Loading...

Loading...
বইসমূহ
৩৭ হাদিসসমূহ
। কাসীর ইবনু ‘আব্বাস (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করতেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যগ্রহণের সময় সালাত আদায় করেছেন। অতঃপর অবশিষ্ট বর্ণনা ‘উরওয়াহ হতে ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তিনি বলেন, তিনি দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন এবং প্রতি রাক‘আতে দু‘টি করে রুকূ‘ করেছেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا احمد بن صالح، حدثنا عنبسة، حدثنا يونس، عن ابن شهاب، قال كان كثير بن عباس يحدث ان عبد الله بن عباس، كان يحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى في كسوف الشمس مثل حديث عروة عن عايشة عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه صلى ركعتين في كل ركعة ركعتين
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি সাহাবীদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করেন। তিনি সালাতে দীর্ঘ সূরাহ তিলাওয়াত করেন। তিনি প্রথম রাক‘আতে পাঁচটি রুকূ‘ ও দু’টি সিজদা করেন। অতঃপর দ্বিতীয় রাক‘আতে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সূরাহ তিলাওয়াত করেন। তাতেও পাঁচটি রুকূ‘ ও দু’টি সিজদা করেন। অতঃপর ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হমুখী হয়ে বসে দু‘আ করতে থাকেন। এমতাবস্থায় সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়।[1] দুর্বল।
حدثنا احمد بن الفرات بن خالد ابو مسعود الرازي، اخبرنا محمد بن عبد الله بن ابي جعفر الرازي، عن ابيه، عن ابي جعفر الرازي، قال ابو داود وحدثت عن عمر بن شقيق، حدثنا ابو جعفر الرازي، - وهذا لفظه وهو اتم - عن الربيع بن انس، عن ابي العالية، عن ابى بن كعب، قال انكسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم وان النبي صلى الله عليه وسلم صلى بهم فقرا بسورة من الطول وركع خمس ركعات وسجد سجدتين ثم قام الثانية فقرا سورة من الطول وركع خمس ركعات وسجد سجدتين ثم جلس كما هو مستقبل القبلة يدعو حتى انجلى كسوفها
। উবাই ইবনু কা‘ব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেন। তিনি তাতে ক্বিরাআত পড়ে রুকূ‘ করেন, অতঃপর ক্বিরাআত পড়ে রুকূ‘ করেন, পুনরায় ক্বিরাআত পড়ে রুকূ‘ করেন, আবার ক্বিরাআত পড়ে রুকূ‘ করেন, অতঃপর সিজদা্ করেন এবং দ্বিতীয় রাক‘আতেও অনুরূপ করেন। (অর্থাৎ প্রতি রাক‘আতে চারটি রুকূ‘)।[1] মুনকার।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن سفيان، حدثنا حبيب بن ابي ثابت، عن طاوس، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه صلى في كسوف الشمس فقرا ثم ركع ثم قرا ثم ركع ثم قرا ثم ركع ثم قرا ثم ركع ثم سجد والاخرى مثلها
। সামুরাহ ইবনু জুনদুব (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ও এক আনসারী যুবক তীর চালনা করছিলাম। এমন সময় সূর্য যখন লোকদের নজরে আনুমানিক দুই বা তিন তীর পরিমাণ উপরে উঠেছিল তখন তা কালোজিরা বা কালো ফলের মত হয়ে যায়। তখন আমাদের একজন তার সাথীকে বললো, চলো মসাজিদে যাই। আল্লাহর শপথ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মাতের উপর এ সূর্যের কারণে নিশ্চয়ই নতুন কিছূ ঘটতে যাচ্ছে। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা গিয়ে দেখি, তিনি বেরিয়ে এসে সম্মুখে অগ্রসর হয়ে সালাত আরম্ভ করেছেন। তিনি আমাদেরকে নিয়ে সালাতে এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, ইতিপূর্বে কখনো তিনি এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াননি। তবে (নিঃশব্দে ক্বিরাআত পড়ায়) আমরা সালাতের মধ্যে তাঁর কোন শব্দ শুনতে পাইনি। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি আমাদেরকে নিয়ে রুকূ‘ করলেন এবং এত লম্বা রুকূ‘ করলেন যে, ইতিপূর্বে কখনো এত দীর্ঘ রুকূ‘ করেননি। এতেও আমরা তাঁর (তাসবীহ পাঠের) শব্দ শুনতে পাইনি। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি এত দীর্ঘ সিজদা্ করলেন যে, ইতিপুর্বে সালাতে কখনো এরূপ দীর্ঘ সিজদা্ করেননি। এতেও আমরা তাঁর কোন শব্দ শুনতে পাইনি। অতঃপর দ্বিতীয় রাক‘আতেও অনুরূপ করলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি দ্বিতীয় রাক‘আতে বসা অবস্থায় থাকতেই সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়। অতঃপর তিনি সালাম ফিরিয়ে দাঁড়িয়ে আল্লাহর যথাযথ প্রশংসা ও গুন বর্ণনা করে সাক্ষ্য দেন যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ নেই এবং আরো সাক্ষ্য দেন যে, তিনি তাঁর বান্দাহ ও রসূল। অতঃপর আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) তার বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভাষণের বর্ণনা দেন।[1] দুর্বল।
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا الاسود بن قيس، حدثني ثعلبة بن عباد العبدي، من اهل البصرة انه شهد خطبة يوما لسمرة بن جندب قال قال سمرة بينما انا وغلام من الانصار نرمي غرضين لنا حتى اذا كانت الشمس قيد رمحين او ثلاثة في عين الناظر من الافق اسودت حتى اضت كانها تنومة فقال احدنا لصاحبه انطلق بنا الى المسجد فوالله ليحدثن شان هذه الشمس لرسول الله صلى الله عليه وسلم في امته حدثا قال فدفعنا فاذا هو بارز فاستقدم فصلى فقام بنا كاطول ما قام بنا في صلاة قط لا نسمع له صوتا قال ثم ركع بنا كاطول ما ركع بنا في صلاة قط لا نسمع له صوتا ثم سجد بنا كاطول ما سجد بنا في صلاة قط لا نسمع له صوتا . ثم فعل في الركعة الاخرى مثل ذلك قال فوافق تجلي الشمس جلوسه في الركعة الثانية قال ثم سلم ثم قام فحمد الله واثنى عليه وشهد ان لا اله الا الله وشهد انه عبده ورسوله ثم ساق احمد بن يونس خطبة النبي صلى الله عليه وسلم
। ক্বাবীসাহ আল-হিলালী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) স্বীয় কাপড় হেঁচড়াতে হেঁচড়াতে খুব ভয়ের সাথে বের হলেন। তখন আমি তাঁর সাথে মাদীনায় ছিলাম। তিনি দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করালেন এবং এতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর তাঁর সালাত শেষ হলে সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়। এরপর তিনি বলেন, নিশ্চয় এগুলো হচ্ছে নিদর্শন, মহান আল্লাহ এর মাধ্যমে ভীতি প্রদর্শন করেন। সতরাং যখন তোমরা এরূপ দেখবে, তখন এর পূর্বে তোমাদের আদায়কৃত (ফজরের) ফারয সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করবে।[1] দুর্বল।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، حدثنا ايوب، عن ابي قلابة، عن قبيصة الهلالي، قال كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج فزعا يجر ثوبه وانا معه يوميذ بالمدينة فصلى ركعتين فاطال فيهما القيام ثم انصرف وانجلت فقال " انما هذه الايات يخوف الله بها فاذا رايتموها فصلوا كاحدث صلاة صليتموها من المكتوبة
। হিলাল ইবনু ‘আমির (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। ক্বাবীসাহ আল-হিলালী (রাঃ) তাকে বলেছেন, একদা সূর্যগ্রহণ হয়। অতঃপর মূসা বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। তিনি বলেন, গ্রহণের কারণে সূর্য এমনভাবে আচ্ছন্ন হয়েছিল যে, তারকারাজি পর্যন্ত দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল।[1] দুর্বল।
حدثنا احمد بن ابراهيم، حدثنا ريحان بن سعيد، حدثنا عباد بن منصور، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن هلال بن عامر، ان قبيصة الهلالي، حدثه ان الشمس كسفت بمعنى حديث موسى قال حتى بدت النجوم
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে সূর্যগ্রহণ হওয়ায় রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বেরিয়ে এসে লোকদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। তিনি দাঁড়িয়ে এত দীর্ঘক্ষণ ক্বিরাআত পাঠ করেন যে, আমি অনুমান করে দেখেছি যে, তিনি সূরাহ বাক্বারাহ তিলাওয়াত করেছেন। অতঃপর বর্ণনাকারী হাদীসের বাকী অংশ বর্ণনা করেন। এরপর তিনি দু‘টি সিজদা্ করেছেন। তারপর দাঁড়িয়ে এত দীর্ঘ ক্বিরাআত পাঠ করেন যে, আমি অনুমান করেছি যে, তিনি সূরাহ আলে-‘ইমরান তিলাওয়াত করেছেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا عبيد الله بن سعد، حدثنا عمي، حدثنا ابي، عن محمد بن اسحاق، حدثني هشام بن عروة، وعبد الله بن ابي سلمة، وسليمان بن يسار، كلهم قد حدثني عن عروة، عن عايشة، قالت كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم فصلى بالناس فقام فحزرت قراءته فرايت انه قرا بسورة البقرة - وساق الحديث - ثم سجد سجدتين ثم قام فاطال القراءة فحزرت قراءته فرايت انه قرا بسورة ال عمران
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (সূর্যগ্রহণের সালাতে) স্বরবে অত্যধিক দীর্ঘ ক্বিরাআত পাঠ করেছেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا العباس بن الوليد بن مزيد، اخبرني ابي، حدثنا الاوزاعي، اخبرني الزهري، اخبرني عروة بن الزبير، عن عايشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قرا قراءة طويلة فجهر بها يعني في صلاة الكسوف
। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা সূর্যগ্রহণ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত এবং তাঁর সাথের লোকেরা সালাত আদায় করেন। তিনি (সালাতে) সূরাহ আল-বাক্বারাহ পড়ার সমপরিমাণ সময় দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন। তারপর রুকূ‘ করেন। এরপর বর্ণনাকারী হাদীসের বাকী অংশটি বর্ণনা করেন।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، عن ابي هريرة، - كذا عند القاضي والصواب عن ابن عباس، - قال خسفت الشمس فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم والناس معه فقام قياما طويلا بنحو من سورة البقرة ثم ركع وساق الحديث
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা সূর্যগ্রহণ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে ঘোষণা দেয়ার নির্দেশ করেন যে, সালাতের জামা‘আত অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে (কাজেই তোমরা একত্রিত হও)।[1] সহীহ : মুসলি। বুখারী তা‘লীক্বভাবে।
حدثنا عمرو بن عثمان، حدثنا الوليد، حدثنا عبد الرحمن بن نمر، انه سال الزهري فقال الزهري اخبرني عروة، عن عايشة، قالت كسفت الشمس فامر رسول الله صلى الله عليه وسلم رجلا فنادى ان الصلاة جامعة
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো মৃত্যু এবং জন্মের কারণে সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ হয় না। কাজেই যখন তোমরা তা (সংঘটিত হতে) দেখবে তখন মহা পরাক্রমশালী আল্লাহর নিকট দু‘আ করবে, তাকবীর বলবে এবং সাদাকা করবে।[1] সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن عروة، عن عايشة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " الشمس والقمر لا يخسفان لموت احد ولا لحياته فاذا رايتم ذلك فادعوا الله عز وجل وكبروا وتصدقوا
। আসমা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যগ্রহণের সালাতের সময় গোলাম আযাদ করার আদেশ দিতেন।[1] সহীহ : বুখারী।
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا زايدة، عن هشام، عن فاطمة، عن اسماء، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يامر بالعتاقة في صلاة الكسوف
। নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে তিনি দু’ দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেন এবং সূর্য গ্রহণমুক্ত হয়েছে কিনা তা জিজ্ঞেস করতে থাকেন।[1] মুনকার।
حدثنا احمد بن ابي شعيب الحراني، حدثني الحارث بن عمير البصري، عن ايوب السختياني، عن ابي قلابة، عن النعمان بن بشير، قال كسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل يصلي ركعتين ركعتين ويسال عنها حتى انجلت
। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে সূর্যগ্রহণ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দাঁড়ান। তিনি এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, রুকূতেই যাচ্ছেন না। আতঃপর রুকূ‘ করলেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ রুকূ‘ করলেন যে, মাথা উঠাবেন বলে মনে হলো না, অবশ্য পরে উঠালেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলেন যে, সিজদা্ করার সম্ভাবনাই থাকলো না। অতঃপর সিজদা্ করলেন এবং এত দীর্ঘক্ষণ সিজদা্ করলেন যে, মাথা উঠানোর সম্ভাবনাই থাকলো না। অবশ্য পরে মাথা উঠালেন এবং প্রথম সিজদার পর এত দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেন যে, দ্বিতীয় সিজদা্ করবেন বলে সম্ভাবনা দেখা গেলো না। অতঃপর সিজদায় গিয়ে এত দীর্ঘক্ষণ সিজদা্ করলেন যে, মাথা উঠাবেন বলে মনে হলো না, অতঃপর উঠালেন এবং দ্বিতীয় রাক‘আতেও অনুরূপ করলেন। পরে তিনি সর্বশেষ সাজদার মধ্যে করলেন উহঃ উহঃ শব্দ করলেন এবং বললেনঃ হে আমার প্রভূ! আপনি কি আমাকে এ প্রতিশ্রুতি দেননি যে, আমার বর্তমানে আপনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না? আপনি কি আমার সাথে ওয়াদা করেননি যে, তারা ক্ষমা চাইতে থাকলে আপনি তাদেরকে শাস্তি দিবেন না? এ বলে তিনি সালাত হতে অবসর হলে সূর্যও গ্রাসমুক্ত হয়ে যায়। আর এভাবেই হাদীস বর্ণিত হয়েছে।[1] সহীহ : কিন্তু দুই রুকূ‘ উল্লেখসহ। যেমনটি বুখারী ও মুসলিমে আছে।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا حماد، عن عطاء بن السايب، عن ابيه، عن عبد الله بن عمرو، قال انكسفت الشمس على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فلم يكد يركع ثم ركع فلم يكد يرفع ثم رفع فلم يكد يسجد ثم سجد فلم يكد يرفع ثم رفع فلم يكد يسجد ثم سجد فلم يكد يرفع ثم رفع وفعل في الركعة الاخرى مثل ذلك ثم نفخ في اخر سجوده فقال " اف اف " . ثم قال " رب الم تعدني ان لا تعذبهم وانا فيهم الم تعدني ان لا تعذبهم وهم يستغفرون " . ففرغ رسول الله صلى الله عليه وسلم من صلاته وقد امحصت الشمس وساق الحديث
। ‘আবদুর রহমান ইবনু সামুরাহ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জীবদ্দশায় একটি জায়গাতে আমি তীর চালনা শিখছিলাম। এমন সময় সূর্যগ্রহণ হলে আমি তীরগুলো ফেলে দিয়ে বলি, আজ সূর্যগ্রহণের দরুন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য কি ঘটে, তা অবশ্যই স্বচক্ষে দেখবো। আমি তাঁর কাছে গিয়ে দেখলাম, তিনি দু’ হাত উঠিয়ে তাসবীহ, তাহমীদ, কালিমাহ ও দু‘আ পাঠেরত আছেন। অবশেষে সূর্য গ্রাসমুক্ত হয়ে গেল। তিনি দু‘টি সূরার দ্বারা দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করলেন।[1] সহীহ : মুসলিম সংক্ষেপে।
حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا الجريري، عن حيان بن عمير، عن عبد الرحمن بن سمرة، قال بينما انا اترمى، باسهم في حياة رسول الله صلى الله عليه وسلم اذ كسفت الشمس فنبذتهن وقلت لانظرن ما احدث لرسول الله صلى الله عليه وسلم في كسوف الشمس اليوم فانتهيت اليه وهو رافع يديه يسبح ويحمد ويهلل ويدعو حتى حسر عن الشمس فقرا بسورتين وركع ركعتين
। ‘উবায়দুল্লাহ ইবনুন নাদর (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা বলেছেন, একদা আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এর সময় একবার (আকাশ) অন্ধকারাচ্ছন্ন হলে আমি আনাস (রাঃ)-এর নিকট এসে জিজ্ঞেস করলাম, হে আবূ হামযাহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে আপনারা কখনো এরূপ বিপদের সম্মুখীন হয়েছিলেন কি? তিনি বললেন, ‘‘আল্লাহ পানাহ! তখন একটু জোরে বাতাস প্রবাহিত হলেই আমরা ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) হবার আশংকায় দ্রুত দৌড়িয়ে মসজিদে যেতাম।[1] দুর্বল।
حدثنا محمد بن عمرو بن جبلة بن ابي رواد، حدثني حرمي بن عمارة، عن عبيد الله بن النضر، حدثني ابي قال، كانت ظلمة على عهد انس بن مالك - قال - فاتيت انسا فقلت يا ابا حمزة هل كان يصيبكم مثل هذا على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم قال معاذ الله ان كانت الريح لتشتد فنبادر المسجد مخافة القيامة
। ‘ইকরিমাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কোন এক স্ত্রীর ইন্তেকালের সংবাদ দেয়া হলে তিনি সিজদায় লুটে পড়লেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, এ সময় সিজদা্ করার কারণ কি? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমরা কোন নির্দশন দেখবে, তখন সিজদা্ করবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীর ইন্তিকালের চেয়ে বড় নির্দশন (বিপদ) আর কি হতে পারে![1] হাসান
حدثنا محمد بن عثمان بن ابي صفوان الثقفي، حدثنا يحيى بن كثير، حدثنا سلم بن جعفر، عن الحكم بن ابان، عن عكرمة، قال قيل لابن عباس ماتت فلانة بعض ازواج النبي صلى الله عليه وسلم فخر ساجدا فقيل له اتسجد هذه الساعة فقال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا رايتم اية فاسجدوا " . واى اية اعظم من ذهاب ازواج النبي صلى الله عليه وسلم