Loading...

Loading...
বইসমূহ
১২৯ হাদিসসমূহ
। ‘আয়িশাহ্ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, হায়িয অবস্থায় আমি এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একই কম্বলে রাত কাটাতাম। আমার দেহের রক্ত তাঁর দেহে লাগলে তিনি শুধু ঐ স্থানটি ধুয়ে নিতেন। আর যদি রক্তের কিছু তাঁর কাপড়ে লাগতো তখনও তিনি শুধু তাই ধুয়ে নিতেন এবং সেই কাপড় পরেই সালাত আদায় করতেন।[1] সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৯।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن جابر بن صبح، قال سمعت خلاسا الهجري، قال سمعت عايشة، - رضى الله عنها - تقول كنت انا ورسول الله، صلى الله عليه وسلم نبيت في الشعار الواحد وانا حايض طامث فان اصابه مني شىء غسل مكانه ولم يعده وان اصاب - تعني ثوبه - منه شىء غسل مكانه ولم يعده وصلى فيه
। মায়মূনাহ বিনতুল হারিস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কোনো ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে একত্রে থাকতে চাইলে, তাকে ইযার শক্তভাবে বেঁধে পরিধান করার নির্দেশ দিতেন, অতঃপর তার সাথে ঘুমাতেন।[1] সহীহ।
حدثنا محمد بن العلاء، ومسدد، قالا حدثنا حفص، عن الشيباني، عن عبد الله بن شداد، عن خالته، ميمونة بنت الحارث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان اذا اراد ان يباشر امراة من نسايه وهي حايض امرها ان تتزر ثم يباشرها
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সূত্রে ঐ ব্যক্তি সম্পর্কিত বর্ণিত, যে হায়িয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সঙ্গম করেছে। তিনি বলেনঃ সে এক অথবা অর্ধ দীনার সাদাকাহ করবে।[1] সহীহ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৪।
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن شعبة، - غيره عن سعيد، - حدثني الحكم، عن عبد الحميد بن عبد الرحمن، عن مقسم، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم في الذي ياتي امراته وهي حايض قال " يتصدق بدينار او بنصف دينار
। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, যদি কেউ হায়িয অবস্থায় স্ত্রীসহবাস করে তবে তাকে এক দীনার এবং যদি রক্তস্রাব না থাকাকালীন সময়ে সহবাস করে তবে অর্ধ দীনার সাদাকাহ করবে।[1] সহীহ মাওকূফ। এটি গত হয়েছে হা/২৬৫।
حدثنا عبد السلام بن مطهر، حدثنا جعفر، - يعني ابن سليمان - عن علي بن الحكم البناني، عن ابي الحسن الجزري، عن مقسم، عن ابن عباس، قال اذا اصابها في الدم فدينار واذا اصابها في انقطاع الدم فنصف دينار
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট ‘আযল’ সম্পর্কে আলোচনা করা হলে তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ এরূপ কেন করে থাকো? কিন্তু তিনি এ কথা বলেননি যে, তোমাদের কেউ এরূপ করবে না। কেননা যে প্রাণ দুনিয়াতে সৃষ্টি হওয়ার জন্য নির্ধারিত, আল্লাহ তা সৃষ্টি করবেনই।[1] সহীহ।
حدثنا اسحاق بن اسماعيل الطالقاني، حدثنا سفيان، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن قزعة، عن ابي سعيد، ذكر ذلك عند النبي صلى الله عليه وسلم - يعني العزل - قال " فلم يفعل احدكم " . ولم يقل فلا يفعل احدكم " فانه ليست من نفس مخلوقة الا الله خالقها " . قال ابو داود قزعة مولى زياد
। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। এক ব্যক্তি এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমার একটি দাসী আছে, আমি তার সাথে ‘আযল’ করে থাকি। আমি তার গর্ভবতী হওয়া পছন্দ করি না। আর আমি তাই (সঙ্গম) ইচ্ছা রাখি যা অন্যান্য পুরুষেরা (দাসীর সাথে) ইচ্ছা রাখে। ইয়াহুদীরা বলে থাকে, ‘আযল’ নাকি গোপন হত্যা। তার কথা শুনে তিনি বললেনঃ ইয়াহুদীরা মিথ্যা বলেছে। যদি মহান আল্লাহ কোনো প্রাণীকে সৃষ্টি করা নির্ধারিত করেন তবে তা রোধ করার ক্ষমতা তোমার নেই।[1] সহীহ।
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا ابان، حدثنا يحيى، ان محمد بن عبد الرحمن بن ثوبان، حدثه ان رفاعة حدثه عن ابي سعيد الخدري، ان رجلا، قال يا رسول الله ان لي جارية وانا اعزل عنها وانا اكره ان تحمل وانا اريد ما يريد الرجال وان اليهود تحدث ان العزل موءودة الصغرى . قال " كذبت يهود لو اراد الله ان يخلقه ما استطعت ان تصرفه
। ইবনু মুহায়রিয (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মসজিদে প্রবেশ করে সেখানে আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাযি.)-কে দেখতে পেয়ে তাঁর কাছে গিয়ে বসি এবং তাকে ‘আযল’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করি। আবূ সাঈদ (রাযি.) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে বনু মুসতালিকের যুদ্ধাভিযানে বের হই। তখন আমাদের হাতে কিছু মহিলা বন্দী হয়। ঐ সময় আমরা স্ত্রীদের থেকে দূরে অবস্থান করায় নারী বন্দীদের প্রতি আমাদের আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধি পায়। অতঃপর আমরা তাদেরকে অধিকমূল্যে বিক্রি করার ইচ্ছায় তাদের সাথে আযল করার সিদ্ধান্ত নিলাম। আমরা ভাবলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝেই আছেন। কাজেই তাকে কিছু জিজ্ঞেস না করে আযল করা উচিত হবে না। সুতরাং আমরা এ বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ তোমরা এরূপ না করলে কি ক্ষতি? কেননা কিয়ামত পর্যন্ত যারা সৃষ্টি হবে বলে নির্ধারিত তারা তো জন্মাবেই।[1] সহীহ।
حدثنا القعنبي، عن مالك، عن ربيعة بن ابي عبد الرحمن، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، قال دخلت المسجد فرايت ابا سعيد الخدري فجلست اليه فسالته عن العزل، فقال ابو سعيد خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة بني المصطلق فاصبنا سبيا من سبى العرب فاشتهينا النساء واشتدت علينا العزبة واحببنا الفداء فاردنا ان نعزل ثم قلنا نعزل ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين اظهرنا قبل ان نساله عن ذلك فسالناه عن ذلك فقال " ما عليكم ان لا تفعلوا ما من نسمة كاينة الى يوم القيامة الا وهي كاينة
। জাবির (রাযি.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা এক আনসরী লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললো, আমার একটি দাসী আছে, আমি তার সাথে সঙ্গম করে থাকি, কিন্তু সে গর্ভবতী হোক তা আমি পছন্দ করি না। তিনি বললেনঃ তুমি ইচ্ছা করলে তার সাথে আযল করো। কিন্তু তার ভাগ্যে যা নির্ধারিত, তা নিশ্চিত আসবেই। বর্ণনাকারী বলেন, কিছুদিন পর ঐ ব্যক্তি পুনরায় তাঁর কাছে এসে বললো, দাসীট গর্ভবতী হয়েছে। তখন তিনি বললেনঃ আমি তো তোমাকে আগেই বলেছিলাম, তার ভাগ্যে যা নির্ধারিত তা অবশ্যই আসবে।[1] সহীহ।
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، حدثنا زهير، عن ابي الزبير، عن جابر، قال جاء رجل من الانصار الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ان لي جارية اطوف عليها وانا اكره ان تحمل . فقال " اعزل عنها ان شيت فانه سياتيها ما قدر لها " . قال فلبث الرجل ثم اتاه فقال ان الجارية قد حملت . قال " قد اخبرتك انه سياتيها ما قدر لها
। আবূ নাদরাহ (রহ.) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, ত্বোফাওয়াত স্থানের এক বৃদ্ধ আমাকে বলেছেন, একদা আমি মদীনায় মেহমান হিসেবে আবূ হুরাইরাহ (রাযি.)-এর নিকট অবস্থান করি। এ সময় আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের মধ্যে কাউকে তার চেয়ে অধিক ইবাদাতকারী ও নিষ্ঠাবান অতিথি পরায়ণ দেখিনি। একবার আমি তার কাছে ছিলাম, তখন তিনি খাটের উপর বসা ছিলেন। তার সাথে পাথর বা খেজুরের আঁটির একটি থলি। এ সময় খাটের নীচে মেঝের উপর তার একটি কৃষ্ণবর্ণ দাসী বসা ছিলো। তিনি ঐ গুটিগুলো দিয়ে তাসবীহ পাঠ করতে থাকেন। থলির গুটি শেষ হলে তিনি থলিটি দাসীর কাছে নিক্ষেপ করেন, আর সে তা ভর্তি করে পুনরায় তাকে প্রদান করে। তখন তিনি বললেন, আমি কি তোমাকে আমার পক্ষ থেকে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পক্ষ থেকে হাদীস বর্ণনা করবো না? লোকটি বলেন, আমি বললাম, হ্যাঁ। অতঃপর তিনি বললেন, একদা আমি জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মসজিদে পড়ে থাকি। এমন সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে প্রবেশ করে জিজ্ঞেস করলেনঃ দাওসী যুবকটির সংবাদ কে দিতে পারে? কথাটি তিনি তিনবার বললেন। জনৈক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি তো জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মসজিদের এক পাশে পড়ে আছেন। তিনি হেঁটে আমার কাছে আসলেন এবং তাঁর হাত আমার গায়ের উপর রেখে আমাকে কিছু উত্তম কথা বললেন। আমি উঠে বসলাম। এরপর তিনি এখান থেকে হেঁটে সালাত আদায়ের স্থানে গিয়ে লোকদের দিকে মুখ করে দাঁড়ালেন। এ সময় তাঁর সাথে দুই কাতার পুরুষ ও এক কাতার মহিলা অথবা দুই কাতার মহিলা ও এক কাতার পুরুষ ছিলো। অতঃপর তিনি বললেনঃ যদি শয়তান আমাকে সালাতে কিছু ভুলিয়ে দেয় তবে পুরুষেরা সুবাহানাল্লাহ বলবে, আর মহিলার হাতের উপর হাত মেরে আমাকে সতর্ক করবে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি সালাত পড়ালেন কিন্তু সালাত কোথাও ভুল করেননি। তারপর তিনি বললেনঃ তোমরা নিজ অবস্থানে থাকো। তিনি আল্লাহর প্রশংসা করে পুরুষদের দিকে মুখ ফিরে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন কেউ আছে কি যে নিজ স্ত্রী সঙ্গমের সময় দরজা বন্ধ করে, নিজেকে পর্দায় আড়াল করে এবং আল্লাহর নির্দেশ মতো তা গোপন রাখে? তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ পরে (মিলন শেষে) সে একথা বলে যে, আমার স্ত্রীর সাথে আমি এরূপ এরূপ করেছি। বর্ণনাকারী বলেন, এ কথা শুনে সবাই চুপ হয়ে গেলো। অতঃপর তিনি মহিলাদেরকে লক্ষ্য করে বললেনঃ তোমাদের মধ্যে এমন নারী আছে কি যে তার সঙ্গমের কথা নারীদেরকে বলে বেড়ায়? নারীরাও চুপ হয়ে গেলো। এ সময় এক যুবতী নারী তার দুই পায়ে ভর দিয়ে ঘাড় উঁচু করে বসলো, যাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখতে পান এবং তার কথা শুনতে পান। যুবতী বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যা বলেছেন, আসলেই তা ঘটে। পুরুষেরা পুরুষদের মধ্যে, আর নারীরা নারীদের মধ্যে এরূপ কথা বলে থাকে। এরপর তিনি বললেনঃ তোমরা কি জানো, এদের উদাহরণ কি? তিনি বললেনঃ এদের উদাহরণ হচ্ছে, এমন এক শয়তানের যে স্ত্রী শয়তানের কাছে গিয়ে প্রকাশ্যে নিজেদের যৌনক্ষুধা মিটালো, এই এ দৃশ্য লোকেরা স্বচক্ষে দেখলো। সাবধান! জেনে রাখো, পুরুষের জন্য এমন সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত, যার ঘ্রাণ আছে কিন্তু রং নেই। সাবধান! নারীদের জন্য এমন সুগন্ধি ব্যবহার করা উচিত যেটার রং আছে, কিন্তু ঘ্রাণ নেই। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, হাদীসের এখান থেকে পরবর্তী অংশটুকু আমি আমার শায়খ মু‘আম্মাল ও মূসা উভয় থেকে সংরক্ষণ করেছি। (এতে রয়েছে) সাবধান! কোনো পুরুষ যেন অন্য পুরুষের সাথে এবং কোনো নারী যেন অন্য নারীর সাথে একই বিছানায় না ঘুমায়। অবশ্য পিতা পুত্রের সাথে এবং পুত্র পিতার সাথে একই বিছানায় ঘুমাতে পারে। ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, তাদের তৃতীয় উক্তিটি আমার মনে নেই। অবশ্য তা মুসাদ্দাদের হাদীসে আছে, কিন্তু আমি তার থেকে কথাটি দৃঢ়ভাবে আয়ত্ত করতে পারিনি।[1] দুর্বলঃ ইরওয়া (২০১১), তা‘লীকুর রাগীব (৩/৯৬)।
حدثنا مسدد، حدثنا بشر، حدثنا الجريري، ح وحدثنا مومل، حدثنا اسماعيل، ح وحدثنا موسى، حدثنا حماد، كلهم عن الجريري، عن ابي نضرة، حدثني شيخ، من طفاوة قال تثويت ابا هريرة بالمدينة فلم ار رجلا من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم اشد تشميرا ولا اقوم على ضيف منه فبينما انا عنده يوما وهو على سرير له ومعه كيس فيه حصى او نوى - واسفل منه جارية له سوداء - وهو يسبح بها حتى اذا انفد ما في الكيس القاه اليها فجمعته فاعادته في الكيس فدفعته اليه فقال الا احدثك عني وعن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال قلت بلى . قال بينا انا اوعك في المسجد اذ جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى دخل المسجد . فقال " من احس الفتى الدوسي " . ثلاث مرات . فقال رجل يا رسول الله هو ذا يوعك في جانب المسجد فاقبل يمشي حتى انتهى الى فوضع يده على فقال لي معروفا فنهضت فانطلق يمشي حتى اتى مقامه الذي يصلي فيه فاقبل عليهم ومعه صفان من رجال وصف من نساء او صفان من نساء وصف من رجال فقال " ان انساني الشيطان شييا من صلاتي فليسبح القوم وليصفق النساء " . قال فصلى رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم ينس من صلاته شييا . فقال " مجالسكم مجالسكم " . زاد موسى " ها هنا " . ثم حمد الله تعالى واثنى عليه ثم قال " اما بعد " . ثم اتفقوا ثم اقبل على الرجال فقال " هل منكم الرجل اذا اتى اهله فاغلق عليه بابه والقى عليه ستره واستتر بستر الله " . قالوا نعم . قال " ثم يجلس بعد ذلك فيقول فعلت كذا فعلت كذا " . قال فسكتوا قال فاقبل على النساء فقال " هل منكن من تحدث " . فسكتن فجثت فتاة - قال مومل في حديثه فتاة كعاب - على احدى ركبتيها وتطاولت لرسول الله صلى الله عليه وسلم ليراها ويسمع كلامها فقالت يا رسول الله انهم ليتحدثون وانهن ليتحدثنه فقال " هل تدرون ما مثل ذلك " . فقال " انما ذلك مثل شيطانة لقيت شيطانا في السكة فقضى منها حاجته والناس ينظرون اليه الا وان طيب الرجال ما ظهر ريحه ولم يظهر لونه الا ان طيب النساء ما ظهر لونه ولم يظهر ريحه " . قال ابو داود من ها هنا حفظته عن مومل وموسى " الا لا يفضين رجل الى رجل ولا امراة الى امراة الا الى ولد او والد " . وذكر ثالثة فانسيتها وهو في حديث مسدد ولكني لم اتقنه كما احب وقال موسى حدثنا حماد عن الجريري عن ابي نضرة عن الطفاوي