Loading...

Loading...
বইসমূহ
৬০৭ হাদিসসমূহ
ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বলেন, কুরায়শগণ এবং তাদের ধর্মের অনুসারীরা (জাহিলী যুগে) মুযদালিফায় অবস্থান করত। তারা নিজেদের নামকরণ করেছিল "আলহুম্স'। আর সমস্ত আরববাসীরা আরাফাতে অবস্থান করত। যখন ইসলামের আবির্ভাব হল, আল্লাহ তা'আলা তার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে আরাফায় অবস্থান করার ও সেখান থেকে প্রত্যাবর্তনের নির্দেশ দেন। আল্লাহর বাণীর তাৎপর্যও তাইঃ "অতঃপর অন্যান্য লোক যেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করে, তোমরাও সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করবে”— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৯৯)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২১, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا يحيى بن يحيى، اخبرنا ابو معاوية، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، - رضى الله عنها - قالت كان قريش ومن دان دينها يقفون بالمزدلفة وكانوا يسمون الحمس وكان ساير العرب يقفون بعرفة فلما جاء الاسلام امر الله عز وجل نبيه صلى الله عليه وسلم ان ياتي عرفات فيقف بها ثم يفيض منها فذلك قوله عز وجل { ثم افيضوا من حيث افاض الناس}
আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... হিশাম (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (উরওয়াহ্) বলেন, আল-হুমস্ ব্যতীত সকল আরব উলঙ্গ অবস্থায় বায়তুল্লাহ এর তওয়াফ করত। কুরায়শ ও তাদের বংশধরগণকে 'আল-হুমস্’ বলা হতো। আরবরা উলঙ্গ অবস্থায়ই তওয়াফ করত। কিন্তু আল-হুমস্ তাদেরকে কাপড় দান করলে স্বতন্ত্র কথা। তাদের পুরুষরা পুরুষদের এবং মহিলারা মহিলাদের কাপড় দান করত। আল-হুমস্ মুযদালিফার বাইরে যেত না, আর সব লোক ‘আরাফায় চলে যেত। হিশাম বলেন, আমার পিতা (উরওয়াহ্) আয়িশাহ (রাযিঃ) এর সূত্রে আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেছেন, আল হুমস্- যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা'আলা এ আয়াত নাযিল করেছেনঃ “অতঃপর অন্যান্য লোক যেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করে, তোমরাও সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করবে”— (সুরাহ আল বাকারাহ ২ঃ ১৯৯)। আয়িশাহ (রাযিঃ) বলেন, লোকেরা আরাফাহ্ থেকে প্রত্যাবর্তন করত আর আল-হুমস মুযদালিফাহ্ থেকে প্রত্যাবর্তন করত। তারা বলত, আমরা কেবলমাত্র হারাম এলাকা থেকেই প্রত্যাবর্তন করব। অতঃপর যখন “তোমরা প্রত্যাবর্তন কর যেখান থেকে লোকেরা প্রত্যাবর্তন করে” আয়াত নাযিল হল, তখন থেকে তারা আরাফায় গেল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، حدثنا هشام، عن ابيه، قال كانت العرب تطوف بالبيت عراة الا الحمس والحمس قريش وما ولدت كانوا يطوفون عراة الا ان تعطيهم الحمس ثيابا فيعطي الرجال الرجال والنساء النساء وكانت الحمس لا يخرجون من المزدلفة وكان الناس كلهم يبلغون عرفات . قال هشام فحدثني ابي عن عايشة - رضى الله عنها - قالت الحمس هم الذين انزل الله عز وجل فيهم { ثم افيضوا من حيث افاض الناس} قالت كان الناس يفيضون من عرفات وكان الحمس يفيضون من المزدلفة يقولون لا نفيض الا من الحرم فلما نزلت { افيضوا من حيث افاض الناس} رجعوا الى عرفات
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আমর আন নাকিদ (রহঃ) ..... জুবায়র ইবনু মুতাইম (রাযিঃ) বলেন, আমার একটি উট হারিয়ে গেল। আরাফাহ দিবসে আমি তার খোঁজে বের হলাম। আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে লোকদের সাথে আরাফায় অবস্থানরত দেখলাম। আমি বললাম, আল্লাহর শপথ! ইনি তো হুমস্-এর অন্তর্ভুক্ত, কী ব্যাপার ইনি এখানে কেন? অথচ কুরায়শদেরকে হুমস্-এর মধ্যে গণ্য করা হতো। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، وعمرو الناقد، جميعا عن ابن عيينة، - قال عمرو حدثنا سفيان بن عيينة، - عن عمرو، سمع محمد بن جبير بن مطعم، يحدث عن ابيه، جبير بن مطعم قال اضللت بعيرا لي فذهبت اطلبه يوم عرفة فرايت رسول الله صلى الله عليه وسلم واقفا مع الناس بعرفة فقلت والله ان هذا لمن الحمس فما شانه ها هنا وكانت قريش تعد من الحمس
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। তিনি বাতহা নামক স্থানে উট বসিয়ে যাত্রা বিরতি করছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, তুমি কি হাজ্জের (হজ্জের/হজের) নিয়্যাত করেছ? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমি কী ধরনের ইহরাম বেঁধেছ? তিনি বললেন, আমি বলেছি- লাব্বায়কা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে হাজ্জের ইহরাম বেঁধেছেন, আমিও তদ্রুপ ইহরাম বাঁধলাম। তিনি বললেন, তুমি ভালই করেছ। এখন বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) কর এবং সাফা-মারওয়ার সাঈ কর, অতঃপর ইহরাম খুলে ফেল। তিনি বলেন, আমি বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ করলাম, সাফা-মারওয়ার সাঈ করলাম, অতঃপর কায়স গোত্রের এক স্ত্রীলোকের নিকট এলাম। সে আমার মাথার উকুন বেছে দিল। এরপর আমি হাজ্জের ইহরাম বাঁধলাম। আমি লোকদেরকে এভাবেই ফাতাওয়া দিতে থাকলাম 'উমার (রাযিঃ) এর খিলাফাত পর্যন্ত। এ সময় এক ব্যক্তি তাকে বলল, হে আবূ মূসা অথবা (বলল) আবদুল্লাহ ইবনু কায়স! আপনার কিছু ফাতাওয়া আপাততঃ স্থগিত রাখুন। কারণ আমীরুল মু'মিনীন (উমার) আপনার পরে হজ্জ সম্পর্কে যে নতুন বিধান প্রবর্তন করেছেন, তা আপনি জ্ঞাত নন। তখন আবূ মূসা (রাযিঃ) বললেন, হে লোক সকল! আমি যাদের ফাতাওয়া দিয়েছি (ইহরাম খোলা সম্পর্কে) তারা যেন অপেক্ষা করে। কারণ আমীরুল মু'মিনীন অচিরেই তোমাদের নিকট আসছেন, অতএব তার আনুগত্য করা তোমাদের কর্তব্য। রাবী বলেন, উমর (রাযিঃ) এলেন এবং আমি তার সামনে বিষয়টি উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, আমরা যদি আল্লাহর কিতাব অনুযায়ী চলি, তবে তা আমাদের নির্দেশ দেয় (হাজ্জ ও উমরাহ) পূর্ণ করার। আমরা যদি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাতের উপর আমল করি, তবে কুরবানীর পশু তার (কুরবানীর) স্থানে না পৌছা পর্যন্ত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহরাম খুলেননি। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، اخبرنا شعبة، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن ابي موسى، قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو منيخ بالبطحاء فقال لي " احججت " . فقلت نعم . فقال " بم اهللت " . قال قلت لبيك باهلال كاهلال النبي صلى الله عليه وسلم . قال " فقد احسنت طف بالبيت وبالصفا والمروة واحل " . قال فطفت بالبيت وبالصفا والمروة ثم اتيت امراة من بني قيس ففلت راسي ثم اهللت بالحج . قال فكنت افتي به الناس حتى كان في خلافة عمر - رضى الله عنه - فقال له رجل يا ابا موسى - او يا عبد الله بن قيس - رويدك بعض فتياك فانك لا تدري ما احدث امير المومنين في النسك بعدك . فقال يا ايها الناس من كنا افتيناه فتيا فليتيد فان امير المومنين قادم عليكم فبه فايتموا . قال فقدم عمر - رضى الله عنه - فذكرت ذلك له فقال ان ناخذ بكتاب الله فان كتاب الله يامر بالتمام وان ناخذ بسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم فان رسول الله صلى الله عليه وسلم لم يحل حتى بلغ الهدى محله
উবায়দুল্লাহ ইবনু মুআয (রহঃ) ..... শুবাহ্ (রহঃ) থেকে এ সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৪, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه عبيد الله بن معاذ، حدثنا ابي، حدثنا شعبة، في هذا الاسناد نحوه
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলাম। তিনি বাতহা নামক স্থানে উট বসিয়ে অবস্থান করছিলেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কিসের ইহরাম বেঁধেছ? আমি বললাম, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুরূপ ইহরাম বেঁধেছি। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি কুরবানীর পশু এনেছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, তাহলে তুমি বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) এবং সাফা মারওয়ার মাঝে সাঈ করার পর ইহরাম খুলে ফেল। অতএব আমি বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ ও সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ করার পর ইহরাম খুলে ফেললাম। এরপর আমার গোত্রের এক মহিলার নিকট এলাম, সে আমার মাথার চুল আঁচড়িয়ে দিল এবং আমার মাথা ধুয়ে দিল। আমি আবূ বকর (রাযিঃ) ও উমর (রাযিঃ) এর খিলাফতকালে লোকদেরকে অনুরূপ ফাতাওয়া দিতাম। হাজ্জের (হজ্জের/হজের) মৌসুম আগত, এ সময় এক ব্যক্তি আমার নিকট এসে বলল, আপনি হয়ত জানেন না, আমীরুল মু'মিনীন (উমার) হাজের (হজ্জের/হজের) ব্যাপারে কী নতুন বিধান প্রবর্তন করেছেন। আমি বললাম, হে জনগণ! আমি যাদেরকে কতগুলো বিষয় সম্পর্কে যে ফাতাওয়া দিয়েছি- তারা যেন অপেক্ষা করে। কারণ, ইতোমধ্যেই আমীরুল মুমিনীন তোমাদের মধ্যে এসে পৌছবেন। তোমরা তার অনুসরণ করবে। তিনি (উমার) এসে পৌছলে আমি বললাম, হে আমীরুল মু'মিনীন! আপনি হাজ্জের ব্যাপারে নতুন কী বিধান দিচ্ছেন? তিনি বললেন, আমরা যদি আল্লাহর কিতাব আঁকড়ে ধরি, তবে আল্লাহ বলেনঃ “তোমরা আল্লাহর উদ্দেশে হাজ্জ ও উমরাহ পূর্ণ কর”— (সূরা আল বাকারাহ ২ঃ ১৯৬)। আর আমরা যদি আমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সুন্নাতের অনুসরণ করি, তাহলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাথে করে নিয়ে আসা পশু যবাহ না করা পর্যন্ত ইহরাম খুলতেন না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، حدثنا عبد الرحمن، - يعني ابن مهدي - حدثنا سفيان، عن قيس، عن طارق بن شهاب، عن ابي موسى، - رضى الله عنه - قال قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو منيخ بالبطحاء فقال " بم اهللت " . قال قلت اهللت باهلال النبي صلى الله عليه وسلم قال " هل سقت من هدى " . قلت لا . قال " فطف بالبيت وبالصفا والمروة ثم حل " . فطفت بالبيت وبالصفا والمروة ثم اتيت امراة من قومي فمشطتني وغسلت راسي فكنت افتي الناس بذلك في امارة ابي بكر وامارة عمر فاني لقايم بالموسم اذ جاءني رجل فقال انك لا تدري ما احدث امير المومنين في شان النسك . فقلت ايها الناس من كنا افتيناه بشىء فليتيد فهذا امير المومنين قادم عليكم فبه فايتموا فلما قدم قلت يا امير المومنين ما هذا الذي احدثت في شان النسك قال ان ناخذ بكتاب الله فان الله عز وجل قال { واتموا الحج والعمرة لله} وان ناخذ بسنة نبينا عليه الصلاة والسلام فان النبي صلى الله عليه وسلم لم يحل حتى نحر الهدى
ইসহাক ইবনু মানসূর ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামানে প্রেরণ করেছিলেন। তিনি যে বছর হজ্জ করেছিলেন, আমি সে বছর (হাজ্জ (হজ্জ/হজ)) এসে তার সঙ্গে মিলিত হলাম। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, হে আবূ মূসা! ইহরাম বাঁধার সময় তুমি কী নিয়্যাত করেছিলে? আমি বললাম, লাব্বায়কা! আমার ইহরাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ইহরামের অনুরূপ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সাথে করে কুরবানীর পশু এনেছ? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তাহলে যাও, বায়তুল্লাহ এর ত্বওয়াফ (তাওয়াফ/তওয়াফ) কর, সাফা-মারওয়ার মাঝে সাঈ কর, অতঃপর ইহরাম খুলে ফেল। ... হাদীসের অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত শুবাহ ও সুফইয়ানের হাদীস দু'টির অনুরূপ। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني اسحاق بن منصور، وعبد بن حميد، قالا اخبرنا جعفر بن عون، اخبرنا ابو عميس، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، عن ابي موسى، - رضى الله عنه - قال كان رسول الله صلى الله عليه وسلم بعثني الى اليمن قال فوافقته في العام الذي حج فيه فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " يا ابا موسى كيف قلت حين احرمت " . قال قلت لبيك اهلالا كاهلال النبي صلى الله عليه وسلم . فقال " هل سقت هديا " . فقلت لا . قال " فانطلق فطف بالبيت وبين الصفا والمروة . ثم احل " . ثم ساق الحديث بمثل حديث شعبة وسفيان
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... আবূ মূসা (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তামাত্তু হাজ্জে (হজ্জে/হজে)র অনুকূলে ফাতাওয়া দিতেন। এক ব্যক্তি তাকে বলল, আপনি আপনার ফাতাওয়া স্থগিত রাখুন। আপনি হয়ত জানেন না, আপনার পরে আমীরুল মুমিনীন হাজ্জের (হজ্জের/হজের) ব্যাপারে কী বিধান প্রবর্তন করেছেন। পরে তিনি (আবূ মূসা) তার সাথে সাক্ষাৎ করলেন এবং (এ ব্যাপারে) তাকে জিজ্ঞেস করলেন। উমার (রাযিঃ) বললেন, আমি অবশ্যই জানি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ (তামাত্তু) করেছেন। কিন্তু আমি এটা পছন্দ করি না যে, বিবাহিত লোকেরা গাছের ছায়ায় স্ত্রীদের সাথে যৌন সঙ্গম করবে, অতঃপর এমন অবস্থায় হজ্জের জন্য রওনা হবে যে, তাদের মাথার চুল দিয়ে পানি টপকে পড়ছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن عمارة بن عمير، عن ابراهيم بن ابي موسى، عن ابي موسى، انه كان يفتي بالمتعة فقال له رجل رويدك ببعض فتياك فانك لا تدري ما احدث امير المومنين في النسك بعد حتى لقيه بعد فساله فقال عمر قد علمت ان النبي صلى الله عليه وسلم قد فعله واصحابه ولكن كرهت ان يظلوا معرسين بهن في الاراك ثم يروحون في الحج تقطر رءوسهم
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... কাতাদাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু শাকীক (রহঃ) বলেছেন, উসমান (রাযিঃ) তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) করতে নিষেধ করতেন। আর ‘আলী (রাযিঃ) তামাত্তু হাজ্জ করার নির্দেশ দিতেন। অতএব উসমান (রাযিঃ) আলী (রাযিঃ) এর সঙ্গে কথা বললেন। অতঃপর ‘আলী (রাযিঃ) বললেন, আপনি অবশ্যই জানেন, আমরা নিশ্চিত রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে তামাত্তু হাজ্জ করেছি। উসমান (রাযিঃ) বললেন, হ্যাঁ; কিন্তু আমরা তখন আতঙ্কিত ছিলাম। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৮, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا محمد بن المثنى، وابن، بشار قال ابن المثنى حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن قتادة، قال قال عبد الله بن شقيق كان عثمان ينهى عن المتعة، وكان، علي يامر بها فقال عثمان لعلي كلمة ثم قال علي لقد علمت انا قد تمتعنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اجل ولكنا كنا خايفين
ইয়াহইয়া ইবনু হাবীব আল হারিসী (রহঃ) ...... শুবাহ (রহঃ) এ সানাদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮২৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنيه يحيى بن حبيب الحارثي، حدثنا خالد، - يعني ابن الحارث - اخبرنا شعبة، بهذا الاسناد مثله
মুহাম্মাদ ইবনুল মুসান্না ও মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার (রহঃ) ..... সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাযিঃ) ও উসমান (রাযিঃ) উসফান' নামক স্থানে একত্রে হলেন। উসমান (রাযিঃ) তামাত্তু ও উমরাহ করতে নিষেধ করতেন। আলী (রাযিঃ) বললেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে কাজ করেছেন, আপনি তা নিষেধ করেছেন- এতে আপনার উদ্দেশ্য কী? উসমান (রাযিঃ) বললেন, আপনি আমাকে আপনার কথা থেকে রেহাই দিন। আলী (রাযিঃ) বললেন, আমি আপনাকে ছাড়তে পারি না। আলী (রাযিঃ) যখন এ অবস্থা দেখলেন, তিনি একত্রে হাজ্জ (হজ্জ/হজ) ও উমরাহ উভয়ের ইহরাম বাঁধলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩০, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا محمد بن المثنى، ومحمد بن بشار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، عن سعيد بن المسيب، قال اجتمع علي وعثمان - رضى الله عنهما - بعسفان فكان عثمان ينهى عن المتعة او العمرة فقال علي ما تريد الى امر فعله رسول الله صلى الله عليه وسلم تنهى عنه فقال عثمان دعنا منك . فقال اني لا استطيع ان ادعك فلما ان راى علي ذلك اهل بهما جميعا
সাঈদ ইবনু মানসুর, আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ ও আবূ কুরায়ব (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণের জন্যই বিশেষভাবে নির্দিষ্ট ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩১, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا سعيد بن منصور، وابو بكر بن ابي شيبة وابو كريب قالوا حدثنا ابو معاوية عن الاعمش، عن ابراهيم التيمي، عن ابيه، عن ابي ذر، - رضى الله عنه - قال كانت المتعة في الحج لاصحاب محمد صلى الله عليه وسلم خاصة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ) আমাদের জন্য একটি বিশেষ সুবিধা হিসেবে অনুমোদিত ছিল। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩২, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن عياش العامري، عن ابراهيم التيمي، عن ابيه، عن ابي ذر، - رضى الله عنه - قال كانت لنا رخصة . يعني المتعة في الحج
কুতায়বাহ ইবনু সাঈদ (রহঃ) ..... আবূ যার (রাযিঃ) বলেন, দুটি মুত'আহ কেবল আমাদের যুগের জন্যই নির্দিষ্ট ছিল। অর্থাৎ মুত'আহ বিবাহ ও তামাত্তু হাজ্জ (হজ্জ/হজ)। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৩, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا جرير، عن فضيل، عن زبيد، عن ابراهيم التيمي، عن ابيه، قال قال ابو ذر رضى الله عنه لا تصلح المتعتان الا لنا خاصة . يعني متعة النساء ومتعة الحج
কুতায়বাহ (রহঃ) ..... আবদুর রহমান ইবনু আবূ শা'সা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবরাহীম নাখাঈ ও ইবরাহীম আত্ তায়মীর নিকট এলাম এবং বললাম, আমি এ বছর হজ্জ ও উমরাহ একত্রে করতে চাই। ইবরাহীম নাখাঈ বললেন, কিন্তু তোমার পিতা তো এরূপ সংকল্প করেননি। কুতায়বাহ (রহঃ) ইবরাহীম আত তায়মী তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, তিনি (পিতা) রাবাযাহ নামক স্থানে আবূ যার (রাযিঃ) এর নিকট দিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন তিনি তার সামনে এ প্রসঙ্গ উপস্থাপন করলেন। আবূ যার (রাযিঃ) বললেন, তা আমাদের জন্য (একটা সুবিধা স্বরূপ) নির্দিষ্ট ছিল, তোমাদের জন্য নয়। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৪, ইসলামীক সেন্টার)
حدثنا قتيبة، حدثنا جرير، عن بيان، عن عبد الرحمن بن ابي الشعثاء، قال اتيت ابراهيم النخعي وابراهيم التيمي فقلت اني اهم ان اجمع العمرة والحج العام . فقال ابراهيم النخعي لكن ابوك لم يكن ليهم بذلك . قال قتيبة حدثنا جرير عن بيان عن ابراهيم التيمي عن ابيه انه مر بابي ذر - رضى الله عنه - بالربذة فذكر له ذلك فقال انما كانت لنا خاصة دونكم
সাঈদ ইবনু মানসূর ও ইবনু আবূ উমর (রহঃ) ..... গুনায়ম ইবনু কায়স (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সা'দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাযিঃ) কে তামাত্তু হাজ্জ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, আমরা উমরাহ আদায় করেছি। এটা সে সময়কার কথা যখন তিনি (আমীর মু'আবিয়াহ্) কাফির ছিলেন এবং মাক্কার (মক্কার) বাড়িতে বসবাস করতেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৫, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا سعيد بن منصور، وابن ابي عمر، جميعا عن الفزاري، - قال سعيد حدثنا مروان بن معاوية، - اخبرنا سليمان التيمي، عن غنيم بن قيس، قال سالت سعد بن ابي وقاص - رضى الله عنه - عن المتعة، فقال فعلناها وهذا يوميذ كافر بالعرش . يعني بيوت مكة
আবূ বাকর ইবনু আবূ শায়বাহ্ (রহঃ) ..... সুলায়মান আত তায়মী (রহঃ) থেকে উক্ত সানাদে বর্ণনা করেন। তিনি এ রিওয়ায়াতে মু'আবিয়াহ (রাযিঃ) এর নাম উল্লেখ করেছেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৬, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه ابو بكر بن ابي شيبة، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سليمان التيمي، بهذا الاسناد وقال في روايته يعني معاوية
আমর আন নাকিদ ও মুহাম্মাদ ইবনু আবূ খালাফ (রহঃ) ..... সুলায়মান আত তায়মী (রহঃ) থেকে উক্ত সূত্রে উভয়ের হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে এবং সুফইয়ানের হাদীসে তামাত্তু হাজ্জের (হজ্জের/হজের) উল্লেখ রয়েছে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৭, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثني عمرو الناقد، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا سفيان، ح وحدثني محمد، بن ابي خلف حدثنا روح بن عبادة، حدثنا شعبة، جميعا عن سليمان التيمي، بهذا الاسناد . مثل حديثهما وفي حديث سفيان المتعة في الحج
যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ..... মুতাররিফ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাযিঃ) আমাকে বললেন, আমি আজ তোমাকে একটি হাদীস বলব, পরবর্তী সময়ে আল্লাহ তা'আলা এর দ্বারা তোমাকে উপকৃত করবেন। জেনে রাখ, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে যিলহাজ্জ মাসের দশ তারিখের মধ্যে উমরাহ করিয়েছিলেন। এটা রহিত করে কোন আয়াত নাযিল হয়নি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ইন্তিকাল পর্যন্ত তা করতে নিষেধ করেননি। পরে লোকেরা নিজ নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করে। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৮, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثنا زهير بن حرب، حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، حدثنا الجريري، عن ابي، العلاء عن مطرف، قال قال لي عمران بن حصين اني لاحدثك بالحديث اليوم ينفعك الله به بعد اليوم واعلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قد اعمر طايفة من اهله في العشر فلم تنزل اية تنسخ ذلك ولم ينه عنه حتى مضى لوجهه ارتاى كل امري بعد ما شاء ان يرتيي
ইসহাক ইবনু ইবরাহীম ও মুহাম্মাদ ইবনু হাতিম (রহঃ) ..... আল জুরায়রী (রহঃ) থেকে উক্ত সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তবে হাতিম তার রিওয়ায়াতে বলেছেন, “এক ব্যক্তি অর্থাৎ উমার (রাযিঃ) তার নিজ ইচ্ছানুযায়ী মত পোষণ করেন।" (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ২৮৩৯, ইসলামীক সেন্টার)
وحدثناه اسحاق بن ابراهيم، ومحمد بن حاتم، كلاهما عن وكيع، حدثنا سفيان، عن الجريري، في هذا الاسناد وقال ابن حاتم في روايته ارتاى رجل برايه ما شاء . يعني عمر