Loading...

Loading...
বইসমূহ
৬০৭ হাদিসসমূহ
উমাইয়্যাহ্ ইবনু বিসত্বাম আল আয়শী (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে একত্রে হাজ্জ ও উমরাহ আদায় করতে দেখেছেন। রাবী বলেন, আমি ইবনু উমর (রাযিঃ) কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমরা শুধু হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধেছি। আমি (বাকর) পুনরায় আনাস (রাযিঃ) এর নিকট ফিরে আসি এবং ইবনু উমর (রাযিঃ) যা বলেছেন, সে সম্পর্কে তাকে অবহিত করলাম। আনাস (রাযিঃ) বললেন, আমরা বুঝি তখন শিশু ছিলাম!* (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني امية بن بسطام العيشي، حدثنا يزيد، - يعني ابن زريع - حدثنا حبيب، بن الشهيد عن بكر بن عبد الله، حدثنا انس، رضى الله عنه انه راى النبي صلى الله عليه وسلم جمع بينهما بين الحج والعمرة قال فسالت ابن عمر فقال اهللنا بالحج . فرجعت الى انس فاخبرته ما قال ابن عمر فقال كانما كنا صبيانا
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... ওয়াবারাহ (রহঃ) বলেন, আমি ইবনু উমার (রাযিঃ) এর নিকট বসা ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি তার নিকট এসে জিজ্ঞেস করল, আল মাওকিফ (আরাফাহ) এ যাবার পূর্বে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ করা আমার জন্য সঠিক হবে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। সে বলল, কিন্তু ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বলেন, তুমি বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করো না- যে পর্যন্ত না মাওকিফে আসো ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছেন এবং মাওকিফে যাবার পূর্বেই বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন। অতএব তুমি যদি সত্যবাদী হও তবে বল, তোমার কাছে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা মত ‘আমল করা উচিত, না ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-এর কথা মত? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৩, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا عبثر، عن اسماعيل بن ابي خالد، عن وبرة، قال كنت جالسا عند ابن عمر فجاءه رجل فقال ايصلح لي ان اطوف بالبيت قبل ان اتي الموقف . فقال نعم . فقال فان ابن عباس يقول لا تطف بالبيت حتى تاتي الموقف . فقال ابن عمر فقد حج رسول الله صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت قبل ان ياتي الموقف فبقول رسول الله صلى الله عليه وسلم احق ان تاخذ او بقول ابن عباس ان كنت صادقا
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... ওয়াবারাহ (রহঃ) বলেন, এক ব্যক্তি ইবনু উমার (রাযিঃ) এর কাছে জিজ্ঞেস করল, আমি কি বায়তুল্লাহর তওয়াফ করব অথচ আমি হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছি? তিনি বললেন, কিসে তোমাকে বাঁধা দিচ্ছে? সে বলল, আমি অমুকের পুত্রকে দেখেছি, তিনি তা পছন্দ করেন না কিন্তু তার তুলনায় আপনি আমাদের অধিক প্রিয়। আমরা লক্ষ্য করছি যে, এ দুনিয়া তাকে প্রলুব্ধ করেছে। ইবনু উমার (রাযিঃ) বললেন, তোমাদের ও আমাদের মধ্যে এমন কে আছে যাকে দুনিয়া প্রলুব্ধ করেনি? অতঃপর তিনি বললেন, আমরা দেখেছি, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধেছেন এবং বায়তুল্লাহ তওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করেছেন। অতএব তুমি সত্যবাদী হলে আল্লাহর হুকুম ও তার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত অমুকের সুন্নাতের তুলনায় অনুসরণের বেলায় অগ্রগণ্য। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن بيان، عن وبرة، قال سال رجل ابن عمر - رضى الله عنهما - اطوف بالبيت وقد احرمت بالحج فقال وما يمنعك قال اني رايت ابن فلان يكرهه وانت احب الينا منه رايناه قد فتنته الدنيا . فقال واينا - او ايكم - لم تفتنه الدنيا ثم قال راينا رسول الله صلى الله عليه وسلم احرم بالحج وطاف بالبيت وسعى بين الصفا والمروة فسنة الله وسنة رسوله صلى الله عليه وسلم احق ان تتبع من سنة فلان ان كنت صادقا
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আমর ইবনু দীনার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ইবনু উমার (রাযিঃ) এর নিকট এক লোক সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম যে, উমরাহ করার উদ্দেশে আগমন করেছে, অতঃপর বায়তুল্লাহ তওয়াফ করেছে কিন্তু সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করেনি- সে কি তার স্ত্রীর সাথে মিলতে পারে? ইবনু উমর (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কাহ (মক্কাহ) আগমন করে সাতবার বায়তুল্লাহ তওয়াফ করেন, মাকামে ইবরাহীমের পিছনে দু' রাকাআত সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করেন এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে সাতবার সাঈ করেন। আর তোমাদের জন্য অবশ্যই আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৫, ইসলামীক সেন্টার)
حدثني زهير بن حرب، حدثنا سفيان بن عيينة، عن عمرو بن دينار، قال سالنا ابن عمر عن رجل، قدم بعمرة فطاف بالبيت ولم يطف بين الصفا والمروة اياتي امراته فقال قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم فطاف بالبيت سبعا وصلى خلف المقام ركعتين وبين الصفا والمروة سبعا وقد كان لكم في رسول الله اسوة حسنة
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইবনু উমার (রাযিঃ) থেকে এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، وابو الربيع الزهراني، عن حماد بن زيد، ح وحدثنا عبد، بن حميد اخبرنا محمد بن بكر، اخبرنا ابن جريج، جميعا عن عمرو بن دينار، عن ابن، عمر - رضى الله عنهما - عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث ابن عيينة
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী (রহ) ...... মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রহমান (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, ইরাকের অধিবাসী এক ব্যক্তি তাকে বলল, আমার পক্ষ থেকে আপনি উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহঃ) কে জিজ্ঞেস করুন যে, এক ব্যক্তি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধল, সে বায়তুল্লাহ ত্বওয়াফের পর ইহরাম খুলতে পারবে কিনা? তিনি যদি আপনাকে বলেন, সে ইহরাম খুলতে পারবে না- তবে তাকে বলুন, এক ব্যক্তি বলেছে, সে ইহরাম খুলতে পারবে। রাবী বলেন, অতএব আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, যে ব্যক্তি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধেছে, সে তা সমাধান না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতে পারবে না। আমি বললাম, কিন্তু এক ব্যক্তি তাই বলেছে। তিনি বললেন, সে যা বলছে তা দুঃখজনক। ইরাকের লোকটি আমার সাথে পুনরায় সাক্ষাৎ করলে আমি তাকে উপরোক্ত কথা বললাম। সে বলল, আপনি তাকে বলুন, কিন্তু এক ব্যক্তি বলে যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাই করেছেন এবং আসমা (রাযিঃ) ও যুবায়র (রাযিঃ) অনুরূপ করেছেন কেন? রাবী বলেন, আমি তার নিকট গিয়ে এ বিষয় তাকে জানাই। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, লোকটি কে? আমি বললাম, জানি না। তিনি বললেন, তার কী হয়েছে যে, সে নিজে আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস করছে না? আমার মনে হয়, সে ইরাকী। আমি বললাম, জানি না। তিনি বললেন, সে মিথ্যা বলেছে। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাজ্জ (হজ্জ/হজ) সম্পর্কে আয়িশাহ (রাযিঃ) আমাকে অবহিত করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাক্কায় (মক্কায়) পৌছে সর্বপ্রথম যে কাজ করেছেন তা ছিল এই যে, তিনি ওযু করেন, এরপর বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন, অতঃপর আবূ বকর (রাযিঃ) হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছেন। তিনি (মাক্কায় (মক্কায়) পৌছে) সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন এবং এরপর উমার (রাযিঃ)-ও অনুরূপ করেছেন। অতঃপর উসমান (রাযিঃ) হাজ্জ করেছেন। আমি তাকে সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করতে দেখেছি এবং এছাড়া অন্য কিছু করেননি। অতঃপর মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) ও আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ)-ও (অনুরূপ করেছেন)। এরপর আমি আমার পিতা যুবায়র ইবনুল আওওয়াম (রাযিঃ)-এর সাথে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করেছি। তিনিও সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) করেছেন। এছাড়া অন্য কিছু করেননি। অতঃপর আমি মুহাজির ও আনসারদের অনুরূপ করতে দেখেছি। এছাড়া তারা অন্য কিছু করেননি। অতঃপর সর্বশেষে আমি যাকে অনুরূপ করতে দেখেছি, তিনি হচ্ছেন আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাযিঃ)। তিনি হাজ্জকে উমরাহ দ্বারা ভঙ্গ করেননি। আর সে ইবনু উমর (রাযিঃ) তো তাদের মধ্যে বর্তমান আছে। তারা কেন তাকে জিজ্ঞেস করছে না? এভাবে যত লোক অতীত হয়েছে, তারা মাক্কায় (মক্কায়) পা রেখেই সর্বপ্রথম বায়তুল্লাহ-এর তওয়াফ করতেন। অতঃপর তারা ইহরাম খুলতেন না। আর আমি, আমার মা [আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ)] ও আমার খালা [আয়িশাহ (রাযিঃ)]-কেও দেখেছি যে, তারা মাক্কা (মক্কায়) পৌঁছে প্রথমেই বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করেছেন। এরপরও ইহরাম খুলেননি। আমার মা (আসমা) আমাকে অবহিত করেছেন যে, তিনি তার বোন (আয়িশাহ), যুবায়র (রাযিঃ) এবং অমুক অমুক শুধুমাত্র উমরার ইহরাম বেঁধে মাক্কায় (মক্কায়) এসেছেন এবং তারা (ত্বওয়াফ ও সাঈর পরে) রুকন (হাজারে আওসয়াদ) চুম্বন করার পর ইহরাম খুলেছেন। এ ব্যক্তি (ইরাকী) এ ব্যাপারে যা বলেছে, মিথ্যা বলেছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৭, ইসলামীক সেন্টার)
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা ইহরাম বেঁধে রওনা হলাম। তখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, যার সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে, সে যেন ইহরাম অবস্থায় থাকে। আর যার সাথে কুরবানীর পশু নেই, সে যেন ইহরাম খুলে ফেলে। আমার সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, তাই আমি ইহরাম খুলে ফেললাম। কিন্তু (আমার স্বামী) যুবায়র (রাযিঃ) এর সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তাই তিনি ইহরাম খুলেননি। রাবী বলেন, আমি আমার স্বাভাবিক পোশাক পরিধান করে বের হয়ে গিয়ে যুবাযর (রাযিঃ) এর পাশে বসলাম। তিনি বললেন, আমার নিকট থেকে উঠে যাও। আমি বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাপিয়ে পড়ব? (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا محمد بن بكر، اخبرنا ابن جريج، ح وحدثني زهير بن حرب، - واللفظ له - حدثنا روح بن عبادة، حدثنا ابن جريج، حدثني منصور، بن عبد الرحمن عن امه، صفية بنت شيبة عن اسماء بنت ابي بكر، - رضى الله عنهما - قالت خرجنا محرمين فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من كان معه هدى فليقم على احرامه ومن لم يكن معه هدى فليحلل " . فلم يكن معي هدى فحللت وكان مع الزبير هدى فلم يحلل . قالت فلبست ثيابي ثم خرجت فجلست الى الزبير فقال قومي عني . فقلت اتخشى ان اثب عليك
আব্বাস ইবনু আবদুল আযম আল আম্বারী (রহঃ) ..... আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযিঃ) বলেন, আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে হজ্জের ইহরাম বেঁধে (মক্কায়) পৌঁছলাম। অবশিষ্ট বর্ণনা ইবনু জুরায়জের হাদীসের অনুরূপ। তবে এ বর্ণনায় আছে, যুবায়র (রাযিঃ) বললেন, “তুমি আমার কাছ থেকে দূরে সরে যাও, দূরে সরে যাও।” আমি (আসমা) বললাম, তুমি কি আশংকা করছ যে, আমি তোমার উপর ঝাপিয়ে পড়ব?" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৬৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عباس بن عبد العظيم العنبري، حدثنا ابو هشام المغيرة بن سلمة، المخزومي حدثنا وهيب، حدثنا منصور بن عبد الرحمن، عن امه، عن اسماء بنت ابي بكر، - رضى الله عنهما - قالت قدمنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم مهلين بالحج . ثم ذكر بمثل حديث ابن جريج غير انه قال فقال استرخي عني استرخي عني . فقلت اتخشى ان اثب عليك
হারূন ইবনু সাঈদ আল আয়লী ও আহমাদ ইবনু ঈসা (রহঃ) ..... আসমা (রাযিঃ) এর আযাদকৃত গোলাম আবদুল্লাহ থেকে বর্ণিত। আসমা (রাযিঃ) যখনই আল-হাজুন (হারাম শরীফের সীমার মধ্যে মাক্কার (মক্কার) উচ্চভূমিতে একটি পাহাড়) অতিক্রম করতেন, তখনই তিনি তাকে বলতে শুনতেন, সল্লাল্লাহু আলা রসূলহী (আল্লাহ তা'আলা তার রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অনুগ্রহ করুন)। আমরা তার সঙ্গে এখানে অবতরণ করেছিলাম, আমাদের বোঝা ছিল কম, বাহনের সংখ্যা অত্যন্ত কম এবং রসদও ছিল সামান্য। আমি, আমার বোন আয়িশাহ (রাযিঃ), যুবায়র (রাযিঃ) এবং আরও অমুক অমুক উমরাহ পালন করেছিলাম। আমরা যখনই বায়তুল্লাহ স্পর্শ করলাম, তখনই ইহরাম খুলে ফেললাম। এরপর তৃতীয় প্রহরে হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলাম। অধঃস্তন রাবী হারূন তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, “আসমা (রাযিঃ) এর মুক্তদাস” এবং তিনি 'আবদুল্লাহ' নাম উল্লেখ করেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني هارون بن سعيد الايلي، واحمد بن عيسى، قالا حدثنا ابن وهب، اخبرني عمرو، عن ابي الاسود، ان عبد الله، مولى اسماء بنت ابي بكر - رضى الله عنهما - حدثه انه، كان يسمع اسماء كلما مرت بالحجون تقول صلى الله على رسوله وسلم لقد نزلنا معه ها هنا ونحن يوميذ خفاف الحقايب قليل ظهرنا قليلة ازوادنا فاعتمرت انا واختي عايشة والزبير وفلان وفلان فلما مسحنا البيت احللنا ثم اهللنا من العشي بالحج . قال هارون في روايته ان مولى اسماء . ولم يسم عبد الله
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... মুসলিম আল কুররী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট তামাত্তু হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি তার অনুমতি দিলেন কিন্তু ইবনু যুবায়র তা নিষেধ করতেন। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) বললেন, এই তো ইবনু যুবায়র (রাযিঃ) এর মা, তিনি বর্ণনা করেছেন যে, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা করার অনুমতি দিয়েছেন। তোমরা তার কাছে গিয়ে তাকে জিজ্ঞেস কর। রাবী বলেন, আমরা তার কাছে গেলাম, তিনি ছিলেন স্থূলদেহী এবং তার দৃষ্টিশক্তি লোপ পেয়েছিল। তিনি বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তামাত্তু হাজ্জের (হজ্জের/হজের) অনুমতি দিয়েছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن حاتم، حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، عن مسلم القري، قال سالت ابن عباس - رضى الله عنهما - عن متعة الحج، فرخص فيها وكان ابن الزبير ينهى عنها فقال هذه ام ابن الزبير تحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص فيها فادخلوا عليها فاسالوها قال فدخلنا عليها فاذا امراة ضخمة عمياء فقالت قد رخص رسول الله صلى الله عليه وسلم فيها
ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ... শু'বাহ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। অধঃস্তন রাবী আবদুর রহমানের বর্ণনায় “আল মুত‘আহ” উল্লেখ আছে- “মুত’আতুল হাজ্জ (হজ্জ/হজ)" নয় এবং ইবনু জাফার (রহঃ) এর বর্ণনায় শুবাহ (রহঃ) বলেন, মুসলিম আল কুররী (রহঃ) বলেছেন, তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) না মুত'আহ বিবাহ সম্পর্কে বলা হয়েছে, তা আমি জানি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، ح وحدثناه ابن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - جميعا عن شعبة، بهذا الاسناد فاما عبد الرحمن ففي حديثه المتعة ولم يقل متعة الحج . واما ابن جعفر فقال قال شعبة قال مسلم لا ادري متعة الحج او متعة النساء
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... মুসলিম আল কুররী (রহঃ) ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উমরার ইহরাম বাঁধলেন এবং তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তার সাহাবীগণের মধ্যে যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল, তারা ইহরাম খুলেননি। অন্যরা (তওয়াফ ও সাঈর পর) ইহরাম মুক্ত হয়ে গেলেন। যারা সাথে কুরবানীর পশু এনেছিলেন, তলহাহ্ (রাযিঃ) তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএব তিনিও ইহরাম খুলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، حدثنا مسلم القري، سمع ابن عباس، - رضى الله عنهما - يقول اهل النبي صلى الله عليه وسلم بعمرة واهل اصحابه بحج فلم يحل النبي صلى الله عليه وسلم ولا من ساق الهدى من اصحابه وحل بقيتهم فكان طلحة بن عبيد الله فيمن ساق الهدى فلم يحل
মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... শু'বাহ (রহঃ) থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। তবে তার বর্ণনায় হাদীসের শেষাংশ এরূপঃ "যাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল না, ত্বলহাহ ইবনু উবায়দুল্লাহ (রাযিঃ) এবং আরও এক ব্যক্তি তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। অতএব তারা উভয়ে ইহরাম খুলে ফেলেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه محمد بن بشار، حدثنا محمد، - يعني ابن جعفر - حدثنا شعبة، بهذا الاسناد غير انه قال وكان ممن لم يكن معه الهدى طلحة بن عبيد الله ورجل اخر فاحلا
মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন জাহিলী যুগে লোকেরা হজ্জের মাসসমূহে উমরাহ পালন করাকে পৃথিবীর বুকে সর্বাপেক্ষা বড় অপরাধ মনে করত এবং মুহাররম মাসকে ‘সফর মাস হিসেবে গণনা করত। তারা বলত, যখন উটের পিঠ ভালো হয়ে যাবে, হাজীদের পদচিহ্ন লুপ্ত হয়ে যাবে এবং সফর মাস অতিবাহিত হয়ে যাবে, তখন যে ব্যক্তি উমরাহ করতে চায়, তার জন্য তা করা জায়িয হবে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধে যিলহাজের চার তারিখে মাক্কায় (মক্কায়) পৌছলে তিনি তাদের হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এ নির্দেশ তাদের কাছে গুরুতর কাজ বলে মনে হল। অতএব তারা বললেন, হে আল্লাহর রসূল! কিরূপে ইহরামমুক্ত হব? তিনি বললেন, সম্পূর্ণরূপে ইহরামমুক্ত হবে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني محمد بن حاتم، حدثنا بهز، حدثنا وهيب، حدثنا عبد الله بن طاوس، عن ابيه، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال كانوا يرون ان العمرة في اشهر الحج من افجر الفجور في الارض ويجعلون المحرم صفر ويقولون اذا برا الدبر وعفا الاثر وانسلخ صفر حلت العمرة لمن اعتمر . فقدم النبي صلى الله عليه وسلم واصحابه صبيحة رابعة مهلين بالحج فامرهم ان يجعلوها عمرة فتعاظم ذلك عندهم فقالوا يا رسول الله اى الحل قال " الحل كله
নাসর ইবনু আলী আল জাহযামী (রহঃ) ..... আবূল আলিয়াহ্ আল বাররা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) কে বলতে শুনেছেনঃ রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বাঁধলেন। তিনি যিলহাজ্জ মাসের ৪ তারিখের পর (মাক্কাহ (মক্কাহ) পৌছলেন এবং ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) শেষে তিনি বললেনঃ যে ব্যক্তি এ ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করতে চায়, সে তা করতে পারে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৬, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن ايوب، عن ابي العالية، البراء انه سمع ابن عباس، - رضى الله عنهما - يقول اهل رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحج فقدم لاربع مضين من ذي الحجة فصلى الصبح وقال لما صلى الصبح " من شاء ان يجعلها عمرة فليجعلها عمرة
ইবরাহীম ইবনু দীনার, আবূ দাউদ আল মুবারাকী ও মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... শু’বাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। এ সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। রাওহ ও ইয়াহইয়া ইবনু কাসীর (রহঃ) এর বর্ণনায় নাসর (রহঃ) এর অনুরূপ কথা আছেঃ “রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হজ্জের ইহরাম বাঁধলেন।" আবূ শিহাব (রহঃ) এর বর্ণনায় আছেঃ “আমরা হজ্জের ইহরাম বেঁধে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে রওনা হলাম।" তাদের সকলের বর্ণনায় আছেঃ "রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল বাত্বহা নামক স্থানে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন।” কিন্তু আল জাহযামী (রহঃ) এর বর্ণনায় এ কথার উল্লেখ নেই। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابراهيم بن دينار، حدثنا روح، ح وحدثنا ابو داود المباركي، حدثنا ابو شهاب، ح وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن كثير، كلهم عن شعبة، في هذا الاسناد اما روح ويحيى بن كثير فقالا كما قال نصر اهل رسول الله صلى الله عليه وسلم بالحج . واما ابو شهاب ففي روايته خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم نهل بالحج . وفي حديثهم جميعا فصلى الصبح بالبطحاء . خلا الجهضمي فانه لم يقله
হারূন ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) ..... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার সাহাবীগণ হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ইহরাম বেঁধে (যিলহাজ্জ মাসের প্রথম) দশ দিনের চারদিন অতিবাহিত হওয়ার পর মাক্কায় (মক্কায়) উপনীত হন। তিনি তাদেরকে নির্দেশ দিলেন, তারা যেন এ ইহরামকে উমরার ইহরামে পরিণত করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا هارون بن عبد الله، حدثنا محمد بن الفضل السدوسي، حدثنا وهيب، اخبرنا ايوب، عن ابي العالية البراء، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال قدم النبي صلى الله عليه وسلم واصحابه لاربع خلون من العشر وهم يلبون بالحج فامرهم ان يجعلوها عمرة
আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম 'যি তুওয়া' নামক স্থানে ফজরের সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। যিলহাজ্জ মাসের চারদিন অতিক্রান্ত হবার পর (মাক্কা (মক্কা)-য়) পৌছলেন এবং তার সাহাবীগণের নির্দেশ দিলেন, তারা যেন নিজেদের ইহরামকে উমরায় পরিণত করে- কিন্তু যার সাথে কুরবানীর পশু আছে, সে ব্যতীত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৭৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا عبد بن حميد، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن ايوب، عن ابي العالية، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال صلى رسول الله صلى الله عليه وسلم الصبح بذي طوى وقدم لاربع مضين من ذي الحجة وامر اصحابه ان يحولوا احرامهم بعمرة الا من كان معه الهدى
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না, ইবনু বাশশার ও উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ... ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই সে উমরাহ যা থেকে আমরা ফায়দাহ উঠিয়েছি। অতএব যার সাথে কুরবানীর পশু নেই- সে যেন সম্পূর্ণরূপে ইহরাম খুলে ফেলে। কেননা উমরাকে কিয়ামত পর্যন্ত হাজ্জের (হজ্জের/হজের) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، ح وحدثنا عبيد الله بن معاذ، - واللفظ له - حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن مجاهد، عن ابن عباس، - رضى الله عنهما - قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذه عمرة استمتعنا بها فمن لم يكن عنده الهدى فليحل الحل كله فان العمرة قد دخلت في الحج الى يوم القيامة
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ জামরাহ্ আয যুবাঈ (রহঃ) বলেন, আমি তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করলাম। কতিপয় লোক আমাকে তা করতে নিষেধ করল। আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি আমাকে তা করার নির্দেশ দিলেন। এরপর আমি বায়তুল্লাহতে আসলাম এবং ঘুমালাম। স্বপ্নে আমার কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, উমরা কবুল হয়েছে এবং হাজ্জও কবুল হয়েছে। আমি ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে এ স্বপ্লের কথা বললাম। তিনি বললেন, আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার! এতো আবূল কাসিম রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাত। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৮১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت ابا جمرة الضبعي، قال تمتعت فنهاني ناس عن ذلك، فاتيت ابن عباس فسالته عن ذلك، فامرني بها . - قال - ثم انطلقت الى البيت فنمت فاتاني ات في منامي فقال عمرة متقبلة وحج مبرور - قال - فاتيت ابن عباس فاخبرته بالذي رايت فقال الله اكبر الله اكبر سنة ابي القاسم صلى الله عليه وسلم
حدثني هارون بن سعيد الايلي، حدثنا ابن وهب، اخبرني عمرو، - وهو ابن الحارث - عن محمد بن عبد الرحمن، ان رجلا، من اهل العراق قال له سل لي عروة بن الزبير عن رجل يهل بالحج فاذا طاف بالبيت ايحل ام لا فان قال لك لا يحل . فقل له ان رجلا يقول ذلك - قال - فسالته فقال لا يحل من اهل بالحج الا بالحج . قلت فان رجلا كان يقول ذلك . قال بيس ما قال فتصداني الرجل فسالني فحدثته فقال فقل له فان رجلا كان يخبر ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد فعل ذلك وما شان اسماء والزبير فعلا ذلك . قال فجيته فذكرت له ذلك فقال من هذا فقلت لا ادري . قال فما باله لا ياتيني بنفسه يسالني اظنه عراقيا . قلت لا ادري . قال فانه قد كذب قد حج رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبرتني عايشة - رضى الله عنها - ان اول شىء بدا به حين قدم مكة انه توضا ثم طاف بالبيت ثم حج ابو بكر فكان اول شىء بدا به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم عمر مثل ذلك ثم حج عثمان فرايته اول شىء بدا به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم معاوية وعبد الله بن عمر ثم حججت مع ابي الزبير بن العوام فكان اول شىء بدا به الطواف بالبيت ثم لم يكن غيره ثم رايت المهاجرين والانصار يفعلون ذلك ثم لم يكن غيره ثم اخر من رايت فعل ذلك ابن عمر ثم لم ينقضها بعمرة وهذا ابن عمر عندهم افلا يسالونه ولا احد ممن مضى ما كانوا يبدءون بشىء حين يضعون اقدامهم اول من الطواف بالبيت ثم لا يحلون وقد رايت امي وخالتي حين تقدمان لا تبدان بشىء اول من البيت تطوفان به ثم لا تحلان وقد اخبرتني امي انها اقبلت هي واختها والزبير وفلان وفلان بعمرة قط فلما مسحوا الركن حلوا وقد كذب فيما ذكر من ذلك