Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮২ হাদিসসমূহ
আমর আন্ নাকিদ (রহঃ) ..... যাইনাব বিনতু জাহশ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুম থেকে জাগ্রত হয়ে বললেনঃ “লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’-এর নিকট ভবিষ্যতে সংঘটিত ফিতনায় আরবরা ধ্বংস হয়ে যাবে। আজ ইয়া'জুজ-মা'জুজ এর দেয়াল এতটুকু পরিমাণ খুলে গেছে। এ সময় সুফইয়ান নিজ হাত দ্বারা* দশের গিট বানালেন। তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মাঝে নেক লোক থাকা সত্ত্বেও কি আমরা ধ্বংস হয়ে যাব? উত্তরে তিনি বললেন, হ্যাঁ, যখন পাপাচার অধিক পরিমাণে হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن زينب، بنت ام سلمة عن ام حبيبة، عن زينب بنت جحش، ان النبي صلى الله عليه وسلم استيقظ من نومه وهو يقول " لا اله الا الله ويل للعرب من شر قد اقترب فتح اليوم من ردم ياجوج وماجوج مثل هذه " . وعقد سفيان بيده عشرة . قلت يا رسول الله انهلك وفينا الصالحون قال " نعم اذا كثر الخبث
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, সাঈদ ইবনু আমর আল আশ’আসী, যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু আবু উমর (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে এতে তারা عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ حَبِيبَةَ، عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ অর্থাৎ সানাদে হাবীবার নাম অতিরিক্ত বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وسعيد بن عمرو الاشعثي، وزهير بن حرب، وابن، ابي عمر قالوا حدثنا سفيان، عن الزهري، بهذا الاسناد . وزادوا في الاسناد عن سفيان، فقالوا عن زينب بنت ابي سلمة، عن حبيبة، عن ام حبيبة، عن زينب بنت جحش،
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী যাইনাব বিনতু জাহশ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় বের হলেন। তখন তার বারাকাতময় চেহারা লাল বর্ণ ধারণ করলো। তিনি বলছিলেন, লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’। আরব বিশ্বের আগত অকল্যাণের দরুন বড়ই পরিতাপ যা প্রায় ঘনিয়ে আসছে। আজ ইয়া'জুজ মা'জুজ এর প্রাচীর এতটুকু পরিমাণ উন্মুক্ত হয়ে গেছে। এ সময় তিনি তার বৃদ্ধাঙ্গুলি ও শাহাদাত অঙ্গুলির দ্বারা বেড় বানালেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমাদের মাঝে অনেক সৎ লোক থাকা অবস্থায়ও কি আমরা ধ্বংসপ্রাপ্ত হব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, যখন পাপাচার অধিক পরিমাণে বেড়ে যাবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، اخبرني يونس، عن ابن شهاب، اخبرني عروة بن الزبير، ان زينب بنت ابي سلمة، اخبرته ان ام حبيبة بنت ابي سفيان اخبرتها ان زينب بنت جحش زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يوما فزعا محمرا وجهه يقول " لا اله الا الله ويل للعرب من شر قد اقترب فتح اليوم من ردم ياجوج وماجوج مثل هذه " . وحلق باصبعه الابهام والتي تليها . قالت فقلت يا رسول الله انهلك وفينا الصالحون قال " نعم اذا كثر الخبث
(…/...) আবদুল মালিক ইবনু শু’আয়ব ইবনুল লায়স (রহঃ), ‘আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... ইবনু শিহাব (রহঃ) থেকে ইউনুস (রহঃ) এর সানাদে যুহরী (রহঃ) বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৪, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني ابي، عن جدي، حدثني عقيل بن، خالد ح وحدثنا عمرو الناقد، حدثنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد، حدثنا ابي، عن صالح، كلاهما عن ابن شهاب، بمثل حديث يونس عن الزهري، باسناده
আবু বকর ইবনু শাইবাহ (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) এর সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আজ ইয়া'জুজ ও মা'জুজ পরিবেষ্টিত প্রাচীর এ পরিমাণ উন্মুক্ত হয়ে গেছে। এ সময় রাবী উহায়ব (রহঃ) নিজ হাতের দ্বারা নব্বই সংখ্যার গিরা বা বেড়ী তৈরি করে দেখালেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৫, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا احمد بن اسحاق، حدثنا وهيب، حدثنا عبد، الله بن طاوس عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " فتح اليوم من ردم ياجوج وماجوج مثل هذه " . وعقد وهيب بيده تسعين
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ, আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... উবাইদুল্লাহ ইবনু কিবতিয়্যাহ্ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হারিস ইবনু আবূ রাবী’আহ এবং ‘আবদুল্লাহ ইবনু সুফইয়ান (রহঃ) দু’জনেই উম্মুল মুমিনীন উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) এর কাছে গেলেন। আমিও তাদের সঙ্গে ছিলাম। তারা তাকে ঐ বাহিনী সম্বন্ধে প্রশ্ন করলেন, যারা ভূমিতে ধ্বসে যাবে। তখন ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর খিলাফতকাল ছিল। উত্তরে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জনৈক আশ্রয় গ্রহণকারী বাইতুল্লাহ শরীফে আশ্রয় গ্রহণ করবে। তখন তার বিরুদ্ধে একটি বাহিনী প্রেরণ করা হবে। তারা যখন “বাইদা” নামক এক মাঠে অবস্থান নিবে তখন তারা ভূমিতে ধ্বসে যাবে। এ কথা শুনে আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! ঐ লোকের ব্যাপারে এ কি করে প্রযোজ্য হতে পারে যে অসন্তুষ্ট হৃদয়ে এ অভিযানে শামিল হয়েছে? উত্তরে তিনি বললেন, তাদের সঙ্গে তাকে সহ ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। তবে কিয়ামতের দিন তার উত্থান হবে স্বীয় নিয়াতের ভিত্তিতে। বর্ণনাকারী আবু জাফার (রহঃ) বলেন, এ "বাইদা" হলো মাদীনার নিকটবর্তী স্থান। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وابو بكر بن ابي شيبة واسحاق بن ابراهيم - واللفظ لقتيبة - قال اسحاق اخبرنا وقال الاخران، حدثنا جرير، عن عبد العزيز بن رفيع، عن عبيد الله ابن القبطية، قال دخل الحارث بن ابي ربيعة وعبد الله بن صفوان وانا معهما، على ام سلمة ام المومنين فسالاها عن الجيش الذي يخسف به وكان ذلك في ايام ابن الزبير فقالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يعوذ عايذ بالبيت فيبعث اليه بعث فاذا كانوا ببيداء من الارض خسف بهم " . فقلت يا رسول الله فكيف بمن كان كارها قال " يخسف به معهم ولكنه يبعث يوم القيامة على نيته " . وقال ابو جعفر هي بيداء المدينة
আহমাদ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... ‘আবদুল আযীয ইবনু রুফাই (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তাতে আছে, আমি আবু জাফার (রহঃ) এর সঙ্গে দেখা করে বললাম, উম্মু সালামাহ্ (রাযিঃ) তো “বাইদা” নামক এক ময়দানের কথা বলেছেন। আবূ জাফার (রহঃ) বললেন, কক্ষনো নয়, আল্লাহর শপথ! এতো মাদীনার "বাইদা" মাঠ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا عبد العزيز بن رفيع، بهذا الاسناد وفي حديثه قال فلقيت ابا جعفر فقلت انها انما قالت ببيداء من الارض فقال ابو جعفر كلا والله انها لبيداء المدينة
আমর আন্ নাকিদ ও ইবনু আবূ উমার (রহঃ) ..... হাফসাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছেন যে, একটি বাহিনী এ কা’বা গৃহের বিপক্ষে যুদ্ধ করার ইচ্ছা করবে। তারপর তারা যখন “বাইদা” নামক এক ময়দানে পদার্পণ করবে তখন তাদের মাঝের অংশটি ভূমিতে ধ্বসে যাবে। এ সময় অগ্রভাগের সৈন্যরা পশ্চাতের সৈন্যদেরকে উচ্চঃস্বরে ডাকতে থাকবে। অতঃপর প্রত্যেকেই ভূমিতে ধ্বসে যাবে। বেঁচে যাওয়া একটি ব্যক্তি ছাড়া তাদের কেউ আর বাকী থাকবে না। সে-ই তাদের সম্বন্ধে অন্যদেরকে খবর দিবে। এ কথা শুনে এক লোক বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি, তুমি হাফসাহ (রাযিঃ) এর উপর মিথ্যারোপ করনি এবং হাফসাহ (রাযিঃ) এর সম্বন্ধে আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনিও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর মিথ্যারোপ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، وابن ابي عمر، - واللفظ لعمرو - قالا حدثنا سفيان بن، عيينة عن امية بن صفوان، سمع جده عبد الله بن صفوان، يقول اخبرتني حفصة، انها سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " ليومن هذا البيت جيش يغزونه حتى اذا كانوا ببيداء من الارض يخسف باوسطهم وينادي اولهم اخرهم ثم يخسف بهم فلا يبقى الا الشريد الذي يخبر عنهم " . فقال رجل اشهد عليك انك لم تكذب على حفصة واشهد على حفصة انها لم تكذب على النبي صلى الله عليه وسلم
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমূন (রহঃ) ..... উম্মুল মু’মিনীন হাফসাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন সম্প্রদায় এ গৃহ তথা কাবার দায়িত্ব গ্রহণ করবে, যাদের প্রতিরোধ ক্ষমতা থাকবে না, থাকবে না তার উল্লেখযোগ্য সৈন্য সংখ্যা এবং থাকবে না তাদের আসবাব-সামগ্রী। তাদের বিপক্ষে একটি সৈন্যদল পাঠানো হবে। তারা উদ্ভিদ শূন্য এক ময়দানে আসতেই তাদেরকে ভূমিতে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। বর্ণনাকারী ইউসুফ (রহঃ) বলেন, এ সময় সিরিয়াবাসীরা মাক্কাবাসীদের সাথে যুদ্ধ করার জন্য আসছিল। ‘আবদুল্লাহ ইবনু সাফওয়ান (রহঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ। তারা এ সৈন্যবাহিনী নয়। বর্ণনাকারী যায়দ (রহঃ) উম্মুল মু’মিনীন থেকে ইউসুফ ইবনু মাহিক-এর হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। তবে আবদুল্লাহ ইবনু সাফওয়ান (রহঃ) যে সৈন্যদলের কথা বর্ণনা করেছেন তিনি সে বাহিনীর কথা বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৭৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا الوليد بن صالح، حدثنا عبيد الله بن، عمرو حدثنا زيد بن ابي انيسة، عن عبد الملك العامري، عن يوسف بن ماهك، اخبرني عبد الله بن صفوان، عن ام المومنين، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " سيعوذ بهذا البيت - يعني الكعبة - قوم ليست لهم منعة ولا عدد ولا عدة يبعث اليهم جيش حتى اذا كانوا ببيداء من الارض خسف بهم " . قال يوسف واهل الشام يوميذ يسيرون الى مكة فقال عبد الله بن صفوان اما والله ما هو بهذا الجيش . قال زيد وحدثني عبد الملك العامري، عن عبد الرحمن بن سابط، عن الحارث، بن ابي ربيعة عن ام المومنين، . بمثل حديث يوسف بن ماهك غير انه لم يذكر فيه الجيش الذي ذكره عبد الله بن صفوان
আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) ..... ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত পা নাড়ালেন। আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আজ রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় আপনি এমন আচরণ করেছেন, যা আগে আপনি কখনো করেননি। তিনি বললেনঃ আশ্চর্যের বিষয় এই যে, কুরায়শ বংশীয় জনৈক লোক বাইতুল্লাহ শরীফে আশ্রয় গ্রহণ করবে। তার কারণে আমার উম্মাতের একদল লোক বাইতুল্লাহর উপর আক্রমণের ইচ্ছা করবে। তারা রওনা হয়ে গাছপালাশূন্য ময়দানে আসতেই তাদের ভূমিতে ধ্বসিয়ে দেয়া হবে। এ কথা শুনে আমরা বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! বিভিন্ন ধরনের মানুষই তো রাস্তা দিয়ে চলে। উত্তরে তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তাদের মাঝে কেউ তো স্বেচ্ছায় আগমনকারী, কেউ অপারগ, আবার কেউ পথিক মুসাফির। তারা সবাই এক সঙ্গেই ধ্বংস হয়ে যাবে। তবে বিভিন্ন মিল্লাতের অনুসারী হিসেবে তাদেরকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে তাদের নিয়াতের ভিত্তিতে উখিত করবেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يونس بن محمد، حدثنا القاسم بن الفضل، الحداني عن محمد بن زياد، عن عبد الله بن الزبير، ان عايشة، قالت عبث رسول الله صلى الله عليه وسلم في منامه فقلنا يا رسول الله صنعت شييا في منامك لم تكن تفعله . فقال " العجب ان ناسا من امتي يومون بالبيت برجل من قريش قد لجا بالبيت حتى اذا كانوا بالبيداء خسف بهم " . فقلنا يا رسول الله ان الطريق قد يجمع الناس . قال " نعم فيهم المستبصر والمجبور وابن السبيل يهلكون مهلكا واحدا ويصدرون مصادر شتى يبعثهم الله على نياتهم
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আমর আন্ নাকিদ, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও ইবনু আবু উমর (রহঃ) ...... উসামাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। একদিন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার সুউচ্চ এক অট্টালিকার উপর আরোহী হয়ে বললেন, আমি যা কিছু দেখি তোমরা কি তা দেখছ? আমি তোমাদের ঘরের ভিতরে বৃষ্টিপাতের মতো দুর্যোগ নিপতিত হবার স্থানসমূহ দেখতে পাচ্ছি।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، واسحاق بن ابراهيم، وابن ابي عمر، - واللفظ لابن ابي شيبة - قال اسحاق اخبرنا وقال الاخرون، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الزهري، عن عروة، عن اسامة، ان النبي صلى الله عليه وسلم اشرف على اطم من اطام المدينة ثم قال " هل ترون ما ارى اني لارى مواقع الفتن خلال بيوتكم كمواقع القطر
(…/...) আব্দ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... যুহরী (রহঃ) হতে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণিত আছে (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮২, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، بهذا الاسناد نحوه
আমর আন নাকিদ, হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই এমন ফিতনাহর আত্মপ্রকাশ হবে, যখন উপবিষ্ট ব্যক্তি দণ্ডায়মান ব্যক্তি হতে উত্তম থাকবে। আর দণ্ডায়মান ব্যক্তি তখন চলমান ব্যক্তি হতে উত্তম থাকবে। আর চলমান ব্যক্তি তখন দ্রুতগামী ব্যক্তি হতে ভাল থাকবে। যে ব্যক্তি সে ফিতনায় যখন জড়িয়ে পড়বে তাকে সে ফিতনাহ ধ্বংস করে দিবে। আর যে ব্যক্তি কোন আশ্রয়স্থল পাবে, তার সেটা দ্বারা আশ্রয় নেয়া বাঞ্ছনীয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني عمرو الناقد، والحسن الحلواني، وعبد بن حميد، قال عبد اخبرني وقال، الاخران حدثنا يعقوب، - وهو ابن ابراهيم بن سعد - حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن، شهاب حدثني ابن المسيب، وابو سلمة بن عبد الرحمن ان ابا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ستكون فتن القاعد فيها خير من القايم والقايم فيها خير من الماشي والماشي فيها خير من الساعي من تشرف لها تستشرفه ومن وجد فيها ملجا فليعذ به
‘আমর আন নাকিদ, হাসান আল হুলওয়ানী ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ...... নাওফাল ইবনু মু’আবিয়াহ্ (রহঃ) থেকে আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর এ হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। কিন্তু আবু বাকর (রাযিঃ) এতে সালাতের কথা বর্ধিত উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, সালাতসমূহের মধ্যে এমন একটি সালাত আছে যার সে সালাত ছুটে গেল তার যেন পরিবার-পরিজন এবং সমুদয় ধন-সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেল।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عمرو الناقد، والحسن الحلواني، وعبد بن حميد، قال عبد اخبرني وقال، الاخران حدثنا يعقوب، حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، حدثني ابو بكر بن عبد الرحمن، عن عبد الرحمن بن مطيع بن الاسود، عن نوفل بن معاوية، . مثل حديث ابي هريرة هذا الا ان ابا بكر، يزيد " من الصلاة صلاة من فاتته فكانما وتر اهله وماله
(…) ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, অচিরেই ফিতনাহ দেখা দিবে। তখন ঘুমন্ত লোক জাগ্রত লোক থেকে ভাল থাকবে। আর জাগ্রত ব্যক্তি তখন দাঁড়ানো ব্যক্তি থেকে ভাল থাকবে এবং দণ্ডায়মান লোক দ্রুতগামী লোক হতে তখন ভাল থাকবে। তখন যদি কোন লোক আশ্রয়স্থল অথবা মুক্তস্থান পায় তবে তাতে তার আশ্রয় গ্রহণ করা উচিত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا ابو داود الطيالسي، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابيه، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " تكون فتنة النايم فيها خير من اليقظان واليقظان فيها خير من القايم والقايم فيها خير من الساعي فمن وجد ملجا او معاذا فليستعذ
আবু কামিল আল জাহদারী ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন (রহঃ) ..... উসমান আশ শাহহাম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুসলিম ইবনু আবূ বাকরাহ্ (রহঃ) তার স্বীয় ভূমিতে ছিলেন। এমতাবস্থায় আমি ও ফারকাদ সাবাখী তার নিকট গেলাম এবং তাকে প্রশ্ন করলাম, আপনি কি আপনার আব্বাকে বিপদাপদ সম্পর্কে কোন হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছেন? জবাবে তিনি বললেন, হ্যাঁ! আমি আবূ বাকরাহ্ (রাযিঃ) কে এ কথা বর্ণনা করতে শুনেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অচিরেই দুর্যোগ দেখা দিবে। সাবধান, সেখানে ফিতনাহ দেখা দিবে। তখন বসে থাকা লোক চলমান লোক থেকে নিরাপদ থাকবে। আর চলমান লোক তখন দ্রুতগামী লোক হতে ভাল থাকবে। সাবধান যখন ফিতনাহ আপতিত হবে অথবা সংঘটিত হবে, এমতাবস্থায় যে ব্যক্তি উটের মালিক সে তার উট নিয়ে ব্যস্ত থাকুক। আর যার বকরী আছে সে তার বকরী নিয়ে ব্যস্ত থাকুক এবং যার জমিন আছে সে তার জমিন নিয়ে ব্যতিব্যস্ত থাকুক। এ কথা শুনে তখন জনৈক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! যার উট, বকরী ও জমিন কিছুই নেই, সে কি করবে? জবাবে তিনি বললেন, সে তার তরবারি হাতে ধারণ করতঃ প্রস্তরাঘাতে সেটার ধারালো তীক্ষ অংশ চূর্ণ-বিচূর্ণ করে ফেলবে। অতঃপর সে নিরাপদে থাকা সম্ভব হলে নিরাপদে থাকুক। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আমি কি পৌছিয়ে দিয়েছি? হে আল্লাহ! আমি কি পৌছিয়ে দিয়েছি? হে আল্লাহ! আমি কি পৌছিয়ে দিয়েছি? এ সময় জনৈক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! যদি চাপ সৃষ্টি করে দু’ সারির কোন একটিতে অথবা দু’ দলের কোন এক দলে আমাকে নিয়ে যাওয়া হয়, আর কোন এক লোক তার তরবারি দিয়ে আমাকে আঘাত করে বা তীর এসে আমার গায়ে লাগে এবং আমাকে সে মেরে ফেলে, তবে আমার অবস্থা কি হবে? উত্তরে তিনি বললেন, তবে সে তার এবং তোমার পাপের বোঝা বহন করবে এবং চিরস্থায়ী জাহান্নামে পতিত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو كامل الجحدري، فضيل بن حسين حدثنا حماد بن زيد، حدثنا عثمان، الشحام قال انطلقت انا وفرقد السبخي، الى مسلم بن ابي بكرة وهو في ارضه فدخلنا عليه فقلنا هل سمعت اباك يحدث في الفتن حديثا قال نعم سمعت ابا بكرة يحدث قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انها ستكون فتن الا ثم تكون فتنة القاعد فيها خير من الماشي فيها والماشي فيها خير من الساعي اليها الا فاذا نزلت او وقعت فمن كان له ابل فليلحق بابله ومن كانت له غنم فليلحق بغنمه ومن كانت له ارض فليلحق بارضه " . قال فقال رجل يا رسول الله ارايت من لم يكن له ابل ولا غنم ولا ارض قال " يعمد الى سيفه فيدق على حده بحجر ثم لينج ان استطاع النجاء اللهم هل بلغت اللهم هل بلغت اللهم هل بلغت " . قال فقال رجل يا رسول الله ارايت ان اكرهت حتى ينطلق بي الى احد الصفين او احدى الفيتين فضربني رجل بسيفه او يجيء سهم فيقتلني قال " يبوء باثمه واثمك ويكون من اصحاب النار
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবু কুরায়ব, মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... উসমান আশ শাহহাম (রহঃ) হতে এ সূত্রে ইবনু আবূ আদী (রহঃ) এর হাদীসটি হাম্মদ এর হাদীসের অবিকল শেষ পর্যন্ত বর্ণিত আছে। কিন্তু إِنِ اسْتَطَاعَ النَّجَاءَ অর্থাৎ "নিরাপদে থাকা সম্ভব হলে নিরাপদে থাকুক" পর্যন্ত ওয়াকী (রহঃ) এর হাদীসটি সমাপ্ত হয়েছে। এর পরবর্তী অংশটি তিনি আর বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا وكيع، ح وحدثني محمد، بن المثنى حدثنا ابن ابي عدي، كلاهما عن عثمان الشحام، بهذا الاسناد . حديث ابن ابي عدي نحو حديث حماد الى اخره وانتهى حديث وكيع عند قوله " ان استطاع النجاء " . ولم يذكر ما بعده
আবূ কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন আল জাহদারী (রহঃ) ..... আহনাফ ইবনু কায়স (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন আমি বের হলাম। এ লোকটিকে সহযোগিতা করা আমার অভিপ্রায় ছিল। এমন সময় আবু বাকরাহ (রাযিঃ) এর সঙ্গে আমার দেখা হলো। তখন তিনি বললেন, হে আহনাফ! তুমি কোথায় যেতে চাচ্ছ? তিনি বলেন, আমি বললাম, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাচাত ভাই আলী (রাযিঃ)-কে সহযোগিতা করার জন্য আমি যেতে চাচ্ছি। আহনাফ (রাযিঃ) বলেন, অতঃপর তিনি আমাকে বললেন, হে আহনাফ চলে যাও। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আমি এ কথা বলতে শুনেছি, যখন দু’জন মুসলিম তরবারি নিয়ে পরস্পর যুদ্ধ করে তখন হত্যাকারী ও নিহত ব্যক্তি দু’জনেই জাহান্নামী হবে। এ কথা শুনে আমি বললাম অথবা বলা হলো, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত্যাকারীর অবস্থা তো এ-ই, তবে নিহত ব্যক্তির অপরাধ কি? জবাবে তিনি বললেন, সে তার সাথীকে হত্যা করার প্রচেষ্টায় জড়িয়ে ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني ابو كامل، فضيل بن حسين الجحدري حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، ويونس عن الحسن، عن الاحنف بن قيس، قال خرجت وانا اريد، هذا الرجل فلقيني ابو بكرة فقال اين تريد يا احنف قال قلت اريد نصر ابن عم رسول الله صلى الله عليه وسلم - يعني عليا - قال فقال لي يا احنف ارجع فاني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " اذا تواجه المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول في النار " . قال فقلت او قيل يا رسول الله هذا القاتل فما بال المقتول قال " انه قد اراد قتل صاحبه
আহমাদ ইবনু আবদাল্লাহ আয যাব্বী (রহঃ) ..... আবূ বাকরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি দু’জন মুসলিম তরবারি নিয়ে পরস্পর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে তবে হত্যাকারী ও নিহত দু’ ব্যক্তিই জাহান্নামী হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه احمد بن عبدة الضبي، حدثنا حماد، عن ايوب، ويونس، والمعلى بن زياد، عن الحسن، عن الاحنف بن قيس، عن ابي بكرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا التقى المسلمان بسيفيهما فالقاتل والمقتول في النار
(…/...) হাজ্জাজ ইবনু শাইর (রহঃ) ..... আইয়্যুব (রহঃ) হতে এ সূত্রে আবূ কামিল এর সানাদে হাম্মাদ এর বর্ণিত হাদীসের অবিকল শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৯০, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني حجاج بن الشاعر، حدثنا عبد الرزاق، من كتابه اخبرنا معمر، عن ايوب، بهذا الاسناد نحو حديث ابي كامل عن حماد، الى اخره