Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৪১ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাদ ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চাচা আবূ তালিবের মৃত্যুর সময় তাকে বলেছিলেন। আপনি 'লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ" বলুন, কিয়ামতের দিন আমি আপনার জন্য এর সাক্ষ্য দিব। কিন্তু তিনি তা বলতে অস্বীকার করলেন। এ সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ অর্থাৎ "আপনি যাকে পছন্দ করেন, তাকে সৎপথে আনতে পারবেন না"- (সুরাহ আল-কাসাস ২৮ঃ ৫৬)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن عباد، وابن ابي عمر، قالا حدثنا مروان، عن يزيد، - وهو ابن كيسان - عن ابي حازم، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمه عند الموت " قل لا اله الا الله اشهد لك بها يوم القيامة " . فابى فانزل الله { انك لا تهدي من احببت} الاية
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম ইবনু মাইমূন (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার চাচাকে বললেন, আপনি 'লা-ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ' বলুন, কিয়ামত দিবসে আপনার পক্ষে আমি এর সাক্ষ্য দিবো। তিনি বললেন, আবূ তালিব ভীত হয়ে এ কথা বলেছেন, কুরায়শদের থেকে এরূপ দোষারোপের যদি আশংকা না থাকত তাহলে আমি তা পাঠ করে তোমার চোখ জুড়াতাম। অতঃপর আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করলেনঃ “তুমি যাকে চাইবে হিদায়াত করতে পারবে না, কিন্তু আল্লাহ যাকে ইচ্ছা করেন হিদায়াত করেন"- (সূরাহ্ আল-কাসাস ২৮ঃ ৫৬) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ , ৪২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن حاتم بن ميمون، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا يزيد بن كيسان، عن ابي حازم الاشجعي، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعمه " قل لا اله الا الله اشهد لك بها يوم القيامة " . قال لولا ان تعيرني قريش يقولون انما حمله على ذلك الجزع لاقررت بها عينك فانزل الله { انك لا تهدي من احببت ولكن الله يهدي من يشاء}
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وزهير بن حرب، كلاهما عن اسماعيل بن ابراهيم، - قال ابو بكر حدثنا ابن علية، - عن خالد، قال حدثني الوليد بن مسلم، عن حمران، عن عثمان، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من مات وهو يعلم انه لا اله الا الله دخل الجنة
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... উসমান (রাযিঃ) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অন্তরে এ বিশ্বাস রেখে মৃত্যুবরণ করলো যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।* মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর আল মুকাদ্দামী (রহঃ) ..... উসমান (রাযিঃ) বলেন যে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে অনুরূপ বলতে শুনেছি ..... অবশিষ্টাংশ উপরের হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৩-৪৪; ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن ابي بكر المقدمي، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا خالد الحذاء، عن الوليد ابي بشر، قال سمعت حمران، يقول سمعت عثمان، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول مثله سواء
আবূ বাকর ইবনু নাযর ইবনু আবূ নাযর (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বলেন যে, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সঙ্গে একটি সফরে ছিলাম। এক পর্যায়ে দলের খাদ্যসামগ্ৰী শেষ হয়ে গেল। পরিশেষে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কিছু সংখ্যক উট যাবাহ করার মনস্থ করলেন। রাবী বলেন যে, এতে উমর (রাযিঃ) আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি যদি সকলের খাদ্য সামগ্রী একত্রিত করে আল্লাহর নিকট দু'আ করতেন তবে উত্তম হতো। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেটাই করলেন। যার নিকট গম ছিল সে গম নিয়ে এবং যার নিকট খেজুর ছিল তা নিয়ে উপস্থিত হলো। (তালহাহ ইবনু মুসাররিফ বলেন) মুজাহিদ আরো বর্ণনা করেন যে, যার নিকট খেজুরের আঁটি ছিল সে আটি নিয়েই উপস্থিত হলো। আমি (তালহাহ) জিজ্ঞেস করলাম আঁটি দিয়ে কি করতেন? তিনি বললেন, সেটা চুষে পানি পান করতেন। রাবী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সংগৃহীত খাদ্যসামগ্রীর উপর দু'আ করলেন। রাবী বলেন, অতঃপর লোকেরা তাদের পাত্রসমূহ খাদ্য দ্বারা পূর্ণ করে নিল। রাবী বলেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল। যে এ বিষয় দু’টোর প্রতি নিঃসন্দেহে বিশ্বাস রেখে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن النضر بن ابي النضر، قال حدثني ابو النضر، هاشم بن القاسم حدثنا عبيد الله الاشجعي، عن مالك بن مغول، عن طلحة بن مصرف، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في مسير - قال - فنفدت ازواد القوم قال حتى هم بنحر بعض حمايلهم - قال - فقال عمر يا رسول الله لو جمعت ما بقي من ازواد القوم فدعوت الله عليها . قال ففعل - قال - فجاء ذو البر ببره وذو التمر بتمره - قال وقال مجاهد وذو النواة بنواه - قلت وما كانوا يصنعون بالنوى قال كانوا يمصونه ويشربون عليه الماء . قال فدعا عليها - قال - حتى ملا القوم ازودتهم - قال - فقال عند ذلك " اشهد ان لا اله الا الله واني رسول الله لا يلقى الله بهما عبد غير شاك فيهما الا دخل الجنة
সাহল ইবনু উসমান ও আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ কিংবা আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তাবুকের যুদ্ধের সময় লোকদের খুবই খাদ্যাভাব দেখা দেয় তারা বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আপনি অনুমতি দেন তাহলে আমরা আমাদের উটগুলো যাবাহ করে তার গোশত খাই এবং তার চর্বি ব্যবহার করি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যাবাহ করতে পার। রাবী বলেন, এমন সময় উমার (রাযিঃ) আসলেন এবং বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি এমন করা হয় তাহলে বাহন কমে যাবে। বরং আপনি লোকেদেরকে তাদের অবশিষ্ট খাদ্য নিয়ে আসতে বলুন, তাতে তাদের জন্য আল্লাহর দরবারে বারাকাতের দু’আ করুন। আশা করা যায়, আল্লাহ তাতে বারাকাত দান করবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হ্যাঁ ঠিক আছে। তিনি একটি চাঁদর আনতে বললেন এবং তা বিছালেন, এরপর সকলের অবশিষ্ট খাদ্য চেয়ে পাঠালেন। রাবী বলেন, তখন কেউ এক মুঠো গম নিয়ে উপস্থিত হলো, কেউ এক মুঠো খেজুর নিয়ে উপস্থিত হলো, কেউ বা এক টুকরো রুটি নিয়ে আসলো, এভাবে কিছু পরিমাণ খাদ্য-সামগ্রী চাঁদরে জমা হলো। রাসূলুল্লাহ বারাকাতের দু’আ করলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তোমরা নিজ নিজ পাত্রগুলো খাদ্য দ্বারা পূর্ণ করে নাও। সকলেই আপন আপন পাত্র ভরে নিল, এমনকি এ বাহিনীর কোন পাত্রই আর অপূর্ণ থাকল না। এরপর সকলেই পরিতৃপ্তি সহকারে আহার করলেন। কিছু রয়েও গেল। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং আমি আল্লাহর প্রেরিত রাসূল, যে ব্যক্তি নিঃসন্দেহে এ কথা দু’টোর উপর ঈমান রেখে আল্লাহর নিকট উপস্থিত হবে সে জান্নাত থেকে বঞ্চিত হবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا سهل بن عثمان، وابو كريب محمد بن العلاء جميعا عن ابي معاوية، - قال ابو كريب حدثنا ابو معاوية، - عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، او عن ابي سعيد، - شك الاعمش - قال لما كان غزوة تبوك اصاب الناس مجاعة . قالوا يا رسول الله لو اذنت لنا فنحرنا نواضحنا فاكلنا وادهنا . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " افعلوا " . قال فجاء عمر فقال يا رسول الله ان فعلت قل الظهر ولكن ادعهم بفضل ازوادهم ثم ادع الله لهم عليها بالبركة لعل الله ان يجعل في ذلك . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " نعم " . قال فدعا بنطع فبسطه ثم دعا بفضل ازوادهم - قال - فجعل الرجل يجيء بكف ذرة - قال - ويجيء الاخر بكف تمر - قال - ويجيء الاخر بكسرة حتى اجتمع على النطع من ذلك شىء يسير - قال - فدعا رسول الله صلى الله عليه وسلم عليه بالبركة ثم قال " خذوا في اوعيتكم " . قال فاخذوا في اوعيتهم حتى ما تركوا في العسكر وعاء الا ملاوه - قال - فاكلوا حتى شبعوا وفضلت فضلة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشهد ان لا اله الا الله واني رسول الله لا يلقى الله بهما عبد غير شاك فيحجب عن الجنة
দাউদ ইবনু রুশায়দ ..... উবাদাহ্ ইবনু সামিত (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বলে, “আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তিনি একক এবং মুহাম্মাদসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার বান্দা ও রাসূল, আর নিশ্চয় ঈসা (আঃ) আল্লাহর বান্দা, তার বান্দীর (মারইয়ামের) পুত্র ও তার সে কালিমা- যা তিনি মারইয়ামকে পৌছিয়েছেন এবং তার পক্ষ থেকে প্রেরিত একটি রূহ মাত্র, জান্নাত সত্য, জাহান্নাম সত্য, আল্লাহ তাকে জান্নাতের আটটি দরজার যেটি দিয়ে প্রবেশ করাতে চাইবেন, প্রবেশ করাবেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا داود بن رشيد، حدثنا الوليد، - يعني ابن مسلم - عن ابن جابر، قال حدثني عمير بن هاني، قال حدثني جنادة بن ابي امية، حدثنا عبادة بن الصامت، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قال اشهد ان لا اله الا الله وحده لا شريك له وان محمدا عبده ورسوله وان عيسى عبد الله وابن امته وكلمته القاها الى مريم وروح منه وان الجنة حق وان النار حق ادخله الله من اى ابواب الجنة الثمانية شاء
আহমাদ ইবনু ইবরাহীম ..... উমায়র ইবনু হানী (রাযিঃ) থেকে এ সনদে উপরের বর্ণনার অনুরূপই বর্ণিত হয়েছে, তবে আরো রয়েছে, তার 'আমল যা-ই হোক না কেন আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশ করবেন। কিন্তু 'জান্নাতের আটটি দরজার যেটি দিয়েই সে চাইবে' এ বাক্যটি এ বর্ণনায় উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني احمد بن ابراهيم الدورقي، حدثنا مبشر بن اسماعيل، عن الاوزاعي، عن عمير بن هاني، في هذا الاسناد بمثله غير انه قال " ادخله الله الجنة على ما كان من عمل " . ولم يذكر " من اى ابواب الجنة الثمانية شاء
কুতাইবাহ বিন সাঈদ (রহঃ) ..... সুনাবিহী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি উবাদাহ ইবনু সামিত (রাযিঃ) এর উদ্ধৃতি দিয়ে বর্ণনা করেন। সুনাবিহী বলেন, উবাদাহ ইবনু সীমিত (রাযিঃ) যখন মৃত্যু শয্যায় তখন আমি তার নিকট গেলাম, (তাকে দেখে) আমি কেঁদে ফেললাম। এ সময় তিনি আমাকে ধমক দিয়ে বললেন, থামো, কাদছো কেন? আল্লাহর কসম! আমাকে যদি সাক্ষী বানানো হয়, আমি তোমার স্বপক্ষে সাক্ষ্য দিবো, আর যদি সুপারিশ করার অধিকারী হই তবে তোমার জন্য সুপারিশ করবো। আর যদি তোমার কোন উপকার করতে পারি, নিশ্চয় সেটাও করবো। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! এ যাবৎ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে যে কোন হাদীস শুনেছি, যার মধ্যে তোমাদের জন্য কল্যাণ নিহিত আছে, তা আমি অবশ্যই তোমাদের কাছে বর্ণনা করেছি। কিন্তু একটি মাত্র হাদীস (যা এতদিন আমি তোমাদেরকে বলিনি) আজ এখনই তা আমি তোমাদের কাছে বর্ণনা করবো। কেননা বর্তমানে আমি মৃত্যুর বেষ্টনীতে আবদ্ধ। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি এ সাক্ষ্য দেয় যে, "আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর রাসূল, আল্লাহ তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن عجلان، عن محمد بن يحيى بن حبان، عن ابن محيريز، عن الصنابحي، عن عبادة بن الصامت، انه قال دخلت عليه وهو في الموت فبكيت فقال مهلا لم تبكي فوالله لين استشهدت لاشهدن لك ولين شفعت لاشفعن لك ولين استطعت لانفعنك ثم قال والله ما من حديث سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم لكم فيه خير الا حدثتكموه الا حديثا واحدا وسوف احدثكموه اليوم وقد احيط بنفسي سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من شهد ان لا اله الا الله وان محمدا رسول الله حرم الله عليه النار
হাদ্দাব ইবনু খালিদ আল আযদী (রহঃ) ..... মুআয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বাহনের পিছনে বসা ছিলাম। আমার ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর মাঝে হাওদার কাঠের টুকরা ব্যতীত কোন ব্যবধান ছিল না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হে মুআয ইবনু জাবাল! আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। অতঃপর তিনি কিছু দূর অগ্রসর হয়ে পুনরায় বললেন, 'হে মুআয ইবনু জাবাল! আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। তিনি বললেন, তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর কী হক রয়েছে? আমি বললাম, আল্লাহ এবং তার রাসূলই তা উত্তম জানেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, বান্দার উপর আল্লাহর হক হলো তারা তার ইবাদাত করবে এবং তার সঙ্গে কোন কিছুকে শারীক করবে না। অতঃপর কিছু দূর চললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবার বললেন, হে মু'আয ইবনু জাবাল! আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! উপস্থিত আছি, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমি কি জান, এগুলো করলে আল্লাহর কাছে বান্দার কী হক আছে? আমি বললাম, আল্লাহ তার রাসূলই ভালো জানেন। নবী বললেন, "আল্লাহ তা'আলা তাকে শাস্তি দিবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا هداب بن خالد الازدي، حدثنا همام، حدثنا قتادة، حدثنا انس بن مالك، عن معاذ بن جبل، قال كنت ردف النبي صلى الله عليه وسلم ليس بيني وبينه الا موخرة الرحل فقال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . قال " هل تدري ما حق الله على العباد " . قال قلت الله ورسوله اعلم . قال " فان حق الله على العباد ان يعبدوه ولا يشركوا به شييا " . ثم سار ساعة ثم قال " يا معاذ بن جبل " . قلت لبيك رسول الله وسعديك . قال " هل تدري ما حق العباد على الله اذا فعلوا ذلك " . قال قلت الله ورسوله اعلم . قال " ان لا يعذبهم
আবূ বাকর ইবনু আবূ শইবাহ (রহঃ) ..... মুআয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর গাধা উফায়র এর পিঠে তার পিছনে বসা ছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে মুআয! তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর হক কী এবং আল্লাহর উপর বান্দার হক কী? আমি বললাম, আল্লাহ ও তার রাসূলই ভলো জানেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, বান্দার উপর আল্লাহর হক হলো তারা আল্লাহর ইবাদাত করবে এবং তার সঙ্গে কোন কিছু শারীক করবে না। আর আল্লাহর উপর বান্দার হক হলো, যে তার সঙ্গে শারীক করবে না, তাকে তিনি শাস্তি দিবেন না। মু'আয বললেন, ‘আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি লোকদের এ সংবাদ জানিয়ে দেব না? তিনি বললেন, না; লোকেদের এ সংবাদ দিও না, তাহলে তারা এর উপর ভরসা করে থাকবে। (অর্থাৎ, ‘আমল করা ছেড়ে দিবে) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫১ ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو الاحوص، سلام بن سليم عن ابي اسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن معاذ بن جبل، قال كنت ردف رسول الله صلى الله عليه وسلم على حمار يقال له عفير قال فقال " يا معاذ تدري ما حق الله على العباد وما حق العباد على الله " . قال قلت الله ورسوله اعلم . قال " فان حق الله على العباد ان يعبدوا الله ولا يشركوا به شييا وحق العباد على الله عز وجل ان لا يعذب من لا يشرك به شييا " . قال قلت يا رسول الله افلا ابشر الناس قال " لا تبشرهم فيتكلوا
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুআয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, হে মুআয! তুমি কি জান, বান্দার উপর আল্লাহর কী হক? তিনি বললেন, 'আল্লাহ তার রাসূলই ভালো জানেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তা হল, আল্লাহর ইবাদাত করা এবং তার সঙ্গে অন্য কিছুকে শারীক না করা। তিনি বললেন, ‘তুমি কি জান, তা করলে আল্লাহর নিকট বান্দার হক কী? মুআয বললেন, "আল্লাহ তার রাসূলই ভালো জানেন। তিনি বললেন, তাদের তিনি শাস্তি দিবেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابي حصين، والاشعث بن سليم، انهما سمعا الاسود بن هلال، يحدث عن معاذ بن جبل، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا معاذ اتدري ما حق الله على العباد " . قال الله ورسوله اعلم . قال " ان يعبد الله ولا يشرك به شىء - قال - اتدري ما حقهم عليه اذا فعلوا ذلك " . فقال الله ورسوله اعلم . قال " ان لا يعذبهم
কাসিম ইবনু যাকারিয়্যা ..... মুআয (রাযিঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে ডাকলেন। আমি তার আহবানে সাড়া দিলাম। তারপর তিনি বললেন, তুমি কি জান মানুষের উপর আল্লাহর হক কী? ..... বাকী অংশ উপরোক্ত হাদীসের মত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا القاسم بن زكرياء، حدثنا حسين، عن زايدة، عن ابي حصين، عن الاسود بن هلال، قال سمعت معاذا، يقول دعاني رسول الله صلى الله عليه وسلم فاجبته فقال " هل تدري ما حق الله على الناس " . نحو حديثهم
–(৫২/৩১) যুহারর ইবনু হারব ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বলেন, একদা আমরা (সাহাবাগণ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে ঘিরে বসেছিলাম। আমাদের জামা'আতে আবূ বাকর এবং উমর (রাযিঃ)-ও ছিলেন। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝ থেকে ওঠে গেলেন। দীর্ঘক্ষণ অতিক্রান্তের পর আমরা শঙ্কিত হলাম যে, তিনি কোথাও কোন বিপদের সম্মুখীন কিনা। তাই আমরা ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়লাম। আর আমি সর্বপ্রথম বিচলিত হলাম। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর খোঁজে বের হয়ে পড়লাম। আমি বানু নাজ্জারের জনৈক আনসারীর বাগানের নিকট এসে উপনীত হলাম। আর বাগানের অভ্যন্তরে প্রবেশের কোন পথ খুঁজে পাওয়া যায় কিনা সেজন্য চারদিকে ঘুরলাম। কিন্তু পেলাম না। হঠাৎ দেখতে পেলাম বাইরের একটি কুয়া থেকে একটি নালা বাগানের অভ্যন্তরে প্রবাহিত হচ্ছে। সংকীর্ণ নালাকে জাদওয়াল’ বলা হয়। অতঃপর আমি নিজেকে শেয়ালের ন্যায় সংকুচিত করে নর্দমার মধ্য দিয়ে গিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট উপনীত হলাম। তিনি বললেন, আবূ হুরাইরাহ নাকি? আমি বললাম, জী-হ্যাঁ, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কি ব্যাপার? আমি বললাম, আপনি আমাদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন। হঠাৎ উঠে চলে আসলেন, আর দীর্ঘক্ষণ পরও ফিরে না যাওয়ায় আমরা বিচলিত হয়ে পড়েছি। আমাদের অনুপস্থিতিতে কোথাও বিপদের সম্মুখীন হলেন কিনা আমাদের এ আশঙ্কা হল। আর আমি সর্বপ্রথম বিচলিত হয়ে পড়ি। আমি এ দেয়ালের কাছে এসে শেয়ালের ন্যায় সঙ্কুচিত হয়ে নালার ভিতর দিয়ে এখানে উপস্থিত হলাম। অন্যান্যরা আমার পেছনে আছে। তিনি তার জুতা জোড়া আমাকে দিয়ে বললেন, হে আবূ হুরাইরাহ্! আমার জুতা জোড়া সাথে নিয়ে যাও। এ বাগানের বাইরে যার সাথেই তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে বলোঃ "যে ব্যক্তি দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে এ সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও।" বর্ণনাকারী আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, সর্বপ্রথম উমার (রাযিঃ) এর সাথে আমার সাক্ষাৎ হলো। তিনি আমাকে বললেন, হে আবূ হুরাইরাহ! জুতা জোড়া কার? আমি বললাম, আল্লাহর রসূলের। তিনি আমাকে এ জুতা জোড়াসহ এই বলে পাঠিয়েছেন যে, "যে ব্যক্তি প্রশান্ত মনে এ সাক্ষ্য দিবে যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃত কোন ইলাহ নেই, তাকে তুমি জান্নাতের সুসংবাদ দিবে" তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, আমার এ কথা শুনে উমর (রাযিঃ) আমার বুকের উপর এমন জোরে চপেটাঘাত করলেন যে, আমি পেছন দিকে পড়ে গেলাম। আর তিনি বললেন, হে আবূ হুরাইরাহ! তুমি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর) নিকট ফিরে চলো। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট কাদো কাদো অবস্থায় ফিরে আসলাম। আমার পেছনে পেছনে উমর (রাযিঃ) সেখানে উপস্থিত হলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, হে আবূ হুরাইরাহ্! তোমার কি হয়েছে? আমি বললাম, আমার সাথে উমারের সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং আপনি আমাকে যে সুসংবাদ দিয়ে পাঠিয়েছিলেন তাকে এটা জানালে তিনি আমার বুকে এমন জোরে ঘুষি মারলেন যে, আমি পিছন দিকে পড়ে যাই। তিনি এটাও বলেছেন যে, আমি যেন (আপনার নিকট) ফিরে আসি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে উমার! কোন বস্তু তোমাকে এমন কাজ করতে উদ্যত করলো? তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমার পিতা-মাতা আপনার উপর কুরবান হোক। আপনি কি আপনার জুতা জোড়াসহ আবূ হুরাইরাহকে এ বলে পাঠিয়েছেন যে, যার সাথে তোমার সাক্ষাৎ হয় তাকে বলো, যে ব্যক্তি সর্বান্তঃকরণে এ সাক্ষ্য দিবে যে, "আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই" তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দাও? তিনি বললেন, হ্যাঁ। উমার (রাযিঃ) বললেন, এরূপ করবেন না, কেননা আমার আশংকা হচ্ছে এতে লোকেরা (আমল বর্জন করে) এর উপর ভরসা করে বসে থাকবে, কাজেই লোকদেরকে আমল করার সুযোগ দিন। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আচ্ছা তাদেরকে ছেড়ে দাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
ইসহাক ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও মুআয ইবনু জাবাল (রাযিঃ) একই বাহনের পৃষ্ঠে উপবিষ্ট ছিলেন। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “হে মুআয ইবনু জাবাল! মুআয (রাযিঃ) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি উপস্থিত, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুনরায় বললেন, হে মুআয ইবনু জাবাল! মুআয (রাযিঃ) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি উপস্থিত, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পুনরায় বললেন, হে মুআয ইবনু জাবাল! মুআয (রাযিঃ) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি হাযির, আপনার আনুগত্য শিরোধার্য। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, যদি কোন বান্দা সাক্ষ্য দেয় যে, আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ। তার বান্দা ও রাসূল- তবে আল্লাহ তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দিবেন। মু'আয (রাযিঃ) বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কি লোকদের এ সংবাদ দিব? যাতে তারা সুসংবাদ পায়। রাসূলুল্লাহসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তাহলে লোকেরা এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়বে। পরে সত্য কথা গোপন রাখার গুনাহের ভয়ে মুআয (রাযিঃ) মৃত্যুর সময় এ খবরটি শুনিয়ে গেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا اسحاق بن منصور، اخبرنا معاذ بن هشام، قال حدثني ابي، عن قتادة، قال حدثنا انس بن مالك، ان نبي الله صلى الله عليه وسلم ومعاذ بن جبل رديفه على الرحل قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " يا معاذ " . قال لبيك رسول الله وسعديك . قال " ما من عبد يشهد ان لا اله الا الله وان محمدا عبده ورسوله الا حرمه الله على النار " . قال يا رسول الله افلا اخبر بها الناس فيستبشروا قال " اذا يتكلوا " فاخبر بها معاذ عند موته تاثما
শাইবান ইবনু ফাররূখ (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন আমাকে মাহমুদ ইবনু রাবী' ইতবান ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, মাহমূদ বলেন, আমি মদীনায় আসলাম এবং ইতবানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললাম, আপনার সূত্রে একটি হাদীস আমার কাছে পৌছেছে (সুতরাং ঘটনাটি আমাকে সবিস্তারে বলুন)। তিনি (ইতবান) বললেন, আমার দৃষ্টিশক্তি কিছুটা কমে যাওয়ায় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এ মর্মে সংবাদ পাঠালাম যে, আমার ইচ্ছা আপনি আমার বাড়িতে এসে এক জায়গায় সালাত আদায় করবেন এবং আমি সে জায়গাটি সালাতের জন্য নির্দিষ্ট করে নিবো। তিনি (ইতবান) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসলেন এবং আল্লাহর ইচ্ছায় তার সাথে তার কতিপয় সাহাবাও আসলেন। তিনি ঘরে প্রবেশ করেই সালাত আদায় করতে লাগলেন। আর তার সাহাবাগণ আপোষে কথাবার্তা বলতে থাকলেন। তাদের আলোচনার এক পর্যায়ে এসে তারা মালিক ইবনু দুখশুম* সম্পর্কে মস্ত বড় আপত্তিকর বদদু'আ করুন এবং সে ধ্বংস হয়ে যাক। আবার কেউ এ ইচ্ছাও প্রকাশ করলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বদদু'আ করুন এবং সে ধ্বংস হয়ে যাক। আবার কেউ এ বাসনাও প্রকাশ করলেন যে, যদি তার উপর আকস্মিক কোন দুর্ঘটনা নেমে আসতো তাহলে খুবই উত্তম হতো। ইত্যবসরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাত সমাপ্ত করলেন এবং জিজ্ঞেস করলে, সে (মালিক) কি এ কথার সাক্ষ্য দেয় না যে, আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল"? লোকেরা বলল, সে মুখে বলে ঠিকই কিন্তু তার অন্তরে এর প্রতি কোন উপাস্য নেই। তিনি বললেন, "যে কেউ এ সাক্ষ্য দিবে যে, "আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন উপাস্য নেই এবং আমি আল্লাহর রাসূল" সে জাহান্নামে প্রবেশ করবে না। অথবা তিনি বলেছেন, আগুন তাকে গ্রাস করবে না। আনাস (রাযিঃ) বলেন, এ হাদীসটি আমার নিকট খুবই চমৎকার মনে হয়েছে। তাই আমি আমার পুত্রকে বললাম, এটা লিখে নাও। সুতরাং সে তা লিখে নিলো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا شيبان بن فروخ، حدثنا سليمان، - يعني ابن المغيرة - قال حدثنا ثابت، عن انس بن مالك، قال حدثني محمود بن الربيع، عن عتبان بن مالك، قال قدمت المدينة فلقيت عتبان فقلت حديث بلغني عنك قال اصابني في بصري بعض الشىء فبعثت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم اني احب ان تاتيني فتصلي في منزلي فاتخذه مصلى - قال - فاتى النبي صلى الله عليه وسلم ومن شاء الله من اصحابه فدخل وهو يصلي في منزلي واصحابه يتحدثون بينهم ثم اسندوا عظم ذلك وكبره الى مالك بن دخشم قالوا ودوا انه دعا عليه فهلك وودوا انه اصابه شر . فقضى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصلاة وقال " اليس يشهد ان لا اله الا الله واني رسول الله " . قالوا انه يقول ذلك وما هو في قلبه . قال " لا يشهد احد ان لا اله الا الله واني رسول الله فيدخل النار او تطعمه " . قال انس فاعجبني هذا الحديث فقلت لابني اكتبه فكتبه
আবূ বকর ইবনু নাফি আল আবদী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। ইতবান (রাযিঃ) অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নিকট এ বলে খবর পাঠালেন, আপনি আমার ঘরে তাশরীফ আনুন এবং আমার জন্য একটি সালাতের স্থান নির্দিষ্ট করে দেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার সঙ্গীদের নিয়ে তাশরীফ আনলেন এবং মালিক ইবনু দুখশুম নামক এক ব্যক্তির কথা সেখানে উল্লেখ করা হলো ..... তারপর বর্ণনাকারী সুলাইমান ইবনু মুগীরার মতো হাদীসটি বর্ণনা করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني ابو بكر بن نافع العبدي، حدثنا بهز، حدثنا حماد، حدثنا ثابت، عن انس، قال حدثني عتبان بن مالك، انه عمي فارسل الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال تعال فخط لي مسجدا . فجاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وجاء قومه ونعت رجل منهم يقال له مالك بن الدخشم . ثم ذكر نحو حديث سليمان بن المغيرة
মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াহইয়া আবূ উমার আল মাক্কী ও বিশ্বর ইবনু হাকাম (রহঃ) ..... আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পেয়েছে, যে রব হিসেবে আল্লাহকে, দীন হিসেবে ইসলামকে এবং রাসূল হিসেবে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে সন্তুষ্ট চিত্তে স্বীকার করেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن يحيى بن ابي عمر المكي، وبشر بن الحكم، قالا حدثنا عبد العزيز، - وهو ابن محمد - الدراوردي عن يزيد بن الهاد، عن محمد بن ابراهيم، عن عامر بن سعد، عن العباس بن عبد المطلب، انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ذاق طعم الايمان من رضي بالله ربا وبالاسلام دينا وبمحمد رسولا
উবাইদুল্লাহ ইবনু সাঈদ ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ ঈমানের শাখা সত্তরটির চেয়েও বেশি, আর লজ্জা শরম ঈমানের একটি শাখা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৫৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عبيد الله بن سعيد، وعبد بن حميد، قالا حدثنا ابو عامر العقدي، حدثنا سليمان بن بلال، عن عبد الله بن دينار، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " الايمان بضع وسبعون شعبة والحياء شعبة من الايمان
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরায়রাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ঈমানের শাখা সত্তরটিরও কিছু বেশি। অথবা ষাটটির কিছু বেশি। এর সর্বোচ্চ শাখা হচ্ছে (আল্লাহ ব্যতীত প্রকৃত কোন ইলাহ নেই) এ কথা স্বীকার করা, আর এর সর্বনিম্ন শাখা হচ্ছে রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা। আর লজ্জা ঈমানের একটি বিশেষ শাখা। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا جرير، عن سهيل، عن عبد الله بن دينار، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الايمان بضع وسبعون او بضع وستون شعبة فافضلها قول لا اله الا الله وادناها اماطة الاذى عن الطريق والحياء شعبة من الايمان
حدثني زهير بن حرب، حدثنا عمر بن يونس الحنفي، حدثنا عكرمة بن عمار، قال حدثني ابو كثير، قال حدثني ابو هريرة، قال كنا قعودا حول رسول الله صلى الله عليه وسلم معنا ابو بكر وعمر في نفر فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم من بين اظهرنا فابطا علينا وخشينا ان يقتطع دوننا وفزعنا فقمنا فكنت اول من فزع فخرجت ابتغي رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى اتيت حايطا للانصار لبني النجار فدرت به هل اجد له بابا فلم اجد فاذا ربيع يدخل في جوف حايط من بير خارجة - والربيع الجدول - فاحتفزت كما يحتفز الثعلب فدخلت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ابو هريرة " . فقلت نعم يا رسول الله . قال " ما شانك " . قلت كنت بين اظهرنا فقمت فابطات علينا فخشينا ان تقتطع دوننا ففزعنا فكنت اول من فزع فاتيت هذا الحايط فاحتفزت كما يحتفز الثعلب وهولاء الناس ورايي فقال " يا ابا هريرة " . واعطاني نعليه قال " اذهب بنعلى هاتين فمن لقيت من وراء هذا الحايط يشهد ان لا اله الا الله مستيقنا بها قلبه فبشره بالجنة " فكان اول من لقيت عمر فقال ما هاتان النعلان يا ابا هريرة . فقلت هاتان نعلا رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثني بهما من لقيت يشهد ان لا اله الا الله مستيقنا بها قلبه بشرته بالجنة . فضرب عمر بيده بين ثديى فخررت لاستي فقال ارجع يا ابا هريرة فرجعت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاجهشت بكاء وركبني عمر فاذا هو على اثري فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لك يا ابا هريرة " . قلت لقيت عمر فاخبرته بالذي بعثتني به فضرب بين ثديى ضربة خررت لاستي قال ارجع . فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا عمر ما حملك على ما فعلت " . قال يا رسول الله بابي انت وامي ابعثت ابا هريرة بنعليك من لقي يشهد ان لا اله الا الله مستيقنا بها قلبه بشره بالجنة . قال " نعم " . قال فلا تفعل فاني اخشى ان يتكل الناس عليها فخلهم يعملون . قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فخلهم