Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৭২ হাদিসসমূহ
وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ حَدَّثَنِي أَبُو سُفْيَانَ فِي حَدِيثِ هِرَقْلَ فَقَالَ يَأْمُرُنَا يَعْنِي النَّبِيَّ ﷺ بِالصَّلاَةِ وَالصِّدْقِ وَالْعَفَافِ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেনঃ আমার নিকট আবূ সুফ্ইয়ান ইবনু হারব (রাযি.) হিরাকল-এর হাদীসে বর্ণনা করেছেন। তাতে তিনি এ কথা বলেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সালাত, সত্যবাদিতা ও চারিত্রিক পবিত্রতার নির্দেশ দিয়েছেন। ৩৪৯. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবূ যার (রাযি.) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ আমি মক্কায় থাকা অবস্থায় আমার গৃহের ছাদ উন্মুক্ত করা হ’ল। অতঃপর জিবরীল (‘আঃ) অবতীর্ণ হয়ে আমার বক্ষ বিদীর্ণ করলেন। আর তা যমযমের পানি দ্বারা ধৌত করলেন। অতঃপর হিকমাত ও ঈমানে ভর্তি একটি সোনার পাত্র নিয়ে আসলেন এবং তা আমার বুকের মধ্যে ঢেলে দিয়ে বন্ধ করে দিলেন। অতঃপর হাত ধরে আমাকে দুনিয়ার আকাশের দিকে নিয়ে চললেন। পরে যখন দুনিয়ার আকাশে আসলাম জিব্রীল (‘আ.) আসমানের রক্ষককে বললেনঃ দরজা খোল। আসমানের রক্ষক বললেনঃ কে আপনি? জিবরীল (‘আ.) বললেনঃ আমি জিব্রীল (‘আ.)। (আকাশের রক্ষক) বললেনঃ আপনার সঙ্গে কেউ রয়েছেন কি? জিব্রীল বললেনঃ হাঁ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রয়েছেন। অতঃপর রক্ষক বললেনঃ তাকে কি ডাকা হয়েছে? জিবরীল বললেনঃ হাঁ। অতঃপর যখন আমাদের জন্য দুনিয়ার আসমানকে খুলে দেয়া হল আর আমরা দুনিয়ার আসমানে প্রবেশ করলাম তখন দেখি সেখানে এমন এক ব্যক্তি উপবিষ্ট রয়েছেন যার ডান পাশে অনেকগুলো মানুষের আকৃতি রয়েছে আর বাম পাশে রয়েছে অনেকগুলো মানুষের আকৃতি। যখন তিনি ডান দিকে তাকাচ্ছেন হেসে উঠছেন আর যখন বাম দিকে তাকাচ্ছেন কাঁদছেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ স্বাগতম ওহে সৎ নবী ও সৎ সন্তান। আমি (রাসূলুল্লাহ) জিব্রীল (‘আ.)-কে বললামঃ কে এই ব্যক্তি? তিনি জবাব দিলেনঃ ইনি হচ্ছেন আদম (‘আ.)। আর তার ডানে বামে রয়েছে তাঁর সন্তানদের রূহ। তাদের মধ্যে ডান দিকের লোকেরা জান্নাতী আর বাম দিকের লোকেরা জাহান্নামী। ফলে তিনি যখন ডান দিকে তাকান তখন হাসেন আর যখন বাম দিকে তাকান তখন কাঁদেন। অতঃপর জিব্রীল (‘আ.) আমাকে নিয়ে দ্বিতীয় আসমানে উঠলেন। অতঃপর তার রক্ষককে বললেনঃ দরজা খোল। তখন এর রক্ষক প্রথম রক্ষকের মতই প্রশ্ন করলেন। পরে দরজা খুলে দেয়া হল। আনাস (রাযি.) বলেনঃ আবূ যার (রাযি.) উল্লেখ করেন যে, তিনি [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ] আসমানসমূহে আদম, ইদরীস, মূসা, ‘ঈসা এবং ইব্রাহীম (‘আলাইহিমুস্ সালাম)-কে পান। কিন্তু আবূ যার (রাযি.) তাদের স্থানসমূহ নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করেননি। তবে এতটুকু উল্লেখ করেছেন যে, তিনি আদম (‘আ.)-কে দুনিয়ার আকাশে এবং ইব্রাহীম (‘আ.)-কে ষষ্ঠ আসমানে পান। আনাস (রাযি.) বলেনঃ জিব্রীল (‘আ.) যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নিয়ে ইদরীস (‘আ.)এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করেন তখন ইদ্রীস (‘আ.) বলেনঃ মারহাবা ওহে সৎ ভাই ও পুণ্যবান নবী। আমি (রাসূলুল্লাহ) বললামঃ ইনি কে? জিবরীল বললেনঃ ইনি হচ্ছেন ইদ্রীস (‘আ.)। অতঃপর আমি মূসা (‘আ.)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করাকালে তিনি বলেনঃ মারহাবা হে সৎ নবী ও পুণ্যবান ভাই। আমি বললামঃ ইনি কে? জিবরীল বললেনঃ ইনি মূসা (‘আ.)। অতঃপর আমি ‘ঈসা (‘আ.)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করাকালে তিনি বলেনঃ মারহাবা হে সৎ নবী ও পুণ্যবান ভাই। আমি বললামঃ ইনি কে? জিবরীল (‘আ.) বললেনঃ ইনি হচ্ছেন ‘ঈসা (‘আ.)। অতঃপর আমি ইব্রাহীম (‘আ.)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করলে তিনি বলেনঃ মারহাবা হে পুণ্যবান নবী ও নেক সন্তান। আমি বললামঃ ইনি কে? জিবরীল (‘আ.) বললেনঃ ইনি হচ্ছেন ইব্রাহীম (‘আ.)। ইবনু শিহাব বলেনঃ ইবনু হাযম (রহ.) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, ইবনু ‘আব্বাস ও আবূ হাববা আল-আনসারী উভয়ে বলতেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অতঃপর আমাকে আরো উপরে উঠানো হল অতঃপর এমন এক সমতল স্থানে এসে আমি উপনীত হই যেখানে আমি লেখার শব্দ শুনতে পাই। ইবনু হায্ম ও আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অতঃপর আল্লাহ আমার উম্মাতের উপর পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করে দেন। অতঃপর তা নিয়ে আমি ফিরে আসি। অবশেষে যখন মূসা (‘আ.)-এর নিকট দিয়ে অতিক্রম করি তখন তিনি বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা আপনার উম্মাতের উপর কী ফরজ করেছেন? আমি বললামঃ পঞ্চাশ ওয়াক্ত সালাত ফরজ করেছেন। তিনি বললেনঃ আপনি আপনার পালনকর্তার নিকট ফিরে যান, কেননা আপনার উম্মাত তা আদায় করতে পারবে না। আমি ফিরে গেলাম। আল্লাহ তা‘আলা কিছু অংশ কমিয়ে দিলেন। আমি মূসা (‘আ)-এর নিকট পুনরায় গেলাম আর বললামঃ কিছু অংশ কমিয়ে দিয়েছেন। তিনি বললেনঃ আপনি পুনরায় আপনার রবের নিকট ফিরে যান। কারণ আপনার উম্মাত এটিও আদায় করতে পারবে না। আমি ফিরে গেলাম। তখন আরো কিছু অংশ কমিয়ে দেয়া হলো। আবারও মূসা (‘আ)-এর নিকট গেলাম, এবারও তিনি বললেনঃ আপনি পুনরায় আপনার প্রতিপালকের নিকট যান। কারণ আপনার উম্মত এটিও আদায় করতে সক্ষম হবে না। তখন আমি পুনরায় গেলাম, তখন আল্লাহ বললেনঃ এই পাঁচই (নেকির দিক দিয়ে) পঞ্চাশ (বলে গণ্য হবে)। আমার কথার কোন রদবদল হয় না। আমি পুনরায় মূসা (‘আ)-এর নিকট আসলে তিনি আমাকে আবারও বললেনঃ আপনার প্রতিপালকের নিকট পুনরায় যান। আমি বললামঃ পুনরায় আমার প্রতিপালকের নিকট যেতে আমি লজ্জাবোধ করছি। অতঃপর জিব্রীল (‘আ) আমাকে সিদরাতুল মুনতাহা* পর্যন্ত নিয়ে গেলেন। আর তখন তা বিভিন্ন রঙে আবৃত ছিল, যার তাৎপর্য আমি অবগত ছিলাম না। অতঃপর আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হলে আমি দেখতে পেলাম যে, তাতে রয়েছে মুক্তোমালা আর তার মাটি হচ্ছে কস্তুরী। (১৬৩৬, ৩৩৪২; মুসলিম ১/৭৪, হাঃ ১৬৩, আহমাদ ২১১৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن يونس، عن ابن شهاب، عن انس بن مالك، قال كان ابو ذر يحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " فرج عن سقف بيتي وانا بمكة، فنزل جبريل ففرج صدري، ثم غسله بماء زمزم، ثم جاء بطست من ذهب ممتلي حكمة وايمانا، فافرغه في صدري ثم اطبقه، ثم اخذ بيدي فعرج بي الى السماء الدنيا، فلما جيت الى السماء الدنيا قال جبريل لخازن السماء افتح. قال من هذا قال هذا جبريل. قال هل معك احد قال نعم معي محمد صلى الله عليه وسلم. فقال ارسل اليه قال نعم. فلما فتح علونا السماء الدنيا، فاذا رجل قاعد على يمينه اسودة وعلى يساره اسودة، اذا نظر قبل يمينه ضحك، واذا نظر قبل يساره بكى، فقال مرحبا بالنبي الصالح والابن الصالح. قلت لجبريل من هذا قال هذا ادم. وهذه الاسودة عن يمينه وشماله نسم بنيه، فاهل اليمين منهم اهل الجنة، والاسودة التي عن شماله اهل النار، فاذا نظر عن يمينه ضحك، واذا نظر قبل شماله بكى، حتى عرج بي الى السماء الثانية فقال لخازنها افتح. فقال له خازنها مثل ما قال الاول ففتح ". قال انس فذكر انه وجد في السموات ادم وادريس وموسى وعيسى وابراهيم صلوات الله عليهم ولم يثبت كيف منازلهم، غير انه ذكر انه وجد ادم في السماء الدنيا، وابراهيم في السماء السادسة. قال انس فلما مر جبريل بالنبي صلى الله عليه وسلم بادريس قال مرحبا بالنبي الصالح والاخ الصالح. فقلت من هذا قال هذا ادريس. ثم مررت بموسى فقال مرحبا بالنبي الصالح والاخ الصالح. قلت من هذا قال هذا موسى. ثم مررت بعيسى فقال مرحبا بالاخ الصالح والنبي الصالح. قلت من هذا قال هذا عيسى. ثم مررت بابراهيم فقال مرحبا بالنبي الصالح والابن الصالح. قلت من هذا قال هذا ابراهيم صلى الله عليه وسلم ". قال ابن شهاب فاخبرني ابن حزم ان ابن عباس وابا حبة الانصاري كانا يقولان قال النبي صلى الله عليه وسلم " ثم عرج بي حتى ظهرت لمستوى اسمع فيه صريف الاقلام ". قال ابن حزم وانس بن مالك قال النبي صلى الله عليه وسلم " ففرض الله على امتي خمسين صلاة، فرجعت بذلك حتى مررت على موسى فقال ما فرض الله لك على امتك قلت فرض خمسين صلاة. قال فارجع الى ربك، فان امتك لا تطيق ذلك. فراجعت فوضع شطرها، فرجعت الى موسى قلت وضع شطرها. فقال راجع ربك، فان امتك لا تطيق، فراجعت فوضع شطرها، فرجعت اليه فقال ارجع الى ربك، فان امتك لا تطيق ذلك، فراجعته. فقال هي خمس وهى خمسون، لا يبدل القول لدى. فرجعت الى موسى فقال راجع ربك. فقلت استحييت من ربي. ثم انطلق بي حتى انتهى بي الى سدرة المنتهى، وغشيها الوان لا ادري ما هي، ثم ادخلت الجنة، فاذا فيها حبايل اللولو، واذا ترابها المسك
উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা মুকীম অবস্থায় ও সফরে দু’ রাক‘আত করে সালাত ফরজ করেছিলেন। পরে সফরের সালাত আগের মত রাখা হয় আর মুকীম অবস্থার সালাত বাড়িয়ে দেয়া হয়। (১০৯০, ৩৯৩৫; মুসলিম ৬/১, হাঃ ৬৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن صالح بن كيسان، عن عروة بن الزبير، عن عايشة ام المومنين، قالت " فرض الله الصلاة حين فرضها ركعتين ركعتين في الحضر والسفر، فاقرت صلاة السفر، وزيد في صلاة الحضر
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (خُذُوا زِينَتَكُمْ عِنْدَ كُلِّ مَسْجِدٍ). وَمَنْ صَلَّى مُلْتَحِفًا فِي ثَوْبٍ وَاحِدٍ، আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা প্রত্যেক সালাতের সময় সুন্দর পরিচ্ছদ পরিধান করবে’’- (সূরাহ্ আরাফ ৭/৩১)। এবং এক বস্ত্র শরীরে জড়িয়ে সালাত আদায়কারী প্রসঙ্গ। وَيُذْكَرُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «يَزُرُّهُ وَلَوْ بِشَوْكَةٍ». فِي إِسْنَادِهِ نَظَرٌ، وَمَنْ صَلَّى فِي الثَّوْبِ الَّذِي يُجَامِعُ فِيهِ مَا لَمْ يَرَ أَذًى، وَأَمَرَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَنْ لاَ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ عُرْيَانٌ. সালামাহ ইবনুল আকওয়া‘ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা জামায় বোতাম লাগিয়ে নাও এমন কি কাঁটা দিয়ে হলেও। এই হাদীসের সনদ সম্পর্কে কথা আছে। যে কাপড় পরে স্ত্রী সহবাস করা হয়েছে তাতে কোন অপবিত্রতা দেখা না গেলে তা পরিধান করে সালাত আদায় করা যায়। আর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন যে, উলঙ্গ অবস্থায় যেন কেউ বায়তুল্লাহর তাওয়াফ না করে। ৩৫১. উম্মু ‘আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে রিওয়ায়াত হয়েছে , তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদের দিবসে ঋতুমতী এবং পর্দানশীন নারীদের বের করে আনার আদেশ দিলেন, যাতে তারা মুসলিমদের জামা‘আত ও দু‘আয় অংশ গ্রহণ করতে পারে। অবশ্য ঋতুমতী নারীগণ সালাতের জায়গা হতে দূরে অবস্থান করবে। এক মহিলা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের কারো কারো ওড়না নেই। তিনি বললেনঃ তার সাথীর উচিত তাকে নিজের ওড়না পরিয়ে দেয়া। (আধুনিক প্রকাশনীঃ৩৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৪৪) ‘আবদুল্লাহ ইবনু রাজা’ (রহ.) সূত্রে উম্মু ‘আতিয়্যাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এরূপ বলতে শুনেছি।
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال حدثنا يزيد بن ابراهيم، عن محمد، عن ام عطية، قالت امرنا ان نخرج، الحيض يوم العيدين وذوات الخدور، فيشهدن جماعة المسلمين ودعوتهم، ويعتزل الحيض عن مصلاهن. قالت امراة يا رسول الله، احدانا ليس لها جلباب. قال " لتلبسها صاحبتها من جلبابها ". وقال عبد الله بن رجاء حدثنا عمران، حدثنا محمد بن سيرين، حدثتنا ام عطية، سمعت النبي صلى الله عليه وسلم بهذا
وَقَالَ أَبُو حَازِمٍ عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ صَلَّوْا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم عَاقِدِي أُزْرِهِمْ عَلَى عَوَاتِقِهِمْ. আবূ হাযিম (রহ.) সাহল ইবনু সা‘দ (রাযি.) হতে বর্ণনা করেন যে, সহাবায়ে কিরাম নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে তহবন্দ কাঁধে বেঁধে সালাত আদায় করেছিলেন। ৩৫২. মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহ.) হতে রিওয়ায়াত হয়েছে, তিনি বলেনঃ একদা জাবির (রাযি.) কাঁধে লুঙ্গি বেঁধে সালাত আদায় করেন। আর তাঁর কাপড় (জামা) আলনায় রাখা ছিল। তখন তাঁকে এক ব্যক্তি বললোঃ আপনি যে এক লুঙ্গি পরে সালাত আদায় করলেন? তিনি জবাবে বললেনঃ তোমার মত আহাম্মকদের দেখানোর জন্য আমি এমন করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে আমাদের কার দু’টো কাপড় ছিল? (৩৫৩, ৩৬১, ৩৭০ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ৩৩৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، قال حدثنا عاصم بن محمد، قال حدثني واقد بن محمد، عن محمد بن المنكدر، قال صلى جابر في ازار قد عقده من قبل قفاه، وثيابه موضوعة على المشجب قال له قايل تصلي في ازار واحد فقال انما صنعت ذلك ليراني احمق مثلك، واينا كان له ثوبان على عهد النبي صلى الله عليه وسلم
মুহাম্মাদ ইবনুল মুনকাদির (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি.)-কে এক কাপড়ে সালাত আদায় করতে দেখেছি। আর তিনি বলেছেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এক কাপড়ে সালাত আদায় করতে দেখেছি। (৩৫২; মুসলিম, ৪/৫২, হাঃ ৫১৮, আহমাদ ১৫১৩৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ৩৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مطرف ابو مصعب، قال حدثنا عبد الرحمن بن ابي الموالي، عن محمد بن المنكدر، قال رايت جابر بن عبد الله يصلي في ثوب واحد وقال رايت النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في ثوب
قَالَ الزُّهْرِيُّ فِي حَدِيثِهِ الْمُلْتَحِفُ الْمُتَوَشِّحُ وَهُوَ الْمُخَالِفُ بَيْنَ طَرَفَيْهِ عَلَى عَاتِقَيْهِ وَهُوَ الِاشْتِمَالُ عَلَى مَنْكِبَيْهِ قَالَ قَالَتْ أُمُّ هَانِئٍ الْتَحَفَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِثَوْبٍ وَخَالَفَ بَيْنَ طَرَفَيْهِ عَلَى عَاتِقَيْهِ. যুহরী (রহ.) তাঁর হাদীসে বর্ণনা করেছেন যে, الْمُلْتَحِفُ -এর অর্থ الْمُتَوَشِّحُ অর্থাৎ ঐ ব্যক্তি যে চাদরের উভয় অংশ বিপরীত কাঁধে রাখে। এভাবে উভয় কাঁধের উপর চাদর রাখাকে ইশতিমাল বলে। উম্মু হানী (রাযি.) বলেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি মাত্র চাদর গায়ে দিলেন এবং তিনি চাদরের উভয় প্রান্ত বিপরীত কাঁধে রাখলেন। ৩৫৪. ‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করেছেন, যার উভয় প্রান্ত বিপরীত দিকে রেখেছিলেন। (৩৫৫, ৩৫৬; মুসলিম ৪/৫২, হাঃ ৫১৭, আহমাদ ২৭৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد الله بن موسى، قال حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عمر بن ابي سلمة، ان النبي صلى الله عليه وسلم صلى في ثوب واحد قد خالف بين طرفيه
‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর ঘরে একটি মাত্র কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করতে দেখেছেন। তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ] সে কাপড়ের উভয় প্রান্ত নিজের উভয় কাঁধে রেখেছিলেন। (৩৫৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثنا يحيى، قال حدثنا هشام، قال حدثني ابي، عن عمر بن ابي سلمة، انه راى النبي صلى الله عليه وسلم يصلي في ثوب واحد في بيت ام سلمة، قد القى طرفيه على عاتقيه
‘উমার ইবনু আবূ সালামাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে একটি মাত্র পোষাক জড়িয়ে উম্মু সালামাহ (রাযি.)-এর ঘরে সালাত আদায় করতে দেখেছি, যার প্রান্তদ্বয় তাঁর দুই কাঁধের উপর রেখেছিলেন। (৩৫৪; মুসলিম ৪/৫২, হাঃ ৫১৭, আহমাদ ১৬৩৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد بن اسماعيل، قال حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، ان عمر بن ابي سلمة، اخبره قال رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي في ثوب واحد مشتملا به في بيت ام سلمة، واضعا طرفيه على عاتقيه
উম্মু হানী বিনতু আবূ তালিব (রাযি.) বলেনঃ আমি ফত্হে মক্কার বছর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট গিয়ে দেখলাম যে, তিনি গোসল করছেন আর তাঁর মেয়ে ফাতিমাহ (রাযি.) তাঁকে আড়াল করে রেখেছেন। তিনি বলেনঃ আমি তাঁকে সালাম প্রদান করলাম। তিনি জানতে চাইলেনঃ এ কে? আমি বললামঃ আমি উম্মু হানী বিনতু আবূ তালিব। তিনি বললেনঃ মারহাবা, হে উম্মু হানী! গোসল শেষ করে তিনি এক কাপড় জড়িয়ে আট রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। সালাত সমাধা করলে তাঁকে আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার সহোদর ভাই [‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযি.)] এক ব্যক্তিকে হত্যা করতে চায়, অথচ আমি তাকে আশ্রয় দিয়েছি। সে ব্যক্তিটি হুবায়রার ছেলে অমুক। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে উম্মু হানী! তুমি যাকে নিরাপত্তা দিয়েছ, আমিও তাকে নিরাপত্তা দিলাম। উম্মু হানী (রাযি.) বলেনঃ এ সময় ছিল চাশতের ওয়াক্ত। (২৮০; মুসলিম ৩/১৬, হাঃ ৩৩৬, আহমাদ ২৬৯৭৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن ابي اويس، قال حدثني مالك بن انس، عن ابي النضر، مولى عمر بن عبيد الله ان ابا مرة، مولى ام هاني بنت ابي طالب اخبره انه، سمع ام هاني بنت ابي طالب، تقول ذهبت الى رسول الله صلى الله عليه وسلم عام الفتح، فوجدته يغتسل، وفاطمة ابنته تستره قالت فسلمت عليه فقال " من هذه ". فقلت انا ام هاني بنت ابي طالب. فقال " مرحبا بام هاني ". فلما فرغ من غسله، قام فصلى ثماني ركعات، ملتحفا في ثوب واحد، فلما انصرف قلت يا رسول الله، زعم ابن امي انه قاتل رجلا قد اجرته فلان بن هبيرة. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قد اجرنا من اجرت يا ام هاني ". قالت ام هاني وذاك ضحى
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে একটি কাপড়ে সালাত আদায়ের মাসআলাহ জিজ্ঞেস করল। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের কি দু’টি করে কাপড় আছে? (৩৬৫; মুসলিম ৪/৫২, হাঃ ৫১৫, আহমাদ ৭১৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، ان سايلا، سال رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصلاة في ثوب واحد فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اولكلكم ثوبان
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ এক কাপড় পরে এমনভাবে যেন সালাত আদায় না করে যে, তার উভয় কাঁধে এর কোন অংশ নেই। (৩৬০; মুসলিম ৪/৫২, হাঃ ৫১৬, আহমাদ ৭৩১১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم، عن مالك، عن ابي الزناد، عن عبد الرحمن الاعرج، عن ابي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا يصلي احدكم في الثوب الواحد، ليس على عاتقيه شىء
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি এক কাপড়ে সালাত আদায় করে, সে যেন কাপড়ের দু’ প্রান্ত বিপরীত পাশে রাখে। (৩৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا شيبان، عن يحيى بن ابي كثير، عن عكرمة، قال سمعته او، كنت سالته قال سمعت ابا هريرة، يقول اشهد اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " من صلى في ثوب واحد، فليخالف بين طرفيه
সা‘ঈদ ইবনু হারিস (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি.)-কে একটি কাপড়ে সালাত আদায় করা সম্পর্কে প্রশ্ন করেছিলাম। তিনি বললেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে কোন এক সফরে বের হয়েছিলাম। এক রাতে আমি কোন দরকারে তাঁর নিকট গেলাম। দেখলাম, তিনি সালাতে রত আছেন। তখন আমার শরীরে মাত্র একখানা কাপড় ছিল। আমি কাপড় দিয়ে শরীর জড়িয়ে নিলাম আর তাঁর পার্শ্বে সালাতে দাঁড়ালাম। তিনি সালাত শেষ করে জিজ্ঞেস করলেনঃ জাবির! রাতের বেলা আসার কারণ কী? তখন আমি তাঁকে আমার প্রয়োজনের কথা জানালাম। আমার কাজ শেষ হলে তিনি বললেনঃ এ কিরূপ জড়ানো অবস্থায় তোমাকে দেখলাম? আমি বললামঃ কাপড় একটিই ছিল (তাই এভাবে করেছি)। তিনি বললেনঃ কাপড় যদি বড় হয়, তাহলে শরীরে জড়িয়ে পরবে। আর যদি ছোট হয় তাহলে লুঙ্গি হিসেবে ব্যবহার করবে। (৩৫২; মুসলিম ৫৩/১৮, হাঃ ৩০১০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن صالح، قال حدثنا فليح بن سليمان، عن سعيد بن الحارث، قال سالنا جابر بن عبد الله عن الصلاة، في الثوب الواحد فقال خرجت مع النبي صلى الله عليه وسلم في بعض اسفاره، فجيت ليلة لبعض امري، فوجدته يصلي وعلى ثوب واحد، فاشتملت به وصليت الى جانبه، فلما انصرف قال " ما السرى يا جابر ". فاخبرته بحاجتي، فلما فرغت قال " ما هذا الاشتمال الذي رايت ". قلت كان ثوب. يعني ضاق. قال " فان كان واسعا فالتحف به، وان كان ضيقا فاتزر به
সাহল (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লোকেরা শিশুদের মত নিজেদের লুঙ্গি কাঁধে বেঁধে সালাত আদায় করতেন। আর মহিলাদের প্রতি নির্দেশ ছিল যে, তারা যেন পুরুষদের ঠিকমত বসে যাওয়ার পূর্বে সিজদা হতে মাথা না উঠায়। (৮১৪, ১২১৫; মুসলিম ৪/২৯, হাঃ৪৪১, আহমাদ ১৫৫৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ৩৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني ابو حازم، عن سهل، قال كان رجال يصلون مع النبي صلى الله عليه وسلم عاقدي ازرهم على اعناقهم كهيية الصبيان، وقال للنساء لا ترفعن رءوسكن حتى يستوي الرجال جلوسا
وَقَالَ الْحَسَنُ فِي الثِّيَابِ يَنْسُجُهَا الْمَجُوسِيُّ لَمْ يَرَ بِهَا بَأْسًا وَقَالَ مَعْمَرٌ رَأَيْتُ الزُّهْرِيَّ يَلْبَسُ مِنْ ثِيَابِ الْيَمَنِ مَا صُبِغَ بِالْبَوْلِ وَصَلَّى عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ فِي ثَوْبٍ غَيْرِ مَقْصُورٍ. হাসান (রহ.) বলেনঃ মাজূসী (অগ্নিপূজক)-দের বানানো পোষাকে সালাত আদায় করায় কোন অসুবিধা নেই। আর মা‘মার (রহ.) বলেনঃ আমি যুহরী (রহ.)-কে ইয়ামান দেশীয় তৈরি কাপড়ে সালাত আদায় করতে দেখেছি, যা পেশাবের দ্বারা রঞ্জিত ছিল। ‘আলী (রাযি.) আধোয়া নতুন কাপড়ে সালাত আদায় করেছেন। ৩৬৩. মুগীরাহ ইবনু শু‘বা (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি কোন এক সফরে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে ছিলাম। তিনি বললেনঃ হে মুগীরাহ! বদনাটি নাও। আমি তা নিলাম। তিনি আমার দৃষ্টির অগোচরে গিয়ে প্রয়োজন সারলেন। তখন তাঁর শরীরে ছিল শামী জুববা। তিনি জুববার আস্তিন হতে হাত বের করতে চাইলেন। কিন্তু আস্তিন সংকীর্ণ হবার ফলে তিনি নীচের দিক দিয়ে হাত বের করলেন। আমি পানি ঢেলে দিলাম এবং তিনি সালাতের উযূর ন্যায় উযূ করলেন। আর তাঁর উভয় মোজার উপর মাস্হ করলেন ও পরে সালাত আদায় করলেন। (১৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى، قال حدثنا ابو معاوية، عن الاعمش، عن مسلم، عن مسروق، عن مغيرة بن شعبة، قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر فقال " يا مغيرة، خذ الاداوة ". فاخذتها فانطلق رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى توارى عني فقضى حاجته، وعليه جبة شامية، فذهب ليخرج يده من كمها فضاقت، فاخرج يده من اسفلها، فصببت عليه فتوضا وضوءه للصلاة، ومسح على خفيه، ثم صلى
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নবুওয়াতের পূর্বে) কুরাইশদের সাথে কা‘বার (মেরামতের) জন্যে পাথর তুলে দিচ্ছিলেন। তাঁর পরিধানে ছিল লুঙ্গি। তাঁর চাচা ‘আব্বাস (রাযি.) তাঁকে বললেনঃ ভাতিজা! তুমি লুঙ্গি খুলে কাঁধে পাথরের নীচে রাখলে ভাল হ’ত। জাবির (রাযি.) বলেনঃ তিনি লুঙ্গি খুলে কাঁধে রাখলেন এবং তৎক্ষণাৎ বেহুঁশ হয়ে পড়লেন। এরপর তাঁকে আর কখনো নগ্ন অবস্থায় দেখা যায়নি। (১৫৮২, ৩৮২৯; মুসলিম ৩/১৯, হাঃ ৩৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مطر بن الفضل، قال حدثنا روح، قال حدثنا زكرياء بن اسحاق، حدثنا عمرو بن دينار، قال سمعت جابر بن عبد الله، يحدث ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان ينقل معهم الحجارة للكعبة وعليه ازاره. فقال له العباس عمه يا ابن اخي، لو حللت ازارك فجعلت على منكبيك دون الحجارة. قال فحله فجعله على منكبيه، فسقط مغشيا عليه، فما ريي بعد ذلك عريانا صلى الله عليه وسلم
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট দাঁড়িয়ে এক কাপড়ে সালাত আদায়ের হুকুম জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেনঃ তোমাদের প্রত্যেকের নিকট কি দু’খানা করে কাপড় আছে? অতঃপর এক ব্যক্তি ‘উমার (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করল। তিনি বললেনঃ আল্লাহ যখন তোমাদের সামর্থ্য দিয়েছেন তখন তোমরাও নিজেদের সামর্থ্য প্রকাশ কর। লোকেরা যেন পুরো পোশাক একত্রে পরিধান করে অর্থাৎ মানুষ লুঙ্গি ও চাদর, লুঙ্গি ও জামা, লুঙ্গি ও কাবা*, পায়জামা ও চাদর, পায়জামা ও জামা, পায়জামা ও কাবা, জাঙ্গিয়া ও কাবা, জাঙ্গিয়া ও জামা পরে সালাত আদায় করে। আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) বলেন যে, আমার মনে হয় ‘উমার (রাযি.) জাঙ্গিয়া ও চাদরের কথাও বলেছিলেন। (৩৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن محمد، عن ابي هريرة، قال قام رجل الى النبي صلى الله عليه وسلم فساله عن الصلاة في الثوب الواحد فقال " اوكلكم يجد ثوبين ". ثم سال رجل عمر فقال اذا وسع الله فاوسعوا، جمع رجل عليه ثيابه، صلى رجل في ازار ورداء، في ازار وقميص، في ازار وقباء، في سراويل ورداء، في سراويل وقميص، في سراويل وقباء، في تبان وقباء، في تبان وقميص قال واحسبه قال في تبان ورداء
ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ এক ব্যক্তি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে জিজ্ঞেস করলো, ইহরামকারী কী পরিধান করবে? তিনি বললেন, সে জামা পরবে না, পায়জামা পরবে না, টুপি পরবে না, যাফরান বা ওয়ার্স রঙের রঞ্জিত কাপড় পরবে না। আর জুতা না পেলে মোজা পরবে। তবে তা কর্তন করে পায়ের গিরার নীচ পর্যন্ত নেবে। নাফি‘ (রহ.), ইবনু ‘উমার (রাযি.)-সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (১৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عاصم بن علي، قال حدثنا ابن ابي ذيب، عن الزهري، عن سالم، عن ابن عمر، قال سال رجل رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ما يلبس المحرم فقال " لا يلبس القميص ولا السراويل ولا البرنس ولا ثوبا مسه الزعفران ولا ورس، فمن لم يجد النعلين فليلبس الخفين وليقطعهما حتى يكونا اسفل من الكعبين ". وعن نافع عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم مثله
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে রিওয়ায়াত হয়েছে, তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইশতিমালে সম্মা (১) এবং এক কাপড়ে ইয়াহতিবা (২) করতে নিষেধ করেছেন যাতে তার লজ্জাস্থানে কাপড়ের কোন অংশ না থাকে। (১৯৯১, ২১৪৪, ২১৪৭, ৫৮২০, ৫৮২২, ৬২৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا ليث، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابي سعيد الخدري، انه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن اشتمال الصماء وان يحتبي الرجل في ثوب واحد، ليس على فرجه منه شىء
আবূ হুরাইরাহ্ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ধরনের ক্রয়-বিক্রয় নিষেধ করেছেন। তা হল লিমাস (৩) ও নিবায (৪) আর ইশতিমালে সাম্মা এবং এক কাপড়ে ইহতিবা করতে নিষেধ করেছেন। (৫৮৪, ৫৮৮, ১৯৯৩, ২১৪৫, ২১৪৬, ৫৮১৯, ৫৮২১ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قبيصة بن عقبة، قال حدثنا سفيان، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيعتين عن اللماس والنباذ، وان يشتمل الصماء، وان يحتبي الرجل في ثوب واحد