Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৭২ হাদিসসমূহ
আবূ হুরাইরাহ্ ও আবূ সা‘ঈদ (খুদরী) (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দেয়ালে কফ দেখে কাঁকর নিয়ে তা মুছে ফেললেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ যেন সামনের দিকে অথবা ডান দিকে কফ না ফেলে, বরং সে যেন তা তার বাম দিকে অথবা তার বাম পায়ের নীচে ফেলে। (৪১০, ৪১১, ৪১৪, ৪১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال اخبرنا ابراهيم بن سعد، اخبرنا ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة، وابا، سعيد حدثاه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى نخامة في جدار المسجد، فتناول حصاة فحكها فقال " اذا تنخم احدكم فلا يتنخمن قبل وجهه ولا عن يمينه، وليبصق عن يساره او تحت قدمه اليسرى
আবূ হুরাইরাহ্ ও আবূ সা‘ঈদ (খুদরী) (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দেয়ালে কফ দেখে কাঁকর নিয়ে তা মুছে ফেললেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ যেন সামনের দিকে অথবা ডান দিকে কফ না ফেলে, বরং সে যেন তা তার বাম দিকে অথবা তার বাম পায়ের নীচে ফেলে। (৪১০, ৪১১, ৪১৪, ৪১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال اخبرنا ابراهيم بن سعد، اخبرنا ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة، وابا، سعيد حدثاه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى نخامة في جدار المسجد، فتناول حصاة فحكها فقال " اذا تنخم احدكم فلا يتنخمن قبل وجهه ولا عن يمينه، وليبصق عن يساره او تحت قدمه اليسرى
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) ও আবূ সা‘ঈদ (খুদরী) (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দেয়ালে কফ দেখলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু কাঁকর নিলেন এবং তা মুছে ফেললেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ কফ ফেললে তা যেন সে সামনে অথবা ডানে না ফেলে। বরং সে বাম দিকে কিংবা বাম পায়ের নীচে ফেলে। (৪০৮, ৪০৯; মুসলিম ৫/১৩, হাঃ ৫৪৮, আহমাদ ১১০২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة، وابا، سعيد اخبراه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى نخامة في حايط المسجد، فتناول رسول الله صلى الله عليه وسلم حصاة فحتها ثم قال " اذا تنخم احدكم فلا يتنخم قبل وجهه ولا عن يمينه، وليبصق عن يساره، او تحت قدمه اليسرى
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) ও আবূ সা‘ঈদ (খুদরী) (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদের দেয়ালে কফ দেখলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু কাঁকর নিলেন এবং তা মুছে ফেললেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ তোমাদের কেউ কফ ফেললে তা যেন সে সামনে অথবা ডানে না ফেলে। বরং সে বাম দিকে কিংবা বাম পায়ের নীচে ফেলে। (৪০৮, ৪০৯; মুসলিম ৫/১৩, হাঃ ৫৪৮, আহমাদ ১১০২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن حميد بن عبد الرحمن، ان ابا هريرة، وابا، سعيد اخبراه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راى نخامة في حايط المسجد، فتناول رسول الله صلى الله عليه وسلم حصاة فحتها ثم قال " اذا تنخم احدكم فلا يتنخم قبل وجهه ولا عن يمينه، وليبصق عن يساره، او تحت قدمه اليسرى
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার সামনে বা ডানে থুথু নিক্ষেপ না করে; বরং তার বামে অথবা বাম পায়ের নীচে ফেলে। (২৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، قال اخبرني قتادة، قال سمعت انسا، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا يتفلن احدكم بين يديه ولا عن يمينه، ولكن عن يساره او تحت رجله
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মু’মিন যখন সালাতে থাকে, তখন সে তার প্রতিপালকের সাথে নিভৃতে কথা বলে। কাজেই সে যেন তার সামনে, ডানে থুথু না ফেলে, বরং তার বাম দিকে অথবা (বাম) পায়ের নীচে ফেলে। (২৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، قال حدثنا شعبة، قال حدثنا قتادة، قال سمعت انس بن مالك، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " ان المومن اذا كان في الصلاة فانما يناجي ربه، فلا يبزقن بين يديه ولا عن يمينه، ولكن عن يساره او تحت قدمه
আবূ সা‘ঈদ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মসজিদের ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হর দিকের দেয়ালে কফ দেখলেন, তখন তিনি কাঁকর দিয়ে তা মুছে দিলেন। অতঃপর সামনের দিকে অথবা ডান দিকে থুথু ফেলতে নিষেধ করলেন। কিন্তু (প্রয়োজনে) বাম দিকে অথবা বাম পায়ের নীচে ফেলতে বললেন। যুহরী (রহ.) হুমাইদ (রহ.)-এর মাধ্যমে আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে অনুরূপ রিওয়ায়াত আছে। (৪০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي، قال حدثنا سفيان، حدثنا الزهري، عن حميد بن عبد الرحمن، عن ابي سعيد،. ان النبي صلى الله عليه وسلم ابصر نخامة في قبلة المسجد فحكها بحصاة، ثم نهى ان يبزق الرجل بين يديه او عن يمينه، ولكن عن يساره او تحت قدمه اليسرى. وعن الزهري سمع حميدا عن ابي سعيد نحوه
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মসজিদে থুথু ফেলা গুনাহের কাজ, আর তার কাফফারাহ (প্রতিকার) হচ্ছে তা দাবিয়ে দেয়া (মুছে ফেলা)। (মুসলিম ৫/১৩, হাঃ ৫৫২, আহমাদ ১২৭৭৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، قال حدثنا شعبة، قال حدثنا قتادة، قال سمعت انس بن مالك، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " البزاق في المسجد خطيية، وكفارتها دفنها
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ালে সে তার সামনের দিকে থুথু ফেলবে না। কেননা সে যতক্ষণ তার মুসল্লায় থাকে, ততক্ষণ মহান আল্লাহর সাথে চুপে চুপে কথা বলে। আর ডান দিকেও ফেলবে না। তার ডান দিকে থাকেন ফেরেশতা। সে যেন তার বাম দিকে অথবা পায়ের নীচে থুথু ফেলে এবং পরে তা দাবিয়ে দেয়। (৪০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن نصر، قال حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، سمع ابا هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا قام احدكم الى الصلاة فلا يبصق امامه، فانما يناجي الله ما دام في مصلاه، ولا عن يمينه، فان عن يمينه ملكا، وليبصق عن يساره او تحت قدمه، فيدفنها
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হর দিকে (দেয়ালে) কফ দেখে তা নিজ হাতে মুছে ফেললেন আর তাঁর চেহারায় অসন্তোষ প্রকাশ পেল। বা সে কারণে তাঁর চেহারায় অসন্তোষ প্রকাশ পেলো এবং এর প্রতি তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ পেল। তিনি বললেনঃ যখন তোমাদের কেউ সালাতে দাঁড়ায়, তখন সে তার প্রতিপালকের সাথে চুপে চুপে কথা বলে। অথবা (বলেছেন) তখন তার প্রতিপালক, ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হ ও তার মাঝখানে থাকেন। কাজেই সে যেন ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হর দিকে থুথু না ফেলে, বরং (প্রয়োজনে) তার বাম দিকে বা পায়ের নীচে ফেলবে। অতঃপর তিনি চাদরের কোণ ধরে তাতে থুথু ফেলে এক অংশের উপর অপর অংশ ভাঁজ করে দিলেন এবং বললেনঃ অথবা এমন করবে। (২৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مالك بن اسماعيل، قال حدثنا زهير، قال حدثنا حميد، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم راى نخامة في القبلة فحكها بيده، وريي منه كراهية او ريي كراهيته لذلك وشدته عليه وقال " ان احدكم اذا قام في صلاته فانما يناجي ربه او ربه بينه وبين قبلته فلا يبزقن في قبلته، ولكن عن يساره او تحت قدمه ". ثم اخذ طرف ردايه فبزق فيه، ورد بعضه على بعض، قال " او يفعل هكذا
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কি মনে কর যে, আমার দৃষ্টি (কেবল) ক্বিবলা (কিবলা/কেবলা)হর দিকে? আল্লাহর কসম! আমার নিকট তোমাদের খূশু’ (বিনয়) ও রুকূ’ কিছুই গোপন থাকে না। অবশ্যই আমি আমার পেছন হতেও তোমাদের দেখতে পাই। (৭৪১; মুসলিম ৪/২৪, হাঃ ৪২৪, আহমাদ ৮০৩০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " هل ترون قبلتي ها هنا فوالله ما يخفى على خشوعكم ولا ركوعكم، اني لاراكم من وراء ظهري
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করলেন। অতঃপর তিনি মিম্বারে উঠলেন এবং ইরশাদ করলেনঃ তোমাদের সালাতে ও রুকূ‘তে আমি অবশ্যই তোমাদেরকে আমার পেছন হতে দেখে থাকি, যেমন এখন তোমাদেরকে দেখতে পাচ্ছি। (৭৪২, ৬৬৪৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن صالح، قال حدثنا فليح بن سليمان، عن هلال بن علي، عن انس بن مالك، قال صلى بنا النبي صلى الله عليه وسلم صلاة ثم رقي المنبر، فقال في الصلاة وفي الركوع " اني لاراكم من ورايي كما اراكم
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুদ্ধের জন্যে তৈরি ঘোড়াকে ‘হাফ্য়া’ (নামক স্থান) হতে ‘সানিয়াতুল ওয়াদা’ পর্যন্ত দৌড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর যে ঘোড়া যুদ্ধের জন্যে তৈরি নয়, সে ঘোড়াকে ‘সানিয়া’ হতে যুরাইক গোত্রের মাসজিদ পর্যন্ত দৌঁড় প্রতিযোগিতা করিয়েছিলেন। আর এই প্রতিযোগিতায় ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) অগ্রগামী ছিলেন। (২৮৬৮, ২৮৬৯, ২৮৭০, ৭৩৩৬; মুসলিম ৩৩/২৫, হাঃ ১৮৭০, আহমাদ ৪৪৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم سابق بين الخيل التي اضمرت من الحفياء، وامدها ثنية الوداع، وسابق بين الخيل التي لم تضمر من الثنية الى مسجد بني زريق، وان عبد الله بن عمر كان فيمن سابق بها
قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ الْقِنْوُ الْعِذْقُ وَالِاثْنَانِ قِنْوَانِ وَالْجَمَاعَةُ أَيْضًا قِنْوَانٌ مِثْلَ صِنْوٍ وَصِنْوَانٍ. আবূ ‘আবদুল্লাহ বুখারী (রহ.) বলেন, الْقِنْوُ একই জিনিসের নাম। এর দ্বিবচন الْعِذْقُ এবং বহুবচনেও قِنْوَانِ যেমন صِنْوٍ ও وَصِنْوَانٍ । ৪২১. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বাহরাইন হতে কিছু সম্পদ এলো। তিনি বললেনঃ এগুলো মসজিদে রেখে দাও। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এ যাবত যত সম্পদ আনা হয়েছে তার মধ্যে এ সম্পদই ছিল পরিমাণে সবচে’ বেশী। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে চলে গেলেন এবং এর দিকে দৃষ্টি দিলেন না। সালাত শেষ করে তিনি এসে সম্পদের নিকট গিয়ে বসলেন। তিনি যাকেই দেখলেন, কিছু সম্পদ দিয়ে দিলেন। ইতোমধ্যে ‘আব্বাস (রাযি.) এসে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাকেও কিছু দিন। কারণ আমি নিজের ও ‘আকীলের (এ দু’জন বদরের যুদ্ধে মুসলিমদের কয়েদী ছিলেন) পক্ষ হতে মুক্তিপণ দিয়েছি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ নিয়ে যান। তিনি তা কাপড়ে ভরে নিলেন। অতঃপর তা উঠাতে চেষ্টা করলেন, কিন্তু পারলেন না। তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! কাউকে বলুন, যেন আমাকে এটি উঠিয়ে দেয়। তিনি বললেন না। ‘আব্বাস (রাযি.) বললেনঃ তাহলে আপনি নিজেই তা তুলে দিন। তিনি বললেনঃ না। অতঃপর ‘আব্বাস (রাযি.) তা হতে কিছু সম্পদ রেখে দিলেন। অতঃপর পুনরায় তা তুলতে চেষ্টা করলেন। (এবারও তুলতে না পেরে) তিনি বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! কাউকে আদেশ করুন যেন আমাকে তুলে দেয়। তিনি বললেনঃ না। ‘আব্বাস (রাযি.) বললেনঃ তাহলে আপনিই আমাকে তুলে দিন। তিনি বললেনঃ না। অতঃপর ‘আব্বাস (রাযি.) আরো কিছু সম্পদ নামিয়ে রাখলেন। এবার তিনি উঠাতে পারলেন এবং তা নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে বেরিয়ে গেলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এই লোভ দেখে এতই বিস্মিত হয়েছিলেন যে, তিনি ‘আব্বাসের দিকে তাকিয়ে থাকলেন যতক্ষণ না তিনি চোখের আড়াল হলেন। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে একটি দিরহাম অবশিষ্ট থাকা পর্যন্ত উঠলেন না। (৩০৪৯, ৩১৬৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ পৃঃ ২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
وقال ابراهيم عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس رضى الله عنه قال اتي النبي صلى الله عليه وسلم بمال من البحرين فقال " انثروه في المسجد ". وكان اكثر مال اتي به رسول الله صلى الله عليه وسلم، فخرج رسول الله صلى الله عليه وسلم الى الصلاة، ولم يلتفت اليه، فلما قضى الصلاة جاء فجلس اليه، فما كان يرى احدا الا اعطاه، اذ جاءه العباس فقال يا رسول الله، اعطني فاني فاديت نفسي وفاديت عقيلا، فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " خذ ". فحثا في ثوبه، ثم ذهب يقله فلم يستطع فقال يا رسول الله، اومر بعضهم يرفعه الى. قال " لا ". قال فارفعه انت على. قال " لا ". فنثر منه، ثم ذهب يقله، فقال يا رسول الله، اومر بعضهم يرفعه على. قال " لا ". قال فارفعه انت على. قال " لا ". فنثر منه، ثم احتمله فالقاه على كاهله ثم انطلق، فما زال رسول الله صلى الله عليه وسلم يتبعه بصره حتى خفي علينا، عجبا من حرصه، فما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم وثم منها درهم
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে মসজিদে পেলাম আর তাঁর সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন সাহাবী। আমি দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি আমাকে বললেনঃ তোমাকে কি আবূ তালহা পাঠিয়েছেন? আমি বললামঃ জী হাঁ। তিনি বললেনঃ খাবার জন্য? আমি বললামঃ জী, হাঁ। তখন তাঁর আশেপাশে যাঁরা ছিলেন, তিনি তাঁদেরকে বললেনঃ উঠ। অতঃপর তিনি চলতে শুরু করলেন। (রাবী বলেন) আর আমি তাঁদের সামনে সামনে অগ্রসর হলাম। (৩৫৭৮, ৫৩৮১, ৫৪৫০, ৬৬৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن اسحاق بن عبد الله، سمع انسا، قال وجدت النبي صلى الله عليه وسلم في المسجد معه ناس فقمت، فقال لي " ارسلك ابو طلحة " قلت نعم. فقال " لطعام ". قلت نعم. فقال لمن حوله " قوموا ". فانطلق وانطلقت بين ايديهم
সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! কেউ তার স্ত্রীর সাথে অন্য ব্যক্তিকে দেখতে পেলে কি তাকে হত্যা করবে? পরে মসজিদে সে ও তার স্ত্রী একে অন্যকে ‘লি‘আন’ করল। তখন আমি তা প্রত্যক্ষ করলাম। (৪৭৪৫, ৪৭৪৬, ৫২৫৯, ৫৩০৮, ৫৩০৯, ৬৮৫৪, ৭১৬৫, ৭১৬৬, ৭৩০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى، قال اخبرنا عبد الرزاق، قال اخبرنا ابن جريج، قال اخبرني ابن شهاب، عن سهل بن سعد، ان رجلا، قال يا رسول الله، ارايت رجلا وجد مع امراته رجلا ايقتله فتلاعنا في المسجد وانا شاهد
‘ইতবান ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে এলেন এবং বললেনঃ তোমার ঘরের কোন্ জায়গায় আমার সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর? তিনি বলেনঃ তখন আমি তাঁকে একটি স্থানের দিকে ইঙ্গিত করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বললেন। আমরা তাঁর পেছনে কাতার করে দাঁড়ালাম। তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। (৪২৫ ৬৬৭, ৬৮৬, ৮৩৮, ৮৪০, ১১৮৬, ৪০০৯, ৪০১০, ৫৪০১, ৬৪২৩, ৬৯৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، قال حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابن شهاب، عن محمود بن الربيع، عن عتبان بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم اتاه في منزله فقال " اين تحب ان اصلي لك من بيتك ". قال فاشرت له الى مكان، فكبر النبي صلى الله عليه وسلم وصففنا خلفه، فصلى ركعتين
وَصَلَّى الْبَرَاءُ بْنُ عَازِبٍ فِي مَسْجِدِهِ فِي دَارِهِ جَمَاعَةً. বারা’ ইবনু ‘আযিব (রাযি.) নিজের বাড়ির মসজিদে জামা‘আত করে সালাত আদায় করেছিলেন। ৪২৫. মাহমূদ ইবনু রাবী‘ আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, ‘ইতবান ইবনু মালিক (রাযি.), যিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে বদরের যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী আনসারগণের অন্যতম, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট হাযির হয়ে আরয করলেন হে আল্লাহর রাসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি হ্রাস পেয়েছে। আমি আমার গোত্রের লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে আমার ও তাদের বাসস্থানের মধ্যবর্তী নিম্নভূমিতে পানি জমে যাওয়াতে তা পার হয়ে তাদের মসজিদে পৌঁছতে এবং তাদেরকে নিয়ে সালাত আদায় করতে সমর্থ হই না। আর হে আল্লাহর রাসূল! আমার একান্ত ইচ্ছা যে, আপনি আমার ঘরে এসে কোন এক স্থানে সালাত আদায় করেন এবং আমি সেই স্থানকে সালাতের জন্য নির্দিষ্ট করে নিই। রাবী বলেনঃ তাঁকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ইনশাআল্লাহ অচিরেই আমি তা করব। ‘ইতবান (রাযি.) বলেনঃ পরদিন সূর্যোদয়ের পর আল্লাহর রাসূল্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাযি.) আমার ঘরে তাশরীফ আনেন। আল্লাহর রাসূল্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে আমি তাঁকে অনুমতি দিলাম। ঘরে প্রবেশ করে তিনি না বসেই জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার ঘরের কোন্ স্থানে সালাত আদায় করা পছন্দ কর? তিনি বলেনঃ আমি তাঁকে ঘরের এক প্রান্তের দিকে ইঙ্গিত করলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন এবং তাকবীর বললেন। তখন আমরাও দাঁড়ালাম এবং কাতারবন্দী হলাম। তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সালাম ফিরালেন। তিনি (‘ইতবান) বলেনঃ আমরা তাঁকে কিছুক্ষণের জন্য বসালাম এবং তাঁর জন্য তৈরি ‘খাযীরাহ’* নামক খাবার তাঁর সামনে পেশ করলাম। রাবী বলেনঃ এ সময় মহল্লার কিছু লোক ঘরে ভীড় জমালেন। তখন উপস্থিত লোকদের মধ্য হতে এক ব্যক্তি বলে উঠলেন, ‘মালিক ইবনু দুখাইশিন’ কোথায়? অথবা বললেনঃ ‘ইবনু দুখশুন’ কোথায়? তখন তাঁদের একজন জওয়াব দিলেন, সে মুনাফিক। সে মহান আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলকে ভালবাসে না। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এরূপ বলো না। তুমি কি দেখছ না যে, সে আল্লাহর সন্তোষ লাভের জন্যে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’’ বলেছে? তখন সে ব্যক্তি বললেনঃ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। আমরা তো তার সম্পর্ক ও নাসীহাত কামনা মুনাফিকদের সাথেই দেখি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা তো এমন ব্যক্তির প্রতি জাহান্নাম হারাম করে দিয়েছেন, যে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলে। রাবী‘ ইব্ন শিহাব (রহ.) বলেনঃ অতঃপর আমি মাহমূদ ইব্ন রাবী‘ (রাযি.)-এর হাদীস সম্পর্কে হুসায়ন ইবনু মুহাম্মাদ আনসারী (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম, যিনি বানূ সালিম গোত্রের একজন নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি ছিলেন। তিনি এ হাদীস সমর্থন করলেন। (৪২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يَبْدَأُ بِرِجْلِهِ الْيُمْنَى فَإِذَا خَرَجَ بَدَأَ بِرِجْلِهِ الْيُسْرَى. ইবনু ‘উমার (রাযি.) প্রবেশের সময় প্রথম ডান পা দিয়ে শুরু করতেন এবং বের হবার সময় প্রথম বাঁ পা দিয়ে শুরু করতেন। ৪২৬. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের সমস্ত কাজে যথাসম্ভব ডানদিক হতে আরম্ভ করা পছন্দ করতেন। তাহারাত অর্জন, মাথা আঁচড়ানো এবং জুতা পরার সময়ও। (১৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا شعبة، عن الاشعث بن سليم، عن ابيه، عن مسروق، عن عايشة، قالت كان النبي صلى الله عليه وسلم يحب التيمن ما استطاع في شانه كله في طهوره وترجله وتنعله
لِقَوْلِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَعَنَ اللَّهُ الْيَهُودَ، اتَّخَذُوا قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ مَسَاجِدَ». وَمَا يُكْرَهُ مِنَ الصَّلاَةِ فِي الْقُبُورِ. وَرَأَى عُمَرُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ يُصَلِّي عِنْدَ قَبْرٍ فَقَالَ الْقَبْرَ الْقَبْرَ. وَلَمْ يَأْمُرْهُ بِالإِعَادَةِ. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইয়াহূদীদের উপর আল্লাহর অভিশাপ, তারা নবীগণের কবরকে মাসজিদ বানিয়েছে। আর কবরের উপর সালাত আদায় করা মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে ‘উমার ইব্নু খাত্তাব (রাযি.) আনাস ইব্নু মালিক (রাযি.)-কে একটি কবরের নিকট সালাত আদায় করতে দেখে বললেনঃ কবর! কবর! কিন্তু তিনি তাঁকে সালাত পুনরায় আদায় করতে বলেননি। ৪২৭. ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, উম্মু হাবীবাহ ও উম্মু সালামাহ (রাযি.) হাবশায় তাঁদের দেখা একটা গির্জার কথা বলেছিলেন, যাতে বেশ কিছু মূর্তি ছিল। তাঁরা উভয়ে বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বর্ণনা করলেন। তিনি ইরশাদ করলেনঃ তাদের অবস্থা ছিল এমন যে, কোন সৎ লোক মারা গেলে তারা তার কবরের উপর মাসজিদ বানাতো। আর তার ভিতরে ঐ লোকের মূর্তি তৈরি করে রাখতো। কিয়ামত দিবসে তারাই আল্লাহর নিকট সবচাইতে নিকৃষ্ট সৃষ্টজীব বলে পরিগণিত হবে। (৪৩৪, ১৩৪১, ৩৭৩; মুসলিম ৫/৩, হাঃ ৫২৮, আহমাদ ২৪৩০৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثنا يحيى، عن هشام، قال اخبرني ابي، عن عايشة، ان ام حبيبة، وام سلمة ذكرتا كنيسة راينها بالحبشة فيها تصاوير، فذكرتا للنبي صلى الله عليه وسلم فقال " ان اوليك اذا كان فيهم الرجل الصالح فمات بنوا على قبره مسجدا، وصوروا فيه تلك الصور، فاوليك شرار الخلق عند الله يوم القيامة
حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني الليث، قال حدثني عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني محمود بن الربيع الانصاري، ان عتبان بن مالك وهو من اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا من الانصار انه اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله، قد انكرت بصري، وانا اصلي لقومي، فاذا كانت الامطار سال الوادي الذي بيني وبينهم، لم استطع ان اتي مسجدهم فاصلي بهم، ووددت يا رسول الله انك تاتيني فتصلي في بيتي، فاتخذه مصلى. قال فقال له رسول الله صلى الله عليه وسلم " سافعل ان شاء الله ". قال عتبان فغدا رسول الله صلى الله عليه وسلم وابو بكر حين ارتفع النهار، فاستاذن رسول الله صلى الله عليه وسلم فاذنت له، فلم يجلس حتى دخل البيت ثم قال " اين تحب ان اصلي من بيتك ". قال فاشرت له الى ناحية من البيت، فقام رسول الله صلى الله عليه وسلم فكبر، فقمنا فصفنا، فصلى ركعتين ثم سلم، قال وحبسناه على خزيرة صنعناها له. قال فثاب في البيت رجال من اهل الدار ذوو عدد فاجتمعوا، فقال قايل منهم اين مالك بن الدخيشن او ابن الدخشن فقال بعضهم ذلك منافق لا يحب الله ورسوله. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تقل ذلك، الا تراه قد قال لا اله الا الله. يريد بذلك وجه الله ". قال الله ورسوله اعلم. قال فانا نرى وجهه ونصيحته الى المنافقين. قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فان الله قد حرم على النار من قال لا اله الا الله. يبتغي بذلك وجه الله ". قال ابن شهاب ثم سالت الحصين بن محمد الانصاري وهو احد بني سالم وهو من سراتهم عن حديث محمود بن الربيع، فصدقه بذلك