Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪০৯ হাদিসসমূহ
وحدثنا قتيبة بن سعيد، وابو كامل الجحدري قالا حدثنا ابو عوانة، عن سماك، عن جابر بن سمرة، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الصلوات نحوا من صلاتكم وكان يوخر العتمة بعد صلاتكم شييا وكان يخف الصلاة . وفي رواية ابي كامل يخفف
وحدثني زهير بن حرب، وابن ابي عمر، قال زهير حدثنا سفيان بن عيينة، عن ابن ابي لبيد، عن ابي سلمة، عن عبد الله بن عمر، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا تغلبنكم الاعراب على اسم صلاتكم الا انها العشاء وهم يعتمون بالابل
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গেয়ো বেদুঈন লোকেরা যেন তোমাদেরকে ইশার সালাতের নামকরণের ব্যাপারে প্রভাবান্বিত না করে বসে। কেননা আল্লাহর কিতাবে এ সালাতের নাম ইশা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রকৃত ব্যাপার হলো তারা (গ্রাম্য লোকেরা) উট দোহনে অনেক বিলম্ব করে থাকে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن عبد الله بن ابي لبيد، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تغلبنكم الاعراب على اسم صلاتكم العشاء فانها في كتاب الله العشاء وانها تعتم بحلاب الابل
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আমর আন নাকিদ ও যুহারর ইবনু হারব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মু'মিন মহিলারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ফজরের সালাত আদায় করতেন এবং তারা সর্বাঙ্গে কাপড় জড়িয়ে ঘরে ফিরতেন। (তখনও এরূপ অন্ধকার থাকত যে,) তাদেরকে কেউ চিনতে পারত না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، وزهير بن حرب، كلهم عن سفيان بن عيينة، - قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، - عن الزهري، عن عروة، عن عايشة، ان نساء المومنات، كن يصلين الصبح مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم يرجعن متلفعات بمروطهن لا يعرفهن احد
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঈমানদার স্ত্রী লোকেরা সর্বাঙ্গে চাদর জড়িয়ে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ফজরের সালাত আদায় করতো। কিন্তু যেহেতুরসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্ধকার থাকতেই ফজরের সালাত আদায় করতেন তাই সালাত শেষে যখন তারা ঘরে ফিরত তখনও তাদেরকে চেনা যেত না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، ان ابن شهاب، اخبره قال اخبرني عروة بن الزبير، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت لقد كان نساء من المومنات يشهدن الفجر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم متلفعات بمروطهن ثم ينقلبن الى بيوتهن وما يعرفن من تغليس رسول الله صلى الله عليه وسلم بالصلاة
নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী ও ইসহাক ইবনু মূসা আল আনসারী (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন সময় ফজরের সালাত আদায় করতেন যে, সালাত শেষে মেয়েরা শরীরে চাদর জড়িয়ে ঘরে ফিরত। কিন্তু তখনও এরূপ অন্ধকার থাকত যে, তাদের কাউকে চেনা যেত না। আনসারী তার বর্ণিত হাদীসে مُتَلَفِّعَاتٍ শব্দের স্থানে مُتَلَفِّفَاتٍ উল্লেখ করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا نصر بن علي الجهضمي، واسحاق بن موسى الانصاري، قالا حدثنا معن، عن مالك، عن يحيى بن سعيد، عن عمرة، عن عايشة، قالت ان كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ليصلي الصبح فينصرف النساء متلفعات بمروطهن ما يعرفن من الغلس . وقال الانصاري في روايته متلففات
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনু হাসান ইবনু আলী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাজ্জাজ মাদীনাতে আসলে আমরা জাবির ইবনু আবদুল্লাহকে সালাতের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত বেলা গড়িয়ে যাওয়ার পর প্রচণ্ড গরম থাকতে, ‘আসরের সালাত সূর্যের আলো উজ্জ্বল থাকতে, মাগরিবের সালাত সূর্য অস্তমিত হতে এবং ইশার সালাত কখনো দেরী করে এবং কখনো আগে ভাগেই আদায় করতেন। কিন্তু লোকজনের আসতে দেরী দেখলে তিনিও দেরী করে আদায় করতেন। আর ফজরের সালাত বেশ অন্ধকার থাকতেই আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح قال وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سعد بن ابراهيم، عن محمد بن عمرو بن الحسن بن علي، قال لما قدم الحجاج المدينة فسالنا جابر بن عبد الله فقال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الظهر بالهاجرة والعصر والشمس نقية والمغرب اذا وجبت والعشاء احيانا يوخرها واحيانا يعجل كان اذا راهم قد اجتمعوا عجل واذا راهم قد ابطيوا اخر والصبح كانوا او - قال - كان النبي صلى الله عليه وسلم يصليها بغلس
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... মুহাম্মাদ ইবনু আমর ইবনুল হাসান ইবনু আলী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাজ্জাজ (ইবনু ইউসুফ) সালাত দেরী করে আদায় করতেন। তাই আমরা জাবির ইবনু আবদুল্লাহকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن سعد، سمع محمد بن عمرو بن الحسن بن علي، قال كان الحجاج يوخر الصلوات فسالنا جابر بن عبد الله بمثل حديث غندر
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ..... সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শুনেছি আমার পিতা সালামাহ আবূ বারযাহ কে জিজ্ঞেস করলাম, তুমি নিজে কি জিজ্ঞেস করতে শুনেছ? এ কথা শুনে সাইয়্যার বললেনঃ হ্যাঁ। আমার মনে হচ্চে যেন আমি এখনই জিজ্ঞেস করতে শুনছি। সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ বললেনঃ আমি শুনলাম আমার পিতা তাকে (আবূ বারাহ) রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। জবাবে আবূ বারযাহ্ বললেন- ইশার সালাত আদায় করতে রাত দ্বি-প্রহর পর্যন্ত দেরী করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মোটেই দ্বিধা করতেন না। তবে ইশার সালাত আদায় না করে ঘুমানো এবং ইশার সালাতের পরে কথাবার্তা বলা তিনি পছন্দ করতেন না। শু'বাহ বলেন, পরে এক সময়ে আবার আমি সাইয়্যার ইবনু সালামাহ এর সাথে সাক্ষাৎ করে তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস কবলে তিনি বললেন, সূর্য মাথার উপর থেকে পশ্চিমে ঢলে পড়লেই যুহরের সালাত আদায় করতেন। আর আসরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, সালাত শেষ করে লোক মাদীনার শহরতলীর দূরবর্তী স্থানে গিয়ে পৌছার পরও সূর্যের তেজ থাকত। এরপর সাইয়্যার ইবনু সালামাহ্ বললেনঃ মাগরিবের সালাত কোন সময় তিনি আদায় করার কথা তিনি বলেছিলেন তা আমি মনে করতে পারছি না। সালামাহ্ বলেছেনঃ পরে আবার এক সময় আবূ বারযার সাথে সাক্ষাৎ করে আমি তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাতের কথা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তিনি ফজরের সালাত এমন সময় আদায় করতেন যে, সালাত শেষে লোকজন তার পাশের পরিচিত লোকের দিকে তাকিয়ে তাকে চিনতে পারত। আবূ বারযাহ আরো বলেছেন, ফজরের সালাতে রসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ষাট থেকে একশ' পর্যন্ত আয়াত তিলাওয়াত করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন. ১৩৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، اخبرني سيار بن سلامة، قال سمعت ابي يسال ابا برزة، عن صلاة، رسول الله صلى الله عليه وسلم - قال - قلت انت سمعته قال فقال كانما اسمعك الساعة - قال - سمعت ابي يساله عن صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال كان لا يبالي بعض تاخيرها - قال يعني العشاء - الى نصف الليل ولا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها . قال شعبة ثم لقيته بعد فسالته فقال وكان يصلي الظهر حين تزول الشمس والعصر يذهب الرجل الى اقصى المدينة والشمس حية - قال - والمغرب لا ادري اى حين ذكر . قال ثم لقيته بعد فسالته فقال وكان يصلي الصبح فينصرف الرجل فينظر الى وجه جليسه الذي يعرف فيعرفه . قال وكان يقرا فيها بالستين الى الماية
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আবূ বারযাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত দেরী করে মধ্যরাতে আদায় করতে কোন দ্বিধা বা ভ্ৰক্ষেপ করতেন না। হাদীসের বর্ণনাকারী শুবাহ বলেছেন, পরবর্তী সময়ে আমি আবার আবূ বারযার সাথে সাক্ষাৎ করলে তিনি আগের কথার সাথে এ কথাটুকু যোগ করে বললেনঃ অথবা রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করে ইশার সালাত আদায় করতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভ্ৰক্ষেপ করতেন না। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن سيار بن سلامة، قال سمعت ابا برزة، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم لا يبالي بعض تاخير صلاة العشاء الى نصف الليل وكان لا يحب النوم قبلها ولا الحديث بعدها . قال شعبة ثم لقيته مرة اخرى فقال او ثلث الليل
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ... আবূ বারযাহ আল আসলামী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশার সালাত রাতের এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত দেরী করে আদায় করতেন। তিনি ইশার সালাতের পূর্বে ঘুমানো এবং পরে কথাবার্তা বলা অপছন্দ করতেন। আর ফজরের সালাতে ষাট থেকে একশ' আয়াত পর্যন্ত তিলাওয়াত করতেন এবং এমন সময় সালাত শেষ করতেন যখন আমরা পরস্পরকে মুখ দেখে চিনতে পারতাম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابو كريب، حدثنا سويد بن عمرو الكلبي، عن حماد بن سلمة، عن سيار بن سلامة ابي المنهال، قال سمعت ابا برزة الاسلمي، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يوخر العشاء الى ثلث الليل ويكره النوم قبلها والحديث بعدها وكان يقرا في صلاة الفجر من الماية الى الستين وكان ينصرف حين يعرف بعضنا وجه بعض
খালাফ ইবনু হিশাম, আবূর রাবী' আয যাহরানী ও আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ...... আবূ যার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেনঃ তুমি যদি এমন ইমামের অধীনস্থ হয়ে পড় যে উত্তম সময়ে সালাত আদায় না করে দেরী করে আদায় করবে তাহলে কী করবে? আবূ যার বলেন- এ কথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম (হে আল্লাহর রসূল!), এরূপ অবস্থায় পতিত হলে আপনি আমাকে কী করতে আদেশ করছেন? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তুমি উত্তম সময়ে সালাত আদায় করে নিবে। তারপরে যদি তাদের সাথে অর্থাৎ- ইমামের সাথে জামা'আতে সালাত পাও তাহলে তাদের সাথেও আদায় করবে। এটা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। তবে বর্ণনাকারী খালাফ তার বর্ণনায় عَنْ وَقْتِهَا কথাটা উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا خلف بن هشام، حدثنا حماد بن زيد، ح قال وحدثني ابو الربيع الزهراني، وابو كامل الجحدري قالا حدثنا حماد، عن ابي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن ابي ذر، قال قال لي رسول الله " كيف انت اذا كانت عليك امراء يوخرون الصلاة عن وقتها او يميتون الصلاة عن وقتها " . قال قلت فما تامرني قال " صل الصلاة لوقتها فان ادركتها معهم فصل فانها لك نافلة " . ولم يذكر خلف عن وقتها
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ যর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ যার! আমার পরে অচিরেই এমন আমীর বা শাসকদের আবির্ভাব ঘটবে যারা একেবারে শেষ ওয়াক্তে সালাত আদায় করবে। এরূপ হলে তুমি কিন্তু সময় মতো (সালাতের উত্তম সময়ে) সালাত আদায় করে নিবে। পরে যদি তুমি তাদের সাথে সালাত আদায় করো তাহলে তা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি তা না হয় তাহলে তুমি অন্তত তোমার সালাত রক্ষা করতে সক্ষম হলে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا جعفر بن سليمان، عن ابي عمران الجوني، عن عبد الله بن الصامت، عن ابي ذر، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا ابا ذر انه سيكون بعدي امراء يميتون الصلاة فصل الصلاة لوقتها فان صليت لوقتها كانت لك نافلة والا كنت قد احرزت صلاتك
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বন্ধু রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে আমীরের বা নেতার আদেশ শুনতে ও মানতে আদেশ করেছেন যদিও সে একজন হাত-পা কাটা ক্রীতদাস হয়। আর আমি যেন সময় মতো (প্রথম ওয়াক্তে) সালাত আদায় করি। এরপরে তুমি দেখ যে, লোকজন (জামা'আতে) সালাত আদায় করে নিয়েছে তাহলে তুমি তো আগেই তোমার সালাত হিফাযাত করেছ। অন্যথায় (অর্থাৎ- তাদের সাথে জামা'আতের সালাত পেলে) তা তোমার জন্য নাফল হিসেবে গণ্য হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৪০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن شعبة، عن ابي عمران، عن عبد الله بن الصامت، عن ابي ذر، قال ان خليلي اوصاني ان اسمع واطيع وان كان عبدا مجدع الاطراف وان اصلي الصلاة لوقتها " فان ادركت القوم وقد صلوا كنت قد احرزت صلاتك والا كانت لك نافلة
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ ও আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... জাবির ইবনু সামুরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের মতো করেই সালাত আদায় করতেন। তবে তিনি ইশার সালাত তোমাদের চেয়ে একটু দেরী করে আদায় করতেন। আর তিনি সালাত হালকা করে আদায় করতেন। আবূ কামিল বর্ণিত হাদীসে يُخِفُّ শব্দটির স্থানে يُخَفِّفُ শব্দ উল্লেখ আছে। তবে উভয় শব্দের অর্থ একই। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن بديل، قال سمعت ابا العالية، يحدث عن عبد الله بن الصامت، عن ابي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم وضرب فخذي " كيف انت اذا بقيت في قوم يوخرون الصلاة عن وقتها " . قال قال ما تامر قال " صل الصلاة لوقتها ثم اذهب لحاجتك فان اقيمت الصلاة وانت في المسجد فصل
যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেছেনঃ গেঁয়ো বেদুঈন লোকেরা যেন তোমাদের সালাতের নামকরণের ব্যাপারে প্রভাব বিস্তার না করে বসে। জেনে রাখো সালাতের নাম হলো ইশা। আর তারা উট দোহন করতে দেরী করে তাই এ সালাতকেও তারা আতামাহ’* বলে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩২৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، عن ايوب، عن ابي العالية البراء، قال اخر ابن زياد الصلاة فجاءني عبد الله بن الصامت فالقيت له كرسيا فجلس عليه فذكرت له صنيع ابن زياد فعض على شفته وضرب فخذي وقال اني سالت ابا ذر كما سالتني فضرب فخذي كما ضربت فخذك وقال اني سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم كما سالتني فضرب فخذي كما ضربت فخذك وقال " صل الصلاة لوقتها فان ادركتك الصلاة معهم فصل ولا تقل اني قد صليت فلا اصلي
আসিম ইবনুন নাযর আত তায়মী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনুস সামিত (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ যার তাকে বললেন- তোমরা অথবা বললেন (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) তুমি যদি এমন লোকদের মধ্যে অবস্থান করো যারা সময় মতো সালাত আদায় না করে দেরী করে পড়ে তাহলে কী করবে? এরপর আবার নিজেই বললেন, তুমি সময়মত (প্রথম ওয়াক্তে) সালাত আদায় করে নিবে। তারপর জামাআতে সালাত হলে তাদের সাথেও সালাত আদায় করে নিবে। কারণ এটি তোমার জন্য বাড়তি সাওয়াবের কাজ হিসেবে গণ্য হবে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عاصم بن النضر التيمي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا شعبة، عن ابي نعامة، عن عبد الله بن الصامت، عن ابي ذر، قال قال " كيف انتم - او قال كيف انت - اذا بقيت في قوم يوخرون الصلاة عن وقتها فصل الصلاة لوقتها ثم ان اقيمت الصلاة فصل معهم فانها زيادة خير
আবূ গাসসান আর মিসমাঈ (রহঃ) ..... আবুল আলিয়াহ আল বারা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনুস সামিতকে বললাম, আমি এমন সব আমীর বা নেতার পিছনে জুমুআর সালাত আদায় করি যারা দেরী করে সালাত আদায় করে থাকে। মাতার বলেনঃ এ কথা শুনে আবুল আলিয়াহ আল বাররা আমার উরুর উপরে সজোরে এমনভাবে হাত দিয়ে চাপড়ালেন যে, আমি ব্যথাই পেলাম। এবার তিনি বললেন- এ বিষয়ে আমি আবূ যারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম। তিনিও আমার উরুর উপরে সজোরে হাত দিয়ে চাপড়িয়ে বললেন- আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ এমতাবস্থায় তোমরা সময়মত (প্রথম ওয়াক্তে) সালাত আদায় করে নিবে। আর তাদের সাথে জামা'আতের সালাতকে নাফল হিসেবে আদায় করবে। আবদুল্লাহ ইবনুস সামিত বলেছেন, আমি জানতে পেরেছি যে, (এ কথা বলার সময়) আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও আবূ যার-এর উরুর উপর সজোরে চাপড় দিয়েছিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৪৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني ابو غسان المسمعي، حدثنا معاذ، - وهو ابن هشام - حدثني ابي، عن مطر، عن ابي العالية البراء، قال قلت لعبد الله بن الصامت نصلي يوم الجمعة خلف امراء فيوخرون الصلاة - قال - فضرب فخذي ضربة اوجعتني وقال سالت ابا ذر عن ذلك فضرب فخذي وقال سالت رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فقال " صلوا الصلاة لوقتها واجعلوا صلاتكم معهم نافلة " . قال وقال عبد الله ذكر لي ان نبي الله صلى الله عليه وسلم ضرب فخذ ابي ذر
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জামা'আতে সালাত আদায় করা তোমাদের কারো একাকী সালাত আদায় করার চাইতে পচিশগুণ বেশী উত্তম। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৪৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " صلاة الجماعة افضل من صلاة احدكم وحده بخمسة وعشرين جزءا
আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জামা'আতের সাথে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায় করার চেয়ে পচিশগুণ বেশী উত্তম। তিনি আরো বলেছেনঃ রাতের কর্তব্যরত মালায়িকাহ (ফেরেশতাগণ) এবং দিনের কর্তব্যরত মালায়িকাহ ফজরের সালাতের সময় একত্র হয়। এ কথা বলে আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বললেন, এক্ষেত্রে তোমরা ইচ্ছা করলে কুরআনের আয়াতটি পাঠ করো- وَقُرْآنَ الْفَجْرِ إِنَّ قُرْآنَ الْفَجْرِ كَانَ مَشْهُودًا অর্থাৎ- "ফজরের ওয়াক্তের কুরআন পাঠে উপস্থিত থাকে"- (সূরাহ ইসরা ১৭ঃ ৭৮)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الاعلى، عن معمر، عن الزهري، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " تفضل صلاة في الجميع على صلاة الرجل وحده خمسا وعشرين درجة " . قال " وتجتمع ملايكة الليل وملايكة النهار في صلاة الفجر " . قال ابو هريرة اقرءوا ان شيتم { وقران الفجر ان قران الفجر كان مشهودا}