Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৩২ হাদিসসমূহ
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ...... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি বলি- "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াল হামদু লিল্লা-হি ওয়ালাইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াল্ল-হু আকবার"। অর্থাৎ- "আল্লাহ পবিত্র, সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর এবং আল্লাহ ভিন্ন কোন মা’বূদ নেই, আল্লাহ মহান" পড়া আমার নিকট বেশি প্রিয়- সে সব বিষয়ের চেয়ে, যার উপর সূর্য উদিত হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لان اقول سبحان الله والحمد لله ولا اله الا الله والله اكبر احب الى مما طلعت عليه الشمس
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... মুসআব ইবনু সা’দ (রাযিঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জনৈক গ্রাম্য লোক এসে বলল, আমাকে একটি কালাম শিক্ষা দিন, যা আমি নিয়মিত পাঠ করব। তিনি বললেন, তুমি বলো "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা-শারীকা লাহু আল্ল-হু আকবার কাবীরা ওয়াল হামদু লিল্লা-হি কাসীরা সুবহানাল্লা-হি রব্বিল আ-লামীনা লা- হাওলা ওয়ালা- কুত্ত্বওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হিল আযীযিল হাকীম"। অর্থাৎ- "আল্লাহ ভিন্ন কোন মা’বূদ নেই, তিনি অদ্বিতীয়, তার কোন অংশীদার নেই, আল্লাহ মহান, সবচেয়ে মহান, আল্লাহর জন্য সমস্ত প্রশংসা এবং আমি আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের পবিত্রতা ঘোষণা করছি। পরাক্রমশালী বিজ্ঞানময় আল্লাহর সাহায্য ছাড়া ভাল কাজ করার এবং খারাপ কাজ হতে বিরত থাকার সাধ্য কারো নেই।" সে বলল, এসব তো আমার রবের জন্য। আমার জন্যে কি? তিনি বললেন, বলো, হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথ দেখিয়ে দিন এবং আমাকে জীবিকা দান করুন। মূসা (রহঃ) বলেন, (আমার মনে হয়) তিনি عَافِنِي (আ-ফিনী) "আমাকে মাফ করুন" কথাটি বলেছেন। তবে আমি তাতে সংশয় আছি এবং আমি জানি না। আর ইবনু আবু শাইবাহ (রহঃ) তার হাদীসে মূসার উক্তি বর্ণনা করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا علي بن مسهر، وابن، نمير عن موسى الجهني، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ له - حدثنا ابي، حدثنا موسى الجهني، عن مصعب بن سعد، عن ابيه، قال جاء اعرابي الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال علمني كلاما اقوله قال " قل لا اله الا الله وحده لا شريك له الله اكبر كبيرا والحمد لله كثيرا سبحان الله رب العالمين لا حول ولا قوة الا بالله العزيز الحكيم " . قال فهولاء لربي فما لي قال " قل اللهم اغفر لي وارحمني واهدني وارزقني " . قال موسى اما عافني فانا اتوهم وما ادري . ولم يذكر ابن ابي شيبة في حديثه قول موسى
আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... আবু মালিক আল আশজাঈ (রহঃ) তার পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন লোক ইসলাম কবুল করলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এ দু’আ বলতে শিখিয়ে দিতেন, “আল্লা-হুম্মাগ ফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াহ্দিনী ওয়ারযুকনী”। অর্থাৎ- হে আল্লাহ। আপনি আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন এবং আমাকে জীবিকা দান করুন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كامل الجحدري، حدثنا عبد الواحد، - يعني ابن زياد - حدثنا ابو مالك الاشجعي عن ابيه، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يعلم من اسلم يقول " اللهم اغفر لي وارحمني واهدني وارزقني
সাঈদ ইবনু আযহার আল ওয়াসিতী (রহঃ) ..... আবু মালিক আল আশজাঈ এর পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন কোন ব্যক্তি ইসলামে দীক্ষা গ্রহণ করত তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে প্রথমে সালাত আদায়ের শিক্ষা দিতেন। তারপর তিনি তাকে এ কালিমাসমূহ পাঠ করার নির্দেশ দিতেন, "আল্লা-হুম্মাগ ফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াহ্দিনী ওয়া’আ-ফিনী ওয়ারযুকনী।" অর্থাৎ- "হে আল্লাহ! আমাকে মাফ করুন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে সঠিক পথপ্রদর্শন করুন, আমাকে সুস্থতা দান করুন এবং আমার জীবিকা উপকরণ দান করুন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن ازهر الواسطي، حدثنا ابو معاوية، حدثنا ابو مالك الاشجعي، عن ابيه، قال كان الرجل اذا اسلم علمه النبي صلى الله عليه وسلم الصلاة ثم امره ان يدعو بهولاء الكلمات " اللهم اغفر لي وارحمني واهدني وعافني وارزقني
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ মালিক (রাযিঃ) এর পিতার সানাদে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছেন যে, তার নিকট এক লোক এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আমি যখন আমার প্রতিপালকের নিকট দু’আ করব তখন কিভাবে তা প্রকাশ করব? তিনি বললেন, তুমি বলে, “আল্ল-হুম্মাগ ফিরলী ওয়ারহামনী ওয়াআ-ফিনী ওয়ারযুকনী।” অর্থাৎ- “হে আল্লাহ! আপনি আমাকে মাফ করে দিন, আমার প্রতি দয়া করুন, আমাকে মাফ করে দিন এবং আমাকে জীবিকা দান করুন।” আর তিনি বৃদ্ধাঙ্গুলি ছাড়া সব আঙ্গুল একত্র করে বললেন, এ শব্দগুলো তোমাকে দুনিয়া ও আখিরাত উভয়টাকে একসাথে করে দিবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا يزيد بن هارون، اخبرنا ابو مالك، عن ابيه، انه سمع النبي صلى الله عليه وسلم واتاه رجل فقال يا رسول الله كيف اقول حين اسال ربي قال " قل اللهم اغفر لي وارحمني وعافني وارزقني " . ويجمع اصابعه الا الابهام " فان هولاء تجمع لك دنياك واخرتك
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... মুসআব ইবনু সা’দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার পিতা (সা'দ) আমাকে হাদীস শুনিয়েছেন যে, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে (বসা) ছিলাম। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে কেউ কি প্রতিদিন এক হাজার পুণ্য হাসিল করতে অপারগ হয়ে যাবে? তখন সেখানে বসে থাকাদের মধ্য থেকে এক প্রশ্নকারী প্রশ্ন করল, আমাদের কেউ কিভাবে এক হাজার পুণ্য হাসিল করবে? তিনি বললেন, সে একশ’ তাসবীহ (সুবহানাল্লা-হ) পাঠ করলে তার জন্যে এক হাজার পুণ্য লিখিত হবে এবং তার (আমলনামা) হতে এক হাজার পাপ মুছে দেয়া হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا مروان، وعلي بن مسهر، عن موسى الجهني، ح وحدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، - واللفظ له - حدثنا ابي، حدثنا موسى الجهني، عن مصعب بن سعد، حدثني ابي قال، كنا عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ايعجز احدكم ان يكسب كل يوم الف حسنة " . فساله سايل من جلسايه كيف يكسب احدنا الف حسنة قال " يسبح ماية تسبيحة فيكتب له الف حسنة او يحط عنه الف خطيية
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া আত তামীমী, আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও মুহাম্মাদ ইবনুল আলা আল হামদানী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক কোন ঈমানদারের দুনিয়া থেকে কোন মুসীবাত দূর করে দিবে, আল্লাহ তা’আলা বিচার দিবসে তার থেকে মুসীবাত সরিয়ে দিবেন। যে লোক কোন দুঃস্থ লোকের অভাব দূর করবে, আল্লাহ তাআলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দুরবস্থা দূর করবেন। যে লোক কোন মুসলিমের দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবে আল্লাহ তা’আলা দুনিয়া ও আখিরাতে তার দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখবেন। বান্দা যতক্ষণ তার ভাই এর সহযোগিতায় আত্মনিয়োগ করে আল্লাহ ততক্ষণ তার সহযোগিতা করতে থাকেন। যে লোক জ্ঞানার্জনের জন্য রাস্তায় বের হয়, আল্লাহ এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাতের পথ সহজ করে দেন। যখন কোন সম্প্রদায় আল্লাহর গৃহসমূহের কোন একটি গৃহে একত্রিত হয়ে আল্লাহর কিতাব পাঠ করে এবং একে অপরের সাথে মিলে (কুরআন) অধ্যয়নে লিপ্ত থাকে তখন তাদের উপর শান্তিধারা অবতীর্ণ হয়। রহমত তাদেরকে আচ্ছন্ন করে ফেলে এবং ফেরেশতাগণ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখেন। আর আল্লাহ তা’আলা তার নিকটবর্তীদের (ফেরেশতাগণের) মধ্যে তাদের কথা আলোচনা করেন। আর যে লোককে আমলে পিছনে সরিয়ে দিবে তার বংশ (মর্যাদা) তাকে অগ্রসর করে দিবে না* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى التميمي، وابو بكر بن ابي شيبة ومحمد بن العلاء الهمداني - واللفظ ليحيى - قال يحيى اخبرنا وقال الاخران، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من نفس عن مومن كربة من كرب الدنيا نفس الله عنه كربة من كرب يوم القيامة ومن يسر على معسر يسر الله عليه في الدنيا والاخرة ومن ستر مسلما ستره الله في الدنيا والاخرة والله في عون العبد ما كان العبد في عون اخيه ومن سلك طريقا يلتمس فيه علما سهل الله له به طريقا الى الجنة وما اجتمع قوم في بيت من بيوت الله يتلون كتاب الله ويتدارسونه بينهم الا نزلت عليهم السكينة وغشيتهم الرحمة وحفتهم الملايكة وذكرهم الله فيمن عنده ومن بطا به عمله لم يسرع به نسبه
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র ও নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ..... আবূ মু’আবিয়াহ্ (রহঃ) এর হাদীসের অবিকল। তবে আবু উসামার হাদীসে "দুঃস্থ লোকের অভাব লাঘব করার" বর্ণনা নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي ح، وحدثناه نصر بن علي الجهضمي، حدثنا ابو اسامة، قالا حدثنا الاعمش، عن ابي صالح، وفي حديث ابي اسامة حدثنا ابو صالح عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث ابي معاوية غير ان حديث ابي اسامة ليس فيه ذكر التيسير على المعسر
আবূ বাকর ইবনু আবু শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মু’আবিয়াহ্ (রাযিঃ) মসজিদে একটি হালকা’র উদ্দেশে বের হলেন। অতঃপর তিনি বললেন, কিসে তোমাদেরকে এখানে বসিয়েছে (তোমরা এখানে বসেছ কেন)? তারা বলল, আমরা আল্লাহর যিকর করতে বসেছি। তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! এছাড়া আর কোন বিষয় তোমাদেরকে বসায়নি? (তোমরা কি শুধু এ জন্যেই বসেছ?) তারা বলল, আল্লাহর শপথ! এছাড়া অন্য কোন বিষয় আমাদেরকে বসায়নি। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে অপবাদ দেয়ার উদ্দেশে শপথ প্রার্থনা করিনি। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দৃষ্টিতে আমার যে সম্মান ছিল সে অনুযায়ী আমার চেয়ে কম হাদীস বর্ণনাকারী কেউ নেই। একবার রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সহাবাদের একটি ‘হালকা’র নিকটে গিয়ে বললেন, কিসে তোমাদের বসিয়েছে? তারা বলল, আমরা বসেছি আল্লাহর স্মরণ ও তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের জন্য। যেহেতু তিনি আমাদেরকে ইসলামের দিকে পথ দেখিয়েছেন এবং আমাদের উপর তিনি ইহসান করেছেন। তিনি বললেন, আল্লাহর শপথ! তোমাদেরকে কি শুধু এ বিষয়েই বসিয়েছে? তারা বলল, আল্লাহর শপথ! আমাদেরকে একমাত্র ঐ বিষয় বসিয়েছে। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে অপবাদ দেয়ার জন্যে শপথ করতে বলিনি; বরং আমার নিকট জিবরীল (আঃ) এসে আমাকে অবহিত করেছেন যে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’আলা ফেরেশতাগণের নিকট তোমাদের মর্যাদা সম্পর্কে আলোচনা করছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا مرحوم بن عبد العزيز، عن ابي نعامة السعدي، عن ابي عثمان، عن ابي سعيد الخدري، قال خرج معاوية على حلقة في المسجد فقال ما اجلسكم قالوا جلسنا نذكر الله . قال الله ما اجلسكم الا ذاك قالوا والله ما اجلسنا الا ذاك . قال اما اني لم استحلفكم تهمة لكم وما كان احد بمنزلتي من رسول الله صلى الله عليه وسلم اقل عنه حديثا مني وان رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج على حلقة من اصحابه فقال " ما اجلسكم " . قالوا جلسنا نذكر الله ونحمده على ما هدانا للاسلام ومن به علينا . قال " الله ما اجلسكم الا ذاك " . قالوا والله ما اجلسنا الا ذاك . قال " اما اني لم استحلفكم تهمة لكم ولكنه اتاني جبريل فاخبرني ان الله عز وجل يباهي بكم الملايكة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া, কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও আবু রাবী আল আতাকী (রহঃ) ...... রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহাবা আগার আল মুযানী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার অন্তরে কখনো কখনো অলসতা দেখা দেয়, তাই আমি দৈনিক একশ’ বার আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، وقتيبة بن سعيد، وابو الربيع العتكي، جميعا عن حماد، قال يحيى اخبرنا حماد بن زيد، عن ثابت، عن ابي بردة، عن الاغر المزني، - وكانت له صحبة - ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " انه ليغان على قلبي واني لاستغفر الله في اليوم ماية مرة
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ বুরদাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহাবা আগার (রাযিঃ) হতে শুনেছি, তিনি ইবনু উমর (রাযিঃ) এর নিকট হাদীস বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হে লোক সকল! তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা্ করো। কেননা আমি আল্লাহর নিকট প্রতিদিন একশ’ বার তওবা করে থাকি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১৩, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا غندر، عن شعبة، عن عمرو بن مرة، عن ابي، بردة قال سمعت الاغر، وكان، من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم يحدث ابن عمر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا ايها الناس توبوا الى الله فاني اتوب في اليوم اليه ماية مرة
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয ও ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শু’বাহ (রহঃ) এর সানাদে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي ح، وحدثنا ابن المثنى، حدثنا ابو داود، وعبد الرحمن بن مهدي كلهم عن شعبة، في هذا الاسناد
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, ইবনু নুমায়র, আবু সাঈদ আশাজ্জ, আবূ খায়সামাহ যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক পশ্চিম আকাশে সূর্যোদয় হওয়ার আগে তওবা করবে আল্লাহ তা’আলা তার তওবা কবুল করবেন।* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو خالد يعني سليمان بن حيان، ح وحدثنا ابن نمير، حدثنا ابو معاوية، ح وحدثني ابو سعيد الاشج، حدثنا حفص، - يعني ابن غياث - كلهم عن هشام، ح وحدثني ابو خيثمة، زهير بن حرب - واللفظ له - حدثنا اسماعيل، بن ابراهيم عن هشام بن حسان، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من تاب قبل ان تطلع الشمس من مغربها تاب الله عليه
আবু বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। তখন মানুষেরা উচ্চঃস্বরে তাকবীর পাঠ করতেছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মানব জাতি! তোমরা তোমাদের জীবনের উপর সদয় হও। কেননা তোমরা তো কোন বধির অথবা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছে না। নিশ্চয়ই তোমরা ডাকছো সর্বশ্রোতা, নিকটবর্তী সত্তাকে যিনি তোমাদের সাথেই আছেন। আবু মূসা (রাযিঃ) বলেন, আমি তার পিছে ছিলাম। তখন আমি বলছিলাম, আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কোন ভাল কাজের দিকে এগিয়ে যাওয়ার এবং মন্দ কর্ম থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য নেই। তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, হে আবদুল্লাহ ইবনু কায়স আমি কি তোমাকে জান্নাতের গুপ্ত ধনসমূহের মধ্যে কোন একটি গুপ্তধনের কথা জানিয়ে দিব? আমি বললাম, অবশ্যই হে আল্লাহর রসূল! অতঃপর তিনি বললেন, لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ إِلاَّ بِاللَّهِ সহযোগিতা ছাড়া কারো (ভাল কর্মের দিকে) এগিয়ে যাওয়া এবং (খারাপ কর্ম থেকে) ফিরে আসার সামর্থ্য নেই’। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، وابو معاوية عن عاصم، عن ابي عثمان، عن ابي موسى، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فجعل الناس يجهرون بالتكبير فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ايها الناس اربعوا على انفسكم انكم ليس تدعون اصم ولا غايبا انكم تدعون سميعا قريبا وهو معكم " . قال وانا خلفه وانا اقول لا حول ولا قوة الا بالله فقال " يا عبد الله بن قيس الا ادلك على كنز من كنوز الجنة " . فقلت بلى يا رسول الله . قال " قل لا حول ولا قوة الا بالله
(…/...) ইবনু নুমায়র, ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও আবু সাঈদ আল আশাজ্জ (রহঃ) ...... আসিম (রহঃ) এর সানাদে এ সূত্রে তার হুবহু হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابن نمير، واسحاق بن ابراهيم، وابو سعيد الاشج جميعا عن حفص بن، غياث عن عاصم، بهذا الاسناد نحوه
আবু কামিল ফুযায়ল ইবনু হুসায়ন (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা (সহাবাগণ) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলেন এবং তারা একটি উঁচু টিলায় আরোহণ করতেছিলেন। তিনি বলেন, লোক যখনই কোন টিলার উপরে উঠত তখন উচ্চকণ্ঠে "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াল্ল-হু আকবার" (আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই এবং আল্লাহ মহান) বলত। তিনি (রাবী) বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা তো অবশ্যই কোন বধির কিংবা অনুপস্থিত সত্তাকে ডাকছো না। তিনি বলেন, এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আবূ মূসা অথবা হে আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আমি কি তোমাকে এমন এক কালিমাহ সম্পর্কে জানিয়ে দিব না যা জান্নাতের গুপ্তধন? আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা কি? তিনি বললেন, "লা- হাওলা ওয়ালাকুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ" অর্থাৎ- (আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কারো ভাল কর্ম করার এবং খারাপ কর্ম থেকে বিরত থাকার সামর্থ্য নেই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كامل، فضيل بن حسين حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا التيمي، عن ابي عثمان، عن ابي موسى، انهم كانوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وهم يصعدون في ثنية - قال - فجعل رجل كلما علا ثنية نادى لا اله الا الله والله اكبر - قال - فقال نبي الله صلى الله عليه وسلم " انكم لا تنادون اصم ولا غايبا " . قال فقال " يا ابا موسى - او يا عبد الله بن قيس - الا ادلك على كلمة من كنز الجنة " . قلت ما هي يا رسول الله قال " لا حول ولا قوة الا بالله
(…/...) মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ’লা (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট আগমন করলেন। এরপর তিনি তার হুবহু হাদীস উল্লেখ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬১৯, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن عبد الاعلى، حدثنا المعتمر، عن ابيه، حدثنا ابو عثمان، عن ابي موسى، قال بينما رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكر نحوه
খালাফ ইবনু হিশাম ও আবু রাবী’ (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। কোন এক যুদ্ধে আমরা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। তারপর তিনি আসিম এর হাদীসের অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا خلف بن هشام، وابو الربيع، قالا حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن ابي، عثمان عن ابي موسى، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر . فذكر نحو حديث عاصم
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবু মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে কোন এক যুদ্ধাভিযানে ছিলাম। তারপর তিনি সম্পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি তার বর্ণনায় বলেছেন, “ঐ সত্তার শপথ, তোমরা যাকে ডাকছো তিনি তোমাদের উটের গর্দানের চেয়েও অতি নিকটবর্তী।” তবে তার হাদীসে "লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা-বিল্লা-হ" কথাটির উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২১, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا الثقفي، حدثنا خالد الحذاء، عن ابي عثمان، عن ابي موسى، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزاة . فذكر الحديث وقال فيه " والذي تدعونه اقرب الى احدكم من عنق راحلة احدكم " . وليس في حديثه ذكر لا حول ولا قوة الا بالله
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আবু মূসা আল আশ’আর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ আমি কি তোমাকে এমন একটি কালিমাহ সম্পর্কে জানিয়ে দিব না যা জান্নাতের গুপ্তধন? কিংবা তিনি বলেছেন, জান্নাতের গুপ্ত ধনসমূহের মধ্য হতে একটি গুপ্তধনের কথা কি বলব না? তখন আমি বললাম, হ্যাঁ। তারপর তিনি বললেন, "লা- হাওলা ওয়ালা- কুওয়াতা ইল্লা- বিল্লা-হ" অর্থাৎ (আল্লাহর সহযোগিতা ছাড়া কারো ভাল কর্ম করার এবং খারাপ কর্ম থেকে ফিরে আসার সামর্থ্য নেই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬২২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا النضر بن شميل، حدثنا عثمان، - وهو ابن غياث - حدثنا ابو عثمان، عن ابي موسى الاشعري، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا ادلك على كلمة من كنوز الجنة - او قال - على كنز من كنوز الجنة " . فقلت بلى . فقال " لا حول ولا قوة الا بالله