Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫২৫ হাদিসসমূহ
ثُمَّ أَنْزَلَ عَلَيْكُمْ مِّنْم بَعْدِ الْغَمِّ أَمَنَةً نُّعَاسًا يَّغْشٰى طَآئِفَةً مِّنْكُمْ لا وَطَآئِفَةٌ قَدْ أَهَمَّتْهُمْ أَنْفُسُهُمْ يَظُنُّوْنَ بِاللهِ غَيْرَ الْحَقِّ ظَنَّ الْجَاهِلِيَّةِ ط يَقُوْلُوْنَ هَلْ لَّنَا مِنَ الْأَمْرِ مِنْ شَيْءٍ ط قُلْ إِنَّ الْأَمْرَ كُلَّه” لِلهِ ط يُخْفُوْنَ فِيْٓ أَنْفُسِهِمْ مَّا لَا يُبْدُوْنَ لَكَ ط يَقُوْلُوْنَ لَوْ كَانَ لَنَا مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ مَّا قُتِلْنَا هٰهُنَا ط قُلْ لَّوْ كُنْتُمْ فِيْ بُيُوْتِكُمْ لَبَرَزَ الَّذِيْنَ كُتِبَ عَلَيْهِمُ الْقَتْلُ إِلٰى مَضَاجِعِهِمْ ج وَلِيَبْتَلِيَ اللهُ مَا فِيْ صُدُوْرِكُمْ وَلِيُمَحِّصَ مَا فِيْ قُلُوْبِكُمْ ط وَاللهُ عَلِيْمٌ م بِذَاتِ الصُّدُوْرِ (154)) তারপর তিনি তোমাদের উপর দুঃখের পর প্রশান্তি অবতীর্ণ করলেন তন্দ্রারূপে, যা তোমাদের একদলকে আচ্ছন্ন করেছিল। আর একদল ছিল যাদের বিব্রত করে রেখেছিল তাদের প্রাণের চিন্তা, তারা আল্লাহর প্রতি জাহিলী যুগের ধারণার মত অবাস্তব ধারণা করেছিল। তারা বলছিলঃ এ ব্যাপারে আমাদের হাতে কি কিছু করার নেই? বলুনঃ নিশ্চয় যাবতীয় বিষয় একমাত্র আল্লাহরই হাতে। তারা নিজেদের মনে গোপন রাখে যা আপনার কাছে প্রকাশ করে না। তারা বলেঃ যদি আমাদের হাতে এ ব্যাপারে কিছু করার থাকত তাহলে আমরা এখানে নিহত হতাম না। বলুনঃ যদি তোমরা নিজেদের ঘরেও থাকতে, তবুও যাদের নিহত হওয়া নির্ধারিত ছিল তারা বেরিয়ে পড়ত নিজেদের মৃত্যুর স্থানের দিকে। এসব এজন্য যে, আল্লাহ তোমাদের মনে যা আছে তা পরীক্ষা করবেন এবং তোমাদের অন্তরে যা আছে তা নির্মল করবেন। মনের গোপন বিষয় আল্লাহ সবিশেষ অবহিত। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৫৪) ৪০৬৮. বর্ণনাকারী বলেন, খলীফা (রহ.) আমার নিকট ...... আবূ ত্বলহা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, উহূদ যুদ্ধের দিন যারা তন্দ্রায় আচ্ছন্ন [1] হয়েছিলেন তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম একজন। এমনকি আমার তলোয়ারটি আমার হাত থেকে কয়েক দফা পড়েও গিয়েছিল। তলোয়ারটি পড়ে যেত, আমি তা তুলে নিতাম, আবার পড়ে যেত, আমি আবার তা তুলে নিতাম। [৪৫৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ অনুচ্ছেদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
وقال لي خليفة حدثنا يزيد بن زريع، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن انس، عن ابي طلحة رضى الله عنهما قال كنت فيمن تغشاه النعاس يوم احد، حتى سقط سيفي من يدي مرارا، يسقط واخذه، ويسقط فاخذه
(لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوْبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظَالِمُوْنَ) قَالَ حُمَيْدٌ وَثَابِتٌ عَنْ أَنَسٍ شُجَّ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يَوْمَ أُحُدٍ فَقَالَ كَيْفَ يُفْلِحُ قَوْمٌ شَجُّوْا نَبِيَّهُمْ فَنَزَلَتْ (لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ). ‘‘আপনার কিছু করণীয় নেই এ ব্যাপারে যে, আল্লাহ তাদের ক্ষমা করবেন অথবা শাস্তি দেবেন। কারণ তারা তো যালিম।’’ (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১২৮) হুমায়দ এবং সাবিত (রহ.) আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, উহূদের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। তখন তিনি বললেন, যারা তাদের নবীকে আঘাত করে তারা কী করে সফল হবে। এ কথার প্রেক্ষাপটেই অবতীর্ণ হয়- (لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ) ৪০৬৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ফজরের সালাতের শেষ রাকআতে রুকূ থেকে মাথা উঠিয়ে سَمِعَ اللهُ لِمَنْ حَمِدَهُ رَبَّنَا وَلَكَ الْحَمْدُ বলার পর বলতে শুনেছেন, হে আল্লাহ! আপনি অমুক, অমুক এবং অমুকের উপর লানত বর্ষণ করুন। তখন আল্লাহ অবতীর্ণ করলেন, তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দেবেন, এ বিষয়ে আপনার কিছুই নেই। কারণ তারা যালিম। [৪০৭০, ৪৫৫৯, ৭৩৪৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن عبد الله السلمي، اخبرنا عبد الله، اخبرنا معمر، عن الزهري، حدثني سالم، عن ابيه، انه سمع رسول الله صلى الله عليه وسلم اذا رفع راسه من الركوع من الركعة الاخرة من الفجر يقول " اللهم العن فلانا وفلانا وفلانا ". بعد ما يقول " سمع الله لمن حمده ربنا ولك الحمد ". فانزل الله {ليس لك من الامر شىء} الى قوله { فانهم ظالمون}
সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাফওয়ান ইবনু উমাইয়াহ, সুহায়ল ইবনু আমর এবং হারিস ইবনু হিশামের জন্য বদদু‘আ করতেন। এ ব্যাপারেই অবতীর্ণ হয়েছে- ‘‘তিনি তাদের প্রতি ক্ষমাশীল হবেন অথবা তাদেরকে শাস্তি দেবেন, এ বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই করার নেই। কারণ তারা যালিম।’’ [৪০৬৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وعن حنظلة بن ابي سفيان، سمعت سالم بن عبد الله، يقول كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يدعو على صفوان بن امية وسهيل بن عمرو والحارث بن هشام فنزلت {ليس لك من الامر شىء} الى قوله {فانهم ظالمون}
সা‘লাবাহ্ ইবনু আবূ মালিক হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ) কতকগুলো চাদর মদিনা্বাসী মহিলাদের মধ্যে বণ্টন করলেন। পরে একটি সুন্দর চাদর বাকী থেকে গেল। তার নিকট উপস্থিত লোকদের একজন বলে উঠলেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! এ চাদরখানা আপনার স্ত্রী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নাতনি ‘আলী (রাঃ)-এর কন্যা উম্মু কুলসুম (রাঃ)-কে দিয়ে দিন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, উম্মু সালীত্ব (রাঃ) তার চেয়েও অধিক হাকদার। উম্মু সালীত্ব (রাঃ) আনসারী মহিলা। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে বায়আত গ্রহণ করেছেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, উহূদের দিন এ মহিলা আমাদের জন্য মশক ভরে পানি এনেছিলেন। [২৮৮১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن يونس، عن ابن شهاب، وقال ثعلبة بن ابي مالك ان عمر بن الخطاب رضى الله عنه قسم مروطا بين نساء من نساء اهل المدينة، فبقي منها مرط جيد، فقال له بعض من عنده يا امير المومنين اعط هذا بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم التي عندك. يريدون ام كلثوم بنت علي. فقال عمر ام سليط احق به. وام سليط من نساء الانصار ممن بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال عمر فانها كانت تزفر لنا القرب يوم احد
জা‘ফার ইবনু ‘আমর ইবনু ‘উমাইয়াহ যামরী (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ‘উবাইদুল্লাহ ইবনু আদী ইবনু খিয়ার (রহ.)-এর সঙ্গে ভ্রমণে বের হলাম। আমরা যখন হিম্স-এ পৌঁছলাম তখন ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) আমাকে বললেন, ওয়াহ্শীর কাছে হামযাহ (রাঃ)-এর শাহাদাত অর্জনের ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে চাও কি? আমি বললাম, হ্যাঁ। ওয়াহ্শী তখন হিম্সে বসবাস করছিলেন। আমরা তার সম্পর্কে (লোকেদেরকে) জিজ্ঞেস করলাম। আমাদেরকে বলা হল, ঐ তো তিনি তার প্রাসাদের ছায়ায় (বসে আছেন) যেন পশমহীন মশক। বর্ণনাকারী বলেন, আমরা গিয়ে তার থেকে সামান্য কিছু দূরে থাকলাম এবং তাকে সালাম করলাম। তিনি আমাদের সালামের জবাব দিলেন। জা‘ফার (রহ.) বর্ণনা করেন, তখন ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) এমনভাবে পাগড়ি পরিহিত ছিলেন সে, ওয়াহ্শী তার দু’ চোখ এবং দু’ পা ব্যতীত আর কিছুই দেখতে পাচ্ছিলেন না। এ অবস্থায় ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) ওয়াহ্শীকে বললেন, হে ওয়াহ্শী! আপনি আমাকে চিনেন কি? বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তখন তাঁর দিকে তাকালেন, অতঃপর বললেন, না, আল্লাহর কসম! আমি আপনাকে চিনি না। তবে এটুকু জানি যে, আদী ইবনু খিয়ার উম্মু কিতাল বিনতু আবুল ঈস নাম্নী এক মহিলাকে বিয়ে করেছিলেন। মক্কা্য় তার একটি সন্তান জন্মিলে আমি তার ধাত্রী খোঁজ করছিলাম, তখন ঐ বাচ্চাকে নিয়ে তার মায়ের সঙ্গে গিয়ে ধাত্রীমাতার কাছে তাকে সোপর্দ করলাম। সে বাচ্চার পা দু’টির মতো আপনার পা দু’টি দেখতে পাচ্ছি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) তার মুখের আবরণ সরিয়ে তাকে জিজ্ঞেস করলেন, হামযাহ (রাঃ)-এর শাহাদাত সম্পর্কে আমাদেরকে বলবেন কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। বাদর যুদ্ধে হামযাহ (রাঃ) তুআইমা ইবনু ‘আদী ইবনু খিয়ারকে হত্যা করেছিলেন। তাই আমার মনিব জুবায়র ইবনু মুতঈম আমাকে বললেন, তুমি যদি আমার চাচার বদলা হিসেবে হামযাকে হত্যা করতে পার তাহলে তুমি মুক্ত। রাবী বলেন, যে বছর উহূদ পর্বত সংলগ্ন আইনাইন পর্বতের উপত্যকায় যুদ্ধ হয়েছিল সে যুদ্ধে আমি সবার সঙ্গে বেরিয়ে যাই। এরপর লড়াইয়ের জন্য সকলে সারিবদ্ধ হলে সিবা নামক এক ব্যক্তি ময়দানে এসে বলল, দ্বনদ্ব যুদ্ধের জন্য কেউ প্রস্তুত আছ কি? ওয়াহ্শী বলেন, তখন হামযাহ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ) তার সামনে গিয়ে বললেন, ওহে মেয়েদের খতনাকারিণী উম্মু আনমারের পোলা সিবা! তুমি কি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সঙ্গে দুশমনী করছ? বর্ণনাকারী বলেন, এরপর তিনি তার উপর প্রচন্ড আঘাত করলেন, যার ফলে সে বিগত দিনের মতো গত হয়ে গেল। ওয়াহ্শী বলেন, আমি হামযাহ (রাঃ)-কে কতল করার উদ্দেশে একটি পাথরের নিচে আত্মগোপন করে ওত পেতে বসেছিলাম। যখন তিনি আমার নিকটবর্তী হলেন আমি আমার বর্শা এমন জোরে নিক্ষেপ করলাম যে, তার মূত্রথলি ভেদ করে নিতম্বের মাঝখান দিয়ে তা বেরিয়ে গেল। ওয়াহ্শী বলেন, এটাই হল তাঁর শাহাদাতের মূল ঘটনা। এরপর সবাই ফিরে এলে আমিও তাদের সঙ্গে ফিরে এসে মক্কা্য় অবস্থান করতে লাগলাম। এরপর মক্কা্য় ইসলাম প্রসারিত হলে আমি তায়েফ চলে গেলাম। কিছুদিনের মধ্যে তায়েফবাসীগণ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে দূত প্রেরণের ব্যবস্থা করলে আমাকে বলা হল যে, তিনি দূতদের প্রতি উত্তেজিত হন না। তাই আমি তাদের সঙ্গে রওয়ানা হলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে গিয়ে হাযির হলাম। তিনি আমাকে দেখে বললেন, তুমিই কি ওয়াহ্শী? আমি বললাম, হ্যাঁ। তিনি বললেন, তুমিই কি হামযাকে কতল করেছিলে? আমি বললাম, আপনার কাছে যে সংবাদ পৌঁছেছে ব্যাপার তাই। তিনি বললেন, আমার সামনে থেকে তোমার চেহারা কি সরিয়ে রাখতে পার? ওয়াহ্শী বলেন, তখন আমি চলে আসলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইন্তিকালের পর মুসাইলামাতুল কায্যাব[1] আবির্ভূত হলে আমি বললাম, আমি অবশ্যই মুসাইলামার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হব এবং তাকে হত্যা করে হামযাহ (রাঃ)-কে হত্যা করার ক্ষতিপূরণ করব। ওয়াহ্শী বলেন, এক সময় আমি দেখলাম যে, হালকা কালো বর্ণের উটের মত উষ্কখুষ্ক চুলবিশিষ্ট এক ব্যক্তি একটি ভগ্ন দেয়ালের আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে। তখন সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার বর্শা দ্বারা তার উপর আঘাত করলাম এবং তার বুকের উপর এমনভাবে বসিয়ে দিলাম যে, তা তার দু’ কাঁধের মাঝ দিয়ে বেরিয়ে গেল। এরপর আনসারী এক সাহাবী এসে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন এবং তলোয়ার দিয়ে তার মাথার খুলিতে প্রচন্ড আঘাত করলেন। ‘আবদুল্লাহ ইবনু ফাযল (রহ.) বর্ণনা করেছেন যে, সুলাইমান ইবনু ইয়াসির (রহ.) আমাকে সংবাদ দিয়েছেন যে, তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন যে, ঘরের ছাদে একটি বালিকা বলছিল, হায়, হায়, আমীরুল মু’মিনীন (মুসাইলামাহ)-কে এক কৃষ্ণকায় গোলাম হত্যা করল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর দন্তের প্রতি ইশারা করে বলছেন, যে সম্প্রদায় তাদের নবীর সঙ্গে এরূপ আচরণ করেছে তাদের প্রতি আল্লাহর গযব অত্যন্ত ভয়াবহ এবং যে ব্যক্তিকে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে হত্যা করেছে তার প্রতিও আল্লাহর গযব অত্যন্ত ভয়ানক। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن نصر، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، سمع ابا هريرة رضى الله عنه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اشتد غضب الله على قوم فعلوا بنبيه يشير الى رباعيته اشتد غضب الله على رجل يقتله رسول الله صلى الله عليه وسلم في سبيل الله
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে ব্যক্তিকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর পথে হত্যা করেছে, তার জন্য আল্লাহর গযব ভয়াবহ। আর যে সম্প্রদায় আল্লাহর নবীর চেহারাকে রক্তাক্ত করেছে তাদের প্রতিও আল্লাহর গযব ভয়াবহ। [৪০৭৬; মুসলিম ৩২/৩৮, হাঃ ১৭৯৩, আহমাদ ৮২২১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني مخلد بن مالك، حدثنا يحيى بن سعيد الاموي، حدثنا ابن جريج، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال اشتد غضب الله على من قتله النبي صلى الله عليه وسلم في سبيل الله، اشتد غضب الله على قوم دموا وجه نبي الله صلى الله عليه وسلم
সাহল ইবনু সা‘দ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আহত হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয়েছিলেন। উত্তরে তিনি বলেছেন, আল্লাহর শপথ! আমি ভালভাবেই জানি কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জখম ধুয়ে দিচ্ছিলেন এবং কে পানি ঢালছিলেন আর কী দিয়ে তার চিকিৎসা করা হয়েছিল। তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা ফাতিমাহ (রাঃ) তা ধুয়ে দিচ্ছিলেন এবং ‘আলী (রাঃ) ঢালে করে পানি এনে ঢালছিলেন। ফাতিমাহ (রাঃ) যখন দেখলেন যে, পানি রক্ত পড়া বন্ধ না করে কেবল তা বৃদ্ধি করছে, তখন তিনি এক টুকরা চাটাই নিয়ে তা পুড়িয়ে লাগিয়ে দিলেন। তখন রক্ত বন্ধ হয়ে গেল। সেদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ডান দিকের একটি দাঁত ভেঙ্গে [1] গিয়েছিল, চেহারা জখম হয়েছিল এবং লৌহ শিরস্ত্রাণ ভেঙ্গে মস্তকে বিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। [২৪৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا يعقوب، عن ابي حازم، انه سمع سهل بن سعد، وهو يسال عن جرح رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال اما والله اني لاعرف من كان يغسل جرح رسول الله صلى الله عليه وسلم ومن كان يسكب الماء وبما دووي قال كانت فاطمة عليها السلام بنت رسول الله صلى الله عليه وسلم تغسله وعلي يسكب الماء بالمجن، فلما رات فاطمة ان الماء لا يزيد الدم الا كثرة اخذت قطعة من حصير، فاحرقتها والصقتها فاستمسك الدم، وكسرت رباعيته يوميذ، وجرح وجهه، وكسرت البيضة على راسه
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর গযব অত্যন্ত ভয়াবহ ঐ ব্যক্তির জন্য, যাকে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হত্যা করেছেন[1] এবং আল্লাহর গযব অত্যন্ত ভয়াবহ ঐ ব্যক্তির জন্যও যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারাকে রক্তাক্ত করেছে। [৪০৭৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عمرو بن علي، حدثنا ابو عاصم، حدثنا ابن جريج، عن عمرو بن دينار، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال اشتد غضب الله على من قتله نبي، اشتد غضب الله على من دمى وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, তিনি উরওয়াহ (রাঃ)-কে বললেন, হে ভাগ্নে জান? ‘‘জখম হওয়ার পর যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আহবানে সাড়া দিয়েছেন, তাদের মধ্যে যারা সৎকাজ করে এবং তাকওয়া অবলম্বন করে তাদের জন্য আছে বিরাট পুরস্কার।’’ (এ আয়াতটিতে যাদের কথা বলা হয়েছে) তাদের মধ্যে তোমার পিতা যুবায়র (রাঃ) এবং আবূ বাকর (রাঃ)-ও ছিলেন। উহূদের দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বহু দুঃখ-কষ্টে আপতিত হয়েছিলেন। মুশরিকগণ চলে গেলে তিনি আশঙ্কা করলেন যে, তারা আবারও ফিরে আসতে পারে। তিনি বললেন, কে এদের পশ্চাদ্ধাবনের জন্য প্রস্তুত আছে। এতে সত্তরজন সাহাবী সাড়া দিয়ে প্রস্তুত হলেন। ‘উরওয়াহ (রাঃ) বলেন, তাদের মধ্যে আবূ বাকর ও যুবায়র (রাঃ)-ও ছিলেন।[1] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، حدثنا ابو معاوية، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها {الذين استجابوا لله والرسول من بعد ما اصابهم القرح للذين احسنوا منهم واتقوا اجر عظيم} قالت لعروة يا ابن اختي كان ابوك منهم الزبير وابو بكر، لما اصاب رسول الله صلى الله عليه وسلم ما اصاب يوم احد، وانصرف عنه المشركون خاف ان يرجعوا قال " من يذهب في اثرهم ". فانتدب منهم سبعون رجلا، قال كان فيهم ابو بكر والزبير
مِنْهُمْ حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ وَالْيَمَانُ وَأَنَسُ بْنُ النَّضْرِ وَمُصْعَبُ بْنُ عُمَيْرٍ. হামযাহ ইবনু ‘আবদুল মুত্তালিব, (হুযাইফাহর পিতা) ইয়ামান, আনাস ইবনু নাসর এবং মুস‘আব ইবনু ‘উমায়র (রাঃ)। ৪০৭৮. ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কিয়ামতের দিন আরবের কোন মানবগোষ্ঠীই আনসারদের তুলনায় অধিক সংখ্যায় শাহীদ এবং অধিক মর্যাদার অধিকারী হবে বলে আমরা জানি না। ক্বাতাদাহ (রহ.) বলেন, আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) আমাকে বলেছেন, উহূদের দিন তাদের সত্তর জন শহীদ হয়েছেন, বিরে মাউনার দিন সত্তর জন শহীদ হয়েছেন এবং ইয়ামামার যুদ্ধের দিন সত্তর জন শহীদ হয়েছেন। বর্ণনাকারী বলেন যে, বিরে মাউনা ঘটেছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবদ্দশায় এবং ইয়ামামার যুদ্ধ হয়েছিল মুসাইলামাতুল কায্যাবের বিরুদ্ধে আবূ বাকর (রাঃ)-এর খিলাফতকালে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عمرو بن علي، حدثنا معاذ بن هشام، قال حدثني ابي، عن قتادة، قال ما نعلم حيا من احياء العرب اكثر شهيدا اعز يوم القيامة من الانصار. قال قتادة وحدثنا انس بن مالك انه قتل منهم يوم احد سبعون، ويوم بير معونة سبعون، ويوم اليمامة سبعون، قال وكان بير معونة على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم، ويوم اليمامة على عهد ابي بكر يوم مسيلمة الكذاب
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, আমার পিতা শাহীদ হলে আমি কাঁদতে লাগলাম এবং তার চেহারা থেকে কাপড় সরিয়ে দিচ্ছিলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ আমাকে নিষেধ করছিলেন। তবে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেননি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (‘আবদুল্লাহর ফুফুকে বললেন) তোমরা তার জন্য কাঁদছ! অথচ জানাযা না উঠানো পর্যন্ত মালায়িকাহ তাদের ডানা দিয়ে তাঁর উপর ছায়া করে রেখেছিল। [১২৪৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، ان جابر بن عبد الله رضى الله عنهما اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الرجلين من قتلى احد في ثوب واحد ثم يقول " ايهم اكثر اخذا للقران ". فاذا اشير له الى احد، قدمه في اللحد، وقال " انا شهيد على هولاء يوم القيامة ". وامر بدفنهم بدمايهم، ولم يصل عليهم، ولم يغسلوا. وقال ابو الوليد عن شعبة، عن ابن المنكدر، قال سمعت جابرا، قال لما قتل ابي جعلت ابكي واكشف الثوب عن وجهه،، فجعل اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ينهوني والنبي صلى الله عليه وسلم لم ينه، وقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تبكيه او ما تبكيه، ما زالت الملايكة تظله باجنحتها حتى رفع
জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, আমার পিতা শাহীদ হলে আমি কাঁদতে লাগলাম এবং তার চেহারা থেকে কাপড় সরিয়ে দিচ্ছিলাম। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ আমাকে নিষেধ করছিলেন। তবে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিষেধ করেননি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম (‘আবদুল্লাহর ফুফুকে বললেন) তোমরা তার জন্য কাঁদছ! অথচ জানাযা না উঠানো পর্যন্ত মালায়িকাহ তাদের ডানা দিয়ে তাঁর উপর ছায়া করে রেখেছিল। [১২৪৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن كعب بن مالك، ان جابر بن عبد الله رضى الله عنهما اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يجمع بين الرجلين من قتلى احد في ثوب واحد ثم يقول " ايهم اكثر اخذا للقران ". فاذا اشير له الى احد، قدمه في اللحد، وقال " انا شهيد على هولاء يوم القيامة ". وامر بدفنهم بدمايهم، ولم يصل عليهم، ولم يغسلوا. وقال ابو الوليد عن شعبة، عن ابن المنكدر، قال سمعت جابرا، قال لما قتل ابي جعلت ابكي واكشف الثوب عن وجهه،، فجعل اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ينهوني والنبي صلى الله عليه وسلم لم ينه، وقال النبي صلى الله عليه وسلم " لا تبكيه او ما تبكيه، ما زالت الملايكة تظله باجنحتها حتى رفع
আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি স্বপ্নে দেখলাম যে, আমি একটি তরবারি আন্দোলিত করলাম, অমনি এর মধ্যস্থলে ভেঙ্গে গেল। (বুঝলাম) এটা হল উহূদ যুদ্ধে মু’মিনদের উপর আপতিত বিপদেরই স্বপ্ন রূপ। এরপর ওটিকে আবার আন্দোলিত করলাম। এতে ওটা আগের চেয়েও সুন্দর হয়ে গেল। এটা হল যে বিজয় আল্লাহ এনে দিয়েছিলেন এবং মু’মিনদের একতাবদ্ধ হওয়া এবং স্বপ্নে আমি একটি গরুও দেখেছিলাম। উহূদ যুদ্ধে মু’মিনদের শাহাদাত লাভ হচ্ছে এর ব্যাখ্যা। আল্লাহর সকল কাজ কল্যাণময়। [৩৬২২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن بريد بن عبد الله بن ابي بردة، عن جده ابي بردة، عن ابي موسى رضى الله عنه ارى عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " رايت في روياى اني هززت سيفا فانقطع صدره، فاذا هو ما اصيب من المومنين يوم احد، ثم هززته اخرى فعاد احسن ما كان، فاذا هو ما جاء به الله من الفتح واجتماع المومنين، ورايت فيها بقرا والله خير، فاذا هم المومنون يوم احد
খাব্বাব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হিজরাত করেছিলাম। এতে আমরা চেয়েছি একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি। আল্লাহর কাছে আমাদের প্রতিদান নির্ধারিত হয়ে গেছে। আমাদের মধ্য থেকে কেউ কেউ গত হয়েছেন বা চলে গেছেন। অথচ প্রতিদান তিনি কিছুই ভোগ করতে পারেননি। মুস‘আব ইবনু ‘উমায়র (রাঃ) ছিলেন তাদের মধ্যে একজন। উহূদের দিন তিনি শাহীদ হন। একখানা মোটা চাদর ব্যতীত তিনি আর কিছুই রেখে যাননি। এ দ্বারা আমরা তাঁর মাথা ঢাকলে পা দু’খানা বেরিয়ে যেত এবং পা দু’খানা আবৃত করলে মাথা বেরিয়ে যেত। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বললেন, ওটা দিয়ে তার মাথা ঢেকে দাও এবং উভয় পা ইযখির দ্বারা আবৃত করে দাও। অথবা বললেন (বর্ণনাকারীর সন্দেহ), তাঁর উভয় পায়ের উপর ইযখির দিয়ে দাও। আর আমাদের মধ্যে কেউ এমনও আছেন, যার ফল ভালভাবে পেকেছে, আর তা তিনি ভোগ করছেন। [১২৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا الاعمش، عن شقيق، عن خباب رضى الله عنه قال هاجرنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ونحن نبتغي وجه الله، فوجب اجرنا على الله، فمنا من مضى او ذهب لم ياكل من اجره شييا، كان منهم مصعب بن عمير قتل يوم احد، فلم يترك الا نمرة كنا اذا غطينا بها راسه خرجت رجلاه، واذا غطي بها رجلاه خرج راسه، فقال لنا النبي صلى الله عليه وسلم " غطوا بها راسه، واجعلوا على رجليه الاذخر ". او قال " القوا على رجليه من الاذخر ". ومنا من اينعت له ثمرته فهو يهدبها
قَالَهُ عَبَّاسُ بْنُ سَهْلٍ عَنْ أَبِيْ حُمَيْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‘আব্বাস ইবনু সাহল (রহ.) আবূ হুমায়দ (রাঃ)-এর বাচনিক নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। ৪০৮৩. ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ)-এর নিকট থেকে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, এ (উহূদ) পর্বত আমাদেরকে ভালবাসে আর আমরাও একে ভালবাসি। [৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني نصر بن علي، قال اخبرني ابي، عن قرة بن خالد، عن قتادة، سمعت انسا رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " هذا جبل يحبنا ونحبه
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, উহূদ পর্বত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দৃষ্টিগোচর হলে তিনি বললেন, এ পর্বত আমাদেরকে ভালবাসে এবং আমরাও একে ভালবাসি। হে আল্লাহ! ইবরাহীম (আঃ) মক্কা্কে হারাম হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন এবং আমি দু’টি কঙ্করময় স্থানের মধ্যবর্তী জায়গাকে (মদিনা্কে) হারাম হিসেবে ঘোষণা করছি। [৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن عمرو، مولى المطلب عن انس بن مالك رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم طلع له احد فقال " هذا جبل يحبنا ونحبه، اللهم ان ابراهيم حرم مكة، واني حرمت ما بين لابتيها
‘উকবাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একদা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বের হলেন এবং উহূদের শাহীদগণের জন্য জানাযার সালাতের মতো সালাত আদায় করলেন। এরপর মিম্বরের দিকে ফিরে এসে বললেন, আমি তোমাদের অগ্রগামী ব্যক্তি এবং আমি তোমাদের সাক্ষ্যদাতা। আমি এ মুহূর্তে আমার হাউয (কাউসার) দেখতে পাচ্ছি। আমাকে পৃথিবীর ধনভান্ডারের চাবি দেয়া হয়েছে অথবা বললেন (বর্ণনাকারীর সন্দেহ), আমাকে পৃথিবীর চাবি দেয়া হয়েছে। আল্লাহর কসম! আমার ইন্তিকালের পর তোমরা শির্কে লিপ্ত হবে- তোমাদের ব্যাপারে আমার এ ধরনের কোন আশঙ্কা নেই। তবে আমি তোমাদের ব্যাপারে আশঙ্কা করি যে, তোমরা পৃথিবীতে পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হবে। [১৩৪৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عمرو بن خالد، حدثنا الليث، عن يزيد بن ابي حبيب، عن ابي الخير، عن عقبة، ان النبي صلى الله عليه وسلم خرج يوما فصلى على اهل احد صلاته على الميت، ثم انصرف الى المنبر فقال " اني فرط لكم، وانا شهيد عليكم، واني لانظر الى حوضي الان، واني اعطيت مفاتيح خزاين الارض او مفاتيح الارض واني والله ما اخاف عليكم ان تشركوا بعدي، ولكني اخاف عليكم ان تنافسوا فيها
قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ حَدَّثَنَا عَاصِمُ بْنُ عُمَرَ أَنَّهَا بَعْدَ أُحُدٍ. ইবনু ইসহাক (রহ.) বলেন, আসিম ইবনু ‘উমার (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, রাজীর যুদ্ধ হয়েছিল উহূদের পর। ৪০৮৬. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসিম ইবনু ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নানা আসিম ইবনু সাবিত আনসারী (রাঃ)-এর নেতৃত্বে একটি গোয়েন্দা দল প্রেরণ করলেন। যেতে যেতে তারা ‘উসফান ও মক্কা্য় মধ্যবর্তী স্থানে পৌঁছলে হুযায়ল গোত্রের একটি শাখা বানী লিহ্ইয়ানের নিকট তাঁদের আগমনের কথা জানিয়ে দেয়া হল। এ সংবাদ পাওয়ার পর বানী লিহ্ইয়ানের প্রায় একশ’ তীরন্দাজ তাদের ধাওয়া করল। দলটি তাদের (মুসলিম গোয়েন্দা দলের) পদচিহ্ন অনুসরণ করে এমন এক স্থানে গিয়ে পৌঁছল, যে স্থানে অবতরণ করে সাহাবীগণ খেজুর খেয়েছিলেন। তারা সেখানে খেজুরের আঁটি দেখতে পেল যা সাহাবীগণ মদিনা থেকে পাথেয়রূপে এনেছিলেন। তখন তারা বলল, এগুলো তো ইয়াসরিবের খেজুর (এর আঁটি)। এরপর তারা পদচিহ্ন ধরে খুঁজতে খুঁজতে শেষ পর্যন্ত তাঁদেরকে ধরে ফেলল। আসিম ও তাঁর সাথীগণ বুঝতে পেরে ফাদফাদ নামক টিলায় উঠে আশ্রয় নিলেন। এবার শত্রুদল এসে তাঁদেরকে ঘিরে ফেলল এবং বলল, আমরা তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, যদি তোমরা নেমে আস তাহলে আমরা তোমাদের একজনকেও হত্যা করব না। আসিম (রাঃ) বললেন, আমি কোন কাফেরের প্রতিশ্রুতিতে আশ্বস্ত হয়ে এখান থেকে অবতরণ করব না। হে আল্লাহ! আমাদের এ সংবাদ আপনার রাসূলের নিকট পৌঁছিয়ে দিন। এরপর তারা মুসলিম গোয়েন্দা দলের প্রতি আক্রমণ করল এবং তীর বর্ষণ করতে শুরু করল। এভাবে তারা আসিম (রাঃ)-সহ সাতজনকে তীর নিক্ষেপ করে শহীদ করে দিল। এখন শুধু বাকী থাকলেন খুবায়ব (রাঃ), যায়দ (রাঃ) এবং অপর একজন (‘আবদুল্লাহ ইবনু তারিক) সাহাবী (রাঃ)। পুনরায় তারা তাদেরকে ওয়াদা দিল। এই ওয়াদায় আশ্বস্ত হয়ে তাঁরা তাদের কাছে নেমে এলেন। এবার তারা তাঁদেরকে কাবু করে ফেলার পর নিজেদের ধনুকের তার খুলে এর দ্বারা তাঁদেরকে বেঁধে ফেলল। এ দেখে তাঁদের সাথী তৃতীয় সাহাবী (‘আবদুল্লাহ ইবনু তারিক) (রাঃ) বললেন, এটাই প্রথম বিশ্বাসঘাতকতা। তাই তিনি সঙ্গে যেতে অস্বীকার করলেন। তারা তাঁকে তাদের সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার জন্য বহু টানা-হেঁচড়া করল এবং বহু চেষ্টা করল। কিন্তু তিনি তাতে রাযী হলেন না। অবশেষে কাফিররা তাঁকে শহীদ করে দিল এবং খুবায়ব ও যায়দ (রাঃ)-কে মক্কার বাজারে নিয়ে বিক্রি করে দিল। বানী হারিস ইবনু আমির ইবনু নাওফল গোত্রের লোকেরা খুবায়ব (রাঃ)-কে কিনে নিল। কেননা বাদর যুদ্ধের দিন খুবায়ব (রাঃ) হারিসকে হত্যা করেছিলেন। তাই তিনি তাদের নিকট বেশ কিছু দিন বন্দী অবস্থায় কাটান। অবশেষে তারা তাঁকে হত্যা করার দৃঢ় সংকল্প করলে তিনি নাভির নিচের পশম পরিষ্কার করার জন্য হারিসের কোন এক কন্যার নিকট থেকে একখানা ক্ষুর চাইলেন। সে তাঁকে তা দিল। (পরবর্তীকালে মুসলিম হওয়ার পর) হারিসের উক্ত কন্যা বর্ণনা করছেন যে, আমি আমার একটি শিশু বাচ্চা সম্পর্কে অসাবধান থাকায় সে পায়ে হেঁটে তাঁর কাছে চলে যায় এবং তিনি তাকে স্বীয় উরুর উপর বসিয়ে রাখেন। এ সময় তাঁর হাতে ছিল সেই ক্ষুর। এ দেখে আমি অত্যন্ত ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ি। খুবায়ব (রাঃ) তা বুঝতে পেরে বললেন, তাকে মেরে ফেলব বলে তুমি কি ভয় পাচ্ছ? ইনশাআল্লাহ আমি তা করার নই। সে (হারিসের কন্যা) বলত, আমি খুবায়ব (রাঃ) থেকে উত্তম বন্দী আর কখনো দেখিনি। আমি তাকে আঙ্গুরের থোকা থেকে আঙ্গুর খেতে দেখেছি। অথচ তখন মক্কা্য় কোন ফলই ছিল না। অধিকন্তু তিনি তখন লোহার শিকলে আবদ্ধ ছিলেন। এ আঙ্গুর তার জন্য আল্লাহর তরফ থেকে প্রদত্ত রিযিক ব্যতীত আর কিছুই নয়। এরপর তারা তাঁকে হত্যা করার জন্য হারামের বাইরে নিয়ে গেল। তিনি তাদেরকে বললেন, আমাকে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করার সুযোগ দাও। (সালাত আদায় করে) তিনি তাদের কাছে ফিরে এসে বললেন, আমি মৃত্যুর ভয়ে শঙ্কিত হয়ে পড়েছি, তোমরা যদি এ কথা মনে না করতে তাহলে আমি (সালাতকে) আরো দীর্ঘায়িত করতাম। হত্যার পূর্বে দু’রাক‘আত সালাত আদায়ের সুন্নাত প্রবর্তন করেছেন সর্বপ্রথম তিনিই। এরপর তিনি বললেন, হে আল্লাহ! তাদেরকে এক এক করে গুণে রাখুন। এরপর তিনি দু’টি পংক্তি আবৃত্তি করলেন- ‘‘যেহেতু আমি মুসলিম হিসেবে মৃত্যুবরণ করছি তাই আমার শঙ্কা নেই, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে যে কোন পার্শ্বে আমি ঢলে পড়ি। আমি যেহেতু আল্লাহর পথেই মৃত্যুবরণ করছি তাই ইচ্ছা করলে, আল্লাহ ছিন্নভিন্ন প্রতিটি অঙ্গে বারাকাত দান করতে পারেন।’’ এরপর ‘উকবাহ ইবনু হারিস তাঁর দিকে এগিয়ে গেল এবং তাঁকে শহীদ করে দিল। কুরায়শ গোত্রের লোকেরা আসিম (রাঃ)-এ শাহাদাতের ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার জন্য তাঁর মৃতদেহ থেকে কিছু অংশ নিয়ে আসার জন্য লোক পাঠিয়েছিল। কারণ ‘আসিম (রাঃ) বাদর যুদ্ধের দিন তাদের একজন বড় নেতাকে হত্যা করেছিলেন। তখন আল্লাহ মেঘের মতো এক ঝাঁক মৌমাছি পাঠিয়ে দিলেন, যা তাদের প্রেরিত লোকদের হাত থেকে আসিম (রাঃ)-কে রক্ষা করল। ফলে তাঁরা তাঁর দেহ থেকে থেকে কোন অংশ নিতে সক্ষম হল না। [৩০৪৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, খুবায়ব (রাঃ)-এর হত্যাকারী হল আবূ সিরওয়া (‘উকবাহ ইবনু হারিস)। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن عمرو، سمع جابرا، يقول الذي قتل خبيبا هو ابو سروعة
حدثني ابو جعفر، محمد بن عبد الله حدثنا حجين بن المثنى، حدثنا عبد العزيز بن عبد الله بن ابي سلمة، عن عبد الله بن الفضل، عن سليمان بن يسار، عن جعفر بن عمرو بن امية الضمري، قال خرجت مع عبيد الله بن عدي بن الخيار، فلما قدمنا حمص قال لي عبيد الله هل لك في وحشي نساله عن قتل حمزة قلت نعم. وكان وحشي يسكن حمص فسالنا عنه فقيل لنا هو ذاك في ظل قصره، كانه حميت. قال فجينا حتى وقفنا عليه بيسير، فسلمنا، فرد السلام، قال وعبيد الله معتجر بعمامته، ما يرى وحشي الا عينيه ورجليه، فقال عبيد الله يا وحشي اتعرفني قال فنظر اليه ثم قال لا والله الا اني اعلم ان عدي بن الخيار تزوج امراة يقال لها ام قتال بنت ابي العيص، فولدت له غلاما بمكة، فكنت استرضع له، فحملت ذلك الغلام مع امه، فناولتها اياه، فلكاني نظرت الى قدميك. قال فكشف عبيد الله عن وجهه ثم قال الا تخبرنا بقتل حمزة قال نعم، ان حمزة قتل طعيمة بن عدي بن الخيار ببدر، فقال لي مولاى جبير بن مطعم ان قتلت حمزة بعمي فانت حر، قال فلما ان خرج الناس عام عينين وعينين جبل بحيال احد، بينه وبينه واد خرجت مع الناس الى القتال، فلما اصطفوا للقتال خرج سباع فقال هل من مبارز قال فخرج اليه حمزة بن عبد المطلب فقال يا سباع يا ابن ام انمار مقطعة البظور، اتحاد الله ورسوله صلى الله عليه وسلم قال ثم شد عليه فكان كامس الذاهب قال وكمنت لحمزة تحت صخرة فلما دنا مني رميته بحربتي، فاضعها في ثنته حتى خرجت من بين وركيه قال فكان ذاك العهد به، فلما رجع الناس رجعت معهم فاقمت بمكة، حتى فشا فيها الاسلام، ثم خرجت الى الطايف، فارسلوا الى رسول الله صلى الله عليه وسلم رسولا، فقيل لي انه لا يهيج الرسل قال فخرجت معهم حتى قدمت على رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما راني قال " انت وحشي ". قلت نعم. قال " انت قتلت حمزة ". قلت قد كان من الامر ما بلغك. قال " فهل تستطيع ان تغيب وجهك عني ". قال فخرجت، فلما قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم فخرج مسيلمة الكذاب قلت لاخرجن الى مسيلمة لعلي اقتله فاكافي به حمزة قال فخرجت مع الناس، فكان من امره ما كان قال فاذا رجل قايم في ثلمة جدار، كانه جمل اورق ثاير الراس قال فرميته بحربتي، فاضعها بين ثدييه حتى خرجت من بين كتفيه قال ووثب اليه رجل من الانصار، فضربه بالسيف على هامته. قال قال عبد الله بن الفضل فاخبرني سليمان بن يسار انه سمع عبد الله بن عمر يقول فقالت جارية على ظهر بيت وا امير المومنين، قتله العبد الاسود
حدثني ابراهيم بن موسى، اخبرنا هشام بن يوسف، عن معمر، عن الزهري، عن عمرو بن ابي سفيان الثقفي، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم سرية عينا، وامر عليهم عاصم بن ثابت وهو جد عاصم بن عمر بن الخطاب فانطلقوا حتى اذا كان بين عسفان ومكة ذكروا لحي من هذيل، يقال لهم بنو لحيان، فتبعوهم بقريب من ماية رام، فاقتصوا اثارهم حتى اتوا منزلا نزلوه فوجدوا فيه نوى تمر تزودوه من المدينة فقالوا هذا تمر يثرب. فتبعوا اثارهم حتى لحقوهم، فلما انتهى عاصم واصحابه لجيوا الى فدفد، وجاء القوم فاحاطوا بهم، فقالوا لكم العهد والميثاق ان نزلتم الينا ان لا نقتل منكم رجلا. فقال عاصم اما انا فلا انزل في ذمة كافر، اللهم اخبر عنا نبيك. فقاتلوهم حتى قتلوا عاصما في سبعة نفر بالنبل، وبقي خبيب، وزيد ورجل اخر، فاعطوهم العهد والميثاق، فلما اعطوهم العهد والميثاق نزلوا اليهم، فلما استمكنوا منهم حلوا اوتار قسيهم فربطوهم بها. فقال الرجل الثالث الذي معهما هذا اول الغدر. فابى ان يصحبهم فجرروه وعالجوه على ان يصحبهم، فلم يفعل، فقتلوه، وانطلقوا بخبيب وزيد حتى باعوهما بمكة، فاشترى خبيبا بنو الحارث بن عامر بن نوفل، وكان خبيب هو قتل الحارث يوم بدر، فمكث عندهم اسيرا حتى اذا اجمعوا قتله استعار موسى من بعض بنات الحارث استحد بها فاعارته، قالت فغفلت عن صبي لي فدرج اليه حتى اتاه، فوضعه على فخذه، فلما رايته فزعت فزعة عرف ذاك مني، وفي يده الموسى فقال اتخشين ان اقتله ما كنت لافعل ذاك ان شاء الله. وكانت تقول ما رايت اسيرا قط خيرا من خبيب، لقد رايته ياكل من قطف عنب، وما بمكة يوميذ ثمرة، وانه لموثق في الحديد، وما كان الا رزق رزقه الله، فخرجوا به من الحرم، ليقتلوه فقال دعوني اصلي ركعتين. ثم انصرف اليهم فقال لولا ان تروا ان ما بي جزع من الموت، لزدت. فكان اول من سن الركعتين عند القتل هو، ثم قال اللهم احصهم عددا ثم قال ما ابالي حين اقتل مسلما على اى شق كان لله مصرعي وذلك في ذات الاله وان يشا يبارك على اوصال شلو ممزع ثم قام اليه عقبة بن الحارث فقتله، وبعث قريش الى عاصم ليوتوا بشىء من جسده يعرفونه، وكان عاصم قتل عظيما من عظمايهم يوم بدر، فبعث الله عليه مثل الظلة من الدبر، فحمته من رسلهم، فلم يقدروا منه على شىء