Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০৩ হাদিসসমূহ
ত্বারিক ইবনু শিহাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়াহূদীদের এক লোক ‘উমার (রাঃ)-কে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমাদের উপর যদি এ আয়াতঃ ‘‘আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীনকে পূর্ণাঙ্গ করে দিলাম, তোমাদের প্রতি আমার নি‘মাত পূর্ণ করে দিলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে কবূল করে নিলাম’’- (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/৩) অবতীর্ণ হত, তাহলে সে দিনটিকে আমরা অবশ্যই ঈদের দিন হিসাবে গণ্য করতাম। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আমি অবশ্যই জানি এ আয়াতটি কোন্ দিন অবতীর্ণ হয়েছিল। আরাফাহর দিন জুমু‘আহর দিনে এ আয়াতটি নাযিল হয়েছিল। হাদীসটি সুফ্ইয়ান (রহ.) মিসআর (রহ.) থেকে, মিস্আর কায়স থেকে কায়স (রহ.) তারিক থেকে শুনেছেন। [৪৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، عن مسعر، وغيره، عن قيس بن مسلم، عن طارق بن شهاب، قال قال رجل من اليهود لعمر يا امير المومنين لو ان علينا نزلت هذه الاية { اليوم اكملت لكم دينكم واتممت عليكم نعمتي ورضيت لكم الاسلام دينا} لاتخذنا ذلك اليوم عيدا. فقال عمر اني لاعلم اى يوم نزلت هذه الاية، نزلت يوم عرفة في يوم جمعة. سمع سفيان من مسعر ومسعر قيسا وقيس طارقا
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, দ্বিতীয় দিনে যখন মুসলিমরা আবূ বকর (রাঃ)-এর বায়‘আত গ্রহণ করেছিল এবং তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মিম্বারের উপর উপবিষ্ট ছিলেন; ‘উমার (রাঃ)-কে আবূ বকর (রাঃ)-এর পূর্বে হামদ ও ছানা ও কালেমা শাহাদাত পাঠ করতে তিনি (আনাস) শুনেছেন। তিনি বললেন, অতঃপর আল্লাহ্ তাঁর রাসূলের জন্য তোমাদের কাছে যা ছিল তার চেয়ে তার নিকট যা আছে সেটাকেই পছন্দ করেছেন। আর এই সে কিতাব যার মাধ্যমে আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হিদায়াত দিয়েছিলেন। কাজেই একে তোমরা আঁকড়ে ধর। তাহলে এর মাধ্যমে আল্লাহ্ তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে যে হিদায়াত দিয়েছিলেন তোমরাও সেই হিদায়াত পাবে। [৭২১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، اخبرني انس بن مالك، انه سمع عمر الغد، حين بايع المسلمون ابا بكر، واستوى على منبر رسول الله صلى الله عليه وسلم تشهد قبل ابي بكر فقال اما بعد فاختار الله لرسوله صلى الله عليه وسلم الذي عنده على الذي عندكم، وهذا الكتاب الذي هدى الله به رسولكم فخذوا به تهتدوا وانما هدى الله به رسوله
ইবনু ‘আব্বাস (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তাঁর শরীরের সঙ্গে) আমাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং বললেনঃ হে আল্লাহ্! তাকে কিতাবের ইলম দাও।[1] [৭৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا وهيب، عن خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال ضمني اليه النبي صلى الله عليه وسلم وقال " اللهم علمه الكتاب
আবূ বারযা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহ্ তা‘আলা তোমাদেরকে ইসলাম দ্বারা ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএর দ্বারা মুখাপেক্ষীহীন কিংবা পরিপূর্ণ করেছেন। [৭১১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن صباح، حدثنا معتمر، قال سمعت عوفا، ان ابا المنهال، حدثه انه، سمع ابا برزة، قال ان الله يغنيكم او نغشكم بالاسلام وبمحمد صلى الله عليه وسلم. قال ابو عبد الله وقع هاهنا يغنيكم وانما هو نعشكم ينظر في اصل كتاب الاعتصام
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু দ্বীনার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাঃ) ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ানের বাই‘আত করে লিখলেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সুন্নাতের ভিত্তিতে আমার সাধ্যমত (আপনার নির্দেশ) শোনা ও মানার অঙ্গীকার করছি। [৭২০৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، حدثني مالك، عن عبد الله بن دينار، ان عبد الله بن عمر، كتب الى عبد الملك بن مروان يبايعه، واقر لك بالسمع والطاعة على سنة الله وسنة رسوله، فيما استطعت
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ‘জাওয়ামিউল কালিম[1]’ (ব্যাপক অর্থবহ সংক্ষিপ্ত কথা) সহ প্রেরিত হয়েছি এবং আমাকে প্রভাব দিয়ে সাহায্য করা হয়েছে। একবার আমি ঘুমের অবস্থায় দেখলাম, পৃথিবীর ভান্ডারগুলোর চাবি আমাকে দেয়া হয়েছে এবং তা আমার হাতে রেখে দেয়া হয়েছে। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করে গেছেন। আর তোমরা তা ব্যবহার করছ কিংবা বলেছিলেন তোমরা তা থেকে উপকার লাভ করছ কিংবা তিনি এরকমই কোন কথা বলেছিলেন। [২৯৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بعثت بجوامع الكلم، ونصرت بالرعب، وبينا انا نايم رايتني اتيت بمفاتيح خزاين الارض، فوضعت في يدي ". قال ابو هريرة فقد ذهب رسول الله صلى الله عليه وسلم وانتم تلغثونها او ترغثونها، او كلمة تشبهها
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেনঃ প্রত্যেক নবীকেই কোন-না-কোন অতুলনীয় নিদর্শন দেয়া হয়েছে যার উপর ঈমান আনা হয়েছে, কিংবা লোকেরা তাঁর উপর ঈমান এনেছে। আর আমাকে দেয়া হয়েছে ওয়াহী, যা আল্লাহ্ আমার উপর অবতীর্ণ করেছেন। সুতরাং আমি আশা করি যে, কিয়ামতের দিন আমার অনুসারীর সংখ্যা তাদের সবার চেয়ে বেশি হবে।[1] [৪৯৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا الليث، عن سعيد، عن ابيه، عن ابي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما من الانبياء نبي الا اعطي من الايات ما مثله اومن او امن عليه البشر، وانما كان الذي اوتيت وحيا اوحاه الله الى، فارجو اني اكثرهم تابعا يوم القيامة
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى: (وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا) قَالَ أَيِمَّةً نَقْتَدِي بِمَنْ قَبْلَنَا وَيَقْتَدِي بِنَا مَنْ بَعْدَنَا وَقَالَ ابْنُ عَوْنٍ ثَلاَثٌ أُحِبُّهُنَّ لِنَفْسِي وَلإِ÷خْوَانِي هٰذِهِ السُّنَّةُ أَنْ يَتَعَلَّمُوهَا وَيَسْأَلُوا عَنْهَا وَالْقُرْآنُ أَنْ يَتَفَهَّمُوهُ وَيَسْأَلُوا عَنْهُ وَيَدَعُوا النَّاسَ إِلاَّ مِنْ خَيْرٍ আর আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দাও’’- (সূরাহ আল-ফুরক্বান ২৫/৭৪)। একজন বর্ণনাকারী বলেছেন, এরূপ ইমাম যে আমরা আমাদের পূর্ববর্তীদের অনুসরণ করব, আর আমাদের পরবর্তীরা আমাদের অনুসরণ করবে। ইবনু আউন বলেন, তিনটি বিষয় আমি আমার নিজের জন্য ও আমার ভাইদের জন্য পছন্দ করি। এই সুন্নাত, যা শিখবে এবং জানার জন্য এ বিষয়ে প্রশ্ন করবে। কুরআন যা তারা ভালভাবে বুঝতে চেষ্টা করবে এবং জানার জন্য এ বিষয়ে প্রশ্ন করবে এবং মানুষকে একমাত্র কল্যাণের দিকে আহবান জানাবে। ৭২৭৫. আবূ ওয়ায়িল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এই মসজিদে শায়বাহর (রহ.) কাছে বসেছিলাম। তিনি বললেন, তুমি যেমন বসে আছ, ‘উমার (রাঃ) তেমনি এ জাগায় বসা ছিলেন এবং তিনি বলেছিলেন, আমি ইচ্ছা করছি যে, এতে সোনা ও রুপার কোন কিছুই অবশিষ্ট রাখব না বরং সবকিছু মুসলিমদের মাঝে বণ্টন করে দেব। আমি বললাম, আপনি তা করবেন না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কেন? আমি বললাম, আপনার সঙ্গীদ্বয় এমনটা করেননি। তিনি বললেন, তাঁরা দু’জন অনুসরণ করার মত লোকই ছিলেন। [১৫৯৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عمرو بن عباس، حدثنا عبد الرحمن، حدثنا سفيان، عن واصل، عن ابي وايل، قال جلست الى شيبة في هذا المسجد قال جلس الى عمر في مجلسك هذا فقال هممت ان لا ادع فيها صفراء ولا بيضاء الا قسمتها بين المسلمين. قلت ما انت بفاعل. قال لم. قلت لم يفعله صاحباك قال هما المران يقتدى بهما
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, আমানাত আসমান হতে মানুষের অন্তরের অন্তঃস্তলে অবতীর্ণ হয়েছে, তারপর কুরআন অবতীর্ণ হয়েছে এবং মানুষ কুরআন পাঠ করেছে এবং সুন্নাত শিক্ষা করেছে। [৬৪৯৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال سالت الاعمش فقال عن زيد بن وهب، سمعت حذيفة، يقول حدثنا رسول الله صلى الله عليه وسلم " ان الامانة نزلت من السماء في جذر قلوب الرجال، ونزل القران فقرءوا القران وعلموا من السنة
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সর্বোত্তম কালাম হল আল্লাহর কিতাব, আর সর্বোত্তম পথ নির্দেশনা হল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পথ নির্দেশনা। আর সবচেয়ে নিকৃষ্ট বিষয় হল নতুনভাবে উদ্ভাবিত পন্থাসমূহ। ‘‘তোমাদের কাছে যার ও‘য়াদা দেয়া হচ্ছে তা ঘটবেই, তোমরা ব্যর্থ করতে পারবে না’’- (সূরাহ আন‘আম ৬/১৩৪)।[1] [৬০৯৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم بن ابي اياس، حدثنا شعبة، اخبرنا عمرو بن مرة، سمعت مرة الهمداني، يقول قال عبد الله ان احسن الحديث كتاب الله، واحسن الهدى هدى محمد صلى الله عليه وسلم، وشر الامور محدثاتها، وان ما توعدون لات، وما انتم بمعجزين
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) ও যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। (এ সময়) তিনি বললেনঃ আমি অবশ্য অবশ্যই মহান আল্লাহ্ তা‘আলার কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মাঝে ফায়সালা করব। [২৩১৪, ২৩১৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، عن عبيد الله، عن ابي هريرة، وزيد بن خالد، قالا كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال " لاقضين بينكما بكتاب الله
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) ও যায়দ ইবনু খালিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। (এ সময়) তিনি বললেনঃ আমি অবশ্য অবশ্যই মহান আল্লাহ্ তা‘আলার কিতাব অনুযায়ী তোমাদের মাঝে ফায়সালা করব। [২৩১৪, ২৩১৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، عن عبيد الله، عن ابي هريرة، وزيد بن خالد، قالا كنا عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال " لاقضين بينكما بكتاب الله
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার সকল উম্মাতই জান্নাতে প্রবেশ করবে, কিন্তু যে অস্বীকার করবে। তারা বললেন, কে অস্বীকার করবে। তিনি বললেনঃ যারা আমার অনুসরণ করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, আর যে আমার অবাধ্য হবে সে-ই অস্বীকার করবে।[1] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن سنان، حدثنا فليح، حدثنا هلال بن علي، عن عطاء بن يسار، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " كل امتي يدخلون الجنة، الا من ابى ". قالوا يا رسول الله ومن يابى قال " من اطاعني دخل الجنة، ومن عصاني فقد ابى
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদল ফেরেশ্তা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলেন। তিনি তখন ঘুমিয়ে ছিলেন। একজন ফেরেশ্তা বললেন, তিনি (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] ঘুমিয়ে আছেন। অন্য একজন বললেন, চক্ষু ঘুমিয়ে বটে, কিন্তু অন্তর জেগে আছে। তখন তারা বললেন, তোমাদের এ সাথীর একটি উদাহরণ আছে। সুতরাং তাঁর উদাহরণ তোমরা বর্ণনা কর। তখন তাদের কেউ বলল- তিনি তো ঘুমন্ত, আর কেউ বলল, চক্ষু ঘুমন্ত তবে অন্তর জাগ্রত। তখন তারা বলল, তাঁর উদাহরণ হল সেই লোকের মত, যে একটি বাড়ী তৈরি করল। তারপর সেখানে খানার আয়োজন করল এবং একজন আহবানকারীকে (লোকদের ডাকতে) পাঠাল। যারা আহবানকারীর ডাকে সাড়া দিল, তারা ঘরে প্রবেশ করে খানা খাওয়ার সুযোগ পেল। আর যারা আহবানকারীর ডাকে সাড়া দিল না, তারা ঘরেও প্রবেশ করতে পারল না এবং খানাও খেতে পারল না। তখন তারা বললেন, উদাহরণটির ব্যাখ্যা করুন, যাতে তিনি বুঝতে পারেন। তখন কেউ বলল, তিনি তো ঘুমন্ত, আর কেউ বলল, চক্ষু ঘুমন্ত, তবে অন্তর জাগ্রত। তখন তারা বললেন, ঘরটি হল জান্নাত, আহবানকারী হলেন মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুসরণ করল, তারা আল্লাহর আনুগত্য করল। আর যারা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবাধ্যতা করল, তারা আসলে আল্লাহরই অবাধ্যতা করল। মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হলেন মানুষের মাঝে পার্থক্যের মাপকাঠি। কুতাইবাহ জাবির (রাঃ) থেকে এরকম হাদীস বর্ণনা করেছেন, তবে তিনি ‘‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে বের হয়ে আসলেন’’ এ কথাটি বলেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن عبادة، اخبرنا يزيد، حدثنا سليم بن حيان واثنى عليه حدثنا سعيد بن ميناء، حدثنا او، سمعت جابر بن عبد الله، يقول جاءت ملايكة الى النبي صلى الله عليه وسلم وهو نايم فقال بعضهم انه نايم. وقال بعضهم ان العين نايمة والقلب يقظان. فقالوا ان لصاحبكم هذا مثلا فاضربوا له مثلا. فقال بعضهم انه نايم. وقال بعضهم ان العين نايمة والقلب يقظان. فقالوا مثله كمثل رجل بنى دارا، وجعل فيها مادبة وبعث داعيا، فمن اجاب الداعي دخل الدار واكل من المادبة، ومن لم يجب الداعي لم يدخل الدار ولم ياكل من المادبة. فقالوا اولوها له يفقهها فقال بعضهم انه نايم. وقال بعضهم ان العين نايمة والقلب يقظان. فقالوا فالدار الجنة، والداعي محمد صلى الله عليه وسلم فمن اطاع محمدا صلى الله عليه وسلم فقد اطاع الله، ومن عصى محمدا صلى الله عليه وسلم فقد عصى الله، ومحمد صلى الله عليه وسلم فرق بين الناس. تابعه قتيبة عن ليث، عن خالد، عن سعيد بن ابي هلال، عن جابر، خرج علينا النبي صلى الله عليه وسلم
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হে কুরআন পাঠকারী সমাজ! তোমরা (কুরআন ও সুন্নাহর উপর) সুদৃঢ় থাক। নিশ্চয়ই তোমরা অনেক পশ্চাতে পড়ে আছ। আর যদি তোমরা ডানদিকের কিংবা বামদিকের পথ অনুসরণ কর তাহলে তোমরা সঠিকপথ বহু দূরে সরে পড়বে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن الاعمش، عن ابراهيم، عن همام، عن حذيفة، قال يا معشر القراء استقيموا فقد سبقتم سبقا بعيدا فان اخذتم يمينا وشمالا، لقد ضللتم ضلالا بعيدا
আবূ মূসা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার ও আমাকে আল্লাহ্ যা কিছু দিয়ে পাঠিয়েছেন তার উদাহরণ হল এমন যে, এক লোক কোন এক কাওমের নিকট এসে বলল, হে কাওম! আমি নিজের চোখে সেনাবাহিনীকে দেখে এসেছি। আমি সুস্পষ্ট সতর্ককারী। কাজেই তোমরা আত্মরক্ষার চেষ্টা কর। কাওমের কিছু লোক তার কথা মেনে নিল, সুতরাং রাতের প্রথম প্রহরে তারা সে জায়গা ছেড়ে রওনা হল এবং একটি নিরাপদ জায়গায় গিয়ে পৌঁছল। ফলে তারা রক্ষা পেল। তাদের মধ্যেকার আর একদল লোক তার কথা মিথ্যা জানল, ফলে তারা নিজেদের জায়গাতেই রয়ে গেল। সকাল বেলায় শত্রুবাহিনী তাদের উপর আক্রমণ চালাল, তাদেরকে ধ্বংস করে দিল এবং তাদেরকে উৎপাটিত করে দিল। এই হল তাদের উদাহরণ যারা আমার আনুগত্য করে এবং আমি যা নিয়ে এসেছি তার অনুসরণ করে। আর যারা আমার কথা অমান্য করে তাদের দৃষ্টান্ত হল আমি যে সত্য নিয়ে এসেছি তাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو كريب، حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " انما مثلي ومثل ما بعثني الله به كمثل رجل اتى قوما فقال يا قوم اني رايت الجيش بعينى، واني انا النذير العريان فالنجاء. فاطاعه طايفة من قومه فادلجوا، فانطلقوا على مهلهم فنجوا، وكذبت طايفة منهم فاصبحوا مكانهم، فصبحهم الجيش، فاهلكهم واجتاحهم، فذلك مثل من اطاعني، فاتبع ما جيت به، ومثل من عصاني وكذب بما جيت به من الحق
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন আর তাঁর পরে আবূ বকর (রাঃ)-কে খালীফা করা হলো এবং আরবের যারা কাফির হবার তারা কাফির হয়ে গিয়েছিল, তখন ‘উমার (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, আপনি কী করে লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি মানুষের সঙ্গে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত। অতএব যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলল, সে তার জান ও মালকে আমার থেকে নিরাপদ করে নিল। তবে ইসলামী বিধানের আওতায় পড়লে আলাদা। তাদের প্রকৃত হিসাব আল্লাহর কাছে হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে, আমি অবশ্য অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। কেননা, যাকাত হল মালের হক। আল্লাহর শপথ! যদি তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা আদায় করত, এখন তা (সেভাবে) দিতে অস্বীকার করে, তাহলেও আমি অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি দেখছিলাম যে, যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আবূ বকরের সিনা খুলে দিয়েছেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারলাম এ সিদ্ধান্ত সঠিক। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] ইবনু বুকায়র ও ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) লায়স-এর সূত্রে উকায়ল থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে। لو منعونى كذا (যদি তারা এ পরিমাণ দিতে অস্বীকার করে)-এর স্থলে لو منعونى عناقا (যদি তারা একটা ছোট উটের বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে) উল্লেখ করেছেন। আর এটিই সবচেয়ে শুদ্ধ। আর এটিকে লোকেরাعَنَاقًا বর্ণনা করেছেন। عزوجل বস্তুত এ স্থানে عقالا পড়াটা জায়েয নয়। আর عقالا শব্দটি শা‘বী-এর হাদীসে মুরসাল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সে রকম কুতাইবাহ (রহ.)ও عقالا বলেছেন।[1] [১৩৯৯, ১৪০০) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابي هريرة، قال لما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستخلف ابو بكر بعده، وكفر من كفر من العرب قال عمر لابي بكر كيف تقاتل الناس، وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " امرت ان اقاتل الناس حتى يقولوا لا اله الا الله. فمن قال لا اله الا الله. عصم مني ماله ونفسه، الا بحقه، وحسابه على الله ". فقال والله لاقاتلن من فرق بين الصلاة والزكاة، فان الزكاة حق المال، والله لو منعوني عقالا كانوا يودونه الى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه. فقال عمر فوالله ما هو الا ان رايت الله قد شرح صدر ابي بكر للقتال فعرفت انه الحق. قال ابن بكير وعبد الله عن الليث عناقا. وهو اصح
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তিকাল করলেন আর তাঁর পরে আবূ বকর (রাঃ)-কে খালীফা করা হলো এবং আরবের যারা কাফির হবার তারা কাফির হয়ে গিয়েছিল, তখন ‘উমার (রাঃ) আবূ বকর (রাঃ)-কে বললেন, আপনি কী করে লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি মানুষের সঙ্গে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলার পূর্ব পর্যন্ত যুদ্ধ করার জন্য নির্দেশপ্রাপ্ত। অতএব যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলল, সে তার জান ও মালকে আমার থেকে নিরাপদ করে নিল। তবে ইসলামী বিধানের আওতায় পড়লে আলাদা। তাদের প্রকৃত হিসাব আল্লাহর কাছে হবে। আবূ বকর (রাঃ) বললেন, যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করে, আমি অবশ্য অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। কেননা, যাকাত হল মালের হক। আল্লাহর শপথ! যদি তারা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট যা আদায় করত, এখন তা (সেভাবে) দিতে অস্বীকার করে, তাহলেও আমি অবশ্যই তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করব। ‘উমার (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি দেখছিলাম যে, যুদ্ধ করার জন্য আল্লাহ্ তা‘আলা আবূ বকরের সিনা খুলে দিয়েছেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারলাম এ সিদ্ধান্ত সঠিক। [ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন] ইবনু বুকায়র ও ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) লায়স-এর সূত্রে উকায়ল থেকে বর্ণনা করতে গিয়ে। لو منعونى كذا (যদি তারা এ পরিমাণ দিতে অস্বীকার করে)-এর স্থলে لو منعونى عناقا (যদি তারা একটা ছোট উটের বাচ্চাও দিতে অস্বীকার করে) উল্লেখ করেছেন। আর এটিই সবচেয়ে শুদ্ধ। আর এটিকে লোকেরাعَنَاقًا বর্ণনা করেছেন। عزوجل বস্তুত এ স্থানে عقالا পড়াটা জায়েয নয়। আর عقالا শব্দটি শা‘বী-এর হাদীসে মুরসাল সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। সে রকম কুতাইবাহ (রহ.)ও عقالا বলেছেন।[1] [১৩৯৯, ১৪০০) (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا ليث، عن عقيل، عن الزهري، اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابي هريرة، قال لما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم واستخلف ابو بكر بعده، وكفر من كفر من العرب قال عمر لابي بكر كيف تقاتل الناس، وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " امرت ان اقاتل الناس حتى يقولوا لا اله الا الله. فمن قال لا اله الا الله. عصم مني ماله ونفسه، الا بحقه، وحسابه على الله ". فقال والله لاقاتلن من فرق بين الصلاة والزكاة، فان الزكاة حق المال، والله لو منعوني عقالا كانوا يودونه الى رسول الله صلى الله عليه وسلم لقاتلتهم على منعه. فقال عمر فوالله ما هو الا ان رايت الله قد شرح صدر ابي بكر للقتال فعرفت انه الحق. قال ابن بكير وعبد الله عن الليث عناقا. وهو اصح
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘উয়াইনাহ ইবনু হিস্ন ইবনু হুযাইফাহ ইবনু বাদ্র (রহ.) তাঁর ভাতিজা হুর ইবনু কায়স ইবনু হিস্ন-এর কাছে আসলেন। ‘উমার (রাঃ) যাদের নিজে সন্নিকটে রাখতেন, হুর ইবনু কায়স (রহ.) ছিলেন তাদেরই একজন। যুবক হোক কিঙবা বৃদ্ধ কারী (আলিম) ব্যক্তিরাই ‘উমার (রাঃ)-এর মজলিসের সদস্য ও পরামর্শদাতা ছিলেন। উয়ায়না তার ভাতিজাকে বললেন, হে ভাতিজা! তোমার কি আমীরের নিকট এতটুকু প্রভাব আছে যে আমার জন্য সাক্ষাতের অনুমতি গ্রহণ করতে পারবে? সে বলল, আমি আপনার ব্যাপারে তাঁর কাছে অনুমতি চাইব। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি (হুর) ‘উয়াইনাহর জন্য অনুমতি চাইলেন। তারপর যখন ‘উয়াইনাহ (রাঃ) ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট গেলেন, তখন সে বলল, হে ইবনু খাত্তাব! আল্লাহর কসম! আপনি আমাদের মাল দিচ্ছেন না, আবার ইনসাফের ভিত্তিতে আমাদের মাঝে ফায়সালাও করছেন না। তখন ‘উমার (রাঃ) রেগে গেলেন, এমন কি তিনি তাকে মারতে উদ্যত হলেন। তখন হুর বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন। আল্লাহ্ তাঁর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলেছেনঃ ‘‘তুমি ক্ষমা অবলম্বন কর, সৎ কাজের আদেশ দাও, আর নির্বোধদের উপেক্ষা কর’’- (সূরাহ আল-আ’রাফ ৭/১৯৯)। এ লোকটি একজন মূর্খ। আল্লাহর শপথ! ‘উমার (রাঃ)-এর সামনে এ আয়াতটি পাঠ করা হলে তিনি তা এতটুকু লঙ্ঘন করলেন না। তিনি আল্লাহর কিতাবের খুবই অনুগত ছিলেন। [৪৬৪২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني اسماعيل، حدثني ابن وهب، عن يونس، عن ابن شهاب، حدثني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عبد الله بن عباس رضى الله عنهما قال قدم عيينة بن حصن بن حذيفة بن بدر فنزل على ابن اخيه الحر بن قيس بن حصن، وكان من النفر الذين يدنيهم عمر، وكان القراء اصحاب مجلس عمر ومشاورته كهولا كانوا او شبانا فقال عيينة لابن اخيه يا ابن اخي هل لك وجه عند هذا الامير فتستاذن لي عليه قال ساستاذن لك عليه. قال ابن عباس فاستاذن لعيينة فلما دخل قال يا ابن الخطاب والله ما تعطينا الجزل، وما تحكم بيننا بالعدل. فغضب عمر حتى هم بان يقع به فقال الحر يا امير المومنين ان الله تعالى قال لنبيه صلى الله عليه وسلم {خذ العفو وامر بالعرف واعرض عن الجاهلين} وان هذا من الجاهلين. فوالله ما جاوزها عمر حين تلاها عليه، وكان وقافا عند كتاب الله
আসমা বিনত আবূ বকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার সূর্যগ্রহণের সময় আমি ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে এলাম। লোকেরা তখন (সালাতে) দাঁড়িয়েছিল এবং তিনিও দাঁড়িয়ে সালাত পড়ছিলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, লোকদের কী হল? তিনি হাত দিয়ে আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন এবং বললেন, সুবহানাল্লাহ্! আমি বললাম, এটা কি কোন নিদর্শন? তখন তিনি মাথা নেড়ে হাঁ বললেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত পড়া শেষ করলেন, তখন তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন ও ছানা পড়লেন। তারপর বললেন, আমি যা দেখিনি তার সবকিছুই আজকে আমার এ জায়গায় দেখলাম। এমন কি জান্নাত ও জাহান্নামও দেখলাম। আর আমার কাছে ওয়াহী করা হয়েছে যে, কবরে তোমাদের পরীক্ষা করা হবে, প্রায় দাজ্জালের পরীক্ষার মতই। তবে যারা মু’মিন হবে, অথবা (বলেছিলেন) মুসলিম হবে। বর্ণনাকারী বলেন, আসমা (রাঃ) ‘মু’মিন’ বলেছিলেন, না ‘মুসলিম’ বলেছিলেন তা আমার স্মরণ নেই। তারা বলবে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিলেন, আমরা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং ঈমান এনেছি। তখন তাকে বলা হবে, শান্তিতে ঘুমোও, আমরা জানি তুমি দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলে। আর যারা মুনাফিক হবে অথবা (বলেছিলেন) সন্দেহকারী হবে- বর্ণনাকারী বলেন, আসমা ‘মুনাফিক’ বলেছিলেন না ‘সন্দেহকারী’ বলেছিলেন তা আমার মনে নেই- তারা বলবে, আমি কিছুই জানি না, আমি মানুষকে কথা বলতে শুনেছি, আর তাই বলেছি। [৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، عن مالك، عن هشام بن عروة، عن فاطمة بنت المنذر، عن اسماء ابنة ابي بكر رضى الله عنهما انها قالت اتيت عايشة حين خسفت الشمس، والناس قيام وهى قايمة تصلي فقلت ما للناس فاشارت بيدها نحو السماء فقالت سبحان الله. فقلت اية. قالت براسها ان نعم. فلما انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حمد الله واثنى عليه ثم قال " ما من شىء لم اره الا وقد رايته في مقامي، حتى الجنة والنار، واوحي الى انكم تفتنون في القبور قريبا من فتنة الدجال، فاما المومن او المسلم لا ادري اى ذلك قالت اسماء فيقول محمد جاءنا بالبينات فاجبنا وامنا. فيقال نم صالحا علمنا انك موقن. واما المنافق او المرتاب لا ادري اى ذلك قالت اسماء فيقول لا ادري سمعت الناس يقولون شييا فقلته