Loading...

Loading...
বইসমূহ
৬০৭ হাদিসসমূহ
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... মুতাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) আমাকে বললেন, আমি তোমাকে একটি হাদীস শুনাব। আশা করি, আল্লাহ তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে আদায় করেছেন। তিনি মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত এরূপ করতে নিষেধ করেননি এবং তা হারাম বলে কুরআনের কোন আয়াতও নাযিল হয়নি। (রোগের কারণে) তপ্ত লোহার দাগ গ্রহণ করার পূর্ব পর্যন্ত আমাকে (ফেরেশতাগণ কর্তৃক) সালাম দেয়া অব্যাহত ছিল। আমি দাগ গ্রহণ করলে সালাম দেয়া বন্ধ হয়ে যায়। আবার যখন দাগ দেয়া বন্ধ করলাম, পুনরায় সালাম দেয়া শুরু হয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن حميد بن هلال، عن مطرف، قال قال لي عمران بن حصين احدثك حديثا عسى الله ان ينفعك به ان رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع بين حجة وعمرة ثم لم ينه عنه حتى مات ولم ينزل فيه قران يحرمه وقد كان يسلم على حتى اكتويت فتركت ثم تركت الكى فعاد
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহিমাহুমাল্লাহ) ... মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) আমাকে বললেন ... পরবর্তী অংশ উপরোক্ত মুআয বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثناه محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن حميد بن هلال، قال سمعت مطرفا، قال قال لي عمران بن حصين . بمثل حديث معاذ
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... মুত্বাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) মৃত্যুকালীন রোগে আমাকে ডেকে পাঠান। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কয়েকটি হাদীস বলব, আশা করি আল্লাহ তা’আলা আমার পরে তোমাকে এর দ্বারা উপকৃত করবেন। আমি বেঁচে থাকলে তুমি আমার সূত্রে বর্ণনা করা গোপন রাখবে। আর আমি মারা গেলে তুমি চাইলে তা বর্ণনা করতে পার। আমাকে সালাম করা হতো। জেনে রাখ, আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে আদায় করেছেন। অতঃপর এ বিষয়ে কোন আয়াতও নাযিল হয়নি এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তা নিষিদ্ধ করেননি। এক ব্যক্তি (উমার) এ বিষয়ে যা ইচ্ছা করলেন, তা বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، عن شعبة، عن قتادة، عن مطرف، قال بعث الى عمران بن حصين في مرضه الذي توفي فيه فقال اني كنت محدثك باحاديث لعل الله ان ينفعك بها بعدي فان عشت فاكتم عني وان مت فحدث بها ان شيت انه قد سلم على واعلم ان نبي الله صلى الله عليه وسلم قد جمع بين حج وعمرة ثم لم ينزل فيها كتاب الله ولم ينه عنها نبي الله صلى الله عليه وسلم . قال رجل فيها برايه ما شاء
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ একত্রে (একই ইহরামে) আদায় করেছেন। এরপর এ বিষয়ে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও অনুরূপ করতে আমাদেরকে নিষেধ করেননি। এরপর এক ব্যক্তি এ বিষয়ে নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তা বললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا اسحاق بن ابراهيم، حدثنا عيسى بن يونس، حدثنا سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، عن مطرف بن عبد الله بن الشخير، عن عمران بن الحصين، - رضى الله عنه - قال اعلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم جمع بين حج وعمرة ثم لم ينزل فيها كتاب ولم ينهنا عنهما رسول الله صلى الله عليه وسلم . قال فيها رجل برايه ما شاء
হামিদ ইবনু উমার আল বাকরাবী ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর মুকদামী (রহঃ) ...... 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর কিতাবে মুত'আহ্ অর্থাৎ তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সম্পর্কে আয়াত নাযিল হয়েছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন। অতঃপর তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সম্পর্কিত আয়াত রহিতকারী কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-ও ইন্তিকালের পূর্ব পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরবর্তীকালে এক ব্যক্তি নিজ ইচ্ছামত যা বলার, তাই বলেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا حامد بن عمر البكراوي، ومحمد بن ابي بكر المقدمي، قالا حدثنا بشر، بن المفضل حدثنا عمران بن مسلم، عن ابي رجاء، قال قال عمران بن حصين نزلت اية المتعة في كتاب الله - يعني متعة الحج - وامرنا بها رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم لم تنزل اية تنسخ اية متعة الحج ولم ينه عنها رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى مات . قال رجل برايه بعد ما شاء
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... 'ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) থেকে অনুরূপ বর্ণনা করেন। অবশ্য তিনি বলেছেন, “আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে এ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি।" তিনি এরূপ বলেননি "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের তা করার নির্দেশ দিয়েছেন।” (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه محمد بن حاتم، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عمران القصير، حدثنا ابو رجاء عن عمران بن حصين، . بمثله غير انه قال وفعلناها مع رسول الله صلى الله عليه وسلم ولم يقل وامرنا بها
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) বলেন, বিদায় হাজ্জে (হজ্জে/হজে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু করেছেন, প্রথমে উমরাহ ও পরে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছেন এবং পশু কুরবানী করেছেন। তিনি যুল হুলায়ফাহ থেকে সাথে করে কুরবানীর পশু নিয়েছিলেন। এখান থেকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমে 'উমরার, অতঃপর হাজ্জের (হজ্জের/হজের) তালবিয়াহ্ পাঠ শুরু করেন। লোকেরাও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণে হাজ্জের (হজ্জের/হজের) সাথে উমরাহ যুক্ত করে তামাত্তু করেছে। কতক লোকেরা কুরবানীর পশু সাথে নিয়েছিল, আর কতকের কুরবানীর পশু ছিল না। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কা (মক্কা)-তে উপনীত হয়ে লোকদের উদ্দেশে বললেন, তোমাদের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু আছে, হাজ্জ শেষ না করা পর্যন্ত তাদের জন্য (সাময়িকভাবে) নিষিদ্ধ কোন জিনিস হালাল হবে না। আর তোমাদের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু নেই- তারা যেন বায়তুল্লাহ-এর তাওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করে মাথার চুল খাটো করার পর ইহরাম খুলে ফেলে। অতঃপর তারা (৮ যিলহাজ্জ) পুনরায় হাজ্জের (হজ্জের/হজের) জন্য ইহরাম বাঁধবে এবং (নির্দিষ্ট দিনে) কুরবানী করবে। কোন ব্যক্তি কুরবানীর পশু না পেলে হাজ্জ চলাকালীন সময়ে তিনদিন এবং বাড়িতে ফেরার পর সাতদিন সওম পালন করবে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কায় (মক্কায়) পৌছে প্রথমে রুকনে (হাজারে আসওয়াদ) স্পর্শ করলেন, অতঃপর বায়তুল্লাহ এর তাওয়াফ করলেন- তিন চক্কর সামান্য দ্রুতগতিতে এবং চার চক্কর ধীরগতিতে। বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) সমাপ্ত করে তিনি মাকামে ইবরাহীমের নিকট দু' রাকাআত সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরিয়ে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষ করলেন। অতঃপর তিনি সাফা পাহাড়ে এলেন এবং সাফা-মারওয়াহ পাহাড়দ্বয়ের মাঝে সাতবার সাঈ করলেন। এরপর তিনি কোন জিনিস হালাল করেননি- যা হারাম হয়েছিল (ইহরামের কারণে অর্থাৎ তিনি ইহরামমুক্ত হননি) যে পর্যন্ত না হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সমাপন করেন এবং কুরবানীর দিন নিজের পশু কুরবানী না করেন এবং কাবাহ ঘর-এর তাওয়াফ করেছেন। অতঃপর যে সব জিনিস হারাম ছিল, তা তার জন্য হালাল হয়ে গেল (অর্থাৎ তিনি ইহরাম খুললেন) আর যেসব লোক সাথে করে কুরবানীর পশু এনেছিল, তারাও রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুরূপ করেছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا عبد الملك بن شعيب بن الليث، حدثني ابي، عن جدي، حدثني عقيل بن، خالد عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - قال تمتع رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع بالعمرة الى الحج واهدى فساق معه الهدى من ذي الحليفة وبدا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاهل بالعمرة ثم اهل بالحج وتمتع الناس مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالعمرة الى الحج فكان من الناس من اهدى فساق الهدى ومنهم من لم يهد فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم مكة قال للناس " من كان منكم اهدى فانه لا يحل من شىء حرم منه حتى يقضي حجه ومن لم يكن منكم اهدى فليطف بالبيت وبالصفا والمروة وليقصر وليحلل ثم ليهل بالحج وليهد فمن لم يجد هديا فليصم ثلاثة ايام في الحج وسبعة اذا رجع الى اهله " . وطاف رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قدم مكة فاستلم الركن اول شىء ثم خب ثلاثة اطواف من السبع ومشى اربعة اطواف ثم ركع - حين قضى طوافه بالبيت عند المقام - ركعتين ثم سلم فانصرف فاتى الصفا فطاف بالصفا والمروة سبعة اطواف ثم لم يحلل من شىء حرم منه حتى قضى حجه ونحر هديه يوم النحر وافاض فطاف بالبيت ثم حل من كل شىء حرم منه وفعل مثل ما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم من اهدى وساق الهدى من الناس
আবদুল মালিক ইবনু শু'আয়ব ইবনু লায়স (রহঃ) .... উরওয়াহ্ ইবনু যুবায়র (রহঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সহধর্মিণী আয়িশাহ্ (রাযিঃ) তাকে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) পালন এবং তার সাথের লোকদের তামাত্তু হাজ্জ সম্পাদন সম্পর্কে অবহিত করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৪৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه عبد الملك بن شعيب، حدثني ابي، عن جدي، حدثني عقيل، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، ان عايشة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم اخبرته عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في تمتعه بالحج الى العمرة وتمتع الناس معه بمثل الذي اخبرني سالم بن عبد الله عن عبد الله - رضى الله عنه - عن رسول الله صلى الله عليه وسلم
–(১৭৬/১২২৯) ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... 'আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী হাফসাহ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, লোকেরা ইহরামমুক্ত হল অথচ আপনি উমরাহ করার পরও ইহরাম খুলেননি? তিনি বললেন, আমি আমার মাথার চুল জমাট করেছি এবং কুরবানীর পশুর গলায় মালা বেঁধেছি। অতএব আমি কুরবানী না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان حفصة، - رضى الله عنهم - زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت يا رسول الله ما شان الناس حلوا ولم تحلل انت من عمرتك قال " اني لبدت راسي وقلدت هديي فلا احل حتى انحر
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... হাফসাহ্ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, আপনি ইহরাম খুলেননি? ... উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابن نمير، حدثنا خالد بن مخلد، عن مالك، عن نافع، عن ابن عمر، عن حفصة، - رضى الله عنهم - قالت قلت يا رسول الله ما لك لم تحل بنحوه
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... হাফসাহ্ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! কী ব্যাপার, লোকেরা ইহরাম খুলেছে অথচ আপনি উমরাহ করার পরও ইহরাম খুলেননি? তিনি বললেন, আমি কুরবানীর পশুর গলায় মালা বেঁধেছি এবং মাথার চুল জমাট করেছি। অতএব হাজ্জের (হজ্জের/হজের) যাবতীয় অনুষ্ঠান শেষ না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলতে পারব না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫২, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال اخبرني نافع، عن ابن عمر، عن حفصة، - رضى الله عنهم - قالت قلت للنبي صلى الله عليه وسلم ما شان الناس حلوا ولم تحل من عمرتك قال " اني قلدت هديي ولبدت راسي فلا احل حتى احل من الحج
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। হাফসাহ (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রসূল! ..... মালিক বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ- কুরবানী না করা পর্যন্ত আমি হালাল হতে পারি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا ابو اسامة، حدثنا عبيد الله، عن نافع، عن ابن عمر، ان حفصة، - رضى الله عنها - قالت يا رسول الله . بمثل حديث مالك " فلا احل حتى انحر
ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাফসাহ (রাযিঃ) আমাকে বলেছেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হাজের (হজ্জের/হজের) দিন তার স্ত্রীদের (উমরাহ সমাপনের পর) নির্দেশ দিলেন তারা যেন ইহরাম খুলেন। হাফসাহ (রাযিঃ) বলেন, আমি বললাম, আপনাকে ইহরাম খুলতে কিসে বাধা দিচ্ছে? তিনি বললেন, আমি মাথার চুল আঠালো করেছি এবং সাথে কুরবানীর পশু এনেছি। অতএব পশু কুরবানী না করা পর্যন্ত আমি ইহরাম খুলতে পারি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابن ابي عمر، حدثنا هشام بن سليمان المخزومي، وعبد المجيد، عن ابن جريج، عن نافع، عن ابن عمر، قال حدثتني حفصة، - رضى الله عنها - ان النبي صلى الله عليه وسلم امر ازواجه ان يحللن عام حجة الوداع . قالت حفصة فقلت ما يمنعك ان تحل قال " اني لبدت راسي وقلدت هديي فلا احل حتى انحر هديي
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হাঙ্গামা [হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর মধ্যকার সংঘাত] চলাকালীন সময়ে উমরাহ করার উদ্দেশে রওনা হন। তিনি বলেন, বায়তুল্লাহ পৌছতে আমরা যদি বাধাপ্রাপ্ত হই তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে যেরূপ করেছিলাম, এখনও তদ্রুপ করব। অতএব তিনি রওনা হলেন এবং উমরার ইহরাম বাঁধলেন, তিনি সফর অব্যাহত রাখলেন; যতক্ষণ না আল বায়দা নামক স্থানে পৌছলেন। এখানে তিনি নিজের সঙ্গীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন, হাজ্জ ও উমরাহ উভয়ের নিয়ম একই। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি নিজের জন্য হাজ্জ (হজ্জ/হজ)-কে উমরার সাথে বাধ্যতামূলক করলাম। (রাবী বলেন) অতএব তিনি রওনা হয়ে বায়তুল্লাহ পৌছলেন, সাতবার ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করলেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সাঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করেননি এবং নিজের (হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরার) জন্য এটাই (এক ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) ও এক সাঈ) যথেষ্ট বিবেচনা করলেন এবং কুরবানী করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا يحيى بن يحيى، قال قرات على مالك عن نافع، ان عبد الله بن عمر، - رضى الله عنهما - خرج في الفتنة معتمرا وقال ان صددت عن البيت صنعنا كما صنعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج فاهل بعمرة وسار حتى اذا ظهر على البيداء التفت الى اصحابه فقال ما امرهما الا واحد اشهدكم اني قد اوجبت الحج مع العمرة . فخرج حتى اذا جاء البيت طاف به سبعا وبين الصفا والمروة سبعا لم يزد عليه وراى انه مجزي عنه واهدى
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ‘আবদুল্লাহ ইবনু 'আবদুল্লাহ এবং সালিম ইবনু আবদুল্লাহ উভয়ে আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) এর সাথে কথা বললেন- যে বছর হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে এসেছিল। তারা উভয়ে বললেন, এ বছর হজ্জ না করলে আপনার কী ক্ষতি আছে? কারণ আমাদের আশংকা হচ্ছে- গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং আপনি বায়তুল্লাহ পর্যন্ত পৌছতে পারবেন না। আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, যদি তা আমার ও বায়তুল্লাহ এর মাঝে প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়ও তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন, আমিও তদ্রুপ করব। কুরায়শ কাফিররা যখন তার ও বায়তুল্লাহর মাঝে প্রতিবন্ধক হয়েছিল, এ সময় আমি তার সঙ্গে ছিলাম। আমি তোমাদের সাক্ষী রেখে বলছি, আমি উমরার নিয়্যত করলাম। অতঃপর তিনি রওনা হয়ে যুল হুলায়ফাহ্ নামক স্থানে পৌছে উমরার জন্য তালবিয়াহ পাঠ করলেন। অতঃপর বললেন, যদি আমার পথ উন্মুক্ত থাকে, তবে আমি উমরাহ পূর্ণ করব। আর যদি আমার ও বায়তুল্লাহ এর মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে (অনুরূপ পরিস্থিতিতে) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন আমিও তাই করব। সে সময় আমি তার সঙ্গে ছিলাম। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ “তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ" (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ২১)। তিনি আবার চলতে লাগলেন, যতক্ষণ না বায়দা নামক স্থানের উপকণ্ঠে পৌছলেন। এখানে পৌছে তিনি বললেনঃ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরার বিধান একই। যদি আমার এবং উমরার মাঝে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়, তবে আমার এবং হাজ্জের (হজ্জের/হজের) মাঝেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে। আমি তোমাদের সাক্ষী করছি যে, আমি আমার উমরার সাথে হাজ্জ (হজ্জ/হজ)-কেও বাধ্যতামূলক করে নিলাম। অতঃপর তিনি অগ্রসর হলেন এবং কুদায়দ নামক স্থানে পৌছে কুরবানীর পশু ক্রয় করলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ উভয়ের জন্য এক ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) (সাত চক্কর) ও এক সাঈ (সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার দৌড়) করলেন এবং ইহরাম খুললেন না, বরং হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সমাপন করে কুরবানীর দিন উভয়ের ইহরাম খুললেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى، - وهو القطان - عن عبيد الله، حدثني نافع، ان عبد الله بن عبد الله، وسالم بن عبد الله، كلما عبد الله حين نزل الحجاج لقتال ابن الزبير قالا لا يضرك ان لا تحج العام فانا نخشى ان يكون بين الناس قتال يحال بينك وبين البيت قال فان حيل بيني وبينه فعلت كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا معه حين حالت كفار قريش بينه وبين البيت اشهدكم اني قد اوجبت عمرة . فانطلق حتى اتى ذا الحليفة فلبى بالعمرة ثم قال ان خلي سبيلي قضيت عمرتي وان حيل بيني وبينه فعلت كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا معه . ثم تلا { لقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة} ثم سار حتى اذا كان بظهر البيداء قال ما امرهما الا واحد ان حيل بيني وبين العمرة حيل بيني وبين الحج اشهدكم اني قد اوجبت حجة مع عمرة . فانطلق حتى ابتاع بقديد هديا ثم طاف لهما طوا��ا واحدا بالبيت وبين الصفا والمروة ثم لم يحل منهما حتى حل منهما بحجة يوم النحر
ইবনু নুমায়র (রহঃ) ..... নাফি (রহঃ) থেকে বর্ণিত। হাজ্জাজ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর বিরুদ্ধে অবতীর্ণ হল- ঐ বছর উমর (রাযিঃ) হাজ্জের (হজ্জের/হজের) সংকল্প করলেন। অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এ সূত্রে হাদীসের শেষাংশে উল্লেখ আছে যে, "তিনি বলতেন, যে ব্যক্তি হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরার জন্য একত্রে ইহরাম বাঁধল, তার জন্য এক ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ)ই (সাত চক্কর) যথেষ্ট এবং উভয়ের অনুষ্ঠান সমাপ্ত না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابن نمير، حدثنا ابي، حدثنا عبيد الله، عن نافع، قال اراد ابن عمر الحج حين نزل الحجاج بابن الزبير . واقتص الحديث بمثل هذه القصة وقال في اخر الحديث وكان يقول من جمع بين الحج والعمرة كفاه طواف واحد ولم يحل حتى يحل منهما جميعا
মুহাম্মাদ ইবনু রুমূহ ও কুতায়বাহ (রহঃ) ..... নাফি' (রহঃ) থেকে বর্ণিত। হাজ্জাজ ইবনু ইউসুফ যে বছর ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হল- সে বছর আবদুল্লাহ ইবনু উমার (রাযিঃ) হজ্জে যাবার সংকল্প করলেন। তাকে বলা হল, লোকদের মধ্যে এখন যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে এবং আমাদের আশংকা হচ্ছে- তারা আপনাকে বাধা দিবে। তিনি বললেন, "তোমাদের জন্য আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ-" (সূরা আল আহযাব ৩৩ঃ ২১)। এরূপ পরিস্থিতিতে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা করেছেন, আমিও অনুরূপ করব। আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, নিশ্চয়ই আমি উমরার সংকল্প করেছি। অতঃপর তিনি রওনা হলেন। অবশেষে যখন আল বায়দার উপকণ্ঠে পৌছলেন তখন তিনি বললেন, হাজ্জ ও উমরার অবস্থা একই, তোমরা সাক্ষী থাক। ইবনু রুমূহের বর্ণনায় আছেঃ আমি তোমাদের সাক্ষী রাখছি যে, আমি নিশ্চয়ই আমার উমরার সাথে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) অনিবার্য করে নিলাম। অতঃপর তিনি কুরবানীর পশু সঙ্গে নিলেন যা তিনি কুদায়দ নামক স্থানে ক্রয় করেছিলেন। অতঃপর তিনি হাজ্জ ও উমরার একত্রে ইহরাম বেঁধে অগ্রসর হলেন। অবশেষে মাক্কায় (মক্কায়) পৌছে তিনি বায়তুল্লাহ এর তাওয়াফ এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করলেন, এর অতিরিক্ত কিছু করলেন না। তিনি কুরবানীও করেননি। মাথা মুণ্ডান বা চুল ছাঁটেননি এবং (ইহরামের কারণে) যা কিছু তার জন্য হারাম হয়েছিল, তার কোনটি হালাল করেননি। অবশেষে কুরবানীর দিন এলে তিনি কুরবানী করলেন ও মাথা কামালেন এবং তার মত অনুযায়ী তিনি তার প্রথম ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) দ্বারাই হাজ্জ ও উমরার তাওয়াফ সম্পাদন করে ফেলেছেন। ইবনু উমার (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن رمح، اخبرنا الليث، ح وحدثنا قتيبة، - واللفظ له - حدثنا ليث، عن نافع، ان ابن عمر، اراد الحج عام نزل الحجاج بابن الزبير فقيل له ان الناس كاين بينهم قتال وانا نخاف ان يصدوك فقال لقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة اصنع كما صنع رسول الله صلى الله عليه وسلم اني اشهدكم اني قد اوجبت عمرة . ثم خرج حتى كان بظاهر البيداء قال ما شان الحج والعمرة الا واحد اشهدوا - قال ابن رمح اشهدكم - اني قد اوجبت حجا مع عمرتي . واهدى هديا اشتراه بقديد ثم انطلق يهل بهما جميعا حتى قدم مكة فطاف بالبيت وبالصفا والمروة ولم يزد على ذلك ولم ينحر ولم يحلق ولم يقصر ولم يحلل من شىء حرم منه حتى كان يوم النحر فنحر وحلق وراى ان قد قضى طواف الحج والعمرة بطوافه الاول . وقال ابن عمر كذلك فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم
আবূ রবী' আয যাহরানী, আবূ কামিল ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... নাফি সূত্রে ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ ঘটনা বর্ণনা করেন। তবে এ সূত্রে হাদীসের প্রথমাংশে তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উল্লেখ করেছেন- যখন তাকে বলা হল, আপনি বায়তুল্লাহ এ পৌঁছতে বাধাগ্রস্ত হবেন। তখন তিনি বললেন, তাহলে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেরূপ করেছেন, আমিও তদ্রুপ করব। তিনি হাদীসের শেষে উল্লেখ করেননি যে, "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করেছেন" যেমন লায়স (রহঃ) এর বর্ণনায় রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৫৯, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا ابو الربيع الزهراني، وابو كامل قالا حدثنا حماد، ح وحدثني زهير بن، حرب حدثني اسماعيل، كلاهما عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر، . بهذه القصة . ولم يذكر النبي صلى الله عليه وسلم الا في اول الحديث حين قيل له يصدوك عن البيت . قال اذا افعل كما فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم . ولم يذكر في اخر الحديث هكذا فعل رسول الله صلى الله عليه وسلم . كما ذكره الليث
ইয়াহইয়া ইবনু আইয়্যুব ও আবদুল্লাহ ইবনু আওন আল হিলালী (রহঃ) ...... ইবনু উমর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। ইয়াহইয়ার রিওয়ায়াতে আছে যে, তিনি বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ইফরাদ হজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। ইবনু আওন এর রিওয়ায়াতে আছে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইফরাদ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬০, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن ايوب، وعبد الله بن عون الهلالي، قالا حدثنا عباد بن عباد، المهلبي حدثنا عبيد الله بن عمر، عن نافع، عن ابن عمر، - في رواية يحيى - قال اهللنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحج مفردا وفي رواية ابن عون ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اهل بالحج مفردا
সুরায়জ ইবনু ইউনুস (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একত্রে হাজ্জ ও উমরার তালবিয়াহ্ পাঠ করতে শুনেছি। (অধঃস্তন রাবী) বাকর বলেন, আমি এ হাদীস ইবনু উমর (রাযিঃ) এর কাছে বর্ণনা করলে তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের (হজ্জের/হজের) তালবিয়াহ পাঠ করেছেন। অতঃপর আমি (বাকর) আনাস (রাযিঃ) এর সাথে সাক্ষাৎ করে তার কাছে ইবনু উমর (রাযিঃ) এর বক্তব্য উল্লেখ করি। তখন আনাস (রাযিঃ) বললেন, তোমরা আমাদেরকেও শিশুই মনে কর। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একত্রে হাজ্জ ও উমরার তালবিয়াহ পাঠ করতে শুনেছি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا سريج بن يونس، حدثنا هشيم، حدثنا حميد، عن بكر، عن انس، - رضى الله عنه - قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يلبي بالحج والعمرة جميعا . قال بكر فحدثت بذلك ابن عمر فقال لبى بالحج وحده . فلقيت انسا فحدثته بقول ابن عمر فقال انس ما تعدوننا الا صبيانا سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لبيك عمرة وحجا