Loading...

Loading...
বইসমূহ
৪৪১ হাদিসসমূহ
মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, প্রত্যেক নবীকে একটি গ্রহণীয় বিশেষ দু'আর অনুমতি দেয়া হয়েছে। সবাই তাদের দু'আ আপন উম্মতের কল্যাণের জন্য করে ফেলেছেন, তবে আমি আমার দু'আটি কিয়ামত দিবসে আমার উম্মতের শাফাআতের জন্য গোপনে অবশিষ্ট রেখে দিয়েছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني محمد بن احمد بن ابي خلف، حدثنا روح، حدثنا ابن جريج، قال اخبرني ابو الزبير، انه سمع جابر بن عبد الله، يقول عن النبي صلى الله عليه وسلم " لكل نبي دعوة قد دعا بها في امته وخبات دعوتي شفاعة لامتي يوم القيامة
ইউনুস ইবনু আবদুল আ'লা আস্ সাদাফী (রহঃ) ..... আবদুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরআনে ইবরাহীম (আঃ) এর দু'আ সম্বলিত আয়াতঃ "হে আমার প্রতিপালক। এ সকল প্রতিমা বহু মানুষকে বিভ্রান্ত করেছে। সুতরাং যে আমার অনুসরণ করবে সে আমার দলভুক্ত। আর যে আমার অবাধ্য হবে তুমি তো ক্ষমাশীল পরম দয়ালু"— (সূরাহ ইবরাহীম ১৪ঃ ৩৬) তিলাওয়াত করেন। আর "ঈসা (আঃ) বলেছেনঃ “তুমি যদি তাদেরকে শাস্তি দাও তবে তারা তো তোমারই বান্দা, আর যদি তাদেরকে ক্ষমা কর, তবে তুমি তো পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়"- (সূরাহ আল মায়িদাহ ৫ঃ ১১৮)। তারপর তিনি তার উভয় হাত উঠালেন এবং বললেন, হে আল্লাহ! আমার উম্মত, আমার উম্মত! আর কেঁদে ফেললেন। তখন মহান আল্লাহ বললেন, হে জিবরীল! মুহাম্মাদের নিকট যাও, তোমার রব তো সবই জানেন তাকে জিজ্ঞেস কর, তিনি কাঁদছেন কেন? জিবরীল (আঃ) এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছিলেন, তা তাকে অবহিত করলেন। আর আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ। তখন আল্লাহ তা'আলা বললেন, হে জিবরীল! তুমি মুহাম্মাদ এর কাছে যাও এবং তাকে বল, “নিশ্চয়ই আমি (আল্লাহ) আপনার উম্মতের ব্যাপারে আপনাকে সন্তুষ্ট করে দিব, আপনাকে অসন্তুষ্ট করব না"। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثني يونس بن عبد الاعلى الصدفي، اخبرنا ابن وهب، قال اخبرني عمرو بن الحارث، ان بكر بن سوادة، حدثه عن عبد الرحمن بن جبير، عن عبد الله بن عمرو بن العاص، ان النبي صلى الله عليه وسلم تلا قول الله عز وجل في ابراهيم { رب انهن اضللن كثيرا من الناس فمن تبعني فانه مني} الاية . وقال عيسى عليه السلام { ان تعذبهم فانهم عبادك وان تغفر لهم فانك انت العزيز الحكيم} فرفع يديه وقال " اللهم امتي امتي " . وبكى فقال الله عز وجل يا جبريل اذهب الى محمد وربك اعلم فسله ما يبكيك فاتاه جبريل - عليه الصلاة والسلام - فساله فاخبره رسول الله صلى الله عليه وسلم بما قال . وهو اعلم . فقال الله يا جبريل اذهب الى محمد فقل انا سنرضيك في امتك ولا نسوءك
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার পিতা কোথায় আছেন (জান্নাতে না জাহান্নামে)? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, জাহান্নামে। বর্ণনাকারী বলেন, লোকটি যখন চলে যেতে লাগল, তিনি ডাকলেন এবং বললেন, আমার পিতা এবং তোমার পিতা জাহান্নামে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، عن ثابت، عن انس، ان رجلا، قال يا رسول الله اين ابي قال " في النار " . فلما قفى دعاه فقال " ان ابي واباك في النار
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হয়: “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও" (সূরাহ আশ শু'আরা ২৬ - ২১৪)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরায়শদের ডাকলেন। তারা একত্রিত হলো। তারপর তিনি তাদের সাধারণ ও বিশেষ সকলকে সম্বোধন করে বললেন, হে কাব ইবনু লুওয়াই-এর বংশধর। জাহান্নাম থেকে তাদের আত্মরক্ষা কর। ওহে মুররাহ ইবনু কাব এর বংশধর। জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে আবদ শামস এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে আবদ মানাফ এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা নিজেদের বাঁচাও। ওহে হাশিমের বংশধর। জাহান্নাম থেকে তোমরা আত্মরক্ষা কর। ওহে আবদুল মুত্তালিব এর বংশধর! জাহান্নাম থেকে তোমরা নিজেদের বাঁচাও। ওহে ফাতিমা! জাহান্নাম থেকে তুমি নিজেকে বাঁচাও। কারণ, আল্লাহর (আযাব) থেকে রক্ষা করার ব্যাপারে আমার কোন ক্ষমতা নেই। অবশ্য আমি তোমাদের সঙ্গে আমার আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা করব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، وزهير بن حرب، قالا حدثنا جرير، عن عبد الملك بن عمير، عن موسى بن طلحة، عن ابي هريرة، قال لما انزلت هذه الاية { وانذر عشيرتك الاقربين} دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم قريشا فاجتمعوا فعم وخص فقال " يا بني كعب بن لوى انقذوا انفسكم من النار يا بني مرة بن كعب انقذوا انفسكم من النار يا بني عبد شمس انقذوا انفسكم من النار يا بني عبد مناف انقذوا انفسكم من النار يا بني هاشم انقذوا انفسكم من النار يا بني عبد المطلب انقذوا انفسكم من النار يا فاطمة انقذي نفسك من النار فاني لا املك لكم من الله شييا غير ان لكم رحما سابلها ببلالها
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী (রহঃ) ..... 'আবদুল মালিক ইবনু উমার (রহঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন; তবে জারীর বর্ণিত হাদীসটি সম্পূর্ণ ও পরিপূর্ণ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، بهذا الاسناد وحديث جرير اتم واشبع
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল্লাহ ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... আয়িশাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়ঃ "তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”— (সূরাহ আশ শুআরা ২৬ঃ ২১৪)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফা পর্বতের উপর দাঁড়িয়ে বললেন, হে ফাতিমা বিনতু মুহাম্মাদ! হে সাফিয়্যাহ বিনতু আবদুল মুত্তালিব! হে আবদুল মুক্তালিবের বংশধর। আল্লাহর আযাব থেকে তোমাদেরকে রক্ষা করার আমার কোন ক্ষমতা নেই। তোমরা আমার কাছে আমার সম্পদের যা খুশি চাও। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا محمد بن عبد الله بن نمير، حدثنا وكيع، ويونس بن بكير، قالا حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، قالت لما نزلت { وانذر عشيرتك الاقربين} قام رسول الله صلى الله عليه وسلم على الصفا فقال " يا فاطمة بنت محمد يا صفية بنت عبد المطلب يا بني عبد المطلب لا املك لكم من الله شييا سلوني من مالي ما شيتم
হারমালাহ ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত অবতীর্ণ হল (অর্থ) “তোমার নিকটাত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও"- (সূরাহ আশ শুআরা ২৬ঃ ২১৪)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে কুরায়শগণ। আল্লাহর (আযাব) থেকে তোমরা নিজেদের কিনে নাও (বাঁচাও)। আল্লাহর (আযাব) থেকে তোমাদের রক্ষা করার কোন ক্ষমতা আমার নেই। ওহে আবদুল মুত্তালিব এর বংশধর! তোমাদের আমি রক্ষা করতে পারব না। হে আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব! তোমাকেও আমি রক্ষা করতে পারব না। হে সাফিয়্যাহ রাসূলুল্লাহর ফুপু আমি আল্লাহর (আযাব) থেকে তোমার কোন উপকার করতে পারবো না। হে রাসূলুল্লাহর কন্যা ফাতিমাহু! তোমার যা ইচ্ছা চাও। আল্লাহর (আযাব) থেকে আমি তোমাকে রক্ষা করতে পারবো না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني حرملة بن يحيى، اخبرنا ابن وهب، قال اخبرني يونس، عن ابن شهاب، قال اخبرني ابن المسيب، وابو سلمة بن عبد الرحمن ان ابا هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم حين انزل عليه { وانذر عشيرتك الاقربين} " يا معشر قريش اشتروا انفسكم من الله لا اغني عنكم من الله شييا يا بني عبد المطلب لا اغني عنكم من الله شييا يا عباس بن عبد المطلب لا اغني عنك من الله شييا يا صفية عمة رسول الله لا اغني عنك من الله شييا يا فاطمة بنت رسول الله سليني بما شيت لا اغني عنك من الله شييا
আমূর আন নাকিদ (রহঃ) ..... আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৯৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا زايدة، حدثنا عبد الله بن ذكوان، عن الاعرج، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا
আবূ কামিল আল জাহদারী (রহঃ) ..... কাবীসাহ ইবনু মুখারিক ও যুহায়র ইবনু আমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তারা বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়, "তোমার নিকট আত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও”— (সূরাহ আশ শুআরা ২৬ঃ ২১৪)। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পর্বতের বৃহদাকার পাথরের দিকে গেলেন এবং তার মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তর প্রস্তর খণ্ডে আরোহণ করলেন। এরপর তিনি আহ্বান জানালেন, ওহে আবদ মানাফ এর বংশধর! আমি (তোমাদের) সতর্ককারী। আমার ও তোমাদের উপমা হলো, এমন এক ব্যক্তির ন্যায়, যে শত্রুকে দেখতে পেয়ে তার লোকদের রক্ষা করার জন্য অগ্রসর হল, পরে সে আশঙ্কা করল যে, শত্রু তার আগেই এসে যাবে। তখন সে 'ইয়া সাবাহ' (হায় মন্দ প্রভাত) বলে চীৎকার শুরু করল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو كامل الجحدري، حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا التيمي، عن ابي عثمان، عن قبيصة بن المخارق، وزهير بن عمرو، قالا لما نزلت { وانذر عشيرتك الاقربين} قال انطلق نبي الله صلى الله عليه وسلم الى رضمة من جبل فعلا اعلاها حجرا ثم نادى " يا بني عبد منافاه اني نذير انما مثلي ومثلكم كمثل رجل راى العدو فانطلق يربا اهله فخشي ان يسبقوه فجعل يهتف يا صباحاه
মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল আ'লা (রহঃ) ..... যুহায়র ইবনু আমর ও কাবীসাহ ইবনু মুখারিক (রাযিঃ) থেকে উল্লেখিত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০১, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا محمد بن عبد الاعلى، حدثنا المعتمر، عن ابيه، حدثنا ابو عثمان، عن زهير بن عمرو، وقبيصة بن مخارق، عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحوه
আবূ কুরায়ব মুহাম্মাদ ইবনু 'আলা (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন এ মর্মে আয়াত নাযিল হয়, "তোমার নিকট আত্মীয়বর্গকে সতর্ক করে দাও"- (সূরাহ আশ শু'আরা ২৬ঃ ২১৪) এবং তাদের মধ্য থেকে তোমার নিষ্ঠাবান সম্প্রদায়কেও*। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হয়ে এলেন এবং সাফা পর্বতে উঠে উচ্চস্বরে ডাক দিলেনঃ হায়, মন্দ প্রভাত! সকলে বলাবলি করতে লাগল, কে এ ব্যক্তি যে ডাক দিচ্ছে? লোকেরা বলল, মুহাম্মাদ। তারপর সবাই তার কাছে উপস্থিত হল। তিনি [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] বললেন হে অমুকের বংশধর। হে অমুকের বংশধর। হে আবদ মানাফ এর বংশধর। হে আবদুল মুত্তালিব এর বংশধর। এতে সবাই তার কাছে সমবেত হল। নবীজী জিজ্ঞেস করলেনঃ দেখ, যদি আমি তোমাদের এ সংবাদ দেই যে, এ পর্বতের পাদদেশে অশ্বারোহী শক্র সৈন্য এসে পড়েছে তবে কি তোমরা আমাকে বিশ্বাস করবে? তারা উত্তরে বললোঃ তোমাকে কখনো মিথ্যা বলতে তো আমরা দেখিনি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদের সতর্ক করছি সামনের কঠোর ‘আযাব সম্পর্কে। বর্ণনাকারী বলেন, আবূ লাহাব তখন এই বলে উঠে গেল “তুমি ধ্বংস হও, তুমি এজন্যই কি আমাদের একত্রিত করেছিলে?" তখন এ সূরাহ অবতীর্ণ হয়ঃ “ধ্বংস হোক আবূ লাহাবের দুই হাত এবং ধ্বংস হোক সে নিজেও ..... সূরার শেষ পর্যন্ত।" (সূরাহ লাহাব ১১১ঃ ১-৫) অবশ্য রাবী আ'মাশ وَ تَبَّ এর পরিবর্তে وَقَدْ تَبَّ পাঠ করেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০২, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء حدثنا ابو اسامة، عن الاعمش، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، قال لما نزلت هذه الاية { وانذر عشيرتك الاقربين} ورهطك منهم المخلصين . خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى صعد الصفا فهتف " يا صباحاه " . فقالوا من هذا الذي يهتف قالوا محمد . فاجتمعوا اليه فقال " يا بني فلان يا بني فلان يا بني فلان يا بني عبد مناف يا بني عبد المطلب " فاجتمعوا اليه فقال " ارايتكم لو اخبرتكم ان خيلا تخرج بسفح هذا الجبل اكنتم مصدقي " . قالوا ما جربنا عليك كذبا . قال " فاني نذير لكم بين يدى عذاب شديد " . قال فقال ابو لهب تبا لك اما جمعتنا الا لهذا ثم قام فنزلت هذه السورة تبت يدا ابي لهب وقد تب . كذا قرا الاعمش الى اخر السورة
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আ'মাশ (রহঃ) থেকে উক্ত সনদে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদিন সাফা পর্বতে আরোহণ করেন এবং বলেনঃ হায়, মন্দ প্রভাত (বাকী অংশ) আবূ উসামার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। অবশ্য তিনি وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الأَقْرَبِينَ আয়াতটি অবতরণের কথা উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৩, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وابو كريب قالا حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، بهذا الاسناد قال صعد رسول الله صلى الله عليه وسلم ذات يوم الصفا فقال " يا صباحاه " . بنحو حديث ابي اسامة ولم يذكر نزول الاية { وانذر عشيرتك الاقربين}
উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার আল কাওয়ারীরী, মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আল মুকাদ্দামী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক আল উমাবী (রহঃ) ..... আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি কি আবূ তালিবের কোন উপকার করতে পেরেছেন? তিনি তো আপনার হিফাযাত করতেন, আপনার পক্ষ হয়ে (অন্যের প্রতি) ক্রোধান্বিত হতেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ, তিনি কেবল পায়ের গ্রন্থি পর্যন্ত জাহান্নামের আগুনে আছেন, আর যদি আমি না হতাম তবে জাহান্নামের অতল তলেই তিনি অবস্থান করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৪, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا عبيد الله بن عمر القواريري، ومحمد بن ابي بكر المقدمي، ومحمد بن عبد الملك الاموي، قالوا حدثنا ابو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الله بن الحارث بن نوفل، عن العباس بن عبد المطلب، انه قال يا رسول الله هل نفعت ابا طالب بشىء فانه كان يحوطك ويغضب لك قال " نعم هو في ضحضاح من نار ولولا انا لكان في الدرك الاسفل من النار
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! নিশ্চয়ই আবূ তালিব তো আপনার হিফাযাত করতেন, আপনাকে সাহায্য করতেন এবং আপনার পক্ষ হয়ে (অন্যদের প্রতি) রাগ করতেন। তার এ কর্ম তার কি কোন উপকারে এসেছে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেনঃ হ্যাঁ। আমি তাকে জাহান্নামের গভীরে পেয়েছিলাম, অতঃপর আমি সেখান থেকে (তার পায়ের) গ্রন্থি পর্যন্ত বের করে আগুনের উপরিভাগে নিয়ে এসেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابن ابي عمر، حدثنا سفيان، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الله بن الحارث، قال سمعت العباس، يقول قلت يا رسول الله ان ابا طالب كان يحوطك وينصرك فهل نفعه ذلك قال " نعم وجدته في غمرات من النار فاخرجته الى ضحضاح
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আব্বাস ইবনু আবদুল মুত্তালিব (রাযিঃ) থেকে এবং আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... সুফইয়ান (রহঃ) থেকে ঐ সনদে পূর্ব বর্ণিত আবূ আওয়ানাহ এর হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৫, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سفيان، قال حدثني عبد الملك بن عمير، قال حدثني عبد الله بن الحارث، قال اخبرني العباس بن عبد المطلب، ح وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا وكيع، عن سفيان، بهذا الاسناد عن النبي صلى الله عليه وسلم بنحو حديث ابي عوانة
কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে তার চাচা আবূ তালিব এর কথা আলোচিত হলে তিনি বলেন, হয়তো কিয়ামত দিবসে তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কাজে আসবে বলে আশা করি। তাকে জাহান্নামের উপরিভাগে এমনভাবে রাখা হবে যে, আগুন তার পায়ের গিরা পর্যন্ত পৌছবে; এতেই তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৬, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن ابن الهاد، عن عبد الله بن خباب، عن ابي سعيد الخدري، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ذكر عنده عمه ابو طالب فقال " لعله تنفعه شفاعتي يوم القيامة فيجعل في ضحضاح من نار يبلغ كعبيه يغلي منه دماغه
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ (রহঃ) ..... আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, জাহান্নামের সবচেয়ে কম আযাব সে ব্যক্তির হবে, যাকে আগুনের দুটি জুতা পরানো হবে, ফলে এ দু'টির উত্তাপের কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৭, ইসলামিক সেন্টারঃ)
حدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يحيى بن ابي بكير، حدثنا زهير بن محمد، عن سهيل بن ابي صالح، عن النعمان بن ابي عياش، عن ابي سعيد الخدري، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " ان ادنى اهل النار عذابا ينتعل بنعلين من نار يغلي دماغه من حرارة نعليه
আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, (চির) জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে আবূ তালিব এর। তাকে দুটি (আগুনের) জুতা পরিয়ে দেয়া হবে, ফলে এ দুটির কারণে তার মগজ পর্যন্ত উথলাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৮, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عفان، حدثنا حماد بن سلمة، حدثنا ثابت، عن ابي عثمان النهدي، عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اهون اهل النار عذابا ابو طالب وهو منتعل بنعلين يغلي منهما دماغه
মুহাম্মাদ ইবনু আল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... নুমান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বক্তৃতায় বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামত দিবসে জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা শাস্তি হবে ঐ ব্যক্তির যার দু' পায়ের তলায় দু'টি জ্বলন্ত কয়লা রাখা হবে, যার কারণে তার মগজ উথলাতে থাকবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪০৯, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار - واللفظ لابن المثنى - قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت ابا اسحاق، يقول سمعت النعمان بن بشير، يخطب وهو يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " ان اهون اهل النار عذابا يوم القيامة لرجل توضع في اخمص قدميه جمرتان يغلي منهما دماغه
আবূ বকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... নুমান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেছেনঃ জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে হালকা আযাব ঐ ব্যক্তির হবে, যার দু'টি জুতার ফিতা হবে আগুনের। ফলে তার দহনে (চুলা উপরে রাখা) পাতিলের ন্যায় তার মগজ উথলাতে থাকবে। আর তার অনুভব হবে যে, সে বুঝি সর্বাপেক্ষা বেশী শাস্তি ভোগ করছে অথচ এটি হচ্ছে সবচেয়ে হালকা ‘আযাব। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১০, ইসলামিক সেন্টারঃ)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، عن الاعمش، عن ابي اسحاق، عن النعمان بن بشير، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان اهون اهل النار عذابا من له نعلان وشراكان من نار يغلي منهما دماغه كما يغلي المرجل ما يرى ان احدا اشد منه عذابا وانه لاهونهم عذابا