Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৮৭ হাদিসসমূহ
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم كُلُوا وَاشْرَبُوا وَالْبَسُوا وَتَصَدَّقُوا فِي غَيْرِ إِسْرَافٍ وَلاَ مَخِيلَةٍ. وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ كُلْ مَا شِئْتَ وَالْبَسْ مَا شِئْتَ مَا أَخْطَأَتْكَ اثْنَتَانِ سَرَفٌ أَوْ مَخِيلَةٌ. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা খাও, পান কর, পরিধান কর এবং দান কর, কোন অপচয় ও অহঙ্কার না করে। ইবনু ‘আব্বাস বলেছেন, যা খাও, যা পরিধান কর, যতক্ষণ না দু’টো জিনিস তোমাকে বিভ্রান্ত করে- অপচয় ও অহঙ্কার। ৫৭৮৩. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ সে লোকের দিকে (দয়ার দৃষ্টিতে) দেখবেন না, যে অহঙ্কারের সাথে তার পরিধেয়) পোশাক টেনে চলে। [৩৬৬৫; মুসলিম ৩৭/৮, হাঃ ২০৮৫, আহমাদ ৫৩৭৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن نافع، وعبد الله بن دينار، وزيد بن اسلم، يخبرونه عن ابن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا ينظر الله الى من جر ثوبه خيلاء
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অহংকার বশতঃ নিজের পোশাক ঝুলিয়ে চলবে, আল্লাহ তার প্রতি কিয়ামতের দিন (দয়ার) দৃষ্টি দিবেন না। তখন আবূ বাকর (রাঃ) বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার লুঙ্গির এক পাশ ঝুলে থাকে, আমি তাতে গিরা না দিলে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ, যারা অহঙ্কারবশতঃ এমন করে তুমি তাদের অন্তর্ভুক্ত নও। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا موسى بن عقبة، عن سالم بن عبد الله، عن ابيه رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " من جر ثوبه خيلاء لم ينظر الله اليه يوم القيامة ". قال ابو بكر يا رسول الله ان احد شقى ازاري يسترخي، الا ان اتعاهد ذلك منه. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لست ممن يصنعه خيلاء
আবূ বাকরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ছিলাম, এমন সময় সূর্যগ্রহণ শুরু হল। তখন তিনি ব্যস্ত হয়ে দাঁড়ালেন এবং কাপড় টেনে টেনে মসজিদে পৌঁছলেন। লোকজন একত্রিত হল। তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। তখন সূর্য আলোকিত হয়ে গেল। এরপর আমাদের দিকে ফিরে বললেনঃ চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর নিদর্শনগুলোর দু’টি নিদর্শন, যখন তোমরা তাতে কোন কিছু হতে দেখবে, তখন সালাত আদায় করবে এবং আল্লাহর নিকট দু‘আ করতে থাকবে, যতক্ষণ না তা উজ্জ্বল হয়ে যায়। [১০৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمد، اخبرنا عبد الاعلى، عن يونس، عن الحسن، عن ابي بكرة رضى الله عنه قال خسفت الشمس ونحن عند النبي صلى الله عليه وسلم فقام يجر ثوبه مستعجلا، حتى اتى المسجد وثاب الناس فصلى ركعتين، فجلي عنها، ثم اقبل علينا وقال " ان الشمس والقمر ايتان من ايات الله، فاذا رايتم منها شييا فصلوا وادعوا الله حتى يكشفها
আবূ জুহাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বিলাল (রাঃ)-কে দেখলাম, তিনি একটি বর্শা নিয়ে এলেন এবং তা মাটিতে পুঁতে দিলেন। তারপর সালাতের ইকামাত দিলেন। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দেখলাম, (একটি হুল্লা’র) দু’টি চাদরে নিজেকে আবৃত করে বেরিয়ে আসলেন এবং বর্শার দিকে ফিরে দু’রাকআত সালাত আদায় করলেন। আর লোকজন ও পশুকে দেখলাম, তারা তাঁর সম্মুখ দিয়ে এবং বর্শার পিছন দিয়ে চলাফেরা করছে। [১৮৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني اسحاق، اخبرنا ابن شميل، اخبرنا عمر بن ابي زايدة، اخبرنا عون بن ابي جحيفة، عن ابيه ابي جحيفة، قال فرايت بلالا جاء بعنزة فركزها، ثم اقام الصلاة، فرايت رسول الله صلى الله عليه وسلم خرج في حلة مشمرا، فصلى ركعتين الى العنزة، ورايت الناس والدواب يمرون بين يديه من وراء العنزة
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইযারের বা পরিধেয় বস্ত্রের যে অংশ পায়ের গোড়ালির নীচে থাকবে, সে অংশ জাহান্নামে যাবে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا سعيد بن ابي سعيد المقبري، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ما اسفل من الكعبين من الازار ففي النار
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) দিবসে সে ব্যক্তির দিকে (দয়ার) দৃষ্টি দিবেন না, যে ব্যক্তি অহঙ্কারবশতঃ ইযার বা পরিধেয় বস্ত্র ঝুলিয়ে পরিধান করে। [মুসলিম ৩৭/৩৯, হাঃ ২০৮৭, আহমাদ ৯০১৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن ابي الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا ينظر الله يوم القيامة الى من جر ازاره بطرا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ অথবা আবুল কাসিম বলেছেনঃ এক ব্যক্তি আকর্ষণীয় জোড়া কাপড় পরিধান করতঃ চুল আঁচড়াতে আঁচড়াতে পথ অতিক্রম করছিল; হঠাৎ আল্লাহ তাকে মাটির নীচে ধ্বসিয়ে দেন। ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) অবধি সে এভাবে ধ্বসে যেতে থাকবে। [মুসলিম ৩৭/১০, হাঃ ২০৮৮, আহমাদ ১০০৪০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا محمد بن زياد، قال سمعت ابا هريرة، يقول قال النبي او قال ابو القاسم صلى الله عليه وسلم " بينما رجل يمشي في حلة، تعجبه نفسه مرجل جمته، اذ خسف الله به، فهو يتجلل الى يوم القيامة
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক লোক তার লুঙ্গি পায়ের গোড়ালির নীচে ঝুলিয়ে পথ অতিক্রম করছিল। এমন সময় তাকে মাটির নীচে ধ্বসিয়ে দেয়া হল। ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) অবধি সে মাটির নীচে ধ্বসে যেতে থাকবে। ইউনুস, যুহরী থেকে এ হাদীস এভাবেই বর্ণনা করেছেন। কিন্তু ‘শুআয়ব একে মারফূ‘ হিসাবে যুহরী থেকে বর্ণনা করেননি। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫২৬১) জারীর ইবনু যায়দ রাহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমারের সঙ্গে তাঁর ঘরের দরজায় ছিলাম, তখন তিনি বলেন, আমি আবূ হুরাইরাহ -কে বলতে শুনেছি যে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ রকমই বলতে শুনেছেন। [৩৪৮৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني الليث، قال حدثني عبد الرحمن بن خالد، عن ابن شهاب، عن سالم بن عبد الله، ان اباه، حدثه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بينا رجل يجر ازاره، خسف به، فهو يتجلل في الارض الى يوم القيامة ". تابعه يونس عن الزهري. ولم يرفعه شعيب عن الزهري. حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا وهب بن جرير، اخبرنا ابي، عن عمه، جرير بن زيد قال كنت مع سالم بن عبد الله بن عمر على باب داره فقال سمعت ابا هريرة، سمع النبي صلى الله عليه وسلم نحوه
শু‘বাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মুহারিব ইবনু দিসারের সাথে ঘোড়ার পিঠে থাকা অবস্থায় দেখা করলাম। তখন তিনি বিচারালয়ের দিকে যাচ্ছিলেন, আমি তাঁকে এ হাদীসটির ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে বললেন, আমি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অহঙ্কারবশতঃ কাপড় ঝুলিয়ে পরবে, তার দিকে আল্লাহ ক্বিয়ামাত (কিয়ামত) দিবসে তাকাবেন না। আমি বললামঃ ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) কি ইযারের উল্লেখ করেছেন? তিনি বললেনঃ তিনি ইযার বা কামিস কোনটিই নির্দিষ্টভাবে বলেননি। জাবালাহ ইবনু সুহায়ম, যায়দ ইবনু আসলাম ও যায়দ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমারের সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। আর লায়স, মূসা ইবনু ‘উকবাহ ও ‘উমার ইবনু মুহাম্মাদ, নাফি‘ (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং কুদামাহ ইবনু মূসা সালিম (রহ.)-এর সূত্রে ইবনু ‘উমার থেকে এবং তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে جَرَّ ثَوْبَه” বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا مطر بن الفضل، حدثنا شبابة، حدثنا شعبة، قال لقيت محارب بن دثار على فرس وهو ياتي مكانه الذي يقضي فيه فسالته عن هذا الحديث فحدثني فقال سمعت عبد الله بن عمر رضى الله عنهما يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " من جر ثوبه مخيلة، لم ينظر الله اليه يوم القيامة ". فقلت لمحارب اذكر ازاره قال ما خص ازارا ولا قميصا. تابعه جبلة بن سحيم وزيد بن اسلم وزيد بن عبد الله عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم. وقال الليث عن نافع عن ابن عمر مثله. وتابعه موسى بن عقبة وعمر بن محمد وقدامة بن موسى عن سالم عن ابن عمر عن النبي صلى الله عليه وسلم " من جر ثوبه
وَيُذْكَرُ عَنْ الزُّهْرِيِّ وَأَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدٍ وَحَمْزَةَ بْنِ أَبِي أُسَيْدٍ وَمُعَاوِيَةَ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ جَعْفَرٍ أَنَّهُمْ لَبِسُوا ثِيَابًا مُهَدَّبَةً. যুহরী, আবূ বাকর ইবনু মুহাম্মাদ, হামযাহ ইবনু আবূ উসায়দ ও মু‘আবিয়াহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু জা‘ফর হতে বর্ণিত আছে যে, তাঁরা ঝালরযুক্ত পোশাক পরেছেন। ৫৭৯২. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রিফা‘আ কুরাযির স্ত্রী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসল। এ সময় আমি উপবিষ্ট ছিলাম এবং আবূ বাকর (রাঃ) তাঁর কাছে ছিলেন। স্ত্রীলোকটি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমি রিফা’আর অধীনে (বিবাহিতা) ছিলাম। তিনি আমাকে ত্বালাক দেন এবং তালাক চূড়ান্তভাবে দেন, এরপর আমি ‘আবদুর রহমান ইবনু যুবায়রকে বিয়ে করি। কিন্তু আল্লাহর কসম, হে আল্লাহর রাসূল! তার সাথে কাপড়ের ঝালরের মত ব্যতীত কিছুই নেই। এ কথা বলার সময় স্ত্রী লোকটি তার চাদরের আঁচল ধরে দেখায়। খালিদ ইবনু সা‘ঈদ যাকে (ভিতরে যেতে) অনুমতি দেয়া হয়নি, দরজার কাছে থেকে স্ত্রী লোকটির কথা শোনেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) বলেন, তখন খালিদ বললঃ হে আবূ বাকর! এ মহিলাটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে জোরে জোরে যে কথা বলছে, তাত্থেকে কেন আপনি তাকে বাধা দিচ্ছেন না? আল্লাহর কসম! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কেবল মুচকি হাসলেন। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্ত্রী লোকটিকে বললেনঃ মনে হয় তুমি রিফা‘আর কাছে ফিরে যেতে চাও। তা হবে না, যতক্ষণ না সে তোমার মধুর স্বাদ গ্রহণ করবে এবং তুমি তার মধুর স্বাদ গ্রহণ করবে। অতঃপর এটাই বিধান হয়ে যায়। [২৬৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، اخبرني عروة بن الزبير، ان عايشة رضى الله عنها زوج النبي صلى الله عليه وسلم قالت جاءت امراة رفاعة القرظي رسول الله صلى الله عليه وسلم وانا جالسة وعنده ابو بكر فقالت يا رسول الله اني كنت تحت رفاعة فطلقني فبت طلاقي، فتزوجت بعده عبد الرحمن بن الزبير، وانه والله ما معه يا رسول الله الا مثل هذه الهدبة. واخذت هدبة من جلبابها، فسمع خالد بن سعيد قولها وهو بالباب لم يوذن له، قالت فقال خالد يا ابا بكر الا تنهى هذه عما تجهر به عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلا والله ما يزيد رسول الله صلى الله عليه وسلم على التبسم، فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " لعلك تريدين ان ترجعي الى رفاعة، لا، حتى يذوق عسيلتك وتذوقي عسيلته ". فصار سنة بعد
وَقَالَ أَنَسٌ جَبَذَ أَعْرَابِيٌّ رِدَاءَ النَّبِيِّصلى الله عليه وسلم. আনাস (রাঃ) বলেনঃ এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চাদর ধরে টেনেছিল। ৫৭৯৩. ‘আলী (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর চাদর আনতে বললেন। তিনি তা পরলেন, অতঃপর হেঁটে চললেন। আমি ও যায়দ ইবনু হারিসা (রাঃ) তাঁর পশ্চাতে চললাম। শেষ পর্যন্ত তিনি একটি ঘরের কাছে আসেন, যে ঘরে হামযাহ (রাঃ) ছিলেন। তিনি অনুমতি চাইলে তাঁরা তাঁদের অনুমতি প্রদান করলেন। [২০৮৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن الزهري، اخبرني علي بن حسين، ان حسين بن علي، اخبره ان عليا رضى الله عنه قال فدعا النبي صلى الله عليه وسلم بردايه، ثم انطلق يمشي، واتبعته انا وزيد بن حارثة، حتى جاء البيت الذي فيه حمزة، فاستاذن فاذنوا لهم
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى حِكَايَةً عَنْ يُوسُفَ: (اذْهَبُوا بِقَمِيصِي هَذَا فَأَلْقُوهُ عَلَى وَجْهِ أَبِي يَأْتِ بَصِيرًا) মহান আল্লাহর বাণীঃ ইউসুফ (আ.)-এর ঘটনাঃ ‘তোমরা আমার এ জামাটি নিয়ে যাও আর তা আমার পিতার মুখমন্ডলে রাখ, তিনি দৃষ্টিশক্তিসম্পন্ন হয়ে উঠবেন।’ (সূরাহ ইউসুফ ১২:৯৩) ৫৭৯৪. ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলঃ হে আল্লাহর রাসূল! মুহরিম কী কাপড় পরবে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ মুহরিম জামা, পায়জামা, টুপি এবং মোজা পরবে না। তবে যদি সে জুতা না পায়, তা হলে পায়ের গোড়ালির নীচে পর্যন্ত মোজা) পরতে পারবে। [১৩৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا حماد، عن ايوب، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان رجلا، قال يا رسول الله ما يلبس المحرم من الثياب فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا يلبس المحرم القميص، ولا السراويل، ولا البرنس، ولا الخفين، الا ان لا يجد النعلين، فليلبس ما هو اسفل من الكعبين
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাইকে কবরে রাখার পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে এলেন। তিনি তার লাশ কবর থেকে উঠানোর নির্দেশ দিলেন। তখন লাশ কবর থেকে উঠান হল এবং তাঁর দু’হাঁটুর উপর রাখা হল। তিনি তার উপর থুথু প্রদান করলেন এবং তাকে নিজের জামা পরিয়ে দিলেন। আল্লাহই বেশি জানেন। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن محمد، اخبرنا ابن عيينة، عن عمرو، سمع جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال اتى النبي صلى الله عليه وسلم عبد الله بن ابى بعد ما ادخل قبره، فامر به فاخرج، ووضع على ركبتيه، ونفث عليه من ريقه، والبسه قميصه، والله اعلم
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন ‘আবদুল্লাহ ইবনু উবাই মারা গেল, তখন তার ছেলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আসল। সে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনার জামাটি আমাকে দিন। আমি এটা দিয়ে তাকে কাফন দিব। আর তার জানাযাহর সালাত আপনি আদায় করবেন এবং তার জন্য ইস্তিগফার করবেন। তিনি নিজের জামাটি তাকে দিয়ে দেন এবং বলেন যে, তুমি (কাফন পরানো) শেষ করে আমাকে খবর দিবে। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জানাযাহর সালাত আদায় করতে এলেন। ‘উমার(রাঃ) তাঁকে টেনে ধরে বললেনঃ আল্লাহ কি আপনাকে মুনাফিকদের (জানাযাহর) সালাত আদায় করতে নিষেধ করেননি? তিনি এ আয়াতটি পড়লেনঃ ‘তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর বা না কর (উভয়ই সমান), তুমি তাদের জন্য সত্তর বার ক্ষমা প্রার্থনা করলেও আল্লাহ কক্ষনো তাদেরকে ক্ষমা করবেন না।’- (সূরাহ আত্-তওবা ৯/৮০)। তখন অবতীর্ণ হয়ঃ ‘তাদের কেউ মারা গেলে তুমি কক্ষনো তাদের জন্য (জানাযার) সালাত পড়বে না, আর তাদের কবরের পাশে দন্ডায়মান হবে না।’- (সূরাহ আত্-তওবা ৯/৮৪)। এরপর থেকে তিনি তাদের জানাযার সালাত আদায় করা বর্জন করেন। [১২৬৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا صدقة، اخبرنا يحيى بن سعيد، عن عبيد الله، قال اخبرني نافع، عن عبد الله، قال لما توفي عبد الله بن ابى جاء ابنه الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله اعطني قميصك اكفنه فيه، وصل عليه، واستغفر له، فاعطاه قميصه، وقال " اذا فرغت فاذنا ". فلما فرغ اذنه، فجاء ليصلي عليه، فجذبه عمر فقال اليس قد نهاك الله ان تصلي على المنافقين فقال {استغفر لهم او لا تستغفر لهم ان تستغفر لهم سبعين مرة فلن يغفر الله لهم}. فنزلت {ولا تصل على احد منهم مات ابدا} فترك الصلاة عليهم
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার কৃপণ ও দানশীল ব্যক্তিকে এমন দু’ব্যক্তির সাথে তুলনা করেন, যাদের পরনে লোহার দু’টি বর্ম আছে। তাদের দু’ হাতই বুক ও ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছে আছে। দানশীল ব্যক্তি যখন দান করে তখন তার বর্মটি এমনভাবে প্রশস্ত হয় যে, তার পায়ের আঙ্গুলের মাথা পর্যন্ত ঢেকে ফেলে এবং (প্রলম্বিত বর্মটি) পদচিহ্ন মুছে ফেলে। আর কৃপণ লোক যখন দান করতে ইচ্ছে করে, তখন তার বর্মটি শক্ত হয়ে যায় ও এক অংশ অন্য অংশের সাথে মিশে থাকে এবং প্রতিটি অংশ আপন স্থানে থেকে যায়। আবূ হুরাইরাহ বলেনঃ আমি দেখলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কেতাঁর আঙ্গুল এভাবে বুকের দিক দিয়ে খোলা অংশের মধ্যে রেখে বলতে দেখেছি, তুমি যদি তা দেখতে যে, তিনি তা প্রশস্ত করতে চাইলেন কিন্তু প্রশস্ত হল না। [১৪৪৩] ইবনু তাউস (রহঃ) তার পিতা থেকে এবং আবূ যিনাদ, আ’রাজ থেকে এভাবে جُبَّتَيْنِ বর্ণনা করেন। আর জা‘ফর আ‘রাজ এর সূত্রে جُبَّتَانِ বর্ণনা করেছেন। হানযালা (রহ.) বলেনঃ আমি তাউসকে আবূ হুরাইরাহ থেকে جُبَّتَانِ বলতে শুনেছি। আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابو عامر، حدثنا ابراهيم بن نافع، عن الحسن، عن طاوس، عن ابي هريرة، قال ضرب رسول الله صلى الله عليه وسلم مثل البخيل والمتصدق، كمثل رجلين عليهما جبتان من حديد، قد اضطرت ايديهما الى ثديهما وتراقيهما، فجعل المتصدق كلما تصدق بصدقة انبسطت عنه حتى تغشى انامله وتعفو اثره، وجعل البخيل كلما هم بصدقة قلصت، واخذت كل حلقة بمكانها. قال ابو هريرة فانا رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول باصبعه هكذا في جيبه، فلو رايته يوسعها ولا تتوسع. تابعه ابن طاوس عن ابيه وابو الزناد عن الاعرج في الجبتين. وقال حنظلة سمعت طاوسا سمعت ابا هريرة يقول جبتان. وقال جعفر عن الاعرج جبتان
মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে যান এবং তারপর ফিরে আসেন। আমি তাঁর নিকট পানি নিয়ে পৌঁছি। তিনি অযু করেন। তখন তাঁর পরনে শাম দেশীয় জুব্বা ছিল। তিনি কুলি করেন, নাক পরিষ্কার করেন এবং তাঁর মুখমন্ডল ধৌত করেন। এরপর তিনি আস্তিন থেকে দু’হাত বের করতে থাকেন, কিন্তু আস্তিন দু’টি ছিল সরু, তাই তিনি হাত দু’টি জামার নীচ দিয়ে বের করে দু’ হাত ধৌত করেন। এরপর মাথা মাসেহ করেন এবং মোজার উপর মাসেহ করেন। [১৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قيس بن حفص، حدثنا عبد الواحد، حدثنا الاعمش، قال حدثني ابو الضحى، قال حدثني مسروق، قال حدثني المغيرة بن شعبة، قال انطلق النبي صلى الله عليه وسلم لحاجته ثم اقبل، فتلقيته بماء، فتوضا وعليه جبة شامية، فمضمض واستنشق وغسل وجهه، فذهب يخرج يديه من كميه فكانا ضيقين، فاخرج يديه من تحت الجبة، فغسلهما ومسح براسه وعلى خفيه
মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সফরে এক রাত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে ছিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার সঙ্গে পানি আছে কি? আমি বললামঃ হাঁ। তখন তিনি বাহন থেকে নামলেন এবং হেঁটে যেতে লাগলেন। তিনি এতদূর গেলেন যে, রাতের অন্ধকারে আমার নিকট থেকে অদৃশ্য হয়ে পড়লেন। তারপর তিনি ফিরে এলেন। আমি পাত্র থেকে তাঁর (উযূর) পানি ঢালতে লাগলাম। তিনি মুখমন্ডল ও দু’হাত ধুলেন। তিনি পশমের জামা পরিহিত অবস্থায় ছিলেন। তিনি তাত্থেকে হাত বের করতে পারলেন না, তাই জামার নীচ দিয়ে বের করে দু’হাত ধুলেন। তারপর মাথা মাস্হ করলেন। তারপর আমি তাঁর মোজা দু’টি খুলতে ইচ্ছে করলাম। তিনি বললেনঃ ছেড়ে দাও। কেননা, আমি পবিত্র অবস্থায় ও দু’টি পরেছি। তারপর ও দু’টির উপর মাস্হ করলেন। [১৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا زكرياء، عن عامر، عن عروة بن المغيرة، عن ابيه رضى الله عنه قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم ذات ليلة في سفر فقال " امعك ماء ". قلت نعم. فنزل عن راحلته، فمشى حتى توارى عني في سواد الليل، ثم جاء فافرغت عليه الاداوة، فغسل وجهه ويديه، وعليه جبة من صوف، فلم يستطع ان يخرج ذراعيه منها حتى اخرجهما من اسفل الجبة، فغسل ذراعيه، ثم مسح براسه، ثم اهويت لانزع خفيه فقال " دعهما، فاني ادخلتهما طاهرتين، فمسح عليهما
মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়েকটি কাবা বণ্টন করেন, কিন্তু মাখরামাহকে কিছুই দিলেন না। মাখরামাহ বললঃ হে আমার প্রিয় পুত্র! আমার সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে চল। আমি তাঁর সঙ্গে গেলাম। তিনি বললেনঃ ভিতরে যাও এবং আমার জন্যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আবেদন জানাও। মিসওয়ার বলেনঃ আমি তাঁর জন্য আবেদন জানালে তিনি মাখরামাহর উদ্দেশে বের হয়ে আসলেন। তখন তাঁর পরনে ছিল রেশমী কাবা। তিনি বললেনঃ তোমার জন্য এটি আমি লুকিয়ে রেখেছিলাম। মিসওয়ার বলেনঃ এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিকে তাকালেন এবং বললেনঃ মাখরামাহ খুশি হয়ে গেছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن ابي مليكة، عن المسور بن مخرمة، قال قسم رسول الله صلى الله عليه وسلم اقبية، ولم يعط مخرمة شييا فقال مخرمة يا بنى انطلق بنا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فانطلقت معه فقال ادخل فادعه لي. قال فدعوته له، فخرج اليه وعليه قباء منها فقال " خبات هذا لك ". قال فنظر اليه فقال رضي مخرمة
‘উকবাহ ইবনু ‘আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে একটি রেশমী কাবা হাদিয়া দেয়া হল। তিনি তা পরেন এবং তা পরে সালাত আদায় করেন। সালাত শেষে তিনি তা খুব জোরে খুলে ফেললেন, যেন এটি তিনি অপছন্দ করছেন। এরপর বললেনঃ মুত্তাকীদের জন্য এটা সাজে না। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ, লায়স থেকে এ রকমই বর্ণনা করেছেন। অন্যেরা বলেছেনঃ ‘ফাররূজ হারীর’ হল ‘রেশমী কাপড়’। [৩৭৫; মুসলিম ১/৯৪, হাঃ ২১৬, আহমাদ ৮০২২, ৮৬২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৩৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن ابي الخير، عن عقبة بن عامر رضى الله عنه انه قال اهدي لرسول الله صلى الله عليه وسلم فروج حرير، فلبسه، ثم صلى فيه، ثم انصرف فنزعه نزعا شديدا كالكاره له ثم قال " لا ينبغي هذا للمتقين ". تابعه عبد الله بن يوسف عن الليث، وقال غيره فروج حرير
মুসাদ্দাদ (রহ.) আমাকে বলেছেন যে, মু‘তামির বলেন, আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছি যে, তিনি আনাস (রাঃ) এর (মাথার) উপর হলুদ রেশমী টুপি দেখেছেন।
وقال لي مسدد حدثنا معتمر، سمعت ابي قال، رايت على انس برنسا اصفر من خز