Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪০৯ হাদিসসমূহ
আবূ বাকর ইবনু ইসহাক (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি .....। তবে আবূ বকর ইবনু ইসহাক তার বর্ণিত হাদীসে بِخَمْسٍ وَعِشْرِينَ جُزْءًا এর পরিবর্তে خمس وَعِشْرِينَ دَرَجَةً কথাটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو بكر بن اسحاق، حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني سعيد، وابو سلمة ان ابا هريرة، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول . بمثل حديث عبد الاعلى عن معمر الا انه قال " بخمس وعشرين جزءا
আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামাহ ইবনু কানাব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক ওয়াক্ত সালাত জামা'আতের সাথে আদায় করা পঁচিশ ওয়াক্ত একাকী সালাত আদায় করার সমান। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبد الله بن مسلمة بن قعنب، حدثنا افلح، عن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن سلمان الاغر، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلاة الجماعة تعدل خمسا وعشرين من صلاة الفذ
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইমামের সাথে এক ওয়াক্ত সালাত আদায় করা একাকী পঁচিশ ওয়াক্ত সালাত আদায় করার চেয়েও উত্তম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني هارون بن عبد الله، ومحمد بن حاتم، قالا حدثنا حجاج بن محمد، قال قال ابن جريج اخبرني عمر بن عطاء بن ابي الخوار، انه بينا هو جالس مع نافع بن جبير بن مطعم اذ مر بهم ابو عبد الله ختن زيد بن زبان مولى الجهنيين فدعاه نافع فقال سمعت ابا هريرة يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلاة مع الامام افضل من خمس وعشرين صلاة يصليها وحده
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জামাআতের সাথে সালাত আদায় করা সালাত একাকী আদায় করা সালাত থেকে সাতাশগুণ অধিক মর্যাদাসম্পন্ন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৫০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن نافع، عن ابن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " صلاة الجماعة افضل من صلاة الفذ بسبع وعشرين درجة
যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির জামা'আতে সালাত আদায় করা তার একাকী আদায় করা সালাত থেকে সাতাশগুণ অধিক (মর্যাদাসম্পন্ন)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৫১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، ومحمد بن المثنى، قالا حدثنا يحيى، عن عبيد الله، قال اخبرني نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " صلاة الرجل في الجماعة تزيد على صلاته وحده سبعا وعشرين
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... ইবনু নুমায়র (রহঃ) তার। পিতার মাধ্যমে যে হাদীস বর্ণনা করেছেন তাতে "বিশগুণের কিছু বেশী" মর্যাদার কথা উল্লেখ করেছেন। আর আবূ বাকর (রহঃ) এর বর্ণনায় "সাতাশগুণ" মর্যাদার কথা উল্লেখ আছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৫২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، وابن، نمير ح قال وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابي قالا، حدثنا عبيد الله، بهذا الاسناد . قال ابن نمير عن ابيه، " بضعا وعشرين " . وقال ابو بكر في روايته " سبعا وعشرين درجة
ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন বিশগুণের চেয়ে অধিক মর্যাদাসম্পন্ন*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابن رافع، اخبرنا ابن ابي فديك، اخبرنا الضحاك، عن نافع، عن ابن عمر، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " بضعا وعشرين
আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। কোন এক ওয়াক্ত সালাত জামা'আতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু সংখ্যক লোককে না পেয়ে বললেনঃ আমি ইচ্ছা করেছি যে, কোন জনৈক ব্যক্তিকে আমি সালাতে ইমামাত করার আদেশ করি এবং যারা সালাতে জামা'আতে আসে না তাদের কাছে যাই এবং কাঠ-খড় দ্বারা আগুন জ্বলিয়ে তাদের বাড়ী-ঘর জ্বলিয়ে দিতে আদেশ করি। তাদের কেউ যদি জানত যে তারা একখণ্ড গোশত হাড্ডি পাবে তাহলে তারা তাতে অবশ্যই উপস্থিত হত। অর্থাৎ- ইশার সালাতে (উপস্থিত হত)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন. ১৩৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم فقد ناسا في بعض الصلوات فقال " لقد هممت ان امر رجلا يصلي بالناس ثم اخالف الى رجال يتخلفون عنها فامر بهم فيحرقوا عليهم بحزم الحطب بيوتهم ولو علم احدهم انه يجد عظما سمينا لشهدها " . يعني صلاة العشاء
ইবনু নুমায়র, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব [শব্দগুলো তাদের দু'জনের] (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইশা ও ফজরের সালাত আদায় করা মুনাফিকদের সর্বাপেক্ষা কঠিন। তারা যদি জানত যে, এ দু'টি সালাতের পুরস্কার বা সাওয়াব কত তাহলে হামাগুড়ি দিয়ে বুক হেঁচড়ে হলেও তারা এ দু' ওয়াক্ত জামা'আতে উপস্থিত হত। আমি ইচ্ছা করেছি সালাত আদায় করার আদেশ দিয়ে কাউকে ইমামতি করতে বলি। আর আমি কিছু লোককে নিয়ে জ্বালানী কাঠের বোঝাসহ যারা সালাতের জামা'আতে আসে না তাদের কাছে যাই এবং আগুন দিয়ে তাদের ঘর-বাড়ী জালিয়ে দেই। (ইসলামী ফাউন্ডেশন. ১৩৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابن نمير، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب - واللفظ لهما - قالا حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اثقل صلاة على المنافقين صلاة العشاء وصلاة الفجر ولو يعلمون ما فيهما لاتوهما ولو حبوا ولقد هممت ان امر بالصلاة فتقام ثم امر رجلا فيصلي بالناس ثم انطلق معي برجال معهم حزم من حطب الى قوم لا يشهدون الصلاة فاحرق عليهم بيوتهم بالنار
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে কিছু সংখ্যক হাদীস বর্ণনা করেছেন। তার মধ্যে একটি হাদীস হলো, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি মনস্থ করেছি যে, লোকজনকে জ্বালানী কাঠের স্তুপ করতে বলি। তারপর একজনকে সালাতে ইমামাত করতে আদেশ করি এবং লোকজনসহ গিয়ে তাদের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে দেই, যারা জামা'আতে উপস্থিত হয় না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا ابو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لقد هممت ان امر فتياني ان يستعدوا لي بحزم من حطب ثم امر رجلا يصلي بالناس ثم تحرق بيوت على من فيها
যুহায়র ইবনু হারব, আবূ কুরায়ব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ)-এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا زهير بن حرب، وابو كريب واسحاق بن ابراهيم عن وكيع، عن جعفر بن برقان، عن يزيد بن الاصم، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم . بنحوه
আহমাদ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। জুমুআর সালাত আদায় করতে আসে না এমন এক দল লোক সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমার ইচ্ছা হয় যে, জনৈক ব্যক্তিকে সালাতে ইমামত করার নির্দেশ দেই আর আমি গিয়ে যারা জুমুআর সালাত আদায় করতে আসে না, আগুন লাগিয়ে তাদের ঘর-বাড়ী জ্বালিয়ে দেই। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৫৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا احمد بن عبد الله بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا ابو اسحاق، عن ابي الاحوص، سمعه منه، عن عبد الله، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال لقوم يتخلفون عن الجمعة " لقد هممت ان امر رجلا يصلي بالناس ثم احرق على رجال يتخلفون عن الجمعة بيوتهم
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম, সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ ও ইয়াকুব আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক অন্ধ লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলল হে আল্লাহর রসূল! আমাকে ধরে মসজিদে নিয়ে আসার মতো কেউ নেই। অতঃপর তাকে বাড়ীতে সালাত আদায় করার অনুমতি প্রদান করার জন্য সে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আবেদন জানাল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে বাড়ীতে সালাত আদায় করার অনুমতি দিলেন। কিন্তু যে সময় লোকটি ফিরে যেতে উদ্যত হলো তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন? তুমি কি সালাতের আযান শুনতে পাও? সে বলল, হ্যাঁ (আমি আযান শুনতে পাই)। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে তুমি মসজিদে আসবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، واسحاق بن ابراهيم، وسويد بن سعيد، ويعقوب الدورقي، كلهم عن مروان الفزاري، - قال قتيبة حدثنا الفزاري، - عن عبيد الله بن الاصم، قال حدثنا يزيد بن الاصم، عن ابي هريرة، قال اتى النبي صلى الله عليه وسلم رجل اعمى فقال يا رسول الله انه ليس لي قايد يقودني الى المسجد . فسال رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يرخص له فيصلي في بيته فرخص له فلما ولى دعاه فقال " هل تسمع النداء بالصلاة " . فقال نعم . قال " فاجب
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেছেন আমাদের ধারণা হলো মুনাফিক যার নিফাক স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং রুগ্ন ব্যক্তি ছাড়া কেউই সালাতের জামা'আত পরিত্যাগ করে না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময় রুগ্ন ব্যক্তিও দু'জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে সালাতের জামা'আতে উপস্থিত হত। তিনি আরো বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের হিদায়াতের কথা শিখিয়েছেন। আর হিদায়াতের কথা ও পদ্ধতির মধ্যে একটি হলো সে মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করা যে মসজিদে আযান দেয়া হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন. ১৩৬০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن بشر العبدي، حدثنا زكرياء بن ابي زايدة، حدثنا عبد الملك بن عمير، عن ابي الاحوص، قال قال عبد الله لقد رايتنا وما يتخلف عن الصلاة الا منافق قد علم نفاقه او مريض ان كان المريض ليمشي بين رجلين حتى ياتي الصلاة - وقال - ان رسول الله صلى الله عليه وسلم علمنا سنن الهدى وان من سنن الهدى الصلاة في المسجد الذي يوذن فيه
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আগামীকাল কিয়ামতের দিন মুসলিম হিসেবে আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পেতে আনন্দবোধ করে, সে যেন ঐ সালাতের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যেসব সালাতের জন্য আযান দেয়া হয়। কেননা আল্লাহ তা'আলা তোমাদের নবীর জন্য হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি বিধিবদ্ধ করেছেন। আর এসব সালাতও হিদায়াতের পন্থা পদ্ধতি, যেমন জনৈক ব্যক্তি সালাতের জামা'আতে উপস্থিত না হয়ে বাড়ীতে সালাত আদায় করে থাকে, অনুরূপ তোমরাও যদি তোমাদের বাড়ীতে সালাত আদায় করো তাহলে নিঃসন্দেহে তোমরা তোমাদের নবীর সুন্নাত বা পন্থা-পদ্ধতি পরিত্যাগ করলে। আর তোমরা যদি এভাবে তোমাদের নবীর সুন্নাত বা পদ্ধতি পরিত্যাগ করো তাহলে অবশ্যই পথ হারিয়ে ফেলবে। কেউ যদি অতি উত্তমভাবে পবিত্রতা অর্জন করে (সালাত আদায় করার জন্য) কোন একটি মসজিদে উপস্থিত হয় তাহলে মসজিদে যেতে সে যতবার পদক্ষেপ ফেলবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের পরিবর্তে আল্লাহ তা'আলা তার জন্য একটি নেকী লিখে দেন, তার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন এবং একটি করে পাপ দূর করে দেন। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) বলেন, আমরা মনে করি যার মুনাফিকী সর্বজনবিদিত এমন মুনাফিক ছাড়া কেউ-ই জামা'আতে সালাত আদায় করা ছেড়ে দেয় না। অথচ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যামানায় এমন ব্যক্তি জামা'আতে উপস্থিত হত যাকে দু’জন মানুষের কাঁধে ভর দিয়ে এসে সালাতের কাতারে দাঁড় করিয়ে দেয়া হত। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا الفضل بن دكين، عن ابي العميس، عن علي بن الاقمر، عن ابي الاحوص، عن عبد الله، قال من سره ان يلقى الله غدا مسلما فليحافظ على هولاء الصلوات حيث ينادى بهن فان الله شرع لنبيكم صلى الله عليه وسلم سنن الهدى وانهن من سنن الهدى ولو انكم صليتم في بيوتكم كما يصلي هذا المتخلف في بيته لتركتم سنة نبيكم ولو تركتم سنة نبيكم لضللتم وما من رجل يتطهر فيحسن الطهور ثم يعمد الى مسجد من هذه المساجد الا كتب الله له بكل خطوة يخطوها حسنة ويرفعه بها درجة ويحط عنه بها سيية ولقد رايتنا وما يتخلف عنها الا منافق معلوم النفاق ولقد كان الرجل يوتى به يهادى بين الرجلين حتى يقام في الصف
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূশ শাসা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর সাথে মসজিদে বসেছিলাম। ইতোমধ্যে মুয়াজ্জিন (সালাতের জন্য) আযান দিলো। এ সময়ে জনৈক ব্যক্তি মাসজিদ থেকে উঠে চলে যেতে থাকল। আর আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) তার প্রতি তাকিয়ে দেখতে থাকলেন। লোকটি মসজিদ থেকে বেরিয়ে গেল। এ দেখে আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বললেন এ ব্যক্তি তো আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নীতি ও পদ্ধতির নাফরমানী করল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬২. ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن ابراهيم بن المهاجر، عن ابي الشعثاء، قال كنا قعودا في المسجد مع ابي هريرة فاذن الموذن فقام رجل من المسجد يمشي فاتبعه ابو هريرة بصره حتى خرج من المسجد فقال ابو هريرة اما هذا فقد عصى ابا القاسم صلى الله عليه وسلم
ইবনু আবূ উমার আল মাক্কী (রহঃ) ... আবূশ শাসা আল মুহারিবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আযানের পর জনৈক ব্যক্তিকে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে দেখে আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বললেন, এ লোকটি তো আবূল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আদেশ লঙ্ঘন করল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن ابي عمر المكي، حدثنا سفيان، - هو ابن عيينة - عن عمر بن سعيد، عن اشعث بن ابي الشعثاء المحاربي، عن ابيه، قال سمعت ابا هريرة، وراى، رجلا يجتاز المسجد خارجا بعد الاذان فقال اما هذا فقد عصى ابا القاسم صلى الله عليه وسلم
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু আবূ 'আমরাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন মাগরিবের সালাতের পর উসমান ইবনু আফফান মসজিদে এসে একাকী এক জায়গায় বসলেন। তখন আমি তার কাছে গিয়ে বসলাম। তিনি আমাকে বললেন- ভাতিজা, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি জামা'আতের সাথে ইশার সালাত আদায় করল সে যেন অর্ধেক রাত পর্যন্ত সালাত আদায় করল। আর যে ব্যক্তি ফজরের সালাত জামাআতের সাথে আদায় করল সে যেন সারা রাত জেগে সালাত আদায় করল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا المغيرة بن سلمة المخزومي، حدثنا عبد الواحد، - وهو ابن زياد - حدثنا عثمان بن حكيم، حدثنا عبد الرحمن بن ابي عمرة، قال دخل عثمان بن عفان المسجد بعد صلاة المغرب فقعد وحده فقعدت اليه فقال يا ابن اخي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صلى العشاء في جماعة فكانما قام نصف الليل ومن صلى الصبح في جماعة فكانما صلى الليل كله
যুহায়র ইবনু হারব, মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' (রহঃ) ..... আবূ সাহল উসমান ইবনু হাকীম থেকে একই সানাদে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه زهير بن حرب، حدثنا محمد بن عبد الله الاسدي، ح وحدثني محمد بن رافع، قال حدثنا عبد الرزاق، جميعا عن سفيان، عن ابي سهل، عثمان بن حكيم بهذا الاسناد . مثله
নাসর ইবনু ‘আলী আল জাহ্যামী (রহঃ) ..... জুনদুব ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করল সে মহান আল্লাহর রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্ভুক্ত হলো। আর আল্লাহ তোমাদের কারো কাছে তার রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপত্তাদানের বিনিময়ে কোন অধিকার দাবী করেন না। যদি করেন তাহলে তাকে এমনভাবে পাকড়াও করবেন যে, উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني نصر بن علي الجهضمي، حدثنا بشر، - يعني ابن مفضل - عن خالد، عن انس بن سيرين، قال سمعت جندب بن عبد الله، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فيدركه فيكبه في نار جهنم