Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৩২ হাদিসসমূহ
(…/…) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... শুরায়হ ইবনু হানী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। ‘আয়িশাহ (রাযিঃ) তাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাদীসের হুবহু বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عيسى بن يونس، حدثنا زكرياء، عن عامر، حدثني شريح بن هاني، ان عايشة، اخبرته ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال بمثله
সাঈদ ইবনু আমর আল আশ’আসী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ ভালোবাসেন আল্লাহ তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন। আর যে লোক আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না। তিনি (শুরায়হ) বলেন, অতঃপর আমি আয়িশাহ (রাযিঃ) এর নিকট আসলাম এবং বললাম, হে মু’মিনদের জননী! আমি আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) কে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে একটি হাদীস বর্ণনা করতে শুনেছি। যদি বিষয়টি এমন হয় তাহলে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তখন তিনি [‘আয়িশাহ্ (রাযিঃ)] বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা অনুযায়ী যে লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সে প্রকৃতভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি কী? তিনি (রাবী) বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসে না আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন না আর আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই, যে মৃত্যুকে অপছন্দ করে না। তখন তিনি (আয়িশাহ (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ কথাই বলেছেন। তবে তুমি যা বুঝেছ বিষয়টি ঠিক তা নয়। মূলতঃ যখন অপলক দৃষ্টিতে তাকাবে, শ্বাস বুকে থমকে যাবে, শরীরের পশম খাড়া হয়ে যাবে এবং আঙ্গুলগুলো খিচে যাবে ঐ সময় যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ ভালোবাসে আল্লাহও তার সাক্ষাৎ ভালোবাসেন এবং সে সময় যে আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করবে না আল্লাহও তার সাক্ষাৎ পছন্দ করবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا سعيد بن عمرو الاشعثي، اخبرنا عبثر، عن مطرف، عن عامر، عن شريح، بن هاني عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من احب لقاء الله احب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه " . قال فاتيت عايشة فقلت يا ام المومنين سمعت ابا هريرة يذكر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم حديثا ان كان كذلك فقد هلكنا . فقالت ان الهالك من هلك بقول رسول الله صلى الله عليه وسلم وما ذاك قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من احب لقاء الله احب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه " . وليس منا احد الا وهو يكره الموت . فقالت قد قاله رسول الله صلى الله عليه وسلم وليس بالذي تذهب اليه ولكن اذا شخص البصر وحشرج الصدر واقشعر الجلد وتشنجت الاصابع فعند ذلك من احب لقاء الله احب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه
(…/...) ইসহাক ইবনু ইবরাহীম আল হানযালী (রহঃ) ..... মুতাররিফ (রহঃ) এর সূত্রে আবসার (রহঃ) এর বর্ণিত হাদীসের অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثناه اسحاق بن ابراهيم الحنظلي، اخبرني جرير، عن مطرف، بهذا الاسناد نحو حديث عبثر
আবু বকর ইবনু আবূ শাইবাহ, আবু আমির আল আশ’আরী ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ...... আবু মূসা (রাযিঃ) সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, যে লোক আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দ করে আল্লাহ তার সাক্ষাৎ পছন্দ করেন। আর যে লোক আল্লাহর সাথে সাক্ষাৎ পছন্দ করে না আল্লাহও তার সাথে সাক্ষাৎ পছন্দ করেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو عامر الاشعري وابو كريب قالوا حدثنا ابو اسامة عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من احب لقاء الله احب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه
আবূ কুরায়ব, মুহাম্মাদ ইবনুল আলা (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, আমার বান্দার ধারণা অনুযায়ী আমি আছি। আর যখন সে আমাকে ডাকে আমি তার ডাকে সাড়া দেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا وكيع، عن جعفر بن برقان، عن يزيد، بن الاصم عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الله يقول انا عند ظن عبدي بي وانا معه اذا دعاني
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার ইবনু উসমান আল আবদী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ জাল্লা শানুহু বলেন, যখন আমার বান্দা আমার প্রতি এক বিঘত এগিয়ে আসে তখন আমি তার প্রতি এক হাত এগিয়ে আসি। আর যখন সে আমার প্রতি এক হাত অগ্রসর হয় তখন আমি তার প্রতি এক গজ অগ্রসর হই। আর যখন সে আমার প্রতি হেঁটে আসে তখন আমি তার প্রতি দৌড়ে আসি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن بشار بن عثمان العبدي، حدثنا يحيى، - يعني ابن سعيد - وابن ابي عدي عن سليمان، - وهو التيمي - عن انس بن مالك، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " قال الله عز وجل اذا تقرب عبدي مني شبرا تقربت منه ذراعا واذا تقرب مني ذراعا تقربت منه باعا - او بوعا - واذا اتاني يمشي اتيته هرولة
(…/...) মুহাম্মদ ইবনু আবদুল আ’লা আল কায়সী (রহঃ) ..... মু’তামির (রহঃ) তার পিতার সানাদে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেন। তবে তিনি তার বর্ণনায় إِذَا أَتَانِي يَمْشِي أَتَيْتُهُ هَرْوَلَةً (যখন সে পায়ে হেঁটে আসে তখন আমি তার দিকে দৌড়ে আসি) উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الاعلى القيسي، حدثنا معتمر، عن ابيه، بهذا الاسناد ولم يذكر " اذا اتاني يمشي اتيته هرولة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহ ইরশাদ করেনঃ আমি আমার বান্দার নিকট তার ধারণা অনুযায়ী থাকি। যখন সে আমার স্মরণ করে তখন আমি তার সাথী হয়ে যাই। যখন সে একাকী আমার স্মরণ করে তখন আমি একাকী তাকে স্মরণ করি। যখন সে কোন সভায় আমার স্মরণ করে তখন আমি তাকে তার চেয়েও উত্তম সভায় স্মরণ করি। যদি সে আমার প্রতি এক বিঘত অগ্রসর হয় আমি তার দিকে এক হাত এগিয়ে আসি। যদি সে আমার দিকে এক হাত অগ্রসর হয় তাহলে আমি তার দিকে এক গজ (দু’হাত) অগ্রসর হই। যদি সে আমার প্রতি পায়ে হেঁটে আসে আমি তার প্রতি দৌড়ে আসি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب - واللفظ لابي كريب - قالا حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله عز وجل انا عند ظن عبدي وانا معه حين يذكرني فان ذكرني في نفسه ذكرته في نفسي وان ذكرني في ملا ذكرته في ملا خير منه وان اقترب الى شبرا تقربت اليه ذراعا وان اقترب الى ذراعا اقتربت اليه باعا وان اتاني يمشي اتيته هرولة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ জাল্লা শানুহু ইরশাদ করেন, যে লোক একটি নেক কাজ করবে তার জন্যে রয়েছে দশগুণ প্রতিদান; আর আমি তাকে আরও বৃদ্ধি করে দিব। আর যে লোক একটি খারাপ কর্ম করবে তার প্রতিদান সে কর্মের সমান অথবা আমি তাকে মাফ করে দিব। যে লোক আমার প্রতি এক বিঘত এগিয়ে আসে আমি তার প্রতি এক হাত অগ্রসর হই। আর যে লোক আমার প্রতি এক হাত এগিয়ে আসে আমি তার দিকে দু' হাত (এক গজ) অগ্রসর হই। যে লোক আমার নিকট পায়ে হেঁটে আসে আমি তার প্রতি দৌড়িয়ে আসি। যে লোক আমার সাথে কাউকে কোন বিষয়ে অংশীদার স্থাপন ব্যতীত পৃথিবী তুল্য গুনাহ নিয়েও আমার সাথে সাক্ষাৎ করে তাহলে আমি তার সাথে অনুরূপ পৃথিবী তুল্য মার্জনা নিয়ে সাক্ষাৎ করি। ইবরাহীম বলেন, হাসান ইবনু বিশর হাদীসটি ওয়াকী সানাদে অবিকল বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৮৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، حدثنا الاعمش، عن المعرور بن سويد، عن ابي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله عز وجل من جاء بالحسنة فله عشر امثالها وازيد ومن جاء بالسيية فجزاوه سيية مثلها او اغفر ومن تقرب مني شبرا تقربت منه ذراعا ومن تقرب مني ذراعا تقربت منه باعا ومن اتاني يمشي اتيته هرولة ومن لقيني بقراب الارض خطيية لا يشرك بي شييا لقيته بمثلها مغفرة " . قال ابراهيم حدثنا الحسن بن بشر حدثنا وكيع بهذا الحديث
আবু কুরায়ব (রহঃ) ..... আমাশ (রহঃ) এর সানাদে এ সূত্রে অবিকল হাদীস বর্ণনা করেছেন। তবে পার্থক্য এই যে, তিনি বলেছেন, তার জন্যে রয়েছে দশগুণ প্রতিদান কিংবা আমি আরও বৃদ্ধি করে দিব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯০, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، بهذا الاسناد . نحوه غير انه قال " فله عشر امثالها او ازيد
আবুল খাত্তাব, যিয়াদ ইবনু ইয়াহইয়া আল হাস্সানী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন মুসলিম রোগীকে সেবা করতে গেলেন। সে (অসুখে কাতর হয়ে) অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিল, এমনকি সে পাখির ছানার মতো হয়ে গেল। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি কি কোন বিষয় প্রার্থনা করছিলে অথবা আল্লাহর নিকট বিশেষভাবে কিছু চেয়েছিল? সে বলল, হ্যাঁ। আমি বলেছিলাম, হে আল্লাহ! আপনি পরকালে আমাকে যে সাজা দিবেন তা এ ইহকালেই দিয়ে দিন। সে সময় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সুবহানাল্লাহ! তোমার এমন সামর্থ্য নেই যে, তা বহন করবে, অথবা তুমি তা সহ্য করতে পারবে না। তুমি এমনটি বললে না কেন? হে আল্লাহ! আমাদের কল্যাণ দাও পৃথিবীতে এবং কল্যাণ দান করো পরকালেও। আর জাহান্নাম হতে আমাদেরকে রক্ষা করো। তিনি (রাবী) বলেন, তখন তিনি তার জন্য আল্লাহর নিকট দুআ করেন। আর আল্লাহ তাকে সুস্থ করে দেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا ابو الخطاب، زياد بن يحيى الحساني حدثنا محمد بن ابي عدي، عن حميد، عن ثابت، عن انس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم عاد رجلا من المسلمين قد خفت فصار مثل الفرخ فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " هل كنت تدعو بشىء او تساله اياه " . قال نعم كنت اقول اللهم ما كنت معاقبي به في الاخرة فعجله لي في الدنيا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سبحان الله لا تطيقه - او لا تستطيعه - افلا قلت اللهم اتنا في الدنيا حسنة وفي الاخرة حسنة وقنا عذاب النار " . قال فدعا الله له فشفاه
আসিম ইবনু আন্ নায্র আত তাইমী (রহঃ) ..... হুমায়দ (রহঃ) এর সূত্রে 'জাহান্নাম থেকে আমাদেরকে রক্ষা কর’ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। এর অতিরিক্ত অংশ তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯২, ইসলামিক সেন্টার)
حدثناه عاصم بن النضر التيمي، حدثنا خالد بن الحارث، حدثنا حميد، بهذا الاسناد الى قوله " وقنا عذاب النار " . ولم يذكر الزيادة
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার সহাবাদের মধ্য থেকে এক রোগীকে সেবা করতে যান। সে ভীষণ কাতর হয়ে পাখির ন্যায় হয়ে গিয়েছিল। হুমায়দ এর হাদীসের অর্থানুযায়ী বর্ণনা করেন। কিন্তু তার হাদীসে আছে যে, "আল্লাহর সাজা সহ্য করার মতো সামর্থ্য তোমার নেই" আর এরপর “তিনি আল্লাহর নিকট দু’আ করলেন এবং আল্লাহ তাকে সুস্থ করলেন” কথাটি তিনি উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৩, ইসলামিক সেন্টার)
وحدثني زهير بن حرب، حدثنا عفان، حدثنا حماد، اخبرنا ثابت، عن انس، انعليه وسلم دخل على رجل من اصحابه يعوده وقد صار كالفرخ . بمعنى حديث حميد غير انه قال " لا طاقة لك بعذاب الله " . ولم يذكر فدعا الله له فشفاه
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৪, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا سالم بن نوح العطار، عن سعيد، بن ابي عروبة عن قتادة، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم بهذا الحديث
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমূন (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) এর সানাদে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ তা’আলার এক গ্রুপ ভ্রাম্যমান বর্ধিত ফেরেশতা রয়েছে। তারা যিকরের বৈঠকসমূহ সন্ধান করে বেড়ায়। তারা যখন কোন যিকরের বৈঠক পায় তখন সেখানে তাদের (যিকরকারীদের) সাথে বসে যায়। আর পরস্পর একে অপরকে বাহু দ্বারা ঘিরে ফেলেন। এমনকি তারা তাদের মাঝে ও নিকটতম আকাশের ফাঁকা জায়গা পূরণ করে ফেলে। আল্লাহর যিকরকারীগণ যখন পৃথক হয়ে যায় তখন তারা আকাশমণ্ডলীতে আরোহণ করে। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতা’আলা তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, তোমরা কোথকে আসছে? অথচ তিনি তাদের ব্যাপারে সবচেয়ে বেশী অবহিত। তখন তারা বলতে থাকেন, আমরা ভূমণ্ডলে অবস্থানকারী আপনার বান্দাদের কাছ হতে আসছি, যারা আপনার তাসবীহ পড়ে, তাকবীর পড়ে, তাহলীল বলে (লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’-এর) যিকর করে, আপনার প্রশংসা করে এবং আপনার নিকট তাদের প্রত্যাশিত বিষয় প্রার্থনা করে। তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দারা আমার নিকট কি প্রার্থনা করে? তারা বলেন, তারা আপনার নিকট আপনার জান্নাত প্রত্যাশা করে। তিনি বলেন, তারা কি আমার জান্নাত প্রত্যক্ষ করেছে? তারা বলেন, না; হে আমাদের প্রভু! তিনি বলেন, তারা যদি আমার জান্নাত প্রত্যক্ষ করত তাহলে তারা কী করত? তারা বলেন, তারা আপনার নিকট আশ্রয় চায়। তিনি বলেন, কি বিষয় হতে তারা আমার নিকট আশ্রয় চায়? তারা বলেন, হে আমাদের প্রভু! আপনার জাহান্নাম হতে (মুক্তির জন্য)। তিনি বলেন, তারা কি আমার জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করেছে? তারা বলেন, না; তারা প্রত্যক্ষ করেনি। তিনি বলেন, তারা যদি আমার জাহান্নাম প্রত্যক্ষ করত তাহলে কী করত? তারা বলেন, তারা আপনার নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ বলবেন, আমি তাদের মার্জনা করে দিলাম এবং তারা যা প্রার্থনা করছিল আমি তা তাদের প্রদান করলাম। আর তারা যা হতে আশ্রয় চেয়েছিল আমি তা থেকে তাদের মুক্তি দিলাম। অতঃপর তারা বলবে, হে আমাদের রব! তাদের মাঝে তো অমুক পাপী বান্দা ছিল, যে তাদের সাথে বৈঠকের নিকট দিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে বসেছিল। তিনি বলেন, তখন আল্লাহ বলবেন, আমি তাকেও মাফ করে দিলাম। তারা তো এমন একটি কওম যাদের সঙ্গীরা দুর্ভাগা হয় না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৫, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا بهز، حدثنا وهيب، حدثنا سهيل، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان لله تبارك وتعالى ملايكة سيارة فضلا يتبعون مجالس الذكر فاذا وجدوا مجلسا فيه ذكر قعدوا معهم وحف بعضهم بعضا باجنحتهم حتى يمليوا ما بينهم وبين السماء الدنيا فاذا تفرقوا عرجوا وصعدوا الى السماء - قال - فيسالهم الله عز وجل وهو اعلم بهم من اين جيتم فيقولون جينا من عند عباد لك في الارض يسبحونك ويكبرونك ويهللونك ويحمدونك ويسالونك . قال وماذا يسالوني قالوا يسالونك جنتك . قال وهل راوا جنتي قالوا لا اى رب . قال فكيف لو راوا جنتي قالوا ويستجيرونك . قال ومم يستجيرونني قالوا من نارك يا رب . قال وهل راوا ناري قالوا لا . قال فكيف لو راوا ناري قالوا ويستغفرونك - قال - فيقول قد غفرت لهم فاعطيتهم ما سالوا واجرتهم مما استجاروا - قال - فيقولون رب فيهم فلان عبد خطاء انما مر فجلس معهم قال فيقول وله غفرت هم القوم لا يشقى بهم جليسهم
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবদুল আযীয ইবনু সুহায়ব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কাতাদাহ্ আনাস (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দুআ সর্বাধিক পড়তেন? তিনি বললেন, তিনি যে দু’আ দ্বারা সর্বাধিক দু’আ করতেন তাতে বলতেনঃ “আল্ল-হুম্মা আ-তিনা- ফিদ্দুনইয়া হাসানাতাও ওয়াফিল আ-খিরতি হাসানাতাও ওয়াকিনা- ‘আযা-বান না-র”। অর্থাৎ- "হে আল্লাহ! আমাদেরকে দুনিয়ায় কল্যাণ দান কর এবং আখিরাতে কল্যাণ দান কর। আর আমাদেরকে জাহান্নামের শাস্তি হতে বঁচিয়ে রাখো।" রাবী বলেন, আনাস (রাযিঃ) যখনই কোন দু’আ করার সংকল্প করতেন তখন তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ন্যায়) দুআ করতেন। তারপর যখন তিনি কোন ব্যাপারে দু’আ করার সংকল্প করতেন তখন তাতে এ দু’আ পড়তেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৬, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل، - يعني ابن علية - عن عبد العزيز، - وهو ابن صهيب - قال سال قتادة انسا اى دعوة كان يدعو بها النبي صلى الله عليه وسلم اكثر قال كان اكثر دعوة يدعو بها يقول " اللهم اتنا في الدنيا حسنة وفي الاخرة حسنة وقنا عذاب النار " . قال وكان انس اذا اراد ان يدعو بدعوة دعا بها فاذا اراد ان يدعو بدعاء دعا بها فيه
উবাইদুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’আ পাঠ করতেনঃ "রব্বনা- আ-তিনা- ফিদ্দুনইয়া- হাসানাতাও ওয়াফিল আ-খিরতি হাসানাতাও ওয়াকিনা- ‘আযা-বান্ না-র"। অর্থাৎ- হে আমাদের রব! আমাদের পার্থিব জীবনে কল্যাণ দান করো, আখিরাতে কল্যাণ দান করো। আর জাহান্নামের শাস্তি হতে আমাদের বাঁচাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৭, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن ثابت، عن انس، قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ربنا اتنا في الدنيا حسنة وفي الاخرة حسنة وقنا عذاب النار
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ "লা-ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহু লা- শারীকা লাহু লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া আলাকুল্লি শাইয়্যিন কদীর।" অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া কোন ইলাহ নেই; তিনি অদ্বিতীয়, তার কোন অংশীদার নেই, তারই রাজত্ব, তারই যাবতীয় প্রশংসা; তিনিই সব বিষয়ের উপর শক্তিধর- যে লোক এ দু’আ প্রতিদিনে একশ’ বার পাঠ করে সে দশজন গোলাম মুক্ত করার পুণ্য অর্জন হয়, তার (আমলনামায়) একশ’ নেকী লেখা হয় এবং তার হতে একশ’ পাপ মিটিয়ে দেয়া হয়। আর তা ঐ দিন বিকাল পর্যন্ত শাইতান (শয়তান) (তার কুমন্ত্রণা) হতে তার জন্যে রক্ষাকারী হয়ে যায়। সেদিন সে যা পুণ্য অর্জন করেছে তার চেয়ে বেশি পুণ্যবান কেউ হবে না। তবে কেউ তার চাইতে বেশি ‘আমল করলে তার কথা আলাদা। আর যে লোক দিনে একশ’ বার "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবিহামদিহী"। অর্থাৎ- ‘আমি আল্লাহর সপ্রশংসা সহ তার পবিত্রতা বর্ণনা করছি পাঠ করবে, তার সমস্ত পাপ মিটিয়ে দেয়া হবে, যদিও তা সমুদ্রের ফেনার সমপরিমাণ হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৮, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من قال لا اله الا الله وحده لا شريك له له الملك وله الحمد وهو على كل شىء قدير . في يوم ماية مرة . كانت له عدل عشر رقاب وكتبت له ماية حسنة ومحيت عنه ماية سيية وكانت له حرزا من الشيطان يومه ذلك حتى يمسي ولم يات احد افضل مما جاء به الا احد عمل اكثر من ذلك . ومن قال سبحان الله وبحمده في يوم ماية مرة حطت خطاياه ولو كانت مثل زبد البحر
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক আল উমাবী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক সকালে ও সন্ধ্যায় "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হামদিহী", অর্থাৎ- আল্লাহ পবিত্র ও সমস্ত প্রশংসা তারই একশ’ বার পড়ে আখিরাতের দিবসে তার তুলনায় উত্তম আমল নিয়ে কেউ আসবে না। তবে সে ব্যক্তি ব্যতীত, যে লোক তার সমান আমল করে অথবা তার তুলনায় বেশি আমল করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৫৯৯, ইসলামিক সেন্টার)
حدثني محمد بن عبد الملك الاموي، حدثنا عبد العزيز بن المختار، عن سهيل، عن سمى، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال حين يصبح وحين يمسي سبحان الله وبحمده ماية مرة . لم يات احد يوم القيامة بافضل مما جاء به الا احد قال مثل ما قال او زاد عليه
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র, যুহায়র ইবনু হারব, আবূ কুরায়ব ও মুহাম্মাদ ইবনু তারীফ আল বাজালী (রহঃ) ..... আবু হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন দু’টি কালিমাহ জিহ্বার উপর (উচ্চারণে) খুবই হালকা, মীযানের পাল্লায় খুবই ভারী, রহমান (পরম দয়ালু আল্লাহ) এর নিকট অত্যন্ত প্রিয়। তা হলো "সুবহা-নাল্ল-হি ওয়াবি হামদিহী সুবহা-নাল্ল-হিল আযীম", অর্থাৎ আমি আল্লাহ তা’আলার সমস্ত প্রশংসা, পবিত্রতা জ্ঞাপন করছি, আমি মহান আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি।’ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৬০১, ইসলামিক সেন্টার)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، وزهير بن حرب، وابو كريب ومحمد بن طريف البجلي قالوا حدثنا ابن فضيل، عن عمارة بن القعقاع، عن ابي زرعة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " كلمتان خفيفتان على اللسان ثقيلتان في الميزان حبيبتان الى الرحمن سبحان الله وبحمده سبحان الله العظيم