Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০০ হাদিসসমূহ
সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমারকে জিজ্ঞেস করলাম, এক লোক তার স্ত্রীকে অপবাদ দিল- (তার বিধান কী?) তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনূ ‘আজলানের স্বামী-স্ত্রীর দু’জনকে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন এবং তিনি বলেছিলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জানেন তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাচারী। কাজেই তোমাদের কেউ তওবা করতে রাযী আছ কি? তারা দু’জনেই অস্বীকার করল। তিনি পুনরায় বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবহিত আছেন তোমাদের একজন মিথ্যাচারী, সুতরাং কেউ তওবা করতে প্রস্তুত আছ কি? তারা আবারও অস্বীকার করল। তিনি পুনরায় বললেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবহিত আছেন তোমাদের একজন মিথ্যাচারী সুতরাং কেউ তওবা করতে প্রস্তুত আছ কি? তারা আবারও অস্বীকার করল। এরপর তিনি তাদেরকে পৃথক করে দেন। আইয়ুব বলেনঃ আমাকে ‘আমর ইবনু দ্বীনার (রহ.) বললেন, এ হাদীসে আরও কিছু কথা আছে, তোমাকে তা বর্ণনা করতে দেখছি না কেন? তিনি বলেন, লোকটি বললঃ আমার (দেয়া) মালের কী হবে? তাকে বলা হল, তোমার মাল ফিরে পাবে না। যদি তুমি সত্যবাদী হও, (তবুও পাবে না)। (কেননা) তুমি তার সঙ্গে সহবাস করেছ। আর যদি তুমি মিথ্যাচারী হও, তবে তা পাওয়া তো বহু দূরের ব্যাপার। [৫৩১২, ৫৩৪৯, ৫৩৫০] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثني عمرو بن زرارة، اخبرنا اسماعيل، عن ايوب، عن سعيد بن جبير، قال قلت لابن عمر رجل قذف امراته فقال فرق النبي صلى الله عليه وسلم بين اخوى بني العجلان، وقال " الله يعلم ان احدكما كاذب، فهل منكما تايب ". فابيا. وقال " الله يعلم ان احدكما كاذب، فهل منكما تايب ". فابيا. فقال " الله يعلم ان احدكما كاذب، فهل منكما تايب " فابيا ففرق بينهما. قال ايوب فقال لي عمرو بن دينار ان في الحديث شييا لا اراك تحدثه قال قال الرجل مالي قال قيل لا مال لك، ان كنت صادقا فقد دخلت بها، وان كنت كاذبا فهو ابعد منك
সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি লি‘আনকারীদ্বয় সম্পর্কে ইবনু ‘উমারকে জিজ্ঞেস করলাম, তিনি বললেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লি‘আনকারীদ্বয়কে লক্ষ্য করে বলেছিলেনঃ তোমাদের হিসাব নেয়ার দায়িত্ব আল্লাহরই। তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাচারী। স্ত্রীর উপর তোমার কোন অধিকার নেই। লোকটি বললঃ তবে আমার মালের কী হবে? তিনি বললেনঃ তুমি কোন মাল পাবে না। যদি তুমি সত্যবাদী হও তাহলে এর বদলে তুমি তার লজ্জাস্থানকে হালাল করে নিয়েছিলে। আর যদি তার উপর মিথ্যারোপ করে থাক, তবে তা তো বহুদূরের ব্যাপার। সুফ্ইয়ান বলেনঃ আমি এ হাদীস ‘আমর (রাঃ)-এর নিকট হতে মুখস্থ করেছি। আইয়ুব বলেন, আমি সা‘ঈদ ইবনু যুবায়র-এর কাছে শুনেছি, তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলামঃ এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে লি‘আন করল এখন তাদের বিধান কী? তিনি তাঁর দু’আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে বললেন, সুফ্ইয়ান তার তর্জনী ও মধ্যমা আঙ্গুল ফাঁক করে বললেন নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বনূ ‘আজলানের এক দম্পতির বৈবাহিক সম্পর্ক এভাবে ছিন্ন করে দেন এবং বলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা জানেন যে, তোমাদের একজন অবশ্যই মিথ্যাচারী। সুতরাং কেউ তওবা করতে প্রস্তুত আছ কি? এভাবে তিনি তিনবার বললেন। সুফ্ইয়ান বলেনঃ আমি তোমাকে যেভাবে হাদীসটি শুনাচ্ছি এভাবেই আমি ‘আমর ও আইয়ুব (রাঃ) থেকে মুখস্থ করেছি। [৫৩১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال عمرو سمعت سعيد بن جبير، قال سالت ابن عمر عن المتلاعنين،، فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم للمتلاعنين " حسابكما على الله احدكما كاذب، لا سبيل لك عليها ". قال مالي قال " لا مال لك، ان كنت صدقت عليها، فهو بما استحللت من فرجها، وان كنت كذبت عليها، فذاك ابعد لك ". قال سفيان حفظته من عمرو. وقال ايوب سمعت سعيد بن جبير قال قلت لابن عمر رجل لاعن امراته فقال باصبعيه وفرق سفيان بين اصبعيه السبابة والوسطى فرق النبي صلى الله عليه وسلم بين اخوى بني العجلان، وقال " الله يعلم ان احدكما كاذب فهل منكما تايب ". ثلاث مرات. قال سفيان حفظته من عمرو وايوب كما اخبرتك
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, জনৈক পুরুষ তার স্ত্রীকে অপবাদ দিলে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয়কে শপথ করান, এরপর বিচ্ছিন্ন করে দেন। [৪৭৪৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثني ابراهيم بن المنذر، حدثنا انس بن عياض، عن عبيد الله، عن نافع، ان ابن عمر رضى الله عنهما اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم فرق بين رجل وامراة قذفها، واحلفهما
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসার ও তার স্ত্রীকে লি‘আন করান এবং তাদেরকে বিচ্ছিন্ন করে দেন। [৪৭৪৮] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى، عن عبيد الله، اخبرني نافع، عن ابن عمر، قال لاعن النبي صلى الله عليه وسلم بين رجل وامراة من الانصار، وفرق بينهما
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোক ও তার স্ত্রীকে লি‘আন করালেন এবং সন্তানের পৈতৃক সম্পর্ক ছিন্ন করে উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দিলেন। আর সন্তান মহিলাকে দিয়ে দিলেন। [৪৭৪৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا مالك، قال حدثني نافع، عن ابن عمر، ان النبي صلى الله عليه وسلم لاعن بين رجل وامراته، فانتفى من ولدها ففرق بينهما، والحق الولد بالمراة
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, লি‘আনকারী দম্পতিদ্বয় সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মুখে আলোচনা হচ্ছিল। ইতোমধ্যে আসিম ইবনু আদী (রাঃ) এ ব্যাপারে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করে চলে গেলেন। এরপর তার গোত্রের এক লোক তার কাছে এসে জানাল যে, সে তার স্ত্রীর সঙ্গে এক লোককে পেয়েছে। আসিম বললেন, অযথা জিজ্ঞাসাবাদের দরুনই আমি এ বিপদে পড়লাম। এরপর তিনি তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গেলেন এবং যে লোকটিকে সে তার স্ত্রীর সঙ্গে পেয়েছে, তার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালেন। অভিযোগকারী ছিলেন হলদে শীর্ণকায় ও সোজা চুল বিশিষ্ট। আর তার স্ত্রীর কাছে পাওয়া লোকটি ছিল মোটা ধরনের স্থুলকায় ও খুব কোঁকড়ানো চুল বিশিষ্ট। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি সত্য প্রকাশ করে দিন। এরপর মহিলা ঐ লোকটির আকৃতির একটি সন্তান জন্ম দেয়, যাকে তার স্বামী তার সঙ্গে পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয়কেই লি‘আন করালেন। এক ব্যক্তি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে সেই মজলিসেই জিজ্ঞেস করল, ঐ মহিলা সম্বন্ধেই কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেনঃ আমি যদি বিনা প্রমাণে কাউকে রজম করতাম তাহলে একে রজম করতাম? ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেনঃ না, সে ছিল অন্য এক মহিলা সে মুসলিম সমাজে প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত থাকত। [৫৩১০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني سليمان بن بلال، عن يحيى بن سعيد، قال اخبرني عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم بن محمد، عن ابن عباس، انه قال ذكر المتلاعنان عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عاصم بن عدي في ذلك قولا، ثم انصرف فاتاه رجل من قومه، فذكر له انه وجد مع امراته رجلا، فقال عاصم ما ابتليت بهذا الامر الا لقولي. فذهب به الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخبره بالذي وجد عليه امراته، وكان ذلك الرجل مصفرا قليل اللحم سبط الشعر، وكان الذي وجد عند اهله ادم خدلا كثير اللحم جعدا قططا، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اللهم بين ". فوضعت شبيها بالرجل الذي ذكر زوجها انه وجد عندها، فلاعن رسول الله صلى الله عليه وسلم بينهما، فقال رجل لابن عباس في المجلس هي التي قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو رجمت احدا بغير بينة لرجمت هذه ". فقال ابن عباس لا تلك امراة كانت تظهر السوء في الاسلام
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণনা করেন। (হাদীসটি নিম্নলিখিত হাদীসের মতই)। আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৪৮২১) ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রিফা‘আহ কুরাযী এক স্ত্রীলোককে বিয়ে করে পরে তালাক দেয়। এরপর স্ত্রীলোকটি অন্য স্বামী গ্রহণ করে। পরে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে তাঁকে জানালো যে, সে (স্বামী) তার কাছে আসে না, আর তার কাছে কাপড়ের কিনারার মত বস্ত্ত ছাড়া কিছুই নেই। তিনি বললেনঃ তা হবে না, যে পর্যন্ত তুমি তার কিছু মধু আস্বাদন না করবে, আর সেও তোমার কিঞ্চিত মধু আস্বাদন না করবে ততক্ষণ প্রথম স্বামীর কাছে যাওয়া যাবে না)। [২৬৩৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عمرو بن علي، حدثنا يحيى، حدثنا هشام، قال حدثني ابي، عن عايشة، عن النبي صلى الله عليه وسلم. حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا عبدة، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها ان رفاعة، القرظي تزوج امراة، ثم طلقها فتزوجت اخر فاتت النبي صلى الله عليه وسلم فذكرت له انه لا ياتيها، وانه ليس معه الا مثل هدبة فقال " لا حتى تذوقي عسيلته، ويذوق عسيلتك
كِتَاب العِدَّةِ কিতাবুল ইদ্দাত[1] 68/38.بَابُ: (وَاللاَّئِي يَئِسْنَ مِنَ الْمَحِيضِ مِنْ نِسَائِكُمْ إِنِ ارْتَبْتُمْ) ৬৮/৩৮. অধ্যায়ঃ মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যাদের হায়িয বন্ধ হয়ে গেছে.......... যদি তোমাদের সন্দেহ দেখা দেয় তাদের ইদ্দাত তিন মাস এবং তাদেরও যাদের এখনও হায়িয আসা আরম্ভ হয়নি।’’সূরাহ আত্-ত্বলাক (তালাক)ঃ৪) قَالَ مُجَاهِدٌ إِنْ لَمْ تَعْلَمُوا يَحِضْنَ أَوْ لاَ يَحِضْنَ وَاللاَّئِي قَعَدْنَ عَنِ الْمَحِيضِ وَاللاَّئِي لَمْ يَحِضْنَ فَعِدَّتُهُنَّ ثَلاَثَةُ أَشْهُرٍ. মুজাহিদ বলেনঃ যদিও তোমরা না জান যে, তাদের হায়িয হবে কিনা। যাদের ঋতুস্রাব বন্ধ হয়ে গেছে এবং যাদের এখনো আরম্ভ হয়নি, তাদের ইদ্দাত তিন মাস। ৫৩১৮. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহধর্মিণী সালামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আসলাম গোত্রের সুবায়‘আ নামের এক স্ত্রীলোককে তার স্বামী গর্ভাবস্থায় রেখে মারা যায়। এরপর আবূ সানাবিল ইবনু বা‘কাক (রাঃ) তাকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেয়। কিন্তু মহিলা তাকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। সে আবূ সানাবিল) বললঃ আল্লাহর শপথ! দু’টি মেয়াদের মধ্যে দীর্ঘতর মেয়াদ অনুসারে ইদ্দাত পালন না করা পর্যন্ত তোমার জন্য অন্যত্র বিয়ে করা জায়িয হবে না। এর প্রায় দশ দিনের মধ্যেই সে সন্তান প্রসব করে। এরপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলে তিনি বললেনঃ এখন তুমি বিয়ে করতে পার। [৪৯০৯] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن جعفر بن ربيعة، عن عبد الرحمن بن هرمز الاعرج، قال اخبرني ابو سلمة بن عبد الرحمن، ان زينب ابنة ابي سلمة، اخبرته عن امها ام سلمة، زوج النبي صلى الله عليه وسلم ان امراة من اسلم يقال لها سبيعة كانت تحت زوجها، توفي عنها وهى حبلى، فخطبها ابو السنابل بن بعكك، فابت ان تنكحه، فقال والله ما يصلح ان تنكحيه حتى تعتدي اخر الاجلين. فمكثت قريبا من عشر ليال ثم جاءت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " انكحي
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি ইবনু আরকামের নিকট একটি পত্র লিখলেন যে, তুমি সুবায়‘আ আস্লামীয়াকে জিজ্ঞেস কর, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কী প্রকারের ফতোয়া দিয়েছিলেন? সে বললঃ তিনি আমাকে সন্তান প্রসব করার পর বিয়ে করার ফতোয়া দিয়েছেন। [৩৯৯১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا يحيى بن بكير، عن الليث، عن يزيد، ان ابن شهاب، كتب اليه ان عبيد الله بن عبد الله، اخبره عن ابيه، انه كتب الى ابن الارقم ان يسال، سبيعة الاسلمية كيف افتاها النبي صلى الله عليه وسلم فقالت افتاني اذا وضعت ان انكح
মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, সুবায়‘আ আসলামীয়া তার স্বামীর মৃত্যুর কয়েকদিন পর সন্তান প্রসব করে। এরপর সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বিয়ে করার অনুমতি প্রার্থনা করে, তিনি তাকে অনুমতি দেন। তখন সে বিয়ে করে। আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن المسور بن مخرمة، ان سبيعة الاسلمية، نفست بعد وفاة زوجها، بليال فجاءت النبي صلى الله عليه وسلم فاستاذنته ان تنكح، فاذن لها، فنكحت
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ ইবনু আস (রহ.) ‘আবদুর রহমান ইবনু হাকাম এর কন্যাকে তালাক দিলে ‘আবদুর রহমান তাকে উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে নিয়ে গেলে, তিনি মদিনার শাসনকর্তা মারওয়ানের কাছে বলে পাঠালেনঃ আল্লাহকে ভয় কর, আর তাকে তার ঘরে ফিরিয়ে দাও। মারওয়ান বলেন, সুলাইমানের বর্ণনায় ‘আবদুর রহমান আমাকে যুক্তিতে হারিয়ে দিয়েছে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা কি আপনার কাছে পৌঁছেনি? তিনি বললেনঃ ‘আয়িশাহ) ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা মনে না রাখলে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। মারওয়ান বললেনঃ যদি মনে করেন ফাতিমাহ্কে বের করার পিছনে তার মন্দ আচরণ কাজ করেছে, তবে বলব, এখানে সে মন্দ আচরণ বিদ্যমান আছে।[৫৩২৩, ৫৩২৪, ৫৩২৫, ৫৩২৬, ৫৩২৭, ৫৩২৮; মুসলিম ১৮/৬, হাঃ ১৪৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، حدثنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن القاسم بن محمد، انه سمعه يذكر، ان يحيى بن سعيد بن العاص، طلق بنت عبد الرحمن بن الحكم، فانتقلها عبد الرحمن، فارسلت عايشة ام المومنين الى مروان وهو امير المدينة اتق الله وارددها الى بيتها. قال مروان في حديث سليمان ان عبد الرحمن بن الحكم غلبني. وقال القاسم بن محمد اوما بلغك شان فاطمة بنت قيس قالت لا يضرك ان لا تذكر حديث فاطمة. فقال مروان بن الحكم ان كان بك شر فحسبك ما بين هذين من الشر
কাসিম ইবনু মুহাম্মাদ ও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ইয়াহ্ইয়া ইবনু সা‘ঈদ ইবনু আস (রহ.) ‘আবদুর রহমান ইবনু হাকাম এর কন্যাকে তালাক দিলে ‘আবদুর রহমান তাকে উম্মুল মু’মিনীন ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে নিয়ে গেলে, তিনি মদিনার শাসনকর্তা মারওয়ানের কাছে বলে পাঠালেনঃ আল্লাহকে ভয় কর, আর তাকে তার ঘরে ফিরিয়ে দাও। মারওয়ান বলেন, সুলাইমানের বর্ণনায় ‘আবদুর রহমান আমাকে যুক্তিতে হারিয়ে দিয়েছে। কাসিম ইবনু মুহাম্মাদের বর্ণনায় তিনি বলেন, ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা কি আপনার কাছে পৌঁছেনি? তিনি বললেনঃ ‘আয়িশাহ) ফাতিমাহ বিন্ত কায়সের ঘটনা মনে না রাখলে তোমার কোন ক্ষতি হবে না। মারওয়ান বললেনঃ যদি মনে করেন ফাতিমাহ্কে বের করার পিছনে তার মন্দ আচরণ কাজ করেছে, তবে বলব, এখানে সে মন্দ আচরণ বিদ্যমান আছে।[৫৩২৩, ৫৩২৪, ৫৩২৫, ৫৩২৬, ৫৩২৭, ৫৩২৮; মুসলিম ১৮/৬, হাঃ ১৪৮১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، حدثنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن القاسم بن محمد، انه سمعه يذكر، ان يحيى بن سعيد بن العاص، طلق بنت عبد الرحمن بن الحكم، فانتقلها عبد الرحمن، فارسلت عايشة ام المومنين الى مروان وهو امير المدينة اتق الله وارددها الى بيتها. قال مروان في حديث سليمان ان عبد الرحمن بن الحكم غلبني. وقال القاسم بن محمد اوما بلغك شان فاطمة بنت قيس قالت لا يضرك ان لا تذكر حديث فاطمة. فقال مروان بن الحكم ان كان بك شر فحسبك ما بين هذين من الشر
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ফাতিমার কী হল? সে কেন আল্লাহকে ভয় করছে না অর্থাৎ তার এ কথায় যে, তালাকপ্রাপ্তা নারী তার স্বামীর থেকে) খাদ্য ও বাসস্থান কিছুই পাবে না। [৫৩২১, ৫৩২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عايشة، انها قالت ما لفاطمة الا تتقي الله، يعني في قولها لا سكنى ولا نفقة
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ফাতিমার কী হল? সে কেন আল্লাহকে ভয় করছে না অর্থাৎ তার এ কথায় যে, তালাকপ্রাপ্তা নারী তার স্বামীর থেকে) খাদ্য ও বাসস্থান কিছুই পাবে না। [৫৩২১, ৫৩২২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، عن عايشة، انها قالت ما لفاطمة الا تتقي الله، يعني في قولها لا سكنى ولا نفقة
কাসিম (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহ.) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি কি জানেন না, হাকামের কন্যা অমুককে তার স্বামী তিন তালাক দিলে, সে (তার পিত্রালয়ে) চলে গিয়েছিল। ‘আয়িশাহ বললেনঃ সে মন্দ কাজ করেছে। ‘উরওয়াহ বললেনঃ আপনি কি ফাতিমার কথা শোনেননি, তিনি বললেনঃ এ হাদীস বর্ণনায় তার কোন কল্যাণ নেই। ইবনু আবু য্যিনাদ হিশাম সূত্রে তার (হিশামের) পিতা থেকে আরও বর্ণনা করেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) এ কথাকে অত্যন্ত দূষণীয় মনে করেন। তিনি আরও বলেন, ফাতিমা একটা ভীতিকর স্থানে থাকত, তার উপর ভয়ভীতির আশঙ্কা থাকায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে স্থান পরিবর্তনের) রুখসত দেন। [৫৩২১, ৫৩২২] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا عمرو بن عباس، حدثنا ابن مهدي، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، قال عروة بن الزبير لعايشة الم ترين الى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت. فقالت بيس ما صنعت. قال الم تسمعي في قول فاطمة قالت اما انه ليس لها خير في ذكر هذا الحديث. وزاد ابن ابي الزناد عن هشام، عن ابيه، عابت عايشة اشد العيب وقالت ان فاطمة كانت في مكان وحش فخيف على ناحيتها، فلذلك ارخص لها النبي صلى الله عليه وسلم
কাসিম (রহ.) হতে বর্ণিত। ‘উরওয়াহ ইবনু যুবায়র (রহ.) ‘আয়িশাহ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলঃ আপনি কি জানেন না, হাকামের কন্যা অমুককে তার স্বামী তিন তালাক দিলে, সে (তার পিত্রালয়ে) চলে গিয়েছিল। ‘আয়িশাহ বললেনঃ সে মন্দ কাজ করেছে। ‘উরওয়াহ বললেনঃ আপনি কি ফাতিমার কথা শোনেননি, তিনি বললেনঃ এ হাদীস বর্ণনায় তার কোন কল্যাণ নেই। ইবনু আবু য্যিনাদ হিশাম সূত্রে তার (হিশামের) পিতা থেকে আরও বর্ণনা করেন যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) এ কথাকে অত্যন্ত দূষণীয় মনে করেন। তিনি আরও বলেন, ফাতিমা একটা ভীতিকর স্থানে থাকত, তার উপর ভয়ভীতির আশঙ্কা থাকায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে স্থান পরিবর্তনের) রুখসত দেন। [৫৩২১, ৫৩২২] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا عمرو بن عباس، حدثنا ابن مهدي، حدثنا سفيان، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن ابيه، قال عروة بن الزبير لعايشة الم ترين الى فلانة بنت الحكم طلقها زوجها البتة فخرجت. فقالت بيس ما صنعت. قال الم تسمعي في قول فاطمة قالت اما انه ليس لها خير في ذكر هذا الحديث. وزاد ابن ابي الزناد عن هشام، عن ابيه، عابت عايشة اشد العيب وقالت ان فاطمة كانت في مكان وحش فخيف على ناحيتها، فلذلك ارخص لها النبي صلى الله عليه وسلم
‘উরওয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ফাতিমার কথাকে অগ্রাহ্য করেছেন। [৫৩২১, ৫৩২২] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
وحدثني حبان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا ابن جريج، عن ابن شهاب، عن عروة، ان عايشة، انكرت ذلك على فاطمة
‘উরওয়াহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, ‘আয়িশাহ (রাঃ) ফাতিমার কথাকে অগ্রাহ্য করেছেন। [৫৩২১, ৫৩২২] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
وحدثني حبان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا ابن جريج، عن ابن شهاب، عن عروة، ان عايشة، انكرت ذلك على فاطمة
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (হাজ্জ শেষে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রওয়ানা হওয়ার ইচ্ছা করলেন, তখন সফীয়্যাহ (রাঃ) দুঃখিত হয়ে স্বীয় তাঁবুর দরজায় দাঁড়িয়ে গেলেন। তিনি তাকে বললেনঃ বড় সমস্যায় ভুগছি, তুমি তো আমাদের আটকে রাখবে। আচ্ছা তুমি কি তাওয়াফে যিয়ারা সম্পন্ন করেছ? বললেনঃ হাঁ। তিনি বললেনঃ তা হলে এখন বেরিয়ে পড়। [২৯৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا شعبة، عن الحكم، عن ابراهيم، عن الاسود، عن عايشة رضى الله عنها قالت لما اراد رسول الله صلى الله عليه وسلم ان ينفر اذا صفية على باب خبايها كييبة، فقال لها " عقرى او حلقى انك لحابستنا اكنت افضت يوم النحر ". قالت نعم. قال " فانفري اذا
وَكَيْفَ يُرَاجِعُ الْمَرْأَةَ إِذَا طَلَّقَهَا وَاحِدَةً أَوْ ثِنْتَيْنِ. এবং এক বা দু’তালাকের পর স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার নিয়ম সম্পর্কিত। ৫৩৩০. হাসান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ মা‘কাল তার বোনকে বিয়ে দিয়েছিল, অতঃপর তার স্বামী তাকে এক তালাক,দেয়। [৪৫২৯] আধুনিক প্রকাশনী- নাই, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثني محمد، اخبرنا عبد الوهاب، حدثنا يونس، عن الحسن، قال زوج معقل اخته فطلقها تطليقة