بنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم ثم اقبل علينا فوعظنا موعظة بليغة ذرفت منها العيون ووجلت منها القلوب فقال قايل يا رسول الله كان هذه موعظة مودع فماذا تعهد الينا فقال " اوصيكم بتقوى الله والسمع والطاعة وان عبدا حبشيا فانه من يعش منكم بعدي فسيرى اختلافا كثيرا فعليكم بسنتي وسنة الخلفاء المهديين الراشدين تمسكوا بها وعضوا عليها بالنواجذ واياكم ومحدثات الامور فان كل محدثة بدعة وكل بدعة ضلالة
। আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সাবধান! চরমপন্থীরা (সকল ক্ষেত্রে প্রয়োজনাতিরিক্ত কঠোরতা অবলম্বন করা) ধ্বংস হয়েছে, তিনি এ কথা তিনবার বললেন।[1] সহীহ।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن ابن جريج، قال حدثني سليمان، - يعني ابن عتيق - عن طلق بن حبيب، عن الاحنف بن قيس، عن عبد الله بن مسعود، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الا هلك المتنطعون " . ثلاث مرات
। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি সৎপথের দিকে ডাকবে, সে তার অনুসারীর সমান সাওয়াব পাবে, অথচ অনুসরণকারীর সওয়াব কমানো হবে না। অপরদিকে যে ব্যক্তি ভ্রষ্টতার দিকে ডাকবে সে তার অনুসারীর সমান পাপে জর্জরিত হবে, তার অনুসারীর পাপ মোটেও কমানো হবে না।[1] সহীহ।
حدثنا يحيى بن ايوب، حدثنا اسماعيل، - يعني ابن جعفر - قال اخبرني العلاء، - يعني ابن عبد الرحمن - عن ابيه، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من دعا الى هدى كان له من الاجر مثل اجور من تبعه لا ينقص ذلك من اجورهم شييا ومن دعا الى ضلالة كان عليه من الاثم مثل اثام من تبعه لا ينقص ذلك من اثامهم شييا
। আমির ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে বস্তু হারাম না হওয়া সত্ত্বেও কোনো মুসলিম ব্যক্তির প্রশ্ন করার কারণে হারাম হয়েছে, সে মুসলিমদের মধ্যে সবচেয়ে বড় অপরাধী।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عامر بن سعد، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اعظم المسلمين في المسلمين جرما من سال عن امر لم يحرم فحرم على الناس من اجل مسالته
। ইবনু শিহাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। আবূ ইদরীস আল-খাওলানী আয়িযুল্লাহ (রহঃ) তাকে জানিয়েছে. মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর সহচর ইয়াযীদ ইবনু আমীরাহ তাকে জানিয়েছে, তিনি বলেন, মু‘আয (রাঃ) কোনো ওয়াজে বসলেই বলতেন, আল্লাহ মহা ন্যায়বিচারক, সন্দেহকারীরা ধ্বংস হয়েছে। অতঃপর মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) একদিন বলেন, তোমাদের পরবর্তী যুগে ফিতনা সৃষ্টি হবে, তখন প্রচুর সম্পদ থাকবে। মু‘মিন, মুশরিক, পুরুষ-নারী, ছোট-বড়, স্বাধীন-গোলাম সকলে কুরআন খুলে পাঠ করবে (কিন্তু অর্থ বুঝবে না)। অচিরেই কেউ বলবে, লোকদের কি হলো, তারা কেন আমার অনুসরণ করবে না যতক্ষণ না আমি তাদের জন্য এছাড়া নতুন কিছু প্রবর্তন করতে পারি।’’ অতএব তোমরা তার এ বিদ‘আত থেকে বেঁচে থাকবে। কারণ দীনের মধ্যে যা নতুন প্রবর্তন করা হয় তা গোমরাহী। আমি তোমাদেরকে জ্ঞানী ব্যক্তিদের পথভ্রষ্টতা সম্পর্কে সতর্ক করছি। কেননা শয়তান পন্ডিতদের মুখ দিয়ে গোমরাহী কথা বলায়। আবার মুনাফিকরাও মাঝে মাঝে হক কথা বলে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মু‘আয (রাঃ)-কে বললাম, আল্লাহ আপনার উপর সদয় হোন, জ্ঞানী ব্যক্তি যে পথভ্রষ্টতাপূর্ণ কথা বলে আর মুনাফিক সত্য কথা বলে এটা আমি কিভাবে বুঝবো? তিনি বললেন, হ্যাঁ জ্ঞানী ব্যক্তিদের সেসব ভ্রান্তপূর্ণ কথা বর্জন করবে যা লোকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করবে এবং বলবে, এ আবার কেমন কথা। তবে এসব কথায় তোমরা জ্ঞানীদের সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করবে না। কেননা হয়তো জ্ঞানী ব্যক্তি এসব ভ্রান্তিপূর্ণ কথা থেকে ফিরে আসবে। আর তুমি হক কথা শুনামাত্র তা গ্রহণ করো, কেননা হকের মধ্যে নূর আছে। ইবনু ইসহাক (রহঃ) যুহরী (রহঃ) সূত্রে বলেন, মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ, তুমি যদি জ্ঞানী ব্যক্তির বক্তব্যে সন্দেহ করো, যতক্ষণ না বলো, তিনি এর দ্বারা কি বুঝাচ্ছেন![1] সনদ সহীহ মাওকুফ।
حدثنا يزيد بن خالد بن عبد الله بن موهب الهمداني، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، ان ابا ادريس الخولاني، عايذ الله اخبره ان يزيد بن عميرة وكان من اصحاب معاذ بن جبل اخبره قال كان لا يجلس مجلسا للذكر حين يجلس الا قال الله حكم قسط هلك المرتابون فقال معاذ بن جبل يوما ان من ورايكم فتنا يكثر فيها المال ويفتح فيها القران حتى ياخذه المومن والمنافق والرجل والمراة والصغير والكبير والعبد والحر فيوشك قايل ان يقول ما للناس لا يتبعوني وقد قرات القران ما هم بمتبعي حتى ابتدع لهم غيره فاياكم وما ابتدع فان ما ابتدع ضلالة واحذركم زيغة الحكيم فان الشيطان قد يقول كلمة الضلالة على لسان الحكيم وقد يقول المنافق كلمة الحق . قال قلت لمعاذ ما يدريني رحمك الله ان الحكيم قد يقول كلمة الضلالة وان المنافق قد يقول كلمة الحق قال بلى اجتنب من كلام الحكيم المشتهرات التي يقال لها ما هذه ولا يثنينك ذلك عنه فانه لعله ان يراجع وتلق الحق اذا سمعته فان على الحق نورا . قال ابو داود قال معمر عن الزهري في هذا ولا ينيينك ذلك عنه مكان يثنينك . وقال صالح بن كيسان عن الزهري في هذا المشبهات مكان المشتهرات وقال لا يثنينك كما قال عقيل . وقال ابن اسحاق عن الزهري قال بلى ما تشابه عليك من قول الحكيم حتى تقول ما اراد بهذه الكلمة
। আবুস সালাত (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক ব্যক্তি উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ)-এর নিকট তাকদীর সম্পর্কে জানতে চেয়ে চিঠি লিখলো। উত্তরে তিনি লিখেন, অতঃপর আমি তোমাকে উপদেশ দিচ্ছি, আল্লাহকে ভয় করো, ভারসাম্যপূর্ণভাবে তাঁর হুকুম মেনে চলো, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের অনুসরণ করো, তাঁর আদর্শ প্রতিষ্ঠা লাভের ও সংরক্ষিত হওয়ার পর বিদ‘আতীদের বিদ‘আত বর্জন করো। সুন্নাতকে আঁকড়ে ধরা তোমার কর্তব্য। কারণ এ সুন্নাত তোমাদের জন্য আল্লাহর অনুমতিক্রমে রক্ষাকবজ। জেনে রাখো! মানুষ এমন কোনো বিদ‘আত করেনি যার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে কোনো প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়নি বা তার বিরুদ্ধে এমন কোনো শিক্ষা নেই যা তার ভ্রান্তি প্রমাণ করে। কেননা সুন্নাতকে এমন এক ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন, যিনি সুন্নাতের বিপরীত সম্বন্ধে অবগত। আর ইবনু ফাসির তার বর্ণনায় ‘‘তিনি জানতেরন ভুলত্রটি, অজ্ঞতা ও গোঁড়ামি সম্পর্কে’’ এ কথাগুলো উল্লেখ করেননি। কাজেই তুমি নিজের জন্য ঐ পথ বেছে নিবে যা তোমার পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ তাদের নিজেদের জন্য অবলম্বন করেছেন। কারণ তারা যা জানতে পেরেছেন তার পূর্ণ জ্ঞান অর্জন করেছেন এবং তীক্ষ্ণ দূরদর্শিতার সঙ্গে বিরত থেকেছেন এবং তারা দীন সম্পর্কে পারদর্শী ছিলেন, আর যা করতে তারা নিষেধ করেছেন, তা জেনে-শুনেই নিষেধ করেছেন। তারা দীনের অর্থ উপলদ্ধির ক্ষেত্রে আমাদের চেয়ে অনেক জ্ঞানী ছিলেন। আর তোমাদের মতাদর্শ যদি সঠিক পথ হয় তাহলে তোমরা তাদেরকে ডিঙ্গিয়ে গেলে। আর যদি তোমরা বলো যে, তারা দীনের মধ্যে নতুন কথা উদ্ভাবন করেছেন তবে বলো, পূর্ববর্তী লোকেরাই উত্তম ছিলেন এবং তারা এদের তুলনায় অগ্রগামী ছিলেন। যতটুকু বর্ণনা করার তা তারা বর্ণনা করেছেন, আর যতটুকু বলার প্রয়েঅজন তা তারা বলেছেন। এর অতিরিক্ত বা এর কমও বলার নেই। আর এক গোত্র তাদেরকে উপেক্ষা করে কিছু কমিয়েছে, তারা সঠিক পথ থেকে সরে গেছে, আর যারা বাড়িয়েছে তারা সীমালঙ্ঘন করেছে। আর পূর্ববর্তী মহাপুরুষগণ ছিলেন এর মাঝামাঝি সঠিক পথের অনুসারী। পত্রে তুমি তাকদীরে বিশ্বাস সম্পর্কে জানতে চেয়ে লিখেছো। আল্লাহর অনুগ্রহে তুমি এমন ব্যক্তির নিকট এ বিষয়ে জানতে চেয়েছো যিনি এ ব্যাপারে অভিজ্ঞ। আমার জানা মতে, তাকদীরে বিশ্বাসের উপর বিদ‘আতীদের নবতর মতবাদ প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। এটা কোনো নতুন বিষয় নয়; জাহিলিয়াতের সময়ও এ ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে। অজ্ঞ লোকেরা তখনও তাদের আলোচনা ও কবিতায় এ বিষয়টি উল্লেখ করতো এবং তাদের ব্যর্থতার জন্য তাকদীরকে দায়ী করতো। ইসলাম এসে এ ধারণাকে আরো বদ্ধমূল করেছে এবং এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনেক হাদীস উল্লেখ করেছেন। আর মুসলিমগণ তাঁর নিকট সরাসরি শুনেছে এবং তাঁর জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরে পরস্পর আলোচনা করেছে। তারা অন্তরে বিশ্বাস রেখে, তাদের রবের অনুগত হয়ে, নিজেদেরকে অক্ষম মনে করে এ বিশ্বাস স্থাপন করেছে যে, এমন কোনো বস্তু নেই যা আল্লাহর জ্ঞান, কিতাব ও তাকদীর বহির্ভূত। এছাড়া তা আল্লাহর আমোঘ কিতাবে লিপিবদ্ধ আছে। আর যদি তোমরা বলো, কেন আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করেছেন এবং কেন এ কথা বলেছেন, তবে জেনে রাখো! তারাও কিতাবের ঐসব বিষয় পড়েছেন যা তোমরা পড়েছো; উপরন্ত তারা সেসব ব্যাখ্যা ছিলেন যা তোমরা জানো না। এতদসত্ত্বেও তারা বলেছেন, সবকিছু আল্লাহর কিতাব ও তকদীর অনুযায়ী সংঘটিত হয়ে থাকে। আল্লাহ যা নির্ধারণ করেছেন তা অবশ্যই ঘটবে, আল্লাহ যা চান তাই হয় এবং যা চান না তা হয় না। লাভ বা ক্ষতি কোনো কিছুই আমরা নিজেদের জন্য করতে সক্ষম নই। অতঃপর তারা ভালো কাজের প্রতি উৎসাহী ও খারাপ কাজের ব্যাপারে সাবধান হয়েছেন।[1] সহীহ মাকতু।
। নাফি‘ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, সিরিয়াতে আব্দুল্লাহ ইবনু উমার (রাঃ)-এর এক বন্ধু ছিলেন। তিনি তার সঙ্গে পত্র আদান প্রদান করতেন। একদা তিনি এই মর্মে লিখে পাঠালেন, বিশ্বস্ত সূত্রে আমি জানতে পেরেছি যে, তুমি তাকদীরের কোনো বিষয়ে সমালোচনা করেছো। কাজেই এখন থেকে তুমি আমাকে লিখবে না। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ অচিরেই আমার উম্মাতের মধ্যে এমন এক গোত্রের আবির্ভাব হবে যারা তাকদীরকে অস্বীকার করবে।[1] হাসান।
حدثنا احمد بن حنبل، قال حدثنا عبد الله بن يزيد، قال حدثنا سعيد، - يعني ابن ابي ايوب - قال اخبرني ابو صخر، عن نافع، قال كان لابن عمر صديق من اهل الشام يكاتبه فكتب اليه عبد الله بن عمر انه بلغني انك تكلمت في شىء من القدر فاياك ان تكتب الى فاني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " انه سيكون في امتي اقوام يكذبون بالقدر
। খালিদ আল-হাযযা (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাসান বাসরী (রহঃ)-কে বললাম, হে আবূ সাঈদ! আদম (আঃ) সম্বন্ধে আমাকে বলুন, তাঁকে কি আকাশের জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল, না পৃথিবীর জন্য? তিনি বলেন, বরং পৃথিবীর জন্য। আমি বললাম, আপনার কি মত, তিনি যদি নিষ্পাপ থাকতেন এবং নিষিদ্ধ গাছের ফল না খেতেন? আরো বলুন! যদি তিনি নিজেকে সংযত রাখতেন তাহলে কি বৃক্ষের ফল না খেয়ে পারতেন? তিনি বললেন, না খেয়ে তাঁর কোনো উপায় ছিলো না। আমি বললাম, আল্লাহর বাণী সম্পর্কে আমাকে অবহিত করুনঃ ‘‘তোমরা কেউ কাউকে আল্লাহ সম্বন্ধে বিভ্রান্ত করতে পারবে না, কেবল জাহান্নামে প্রবেশকারীকে ব্যতীত’’ (সূরা আস-সাফফাতঃ ১৬২-৩)। তিনি (হাসান বাসরী) বলেন, আল্লাহ যাদের জন্য জাহান্নামে প্রবেশকে অবধারিত করে রেখেছেন, শয়তান কেবল তাদেরকেই জাহান্নামে নিতে পারবে।[1] সনদ হাসান মাকতু।
حدثنا عبد الله بن الجراح، قال حدثنا حماد بن زيد، عن خالد الحذاء، قال قلت للحسن يا ابا سعيد اخبرني عن ادم، للسماء خلق ام للارض قال لا بل للارض . قلت ارايت لو اعتصم فلم ياكل من الشجرة قال لم يكن له منه بد . قلت اخبرني عن قوله تعالى { ما انتم عليه بفاتنين * الا من هو صال الجحيم } قال ان الشياطين لا يفتنون بضلالتهم الا من اوجب الله عليه الجحيم
। হাসান বাসরী (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘এবং তিনি তাদেরকে এজন্য সৃষ্টি করেছেন’’ (সূরা হুদঃ ১১৯) এর ব্যাখ্যায় বলেন, তিনি (আল্লাহ) এদেরকে (মু‘মিনদের) এর (জান্নাতের) জন্য এবং এদেরকে (মুনাফিকদের) এজন্য (জাহান্নামের জন্য) সৃষ্টি করেছেন।[1] সনদ সহীহ মাকতু।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، حدثنا خالد الحذاء، عن الحسن، في قوله تعالى { ولذلك خلقهم } قال خلق هولاء لهذه وهولاء لهذه
حدثنا محمد بن كثير، قال حدثنا سفيان، قال كتب رجل الى عمر بن عبد العزيز يساله عن القدر، ح وحدثنا الربيع بن سليمان الموذن، قال حدثنا اسد بن موسى، قال حدثنا حماد بن دليل، قال سمعت سفيان الثوري، يحدثنا عن النضر، ح وحدثنا هناد بن السري، عن قبيصة، قال حدثنا ابو رجاء، عن ابي الصلت، - وهذا لفظ حديث ابن كثير ومعناهم - قال كتب رجل الى عمر بن عبد العزيز يساله عن القدر فكتب اما بعد اوصيك بتقوى الله والاقتصاد في امره واتباع سنة نبيه صلى الله عليه وسلم وترك ما احدث المحدثون بعد ما جرت به سنته وكفوا مونته فعليك بلزوم السنة فانها لك باذن الله عصمة ثم اعلم انه لم يبتدع الناس بدعة الا قد مضى قبلها ما هو دليل عليها او عبرة فيها فان السنة انما سنها من قد علم ما في خلافها ولم يقل ابن كثير من قد علم . من الخطا والزلل والحمق والتعمق فارض لنفسك ما رضي به القوم لانفسهم فانهم على علم وقفوا وببصر نافذ كفوا ولهم على كشف الامور كانوا اقوى وبفضل ما كانوا فيه اولى فان كان الهدى ما انتم عليه لقد سبقتموهم اليه ولين قلتم انما حدث بعدهم . ما احدثه الا من اتبع غير سبيلهم ورغب بنفسه عنهم فانهم هم السابقون فقد تكلموا فيه بما يكفي ووصفوا منه ما يشفي فما دونهم من مقصر وما فوقهم من محسر وقد قصر قوم دونهم فجفوا وطمح عنهم اقوام فغلوا وانهم بين ذلك لعلى هدى مستقيم كتبت تسال عن الاقرار بالقدر فعلى الخبير باذن الله وقعت ما اعلم ما احدث الناس من محدثة ولا ابتدعوا من بدعة هي ابين اثرا ولا اثبت امرا من الاقرار بالقدر لقد كان ذكره في الجاهلية الجهلاء يتكلمون به في كلامهم وفي شعرهم يعزون به انفسهم على ما فاتهم ثم لم يزده الاسلام بعد الا شدة ولقد ذكره رسول الله صلى الله عليه وسلم في غير حديث ولا حديثين وقد سمعه منه المسلمون فتكلموا به في حياته وبعد وفاته يقينا وتسليما لربهم وتضعيفا لانفسهم ان يكون شىء لم يحط به علمه ولم يحصه كتابه ولم يمض فيه قدره وانه مع ذلك لفي محكم كتابه منه اقتبسوه ومنه تعلموه ولين قلتم لم انزل الله اية كذا ولم قال كذا . لقد قرءوا منه ما قراتم وعلموا من تاويله ما جهلتم وقالوا بعد ذلك كله بكتاب وقدر وكتبت الشقاوة وما يقدر يكن وما شاء الله كان وما لم يشا لم يكن ولا نملك لانفسنا ضرا ولا نفعا ثم رغبوا بعد ذلك ورهبوا