Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪১ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু রাফি’ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কয়েকটি হাদীস আলোচনা করেছেন। তন্মধ্যে একটি হাদীস হচ্ছে এই যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বনী ইসরাঈলদেরকে বলা হয়েছিল, তোমরা দরজা দিয়ে প্রবেশ করার সময় সিজদাবনতঃ হয়ে প্রবেশ কর এবং বলো حِطَّةٌ আমাদেরকে ক্ষমা কর। তাহলে আমি তোমাদের গুনাহ ক্ষমা করে দিব। কিন্তু তারা এ কথার পরিবর্তন করতঃ পাছার উপর ভর করে হেচড়াতে হেঁচড়াতে দরজা দিয়ে প্রবেশ করল এবং (ক্ষমা মার্জনার স্থলে) حَبَّةٌ فِي شَعَرَةٍ অর্থাৎ- যবের শীষে দানা দাও বলতে থাকল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، حدثنا معمر، عن همام بن منبه، قال هذا ما حدثنا ابو هريرة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم . فذكر احاديث منها وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قيل لبني اسراييل { ادخلوا الباب سجدا وقولوا حطة يغفر لكم خطاياكم} فبدلوا فدخلوا الباب يزحفون على استاههم وقالوا حبة في شعرة
আমর ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু বুকায়র আন নাকিদ, হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী ও ‘আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইন্তিকালের পূর্বে ও ইন্তিকাল পর্যন্ত আল্লাহ তা’আলা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর ধারাবাহিকভাবে ওয়াহী অবতীর্ণ করেন। যেদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করেন সেদিনও তার প্রতি অনেক ওয়াহী অবতীর্ণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عمرو بن محمد بن بكير الناقد، والحسن بن علي الحلواني، وعبد بن، حميد - قال عبد حدثني وقال الاخران، حدثنا يعقوب، - يعنون ابن ابراهيم بن سعد - حدثنا ابي، عن صالح، - وهو ابن كيسان - عن ابن شهاب، قال اخبرني انس بن، مالك ان الله، عز وجل تابع الوحى على رسول الله صلى الله عليه وسلم قبل وفاته حتى توفي واكثر ما كان الوحى يوم توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم
আবু খাইসামাহ যুহায়র ইবনু হারব ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... তারিক ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহুদী লোকেরা উমর (রাযিঃ) কে বলল, তোমরা এমন একটি আয়াত পাঠ করে থাকো তা যদি আমাদের সম্বন্ধে অবতীর্ণ হত, তবে এ দিনটিকে আমরা আনন্দোৎসবের দিন হিসেবে পালন করতাম। উমর (রাযিঃ) বললেন, আমি জানি, ঐ আয়াতটি কখন, কোথায় ও কোন দিন অবতীর্ণ হয়েছিল। আর যখন তা অবতীর্ণ হয়েছিল তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় অবস্থান করছিলেন তাও জানি। আয়াতটি আরাফার দিন অবতীর্ণ হয়েছিল; রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আরাফাতেই অবস্থান করছিলেন। রাবী সুফইয়ান (রহঃ) বলেন, "আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করে দিলাম এবং আমার নি’আমাত তোমাদের প্রতি পূর্ণ করে দিলাম"- (সূরা আল মায়িদাহ ৫ঃ ৩)। এ আয়াতটি যেদিন অবতীর্ণ হয়েছিল তা জুমুআর দিন ছিল কি-না, এ বিষয়ে আমি সন্দিহান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو خيثمة، زهير بن حرب ومحمد بن المثنى - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا عبد الرحمن، - وهو ابن مهدي - حدثنا سفيان، عن قيس بن مسلم، عن طارق، بن شهاب ان اليهود، قالوا لعمر انكم تقرءون اية لو انزلت فينا لاتخذنا ذلك اليوم عيدا . فقال عمر اني لاعلم حيث انزلت واى يوم انزلت واين رسول الله صلى الله عليه وسلم حيث انزلت انزلت بعرفة ورسول الله صلى الله عليه وسلم واقف بعرفة . قال سفيان اشك كان يوم جمعة ام لا . يعني { اليوم اكملت لكم دينكم واتممت عليكم نعمتي}
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) .... ত্বরিক ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত তিনি বলেন জনৈক ইয়াহুদি উমার (রাযিঃ) কে বলল الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًا অর্থাৎ “আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন হিসেবে মনোনীত করলাম”— (সূরা আল মায়িদাহ ৫ঃ ৩) এ আয়াতটি আমাদের ইয়াহুদী সম্প্রদায় সম্বন্ধে অবতীর্ণ হলে এ দিনটিকে আমরা আনন্দোৎসব দিবস হিসেবে পালন করতাম। আমরা জানি, কোন দিন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে। রাবী বলেন, এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) বললেন, কোন দিন এ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে, কোন সময়ে অবতীর্ণ হয়েছে এবং এ আয়াতটি অবতীর্ণ হওয়ার প্রাক্কালে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় ছিলেন, তাও আমি সম্যক অবগত আছি। এ আয়াতটি মুযদালিফার রাতে অবতীর্ণ হয়েছে। তখন আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আরাফার মাঠে ছিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب - واللفظ لابي بكر - قال حدثنا عبد، الله بن ادريس عن ابيه، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال قالت اليهود لعمر لو علينا معشر يهود نزلت هذه الاية { اليوم اكملت لكم دينكم واتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الاسلام دينا} نعلم اليوم الذي انزلت فيه لاتخذنا ذلك اليوم عيدا . قال فقال عمر فقد علمت اليوم الذي انزلت فيه والساعة واين رسول الله صلى الله عليه وسلم حين نزلت نزلت ليلة جمع ونحن مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرفات
(…) আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... তারিক ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক ইয়াহুদী ব্যক্তি উমর (রাযিঃ) এর কাছে এসে বলল, হে আমীরুল মুমিনীন! আপনাদের কিতাবের মধ্যে এমন একটি আয়াত আপনারা তিলাওয়াত করে থাকেন। যদি তা আমাদের ইয়াহুদী সম্প্রদায় সম্পর্কে অবতীর্ণ হত তাহলে ঐ দিনটিকে আমরা আনন্দোৎসব দিবস হিসেবে পালন করতাম। উমর (রাযিঃ) প্রশ্ন করলেন আয়াতটি কি? সে বলল, আয়াতটি হল الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًاঅর্থাৎ "আজ আমি তোমাদের দীনকে তোমাদের জন্য পরিপূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দীন হিসেবে মনোনীত করলাম"— (সূরা আল মায়িদাহ ৫ঃ ৩)। এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) বললেন, যে দিন, যে স্থানে আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে অবশ্যই আমি তা জানি। আয়াতটি জুমুআর দিন আরাফাতের মাঠে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني عبد بن حميد، اخبرنا جعفر بن عون، اخبرنا ابو عميس، عن قيس، بن مسلم عن طارق بن شهاب، قال جاء رجل من اليهود الى عمر فقال يا امير المومنين اية في كتابكم تقرءونها لو علينا نزلت معشر اليهود لاتخذنا ذلك اليوم عيدا . قال واى اية قال { اليوم اكملت لكم دينكم واتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الاسلام دينا} فقال عمر اني لاعلم اليوم الذي نزلت فيه والمكان الذي نزلت فيه نزلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم بعرفات في يوم جمعة
আবূ তাহির আহমাদ ইবনু আমর ইবনু সারহ ও হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া আত তুজীবী (রহঃ) ..... উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আয়িশাহ (রাযিঃ) কে মহান আল্লাহর বাণী সম্পর্কে প্রশ্ন করলেনঃ “তোমরা যদি ভয় করো যে, ইয়াতীমদের মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, তবে বিয়ে করবে স্ত্রীলোকেদের মধ্যে যাকে তোমাদের পছন্দ হয়। (সূরা আন নিসার) দু’, তিন অথবা চার" এর ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, হে ভাগ্নে! যেসব ইয়াতীম মেয়েরা তাদের তত্ত্বাবধানকারী অভিভাবকদের সম্পদের অংশীদার হত তার সম্পদের লালসা ও রূপ-যৌবনের সৌন্দর্যের প্রতি উক্ত অভিভাবক তাকে অন্যরা যে পরিমাণ মুহরানা দিয়ে বিয়ে করতে প্রস্তুত ইনসাফের নীতি অনুযায়ী উক্ত পরিমাণ মুহরানা দিয়ে বিয়ে করতে চাইতো না। এ আয়াতে তাদেরকে ঐসব ইয়াতীমদের বিয়ে করতে বারণ করা হয়েছে। তবে তাদের মুহরানা প্রদানের ব্যাপারে সর্বোত্তম রীতি-নীতি অনুসরণ করলে তা স্বতন্ত্র কথা। অন্যথায় তাদের পছন্দমত অন্য মেয়েদের বিয়ে করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। উরওয়াহ বলেন, আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, এ আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর কতিপয় লোক বিষয়টি সম্পর্কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে জিজ্ঞেস করলে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেনঃ "এবং লোকেরা আপনার কাছে নারীদের বিষয়ে ব্যবস্থা জানতে চায়। বলুন, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা জানাচ্ছেন এবং ইয়াতীম নারী সম্পর্কে যাদের প্রাপ্য তোমরা প্রদান করো না অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে চাও ও নিপীড়িত শিশুদের বিষয়ে এবং ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ন্যায়বিচার সম্পর্কে যা কিতাবে তোমাদেরকে শুনানো হয়, তাও পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন। আর যে সৎকাজ তোমরা করো আল্লাহ তা সবিশেষ অবহিত"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৭)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর বাণী- وَمَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ فِي الْكِتَابِ এর দ্বারা প্রথম আয়াতটিকে বুঝানো হয়েছে, যার মধ্যে আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, তোমরা যদি আশঙ্কা করো যে ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না তবে বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে যাকে তোমাদের ভাল লাগে দু’, তিন অথবা চার। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর বাণী وَتَرْغَبُونَ أَنْ تَنْكِحُوهُنَّ এর মানে হচ্ছে, অর্থ-সম্পদ ও রূপযৌবন কম থাকার কারণে তোমাদের কেউ ইয়াতীম মেয়েদেরকে বিবাহ করতে অপছন্দ করলে-তাদেরকে অর্থ সম্পদ ও রূপ যৌবনবতী ইয়াতীম স্ত্রীলোককে পছন্দ হলেও বিয়ে করতে বারণ করা হয়েছে। তবে অর্থ-সম্পদ ও রূপ-যৌবন না থাকার কারণে পছন্দনীয় না হলেও যদি ইনসাফের ভিত্তিতে মুহরানা পরিশোধ করে তবে বিয়ে করার অনুমতি দেয়া হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو الطاهر، احمد بن عمرو بن سرح وحرملة بن يحيى التجيبي - قال ابو الطاهر حدثنا وقال، حرملة اخبرنا - ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني عروة بن الزبير، انه سال عايشة عن قول الله، { وان خفتم ان لا، تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء مثنى وثلاث ورباع} قالت يا ابن اختي هي اليتيمة تكون في حجر وليها تشاركه في ماله فيعجبه مالها وجمالها فيريد وليها ان يتزوجها بغير ان يقسط في صداقها فيعطيها مثل ما يعطيها غيره فنهوا ان ينكحوهن الا ان يقسطوا لهن ويبلغوا بهن اعلى سنتهن من الصداق وامروا ان ينكحوا ما طاب لهم من النساء سواهن . قال عروة قالت عايشة ثم ان الناس استفتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعد هذه الاية فيهن فانزل الله عز وجل { ويستفتونك في النساء قل الله يفتيكم فيهن وما يتلى عليكم في الكتاب في يتامى النساء اللاتي لا توتونهن ما كتب لهن وترغبون ان تنكحوهن} . قالت والذي ذكر الله تعالى انه يتلى عليكم في الكتاب الاية الاولى التي قال الله فيها { وان خفتم ان لا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء} . قالت عايشة وقول الله في الاية الاخرى { وترغبون ان تنكحوهن} رغبة احدكم عن اليتيمة التي تكون في حجره حين تكون قليلة المال والجمال فنهوا ان ينكحوا ما رغبوا في مالها وجمالها من يتامى النساء الا بالقسط من اجل رغبتهم عنهن
(…/...) হাসান আল হুলওয়ানী ও আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... উরওয়াহ থেকে বর্ণিত। তিনি ‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ) কে আল্লাহর বাণী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেনঃ "তোমরা যদি শঙ্কিত হও যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৩) এর ব্যাখ্যা সম্পর্কে প্রশ্ন করেন অতঃপর রাবী ইউনুসের সানাদে যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে হাদীসের শেষাংশে তিনি رَغْبَةَ أَحَدِكُمْ عَنِ الْيَتِيمَةِ الَّتِي تَكُونُ فِي حَجْرِهِ حِينَ تَكُونُ قَلِيلَةَ الْمَالِ وَالْجَمَالِ এর পরিবর্তেمِنْ أَجْلِ رَغْبَتِهِمْ عَنْهُنَّ إِذَا كُنَّ قَلِيلاَتِ الْمَالِ وَالْجَمَالِ অর্থাৎ "যখন তারা সামান্য সম্পদ ও কম সৌন্দর্যের অধিকারী হয় তখন আর তাদের তত্ত্বাবধায়করা এদেরকে বিয়ে করতে সম্মত হয় না" কথাটি বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا الحسن الحلواني، وعبد بن حميد، جميعا عن يعقوب بن ابراهيم بن سعد، حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، اخبرني عروة، انه سال عايشة عن قول الله، {وان خفتم ان لا، تقسطوا في اليتامى} وساق الحديث بمثل حديث يونس عن الزهري وزاد في اخره من اجل رغبتهم عنهن اذا كن قليلات المال والجمال
(…) আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণী, "তোমরা যদি আশঙ্কা কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি ইনসাফ রক্ষা করতে পারবে না"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৩) এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ পুরুষ সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে; যার তত্ত্বাবধানে রয়েছে ইয়াতীম মহিলা এবং এ পুরুষই হচ্ছে তার ওলী ও অভিভাবক। আর এ মেয়েটির আছে কিছু ধন-সম্পদ। কিন্তু তার পক্ষ সমর্থন করার জন্য সে ব্যতীত আর কেউই নেই। ওলী এ ধরনের মেয়েকে তার সম্পদের উদ্দেশে বিয়ে করে তাকে কষ্ট দিতে এবং তার সাথে নিষ্ঠুরভাবে জীবন-যাপন করতে পারবে না। এ ব্যক্তি সম্পর্কেই আল্লাহ তা’আলা বলেছেনঃ তোমরা যদি শঙ্কা করো যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি ইনসাফ রক্ষা করতে পারবে না তবে বিবাহ করবে নারীদের মাঝে যাকে তোমাদের পছন্দ হয় দু’, তিন অথবা চার। অর্থাৎ- যে মহিলাদেরকে আমি তোমাদের জন্য হালাল করেছি তাদেরকে বিবাহ করো এবং যে ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি তুমি নিষ্ঠুর আচরণ করছ তাদের থেকে দূরে থাকো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৪৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام، عن ابيه، عن عايشة، في قوله { وان خفتم ان لا تقسطوا في اليتامى} قالت انزلت في الرجل تكون له اليتيمة وهو وليها ووارثها ولها مال وليس لها احد يخاصم دونها فلا ينكحها لمالها فيضر بها ويسيء صحبتها فقال { ان خفتم ان لا تقسطوا في اليتامى فانكحوا ما طاب لكم من النساء} يقول ما احللت لكم ودع هذه التي تضر بها
(…) আবূ বাকর ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ “এবং ইয়াতীম মেয়ে সম্পর্কে যাদের অধিকার তোমরা দান করো না, অথচ তোমরা তাদেরকে বিবাহ করতে চাও ও অসহায় শিশুদের বিষয়ে এবং ইয়াতীমদের প্রতি তোমাদের ন্যায় বিচার সম্পর্কে যা কিতাবে তোমাদেরকে শুনানো হয়, তাও পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেয়"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৭) বিষয়ে বলেন, এ আয়াতটি ঐ ইয়াতীম মেয়েদের সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে, যে এমন এক পুরুষের তত্ত্বাবধানে রয়েছে, যার সাথে সে সম্পদের মধ্যে শারীক আছে। কিন্তু সে তাকে বিয়ে করা অপছন্দ করছে এবং অপর কোন লোকের সঙ্গে তার বিয়ে হোক এটাও অপছন্দ করছে এ আশঙ্কায় যে, সে তার সম্পদের শারীক হয়ে যাবে। পরিশেষে সে তাকে এমনিই ছেড়ে রাখছে; নিজেও তাকে বিবাহ করছে না এবং অন্য কারো কাছে বিবাহও দিচ্ছে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، في قوله { وما يتلى عليكم في الكتاب في يتامى النساء اللاتي لا توتونهن ما كتب لهن وترغبون ان تنكحوهن} قالت انزلت في اليتيمة تكون عند الرجل فتشركه في ماله فيرغب عنها ان يتزوجها ويكره ان يزوجها غيره فيشركه في ماله فيعضلها فلا يتزوجها ولا يزوجها غيره
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ “এবং লোকেরা আপনার কাছে নারীদের সম্পর্কে বিধান জানতে চায়, বলুন, আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের ব্যাপারে বিধান জানিয়ে দিচ্ছেন”— (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৭) এর ব্যাখ্যায় বলেন, আয়াতটি ঐ ইয়াতীম মেয়েদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, যে রয়েছে এমন এক পুরুষের তত্ত্বাবধানে যার সম্পদে এমনকি খেজুর বাগানেও উক্ত নারী অংশীদার। সে তাকে বিয়ে করতেও আগ্রহী নয় এবং অন্যের কাছে বিয়ে দিতেও আগ্রহী নয়। কেননা তাহলে সে তার সম্পদের শারীক হয়ে যায়। ফলে সে তাকে বিয়ের ব্যবস্থা না করে এমনিই ফেলে রাখে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، اخبرنا هشام، عن ابيه، عن عايشة، في قوله { ويستفتونك في النساء قل الله يفتيكم فيهن} الاية قالت هي اليتيمة التي تكون عند الرجل لعلها ان تكون قد شركته في ماله حتى في العذق فيرغب يعني ان ينكحها ويكره ان ينكحها رجلا فيشركه في ماله فيعضلها
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ "এবং যে গরীব সে যেন ন্যায়ানুগ পন্থায় আহার করে"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৬)। তিনি বলেন, এ আয়াতটি ইয়াতীমের ধন-সম্পদের ঐ তত্ত্বাবধায়ক সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে, যে তার সম্পদের তত্ত্বাবধান করছে এবং সেটা রক্ষণাবেক্ষণ করছে। যদি তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তি গরীব হয় তবে সে ন্যায়ানুগ পরিমাণ তা হতে পারিশ্রমিক হিসেবে আহার করতে পারবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، في قوله { ومن كان فقيرا فلياكل بالمعروف} قالت انزلت في والي مال اليتيم الذي يقوم عليه ويصلحه اذا كان محتاجا ان ياكل منه
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ "যে অভাবমুক্ত সে যেন নিবৃত থাকে এবং যে গরীব সে যেন ন্যায়ানুগ পরিমাণ ভোগ করে"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৬) এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ইয়াতীমের তত্ত্বাবধানকারী ব্যক্তির ব্যাপারে নাযিল হয়েছে, সে যদি নিতান্তই গরীব হয় তবে সে যেন তার সম্পদ হতে ন্যায়ানুগ পন্থায় নির্দিষ্ট পরিমাণ পারিশ্রমিক গ্রহণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام، عن ابيه، عن عايشة، في قوله تعالى { ومن كان غنيا فليستعفف ومن كان فقيرا فلياكل بالمعروف} قالت انزلت في ولي اليتيم ان يصيب من ماله اذا كان محتاجا بقدر ماله بالمعروف
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه ابو كريب، حدثنا ابن نمير، حدثنا هشام، بهذا الاسناد
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ "যখন তারা তোমাদের (বিপক্ষে) উপর হতে ও নীচ হতে সমাগত হয়েছিল— (ভয়ের কারণে) তোমাদের চোখ বিস্ফারিত হয়ে গিয়েছিল, তোমাদের প্রাণ হয়েছিল কণ্ঠাগত এবং তোমরা আল্লাহর ব্যাপারে নানা রকম বিরূপ ধারণা পোষণ করছিলে" (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ১০) এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি খন্দক যুদ্ধের দিন অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، في قوله عز وجل { اذ جاءوكم من فوقكم ومن اسفل منكم واذ زاغت الابصار وبلغت القلوب الحناجر} قالت كان ذلك يوم الخندق
আবূ বাকর ইবনু আবু শইবাহ্ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর বাণীঃ “কোন সহধর্মিণী যদি তার স্বামীর দুর্ব্যবহার ও উপেক্ষার আশঙ্কা করে, তবে স্বামী-স্ত্রী যদি সমঝোতা করতে চায় তাদের কোন দোষ নেই এবং সমঝোতা (সন্ধি) সর্বাবস্থায়ই উত্তম”- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৮) তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ মহিলাদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে, যে এমন একজন পুরুষের কাছে ছিল, যার সাহচর্যে সে দীর্ঘদিন ছিল। এখন সে তাকে তালাক দিতে চায়। আর মহিলা বলে, আমাকে তালাক দিও না বরং আমাকে তোমার সাথে থাকতে দাও। তবে তোমার জন্য আমার পক্ষ হতে অন্য স্ত্রী গ্রহণের অনুমতি থাকল। এ প্রসঙ্গে উপরোল্লিখিত আয়াতটি অবতীর্ণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبدة بن سليمان، حدثنا هشام، عن ابيه، عن عايشة، { وان امراة خافت من بعلها نشوزا او اعراضا} الاية قالت انزلت في المراة تكون عند الرجل فتطول صحبتها فيريد طلاقها فتقول لا تطلقني وامسكني وانت في حل مني . فنزلت هذه الاية
(…) আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। আল্লাহর বাণীঃ “কোন স্ত্রী যদি তার স্বামীর অসদাচরণ ও উপেক্ষার আশঙ্কা করে তবে তারা আপোষ-মীমাংসা করতে চাইলে তাদের কোন দোষ নেই বরং সমঝোতাই (সন্ধিই) উত্তম”— (সূরা আন নিসা ৪ঃ ১২৮) তিনি এর ব্যাখ্যায় বলেন, এ আয়াতটি ঐ মহিলা সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে, যে এমন একজন পুরুষের কাছে ছিল, সম্ভবতঃ সে তার প্রতি ভালবাসা ও আকর্ষণ অনুভব করে না। অথচ সে তার দীর্ঘ সাহচর্যে ছিল এবং তার সন্তান-সন্ততিও রয়েছে। ফলে সে তার স্বামী হতে পৃথক হওয়া অপছন্দ করছে। তখন উক্ত মহিলা তাকে বলছে, তুমি আমার পক্ষ হতে মুক্ত (অন্য স্ত্রী গ্রহণে অনুমতি থাকল)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام، عن ابيه، عن عايشة، في قوله عز وجل { وان امراة خافت من بعلها نشوزا او اعراضا} قالت نزلت في المراة تكون عند الرجل فلعله ان لا يستكثر منها وتكون لها صحبة وولد فتكره ان يفارقها فتقول له انت في حل من شاني
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ... উরওয়াহ্ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন। তিনি (উরওয়াহ) বলেন, “আয়িশাহ (রাযিঃ) আমাকে বলেছেনঃ হে ভাগ্নে! লোকেদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহাবাদের জন্য মাফ চাইতে আদেশ দেয়া হয়েছিল, কিন্তু তারা তাদের গাল-মন্দ করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو معاوية، عن هشام بن عروة، عن ابيه، قال قالت لي عايشة يا ابن اختي امروا ان يستغفروا، لاصحاب النبي صلى الله عليه وسلم فسبوهم
(…/...) আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) এর সূত্রে এ সানাদে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৫৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام، بهذا الاسناد مثله
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয আল আম্বারী (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুফাবাসী লোকেরা মহান আল্লাহর এ বাণীকে কেন্দ্র করে মতভেদে লিপ্ত হলঃ "কেউ স্বেচ্ছায় স্বজ্ঞানে কোন মুমিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম; সেখানে সে স্থায়ী হবে এবং আল্লাহ তার প্রতি রুষ্ট হবেন, তাকে লা’নাত করবেন এবং তার জন্য মহাশাস্তি প্রস্তুত করবেন"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৯৩) এ আয়াত সম্পর্কে দ্বিমত পোষণ করলে আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে আসলাম এবং তাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এ আয়াত শেষ পর্যায়ে নাযিল হয়েছে। সুতরাং অন্য কোন আয়াত সেটাকে মানসুখ করতে পারেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبيد الله بن معاذ العنبري، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن المغيرة بن النعمان، عن سعيد بن جبير، قال اختلف اهل الكوفة في هذه الاية { ومن يقتل مومنا متعمدا فجزاوه جهنم} فرحلت الى ابن عباس فسالته عنها فقال لقد انزلت اخر ما انزل ثم ما نسخها شىء
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... শু’বাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু মুহাম্মদ ইবনু জাফার এর বর্ণনায় আছে فِي آخِرِ مَا أُنْزِلَ ঐ আয়াত সর্বশেষ নাযিল হওয়া আয়াতের অন্তর্ভুক্ত। আর নায্র এর হাদীসের মধ্যে রয়েছে إِنَّهَا لَمِنْ آخِرِ مَا أُنْزِلَتْ নিশ্চয় ঐ আয়াত সর্বশেষ নাযিল হওয়া আয়াতগুলোর অন্তর্ভুক্ত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثنا اسحاق، بن ابراهيم اخبرنا النضر، قالا جميعا حدثنا شعبة، بهذا الاسناد . في حديث ابن جعفر نزلت في اخر ما انزل . وفي حديث النضر انها لمن اخر ما انزلت