Loading...

Loading...
বইসমূহ
১০০ হাদিসসমূহ
ইসমাঈল আমাকে আরও বলেছেন, মালিক (রহ.) নাফি‘ এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে তালাক দেয়া পর্যন্ত তাকে আটকে রাখা হবে। আর তালাক না দেয়া পর্যন্ত তালাক প্রযোজ্য হবে না। উসমান, ‘আলী , আবুদ্ দারদা, ‘আয়িশাহ (রাঃ) এবং আরও বারজন সাহাবী থেকেও অনুরূপ উল্লেখ করা হয়। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وقال لي اسماعيل حدثني مالك، عن نافع، عن ابن عمر، اذا مضت اربعة اشهر يوقف حتى يطلق، ولا يقع عليه الطلاق حتى يطلق. ويذكر ذلك عن عثمان وعلي وابي الدرداء وعايشة واثنى عشر رجلا من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم
وَقَالَ ابْنُ الْمُسَيَّبِ إِذَا فُقِدَ فِي الصَّفِّ عِنْدَ الْقِتَالِ تَرَبَّصُ امْرَأَتُه“ سَنَةً. ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.) বলেন, যুদ্ধের ব্যূহ থেকে কোন ব্যক্তি নিরুদ্দেশ হলে তার স্ত্রী এক বছর অপেক্ষা করবে। وَاشْتَرَى ابْنُ مَسْعُودٍ جَارِيَةً وَالْتَمَسَ صَاحِبَهَا سَنَةً فَلَمْ يَجِدْه“ وَفُقِدَ فَأَخَذَ يُعْطِي الدِّرْهَمَ وَالدِّرْهَمَيْنِ وَقَالَ اللَّهُمَّ عَنْ فُلاَنٍ فَإِنْ أَتٰى فُلاَنٌ فَلِي وَعَلَيَّ وَقَالَ هٰكَذَا فَافْعَلُوا بِاللُّقَطَةِ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ نَحْوَه“ وَقَالَ الزُّهْرِيُّ فِي الأَسِيرِ يُعْلَمُ مَكَانُه“ لاَ تَتَزَوَّجُ امْرَأَتُه“ وَلاَ يُقْسَمُ مَالُه“ فَإِذَا انْقَطَعَ خَبَرُه“ فَسُنَّتُه“ سُنَّةُ الْمَفْقُودِ. ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) একটি দাসী ক্রয় করে এক বছর পর্যন্ত তার মালিককে খুঁজলেন মূল্য পরিশোধ করার জন্য)। তিনি তাকে পেলেন না, সে নিখোঁজ হয়ে যায়। তিনি এক দিরহাম, দু’ দিরহাম করে দান করতেন এবং বলতেনঃ হে আল্লাহ! এটা অমুকের পক্ষ থেকে দিচ্ছি। যদি মালিক এসে যায়, তবে এর সাওয়াব আমি পাব, আর তার টাকা পরিশোধ করার দায়িত্ব হবে আমার। তিনি বলেনঃ হারানো বস্ত্ত প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও তোমরা এমন কাজ করবে। ইবনু ‘আব্বাস(রাঃ)-ও এরূপ মত ব্যক্ত করেছেন। যুহরী সেই বন্দী ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন, যার অবস্থান সম্পর্কে জানা গেছে তার স্ত্রী বিয়ে করতে পারবে না এবং তার সম্পদও বণ্টন করা যাবে না। তবে তার সংবাদ পুরাপুরি বন্ধ হয়ে গেলে, তাঁর সম্পর্কে নিখোঁজ ব্যক্তির বিধান বলবৎ হবে। ৫২৯২. মুনবাইস-এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে হারানো বকরীর ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেনঃ ওটাকে ধরে নাও। কেননা, ওটা হয় তোমার জন্য, না হয় তোমার (অন্য) ভাইয়ের জন্য অথবা নেকড়ের জন্য। তাঁকে হারানো উটের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি রেগে গেলেন এবং তাঁর উভয় গন্ডদেশ লাল হয়ে গেল। এরপর তিনি বললেনঃ ওটা নিয়ে তোমার চিন্তা কেন? তার সঙ্গে চলার (জন্য) পায়ের তলায় ক্ষুর ও পানাহারের (জন্য) পেটে মশক আছে। সে পানি পান করতে থাকবে এবং বৃক্ষ-লতা খেতে থাকবে, আর এর মধ্যে মালিক তার সন্ধান লাভ করবে। তাঁকে লুকাতা (হারানো প্রাপ্তি) সম্বন্ধে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেনঃ প্রাপ্ত বস্তুর থলে ও মাথার বন্ধনটা চিনে নাও এবং এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিতে থাক। যদি এর শনাক্তকারী (মালিক) আসে, তবে ভালো কথা, নচেৎ এটাকে তোমার মালের সাথে মিলিয়ে নাও। সুফ্ইয়ান বলেনঃ আমি রাবী‘আ ইবনু আবূ ‘আবদুর রহমানের সঙ্গে দেখা করে উল্লিখিত কথাগুলো ছাড়া আর কিছুই পাইনি। আমি বললামঃ হারানো প্রাণীর ব্যাপারে মুনবাইস এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদের হাদীসটি কি যায়দ ইবনু খালিদ হতে বর্ণিত? তিনি বললেন, হাঁ। ইয়াহইয়া বলেন, রাবী‘আ বলতেনঃ হাদীসটি মুনবাইস-এর আযাদকৃত গোলাম ইয়াযীদ-এর মাধ্যমে যায়দ ইবনু খালিদ হতে বর্ণনাকৃত। সুফ্ইয়ান বললেনঃ আমি রাবী‘আর সঙ্গে দেখা করে এ সম্পর্কে আলোচনা করলাম। [৯১] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن يحيى بن سعيد، عن يزيد، مولى المنبعث ان النبي صلى الله عليه وسلم سيل عن ضالة الغنم فقال " خذها، فانما هي لك او لاخيك او للذيب ". وسيل عن ضالة الابل، فغضب واحمرت وجنتاه، وقال " ما لك ولها، معها الحذاء والسقاء، تشرب الماء، وتاكل الشجر، حتى يلقاها ربها ". وسيل عن اللقطة فقال " اعرف وكاءها وعفاصها، وعرفها سنة، فان جاء من يعرفها، والا فاخلطها بمالك ". قال سفيان فلقيت ربيعة بن ابي عبد الرحمن قال سفيان ولم احفظ عنه شييا غير هذا فقلت ارايت حديث يزيد مولى المنبعث في امر الضالة، هو عن زيد بن خالد قال نعم. قال يحيى ويقول ربيعة عن يزيد مولى المنبعث عن زيد بن خالد. قال سفيان فلقيت ربيعة فقلت له
بَاب الظِّهَارِ ৬৮/২৩. অধ্যায়ঃ যিহার[1]। وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (قَدْ سَمِعَ اللَّهُ قَوْلَ الَّتِي تُجَادِلُكَ فِي زَوْجِهَا) إِلَى قَوْلِهِ: (فَمَنْ لَمْ يَسْتَطِعْ فَإِطْعَامُ سِتِّينَ مِسْكِينًا আল্লাহ বলেছেনঃ আল্লাহ তার কথা শুনেছেন যে নারী (খাওলাহ বিনত সা‘লাবাহ) তার স্বামীর বিষয়ে তোমার সাথে বাদানুবাদ করছে আর আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাচ্ছে, আল্লাহ তোমাদের দু’জনের কথা শুনছেন.....আর যে তা করতে পারবে না, সে ষাট জন মিসকীনকে খাবার খাওয়াবে।’ ... পর্যন্ত। (সূরাহ মুজাদালাহ ৫৮/১-৪) وَقَالَ لِي إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنِي مَالِكٌ أَنَّه“ سَأَلَ ابْنَ شِهَابٍ عَنْ ظِهَارِ الْعَبْدِ فَقَالَ نَحْوَ ظِهَارِ الْحُرِّ قَالَ مَالِكٌ وَصِيَامُ الْعَبْدِ شَهْرَانِ وَقَالَ الْحَسَنُ بْنُ الْحُرِّ ظِهَارُ الْحُرِّوَالْعَبْدِ مِنَ الْحُرَّةِ وَالأَمَةِ سَوَاءٌ وَقَالَ عِكْرِمَةُ إِنْ ظَاهَرَ مِنْ أَمَتِه„ فَلَيْسَ بِشَيْءٍ إِنَّمَا الظِّهَارُ مِنَ النِّسَاءِ وَفِي الْعَرَبِيَّةِ لِمَا قَالُوا أَيْ فِيمَا قَالُوا وَفِي بَعْضِ مَا قَالُوا وَهٰذَا أَوْلٰى لِأَنَّ اللهَ لَمْ يَدُلَّ عَلَى الْمُنْكَرِ وَقَوْلِ الزُّورِ. [বুখারী (রহ.) বলেন] ইসমাঈল আমাকে বলেছেন, মালিক (রহ.) তাঁর কাছে হাদীস বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইবনু শিহাবকে গোলামের যিহার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। উত্তরে তিনি বললেনঃ আযাদ ব্যক্তির মত। মালিক (রহ.) বলেনঃ গোলাম ব্যক্তি দু’মাস সওম পালন করবে। হাসান ইবনুল হুর্র বলেনঃ আযাদ নারী বা বাঁদীর সঙ্গে আযাদ পুরুষ বা গোলামের যিহার একই রকম। ইকরামাহ বলেনঃ বাঁদীর সঙ্গে যিহার করলে কিছু হবে না। যিহার তো কেবল মুক্ত নারীর ব্যাপারেই প্রযোজ্য। আরবীতে لِمَا قَالُوا ‘‘তারা যা উক্তি করেছিল’’ فِيمَا قَالُوا ও فِي بَعْضِ مَا قَالُوا এর অর্থে ব্যবহৃত হয় অর্থাৎ ‘‘তারা যে সম্পর্কে উক্তি করেছিল তা থেকে .....’’ এবং এরূপই ভাল, কারণ আল্লাহ তা‘আলা অন্যায় ও ভিত্তিহীন কথার পথ দেখান না। وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ يُعَذِّبُ اللهُ بِدَمْعِ الْعَيْنِ وَلٰكِنْ يُعَذِّبُ بِهٰذَا فَأَشَارَ إِلٰى لِسَانِه„ وَقَالَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ أَشَارَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَيَّ أَيْ خُذْ النِّصْفَ وَقَالَتْ أَسْمَاءُ صَلّٰى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي الْكُسُوفِ فَقُلْتُ لِعَائِشَةَ مَا شَأْنُ النَّاسِ وَهِيَ تُصَلِّي فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا إِلٰى الشَّمْسِ فَقُلْتُ آيَةٌ فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا أَنْ نَعَمْ وَقَالَ أَنَسٌ أَوْمَأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَدِه„ إِلٰى أَبِي بَكْرٍ أَنْ يَتَقَدَّمَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَوْمَأَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِيَدِه„ لاَ حَرَجَ وَقَالَ أَبُو قَتَادَةَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِي الصَّيْدِ لِلْمُحْرِمِ آحَدٌ مِنْكُمْ أَمَرَه“ أَنْ يَحْمِلَ عَلَيْهَا أَوْ أَشَارَ إِلَيْهَا قَالُوا لاَ قَالَ فَكُلُوا. ইবনু ‘উমার (রাঃ) বলেন, নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন আল্লাহ চোখের পানির জন্য শাস্তি দিবেন না; তবে শাস্তি দিবেন এটার জন্য এই বলে তিনি মুখের প্রতি ইশারা করলেন। কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার প্রতি ইশারা করে বললেনঃ অর্ধেক লও। আসমা (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্যগ্রহণের সালাত আদায় করেন। ‘আয়িশাহ (রাঃ) সালাত আদায় করছিলেন। এ অবস্থায় আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম ব্যাপার কী? তিনি তাঁর মাথা দ্বারা সূর্যের দিকে ইশারা করলেন। আমি বললামঃ কোন নিদর্শন নাকি? তিনি মাথা নেড়ে বললেনঃ জি হাঁ। আনাস (রাঃ) বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামতাঁর হাত দ্বারা আবূ বাকর (রাঃ)-এর প্রতি ইশারা করে সামনে যেতে বললেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাত দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ কোন দোষ নেই। আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) নবীসাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লা ম মুহরিম-এর ইহরামকারী) শিকার সম্বন্ধে বললেন, তোমাদের কেউ কি তাকে মুহরিমকে) এ কাজে লিপ্ত হবার আদেশ করেছিল বা শিকারের প্রতি ইঙ্গিত করেছিল? লোকেরা বললঃ না। তিনি বললেন, তবে খাও। ৫২৯৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উটে চড়ে তাওয়াফ করলেন। তিনি যখনই ‘রুকনের’ কাছে আসতেন, তখনই এর প্রতি ইঙ্গিত করতেন এবং ‘‘আল্লাহু আকবার’’ বলতেন। যাইনাব (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ‘‘ইয়াজুজ ও মাজূজ’’ এদের দরজা এভাবে খুলে গেছে; এই বলে তিনি (তাঁর আঙ্গুলকে) নব্বই এর মত করলেন। (অর্থাৎ শাহাদাত অঙ্গুলের মাথা বৃদ্ধাঙ্গুলির গোড়ায় রাখলেন।) [১৬০৭] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জুমু‘আহর দিনে এমন একটি মুহূর্ত আছে, যে মুহূর্তে কোন মুসলিম দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করে আল্লাহর কাছে যে কোন কল্যাণ চায় আল্লাহ অবশ্যই তা মঞ্জুর করে থাকেন। তিনি নিজ হাত দ্বারা ইশারা করেন এবং তাঁর আঙ্গুলগুলো মধ্যমা ও কনিষ্ঠা আঙ্গুলের পেটে রাখেন। আমরা বললামঃ তিনি স্বল্পতা বুঝাতে চাচ্ছেন।
حدثنا مسدد، حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا سلمة بن علقمة، عن محمد بن سيرين، عن ابي هريرة، قال قال ابو القاسم صلى الله عليه وسلم " في الجمعة ساعة لا يوافقها مسلم قايم يصلي، فسال الله خيرا، الا اعطاه ". وقال بيده، ووضع انملته على بطن الوسطى والخنصر. قلنا يزهدها
উওয়ায়সী (রহ.) বলেনঃ ইবরাহীম ইবনু সা’দ শু’বাহ ইবনু হাজ্জাজ থেকে, তিনি হিশাম ইবনু যায়দ থেকে, তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে এক ইয়াহূদী একটি বালিকার উপর নির্যাতন করে তার অলঙ্কারাদি ছিনিয়ে নেয়। আর পাথর দ্বারা) তার মস্তক চূর্ণ করে। সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পূর্ব মুহূর্তে তার পরিবারের লোকেরা তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে নিয়ে আসে। তখন সে চুপচাপ ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক নির্দোষ ব্যক্তির নাম (ধরে) তাকে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমাকে কি অমুক হত্যা করেছে? সে মাথার ইশারায় বললঃ না। তিনি অন্য এক নিরপরাধ লোকের নাম ধরে বললেন, তবে কি অমুক? সে ইশারায় জানাল, না। এবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত্যাকারীর নাম ধরে বললেনঃ তবে অমুক ব্যক্তি মেরেছে কি? সে মাথা হেলিয়ে বললঃ জি, হ্যাঁ। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশক্রমে উক্ত ব্যক্তির মাথা দু’পাথরের মাঝে রেখে চূর্ণ করা হলো। [২৪১৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
وقال الاويسي حدثنا ابراهيم بن سعد، عن شعبة بن الحجاج، عن هشام بن زيد، عن انس بن مالك، قال عدا يهودي في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم على جارية، فاخذ اوضاحا كانت عليها ورضخ راسها، فاتى بها اهلها رسول الله صلى الله عليه وسلم وهى في اخر رمق، وقد اصمتت، فقال لها رسول الله صلى الله عليه وسلم " من قتلك فلان ". لغير الذي قتلها، فاشارت براسها ان لا، قال فقال لرجل اخر غير الذي قتلها، فاشارت ان لا، فقال " ففلان ". لقاتلها فاشارت ان نعم، فامر به رسول الله صلى الله عليه وسلم فرضخ راسه بين حجرين
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি, ফিতনা বিপর্যয়) এদিক থেকে আসবে। তিনি পূর্ব দিকে ইশারা করলেন। [৩১০৪] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول " الفتنة من ها هنا ". واشار الى المشرق
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা কোন এক সফরে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। সূর্য অস্তমিত হলে তিনি এক ব্যক্তি (বিলাল)-কে বললেনঃ নেমে যাও, আমার জন্য ছাতু প্রস্তুত কর। সে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি আপনি সন্ধ্যা নাগাদ অপেক্ষা করতেন। (তাহলে সওম পূর্ণ হত)। তিনি পুনরায় বললেনঃ নেমে গিয়ে ছাতু মাখ। সে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি সন্ধ্যা হতে দিতেন! এখনো তে দিন রয়ে গেছে। তিনি আবার বললেনঃ যাও, গিয়ে ছাতু প্রস্তুত কর। তৃতীয়বার আদেশ দেয়ার পর সে নামল এবং তাঁর জন্য ছাতু প্রস্তুত করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা খেলেন। এরপর তিনি পূর্বদিকে হাত দিয়ে ইশারা করে বললেনঃ যখন তোমরা ওদিক থেকে রাত্রি নেমে আসতে দেখবে, তখন সওমকারী ইফতার করবে। [১৯৪১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا جرير بن عبد الحميد، عن ابي اسحاق الشيباني، عن عبد الله بن ابي اوفى، قال كنا في سفر مع رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما غربت الشمس قال لرجل " انزل فاجدح لي ". قال يا رسول الله لو امسيت. ثم قال " انزل فاجدح ". قال يا رسول الله لو امسيت ان عليك نهارا. ثم قال " انزل فاجدح ". فنزل فجدح له في الثالثة، فشرب رسول الله صلى الله عليه وسلم ثم اوما بيده الى المشرق فقال " اذا رايتم الليل قد اقبل من ها هنا فقد افطر الصايم
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিলালের আহবান বা তার আযান যেন তোমাদের কাউকে সাহরী থেকে বিরত না রাখে। কারণ, সে আযান দেয়, যাতে তোমাদের রাত্রি জাগরণকারীরা কিছু আরাম করতে পারে। সকাল বা ফজর হয়েছে এটা বুঝানো তার উদ্দেশ্য নয়। ইয়াযীদ তার হাত দু’টি সামনে বিস্তার করে দু’দিকে ছড়িয়ে দিলেন। সুব্হে সাদিক কিভাবে উদ্ভাসিত হয় তা দেখানোর জন্য)। [৬২১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا يزيد بن زريع، عن سليمان التيمي، عن ابي عثمان، عن عبد الله بن مسعود رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا يمنعن احدا منكم نداء بلال او قال اذانه من سحوره، فانما ينادي او قال يوذن ليرجع قايمكم ". وليس ان يقول كانه يعني الصبح او الفجر، واظهر يزيد يديه ثم مد احداهما من الاخرى
লায়স (রহ.) বলেন, জা’ফর ইবনু রাবী’আ, ‘আবদুর রহমান ইবনু হুরমুয থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাঃ)-এর কাছে শুনেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বখিল ও দাতা ব্যক্তির উদাহরণ হচ্ছে এমন দু’ব্যক্তির মত, যাদের পরিধানে বুক থেকে গলার হাড় পর্যন্ত লৌহ-নির্মিত পোশাক রয়েছে। দানকারী যখনই কিছু দান করে, তখনই তার শরীরের পোশাকটি বড় ও প্রশস্ত হতে থাকে, এমনকি এটা তার আঙ্গুল ও অন্যান্য অঙ্গগুলোকে ঢেকে ফেলে। অন্যদিকে, বখিল যখনই দান করার ইচ্ছা করে, তখনই তার পোশাকে তার কণ্ঠনালীর প্রতিটি অংশ সংকুচিত হয়ে যায়। সে প্রশস্ত করার চেষ্টা করলেও সেটা প্রশস্ত হয় না। এ কথা বলে তিনি নিজের আঙ্গুল দ্বারা কণ্ঠনালীর প্রতি ইশারা করলেন। আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
وقال الليث حدثني جعفر بن ربيعة، عن عبد الرحمن بن هرمز، سمعت ابا هريرة، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " مثل البخيل والمنفق كمثل رجلين عليهما جبتان من حديد، من لدن ثدييهما الى تراقيهما، فاما المنفق فلا ينفق شييا الا مادت على جلده حتى تجن بنانه وتعفو اثره، واما البخيل فلا يريد ينفق الا لزمت كل حلقة موضعها، فهو يوسعها فلا تتسع ". ويشير باصبعه الى حلقه
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى: (وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ شُهَدَاءُ إِلاَّ أَنْفُسُهُمْ) إِلَى قَوْلِهِ: (مِنَ الصَّادِقِينَ) মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আর যারা নিজেদের স্ত্রীদের উপর অপবাদ দেয়, কিন্তু নিজেদের ছাড়া তাদের অন্য কোন সাক্ষী না থাকে........... থেকে-‘‘যদি সে সত্যবাদী হয়’’ সূরাহ আন-নূর ২৪ঃ ৬-৯) পর্যন্ত! فَإِذَا قَذَفَ الأَخْرَسُ امْرَأَتَهُ بِكِتَابَةٍ أَوْ إِشَارَةٍ أَوْ بِإِيمَاءٍ مَعْرُوفٍ، فَهْوَ كَالْمُتَكَلِّمِ، لأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَدْ أَجَازَ الإِشَارَةَ فِي الْفَرَائِضِ، وَهْوَ قَوْلُ بَعْضِ أَهْلِ الْحِجَازِ وَأَهْلِ الْعِلْمِ، وَقَالَ اللَّهُ تَعَالَى: (فَأَشَارَتْ إِلَيْهِ قَالُوا كَيْفَ نُكَلِّمُ مَنْ كَانَ فِي الْمَهْدِ صَبِيًّا). وَقَالَ الضَّحَّاكُ: (إِلاَّ رَمْزًا) إِشَارَةً. وَقَالَ بَعْضُ النَّاسِ لاَ حَدَّ وَلاَ لِعَانَ. ثُمَّ زَعَمَ أَنَّ الطَّلاَقَ بِكِتَابٍ أَوْ إِشَارَةٍ أَوْ إِيمَاءٍ جَائِزٌ، وَلَيْسَ بَيْنَ الطَّلاَقِ وَالْقَذْفِ فَرْقٌ، فَإِنْ قَالَ الْقَذْفُ لاَ يَكُونُ إِلاَّ بِكَلاَمٍ. قِيلَ لَهُ كَذَلِكَ الطَّلاَقُ لاَ يَجُوزُ إِلاَّ بِكَلاَمٍ، وَإِلاَّ بَطَلَ الطَّلاَقُ وَالْقَذْفُ، وَكَذَلِكَ الْعِتْقُ، وَكَذَلِكَ الأَصَمُّ يُلاَعِنُ. وَقَالَ الشَّعْبِيُّ وَقَتَادَةُ إِذَا قَالَ أَنْتِ طَالِقٌ. فَأَشَارَ بِأَصَابِعِهِ، تَبِينُ مِنْهُ بِإِشَارَتِهِ. وَقَالَ إِبْرَاهِيمُ الأَخْرَسُ إِذَا كَتَبَ الطَّلاَقَ بِيَدِهِ لَزِمَهُ. وَقَالَ حَمَّادٌ الأَخْرَسُ وَالأَصَمُّ إِنْ قَالَ بِرَأْسِهِ جَازَ. যদি কোন বোবা লোক লিখিতভাবে বা ইশারায় কিংবা কোন পরিচিত ইঙ্গিতের মাধ্যমে নিজ স্ত্রীকে অপবাদ দেয়, তাহলে তার হুকুম বাকশক্তি সম্পন্ন মানুষের মতই। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরয বিষয়াবলীতে ইশারা করার অনুমতি দিয়েছেন। এটা হিজাজ ও অন্যান্য স্থানের কিছু সংখ্যক আলিমেরও মত। আল্লাহ বলেছেনঃ ‘‘সে মারইয়াম) সন্তানের প্রতি ইঙ্গিত করলো, লোকেরা বলল, দোলনার শিশুর সঙ্গে আমরা কীভাবে কথা বলব?’’ সূরাহ মারইয়ামঃ ২৯) যাহহাক বলেনঃ (إِلاَّ رَمْزًا) অর্থ ‘‘ইঙ্গিত এবং ইশারার মাধ্যমে।’’ (সূরা আলে-‘ইমরানঃ ৪১) কিছু লোক বলেছেনঃ ইশারার মাধ্যমে কোন হদ্ শর‘ঈ দন্ড) বা লি‘আন নেই, আবার তাদেরই মত হলো লিখিতভাবে কিংবা ইশারা ইঙ্গিতে তালাক দেয়া জায়িয আছে। অথচ তালাক এবং অপবাদের মধ্যে কোন ব্যবধান নেই। যদি তারা বলেঃ কথা বলা ব্যতীত তো অপবাদ দেয়া সম্ভব নয়। তবে তাকে বলা হবে তাহলে তো অনুরূপভাবে কথা বলা ব্যতীত তালাক দেয়াও না জায়িয।অন্যথায় তো তালাক দেয়া, অপবাদ দেয়া এমনিভাবে গোলাম আযাদ করা, কোনটাই ইশারার মাধ্যমে জায়িয হতে পারে না। অনুরূপভাবে বধির ব্যক্তিও লি‘আন করতে পারে। শা’বী ও ক্বাতাদাহ (রহ.) বলেনঃ যদি কেউ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে তার স্ত্রীকে বলে, তুমি তালাকপ্রাপ্তা, তাহলে ইশারার দ্বারা স্ত্রী স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ইবরাহীম বলেনঃ বোবা ব্যক্তি নিজ হাতে তালাক পত্র লিপিবদ্ধ করলে অবশ্যই তালাক হবে। হাম্মাদ বলেনঃ বোবা এবং বধির মাথার ইঙ্গিতে বললেও জায়িয হবে। ৫৩০০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তোমাদের বলব কি, আনসারদের সব চেয়ে উত্তম গোত্র কোনটি? তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! হাঁ বলুন। তিনি বললেনঃ তারা বনূ নাজ্জার। এরপর যারা তাদের নিকটবর্তী বনূ আবদুল আশহাল, এরপর তাদের নিকটবর্তী যারা বনূ হারিস ইবনু খাযরাজ। এরপর তাদের সন্নিকটে বনূ সা‘ঈদা। এরপর তিনি হাত দ্বারা ইশারা করলেন। হাতের আঙ্গুলগুলোকে সঙ্কুচিত করে আবার তা সম্প্রসারিত করলেন। যেমন কেউ কিছু হাতের দ্বারা নিক্ষেপ করার সময় করে থাকে। এরপর বলেনঃ আনসারদের প্রতিটি গোত্রেই কল্যাণ নিহিত আছে। (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবী সাহল ইবনু সা’দ-সা‘ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার আগমন এবং কিয়ামতের মাঝে দূরত্ব এ আঙ্গুল থেকে এ আঙ্গুলের দূরত্বের মত। কিংবা তিনি বলেনঃ এ দু’টির দূরত্বের মত। এই বলে তিনি শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুল দু’টি মিলিত করলেন। [৪৯৩৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال ابو حازم سمعته من، سهل بن سعد الساعدي صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بعثت انا والساعة كهذه من هذه او كهاتين ". وقرن بين السبابة والوسطى
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাস এত, এত এবং এত দিনে হয়, অর্থাৎ ত্রিশ দিনে। তিনি আবার বললেনঃ মাস এত, এত ও এত দিনেও হয়। অর্থাৎ ঊনত্রিশ দিনে। তিনি বলতেনঃ কখনও ত্রিশ দিনে আবার কখনও ঊনত্রিশ দিনে মাস হয়। [১৯০৮; মুসলিম ১৩/২, হাঃ ১০৮০, আহমাদ ৪৬১১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا ادم، حدثنا شعبة، حدثنا جبلة بن سحيم، سمعت ابن عمر، يقول قال النبي صلى الله عليه وسلم " الشهر هكذا وهكذا وهكذا ". يعني ثلاثين، ثم قال " وهكذا وهكذا وهكذا ". يعني تسعا وعشرين يقول، مرة ثلاثين ومرة تسعا وعشرين
আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামনিজ হাত দিয়ে ইয়ামানের দিকে ইঙ্গিত করে দু’বার বললেনঃ ঈমান ওখানে। জেনে রেখ! অন্তরের কঠোরতা ও কাঠিন্য উট পালনকারীদের মধ্যে (কৃষকদের মাঝে)। যে দিকে শয়তানের দু’টি শিং উদিত হবে তাহলো (কঠোর হৃদয়) রাবী‘আ গোত্র ও মুযারা গোত্র। [৩৩০২] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا محمد بن المثنى، حدثنا يحيى بن سعيد، عن اسماعيل، عن قيس، عن ابي مسعود، قال واشار النبي صلى الله عليه وسلم بيده نحو اليمن " الايمان ها هنا مرتين الا وان القسوة وغلظ القلوب في الفدادين حيث يطلع قرنا الشيطان ربيعة ومضر
সাহল (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি ও ইয়াতীমের প্রতিপালনকারী জান্নাতে এমনিভাবে নিকটে থাকবে। এই বলে তিনি শাহাদাত ও মধ্যমা আঙ্গুল দু’টি দ্বারা ইঙ্গিত করলেন এবং এ দু’টির মাঝে কিঞ্চিত ফাঁক রাখলেন। [৬০০৫] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا عمرو بن زرارة، اخبرنا عبد العزيز بن ابي حازم، عن ابيه، عن سهل، قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انا وكافل اليتيم في الجنة هكذا ". واشار بالسبابة والوسطى، وفرج بينهما شييا
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আমার একটি কালো সন্তান জন্মেছে। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার কিছু উট আছে কি? সে জবাব দিল হাঁ। তিনি বললেনঃ সেগুলোর রং কেমন? সে বললঃ লাল। তিনি বললেনঃ সেগুলোর মধ্যে কোনটি ছাই বর্ণের আছে কি? সে বললঃ হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেনঃ তাহলে সেটিতে এমন রং কোত্থেকে এলো। লোকটি বললঃ সম্ভবত পূর্ববর্তী বংশের কারণে এমন হয়েছে। তিনি বললেনঃ তাহলে হতে পারে, তোমার এ সন্তানও বংশগত কারণে এমন হয়েছে। [৬৮৪৭, ৭৩১৪; মুসলিম ১৯/হাঃ ১৫০০, আহমাদ ৭২৬৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة، ان رجلا، اتى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ولد لي غلام اسود. فقال " هل لك من ابل ". قال نعم. قال " ما الوانها ". قال حمر. قال " هل فيها من اورق ". قال نعم. قال " فانى ذلك ". قال لعله نزعه عرق. قال " فلعل ابنك هذا نزعه
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আনসারদের এক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে অপবাদ দিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’জনকেই শপথ করালেন এবং তাদেরকে পৃথক করে দিলেন। [৪৭৪৮] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا موسى بن اسماعيل، حدثنا جويرية، عن نافع، عن عبد الله رضى الله عنه ان رجلا من الانصار قذف امراته فاحلفهما النبي صلى الله عليه وسلم ثم فرق بينهما
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, হিলাল ইবনু উমাইয়্যা তার স্ত্রীকে যিনার) অপবাদ দেয়। তিনি এসে সাক্ষ্য দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে লাগলেনঃ আল্লাহ তা‘আলা অবশ্যই জানেন তোমাদের দু’জনের একজন তো মিথ্যাচারী। অতএব কে তোমাদের দু’জনের মধ্যে তওবা করতে প্রস্তুত আছ? এরপর স্ত্রী লোকটি দাঁড়াল এবং নিজের (দোষমুক্তির) সাক্ষ্য দিল। [২৬৭১] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثني محمد بن بشار، حدثنا ابن ابي عدي، عن هشام بن حسان، حدثنا عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما ان هلال بن امية، قذف امراته، فجاء فشهد والنبي صلى الله عليه وسلم يقول " ان الله يعلم ان احدكما كاذب، فهل منكما تايب ". ثم قامت فشهدت
সাহল ইবনু সা‘দ সা‘ঈদী (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, উওয়াইমির আজলানী (রাঃ) ‘আসিম ইবনু আদী আনসারী (রাঃ)-এর কাছে এসে বললেনঃ হে আসিম! কী বল, যদি কেউ তার স্ত্রীর সঙ্গে অপর লোককে (ব্যভিচার-রত অবস্থায়) পায়, তবে সে কি তাকে হত্যা করবে? আর এতে তোমরাও কি তাকে হত্যা করবে? (যদি সে হত্যা না করে) তাহলে কী করবে? হে আসিম! তুমি আমার এ ব্যাপারটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস কর। এরপর আসিম (রাঃ) এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ধরনের জিজ্ঞাসাবাদ অপছন্দ করলেন এবং অশোভনীয় মনে করলেন। এমন কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আসিম (রাঃ) যা শুনলেন, তাতে তার খুব খারাপ লাগল। আসিম (রাঃ) বাড়ি ফিরলে উওয়াইমির এসে জিজ্ঞেস করলঃ হে আসিম?! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কী উত্তর দিলেন? আসিম (রাঃ) উওয়াইমিরকে বললেনঃ তুমি আমার কাছে কোন ভাল কাজ নিয়ে আসনি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ ধরনের জিজ্ঞাসাকে অপছন্দ করেছেন, সে সম্বন্ধে আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করেছি। উওয়াইমির (রাঃ) বললেন, আল্লাহর শপথ! তাঁকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস না করে ক্ষান্ত হব না। এরপর উওয়াইমির (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এসে তাঁকে লোকদের মাঝে পেলেন এবং তাঁকে জিজ্ঞেস করলেনঃ হে আল্লাহর রাসূল! কী বলেন, কেউ যদি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য লোককে (ব্যভিচার-রত) দেখতে পায়, সে কি তাকে হত্যা করবে? আর আপনারাও কি তাকে হত্যার বদলে হত্যা করবেন? না হলে সে কী করবে? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার ও তোমার স্ত্রীর সম্পর্কে আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে, যাও তাকে নিয়ে এসো। সাহল (রাঃ) বলেন, তারা উভয়ে লি‘আন করল। যে সময় আমি লোকদের সঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে ছিলাম। উভয়ে লি‘আন করা শেষ করলে উওয়াইমির বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি তাকে (স্ত্রী হিসাবে) রাখি, তবে আমি তার উপর মিথ্যারোপ করেছি বলে প্রমাণিত হবে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেয়ার আগেই তিনি স্ত্রীকে তিন তালাক দিলেন। ইবনু শিহাব (রহ.) বলেনঃ উভয়কে বিচ্ছিন্ন করে দেয়াই পরবর্তীতে লি‘আনকারীদ্বয়ের সম্পর্কিত বিধান প্রচলিত হয়ে গেল হিসাবে পরিগণিত হলো। [৪২৩] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن ابن شهاب، ان سهل بن سعد الساعدي، اخبره ان عويمرا العجلاني جاء الى عاصم بن عدي الانصاري فقال له يا عاصم ارايت رجلا وجد مع امراته رجلا، ايقتله فتقتلونه، ام كيف يفعل سل لي يا عاصم عن ذلك. فسال عاصم رسول الله صلى الله عليه وسلم عن ذلك فكره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسايل وعابها، حتى كبر على عاصم ما سمع من رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما رجع عاصم الى اهله جاءه عويمر فقال يا عاصم ماذا قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عاصم لعويمر لم تاتني بخير، قد كره رسول الله صلى الله عليه وسلم المسالة التي سالته عنها. فقال عويمر والله لا انتهي حتى اساله عنها. فاقبل عويمر حتى جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم وسط الناس فقال يا رسول الله ارايت رجلا وجد مع امراته رجلا، ايقتله فتقتلونه ام كيف يفعل فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " قد انزل فيك وفي صاحبتك فاذهب فات بها ". قال سهل فتلاعنا وانا مع الناس عند رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما فرغا من تلاعنهما قال عويمر كذبت عليها يا رسول الله ان امسكتها. فطلقها ثلاثا قبل ان يامره رسول الله صلى الله عليه وسلم. قال ابن شهاب فكانت سنة المتلاعنين
ইবনু জুরাইজ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে ইবনু শিহাব (রহ.) লি‘আন ও তার হুকুম সম্বন্ধে সা’দ গোত্রের সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণনা করেন যে, আনসারদের এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কী বলেন, যদি কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সঙ্গে অন্য লোককে দেখতে পায়, তবে কি সে তাকে হত্যা করবে? অথবা কী করবে? এরপর আল্লাহ তা‘আলা তার ব্যাপারে কুরআনে উল্লেখিত লি‘আনের বিধান অবতীর্ণ করেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আল্লাহ তোমার ও তোমার স্ত্রীর ব্যাপারে ফয়সালা দিয়েছেন। রাবী বলেনঃ আমি উপস্থিত থাকতেই তারা উভয়ে মসজিদে লি‘আন করল। উভয়ের লি‘আন করা শেষ হলে সে ব্যক্তি বললঃ হে আল্লাহর রাসূল! যদি আমি তাকে স্ত্রী হিসাবে রেখে দেই; তবে তার উপর মিথ্যারোপ করেছি বলে গণ্য হবে। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দেয়ার আগেই সে তার স্ত্রীকে তিন তালাক দিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনেই সে তার থেকে পৃথক হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ এই সম্পর্কচ্ছেদই প্রত্যেক লি‘আনকারীদ্বয়ের জন্য বিধান। ইবনু জুরাইজ বলেন, ইবনু শিহাব (রহ.) বলেছেনঃ তাদের পর লি‘আনকারীদ্বয়ের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানোর হুকুম চালু হয়। মহিলাটি ছিল গর্ভবতী। তার বাচ্চাকে মায়ের পরিচয়ে ডাকা হত। বর্ণনাকারী বলেনঃ এরপর ওয়ারিশের ব্যাপারেও হুকুম জারি হল যে, মহিলা সন্তানের ওয়ারিশ হবে এবং সন্তানও তার ওয়ারিশ হবে, যতটুকু আল্লাহ তা‘আলা নির্ধারণ করেছেন। ইবনু জুরাইজ, ইবনু শিহাবের সূত্রে সাহল ইবনু সা’দ সা‘ঈদী থেকে এ হাদীস সম্পর্কে বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি ঐ স্ত্রীলোকটি ওহরার (এক রকম ছোট প্রাণী)র মতো লাল ও বেঁটে সন্তান জন্ম দেয়, তবে বুঝব মহিলাই সত্য বলেছে, আর লোকটি তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে। আর যদি সে কালো চক্ষু বিশিষ্ট বড় নিতম্বযুক্ত সন্তান জন্ম দেয়, তবে বুঝব, লোকটি সত্যই বলেছে। উক্ত মহিলা অপসন্দনীয় আকৃতির বাচ্চা প্রসব করে। [৪২৩] আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন
حدثنا يحيى، اخبرنا عبد الرزاق، اخبرنا ابن جريج، قال اخبرني ابن شهاب، عن الملاعنة، وعن السنة، فيها عن حديث، سهل بن سعد اخي بني ساعدة ان رجلا، من الانصار جاء الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال يا رسول الله ارايت رجلا وجد مع امراته رجلا، ايقتله ام كيف يفعل فانزل الله في شانه ما ذكر في القران من امر المتلاعنين، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " قد قضى الله فيك وفي امراتك ". قال فتلاعنا في المسجد وانا شاهد، فلما فرغا قال كذبت عليها يا رسول الله ان امسكتها. فطلقها ثلاثا قبل ان يامره رسول الله صلى الله عليه وسلم حين فرغا من التلاعن، ففارقها عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ذاك تفريق بين كل متلاعنين ". قال ابن جريج قال ابن شهاب فكانت السنة بعدهما ان يفرق بين المتلاعنين، وكانت حاملا، وكان ابنها يدعى لامه، قال ثم جرت السنة في ميراثها انها ترثه ويرث منها ما فرض الله له. قال ابن جريج عن ابن شهاب عن سهل بن سعد الساعدي في هذا الحديث ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ان جاءت به احمر قصيرا كانه وحرة، فلا اراها الا قد صدقت وكذب عليها، وان جاءت به اسود اعين ذا اليتين، فلا اراه الا قد صدق عليها ". فجاءت به على المكروه من ذلك
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে লি‘আন করার ব্যাপারটি আলোচিত হল। ‘আসিম ইবনু আদী (রাঃ) এ ব্যাপারে একটি কথা জিজ্ঞেস করে চলে গেলেন। এরপর তাঁর গোত্রের এক ব্যক্তি তার কাছে এসে অভিযোগ করল যে, সে তার স্ত্রীর সাথে অন্য এক লোককে পেয়েছে। ‘আসিম (রাঃ) বললেনঃ অযথা জিজ্ঞাসার কারণেই আমি এ ধরনের বিপদে পড়তাম। এরপর তিনি লোকটিকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গেলেন এবং অভিযোগকারীর ব্যাপারটি তাঁকে জানালেন। লোকটি ছিল হলদে শীর্ণকায় ও সোজা চুল বিশিষ্ট। আর ঐ লোকটি যাকে তার স্ত্রীর কাছে পেয়েছে বলে সে অভিযুক্ত করে সে ছিল প্রায় কালো, স্থুল দেহের অধিকারী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে আল্লাহ! সমস্যাটি সমাধান করে দিন। এরপর মহিলা ঐ লোকটির আকৃতি বিশিষ্ট সন্তান জন্ম দিল, যাকে তার স্বামী তার কাছে পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের স্বামী-স্ত্রী উভয়কে লি‘আন করালেন। একব্যক্তি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে সে মজলিসেই জিজ্ঞেস করলঃ এ মহিলা সম্বন্ধেই কি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন? ‘‘আমি যদি কাউকে বিনা প্রমাণে রজম করতাম, তবে একেই রজম করতাম।’’ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেনঃ না, সে ছিলএক মহিলা, যে মুসলিম সমাজে প্রকাশ্যে ব্যভিচারে লিপ্ত থাকত। আবু সলিহ ও ‘আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফের বর্ণনায় آدَمَ خَدِلاً শব্দ এসেছে। [৫৩১৬, ৬৮৫৫, ৬৮৫৬, ৭২৩৮; মুসলিম ১৯/হাঃ ১৪৯৭, আহমাদ ৩৩৬০] (আধুনিক প্রকাশনী- ৪৯১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
حدثنا سعيد بن عفير، قال حدثني الليث، عن يحيى بن سعيد، عن عبد الرحمن بن القاسم، عن القاسم بن محمد، عن ابن عباس، انه ذكر التلاعن عند النبي صلى الله عليه وسلم فقال عاصم بن عدي في ذلك قولا، ثم انصرف، فاتاه رجل من قومه يشكو اليه انه وجد مع امراته رجلا، فقال عاصم ما ابتليت بهذا الا لقولي، فذهب به الى النبي صلى الله عليه وسلم فاخبره بالذي وجد عليه امراته وكان ذلك الرجل مصفرا قليل اللحم سبط الشعر، وكان الذي ادعى عليه انه وجده عند اهله خدلا ادم كثير اللحم فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اللهم بين ". فجاءت شبيها بالرجل الذي ذكر زوجها انه وجده، فلاعن النبي صلى الله عليه وسلم بينهما. قال رجل لابن عباس في المجلس هي التي قال النبي صلى الله عليه وسلم " لو رجمت احدا بغير بينة رجمت هذه ". فقال لا تلك امراة كانت تظهر في الاسلام السوء قال ابو صالح وعبد الله بن يوسف خدلا
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابو عامر عبد الملك بن عمرو، حدثنا ابراهيم، عن خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم على بعيره، وكان كلما اتى على الركن اشار اليه، وكبر. وقالت زينب قال النبي صلى الله عليه وسلم " فتح من ردم ياجوج وماجوج مثل هذه ". وعقد تسعين
حدثنا قتيبة، حدثنا ليث، عن يحيى بن سعيد الانصاري، انه سمع انس بن مالك، يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " الا اخبركم بخير دور الانصار ". قالوا بلى يا رسول الله. قال " بنو النجار، ثم الذين يلونهم بنو عبد الاشهل، ثم الذين يلونهم بنو الحارث بن الخزرج، ثم الذين يلونهم بنو ساعدة ". ثم قال بيده، فقبض اصابعه، ثم بسطهن كالرامي بيده ثم قال " وفي كل دور الانصار خير