Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৭ হাদিসসমূহ
। ‘আব্বাদ ইবনু তামীম (রহঃ) হতে তার চাচার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত আদায়ের উদ্দেশে লোকদেরকে নিয়ে বের হলেন এবং তাদেরকে নিয়ে ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। উভয় রাক‘আতে স্বরবে ক্বিরাআত পাঠ করেন, অতঃপর স্বীয় চাদর উল্টিয়ে নিয়ে দু’ হাত উঠিয়ে বৃষ্টির জন্য দু‘আ করেন।[1] সহীহ।
حدثنا احمد بن محمد بن ثابت المروزي، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن عباد بن تميم، عن عمه، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج بالناس ليستسقي فصلى بهم ركعتين جهر بالقراءة فيهما وحول رداءه ورفع يديه فدعا واستسقى واستقبل القبلة
। ইবনু শিহাব (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে ‘আব্বাদ ইবনু তামীম আল-মাযিনী (রহঃ) জানালেন, তিনি তার চাচাকে -যিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অন্যতম সাহাবী ছিলেন- বলতে শুনেছেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিসকা সালাতের জন্য বের হলেন এবং লোকদের দিকে পিঠ ফিরিয়ে মহা মহীয়ান আল্লাহর কাছে দু‘আ করেন।[1] বর্ণনাকারী সুলায়মান ইবনু দাঊদ বলেন, তিনি ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয়ে স্বীয় চাদর উল্টিয়ে নিয়ে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন। ইবনু আবূ যি‘বের বর্ণনায় রয়েছে, তিনি উভয় রাক‘আতে ক্বিরাআত পাঠ করেন। ইবনুস সারাহর বর্ণনায় রয়েছে, তিনি ক্বিরাআত উচ্চস্বরে পাঠ করেছেন। সহীহ : বুখারী ও মুসলিম। তবে মুসলিমে ক্বিরাআত ও উচ্চস্বরে পাঠের কথা নেই।
حدثنا ابن السرح، وسليمان بن داود، قالا اخبرنا ابن وهب، قال اخبرني ابن ابي ذيب، ويونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني عباد بن تميم المازني، انه سمع عمه، - وكان من اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما يستسقي فحول الى الناس ظهره يدعو الله عز وجل - قال سليمان بن داود واستقبل القبلة وحول رداءه ثم صلى ركعتين - قال ابن ابي ذيب - وقرا فيهما زاد ابن السرح يريد الجهر
। মুহাম্মাদ ইবনু মুসলিম (রহঃ) হতে নিজস্ব সানাদে এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। তবে তার বর্ণনায় সালাত আদায়ের কথা উল্লেখ নেই। বর্ণনাকারী বলেন, ‘‘তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় চাদর উল্টিয়ে নেন। তিনি ডান স্কন্ধের উপরে রাখা চাদরের ডান পার্শ্বকে বাম কাঁধের উপর এবং বাম কাঁধের উপরে রাখা চাদরের বাম পার্শ্বকে ডান কাঁধের উপর রাখলেন। তারপর মহা মহীয়ান আল্লাহর কাছে দু‘আ করলেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن عوف، قال قرات في كتاب عمرو بن الحارث - يعني الحمصي - عن عبد الله بن سالم، عن الزبيدي، عن محمد بن مسلم، بهذا الحديث باسناده لم يذكر الصلاة قال وحول رداءه فجعل عطافه الايمن على عاتقه الايسر وجعل عطافه الايسر على عاتقه الايمن ثم دعا الله عز وجل
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টির জন্য দু‘আ করেন। তখন তাঁর শরীরে কালো বর্ণের একটি চাদর জড়ানো ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চাদরের নীচের অংশকে উল্টিয়ে উপরে উঠানোর সময় ভারী বোধ করায় তিনি তা কাঁধের উপরে রেখেই উল্টিয়ে নেন।[1] সহীহ।
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، عن عمارة بن غزية، عن عباد بن تميم، ان عبد الله بن زيد، قال استسقى رسول الله صلى الله عليه وسلم وعليه خميصة له سوداء فاراد رسول الله صلى الله عليه وسلم ان ياخذ باسفلها فيجعله اعلاها فلما ثقلت قلبها على عاتقه
। হিশাম ইবনু ইসহাক ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু কিনানাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা আমাকে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইসতিসকার সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে আল-ওয়ালীদ ইবনু ‘উতবাহ আমাকে ইবনু ‘আব্বাসের (রাঃ) নিকট পাঠালেন। ‘উসমান ইবনু ‘উক্ববাহ বলেন, ওয়ালীদ ইবনু ‘উতবাহ তখন মদীনার গভর্ণর ছিলেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুরাতন বেশভূষায় ভয় ও বিনয়ী অবস্থায় বের হয়ে ঈদাগাহে গেলেন। অতঃপর তিনি মিম্বারে উঠেন এবং প্রচলিত নিয়মে খুত্ববাহ না দিয়ে তিনি সারাক্ষণ কাকুতি-মিনতি, দু‘আ ও তাকবীর পাঠেরত ছিলেন। অতঃপর তিনি ঈদের সালাতের মত দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন।[1] হাসান।
حدثنا النفيلي، وعثمان بن ابي شيبة، نحوه قالا حدثنا حاتم بن اسماعيل، حدثنا هشام بن اسحاق بن عبد الله بن كنانة، قال اخبرني ابي قال، ارسلني الوليد بن عتبة - قال عثمان ابن عقبة وكان امير المدينة - الى ابن عباس اساله عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم في الاستسقاء فقال خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم متبذلا متواضعا متضرعا حتى اتى المصلى - زاد عثمان فرقي على المنبر ثم اتفقا - ولم يخطب خطبكم هذه ولكن لم يزل في الدعاء والتضرع والتكبير ثم صلى ركعتين كما يصلي في العيد . قال ابو داود والاخبار للنفيلي والصواب ابن عتبة
। ‘আব্বাদ ইবনু তামীম (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিস্কা সালাত আদায়ের উদ্দেশে ঈদগাহে যান এবং যখন দু‘আর ইচেছ করেন তখন ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয়ে স্বীয় চাদরখনা উল্টিয়ে নেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا سليمان، - يعني ابن بلال - عن يحيى، عن ابي بكر بن محمد، عن عباد بن تميم، ان عبد الله بن زيد، اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج الى المصلى يستسقي وانه لما اراد ان يدعو استقبل القبلة ثم حول رداءه
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়িদ আল-মাযিনী (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহে গিয়ে ইসতিস্কার সালাত আদায় করলেন। তিনি ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হওয়ার সময় স্বীয় চাদরখানা উল্টিয়ে নিলেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن عبد الله بن ابي بكر، انه سمع عباد بن تميم، يقول سمعت عبد الله بن زيد المازني، يقول خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم الى المصلى فاستسقى وحول رداءه حين استقبل القبلة
। বনী আবুল লাহমের মুক্তদাস উমাইর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘আয-যাওরার’ নিকটবর্তী ‘আহজারুয্ যায়িত’ নামক স্থানে ইসতিসকার সালাত আদায় করতে দেখেছেন। তিনি বৃষ্টি বর্ষণের জন্য দাঁড়িয়ে হাত দু‘টিকে চেহারার সম্মুখে মাথার উপরিভাগ পর্যন্ত উঠিয়ে দু‘আ করেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن سلمة المرادي، اخبرنا ابن وهب، عن حيوة، وعمر بن مالك، عن ابن الهاد، عن محمد بن ابراهيم، عن عمير، مولى بني ابي اللحم انه راى النبي صلى الله عليه وسلم يستسقي عند احجار الزيت قريبا من الزوراء قايما يدعو يستسقي رافعا يديه قبل وجهه لا يجاوز بهما راسه
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে কতিপয় লোক (বৃষ্টি না হওয়ায়) ক্রন্দনরত অবস্থায় এলে তিনি দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আমাদেরকে বিলম্বে নয় বরং তাড়াতাড়ি ক্ষতিমুক্ত-কল্যাণময়, তৃপ্তিদায়ক, সজীবতা দানকারী, মুষল ধারায় বৃষ্টি বর্ষণ করো। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তাদের উপর আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যায় (এবং বৃষ্টি হয়)।[1] সহীহ।
حدثنا ابن ابي خلف، حدثنا محمد بن عبيد، حدثنا مسعر، عن يزيد الفقير، عن جابر بن عبد الله، قال اتت النبي صلى الله عليه وسلم بواكي فقال " اللهم اسقنا غيثا مغيثا مرييا مريعا نافعا غير ضار عاجلا غير اجل " . قال فاطبقت عليهم السماء
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসতিস্কা ছাড়া অন্য কোন দু‘আতে দু’ হাত উঠাননি। তিনি হাত দু’টিকে এতটুকু উঠাতেন যে, তাঁর বগলদ্বয়ের সাদা অংশ দেখা যেত।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا نصر بن علي، اخبرنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان لا يرفع يديه في شىء من الدعاء الا في الاستسقاء فانه كان يرفع يديه حتى يرى بياض ابطيه
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টির জন্য এরূপে দু‘আ করেছেন। অর্থাৎ তিনি দু’ হাত প্রশস্ত করে দু’ হাতের তালুকে যমীনের দিকে রেখেছেন। এমনকি আমি তাঁর বগলের সাদা অংশ দেখেছি।[1] সহীহ : মুসলিম সংক্ষেপে।
حدثنا الحسن بن محمد الزعفراني، حدثنا عفان، حدثنا حماد، اخبرنا ثابت، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم كان يستسقي هكذا يعني ومد يديه وجعل بطونهما مما يلي الارض حتى رايت بياض ابطيه
। মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এ হাদীস আমাকে এমন এক ব্যক্তি অবহিত করেছেন, যিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ‘আহজারুয্ যায়িত’ নামক স্থানের সন্নিকটে দু’ হাত প্রশস্ত করে দু‘আ করতে দেখেছেন।[1] সহীহ।
حدثنا مسلم بن ابراهيم، حدثنا شعبة، عن عبد ربه بن سعيد، عن محمد بن ابراهيم، اخبرني من، راى النبي صلى الله عليه وسلم يدعو عند احجار الزيت باسطا كفيه
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে লোকজন অনাবৃষ্টির অভিযোগ পেশ করলে তিনি একটি মিম্বার স্থাপনের নির্দেশ দিলেন। সেটি তাঁর ঈদগাহে রাখা হলো এবং তিনি লোকদেরকে ওয়াদা দিলেন যে, তিনি তাদেরকে নিয়ে একদিন সেখানে যাবেন। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য উদিত হওয়ার পর বের হয়ে মিম্বারের উপর বসে তাকবীর বলে মহা মহীয়ান আল্লাহর প্রশংসা করেন এবং বলেনঃ তোমরা তোমাদের অনাবৃষ্টির অভিযোগ করেছ। অথচ মহান আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ করেছেন তোমরা তাকে ডাকো, তিনি তোমাদের ডাকে সাড়া দিতে ওয়াদাবদ্ধ। অতঃপর তিনি বলেনঃ সকল প্রশংসা বিশ্ব জগতের রব আল্লাহর জন্য, যিনি দয়ালু ও অতিশয় মেহেরবান, শেষ বিচারের দিনের মালিক। আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নাই। তিনি যা ইচ্ছা করেন তাই করেন। হে আল্লাহ! আপনিই আল্লাহ, আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নাই, আপনি সম্পদশালী আর আমরা ফকীর ও মুখাপেক্ষী। কাজেই আমাদের প্রতি বৃষ্টি বর্ষণ করুন এবং আপনি যা কিছু বর্ষণ করবেন, তদ্দ্বারা আমাদের জন্য প্রবল শক্তি ও প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌছার ব্যবস্থা করে দিন। অতঃপর তিনি দু’ হাত এতোটা উঁচুৃ করলেন যে, তাঁর বগলের শুভ্রতা দেখা গেলো। অতঃপর হাত উঠানো অবস্থায়ই তিনি লোকদের দিকে স্বীয় পিঠ ঘুরিয়ে দিয়ে চাদরটি উল্টিয়ে নিলেন। এরপর তিনি লোকজনের দিকে ফিরে মিম্বার হতে নেমে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। এ সময় মহান আল্লাহ এক খন্ড মেঘের আবির্ভাব ঘটালেন, যার মধ্যে গর্জন ও বিদ্যুৎ চমকাতে লাগলো এবং আল্লাহর ইচ্ছায় বৃষ্টিপাত হলো। এমনকি তিনি মাসজিদ পর্যন্ত আসতে না আসতেই পথঘাট পানিতে প্লাবিত হয়ে গেলো। যখন লোকজনকে বাড়ি-ঘরের দিকে দৌড়াতে দেখলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমনভাবে হাসলেন যে, তার সামনের পাটির দাঁত দেখা গেলো। অতঃপর তিনি বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, নিশ্চই আল্লাহ সকল বস্তুর উপর ক্ষমতবান এবং আমি আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রসূল।[1] ইমাম আবূ দাঊদ (রহঃ) বলেন, এ হাদীসটি গরীব। তথাপি হাদীসটির সানাদ ভাল। হাসান।
حدثنا هارون بن سعيد الايلي، حدثنا خالد بن نزار، حدثني القاسم بن مبرور، عن يونس، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، - رضى الله عنها - قالت شكى الناس الى رسول الله صلى الله عليه وسلم قحوط المطر فامر بمنبر فوضع له في المصلى ووعد الناس يوما يخرجون فيه قالت عايشة فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حين بدا حاجب الشمس فقعد على المنبر فكبر صلى الله عليه وسلم وحمد الله عز وجل ثم قال " انكم شكوتم جدب دياركم واستيخار المطر عن ابان زمانه عنكم وقد امركم الله عز وجل ان تدعوه ووعدكم ان يستجيب لكم " . ثم قال " { الحمد لله رب العالمين * الرحمن الرحيم * ملك يوم الدين } لا اله الا الله يفعل ما يريد اللهم انت الله لا اله الا انت الغني ونحن الفقراء انزل علينا الغيث واجعل ما انزلت لنا قوة وبلاغا الى حين " . ثم رفع يديه فلم يزل في الرفع حتى بدا بياض ابطيه ثم حول على الناس ظهره وقلب او حول رداءه وهو رافع يديه ثم اقبل على الناس ونزل فصلى ركعتين فانشا الله سحابة فرعدت وبرقت ثم امطرت باذن الله فلم يات مسجده حتى سالت السيول فلما راى سرعتهم الى الكن ضحك صلى الله عليه وسلم حتى بدت نواجذه فقال " اشهد ان الله على كل شىء قدير واني عبد الله ورسوله " . قال ابو داود وهذا حديث غريب اسناده جيد اهل المدينة يقرءون { ملك يوم الدين } وان هذا الحديث حجة لهم
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় একবার মদীনাহবাসী দুর্ভিক্ষে পতিত হয়। ঐ সময়ের জুমু‘আহর দিন তিনি আমাদের উদ্দেশে খুত্ববাহ দানকালে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রসূল! (অনাবৃষ্টির কারণে) উট-বকরী ইত্যাদি প্রায় ধ্বংসের মুখে। সুতরাং আল্লাহর কাছে আমাদের জন্য বৃষ্টি বর্ষণের দু‘আ করুন। অতঃপর তিনি হাত প্রসারিত করে দু‘আ করলেন। আনাস (রাঃ) বলেন, তিনি দু‘আ করার পূর্বে পর্যন্ত আকাশ মেঘমুক্ত স্বচ্ছ কাঁচের ন্যায় পরিস্কার ছিল, (দু‘আ করার পর) হঠাৎ বায়ু প্রবাহিত হয়ে এক খন্ড মেঘ প্রস্তুত হলো, অতঃপর বিভিন্ন খন্ড একত্র হয়ে আকাশে অঝোর ধারায় বৃষ্টি বর্ষিত হলো। এমনকি আমরা বৃষ্টিতে ভিজে বাড়িঘরে ফিরে এলাম এবং একটানা পরবর্তী জুমু‘আহ পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে থাকলো। এ জুমু‘আহতে ঐ লোক অথবা অন্য কেউ দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর রসূল! (অধিক বৃষ্টিপাতের ফলে) ঘর-বাড়ি ধসে যাচ্ছে, কাজেই বৃষ্টি বন্ধের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন। তার কথায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুচকি হেসে দু‘আ করলেন, (হে আল্লাহ!) আমাদের আশেপাশে বৃষ্টি দাও, আমাদের উপরে নয়।[1] বর্ণনাকারী বলেন, আমি মেঘের দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলাম, তা মদীনার আশেপাশে উঁচু উঁচু সুদৃশ্য চূড়ার মত বিক্ষিপ্ত হয়ে যাচ্ছে। সহীহ : বুখারী। মুসলিম সংক্ষেপে।
حدثنا مسدد، حدثنا حماد بن زيد، عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس بن مالك، ويونس بن عبيد، عن ثابت، عن انس، قال اصاب اهل المدينة قحط على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فبينما هو يخطبنا يوم جمعة اذ قام رجل فقال يا رسول الله هلك الكراع هلك الشاء فادع الله ان يسقينا فمد يديه ودعا قال انس وان السماء لمثل الزجاجة فهاجت ريح ثم انشات سحابة ثم اجتمعت ثم ارسلت السماء عزاليها فخرجنا نخوض الماء حتى اتينا منازلنا فلم يزل المطر الى الجمعة الاخرى فقام اليه ذلك الرجل او غيره فقال يا رسول الله تهدمت البيوت فادع الله ان يحبسه فتبسم رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم قال " حوالينا ولا علينا " . فنظرت الى السحاب يتصدع حول المدينة كانه اكليل
। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দু’ হাত স্বীয় চেহারা বরাবর উঠিয়ে দু‘আ করলেনঃ হে আল্লাহ! আমাদেরকে বৃষ্টি দাও। অতঃপর পূর্বের হাদীসের অনুরূপ।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম সংক্ষেপে।
حدثنا عيسى بن حماد، اخبرنا الليث، عن سعيد المقبري، عن شريك بن عبد الله بن ابي نمر، عن انس، انه سمعه يقول فذكر نحو حديث عبد العزيز قال فرفع رسول الله صلى الله عليه وسلم يديه بحذاء وجهه فقال " اللهم اسقنا " . وساق نحوه
। ‘আমর ইবনু শু‘আইব (রহঃ) তার পিতা হতে তার দাদা সূত্রে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বৃষ্টির জন্য দু‘আ করার সময় বলতেনঃ হে আল্লাহ! আপনি আপনার বান্দাদের ও প্রাণীদেরকে পানি দান করুন, আপনার রহমত বিস্তৃত করুন এবং আপনার মৃত শহরকে (শুস্ক ভূমিকে) জীবিত করুন।[1] হাসান।
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرو بن شعيب، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يقول ح وحدثنا سهل بن صالح حدثنا علي بن قادم اخبرنا سفيان عن يحيى بن سعيد عن عمرو بن شعيب عن ابيه عن جده قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا استسقى قال " اللهم اسق عبادك وبهايمك وانشر رحمتك واحى بلدك الميت " . هذا لفظ حديث مالك
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদেরকে নিয়ে সালাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর রুকূ‘ করে আবার দাঁড়ালেন। আবার রুকূ‘ করলেন এবং আবার দাঁড়ালেন। অতঃপর রুকূ‘ করলেন। এভাবে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন এবং প্রত্যেক রাক‘আতে তিনটি করে রুকূ‘ করার পর সিজদা্ করলেন। সালাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার ফলে কতিপয় লোক অজ্ঞান হয়ে যায় এবং তাদের উপর পানি ঢালা হয়। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রুকূ‘ করার সময় ‘আল্লাহু আকবার; আর রুকূ‘ হতে মাথা উঠানোর সময় ‘সামিআল্লাহু লিমান হামিদাহ’ বলেছেন এবং তাঁর সালাত অবস্থায়ই সূর্য গ্রহণ শেষ হয়ে যায়। অতঃপর তিনি বললেনঃ সূর্য কিংবা চন্দ্রগ্রহণ কারোর জন্ম বা মৃর্তু্যর কারণে হয় না, বরং তা মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর নিদর্শনসমূহের দু‘টি নিদর্শন। তিনি এর দ্বারা স্বীয় বান্দাদেরকে ভয় দেখিয়ে থাকেন। সুতরাং কখনো গ্রহণ হলে তোমরা সালাত আদায়ে মনোনিবেশ করবে।[1] সহীহ : মুসলিম। কিন্তু (তিন রুকু) কথাটি শায। মাহফূয হচ্ছে (দুই রুকু)। যেমন বুখারী ও মুসলিমে রয়েছে। এছাড়া সামনে ১১৮০ নং এ আসছে।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا اسماعيل ابن علية، عن ابن جريج، عن عطاء، عن عبيد بن عمير، اخبرني من، اصدق وظننت انه يريد عايشة قال كسفت الشمس على عهد النبي صلى الله عليه وسلم فقام النبي صلى الله عليه وسلم قياما شديدا يقوم بالناس ثم يركع ثم يقوم ثم يركع ثم يقوم ثم يركع فركع ركعتين في كل ركعة ثلاث ركعات يركع الثالثة ثم يسجد حتى ان رجالا يوميذ ليغشى عليهم مما قام بهم حتى ان سجال الماء لتصب عليهم يقول اذا ركع " الله اكبر " . واذا رفع " سمع الله لمن حمده " . حتى تجلت الشمس ثم قال " ان الشمس والقمر لا ينكسفان لموت احد ولا لحياته ولكنهما ايتان من ايات الله عز وجل يخوف بهما عباده فاذا كسفا فافزعوا الى الصلاة
। জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পুত্র ইবরাহীমের মৃত্যুর দিনে সূর্যগ্রহণ হলে লোকজন মন্তব্য করলো, ইবরাহীমের মৃত্যুর কারণেই গ্রহণ লেগেছে। অতঃপর তিনি লোকদেরকে নিয়ে চার সিজদা্ ও ছয় রুকু‘সহ সালাত আদায় করেন। তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বলে সালাত আরম্ভ করে দীর্ঘক্ষণ ক্বিরাআত পড়েন। অতঃপর দাঁড়ানোর অনুরূপ সময় রুকূ‘তে অতিবাহিত করেন। অতঃপর মাথা উঠিয়ে প্রথমবারের চেয়ে কিছুটা কম সময় ক্বিরাআত পড়েন। অতঃপর দাঁড়ানোর অনুরূপ সময় রুকূ‘তে অতিবাহিত করেন। অতঃপর মাথা উঠিয়ে তৃতীয়বারের ক্বিরাআত পড়েন যা ছিল দ্বিতীয়বারের চেয়ে কিছুটা কম। অতঃপর তিনি রুকূ‘তে গিয়ে দাঁড়ানোর অনুরূপ সময় অতিবাহিত করে মাথা উঠান, অতঃপর সিজদা্ করেন। তিনি দু’টি সিজদা্ করার পর দ্বিতীয় রাক‘আতের জন্য দাঁড়ান এবং এ রাক‘আতেও তিনি সিজদার পূর্বে তিনটি রুকূ‘ করেন। তাঁর দ্বিতীয় রাক‘আতের দাঁড়ানোর সময়ও দীর্ঘ ছিল, তবে তা প্রথম রাক‘আতের প্রত্যেকটি ক্বিয়ামের চেয়ে কম সময় ছিল এবং রুকু‘তে অবস্থানের সময় ছিলো দাঁড়ানোর সমপরিমাণ। অতঃপর তিনি সালাতের মধ্যেই পেছনের দিকে সরে আসেন, ফলে মুসল্লীদের কাতারগুলোও তাঁর সাথে সাথে সরে গেল। অতঃপর তিনি আবার সস্থানে আসলে সবগুলো কাতার সম্মুখে অগ্রসর হয়। এভাবে তিনি সালাত সমাপ্ত করলেন এবং এ সময়ের মধ্যে সূর্যও গ্রহণমুক্ত হয়ে যায়। অতঃপর তিনি বলেনঃ হে লোকেরা! নিশ্চয় সূর্য ও চন্দ্র মহাপরাক্রমশালী মহান আল্লাহ নিদর্শনসমূহের দু‘টি নিদর্শন। কোন ব্যক্তির মত্যুর কারণে এ দু‘টির গ্রহণ হয়না। অতএব তোমরা গ্রহণ হতে দেখলে তা গ্রাসমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবে। হাদীসের অবশিষ্ট অংশও এভাবে বর্ণিত হয়েছে।[1] সহীহ : মুসলিম। কিন্ত (ছয় রুকু) কথাটি শায। মাহফূয হচ্ছেঃ (চার রুকু)। যেমন সামনে আসছে।
حدثنا احمد بن حنبل، حدثنا يحيى، عن عبد الملك، حدثني عطاء، عن جابر بن عبد الله، قال كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وكان ذلك في اليوم الذي مات فيه ابراهيم ابن رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال الناس انما كسفت لموت ابراهيم ابنه صلى الله عليه وسلم فقام النبي صلى الله عليه وسلم فصلى بالناس ست ركعات في اربع سجدات كبر ثم قرا فاطال القراءة ثم ركع نحوا مما قام ثم رفع راسه فقرا دون القراءة الاولى ثم ركع نحوا مما قام ثم رفع راسه فقرا القراءة الثالثة دون القراءة الثانية ثم ركع نحوا مما قام ثم رفع راسه فانحدر للسجود فسجد سجدتين ثم قام فركع ثلاث ركعات قبل ان يسجد ليس فيها ركعة الا التي قبلها اطول من التي بعدها الا ان ركوعه نحو من قيامه قال ثم تاخر في صلاته فتاخرت الصفوف معه ثم تقدم فقام في مقامه وتقدمت الصفوف فقضى الصلاة وقد طلعت الشمس فقال " يا ايها الناس ان الشمس والقمر ايتان من ايات الله عز وجل لا ينكسفان لموت بشر فاذا رايتم شييا من ذلك فصلوا حتى تنجلي " . وساق بقية الحديث
। জাবির (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে প্রচন্ড গরমের দিনে সূর্যগ্রহণ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করেন। তিনি এতো দীর্ঘ সময় সালাতে দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, লোকজন বেহুশ হয়ে পড়ছিল। তিনি দীর্ঘক্ষণ রুকূ‘ করলেন। অতঃপর মাথা উঠিয়ে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রইলেন। অতঃপর দু’টি সিজদা্ করলেন। অতঃপর উঠে দাঁড়িয়ে দ্বিতীয় রাক‘আতেও প্রায় প্রথম রাক‘আতের অনুরূপ করলেন। এতে পুরো সালাত চার রুকূ‘ ও চার সিজদা্ বিশিষ্ট হলো। এরপর বর্ণনাকারী পুরো হাদীস বর্ণনা করেন।[1] সহীহ : মুসলিম।
حدثنا مومل بن هشام، حدثنا اسماعيل، عن هشام، حدثنا ابو الزبير، عن جابر، قال كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم في يوم شديد الحر فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم باصحابه فاطال القيام حتى جعلوا يخرون ثم ركع فاطال ثم رفع فاطال ثم ركع فاطال ثم رفع فاطال ثم سجد سجدتين ثم قام فصنع نحوا من ذلك فكان اربع ركعات واربع سجدات . وساق الحديث
। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় সূর্যগ্রহণ সংঘটিত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দিকে বের হন। তিনি আল্লাহু আকবার বলে সালাত আরম্ভ করেন এবং লোকজন তাঁর পেছনে কাতারবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে যান। অতঃপর তিনি লম্বা ক্বিরাআত পাঠ করেন, তারপর তাকবীর বলে রুকূ‘তে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ তাতে অতিবাহিত করেন। এরপর মাথা তুলে ‘‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদাহ্ রব্বানা ওয়ালাকাল হামদ’’ বলে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে যান। অতঃপর আবার লম্বা ক্বিরাআত পড়েন, তবে তা প্রথমবারের চেয়ে কম দীর্ঘ ছিল। অতঃপর তাকবীর বলে দীর্ঘক্ষণ রুকূ‘ করেন, তবে তা প্রথমবারের চেয়ে কম দীর্ঘ ছিল। অতঃপর ‘‘সামি‘আল্লাহু লিমান হামিদা্হ্ রব্বানা ওয়ালাকাল হামদ’’ বলেন। অতঃপর দ্বিতীয় রাক‘আতেও অনুরূপ করেন। এভাবে তিনি পুরো সালাত চার রুকূ‘ ও চার সিজদা্ সহকারে আদায় করেন। সালাত শেষে প্রত্যাবর্তনের পূর্বেই সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا ابن السرح، اخبرنا ابن وهب، ح وحدثنا محمد بن سلمة المرادي، حدثنا ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، اخبرني عروة بن الزبير، عن عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت خسفت الشمس في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم الى المسجد فقام فكبر وصف الناس وراءه فاقترا رسول الله صلى الله عليه وسلم قراءة طويلة ثم كبر فركع ركوعا طويلا ثم رفع راسه فقال " سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد " . ثم قام فاقترا قراءة طويلة هي ادنى من القراءة الاولى ثم كبر فركع ركوعا طويلا هو ادنى من الركوع الاول ثم قال " سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد " . ثم فعل في الركعة الاخرى مثل ذلك فاستكمل اربع ركعات واربع سجدات وانجلت الشمس قبل ان ينصرف