Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪১ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আবযা আমাকে নিম্নোক্ত দুটি আয়াতের ব্যাপারে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করার জন্য আদেশ দিলেন। তন্মধ্যে প্রথমটি হলো, "কেউ স্বেচ্ছায় কোন মুমিনকে হত্যা করলে"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৯৩) এর হুকুম সম্বন্ধে আমি তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, কোন আয়াত এ আয়াতটিকে রহিত করেনি। আর দ্বিতীয় আয়াতটি হচ্ছে, "এবং তারা আল্লাহর সঙ্গে কোন মা’বূদকে আহ্বান করে না। আল্লাহ যার হত্যা বারণ করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না"- (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৬৮)। এ সম্পর্কে আমি তাকে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, এ আয়াতটি মুশরিকদের বিষয়ে নাযিল হয়েছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن منصور، عن سعيد بن جبير، قال امرني عبد الرحمن بن ابزى ان اسال ابن عباس، عن هاتين الايتين، { ومن يقتل مومنا متعمدا فجزاوه جهنم خالدا فيها} فسالته فقال لم ينسخها شىء . وعن هذه الاية { والذين لا يدعون مع الله الها اخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله الا بالحق} قال نزلت في اهل الشرك
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, "এবং তারা আল্লাহ ছাড়া কোন মা’বুদকে ডাকে না। আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন যথার্থ কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে। কিয়ামতের দিন তার শাস্তি দ্বিগুণ করা হবে এবং সেখানে স্থায়ী হবে লাঞ্ছিত অবস্থায়"- (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৬৮)। উক্ত আয়াতটি মাক্কায় অবতীর্ণ হবার পর মুশরিকরা বলতে আরম্ভ করল যে, ইসলাম গ্রহণ করলে আমাদের কি উপকার হবে, আমরা তো আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার স্থাপন করেছি, যাদেরকে হত্যা করা আল্লাহ হারাম করেছেন, তাদের হত্যা করেছি এবং অশ্লীল কাজ-কর্মে লিপ্ত হয়েছি। তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করেন, “তারা নয় যারা তওবা করে, ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে। আল্লাহ তাদের পাপরাশি পুণ্যের দ্বারা পরিবর্তন করে দিবেন। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু” (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৭০)। অতঃপর ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করল এবং ইসলাম সম্বন্ধে যথাযথ উপলব্ধি অর্জন করল তারপর হত্যা করল, তার তওবা কবুলযোগ্য নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني هارون بن عبد الله، حدثنا ابو النضر، هاشم بن القاسم الليثي حدثنا ابو معاوية، - يعني شيبان - عن منصور بن المعتمر، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس،قال نزلت هذه الاية بمكة { والذين لا يدعون مع الله الها اخر} الى قوله { مهانا} فقال المشركون وما يغني عنا الاسلام وقد عدلنا بالله وقد قتلنا النفس التي حرم الله واتينا الفواحش فانزل الله عز وجل { الا من تاب وامن وعمل عملا صالحا} الى اخر الاية . قال فاما من دخل في الاسلام وعقله ثم قتل فلا توبة له
আবদুল্লাহ ইবনু হাশিম ও আবদুর রহমান ইবনু বিশর আল আবদী (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বললাম, যে লোক স্বেচ্ছায় কোন মুমিনকে হত্যা করে তার তওবা গ্রহণযোগ্য হবে কি? তিনি বললেন, না, গ্রহণযোগ্য হবে না। এরপর আমি তার কাছে সূরা আল ফুরকানে বর্ণিত উল্লেখিত আয়াতটি পাঠ করলাম, “যারা আল্লাহর সঙ্গে কোন মা’বুদকে ডাকে না। আল্লাহ যার হত্যা বারণ করেছেন যথোপযুক্ত কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচারও করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে”— (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৬৮)। তিনি বললেন, এটা তো হচ্ছে মাক্কী আয়াত। মাদানী আয়াত সেটাকে মানসুখ করে দিয়েছে। আর তা হলো, "যে ব্যক্তি স্বেচ্ছায় কোন মুমিনকে হত্যা করে তার আযাব জাহান্নাম"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৯৬)। কিন্তু ইবনু হাশিম এর বর্ণনায় রয়েছে যে, অতঃপর আমি তার কাছে সূরা আল ফুরকানে উল্লেখিত إِلاَّ مَنْ تَابَ (সূরা আল ফুরকান ২৫ঃ ৭০) আয়াতটি তিলাওয়াত করলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبد الله بن هاشم، وعبد الرحمن بن بشر العبدي، قالا حدثنا يحيى، - وهو ابن سعيد القطان - عن ابن جريج، حدثني القاسم بن ابي بزة، عن سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس المن قتل مومنا متعمدا من توبة قال لا . قال فتلوت عليه هذه الاية التي في الفرقان { والذين لا يدعون مع الله الها اخر ولا يقتلون النفس التي حرم الله الا بالحق} الى اخر الاية . قال هذه اية مكية نسختها اية مدنية { ومن يقتل مومنا متعمدا فجزاوه جهنم خالدا} . وفي رواية ابن هاشم فتلوت هذه الاية التي في الفرقان{ الا من تاب}
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, হারূন ইবনু আবদুল্লাহ ও আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... উবাইদুল্লাহ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু উতবাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, তোমার কি জানা আছে? হারূন (রহঃ) বলেন, তিনি বলেছেন, কুরআনের সর্বশেষ নাযিলকৃত পূর্ণাঙ্গ সূরা কোনটি? আমি বললাম, হ্যাঁ, তা হলো إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ তিনি বললেন, তুমি সত্য বলেছ। ইবনু আবূ শাইবার বর্ণনায়آخر (সর্বশেষ) এর পরিবর্তে تَعْلَمُ أَىُّ سُورَةٍ কথাটি উল্লেখ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وهارون بن عبد الله، وعبد بن حميد، قال عبد اخبرنا وقال الاخران، حدثنا جعفر بن عون، اخبرنا ابو عميس، عن عبد المجيد بن سهيل، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، قال قال لي ابن عباس تعلم - وقال هارون تدري - اخر سورة نزلت من القران نزلت جميعا قلت نعم . { اذا جاء نصر الله والفتح} قال صدقت . وفي رواية ابن ابي شيبة تعلم اى سورة . ولم يقل اخر
ইসহাক ইবনু ইব্রাহীম (রহঃ) ..... আবু উমায়স (রহঃ) হতে এ সূত্রে উপরের হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তিনি তার বর্ণনায় آخِرَ سُورَةٍ বলেছেন। আর তিনি ইবনু সুহায়ল’ না বলে শুধু 'আবদুল মজীদ' বাক্যটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৬, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا ابو معاوية، حدثنا ابو عميس، بهذا الاسناد مثله وقال اخر سورة وقال عبد المجيد ولم يقل ابن سهيل
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আহমাদ ইবনু আবদাহ আয যাব্বী (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক লোক একটি ছোট্ট বকরীর পাল চরাচ্ছিল, এমতাবস্থায় কতক মুসলিম তার কাছে আগমন করলে সে বলল, 'আস্সালামু আলাইকুম'। এতদসত্ত্বেও তারা তাকে পাকড়াও করল। অতঃপর তারা তাকে হত্যা করতঃ তার এ ছোট্ট বকরীর পালটি নিয়ে নিল। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে অবতীর্ণ হলোঃ "যারা তোমাদেরকে সালাম করে, ইহ-জীবনের সম্পদের লালসায় তাকে বলো না, তুমি ঈমানদার নও"- (সূরা আন নিসা ৪ঃ ৯৪)। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) السَّلاَمَ বলেছেন, তবে কেউ কেউ سلم আলিফ ছাড়া পাঠ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، واسحاق بن ابراهيم، واحمد بن عبدة الضبي، - واللفظ لابن ابي شيبة - قال حدثنا وقال الاخران، اخبرنا سفيان، عن عمرو، عن عطاء، عن ابن عباس، قال لقي ناس من المسلمين رجلا في غنيمة له فقال السلام عليكم . فاخذوه فقتلوه واخذوا تلك الغنيمة فنزلت { ولا تقولوا لمن القى اليكم السلم لست مومنا} وقراها ابن عباس السلام
আবু বকর ইবনু আবু শাইবাহ, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... বারা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসারী লোকেরা হজ্জ সমাপ্তি শেষে বাড়ী ফেরার পর দরজা দিয়ে প্রবেশ না করে পেছন দিক থেকে ঘরে প্রবেশ করত। অতঃপর এক আনসারী সহাবা দরজা দিয়ে প্রবেশ করলে এ ব্যাপারে তাকে কিছু (ভাল-মন্দ) বলা হলে "পেছন দিক দিয়ে তোমাদের বাড়ীতে ঢুকাতে কোন সাওয়াব নেই" (সুরাহ্ আল বাকারাহ ২ঃ ১৮৯) এ আয়াতটি অবতীর্ণ হলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، ح وحدثنا محمد بن المثنى، وابن بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن ابي اسحاق، قال سمعت البراء، يقول كانت الانصار اذا حجوا فرجعوا لم يدخلوا البيوت الا من ظهورها - قال - فجاء رجل من الانصار فدخل من بابه فقيل له في ذلك فنزلت هذه الاية {وليس البر بان تاتوا البيوت من ظهورها}
—(২৪/৩০২৭) ইউনুস ইবনু আবদুল আ’লা আস্ সাদাফী (রহঃ) ..... ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের ইসলাম গ্রহণ করা ও নিম্নোক্ত আয়াত তথা "যারা ঈমান আনে আল্লাহর স্মরণে তাদের অন্তর কি ভক্তিতে বিগলিত হওয়ার সময় আসেনি" (সূরা আল হাদীদ ৫৭ঃ ১৬) এর দ্বারা আমাদেরকে উপহাস করার মধ্যে চার বছরের ব্যবধান ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৬৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني يونس بن عبد الاعلى الصدفي، اخبرنا عبد الله بن وهب، اخبرني عمرو، بن الحارث عن سعيد بن ابي هلال، عن عون بن عبد الله، عن ابيه، ان ابن مسعود، قال ما كان بين اسلامنا وبين ان عاتبنا الله بهذه الاية { الم يان للذين امنوا ان تخشع قلوبهم لذكر الله} الا اربع سنين
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ও আবু বকর ইবনু নাফি (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, স্ত্রীলোকেরা উলঙ্গ অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করত এবং বলত, কে আমাকে একটি কাপড় ধার দিবে? এর দ্বারা উদ্দেশ্য স্বীয় লজ্জাস্থান ঢাকা। আর এটাও বলত, আজ খুলে যাচ্ছে কিয়দংশ বা পূর্ণাংশ। তবে যে অংশটা খুলে সেটা আমি আর কখনো হালাল করব না। তখন অবতীর্ণ হলো, "প্রত্যেক সালাতের সময় সৌন্দর্য অবলম্বন করবে"- (সূরা আল আ’রাফ ৭ঃ ৩১)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، ح وحدثني ابو بكر بن نافع، - واللفظ له - حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن سلمة بن كهيل، عن مسلم البطين، عن سعيد بن، جبير عن ابن عباس، قال كانت المراة تطوف بالبيت وهي عريانة فتقول من يعيرني تطوافا تجعله على فرجها وتقول اليوم يبدو بعضه او كله فما بدا منه فلا احله فنزلت هذه الاية { خذوا زينتكم عند كل مسجد}
আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই ইবনু সালুল তার বাদীকে বলত, যাও বেশ্যাবৃত্তির মাধ্যমে সম্পদ উপার্জন করে নিয়ে এসো। তখন আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করলেন, “তোমাদের বাদীদেরকে সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত করতে বাধ্য করবে না। আর যে তাদেরকে বাধ্য করে, তবে তাদের (দাসীদের) উপর জবর-দস্তির পর আল্লাহ তো (দাসীদের জন্য) ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু” (সূরা আন নূর ২৪ঃ ৩৩)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب جميعا عن ابي معاوية، - واللفظ لابي كريب - حدثنا ابو معاوية، حدثنا الاعمش، عن ابي سفيان، عن جابر، قال كان عبد الله بن ابى ابن سلول يقول لجارية له اذهبي فابغينا شييا فانزل الله عز وجل { ولا تكرهوا فتياتكم على البغاء ان اردن تحصنا لتبتغوا عرض الحياة الدنيا ومن يكرههن فان الله من بعد اكراههن} لهن { غفور رحيم}
আবু কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... জাবির (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই এর দু’জন বাদী ছিল। একজনের নাম ছিল মুসাইকাহ এবং অপরজনের নাম ছিল উমাইমাহ। সে দু’জন বাদীকে দিয়ে জোরপূর্বক বেশ্যাবৃত্তি করাতো। তাই তারা এ বিষয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অভিযোগ করল। তখন আল্লাহ তা’আলা নাযিল করলেনঃ “তোমাদের বাদীরা সতীত্ব রক্ষা করতে চাইলে পার্থিব জীবনের ধন-লালসায় তাদেরকে ব্যভিচারে লিপ্ত হতে জোর-জবরদস্তি করবে না। আর যে তাদেরকে জোর জবরদস্তি করে তবে তাদের (বাদীদের) উপর জবরদস্তির পর আল্লাহ তো ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني ابو كامل الجحدري، حدثنا ابو عوانة، عن الاعمش، عن ابي سفيان، عن جابر، ان جارية، لعبد الله بن ابى ابن سلول يقال لها مسيكة واخرى يقال لها اميمة فكان يكرههما على الزنى فشكتا ذلك الى النبي صلى الله عليه وسلم فانزل الله { ولا تكرهوا فتياتكم على البغاء} الى قوله { غفور رحيم}
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ‘আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ “তারা যাদেরকে আহবান করে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্য লাভের উপায় খোঁজ করে"- (সূরা আল ইসরা ১৭ঃ ৫৭) এর ব্যাখ্যায় বলেন, একদা একদল জিন ইসলাম গ্রহণ করলো। (একদল মানুষ) তাদের (জিনদের) পূজা করতো। কিন্তু পূজায় রত এ লোকগুলো তাদের পূজাতেই অটল থাকল। অথচ জিনের একদল ইসলাম গ্রহণ করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الله بن ادريس، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن ابي معمر، عن عبد الله، في قوله عز وجل { اوليك الذين يدعون يبتغون الى ربهم الوسيلة ايهم اقرب} قال كان نفر من الجن اسلموا وكانوا يعبدون فبقي الذين كانوا يعبدون على عبادتهم وقد اسلم النفر من الجن
হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মহান আল্লাহর বাণীঃ “তারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যার্জনের উপায় খোজ করে"- (সূরাহ্ আল ইসরা ১৭ঃ ৫৭)-এর ব্যাখ্যায় বলেন, অত্র আয়াতটি আরবের এক দল লোক সম্বন্ধে নাযিল হয়েছে। তারা কতগুলো জিনের আরাধনা করত। অতঃপর জিনেরা তো ইসলাম গ্রহণ করলো; কিন্তু তাদের ইবাদাতে রত এ মানুষগুলো তা বুঝতে পারল না। তখন অবতীর্ণ হলো, "তারা যাদেরকে ডাকে তারাই তো তাদের প্রতিপালকের নৈকট্যার্জনের উপায় সন্ধানে লিপ্ত থাকে"- (সুরাহ্ আল ইসরা ১৭ঃ ৫৭)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثني ابي، حدثنا حسين، عن قتادة، عن عبد الله بن معبد الزماني، عن عبد الله بن عتبة، عن عبد الله بن، مسعود { اوليك الذين يدعون يبتغون الى ربهم الوسيلة} قال نزلت في نفر من العرب كانوا يعبدون نفرا من الجن فاسلم الجنيون والانس الذين كانوا يعبدونهم لا يشعرون فنزلت { اوليك الذين يدعون يبتغون الى ربهم الوسيلة}
আবদুল্লাহ ইবনু মুতী' (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু জুবায়র (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর কাছে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, সূরা আত তওবা। বরং এটা হচ্ছে অপমানকারী সূরাহ্। এ সূরাতে কেবল مِنْهُمْ - مِنْهُمْ (এদের মধ্যে, এদের মধ্যে) বর্ণিত হয়েছে। ফলে মানুষেরা ধারণা করতে লাগল যে, এ সূরায় আমাদের কেউ আলোচনা ব্যতীত অবশিষ্ট থাকবে না, সকলের দুর্বলতা তুলে ধরবে। অতঃপর আমি বললাম, সূরা আল আনফাল। এ কথা শুনে তিনি বললেন, এ সূরা তো বাদর যুদ্ধের পটভূমিতে নাযিল হয়েছে। এরপর আমি সূরা আল হাশরের কথা বললাম। তিনি বললেন, এতো বানু নায়ীর গোত্র সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عبد الله بن مطيع، حدثنا هشيم، عن ابي بشر، عن سعيد بن جبير، قال قلت لابن عباس سورة التوبة قال التوبة قال بل هي الفاضحة ما زالت تنزل ومنهم ومنهم . حتى ظنوا ان لا يبقى منا احد الا ذكر فيها . قال قلت سورة الانفال قال تلك سورة بدر . قال قلت فالحشر قال نزلت في بني النضير
আবূ বাকর ইবনু শাইবাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন উমর (রাযিঃ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মিম্বারে উঠে খুৎবাহ প্রদান করতঃ প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা এবং গুণকীর্তন করলেন। অতঃপর বললেন- মদ হারাম হওয়ার বিধান যেদিন অবতীর্ণ হওয়ার অবতীর্ণ হয়েছে। তখন তা পাঁচটি জিনিস হতে বানানো হতো, গম, যব, খেজুর, আঙ্গুর এবং মধু হতে। আর যা মানুষের বিবেকবুদ্ধি বিলোপ করে দেয়, তা-ই মদ। আর তিনটি বিষয়, হে লোক সকল! আমার প্রত্যাশা। যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে দাদার (পরিত্যক্ত সম্পত্তি), কালালাহ্ (নিঃসন্তান ব্যক্তির পরিত্যাজ্য সম্পত্তি) এবং সুদের বিভিন্ন অধ্যায় সম্পর্কে (আরো স্পষ্ট) বলে যেতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، عن ابي حيان، عن الشعبي، عن ابن عمر، قال خطب عمر على منبر رسول الله صلى الله عليه وسلم فحمد الله واثنى عليه ثم قال اما بعد الا وان الخمر نزل تحريمها يوم نزل وهى من خمسة اشياء من الحنطة والشعير والتمر والزبيب والعسل . والخمر ما خامر العقل وثلاثة اشياء وددت ايها الناس ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عهد الينا فيها الجد والكلالة وابواب من ابواب الربا
আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মিম্বারে উঠে খুৎবাহ রত অবস্থায় এ কথা বলতে শুনেছি যে, অতঃপর হে লোক সকল! মদ হারাম হওয়ার বিধান অবতীর্ণ হয়েছে। তা পাঁচটি জিনিস হতে বানানো হয়। আঙ্গুর, খেজুর, মধু, গম ও যব হতে। আর যা মানুষের হিতাহিত জ্ঞান বিলুপ্ত করে দেয় তা-ই মদ। আর তিনটি বিষয়, হে লোক সকল! আমার মনের কামনা, যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে (নিম্নোক্ত কতিপয় বিষয়ে) আরো বিশদভাবে সুস্পষ্টভাবে বলে যেতেন তবে তো আমরা এ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পৌছে যেতে পারতাম। আর তা হচ্ছে, দাদার (মীরাস বণ্টন), কালালাহ্ (নিঃসন্তান ব্যক্তির পরিত্যাজ্য সম্পত্তি) এবং সুদের কতিপয় বিষয়াদি সম্পর্কিত বিধান বলে দিতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، اخبرنا ابن ادريس، حدثنا ابو حيان، عن الشعبي، عن ابن، عمر قال سمعت عمر بن الخطاب، على منبر رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول اما بعد ايها الناس فانه نزل تحريم الخمر وهى من خمسة من العنب والتمر والعسل والحنطة والشعير والخمر ما خامر العقل وثلاث ايها الناس وددت ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان عهد الينا فيهن عهدا ننتهي اليه الجد والكلالة وابواب من ابواب الربا
আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবু হাইয়্যান (রহঃ) হতে এ সূত্রে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে ইবনু উলাইয়্যাহ আবু ইদরীস এর মতো তার হাদীসে (আঙ্গুর) বাক্যটি উল্লেখ করেছেন। আর রাবী ঈসা ইবনু মুসহির (রহঃ) এর ন্যায় তার হাদীসের মধ্যে عِنَبِ (আঙ্গুর) শব্দটি উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا اسماعيل ابن علية، ح وحدثنا اسحاق، بن ابراهيم اخبرنا عيسى بن يونس، كلاهما عن ابي حيان، بهذا الاسناد . بمثل حديثهما غير ان ابن علية في حديثه العنب . كما قال ابن ادريس وفي حديث عيسى الزبيب . كما قال ابن مسهر
আমর ইবনু যুরারাহ (রহঃ) ..... আবু যর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি শপথ করে বলতেন, "তারা দু’টি বিবদমান পক্ষ তাদের পালনকর্তা সম্পর্কে বাক-বিতণ্ডা করে"- (সূরা আল হাজ্জ ২২ঃ ১৯) আল্লাহর এ বাণী ঐ লোকেদের সম্বন্ধেই অবতীর্ণ হয়েছে, যারা বদরের দিন যুদ্ধ করার জন্য যুদ্ধ ক্ষেত্রে অবতরণ করেছিল। এদের একদিকে ছিলেন হামযাহ, ‘আলী ও উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রাযিঃ) আর অপরদিকে ছিল, উতবাহ ও শাইবাহ রাবী’আর দু' পুত্র এবং ওয়ালীদ ইবনু উতবাহ্। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৮০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو بن زرارة، حدثنا هشيم، عن ابي هاشم، عن ابي مجلز، عن قيس، بن عباد قال سمعت ابا ذر، يقسم قسما ان { هذان خصمان اختصموا في ربهم} انها نزلت في الذين برزوا يوم بدر حمزة وعلي وعبيدة بن الحارث وعتبة وشيبة ابنا ربيعة والوليد بن عتبة
(…/...) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ, মুহাম্মদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) .... আবু যর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি শপথ করে বলতেন, هَذَانِ خَصْمَانِ আয়াতটি অবতীর্ণ হয়েছে- অতঃপর হুশায়মের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৭২৮১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، جميعا عن سفيان، عن ابي هاشم، عن ابي مجلز، عن قيس بن عباد، قال سمعت ابا ذر، يقسم لنزلت { هذان خصمان} بمثل حديث هشيم