Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪০৯ হাদিসসমূহ
ইয়াকুব ইবনু ইবরাহীম আদ দাওরাকী (রহঃ) ..... আনাস ইবনু সীরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জুনদুব (ইবনু আবদুল্লাহ) আল কাসরীকে বলতে শুনেছি যে, রসূলুলাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করল সে আল্লাহর নিরাপত্তা লাভ করল। আর আল্লাহ তা'আলা যদি তার নিরাপত্তা প্রদানের হাক্ব কারো থেকে দাবী করে বসেন তাহলে সে আর রক্ষা পাবে না। তাই তাকে মুখ থুবড়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه يعقوب بن ابراهيم الدورقي، حدثنا اسماعيل، عن خالد، عن انس بن سيرين، قال سمعت جندبا القسري، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من صلى صلاة الصبح فهو في ذمة الله فلا يطلبنكم الله من ذمته بشىء فانه من يطلبه من ذمته بشىء يدركه ثم يكبه على وجهه في نار جهنم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... জুনদুব ইবনু সুফইয়ান (রহঃ) এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তবে এ হাদীসে তিনি "তাকে উল্টিয়ে জাহান্নামের আগুনে নিক্ষেপ করবেন" কথাটি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন. ১৩৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابن هارون، عن داود بن ابي هند، عن الحسن، عن جندب بن سفيان، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا ولم يذكر " فيكبه في نار جهنم
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... মাহমুদ ইবনুর রাবী আল আনসারী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বাদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী আনসার সাহাবী ইতবান ইবনু মালিক রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছি। অথচ আমি আমার কওমের লোকদের ইমামাত করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে তাদের ও আমার এলাকার মধ্যবর্তী উপত্যকা প্লাবিত হয়ে যায়। তাই আমি মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করাতে পারি না। (এভাবে আমিও জামা'আতে সালাত আদায় করা থেকে বঞ্চিত হই) হে আল্লাহর রসূল! তাই আমার আকাঙ্ক্ষা হলো, আপনি আমার বাড়ীতে গিয়ে একটি জায়গায় সালাত আদায় করবেন। সে স্থানটিকে আমি আমার সালাতের স্থান হিসেবে নির্দিষ্ট করে নিব। হাদীস বর্ণনাকারী মাহমূদ ইবনুর রাবী আল আনসারী বলেন, এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইনশাআল্লাহ, খুব শিগগীর আমি তা করব। ইতবান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেনঃ পরদিন সকালে কিছুটা বেলা হলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বকর (রাযিঃ) আসলেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার বাড়ীতে প্রবেশের) অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে অনুমতি দিলে তিনি বাড়ীর ভিতরে গিয়ে না বসেই সোজা ঘরে প্রবেশ করলেন এবং আমাকে জিজ্ঞেস করলেন। ঘরের কোন স্থানে সালাত আদায় করলে তোমার ভাল হয়? আমি তখন তাকে ঘরের এক কোণের দিকে ইশারা করে দেখিয়ে দিলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে সালাত আদায় করতে দাঁড়ালেন। তিনি তাকবীরে তাহরীমা বললে আমরাও তার পিছনে দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি দু' রাকাআত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন। ইতবান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেন- আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য ছোট ছোট টুকরা করে যে গোশত পাক করেছিলাম তা খাওয়ার জন্য তাকে তৎক্ষণাৎ চলে যেতে বাধা দিলাম। ইতোমধ্যে (খবর ছড়িয়ে পড়াতে) আমাদের আশে-পাশের বাড়ীর লোকজন ছুটে আসল। শেষ পর্যন্ত ঘরে বেশ কিছু সংখ্যক লোক জমে গেল। তাদের মধ্যে একজন বলল, মালিক ইবনুদ দুখশুন কোথায়? (তাকে তো দেখছি না!) অন্য একজন বলে উঠল, আরে, সে তো মুনাফিক। সে আল্লাহ এবং তার রসূলকে মোটেই পছন্দ করে না। এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার সম্পর্কে এভাবে বলো না। তুমি কি মনে করো না যে, সে শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই “লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হ” বলেছে। অর্থাৎ- “আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই" বলে বিশ্বাস করেছে। ইতবান ইবনু মালিক আল আনসারী বলেন, এ কথা শুনে উপস্থিত সবাই বলল, আল্লাহ এবং তার রসূলই এ ব্যাপারে সর্বাধিক অবগত। একজন বলল, আমরা দেখি, সে মুনাফিকদের সাথে হাসিমুখে আলাপ করে এবং তাদের (উপদেশ দানের মাধ্যমে) কল্যাণ কামনা করে বা তাদের সাথে সলাপরামর্শ করে। (এ কথা শুনে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যক্তি শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের নিমিত্তে 'লা-ইলা-হা ইল্লাল্লাহ' বলেছে অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া আর কোন ইলাহ নেই বলে ঘোষণা করেছে, আল্লাহ তা'আলা তাকে জাহান্নামের জন্য হারাম করেছেন। বর্ণনাকারী ইবনু শিহাব বলেন- পরে আমি বানী সালিম গোত্রের নেতৃস্থানীয় হুসায়ন ইবনু মুহাম্মাদ আনসারীকে মাহমূদ ইবনুর রাবী’ বর্ণিত হাদীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি হাদীসটির সত্যতা স্বীকার করলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইতবান ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তবে এ হাদীসে তিনি এতটুকু অধিক বর্ণনা করেছেন যে, জনৈক ব্যক্তি বলে উঠল, মালিক ইবনুদ দুখশুন অথবা বলল (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) মালিক ইবনুদ দুখায়শিন কোথায়? তিনি হাদীসটিতে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, মাহমুদ ইবনুর রাবী’ বলেছেন, আমি এ হাদীসটি একদল লোকের কাছে বর্ণনা করলাম। তাদের মধ্যে (সহাবা) আবূ আইয়ুব আল আনসারীও ছিলেন। তিনি বললেন, তুমি যা বললে আমার মনে হয় না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা বলেছেন। মাহমুদ ইবনুর রাবী’ বলেন, এ কথা শুনে আমি এ মর্মে শপথ করলাম যে ইতবান ইবনু মালিককে আবার জিজ্ঞেস করার জন্য তার কাছে ফিরে যাব। তিনি বলেছেনঃ অতঃপর আমি তার কাছে গেলাম। তখন তিনি অত্যন্ত বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং তার দৃষ্টিশক্তিও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তিনি ছিলেন তার কওমের ইমাম। আমি গিয়ে পাশে বসে এ হাদীসটি সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি আমাকে প্রথমবারের মতো করে হাদীসটি বর্ণনা করে শুনালেন। হাদীসটির বর্ণনাকার যুহরী বলেছেন, এ ঘটনার পরেও আরো অনেক ফারয (ফরয) ও অন্যান্য বিষয়ে হুকুম আহকাম অবতীর্ণ হয়েছে। আমরা মনে করি যে, (হুকুম-আহকামের) বিষয়টি এর পরেই শেষ হয়েছে। সুতরাং যে ব্যক্তি ধোকায় পড়তে না চায়, সে যেন এর দ্বারা ধোকায় না পড়ে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن رافع، وعبد بن حميد، كلاهما عن عبد الرزاق، قال اخبرنا معمر، عن الزهري، قال حدثني محمود بن ربيع، عن عتبان بن مالك، قال اتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم . وساق الحديث بمعنى حديث يونس غير انه قال فقال رجل اين مالك بن الدخشن او الدخيشن وزاد في الحديث قال محمود فحدثت بهذا الحديث نفرا فيهم ابو ايوب الانصاري فقال ما اظن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ما قلت - قال - فحلفت ان رجعت الى عتبان ان اساله - قال - فرجعت اليه فوجدته شيخا كبيرا قد ذهب بصره وهو امام قومه فجلست الى جنبه فسالته عن هذا الحديث فحدثنيه كما حدثنيه اول مرة . قال الزهري ثم نزلت بعد ذلك فرايض وامور نرى ان الامر انتهى اليها فمن استطاع ان لا يغتر فلا يغتر
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... মাহমুদ ইবনুর রাবী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বাড়ীতে একটি বালতি থেকে পানি নিয়ে যে কুল্লি করেছিলেন তা এখনো আমার মনে আছে। মাহমূদ ইবনুর রাবী বলেন, ইতবান ইবনু মালিক আমার কাছে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি এভাবে হাদীসটি বর্ণনা করে, “তিনি আমাদের সাথে নিয়ে দু'রাকাআত সালাত আদায় করলেন। আর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য পাকানো জাশীশাহ নামক খাবার খেতে তাকে ঠেকিয়ে রাখলাম পর্যন্ত" উল্লেখ করলেন। তবে এরপর ইউনুস ও মা'মার বর্ণিত অতিরিক্ত কথাটুকু তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا الوليد بن مسلم، عن الاوزاعي، قال حدثني الزهري، عن محمود بن الربيع، قال اني لاعقل مجة مجها رسول الله صلى الله عليه وسلم من دلو في دارنا . قال محمود فحدثني عتبان بن مالك قال قلت يا رسول الله ان بصري قد ساء . وساق الحديث الى قوله فصلى بنا ركعتين وحبسنا رسول الله صلى الله عليه وسلم على جشيشة صنعناها له . ولم يذكر ما بعده من زيادة يونس ومعمر
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তার দাদী মুলায়কাহ তার নিজের হাতে প্রস্তুত একটি খাবার খেতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দাওয়াত দিলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা খেলেন। খাওয়া শেষে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তোমরা সবাই উঠে দাড়াও, আমি তোমাদের (বারাকাত বা শিক্ষাদানের) জন্য সালাত আদায় করব। আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) বলেনঃ আমি উঠে গিয়ে আমাদের একটি চাটাইয়ের উপর দাঁড়ালাম যা দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের ফলে কালো বর্ণ ধারণ করেছিল। আমি সেটির উপর কিছু পানি ছিটিয়ে দিলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ চটাইয়ের উপর দাঁড়ালেন। আর বৃদ্ধ মহিলারা দাঁড়ালেন পিছনে। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সাথে নিয়ে দু’রাকাআত সালাত আদায় করলেন এবং তারপর চলে গেলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن اسحاق بن عبد الله بن ابي طلحة، عن انس بن مالك، ان جدته، مليكة دعت رسول الله صلى الله عليه وسلم لطعام صنعته فاكل منه ثم قال " قوموا فاصلي لكم " . قال انس بن مالك فقمت الى حصير لنا قد اسود من طول ما لبس فنضحته بماء فقام عليه رسول الله صلى الله عليه وسلم وصففت انا واليتيم وراءه والعجوز من وراينا فصلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ركعتين ثم انصرف
শায়বান ইবনু ফাররূখ ও আবূর রাবী’ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আখলাক বা নৈতিক চরিত্রের বিচারে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ছিলেন সর্বোত্তম মানুষ। অনেক সময় এমন হয়েছে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের ঘরে থাকতেই সালাতের সময় হয়ে গেছে। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যে বিছানার উপর থাকতেন সেটিই ঝেড়ে ফেলে পানি ছিটিয়ে দিতে বলতেন। অতঃপর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের ইমামাত করতেন। আমরা তার পিছনে দাঁড়াতাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করতেন। বর্ণনাকারী (আবূ তাইয়্যাহ) বলেনঃ তার (আনাস ইবনু মালিক-এর) বাড়ীর বিছানা খেজুর পাতায় তৈরি ছিল। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا شيبان بن فروخ، وابو الربيع، كلاهما عن عبد الوارث، قال شيبان حدثنا عبد الوارث، عن ابي التياح، عن انس بن مالك، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم احسن الناس خلقا فربما تحضر الصلاة وهو في بيتنا فيامر بالبساط الذي تحته فيكنس ثم ينضح ثم يوم رسول الله صلى الله عليه وسلم ونقوم خلفه فيصلي بنا وكان بساطهم من جريد النخل
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বাড়ীতে আসলেন। তখন সেখানে শুধু আমি, আমার মা এবং আমার খালা উম্মু হারাম ছিলেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের লক্ষ্য করে বললেন, উঠ আমি তোমাদের নিয়ে সালাত আদায় করব। তখন কোন ফারয (ফরয) সালাতের ওয়াক্ত ছিল না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের নিয়ে সালাত আদায় করলেন। জনৈক ব্যক্তি (হাদীস বর্ণনাকারী) সাবিতকে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আনাসকে তার কোন পাশে দাঁড় করিয়েছিলেন? তিনি (সাবিত) বললেনঃ তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে ডান পাশে দাঁড় করিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের পরিবারের সবার জন্য দুনিয়া ও আখিরাতের সব রকম কল্যাণের জন্য দু'আ করলেন। আমার মাতা তখন বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আপনার এ ক্ষুদ্র খাদিমের (আনাসের) জন্য আল্লাহর কাছে দু'আ করুন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমার জন্য সব রকমের কল্যাণের দু'আ করলেন। দু'আর শেষভাগে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যা বললেন তা হলোঃ হে আল্লাহ! তার সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বাড়িয়ে দাও এবং এতে তাকে বারাকাত দান করো। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا هاشم بن القاسم، حدثنا سليمان، عن ثابت، عن انس، قال دخل النبي صلى الله عليه وسلم علينا وما هو الا انا وامي وام حرام خالتي فقال " قوموا فلاصلي بكم " . في غير وقت صلاة فصلى بنا . فقال رجل لثابت اين جعل انسا منه قال جعله على يمينه . ثم دعا لنا اهل البيت بكل خير من خير الدنيا والاخرة فقالت امي يا رسول الله خويدمك ادع الله له . قال فدعا لي بكل خير وكان في اخر ما دعا لي به ان قال " اللهم اكثر ماله وولده وبارك له فيه
উবায়দুল্লাহ ইবনু মু'আয (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এবং তার মা অথবা খালাকে সাথে করে সালাত আদায় করলেন। তিনি বলেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে তার ডানে দাঁড় করালেন এবং মেয়েদের পিছনে দাঁড় করালেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن عبد الله بن المختار، سمع موسى بن انس، يحدث عن انس بن مالك، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى به وبامه او خالته . قال فاقامني عن يمينه واقام المراة خلفنا
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে একই সানাদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن المثنى، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنيه زهير بن حرب، قال حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن مهدي - قال حدثنا شعبة، بهذا الاسناد
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামিমী, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী মায়মুনাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করতেন আর আমি তার পাশেই থাকতাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) যখন সিজদা করতেন তখন কোন কোন সময় তার কাপড় আমার শরীর স্পর্শ করত। আর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চাটাইয়ের উপর সালাত আদায় করতেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، اخبرنا خالد بن عبد الله، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، قال حدثنا عباد بن العوام، كلاهما عن الشيباني، عن عبد الله بن شداد، قال حدثتني ميمونة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي وانا حذاءه وربما اصابني ثوبه اذا سجد وكان يصلي على خمرة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব, সুওয়াইদ ইবনু সাঈদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) শব্দাবলী তার ... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি (একদিন) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গিয়ে দেখতে পেলেন যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) চাটাইয়ের উপর সালাত আদায় করছেন এবং চটাইয়ের উপরই সিজদা করছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، ح وحدثني سويد بن سعيد، قال حدثنا علي بن مسهر، جميعا عن الاعمش، ح وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، - واللفظ له - اخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا الاعمش، عن ابي سفيان، عن جابر، قال حدثنا ابو سعيد الخدري، انه دخل على رسول الله صلى الله عليه وسلم فوجده يصلي على حصير يسجد عليه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ, আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি মসজিদে জামা'আতের সাথে সালাত আদায় করলে তা তার বাড়ীতে বা বাজারে সালাত আদায় করার চেয়ে বিশগুণেরও অধিক মর্যাদা সম্পন্ন। কারণ কোন লোক যখন সালাতের জন্য ওযু করে এবং ভালভাবে ওযু করে মসজিদে আসে তাকে সালাত ছাড়া আর কিছুই মসজিদে আনে না; আর সে সালাত ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যও পোষণ করে না। সুতরাং এ উদ্দেশে সে যখনই পদক্ষেপ করে তখন থেকে মসজিদে প্রবেশ না করা পর্যন্ত তার প্রতিটি নেকীর বদলে ঐ ব্যক্তির মর্যাদা বৃদ্ধি করা হয় এবং একটি করে পাপ মিটিয়ে দেয়া হয়। অতঃপর মসজিদে প্রবেশ করার পর যতক্ষণ সে সালাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ যেন সে সালাতরত থাকে। আর তোমাদের কেউ যখন সালাত আদায় করার পর সালাতের স্থানেই বসে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মালায়িকাহ (ফেরেশতাগণ) তার জন্য এ বলে দু'আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি তার তওবা কবুল করো। এরূপ দুআ ততক্ষণ পর্যন্ত করতে থাকে যতক্ষণ না সে কাউকে কষ্ট দেয় এবং যতক্ষণ পর্যন্ত ওযু নষ্ট না করে*। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب جميعا عن ابي معاوية، - قال ابو كريب حدثنا ابو معاوية، - عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " صلاة الرجل في جماعة تزيد على صلاته في بيته وصلاته في سوقه بضعا وعشرين درجة وذلك ان احدهم اذا توضا فاحسن الوضوء ثم اتى المسجد لا ينهزه الا الصلاة لا يريد الا الصلاة فلم يخط خطوة الا رفع له بها درجة وحط عنه بها خطيية حتى يدخل المسجد فاذا دخل المسجد كان في الصلاة ما كانت الصلاة هي تحبسه والملايكة يصلون على احدكم ما دام في مجلسه الذي صلى فيه يقولون اللهم ارحمه اللهم اغفر له اللهم تب عليه ما لم يوذ فيه ما لم يحدث فيه
সাঈদ ইবনু আমর আল আশ'আরী, মুহাম্মাদ ইবনু বাক্কার ইবনু রাইয়্যান, ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) থেকে অনুরূপ অর্থবোধক হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن عمرو الاشعثي، اخبرنا عبثر، ح وحدثني محمد بن بكار بن الريان، قال حدثنا اسماعيل بن زكرياء، ح وحدثنا ابن المثنى، قال حدثنا ابن ابي عدي، عن شعبة، كلهم عن الاعمش، في هذا الاسناد بمثل معناه
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের পর উক্ত স্থানে বসে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত মালায়িকাহ এ বলে তার জন্য দু'আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহমত দান করো। আর তোমাদের মধ্যে সে ব্যক্তি ততক্ষণ সালাতরত বলেই গণ্য হবে যতক্ষণ সে সালাতের জন্য অপেক্ষামান থাকে। ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৮০, ইসলামীক সেন্টার. ১৩৯২(ক)
وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن ايوب السختياني، عن ابن سيرين، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الملايكة تصلي على احدكم ما دام في مجلسه تقول اللهم اغفر له اللهم ارحمه ما لم يحدث واحدكم في صلاة ما كانت الصلاة تحبسه
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বান্দা যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের জন্য বসে সালাতের জন্য অপেক্ষা করতে থাকে ততক্ষণ পর্যন্ত সে সালাতরত থাকে। আর মালায়িকাহও ততক্ষণ পর্যন্ত তার জন্য এ বলে দু'আ করতে থাকে যে, হে আল্লাহ! তুমি আমাকে ক্ষমা করে দাও। হে আল্লাহ! তুমি তাকে রহম করো। (আর মালায়িকাহ) ততক্ষণ পর্যন্ত এরূপ দুআ করতে থাকে যতক্ষণ সে সেখান থেকে উঠে চলে না যায় কিংবা যতক্ষণ ওযু নষ্ট না করে। হাদীস বর্ণনাকারী রাফি' বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম হাদাস বা ওযু নষ্ট করা কাকে বলে? তিনি বললেনঃ নিঃশব্দে বা স্বশব্দে বায়ু নিঃসরণ করা। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৮১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن ابي رافع، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يزال العبد في صلاة ما كان في مصلاه ينتظر الصلاة وتقول الملايكة اللهم اغفر له اللهم ارحمه . حتى ينصرف او يحدث " . قلت ما يحدث قال يفسو او يضرط
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যতক্ষণ পর্যন্ত সালাতের জন্য কোন ব্যক্তি অপেক্ষা করে এবং শুধু সালাতের কারণেই সে ঘরে (পরিবার-পরিজনের কাছে) ফিরে যায় না ততক্ষণ পর্যন্ত সে যেন সালাতরত অবস্থায়ই থাকে (অর্থাৎ- যতক্ষণ পর্যন্ত সে সালাতের জন্য অপেক্ষা করল ততক্ষণ সে সালাত আদায় করল বলেই ধরে নেয়া হবে)। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৮২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا يزال احدكم في صلاة ما دامت الصلاة تحبسه لا يمنعه ان ينقلب الى اهله الا الصلاة
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া, মুহাম্মাদ ইবনু সালামাহ আল মুরাদী (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযি) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন সালাতের জন্য অপেক্ষা করে তখন ওযু ভঙ্গ না করা পর্যন্ত সে যেন সালাতরত থাকল। এ সময়ে মালাকগণ এ বলে তার জন্য দুআ করতে থাকো যে, হে আল্লাহ! তুমি তাকে ক্ষমা করো। হে আল্লাহ! তুমি তার প্রতি রহম করো। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৮৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، ح وحدثني محمد بن سلمة المرادي، حدثنا عبد الله بن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، عن ابن هرمز، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " احدكم ما قعد ينتظر الصلاة في صلاة ما لم يحدث تدعو له الملايكة اللهم اغفر له اللهم ارحمه
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) এর মাধ্যমে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৮৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحو هذا
আবদুল্লাহ ইবনু বাররাদ আল আশ'আরী ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার হাঁটার পথ (অর্থাৎ- ঘর) মসজিদ থেকে বেশী দূরে সে সালাতের অধিক সাওয়াব লাভের হাকদার। আর যে ব্যক্তি সালাতের জন্য অপেক্ষা করে ইমামের সাথে (জামা'আতে) সালাত আদায় করে সে ঐ ব্যক্তির চেয়ে বেশী সাওয়াবের হাকদার যে একাকী সালাত আদায় করে ঘুমিয়ে পড়ে। আবূ কুরায়ব-এর বর্ণনাতে "জামা'আতে ইমামের সাথে সালাত আদায় করে" কথাটি উল্লেখ করা হয়েছে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৮৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبد الله بن براد الاشعري، وابو كريب قالا حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اعظم الناس اجرا في الصلاة ابعدهم اليها ممشى فابعدهم والذي ينتظر الصلاة حتى يصليها مع الامام اعظم اجرا من الذي يصليها ثم ينام " . وفي رواية ابي كريب " حتى يصليها مع الامام في جماعة
حدثني حرملة بن يحيى التجيبي، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، ان محمود بن الربيع الانصاري، حدثه ان عتبان بن مالك وهو من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا من الانصار انه اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اني قد انكرت بصري وانا اصلي لقومي واذا كانت الامطار سال الوادي الذي بيني وبينهم ولم استطع ان اتي مسجدهم فاصلي لهم وددت انك يا رسول الله تاتي فتصلي في مصلى . فاتخذه مصلى . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سافعل ان شاء الله " . قال عتبان فغدا رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو بكر الصديق حين ارتفع النهار فاستاذن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذنت له فلم يجلس حتى دخل البيت ثم قال " اين تحب ان اصلي من بيتك " . قال فاشرت الى ناحية من البيت فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر فقمنا وراءه فصلى ركعتين ثم سلم - قال - وحبسناه على خزير صنعناه له - قال - فثاب رجال من اهل الدار حولنا حتى اجتمع في البيت رجال ذوو عدد فقال قايل منهم اين مالك بن الدخشن فقال بعضهم ذلك منافق لا يحب الله ورسوله . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقل له ذلك الا تراه قد قال لا اله الا الله . يريد بذلك وجه الله " . قال قالوا الله ورسوله اعلم . قال فانما نرى وجهه ونصيحته للمنافقين . قال فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فان الله قد حرم على النار من قال لا اله الا الله . يبتغي بذلك وجه الله " . قال ابن شهاب ثم سالت الحصين بن محمد الانصاري - وهو احد بني سالم وهو من سراتهم - عن حديث محمود بن الربيع فصدقه بذلك