Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮৭ হাদিসসমূহ
উম্মু খালিদ হতে বর্ণিত। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট কিছু কাপড় নিয়ে আসা হয়। তার মধ্যে কিছু কালো নকশীদার ছোট চাদর ছিল। তিনি বললেনঃ আমরা এগুলো পরব, তোমাদের মত কী? উপস্থিত সকলে চুপ থাকল। তারপর তিনি বললেনঃ উম্মু খালিদকে আমার কাছে নিয়ে এসো। তাকে বহন করে আনা হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজের হাতে একটি চাদর নিলেন এবং তাকে পরিয়ে দিলেন। এরপর বললেনঃ (এটি) তুমি পুরাতন কর ও ছিঁড়ে ফেল (অর্থাৎ তুমি বহুদিন বাঁচ)। ঐ চাদরে সবুজ অথবা হলুদ রঙের নকশী ছিল। তিনি বললেনঃ হে খালিদের মা! هٰذَا سَنَاهْ অর্থাৎ এটি কত সুন্দর! হাবশী ভাষায় সানাহ্ অর্থ সুন্দর। [৩০৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا اسحاق بن سعيد، عن ابيه، سعيد بن فلان هو عمرو بن سعيد بن العاص عن ام خالد بنت خالد، اتي النبي صلى الله عليه وسلم بثياب فيها خميصة سوداء صغيرة فقال " من ترون نكسو هذه ". فسكت القوم قال " ايتوني بام خالد ". فاتي بها تحمل فاخذ الخميصة بيده فالبسها وقال " ابلي واخلقي ". وكان فيها علم اخضر او اصفر فقال " يا ام خالد هذا سناه ". وسناه بالحبشية حسن
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উম্মু সুলাইম যখন একটি সন্তান প্রসব করলেন তখন আমাকে জানালেন, হে আনাস! শিশুটিকে দেখ, যেন সে কিছু না খায়, যতক্ষণ না তুমি একে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে যাও, তিনি এর তাহনীক করবেন। আমি তাকে নিয়ে গেলাম। দেখলাম, তিনি একটি বাগানে আছেন, আর তাঁর পরনে হুরাইসিয়া নামের চাদর আছে। তিনি যে উটে করে মক্কা বিজয়ের দিনে অভিযানে গিয়েছিলেন তার পিঠে ছিলেন। [১৫০২; মুসলিম ৩৭/৩০, হাঃ ২১১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمد بن المثنى، قال حدثني ابن ابي عدي، عن ابن عون، عن محمد، عن انس رضى الله عنه قال لما ولدت ام سليم قالت لي يا انس انظر هذا الغلام فلا يصيبن شييا حتى تغدو به الى النبي صلى الله عليه وسلم يحنكه. فغدوت به، فاذا هو في حايط وعليه خميصة حريثية، وهو يسم الظهر الذي قدم عليه في الفتح
‘ইকরামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। রিফা‘আ তার স্ত্রীকে ত্বালাক দেয়। পরে ‘আবদুর রহমান কুরাযী তাকে বিবাহ করে। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তার গায়ে একটি সবুজ রঙের উড়না ছিল। সে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর নিকট অভিযোগ করল এবং (স্বামীর প্রহারজনিত) স্বীয় গাত্রের চামড়ার সবুজ বর্ণ দেখালো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন এলেন, আর স্ত্রীগণ একে অন্যের সহযোগিতা করে থাকে, তখন ‘আয়িশাহ বললেনঃ কোন মু’মিন মহিলাকে এমনভাবে প্রহার করতে আমি কখনও দেখিনি। মহিলাটির চামড়া তার কাপড়ের চেয়ে বেশি সবুজ হয়ে গেছে। বর্ণনাকারী বলেনঃ ‘আবদুর রহমান শুনতে পেল যে, তার স্ত্রী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসেছে। সুতরাং সেও তার অন্য স্ত্রীর দু’টি ছেলে সাথে করে এলো। স্ত্রী লোকটি বললঃ আল্লাহর কসম! তার উপর আমার এ ব্যতীত আর কোন অভিযোগ নেই যে, তার কাছে যা আছে তা আমাকে এ জিনিসের চেয়ে অধিক তৃপ্তি দেয় না। এ বলে তার কাপড়ের আঁচল ধরে দেখাল। ‘আবদুর রহমান বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! সে মিথ্যা বলছে, আমি তাকে ধোলাই করি চামড়া ধোলাই করার ন্যায় দীর্ঘস্থায়ী সঙ্গম করি)। কিন্তু সে অবাধ্য স্ত্রী, রিফা‘আর কাছে ফিরে যেতে চায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ব্যাপার যদি তাই হয় তাহলে রিফা‘আ তোমার জন্য হালাল হবে না, অথবা তুমি তার যোগ্য হতে পার না, যতক্ষণ না ‘আবদুর রহমান তোমার সুধা আস্বাদন করবে। বর্ণনাকারী বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আবদুর রহমানের সাথে তার পুত্রদ্বয়কে দেখে বললেন, এরা কি তোমার পুত্র? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ এই আসল ঘটনা, যে জন্য স্ত্রী লোকটি এমন করেছে। আল্লাহর কসম! কাকের সাথে কাকের যেমন মিল থাকে, তার চেয়েও বেশি মিল আছে ওদের সাথে এর (অর্থাৎ ‘আবদুর রহমানের সাথে তাঁর পুত্রদের)। [২৬৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب، اخبرنا ايوب، عن عكرمة، ان رفاعة، طلق امراته، فتزوجها عبد الرحمن بن الزبير القرظي، قالت عايشة وعليها خمار اخضر. فشكت اليها، وارتها خضرة بجلدها، فلما جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم والنساء ينصر بعضهن بعضا قالت عايشة ما رايت مثل ما يلقى المومنات، لجلدها اشد خضرة من ثوبها. قال وسمع انها قد اتت رسول الله صلى الله عليه وسلم فجاء ومعه ابنان له من غيرها. قالت والله ما لي اليه من ذنب، الا ان ما معه ليس باغنى عني من هذه. واخذت هدبة من ثوبها، فقال كذبت والله يا رسول الله، اني لانفضها نفض الاديم، ولكنها ناشز تريد رفاعة. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " فان كان ذلك لم تحلي له او لم تصلحي له حتى يذوق من عسيلتك ". قال وابصر معه ابنين فقال " بنوك هولاء ". قال نعم. قال " هذا الذي تزعمين ما تزعمين، فوالله لهم اشبه به من الغراب بالغراب
সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ উহুদের দিন আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ডানে ও বামে দু’জন পুরুষ লোককে দেখলাম। তাদের পরনে সাদা পোশাক ছিল। তাদের এর আগেও দেখিনি, আর পরেও দেখিনি। [৪০৫৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم الحنظلي، اخبرنا محمد بن بشر، حدثنا مسعر، عن سعد بن ابراهيم، عن ابيه، عن سعد، قال رايت بشمال النبي صلى الله عليه وسلم وبيمينه رجلين عليهما ثياب بيض يوم احد، ما رايتهما قبل ولا بعد
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসলাম। তাঁর পরনে তখন সাদা পোশাক ছিল। তখন তিনি ছিলেন নিদ্রিত। কিছুক্ষণ পর আবার এলাম, তখন তিনি জেগে গেছেন। তিনি বললেনঃ যে কোন বান্দা ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলবে এবং এ অবস্থার উপরে মারা যাবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আমি বললামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে? তিনি বললেনঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আমি জিজ্ঞেস করলামঃ সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, সে যদি যিনা করে, সে যদি চুরি করে তবুও। আমি বললামঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও? তিনি বললেনঃ যদি সে যিনা করে, যদি সে চুরি করে তবুও। আবূ যারের নাক ধূলি ধুসরিত হলেও। আবূ যার যখনই এ হাদীস বর্ণনা করতেন তখন আবূ যারের নাসিকা ধূলাচ্ছন্ন হলেও বাক্যটি বলতেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ ইমাম বুখারী) বলেনঃ এ কথা প্রযোজ্য হয় মৃত্যুর সময় বা তার পূর্বে যখন সে তওবা করে ও লজ্জিত হয় এবং বলে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’, তখন তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়। [১২৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو معمر، حدثنا عبد الوارث، عن الحسين، عن عبد الله بن بريدة، عن يحيى بن يعمر، حدثه ان ابا الاسود الديلي حدثه ان ابا ذر رضى الله عنه حدثه قال اتيت النبي صلى الله عليه وسلم وعليه ثوب ابيض وهو نايم، ثم اتيته وقد استيقظ فقال " ما من عبد قال لا اله الا الله. ثم مات على ذلك، الا دخل الجنة ". قلت وان زنى وان سرق قال " وان زنى وان سرق ". قلت وان زنى وان سرق قال " وان زنى وان سرق ". قلت وان زنى وان سرق قال " وان زنى وان سرق على رغم انف ابي ذر ". وكان ابو ذر اذا حدث بهذا قال وان رغم انف ابي ذر. قال ابو عبد الله هذا عند الموت او قبله، اذا تاب وندم وقال لا اله الا الله. غفر له
ক্বাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আবূ ‘উসমান নাহদী এর থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেনঃ আমাদের কাছে ‘উমার (রাঃ)-এর পক্ষ থেকে এক পত্র আসে, এ সময় আমরা ‘উতবাহ ইবনু ফারকাদের সঙ্গে আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। (পত্রে লেখা ছিলঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশম ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন, তবে এটুকু এবং ইঙ্গিত দিলেন বুড়ো আঙ্গুলের সাথে মিলিত দু’আঙ্গুল দ্বারা (বর্ণনাকারী বলেনঃ) আমরা বুঝতে পারলাম যে (কতটুকু জায়িয তা) জানিয়ে তিনি পাড় ইত্যাদি বুঝাতে চেয়েছেন। [৫৮২৯, ৫৮৩০, ৫৮৩৪, ৫৮৩৫; মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ২০৬৯, আহমাদ ৩৬৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا قتادة، قال سمعت ابا عثمان النهدي، اتانا كتاب عمر ونحن مع عتبة بن فرقد باذربيجان ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن الحرير، الا هكذا، واشار باصبعيه اللتين تليان الابهام قال فيما علمنا انه يعني الاعلام
আবূ ‘উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আযারবাইজানে অবস্থান করছিলাম। এ সময় ‘উমার আমাদের কাছে লিখে পাঠান যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রেশমী কাপড় পরতে নিষেধ করেছেন; কিন্তু এটুকু এবং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দু’আঙ্গুল দিয়ে এর পরিমাণ আমাদের বলে দিয়েছেন। যুহাইর মধ্যমা ও শাহাদাত আঙ্গুল তুলে দেখিয়েছেন। [৫৮২৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا عاصم، عن ابي عثمان، قال كتب الينا عمر ونحن باذربيجان ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن لبس الحرير الا هكذا، وصف لنا النبي صلى الله عليه وسلم اصبعيه. ورفع زهير الوسطى والسبابة
আবূ ‘উসমান (রহ.) হতে বর্ণিত যে, আমরা উত্বাহর সাথে ছিলাম। ‘উমার তার কাছে লিখে পাঠান যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যাকে আখিরাতে রেশম পরানো হবে না, সে ব্যতীত অন্য কেউ দুনিয়ায় রেশম পরবে না। আবূ ‘উসমান (রহ.) তার দু’আঙ্গুল অর্থাৎ শাহাদাত ও মধ্যমা দ্বারা ইশারা করলেন। [৫৮২৮; মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ২০৬৯, আহমাদ ৩৬৫]] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن التيمي، عن ابي عثمان، قال كنا مع عتبة فكتب اليه عمر رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يلبس الحرير في الدنيا، الا لم يلبس في الاخرة منه ". حدثنا الحسن بن عمر، حدثنا معتمر، حدثنا ابي، حدثنا ابو عثمان،، واشار ابو عثمان، باصبعيه المسبحة والوسطى
ইবনু আবূ লাইলা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুযাইফাহ মাদাইনে অবস্থান করছিলেন। তিনি পানি পান করতে চাইলেন। এক গ্রাম্য লোক একটি রৌপ্য পাত্রে কিছু পানি নিয়ে আসল। হুযাইফাহ তা ছুঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি ছুঁড়ে ফেলতাম না; কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করেছি, সে নিবৃত হয়নি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ স্বর্ণ, রৌপ্য, পাতলা ও মোটা রেশম তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের জন্য) দুনিয়ায় এবং তোমাদের (মুসলিমদের) জন্য আখিরাতে। [৫৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن ابن ابي ليلى، قال كان حذيفة بالمداين فاستسقى، فاتاه دهقان بماء في اناء من فضة فرماه به وقال اني لم ارمه الا اني نهيته فلم ينته قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الذهب والفضة والحرير والديباج هي لهم في الدنيا، ولكم في الاخرة
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। শু’বাহ (রহ.) বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলামঃ এ কথা কি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত? তিনি জোর দিয়ে বললেনঃ হ্যাঁ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, সে আখিরাতে তা কখনও পরতে পারবে না। [মুসলিম পর্ব ৩৭/হাঃ ৬০৭৩, আহমাদ ১১৯৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫০৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا عبد العزيز بن صهيب، قال سمعت انس بن مالك قال شعبة فقلت اعن النبي صلى الله عليه وسلم فقال شديدا عن النبي صلى الله عليه وسلم فقال " من لبس الحرير في الدنيا فلن يلبسه في الاخرة
খালীফাহ ইবনু কা‘ব হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবাইরকে খুতবায় বলতে শুনেছি। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- নাই)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن ثابت، قال سمعت ابن الزبير، يخطب يقول قال محمد صلى الله عليه وسلم " من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه في الاخرة
‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক দুনিয়ায় রেশমী কাপড় পরবে, আখিরাতে সে তা পরতে পারবে না। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০৪) আবূ মা‘মার আমাদের বলেছেন ...... ‘উমার (রাঃ) নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- নাই)
حدثنا علي بن الجعد، اخبرنا شعبة، عن ابي ذبيان، خليفة بن كعب قال سمعت ابن الزبير، يقول سمعت عمر، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم " من لبس الحرير في الدنيا لم يلبسه في الاخرة ". وقال لنا ابو معمر حدثنا عبد الوارث، عن يزيد، قالت معاذة اخبرتني ام عمرو بنت عبد الله، سمعت عبد الله بن الزبير، سمع عمر، سمع النبي صلى الله عليه وسلم نحوه
‘ইমরান ইবনু হিত্তান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আয়িশাহ -এর নিকট রেশম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট যাও এবং তাকে জিজ্ঞেস কর। আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করলাম; তিনি বললেন, ইবনু ‘উমারের নিকট জিজ্ঞেস কর। ইবনু ‘উমারকে জিজ্ঞেস করলাম; তিনি বললেন, আবূ হাফস অর্থাৎ ‘উমার ইবনু খাত্তাব বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুনিয়ায় যে ব্যক্তিই রেশমী কাপড় পরবে, তার আখিরাতে কোন অংশ নেই। আমি বললামঃ তিনি সত্য বলেছেন। আবূ হাফস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর মিথ্যারোপ করেননি। ‘ইমরানের সূত্রে ঐ রকমই হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا عثمان بن عمر، حدثنا علي بن المبارك، عن يحيى بن ابي كثير، عن عمران بن حطان، قال سالت عايشة عن الحرير، فقالت ايت ابن عباس فسله. قال فسالته فقال سل ابن عمر. قال فسالت ابن عمر فقال اخبرني ابو حفص يعني عمر بن الخطاب ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " انما يلبس الحرير في الدنيا من لا خلاق له في الاخرة ". فقلت صدق وما كذب ابو حفص على رسول الله صلى الله عليه وسلم. وقال عبد الله بن رجاء حدثنا حرب عن يحيى حدثني عمران. وقص الحديث
وَيُرْو‘ى فِيهِ عَنْ الزُّبَيْدِيِّ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ أَنَسٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم. এ সম্পর্কে যুবাইদীর সূত্রে আনাস (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণিত আছে। ৫৮৩৬. বারাআ’ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্যে একখানা রেশমী বস্ত্র উপহার পাঠানো হয়। আমরা তা স্পর্শ করলাম এবং বিস্ময় প্রকাশ করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা এতে বিস্ময় প্রকাশ করছো? আমরা বললামঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ জান্নাতে সা‘দ ইবনু মু‘আযের রুমাল এর চেয়ে উৎকৃষ্ট হবে। [৩২৪৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبيد الله بن موسى، عن اسراييل، عن ابي اسحاق، عن البراء رضى الله عنه قال اهدي للنبي صلى الله عليه وسلم ثوب حرير، فجعلنا نلمسه، ونتعجب منه، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اتعجبون من هذا ". قلنا نعم. قال " مناديل سعد بن معاذ في الجنة خير من هذا
وَقَالَ عَبِيدَةُ هُوَ كَلُبْسِهِ ‘আবীদাহ বলেন, এটা পরিধানের মতই। ৫৮৩৭. হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্রে পানাহার করতে নিষেধ করেছেন এবং তিনি মোটা ও চিকন রেশমী বস্ত্র পরিধান করতে ও তাতে উপবেশন করতে নিষেধ করেছেন। [৫৪২৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا ابي قال، سمعت ابن ابي نجيح، عن مجاهد، عن ابن ابي ليلى، عن حذيفة رضى الله عنه قال نهانا النبي صلى الله عليه وسلم ان نشرب في انية الذهب والفضة، وان ناكل فيها، وعن لبس الحرير والديباج، وان نجلس عليه
وَقَالَ عَاصِمٌ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ قَالَ قُلْتُ لِعَلِيٍّ مَا الْقَسِّيَّةُ قَالَ ثِيَابٌ أَتَتْنَا مِنْ الشَّأْمِ أَوْ مِنْ مِصْرَ مُضَلَّعَةٌ فِيهَا حَرِيرٌ وَفِيهَا أَمْثَالُ الأُتْرُنْجِ وَالْمِيثَرَةُ كَانَتْ النِّسَاءُ تَصْنَعُه“ لِبُعُولَتِهِنَّ مِثْلَ الْقَطَائِفِ يُصَفِّرْنَهَا. وَقَالَ جَرِيرٌ عَنْ يَزِيدَ فِي حَدِيثِهِ الْقَسِّيَّةُ ثِيَابٌ مُضَلَّعَةٌ يُجَاءُ بِهَا مِنْ مِصْرَ فِيهَا الْحَرِيرُ وَالْمِيثَرَةُ جُلُودُ السِّبَاعِ قَالَ أَبُو عَبْد اللهِ عَاصِمٌ أَكْثَرُ وَأَصَحُّ فِي الْمِيثَرَةِ. আসিম ... আবূ বুরদাহ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘আলী (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কাসসী’ কী? তিনি বললেন, এক প্রকার কাপড়- যা শাম সিরিয়া) অথবা মিসর থেকে আমাদের দেশে আমদানী হয়ে থাকে। চওড়া দিক থেকে নক্শী করা হয়, তাতে রেশম থাকে এবং উৎরুনজের মত তা কারুকার্যখচিত হয়। আর মীসারা এমন বস্ত্র, যা স্ত্রী লোকেরা তাদের স্বামীদের জন্যে প্রস্তুত করে, মখমলের চাদরের মত তা হলুদ বর্ণের হয়ে থাকে। জারীর ইয়াযীদ থেকে বর্ণনা করেন, তাঁর বর্ণনায় আছে- কাসসী হচ্ছে নক্শী বস্ত্র যা মিসর থেকে আমদানী হয়, তাতে রেশম থাকে। আর মীসারা হলো হিংস্র জন্তুর চামড়া। ৫৮৩৮. বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের লাল বর্ণের মীসারা ও কাসসী পরিধান করতে নিষেধ করেছেন। [১২৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن مقاتل، اخبرنا عبد الله، اخبرنا سفيان، عن اشعث بن ابي الشعثاء، حدثنا معاوية بن سويد بن مقرن، عن ابن عازب، قال نهانا النبي صلى الله عليه وسلم عن المياثر الحمر والقسي
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুবায়র ও ‘আবদুর রহমান (রাঃ)-কে তাদের চর্মরোগের কারণে রেশমী কাপড় পরিধান করার অনুমতি প্রদান করেছিলেন। [২৯১৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمد، اخبرنا وكيع، اخبرنا شعبة، عن قتادة، عن انس، قال رخص النبي صلى الله عليه وسلم للزبير وعبد الرحمن في لبس الحرير لحكة بهما
‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি রেশমী হুল্লা পরতে দেন। আমি তা পরে বের হই। কিন্তু তাঁর [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] মুখমন্ডলে গোস্বার ভাব আমি লক্ষ্য করি। কাজেই আমি তা টুকরো করে আমার পরিবারের মহিলাদের মধ্যে বেঁটে দেই।[২৬১৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، ح وحدثني محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن عبد الملك بن ميسرة، عن زيد بن وهب، عن علي رضى الله عنه قال كساني النبي صلى الله عليه وسلم حلة سيراء، فخرجت فيها، فرايت الغضب في وجهه، فشققتها بين نسايي
‘আবদুল্লাহ ইবন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। ‘উমার (রাঃ) একটি রেশমী হুল্লা বিক্রি হতে দেখে বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি যদি এটি কিনতেন, তাহলে কোন প্রতিনিধি দল আপনার কাছে আসলে এবং জুমু‘আর দিনে পরিধান করতে পারতেন। তিনি বললেনঃ এটা সে ব্যক্তিই পরতে পারে যার আখিরাতে কোন হিস্যা নেই। পরবর্তী সময়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘উমার (রাঃ)-এর নিকট ডোরাকাটা রেশমী হুল্লা পাঠান। তিনি কেবল তাঁকেই পরতে দেন। ‘উমার (রাঃ) বললেনঃ আপনি আমাকে পরিধান করতে দিয়েছেন, অথচ এ ব্যাপারে যা বলার তা আমি আপনাকে বলতে শুনেছি। তিনি বললেনঃ আমি তোমার কাছে এজন্য পাঠিয়েছি যে, তুমি এটি বিক্রি করে দিবে অথবা কাউকে পরতে দিবে। [৮৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال حدثني جويرية، عن نافع، عن عبد الله، ان عمر رضى الله عنه راى حلة سيراء تباع فقال يا رسول الله لو ابتعتها، تلبسها للوفد اذا اتوك والجمعة. قال " انما يلبس هذه من لا خلاق له ". وان النبي صلى الله عليه وسلم بعث بعد ذلك الى عمر حلة سيراء حرير، كساها اياه فقال عمر كسوتنيها وقد سمعتك تقول فيها ما قلت فقال " انما بعثت اليك لتبيعها او تكسوها
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কন্যা উম্মে কুলসূমের পরনে হালকা নকশা করা রেশমী চাদর দেখেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني انس بن مالك، انه راى على ام كلثوم عليها السلام بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم برد حرير سيراء