Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৪১ হাদিসসমূহ
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! ইবনু জুদআন জাহিলী যুগে আত্মীয়-স্বজনের হক আদায় করত এবং দরিদ্রদের আহার দিত। (আখিরাতে) এসব কর্ম তার উপকারে আসবে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কোন উপকারে আসবে না। সে তো কোন দিন এ কথা বলেনি যে, হে আমার রব! কিয়ামতের দিন আমার অপরাধ ক্ষমা করে দিও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا حفص بن غياث، عن داود، عن الشعبي، عن مسروق، عن عايشة، قالت قلت يا رسول الله ابن جدعان كان في الجاهلية يصل الرحم ويطعم المسكين فهل ذاك نافعه قال " لا ينفعه انه لم يقل يوما رب اغفر لي خطييتي يوم الدين
আহমাদ ইবনু হাম্বাল (রহঃ) ..... আমর ইবনু আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে চুপে চুপে নয় স্পষ্ট বলতে শুনেছি যে, জেনে রেখ! অমুক বংশ (আত্মীয়তার কারণে) আমার বন্ধু নয়, বরং আল্লাহর এবং নেককার মুমিনগণই হলেন আমার বন্ধু। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني احمد بن حنبل، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن اسماعيل بن ابي خالد، عن قيس، عن عمرو بن العاص، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم جهارا غير سر يقول " الا ان ال ابي - يعني فلانا - ليسوا لي باولياء انما وليي الله وصالح المومنين
আবদুর রহমান ইবনু সাল্লাম ইবনু উবাইদুল্লাহ জুমাহী (রহঃ) .... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। জনৈক সাহাবা (উক্কাশাহ) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দু'আ করুন, আমাকে যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু'আ করলেন, ইয়া আল্লাহ। ওকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। তারপর আরেকজন সাহাবা দাড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ আমার জন্যও আল্লাহর কাছে দু'আ করুন, আমাকেও যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ সুযোগ লাভে উক্কাশাহ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عبد الرحمن بن سلام بن عبيد الله الجمحي، حدثنا الربيع، - يعني ابن مسلم - عن محمد بن زياد، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " يدخل من امتي الجنة سبعون الفا بغير حساب " . فقال رجل يا رسول الله ادع الله ان يجعلني منهم . قال " اللهم اجعله منهم " . ثم قام اخر فقال يا رسول الله ادع الله ان يجعلني منهم . قال " سبقك بها عكاشة
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি ..... পরবর্তী অংশ উপরোল্লিখিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت محمد بن زياد، قال سمعت ابا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول . بمثل حديث الربيع
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, আমার উম্মতের একটি দল জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের সংখ্যা হবে সত্তর হাজার। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাদের ন্যায় চমকাতে থাকবে। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) বলেন, তখন উক্কাশাহ ইবনু মিহসান আসাদী দাঁড়ালেন। তার গায়ে একটি চাঁদর ছিল। বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আল্লাহর কাছে দু'আ করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ ইয়া আল্লাহ! একে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নিন। এরপর আরেকজন আনসারী দাঁড়িয়ে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ। আপনি আল্লাহর কাছে দু'আ করুন তিনি যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ এ সুযোগ লাভে উক্কাশাহ তোমার অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، قال اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال حدثني سعيد بن المسيب، ان ابا هريرة، حدثه قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " يدخل من امتي زمرة هم سبعون الفا تضيء وجوههم اضاءة القمر ليلة البدر " . قال ابو هريرة فقام عكاشة بن محصن الاسدي يرفع نمرة عليه فقال يا رسول الله ادع الله ان يجعلني منهم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم اجعله منهم " ثم قام رجل من الانصار فقال يا رسول الله ادع الله ان يجعلني منهم . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سبقك بها عكاشة
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর তাদের একটি দলের চেহারা হবে চাদের মত (উজ্জ্বল)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني حرملة بن يحيى، حدثنا عبد الله بن وهب، اخبرني حيوة، قال حدثني ابو يونس، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يدخل الجنة من امتي سبعون الفا زمرة واحدة منهم على صورة القمر
ইয়াহইয়া ইবনু খালাফ আল বাহিলী ..... 'ইমরান (রাযিঃ) বলেন, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের সত্তর হাজার লোক বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে। লোকেরা জিজ্ঞেস করলো, তারা কারা, হে আল্লাহর রাসূল! তিনি বললেনঃ যারা ক্ষতস্থানে লোহা পুড়ে লাগায় না এবং (জাহিলী যুগের ন্যায়) ঝাড়ফুঁক বা মন্ত্রের দ্বারা চিকিৎসা কামনা করে না বরং তারা আল্লাহর উপর পূর্ণ তাওয়াকুল করে। এ সময় উক্কাশাহ্ (রাযিঃ) ওঠে দাঁড়িয়ে বললো, আল্লাহর নিকট প্রার্থনা করুন, তিনি যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তুমিও তাদের অন্তর্ভুক্ত। বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর আর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বললো, হে আল্লাহর নবী। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করুন, তিনি আমাকেও যেন তাদের অন্তর্ভুক্ত করেন। উত্তরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ উক্কাশাহ তোমার আগেই দলভুক্ত হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا يحيى بن خلف الباهلي، حدثنا المعتمر، عن هشام بن حسان، عن محمد، - يعني ابن سيرين - قال حدثني عمران، قال قال نبي الله صلى الله عليه وسلم " يدخل الجنة من امتي سبعون الفا بغير حساب " . قالوا ومن هم يا رسول الله قال " هم الذين لا يكتوون ولا يسترقون وعلى ربهم يتوكلون " . فقام عكاشة فقال ادع الله ان يجعلني منهم . قال " انت منهم " . قال فقام رجل فقال يا نبي الله ادع الله ان يجعلني منهم . قال " سبقك بها عكاشة
যুহারর ইবনু হারব (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার লোক হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। সাহাবাগণ জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এরা কারা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যারা ঝাড়ফুক করায় না, পাখি উড়িয়ে শুভাশুভের লক্ষণ মেনে চলে না, অগ্নি দাগ গ্রহণ করে না, বরং সর্বদাই আল্লাহর ওপর নির্ভর করে (তারাই)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا عبد الصمد بن عبد الوارث، حدثنا حاجب بن عمر ابو خشينة الثقفي، حدثنا الحكم بن الاعرج، عن عمران بن حصين، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " يدخل الجنة من امتي سبعون الفا بغير حساب " . قالوا من هم يا رسول الله قال " هم الذين لا يسترقون ولا يتطيرون ولا يكتوون وعلى ربهم يتوكلون
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... সাহল ইবনু সা'দ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মতের মধ্য থেকে সত্তর হাজার বা সাত লক্ষ (এখানে রাবী আবূ হাযিম কোন সংখ্যাই নিশ্চিত করে বলতে পারেননি) লোক পাশাপাশি দাঁড়িয়ে একে অন্যের হাত ধরে জান্নাতে প্রবেশ করবে। তাদের প্রথম ব্যক্তি শেষ ব্যক্তির প্রবেশের আগে প্রবেশ করবে না, বরং সবাই একত্রে প্রবেশ করবে। তাদের চেহারা পূর্ণিমার চাদের মত চমকাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا عبد العزيز، - يعني ابن ابي حازم - عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ليدخلن الجنة من امتي سبعون الفا او سبعماية الف - لا يدري ابو حازم ايهما قال - متماسكون اخذ بعضهم بعضا لا يدخل اولهم حتى يدخل اخرهم وجوههم على صورة القمر ليلة البدر
সাঈদ ইবনু মানসূর (রহঃ) ..... হুসায়ন ইবনু আবদুর রহমান (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনু যুবায়র এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তিনি প্রশ্ন করলেন, তোমাদের মধ্য হতে কেউ রাতে যে তারকাটি বিচ্যুত হয়েছিল তা দেখেছে কি? আমি বললাম, আমি দেখেছি। অবশ্য আমি রাতের সালাতে রত ছিলাম না; আমাকে বিচ্ছু দংশন করেছিল। সাঈদ বললেন, দংশন করার পর তুমি কি করেছিলে? আমি বললাম, ঝাড়ফুঁক করিয়েছি। তিনি বললেন, তোমাকে এ ঝাড়ফুঁক গ্রহণে কিসে উদ্বুদ্ধ করল? আমি বললাম, সে হাদীস যা আমাদেরকে শা'বী বর্ণনা করেছেন। তিনি বললেন, শা'বী কী হাদীস বর্ণনা করেছেন? আমি বললাম, শা'বী বুরাইদাহ ইবনু হুসায়ন আল আসলামী (রাযিঃ) এর সূত্রে বর্ণনা করেন যে, কুদৃষ্টি বা বিচ্ছু দংশন ব্যতীত অন্য বিষয়ে ঝাড়ফুঁক করানো উচিত নয়। তিনি বললেন, ভাল বলেছেন। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন যে, স্বপ্নে আমার সামনে সকল নবীদের উপস্থিত করা হয়। অতঃপর তখন কোন কোন নবীকে দেখলাম যে, তার সঙ্গে ছোট্ট একটি দল রয়েছে; আর কাউকে দেখলাম, তার সঙ্গে একজন কিংবা দু'জন লোক আবার কেউ এমনও ছিলেন যে, তার সাথে কেউ নেই। হঠাৎ আমার সামনে এক বিরাট দল দেখা গেল। মনে হলো, এরা আমার উম্মত। তখন আমাকে বলা হল, ইনি মূসা (আঃ) ও তার উম্মত; তবে আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন। আমি ওদিকে তাকালাম, দেখি বিরাট একদল, আবার বলা হল, আপনি ওপর দিগন্তে তাকিয়ে দেখুন, (আমি ওদিকে তাকিয়ে দেখলাম) এক বিরাট দল। বলা হল, এরা আপনার উম্মত। এদের মধ্যে সত্তর হাজার এমন লোক আছে যারা শাস্তি ব্যতীত ও হিসাব ছাড়াই জান্নাতে প্রবেশ করবে। এ বলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন, অতঃপর তার ঘরে চলে গেলেন। তারা উপস্থিত সাহাবাগণ তখন এ হিসাব ও আযাববিহীন জান্নাতে প্রবেশকারী কারা হবেন? এ নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন। কেউ বললেন, তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবা। কেউ বললেন, তারা সে সব লোক যারা ইসলামের উপর জন্মলাভ করেছে এবং আল্লাহর সঙ্গে কোন প্রকার শিরক করেনি এবং তারা বহু জিনিসের উল্লেখ করলেন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের কাছে বেরিয়ে এলেন এবং বললেনঃ তোমরা কি নিয়ে আলোচনা করছিলে? সবাই বিষয়টি (খুলে) বললেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদের বললেনঃ এরা সে সব লোক যারা ঝাড়ফুঁক করে না বা তা গ্রহণও করে না, পাখি উড়িয়ে শুভাশুভের লক্ষণ মানে না বরং সর্বদাই আল্লাহর উপর নির্ভর করে। তখন উক্কাশাহ ইবনু মিহসান (রাযিঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, আমার জন্যে দু'আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তুমি তাদেরই একজন থাকবে। তারপর আরেক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্যেও দু'আ করুন, আল্লাহ যেন আমাকেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করে নেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরঃ এ সুযোগ লাভ উক্কাশাহ তোমার চাইতে অগ্রগামী হয়ে গেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বপ্নে আমার সামনে সকল উম্মতকে পেশ করা হয় ..... এভাবে বর্ণনাকারী হুসায়ন বর্ণিত হাদীসের অনুরূপই বর্ণনা করেন। কিন্তু হাদীসটির প্রথমাংশ উল্লেখ করেনি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا محمد بن فضيل، عن حصين، عن سعيد بن جبير، حدثنا ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " عرضت على الامم " . ثم ذكر باقي الحديث نحو حديث هشيم ولم يذكر اول حديثه
হান্নাদ ইবনু সারী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের জিজ্ঞেস করলেন যে, তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরাই জান্নাতবাসীদের এক চতুর্থাংশ হবে। (আবদুল্লাহ বলেন) এ শুনে আমরা (খুশিতে) আল্লা-হু আকবার ধ্বনি দিলাম। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরাই জান্নাতবাসীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? সাহাবা বলেন, আমরা আবার আল্লা-হু আকবর’ ধ্বনি দিলাম। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তবে আমি আশা করি তোমরাই জান্নাতবাসীদের অর্ধেক হবে। আর এ সম্পর্কে তোমাদের অচিরেই বলছিঃ কাফিরদের ভীড়ে তোমাদের অবস্থান এমনই স্পষ্ট হবে, যেমন কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশম অথবা একটি শ্বেত ষাঁড়ের গায়ে কালো পশম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا هناد بن السري، حدثنا ابو الاحوص، عن ابي اسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " اما ترضون ان تكونوا ربع اهل الجنة " قال فكبرنا . ثم قال " اما ترضون ان تكونوا ثلث اهل الجنة " قال فكبرنا . ثم قال " اني لارجو ان تكونوا شطر اهل الجنة وساخبركم عن ذلك ما المسلمون في الكفار الا كشعرة بيضاء في ثور اسود او كشعرة سوداء في ثور ابيض
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা প্রায় চল্লিশজনের মতো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে একটি তাবুতে অবস্থান করছিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি এতে সন্তুষ্ট যে, তোমরা জান্নাতীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন, কসম তার যার হাতে আমার প্রাণ! আমি আশা করি যে, অবশ্যই তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে। কেননা, কেবল মুসলিমই সেখানে প্রবেশের অনুমতি লাভ করবে। আর মুশরিকদের মধ্যে তোমাদের অবস্থান হবে, যেমন কাল ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশম অথবা লাল ষাঁড়ের গায়ে একটি কালো পশমের মতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال كنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في قبة نحوا من اربعين رجلا فقال " اترضون ان تكونوا ربع اهل الجنة قال قلنا نعم . فقال " اترضون ان تكونوا ثلث اهل الجنة " فقلنا نعم . فقال " والذي نفسي بيده اني لارجو ان تكونوا نصف اهل الجنة وذاك ان الجنة لا يدخلها الا نفس مسلمة وما انتم في اهل الشرك الا كالشعرة البيضاء في جلد الثور الاسود او كالشعرة السوداء في جلد الثور الاحمر
মুহাম্মাদ ইবনু 'আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন। তিনি তার পৃষ্ঠদেশের সাহায্যে চামড়ার তাবুর সাথে হেলান দেয়া ছিলেন। তিনি বললেনঃ সাবধান, মুসলিম ব্যতীত কেউই জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। অতঃপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ! আমি কি (অর্পিত দায়িত্ব) পৌছিয়েছি? হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষী থাকো, তোমরা কি এটা পছন্দ করবে যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে? আমরা বললাম, হ্যাঁ! হে আল্লাহর রাসূল! অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমরা কি এটা পছন্দ করবে যে, তোমরা জান্নাতীদের এক তৃতীয়াংশ হবে? তারা বললো, হ্যাঁ; হে আল্লাহর রাসূল! তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেনঃ হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমি আশা রাখি যে, তোমরা হবে জান্নাতীদের অর্ধেক। বস্তুতঃ অন্যান্য উম্মতের তুলনায় তোমাদের সংখ্যা হবে সাদা বলদের মধ্যে একটি কালো পশমের মতো অথবা তিনি বলেছেনঃ কালে বলদের মধ্যে একটি সাদা পশমের মতো (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا ابي، حدثنا مالك، - وهو ابن مغول - عن ابي اسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله، قال خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاسند ظهره الى قبة ادم فقال " الا لا يدخل الجنة الا نفس مسلمة اللهم هل بلغت اللهم اشهد . اتحبون انكم ربع اهل الجنة " . فقلنا نعم يا رسول الله . فقال " اتحبون ان تكونوا ثلث اهل الجنة " . قالوا نعم يا رسول الله . قال " اني لارجو ان تكونوا شطر اهل الجنة ما انتم في سواكم من الامم الا كالشعرة السوداء في الثور الابيض او كالشعرة البيضاء في الثور الاسود
উসমান ইবনু আবূ শাইবাহ আবাসী (রহঃ) ... আবূ সাঈদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মহামহিম আল্লাহ (কিয়ামত দিবসে) আহবান করবে, হে আদম! তিনি উত্তরে বলবেন, আমি আপনার সামনে উপস্থিত, আপনার কাছে শুভ কামনা করি এবং সকল কল্যাণ আপনারই হাতে। মহান আল্লাহ বলবেনঃ জাহান্নামী দলকে বের কর। আদম (আঃ) জিজ্ঞেস করবেনঃ জাহান্নামী দল কতজনে? মহান আল্লাহ বলবেনঃ প্রতি হাজার থেকে নয়শ' নিরানব্বই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ এটা সে মুহুর্ত যখন বালক হয়ে যাবে বৃদ্ধ, সকল গর্ভবতী তাদের গর্ভপাত করে ফেলবে আর মানুষকে দেখবে মাতাল সদৃশ যদিও তারা নেশাগ্রস্ত নয়, বস্তুতঃ আল্লাহর আযাব বড়ই কঠিন। রাবী বলেন, কথাগুলো সাহাবাগণের কঠিন মনে হলো। তারা বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমাদের মধ্যে কে সে ব্যক্তি? তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেনঃ আনন্দিত হও। ইয়া'জু্য ও মাজুযেরন সংখ্যা এক হাজার হলে তোমাদের সংখ্যা হবে একজন। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ কসম সে সত্তার যার হাতে আমার প্রাণ! অবশ্যই আমি আশা রাখি যে, তোমরা জান্নাতীদের এক চতুর্থাংশ হবে। (সাহাবা বলেন,) আমরা আল্লাহর প্রশংসা করলাম এবং 'আল্লাহু আকবার ধ্বনি দিলাম। তারপর আবার তিনি বললেন, শপথ সে সত্তার, যার হাতে আমার জীবন! অবশ্যই আমি আশা রাখি, জান্নাতীদের মধ্যে তোমরা তাদের এক তৃতীয়াংশ হবে। সাহাবা বলেন, আমরা বললাম "আলহামদুলিল্লাহ' এবং 'আল্লা-হু আকবার ধ্বনি দিলাম। তারপর আবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ কসম সে সত্তার, যার হাতে আমার প্রাণ! আমি আশা রাখি যে, তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে এবং তোমরা অন্যান্য উম্মতের মধ্যে কারো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের ন্যায় অথবা গাধার পায়ের চিহ্নের সদৃশ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة العبسي، حدثنا جرير، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " يقول الله عز وجل يا ادم فيقول لبيك وسعديك والخير في يديك - قال - يقول اخرج بعث النار . قال وما بعث النار قال من كل الف تسعماية وتسعة وتسعين . قال فذاك حين يشيب الصغير وتضع كل ذات حمل حملها وترى الناس سكارى وما هم بسكارى ولكن عذاب الله شديد " . قال فاشتد ذلك عليهم . قالوا يا رسول الله اينا ذلك الرجل فقال " ابشروا فان من ياجوج وماجوج الفا ومنكم رجل " . قال ثم قال " والذي نفسي بيده اني لاطمع ان تكونوا ربع اهل الجنة " . فحمدنا الله وكبرنا ثم قال " والذي نفسي بيده اني لاطمع ان تكونوا ثلث اهل الجنة " . فحمدنا الله وكبرنا ثم قال " والذي نفسي بيده اني لاطمع ان تكونوا شطر اهل الجنة ان مثلكم في الامم كمثل الشعرة البيضاء في جلد الثور الاسود او كالرقمة في ذراع الحمار
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) হতে উক্ত সনদে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। তারা উভয়ে বর্ণনা করেন, "তোমরা সকল মানুষের মধ্যে কালো ষাঁড়ের গায়ে একটি সাদা পশমের মতো হবে অথবা সাদা ষাড়ের গায়ে কালো পশমের মতো হবে।" তারা “গাধার পায়ের চিহ্নের মতো" এ কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪২৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، ح وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو معاوية، كلاهما عن الاعمش، بهذا الاسناد غير انهما قالا " ما انتم يوميذ في الناس الا كالشعرة البيضاء في الثور الاسود او كالشعرة السوداء في الثور الابيض " . ولم يذكرا " او كالرقمة في ذراع الحمار
حدثنا سعيد بن منصور، حدثنا هشيم، اخبرنا حصين بن عبد الرحمن، قال كنت عند سعيد بن جبير فقال ايكم راى الكوكب الذي انقض البارحة قلت انا . ثم قلت اما اني لم اكن في صلاة ولكني لدغت . قال فماذا صنعت قلت استرقيت . قال فما حملك على ذلك قلت حديث حدثناه الشعبي . فقال وما حدثكم الشعبي قلت حدثنا عن بريدة بن حصيب الاسلمي انه قال لا رقية الا من عين او حمة . فقال قد احسن من انتهى الى ما سمع ولكن حدثنا ابن عباس عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " عرضت على الامم فرايت النبي ومعه الرهيط والنبي ومعه الرجل والرجلان والنبي ليس معه احد اذ رفع لي سواد عظيم فظننت انهم امتي فقيل لي هذا موسى صلى الله عليه وسلم وقومه ولكن انظر الى الافق . فنظرت فاذا سواد عظيم فقيل لي انظر الى الافق الاخر . فاذا سواد عظيم فقيل لي هذه امتك ومعهم سبعون الفا يدخلون الجنة بغير حساب ولا عذاب " . ثم نهض فدخل منزله فخاض الناس في اوليك الذين يدخلون الجنة بغير حساب ولا عذاب فقال بعضهم فلعلهم الذين صحبوا رسول الله صلى الله عليه وسلم . وقال بعضهم فلعلهم الذين ولدوا في الاسلام ولم يشركوا بالله . وذكروا اشياء فخرج عليهم رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ما الذي تخوضون فيه " . فاخبروه فقال " هم الذين لا يرقون ولا يسترقون ولا يتطيرون وعلى ربهم يتوكلون " . فقام عكاشة بن محصن فقال ادع الله ان يجعلني منهم . فقال " انت منهم " ثم قام رجل اخر فقال ادع الله ان يجعلني منهم . فقال " سبقك بها عكاشة