Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০০ হাদিসসমূহ
হাসান (রহ.) হতে বর্ণিত যে, মা’কাল ইবনু ইয়াসারের বোন এক ব্যক্তির বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ ছিল। সে তাকে তালাক দিল। পুনরায় ফিরিয়ে আনল না, এভাবে তার ইদ্দাত শেষ হয়ে গেলে সে আবার তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিল। মা‘কাল (রাঃ) এতে রাগান্বিত হলেন, তিনি বললেন, সময় মতফিরিয়ে নিল না, এখন আবার প্রস্তাব দিচ্ছে। তিনি তাদের মাঝে বিয়ের ব্যাপারে) বাধা হয়ে দাঁড়ালেন। এরপর আল্লাহ তা‘আলা এ আয়াতটি অবতীর্ণ করেনঃ তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দাও এবং তারা তাদের ইদ্দাত পূর্ণ করে, তখন তারা নিজেদের স্বামীদেরকে বিবাহ করতে চাইলে তোমরা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করো না ....... সূরাহ আল-বাক্বারাহ ২/২৩২)। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডাকলেন এবং তার সম্মুখে আয়াতটি পাঠ করলেন। তিনি তার অহমিকা পরিত্যাগ করতঃ আল্লাহর আদেশের আনুগত্য করেন। [৪৫২৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
وحدثني محمد بن المثنى، حدثنا عبد الاعلى، حدثنا سعيد، عن قتادة، حدثنا الحسن، ان معقل بن يسار، كانت اخته تحت رجل فطلقها، ثم خلى عنها حتى انقضت عدتها، ثم خطبها فحمي معقل من ذلك انفا فقال خلى عنها وهو يقدر عليها، ثم يخطبها فحال بينه وبينها، فانزل الله {واذا طلقتم النساء فبلغن اجلهن فلا تعضلوهن} الى اخر الاية، فدعاه رسول الله صلى الله عليه وسلم فقرا عليه، فترك الحمية واستقاد لامر الله
নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ইবনু ‘উমার (রাঃ) তাঁর স্ত্রীকে ঋতুমতী অবস্থায় এক তালাক দেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে আদেশ দিলেন, তিনি যেন তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনেন এবং মহিলা পবিত্র হয়ে আবার ঋতুমতী হয়ে পরবর্তী পবিত্রা অবস্থা আসা পর্যন্ত তাকে নিজের কাছে রাখেন। পবিত্র অবস্থায় যদি তাকে তালাক দিতে চায় তবে সঙ্গমের পূর্বে তালাক দিতে হবে। এটাই ইদ্দাত, যে সময় স্ত্রীদেরকে তালাক দেয়ার জন্য আল্লাহ আদেশ দিয়েছেন। ‘আবদুল্লাহকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি তাদের বলেনঃ তুমি যদি তাকে তিন তালাক দিয়ে দাও, তবে স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ না করা পর্যন্ত তোমার জন্য হারাম হয়ে যাবে। অন্য বর্ণনায় ইবন ‘উমার (রাঃ) বলতেন, ‘তুমি যদি এক বা দু’ তালাক দিতে’, কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এরকমই নির্দেশ দিয়েছেন। [৪৯০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، ان ابن عمر بن الخطاب رضى الله عنهما طلق امراة له وهى حايض تطليقة واحدة، فامره رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يراجعها، ثم يمسكها حتى تطهر، ثم تحيض عنده حيضة اخرى، ثم يمهلها حتى تطهر من حيضها، فان اراد ان يطلقها فليطلقها حين تطهر من قبل ان يجامعها، فتلك العدة التي امر الله ان تطلق لها النساء. وكان عبد الله اذا سيل عن ذلك قال لاحدهم ان كنت طلقتها ثلاثا فقد حرمت عليك، حتى تنكح زوجا غيره. وزاد فيه غيره عن الليث حدثني نافع قال ابن عمر لو طلقت مرة او مرتين، فان النبي صلى الله عليه وسلم امرني بهذا
ইউনুস ইবনু যুবায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমারকে (হায়িয অবস্থায় তালাক দেয়া সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেনঃ ইবনু ‘উমার (রাঃ) তার স্ত্রীকে হায়িয অবস্থায় তালাক দিলে, ‘উমার (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন। তিনি স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য তাকে নির্দেশ দেন। এরপর বলেনঃ ইদ্দাতের সময় আসলে সে তালাক দিতে পারে। রাবী বলেন, আমি বললাম, এ তালাক কি হিসাবে গণ্য করা হবে? ইবনু ‘উমার বললেনঃ তবে কি মনে করছ, যদি সে অক্ষম হয় বা বোকামি করে। (তাহলে দায়ী কে?) [৪৯০৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا حجاج، حدثنا يزيد بن ابراهيم، حدثنا محمد بن سيرين، حدثني يونس بن جبير، سالت ابن عمر فقال طلق ابن عمر امراته وهى حايض، فسال عمر النبي صلى الله عليه وسلم فامره ان يراجعها، ثم يطلق من قبل عدتها، قلت فتعتد بتلك التطليقة قال ارايت ان عجز واستحمق
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن عبد الله بن ابي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن حميد بن نافع، عن زينب ابنة ابي سلمة، انها اخبرته هذه الاحاديث الثلاثة، قالت زينب دخلت على ام حبيبة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين توفي ابوها ابو سفيان بن حرب، فدعت ام حبيبة بطيب فيه صفرة خلوق او غيره فدهنت منه جارية، ثم مست بعارضيها، ثم قالت والله ما لي بالطيب من حاجة، غير اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر ان تحد على ميت فوق ثلاث ليال، الا على زوج اربعة اشهر وعشرا
যাইনাব (রাঃ) বলেনঃ যাইনাব বিন্ত জাহশের ভাই মৃত্যুবরণ করলে আমি তার (যায়নাবের) নিকট গেলাম। তিনিও খুশবু আনিয়ে কিছু ব্যবহার করলেন। এরপর বললেনঃ আল্লাহর কসম! খুশবু ব্যবহার করার কোন প্রয়োজন আমার নেই। তবে আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মিম্বরের উপর বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন নারীর জন্য কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশী শোক পালন করা হালাল হবে না তবে তার স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশ দিন শোক পালন করতে পারবে। [১২৮২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
قالت زينب فدخلت على زينب ابنة جحش حين توفي اخوها، فدعت بطيب فمست منه، ثم قالت اما والله ما لي بالطيب من حاجة غير اني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول على المنبر " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر ان تحد على ميت فوق ثلاث ليال الا على زوج اربعة اشهر وعشرا
যাইনাব (রাঃ) বলেনঃ আমি উম্মু সালামাহকে বলতে শুনেছি: এক নারী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার মেয়ের স্বামী মারা গেছে। তার চোখে অসুখ। তার চোখে কি সুরমা লাগাতে পারবে? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ অথবা তিন বার বললেন, না। তিনি আরও বললেনঃ এতো মাত্র চার মাস দশ দিনের ব্যাপার। অথচ জাহিলী যুগে এক মহিলা এক বছরের মাথায় বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। [৫৩৩৮, ৫৭০৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
قالت زينب وسمعت ام سلمة، تقول جاءت امراة الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله ان ابنتي توفي عنها زوجها وقد اشتكت عينها افتكحلها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا ". مرتين او ثلاثا كل ذلك يقول لا، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انما هي اربعة اشهر وعشر، وقد كانت احداكن في الجاهلية ترمي بالبعرة على راس الحول
(হুমায়দ বলেন, আমি যাইনাবকে জিজ্ঞেস করলাম, এক বছরের মাথায় বিষ্ঠা নিক্ষেপের অর্থ কী? তিনি বলেন, সে যুগে কোন স্ত্রীর স্বামী মারা গেলে সে অতি ক্ষুদ্র একটি প্রকোষ্ঠে প্রবেশ করতো এবং নিকৃষ্ট কাপড় পরত, কোন খুশবু ব্যবহার করতে পারত না। এভাবে এক বছর পার হলে তার কাছে চতুষ্পদ জন্তু যথা- গাধা, বকরী অথবা গাভী আনা হতো। আর সে তার গায়ে হাত বুলাতো। হাত বুলাতে বুলাতে অনেক সময় সেটা মরেও যেত। এরপর সে স্ত্রীলোকটি) বেরিয়ে আসতো। তাকে বিষ্ঠা দেয়া হতো এবং তা তাকে নিক্ষেপ করতে হতো। অতঃপর সে ইচ্ছা করলে খুশবু অথবা অন্য কিছু ব্যবহার করতে পারত। মালিক (রহ.)-কে ما تفتضبه শব্দের অর্থ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ ‘‘স্ত্রীলোকটি ঐ প্রাণীর চামড়ায় হাত বুলাতো’’। [মুসলিম ১৮/৯, হাঃ ১৪৮৬, ১৪৮৯] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
قال حميد فقلت لزينب وما ترمي بالبعرة على راس الحول فقالت زينب كانت المراة اذا توفي عنها زوجها دخلت حفشا، ولبست شر ثيابها، ولم تمس طيبا حتى تمر بها سنة، ثم توتى بدابة حمار او شاة او طاير فتفتض به، فقلما تفتض بشىء الا مات، ثم تخرج فتعطى بعرة فترمي، ثم تراجع بعد ما شاءت من طيب او غيره. سيل مالك ما تفتض به قال تمسح به جلدها
উম্মু সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, এক মহিলার স্বামী মারা গেলে তার পরিবারের লোকেরা তার চোখদুটো নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় করল। তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে তার সুরমা ব্যবহারের অনুমতি প্রার্থনা করল। তিনি বললেনঃ সুরমা ব্যবহার করতে পারবে না। তোমাদের অনেকেই (জাহিলী যুগে) তার নিকৃষ্ট কাপড় বা নিকৃষ্ট ঘরে অবস্থান করত। যখন এক বছর পেরিয়ে যেত, আর কোন কুকুর সে দিকে যেত, তখন সে বিষ্ঠা নিক্ষেপ করত। কাজেই চার মাস দশ দিন পার না হওয়া পর্যন্ত সুরমা ব্যবহার করতে পারবে না। [৫৩৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم بن ابي اياس، حدثنا شعبة، حدثنا حميد بن نافع، عن زينب ابنة ام سلمة، عن امها، ان امراة، توفي زوجها فخشوا على عينيها فاتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاستاذنوه في الكحل فقال " لا تكحل قد كانت احداكن تمكث في شر احلاسها او شر بيتها، فاذا كان حول فمر كلب رمت ببعرة، فلا حتى تمضي اربعة اشهر وعشر
(বর্ণনাকারী বলেন) আমি যাইনাবকে উম্মু হাবীবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন মুসলিম নারীর জন্য কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশী শোক পালন করা হালাল নয়। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশ দিন শোক পালন করবে। [১২৮০; মুসলিম ১৮/৯, হাঃ ১৪৮৭, আহমাদ ২৬৮১৬] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
وسمعت زينب ابنة ام سلمة، تحدث عن ام حبيبة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا يحل لامراة مسلمة تومن بالله واليوم الاخر ان تحد فوق ثلاثة ايام، الا على زوجها اربعة اشهر وعشرا
মুহাম্মাদ ইবনু সীরীন (রহ.) হতে বর্ণিত যে, উম্মু আতিয়্যাহ ( বলেছেন, স্বামী ব্যতীত অন্য কারো মৃত্যু হলে তিন দিনের বেশী শোক পালন করতে আমাদেরকে নিষেধ করা হয়েছে। [৩০৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا مسدد، حدثنا بشر، حدثنا سلمة بن علقمة، عن محمد بن سيرين، قالت ام عطية نهينا ان نحد اكثر من ثلاث الا بزوج
উম্মু আতিয়্যাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশী শোক পালন করা হতে আমাদেরকে নিষেধ করা হত। তবে স্বামী মারা গেলে চার মাস দশ দিন শোক পালন করতে হবে এবং আমরা যেন সুরমা খুশবু ব্যবহার না করি আর রঙিন কাপড় যেন না পরি তবে হালকা রঙের ছাড়া। আমাদের কেউ যখন হায়িয শেষে গোসল করে পবিত্র হয়, তখন (দুর্গন্ধ দূর করার জন্য) আযফার নামক স্থানের সুগন্ধি ব্যবহার করার আমাদেরকে অনুমতি দেয়া হয়েছে। তাছাড়া আমাদেরকে জানাযার অনুসরণ করতে নিষেধ করা হতো। [৩১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن حفصة، عن ام عطية، قالت كنا ننهى ان نحد على ميت فوق ثلاث، الا على زوج اربعة اشهر وعشرا، ولا نكتحل، ولا نطيب، ولا نلبس ثوبا مصبوغا، الا ثوب عصب، وقد رخص لنا عند الطهر اذا اغتسلت احدانا من محيضها في نبذة من كست اظفار، وكنا ننهى عن اتباع الجنايز
উম্মু আতিয়্যাহ ( হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেছেনঃ আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন মহিলার জন্য স্বামী ব্যতীত অন্য কারো মৃত্যুতে তিন দিনের বেশী শোক পালন করা হালাল হবে না।। সুরমা ও রঙিন কাপড়ও ব্যবহার করতে পারবে না। তবে সূতাগুলো একত্রে বেঁধে হালকা রং লাগিয়ে তা দিয়ে কাপড় বুনলে তা ব্যবহার করা যাবে। [১৩১৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا الفضل بن دكين، حدثنا عبد السلام بن حرب، عن هشام، عن حفصة، عن ام عطية، قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر ان تحد فوق ثلاث، الا على زوج، فانها لا تكتحل ولا تلبس ثوبا مصبوغا الا ثوب عصب
উম্মু আতিয়্যাহ ( হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন শোক পালনকারিণী যেন সুগন্ধি না মাখে। তবে হায়িয থেকে পবিত্র হলে (দুর্গন্ধ দূর করার জন্য) কাফূরের ‘কুস্ত’ ও ‘আযফার’ সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারে। [১৩১৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
وقال الانصاري حدثنا هشام، حدثتنا حفصة، حدثتني ام عطية، نهى النبي صلى الله عليه وسلم " ولا تمس طيبا الا ادنى طهرها اذا طهرت، نبذة من قسط واظفار ". قال ابو عبد الله القسط والكست مثل الكافور والقافور
মুজাহিদ (রহ.) হতে বর্ণিত। মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবিদেরকে রেখে মারা যাবে’’ সূরাহ আল-বাক্বরাহ ২ঃ ২৪০) তিনি এ আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, স্বামীর বাড়ীতে অবস্থান করে এ ইদ্দাত পালন করা মহিলার জন্য ওয়াজিব ছিল। পরে মহান আল্লাহ অবতীর্ণ করেনঃ ‘‘তোমাদের মধ্যে যারা বিবিদেরকে রেখে মারা যাবে, তারা বিবিদের জন্য অসিয়ত করবে যেন এক বৎসরকাল সুযোগ-সুবিধা পায় এবং গৃহ হতে বের করে দেয়া না হয়, তবে যদি তারা নিজেরাই বের হয়ে যায়, তবে তোমাদের প্রতি গুনাহ নেই তারা নিজেদের ব্যাপারে বৈধভাবে কিছু করলে।’’ (সূরাহ আল-বাক্বরাহ ২ঃ ২৪০)। মুজাহিদ বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা সাত মাস বিশ রাতকে তার জন্য পূর্ণ বছর সাব্যস্ত করেছেন। মহিলা ইচ্ছা করলে ওসিয়ত অনুসারে থাকতে পারে, আবার চাইলে চলেও যেতে পারে। এ কথাই আল্লাহ তা‘আলা বলেছেনঃ ‘‘বের না করে, তবে যদি স্বেচ্ছায় বের হয়ে যায় তবে তাতে তোমাদের কোন পাপ নেই’’ তাই মহিলার উপর ইদ্দাত পালন করা যথারীতি ওয়াজিব আছে। আবূ নাজীহ এ কথাগুলো মুজাহিদ থেকে বর্ণনা করেছেন। ‘আত্বা বলেন, ইবনু ‘আব্বাস বলেছেনঃ এ আয়াতটি স্বামীর বাড়ীতে ইদ্দাত পালন করার নির্দেশকে রহিত করে দিয়েছে। অতএব, সে যেখানে ইচ্ছা ইদ্দাত পালন করতে পারে। ‘আত্বা বলেনঃ ইচ্ছা হলে ওয়াসিয়াত অনুযায়ী সে স্বামীর পরিবারে অবস্থান করতে পারে। আবার ইচ্ছা হলে অন্যত্রও ইদ্দাত পালন করতে পারে। কেননা, মহান আল্লাহ বলেছেনঃ ‘‘তারা নিজেদের জন্য বিধিমত যা করবে, তাতে তোমাদের কোন পাপ নেই।’’ আত্বা বলেন, এরপর মিরাসের আয়াত অবতীর্ণ হলে ‘বাসস্থান দেয়ার’ হুকুমও রহিত হয়ে যায়। এখন সে যেখানে মনে চায় ইদ্দাত পালন করতে পারে, তাকে বাসস্থান দেয়া জরুরী নয়। [৪৫৩১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثني اسحاق بن منصور، اخبرنا روح بن عبادة، حدثنا شبل، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، {والذين يتوفون منكم ويذرون ازواجا} قال كانت هذه العدة تعتد عند اهل زوجها واجبا، فانزل الله {والذين يتوفون منكم ويذرون ازواجا وصية لازواجهم متاعا الى الحول غير اخراج فان خرجن فلا جناح عليكم فيما فعلن في انفسهن من معروف} قال جعل الله لها تمام السنة سبعة اشهر وعشرين ليلة وصية ان شاءت سكنت في وصيتها، وان شاءت خرجت، وهو قول الله تعالى {غير اخراج فان خرجن فلا جناح عليكم} فالعدة كما هي، واجب عليها، زعم ذلك عن مجاهد. وقال عطاء قال ابن عباس نسخت هذه الاية عدتها عند اهلها، فتعتد حيث شاءت، وقول الله تعالى {غير اخراج}. وقال عطاء ان شاءت اعتدت عند اهلها، وسكنت في وصيتها، وان شاءت خرجت لقول الله {فلا جناح عليكم فيما فعلن}. قال عطاء ثم جاء الميراث فنسخ السكنى، فتعتد حيث شاءت، ولا سكنى لها
উম্মু হাবীবাহ বিনত আবূ সুফ্ইয়ান (রাঃ) হতে বর্ণিত। যখন তাঁর কাছে তার পিতার মৃত্যু সংবাদ পৌঁছল, তখন তিনি সুগন্ধি আনিয়ে তার উভয় হাতে লাগালেন এবং বললেনঃ সুগন্ধি ব্যবহারে কোন দরকার আমার নেই। কিন্তু যেহেতু আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাসী কোন নারীর জন্য কারো মৃত্যুতে তিন দিনের অধিক শোক পালন করা হালাল হবে না। তবে স্বামীর মৃত্যুতে চার মাস দশ দিন শোক পালন করতে হবে। [১২৮০] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا محمد بن كثير، عن سفيان، عن عبد الله بن ابي بكر بن عمرو بن حزم، حدثني حميد بن نافع، عن زينب ابنة ام سلمة، عن ام حبيبة ابنة ابي سفيان، لما جاءها نعي ابيها دعت بطيب، فمسحت ذراعيها وقالت ما لي بالطيب من حاجة. لولا اني سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " لا يحل لامراة تومن بالله واليوم الاخر تحد على ميت فوق ثلاث، الا على زوج اربعة اشهر وعشرا
وَقَالَ الْحَسَنُ إِذَا تَزَوَّجَ مُحَرَّمَةً وَهُوَ لاَ يَشْعُرُ فُرِّقَ بَيْنَهُمَا وَلَهَا مَا أَخَذَتْ وَلَيْسَ لَهَا غَيْرُه“ ثُمَّ قَالَ بَعْدُ لَهَا صَدَاقُهَا. হাসান (রহ.) বলেছেন, যদি কেউ অজান্তে কোন মুহাররাম (যার সাথে বিয়ে করা অবৈধ) মহিলাকে বিয়ে করে ফেলে, তবে তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে দিতে হবে। মহিলা নির্দিষ্ট মাহর ব্যতীত অন্য কিছু পাবে না। তিনি পরবর্তীতে বলেছেন, সে মাহরে মিসাল পাবে। ৫৩৪৬. আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুকুরের মূল্য, গণকের পারিশ্রমিক এবং পতিতার উপার্জন গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। [২২৩৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن ابي بكر بن عبد الرحمن، عن ابي مسعود رضى الله عنه قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن ثمن الكلب، وحلوان الكاهن، ومهر البغي
আওন ইবন আবূ জুহাইফাহ এর পিতা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লা‘নাত করেছেন উল্কি অঙ্কণকারিণী, উল্কি গ্রহণকারিণী, সুদ গ্রহিতা ও সুদ দাতাকে। তিনি কুকুরের মূল্য ও পতিতার উপার্জন ভোগ করতে নিষেধ করেছেন। চিত্রাঙ্কণকারীদেরকেও তিনি লা‘নাত করেছেন। [২০৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا عون بن ابي جحيفة، عن ابيه، قال لعن النبي صلى الله عليه وسلم الواشمة، والمستوشمة، واكل الربا وموكله، ونهى عن ثمن الكلب، وكسب البغي، ولعن المصورين
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত, দাসীর অবৈধ উপার্জন ভোগ করতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেছেন। [২২৮৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن الجعد، اخبرنا شعبة، عن محمد بن جحادة، عن ابي حازم، عن ابي هريرة، نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن كسب الاماء
সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমারকে জিজ্ঞেস করলামঃ যদি কেউ তার স্ত্রীকে অপবাদ দেয়? তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আজলান গোত্রের এক দম্পতির বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন করে দেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ জানেন তোমাদের দু’জনের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। সুতরাং তোমাদের কেউ কি তওবা করবে? তারা উভয়ে অস্বীকার করল। তিনি আবার বললেনঃ আল্লাহ জানেন তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাবাদী। কাজেই তোমাদের মধ্যে তওবা করতে কে প্রস্তুত? তারা কেউ রাযী হল না। এরপর তিনি তাদের মধ্য বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দিলেন। আইয়ূব বলেনঃ আমর ইবনু দ্বীনার আমাকে বললেন, হাদীসে আরো কিছু কথা আছে, আমি তা তোমাকে বর্ণনা করতে দেখছি না। রাবী বলেন, লোকটি তখন বলল, আমার মাল প্রদত্ত মাহর) ফেরত পাব না? তিনি বললেনঃ তুমি কোন মাল পাবে না। যদি তুমি সত্যবাদী হও, তবে তো তুমি তার সাথে সহবাস করেছ। আর যদি মিথ্যাচারী হও, তাহলে মাল ফেরত পাওয়া তো বহু দূরের ব্যাপার। [৫৩১১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا عمرو بن زرارة، اخبرنا اسماعيل، عن ايوب، عن سعيد بن جبير، قال قلت لابن عمر رجل قذف امراته فقال فرق نبي الله صلى الله عليه وسلم بين اخوى بني العجلان وقال " الله يعلم ان احدكما كاذب، فهل منكما تايب ". فابيا، فقال " الله يعلم ان احدكما كاذب، فهل منكما تايب ". فابيا، ففرق بينهما. قال ايوب فقال لي عمرو بن دينار في الحديث شىء لا اراك تحدثه قال قال الرجل مالي. قال " لا مال لك، ان كنت صادقا فقد دخلت بها، وان كنت كاذبا فهو ابعد منك
وَلَمْ يَذْكُرِ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْمُلاَعَنَةِ مُتْعَةً حِينَ طَلَّقَهَا زَوْجُهَا আর লি‘আনকারিণীকে তার স্বামী ত্বলাক (তালাক)্ব দেয়ার সময় নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য মুত‘আর [তাকে উপভোগের বিনিময় হিসাবে] কিছু দিয়ে দেয়ার কথা উল্লেখ করেননি। ৫৩৫০. ইবনু ‘উমার হতে বর্ণিত আছে যে, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামলি‘আনকারী স্বামী-স্ত্রীকে বলেছিলেন, আল্লাহই তোমাদের হিসাব নিবেন। তোমাদের একজন মিথ্যাবাদী। তার মহিলার) উপর তোমার কোন অধিকার নেই। সে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার মাল? তিনি বললেনঃ তোমার জন্যে কোন মাল নেই। তুমি যদি সত্যি কথা বলে থাক, তাহলে এ মাল তার লজ্জাস্থানকে হালাল করার বিনিময়ে হবে। আর যদি মিথ্যা বলে থাক, তবে এটা তুমি মোটেই চাইতে পার না, তুমি তো তার থেকে অনেক দূরে। [৫৩১১; মুসলিম ১৯/হাঃ ১৪৯৩, আহমাদ ৪৫৮৭] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن سعيد بن جبير، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال للمتلاعنين " حسابكما على الله، احدكما كاذب، لا سبيل لك عليها ". قال يا رسول الله مالي. قال " لا مال لك، ان كنت صدقت عليها، فهو بما استحللت من فرجها، وان كنت كذبت عليها، فذاك ابعد وابعد لك منها