Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫২৫ হাদিসসমূহ
قَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ أَوَّلُ مَا غَزَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الْأَبْوَاءَ ثُمَّ بُوَاطَ ثُمَّ الْعُشَيْرَةَ. ইবনু ইসহাক (রহ.) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথম আবওয়া-র যুদ্ধ করেন, অতঃপর তিনি বুওয়াত্ব, অতঃপর ‘উশায়রার যুদ্ধ করেন। ৩৯৪৯. আবূ ইসহাক (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যায়দ ইবনু আরকামের পাশে ছিলাম। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হল, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কয়টি যুদ্ধ করেছেন? তিনি বললেন, ঊনিশটি। আবার জিজ্ঞেস করা হল, আপনি কয়টি যুদ্ধে তাঁর সঙ্গে ছিলেন? তিনি বললেন, সতেরটিতে। বললাম, এসব যুদ্ধের কোনটি সর্বপ্রথম সংঘটিত হয়েছিল? তিনি বললেন, ‘উশাইরাহ বা ‘উশায়র। বিষয়টি আমি ক্বাতাদাহ (রহ.)-এর কাছে উল্লেখ করলে তিনিও বললেন, ‘উশায়র। [৪৪০৪, ৪৪৭১; মুসলিম ১৫/৩৫, হাঃ ১২৫৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا وهب، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، كنت الى جنب زيد بن ارقم، فقيل له كم غزا النبي صلى الله عليه وسلم من غزوة قال تسع عشرة. قيل كم غزوت انت معه قال سبع عشرة. قلت فايهم كانت اول قال العسيرة او العشير. فذكرت لقتادة فقال العشير
সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, তাঁর ও উমাইয়াহ ইবনু খালফের মধ্যে বন্ধুত্ব ছিল। উমাইয়াহ মদিনা্য় আসলে সা‘দ ইবনু মু’আযের মেহমান হত এবং সা‘দ (রাঃ) মক্কা্য় গেলে উমাইয়াহর আতিথ্য গ্রহণ করতেন। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদিনা্য় হিজরাত করার পর একবার সা‘দ (রাঃ) ‘উমরাহ করার উদ্দেশে মক্কা গেলেন এবং উমাইয়াহর বাড়িতে অবস্থান করলেন। তিনি উমাইয়াহ্কে বললেন, আমাকে এমন একটি নিরিবিলি সময়ের কথা বল যখন আমি বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করতে পারব। তাই দুপুরের কাছাকাছি সময়ে একদিন উমাইয়াহ তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বের হল, তখন তাদের সঙ্গে আবূ জাহলের দেখা হল। তখন সে (উমাইয়াহ্কে লক্ষ্য করে) বলল, হে আবূ সফ্ওয়ান! তোমার সঙ্গে ইনি কে? সে বলল, ইনি সা‘দ। তখন আবূ জাহ্ল তাকে (সা‘দ ইবনু মু‘আযকে) বলল, আমি তোমাকে নিরাপদে মক্কা্য় তাওয়াফ করতে দেখছি অথচ তোমরা ধর্মত্যাগীদের আশ্রয় দিয়েছ এবং তাদেরকে সাহায্য ও সহযোগিতা করে চলেছ। আল্লাহর কসম, তুমি আবূ সফওয়ানের (উমাইয়াহ) সঙ্গে না থাকলে তোমার পরিজনদের কাছে নিরাপদে ফিরে যেতে পারতে না। সা‘দ (রাঃ) এর চেয়েও উচ্চস্বরে বললেন, আল্লাহর কসম, তুমি এতে যদি আমাকে বাধা দাও তাহলে আমিও এমন একটি বিষয়ে তোমাকে বাধা দেব যা তোমার জন্য এর চেয়েও কঠিন হবে। মদিনার পার্শ্ব দিয়ে তোমার যাতায়াতের রাস্তা (বন্ধ করে দেব)। তখন উমাইয়াহ তাকে বলল, হে সা‘দ! এ উপত্যকার সর্দার আবুল হাকামের সঙ্গে এরূপ উচ্চস্বরে কথা বলো না। তখন সা‘দ (রাঃ) বললেন, হে উমাইয়াহ! তুমি চুপ কর। আল্লাহর কসম, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে, তারা তোমার হত্যাকারী। ‘উমাইয়াহ জিজ্ঞেস করল, মক্কার বুকে? সা‘দ (রাঃ) বললেন, তা জানি না। উমাইয়াহ এতে অত্যন্ত ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ল। এরপর উমাইয়াহ বাড়ী গিয়ে তার (স্ত্রীকে) বলল, হে উম্মু সফওয়ান! সা‘দ আমার ব্যাপারে কী বলেছে জান? সে বলল, সা‘দ তোমাকে কী বলেছে? উমাইয়াহ বলল, সে বলেছে যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে জানিয়েছেন যে, তারা আমার হত্যাকারী। তখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম, তা কি মক্কা্য়? সে বলল, তা জানি না। অতঃপর ‘উমাইয়াহ বলল, আল্লাহর কসম, আমি কখনো মক্কা হতে বের হব না। কিন্তু বাদর যুদ্ধের দিন আগত হলে আবূ জাহ্ল সকল জনসাধারণকে সদলবলে বের হওয়ার আহবান জানিয়ে বলল, তোমরা তোমাদের কাফেলা রক্ষা করার জন্য অগ্রসর হও। উমাইয়াহ বের হাওয়াকে অপছন্দ করলে আবূ জাহ্ল এসে তাকে বলল, হে আবূ সফ্ওয়ান। তুমি এ উপত্যকার অধিবাসীদের নেতা, তাই লোকেরা যখন দেখবে তুমি পেছনে রয়ে গেছ তখন তারাও তোমার সঙ্গে পেছনেই থেকে যাবে। এ বলে আবূ জাহ্ল তার সঙ্গে পীড়াপীড়ি করতে থাকলে সে বলল, তুমি যেহেতু আমাকে বাধ্য করে ফেলছ তাই আল্লাহর কসম! অবশ্যই আমি এমন একটি উষ্ট্র ক্রয় করব যা মক্কার মধ্যে সবচেয়ে ভাল। এরপর উমাইয়াহ (স্ত্রীকে) বলল, হে উম্মু সফ্ওয়ান! আমার সফরের ব্যবস্থা কর। স্ত্রী বলল, হে আবূ সফ্ওয়ান! তোমার মদিনাবাসী ভাই যা বলেছিলেন তা কি তুমি ভুলে গিয়েছ? সে বলল, না। আমি তাদের সঙ্গে মাত্র কিছু দূর যেতে চাই। রওয়ানা হওয়ার পর রাস্তায় যে মান্যিলেই উমাইয়াহ কিছুক্ষণ অবস্থান করেছে সেখানেই সে তার উট বেঁধে রেখেছে। সারা রাস্তায় সে এমন করল, শেষে বাদর প্রান্তরে মহান আল্লাহ তাকে হত্যা করলেন। [৩৬৩২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني احمد بن عثمان، حدثنا شريح بن مسلمة، حدثنا ابراهيم بن يوسف، عن ابيه، عن ابي اسحاق، قال حدثني عمرو بن ميمون، انه سمع عبد الله بن مسعود رضى الله عنه حدث عن سعد بن معاذ، انه قال كان صديقا لامية بن خلف، وكان امية اذا مر بالمدينة نزل على سعد، وكان سعد اذا مر بمكة نزل على امية، فلما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة انطلق سعد معتمرا، فنزل على امية بمكة، فقال لامية انظر لي ساعة خلوة لعلي ان اطوف بالبيت. فخرج به قريبا من نصف النهار فلقيهما ابو جهل فقال يا ابا صفوان، من هذا معك فقال هذا سعد. فقال له ابو جهل الا اراك تطوف بمكة امنا، وقد اويتم الصباة، وزعمتم انكم تنصرونهم وتعينونهم، اما والله لولا انك مع ابي صفوان ما رجعت الى اهلك سالما. فقال له سعد ورفع صوته عليه اما والله لين منعتني هذا لامنعنك ما هو اشد عليك منه طريقك على المدينة. فقال له امية لا ترفع صوتك يا سعد على ابي الحكم سيد اهل الوادي. فقال سعد دعنا عنك يا امية، فوالله لقد سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول انهم قاتلوك. قال بمكة قال لا ادري. ففزع لذلك امية فزعا شديدا، فلما رجع امية الى اهله قال يا ام صفوان، الم ترى ما قال لي سعد قالت وما قال لك قال زعم ان محمدا اخبرهم انهم قاتلي، فقلت له بمكة قال لا ادري. فقال امية والله لا اخرج من مكة، فلما كان يوم بدر استنفر ابو جهل الناس قال ادركوا عيركم. فكره امية ان يخرج، فاتاه ابو جهل فقال يا ابا صفوان، انك متى ما يراك الناس قد تخلفت وانت سيد اهل الوادي تخلفوا معك، فلم يزل به ابو جهل حتى قال اما اذ غلبتني، فوالله لاشترين اجود بعير بمكة ثم قال امية يا ام صفوان جهزيني. فقالت له يا ابا صفوان وقد نسيت ما قال لك اخوك اليثربي قال لا، ما اريد ان اجوز معهم الا قريبا. فلما خرج امية اخذ لا ينزل منزلا الا عقل بعيره، فلم يزل بذلك حتى قتله الله عز وجل ببدر
(وَلَقَدْ نَصَرَكُمُ اللهُ بِبَدْرٍ وَّأَنْتُمْ أَذِلَّةٌ ج فَاتَّقُوا اللهَ لَعَلَّكُمْ تَشْكُرُوْنَ - إِذْ تَقُوْلُ لِلْمُؤْمِنِيْنَ أَلَنْ يَّكْفِيَكُمْ أَنْ يُّمِدَّكُمْ رَبُّكُمْ بِثَلٰثَةِ اٰلٰفٍ مِّنَ الْمَلٰٓئِكَةِ مُنْزَلِيْنَ - بَلٰٓى لا إِنْ تَصْبِرُوْا وَتَتَّقُوْا وَيَأْتُوْكُمْ مِّنْ فَوْرِهِمْ هٰذَا يُمْدِدْكُمْ رَبُّكُمْ بِخَمْسَةِ اٰلٰفٍ مِّنَ الْمَلٰٓئِكَةِ مُسَوِّمِيْنَ- وَمَا جَعَلَهُ اللهُ إِلَّا بُشْرٰى لَكُمْ وَلِتَطْمَئِنَّ قُلُوْبُكُمْ بِهٰ - وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللهِ الْعَزِيْزِ الْحَكِيْمِ لا - لِيَقْطَعَ طَرَفًا مِّنَ الَّذِيْنَ كَفَرُوْآ أَوْ يَكْبِتَهُمْ فَيَنْقَلِبُوْا خَآئِبِيْنَ) وَقَالَ وَحْشِيٌّ قَتَلَ حَمْزَةُ طُعَيْمَةَ بْنَ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ يَوْمَ بَدْرٍ وَقَوْلُهُ تَعَالَى (وَإِذْ يَعِدُكُمُ اللهُ إِحْدَى الطَّآئِفَتَيْنِ أَنَّهَا لَكُمْ وَتَوَدُّوْنَ أَنَّ غَيْرَ ذَاتِ الشَّوْكَةِ تَكُوْنُ لَكُمْ) الآيَةَ الشَّوْكَةُ الْحَدُّ মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আর এ তো সুনিশ্চিত যে, আল্লাহ বাদর যুদ্ধে তোমাদের সাহায্য করেছিলেন, অথচ তোমরা ছিলে দুর্বল। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যেন তোমরা শুকরগুজারী করতে পার। স্মরণ কর, তুমি যখন মু’মিনদের বলছিলেঃ তোমাদের জন্য একি যথেষ্ট নয় যে, আসমান হতে অবতীর্ণ হওয়া তিন হাজার মালায়িকাহ দিয়ে তোমাদের রব তোমাদের সাহায্য করবেন? হ্যাঁ, অবশ্যই। যদি তোমরা ধৈর্যধারণ কর এবং তাক্ওয়া অবলম্বন কর; তবে কাফির বাহিনী অতর্কিতে তোমাদের উপর আক্রমণ করলে আল্লাহ পাঁচ হাজার চিহ্নিত মালায়িকাহ দিয়ে তোমাদের সাহায্য করবেন। এটা তো আল্লাহ শুধু এজন্য করেছেন যেন তোমাদের জন্য সুসংবাদ হয়, যাতে তোমাদের অন্তর প্রশান্তি লাভ করে। আর সাহায্য তো শুধুমাত্র পরাক্রমশালী মহাবিজ্ঞ আল্লাহর তরফ হতে হয়ে থাকে। যাতে ধ্বংস করে দেন কাফিরদের কোন দলকে অথবা লাঞ্ছিত করে দেন তাদের, যেন তারা নিরাশ হয়ে ফিরে যায়।’’ (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১২৩-১২৭) ওয়াহশী (রাঃ) বলেন, বাদর যুদ্ধের দিন হাম্যাহ (রাঃ) তু’আয়মা ইবনু আদী ইবনু খিয়ারকে হত্যা করেছিলেন। আল্লাহর বাণীঃ ‘‘স্মরণ কর, আল্লাহ্ তোমাদের সঙ্গে ওয়াদা করেছিলেন যে, দু’টি দলের একটি তোমাদের করতলগত হবে।’’ (সূরাহ আনফাল ৮/৭) ৩৯৫১. ‘আবদুল্লাহ ইবনু কা‘ব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কা‘ব ইবনু মালিক (রাঃ)-কে বলতে শুনেছি যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সব যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেছেন তার মধ্যে তাবূকের যুদ্ধ ব্যতীত অন্য কোন যুদ্ধে আমি অনুপস্থিত ছিলাম না। তবে বাদর যুদ্ধে আমি অনুপস্থিত ছিলাম। কিন্তু বাদর যুদ্ধে যারা যোগদান করেননি তাদেরকে কোন প্রকার দোষারোপ করা হয়নি। আসলে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কুরাইশ কাফিলার উদ্দেশেই যাত্রা করেছিলেন। কিন্তু পূর্ব নির্ধারিত পরিকল্পনা ব্যতীতই আল্লাহ্ তা‘আলা তাদের (মুসলিমদের) সঙ্গে তাদের দুশমনদের মুকাবালা করিয়ে দেন। [২৭৫৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
إِذْ تَسْتَغِيْثُوْنَ رَبَّكُمْ فَاسْتَجَابَ لَكُمْ أَنِّيْ مُمِدُّكُمْ بِأَلْفٍ مِّنَ الْمَلٰٓئِكَةِ مُرْدِفِيْنَ (9) وَمَا جَعَلَهُ اللهُ إِلَّا بُشْرٰى وَلِتَطْمَئِنَّ بِهٰ قُلُوْبُكُمْ ط وَمَا النَّصْرُ إِلَّا مِنْ عِنْدِ اللهِ ط إِنَّ اللهَ عَزِيْزٌ حَكِيْمٌ (10) إِذْ يُغَشِّيْكُمُ النُّعَاسَ أَمَنَةً مِّنْهُ وَيُنَزِّلُ عَلَيْكُمْ مِّنَ السَّمَآءِ مَآءً لِّيُطَهِّرَكُمْ بِهٰ وَيُذْهِبَ عَنْكُمْ رِجْزَ الشَّيْطٰنِ وَلِيَرْبِطَ عَلٰى قُلُوْبِكُمْ وَيُثَبِّتَ بِهِ الْأَقْدَامَ (11) إِذْ يُوْحِيْ رَبُّكَ إِلَى الْمَلٰٓئِكَةِ أَنِّيْ مَعَكُمْ فَثَبِّتُوا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا ط سَأُلْقِيْ فِيْ قُلُوْبِ الَّذِيْنَ كَفَرُوا الرُّعْبَ فَاضْرِبُوْا فَوْقَ الْأَعْنَاقِ وَاضْرِبُوْا مِنْهُمْ كُلَّ بَنَانٍ (12) ذٰلِكَ بِأَنَّهُمْ شَآقُّوا اللهَ وَرَسُوْلَه” ج وَمَنْ يُّشَاقِقِ اللهَ وَرَسُوْلَه” فَإِنَّ اللهَ شَدِيْدُ الْعِقَابِ (13)) স্মরণ কর, তোমরা সাহায্য প্রার্থনা করছিলে তোমাদের রবের কাছে, তিনি তোমাদের প্রার্থনার জবাবে বললেনঃ অবশ্যই আমি তোমাদের সাহায্য করব এক হাজার মালায়িকাহ দিয়ে, যারা ক্রমান্বয়ে এসে পৌঁছবে। আর আল্লাহ্ এ সাহায্য করলেন শুধু সুসংবাদ দেয়ার জন্য এবং যেন তোমাদের অন্তর প্রশান্ত হয়। আর সাহায্য তো কেবল আল্লাহর তরফ হতেই হয়। নিশ্চয় আল্লাহ্ পরাক্রমশালী, হিকমাতওয়ালা। স্মরণ কর, আল্লাহ্ তোমাদেরকে তন্দ্রাচ্ছন্ন করেন নিজের পক্ষ হতে স্বস্তি প্রদানের জন্য এবং তোমাদের উপর আসমান হতে পানি বর্ষণ করেন তা দিয়ে তোমাদেরকে পবিত্র করার জন্য এবং যাতে তোমাদের হতে অপসারিত করে দেন শায়ত্বনের কুমন্ত্রণা, আর যাতে তোমাদের অন্তর সুদৃঢ় করেন এবং যার ফলে তোমাদের পা স্থির করে দিতে পারেন। স্মরণ কর, তোমার রব মালায়িকাহ্কে প্রত্যাদেশ করেন- নিশ্চয় আমি তোমাদের সঙ্গে আছি, সুতরাং তোমরা মু’মিনদের দৃঢ়চিত্ত রাখ। অচিরেই আমি কাফিরদের অন্তরে আতংক সঞ্চার করে দেব, অতএব, আঘাত কর তাদের গর্দানের উপর এবং আঘাত কর তাদের অঙ্গুলির জোড়ায় জোড়ায়। (সূরাহ আনফাল ৮/৯-১৩) ৩৯৫২. ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মিকদাদ ইবনু আসওয়াদের এমন একটি বিষয় দেখেছি যা আমি করলে তা দুনিয়ার সব কিছুর তুলনায় আমার নিকট প্রিয় হত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলেন, তখন তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুশরিকদের বিরুদ্ধে দু’আ করছিলেন। এতে মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ) বললেন, মূসা (আঃ) এর কাওম যেমন বলেছিল যে, ‘‘তুমি আর তোমার প্রতিপালক যাও এবং যুদ্ধ কর’’- (সূরাহ আল-মায়িদাহ ৫/২৪)। আমরা তেমন বলব না, বরং আমরা আপনার ডানে, বামে, সামনে, পেছনে সর্বদিক থেকে যুদ্ধ করব। ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) বলেন, আমি দেখলাম, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুখ উজ্জ্বল হয়ে উঠল এবং তার কথা তাঁকে খুব আনন্দিত করল। [৪৬০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বদরের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, হে আল্লাহ্! আমি আপনার প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার পূরণ করার জন্য প্রার্থনা করছি। হে আল্লাহ্! আপনি যদি চান (কাফিররা জয়লাভ করুক) তাহলে আপনার ‘ইবাদাত আর হবে না। আবূ বাকর (রাঃ) তাঁর হাত ধরে বললেন, যথেষ্ট হয়েছে। তখন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াত পড়তে পড়তে বের হলেনঃ ‘‘শীঘ্রই দুশমনরা পরাজিত হবে এবং পৃষ্ঠ প্রদর্শন করবে’’- (সূরাহ ক্বামার ৫৪/৪৫)। [২৯১৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن عبد الله بن حوشب، حدثنا عبد الوهاب، حدثنا خالد، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر " اللهم انشدك عهدك ووعدك، اللهم ان شيت لم تعبد ". فاخذ ابو بكر بيده فقال حسبك. فخرج وهو يقول {سيهزم الجمع ويولون الدبر}
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘‘মু’মিনদের মধ্যে তারা সমান নয় যারা (বদরে না গিয়ে) বসে ছিল’’- (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৫)। এবং যারা বদরে হাজির হয়েছিল মর্মে (আয়াতটি) বাদর এবং তদুদ্দেশে ঘর ছেড়ে বের হওয়া সাহাবীদের ব্যাপারে (নাযিল হয়)। [৪৫৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني ابراهيم بن موسى، اخبرنا هشام، ان ابن جريج، اخبرهم قال اخبرني عبد الكريم، انه سمع مقسما، مولى عبد الله بن الحارث يحدث عن ابن عباس، انه سمعه يقول {لا يستوي القاعدون من المومنين} عن بدر، والخارجون، الى بدر
حدثنا مسلم، حدثنا شعبة، عن ابي اسحاق، عن البراء، قال استصغرت انا وابن، عمر
বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বদরের দিন আমাকে ও ইবনু ‘উমারকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক গণ্য করা হয়েছিল, এ যুদ্ধে মুহাজিরদের সংখ্যা ছিল ষাটের বেশী এবং আনসারদের সংখ্যা ছিল দুশ’ চল্লিশেরও অধিক। [1] [৩৯৫৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمود، حدثنا وهب، عن شعبة، عن ابي اسحاق، عن البراء، قال استصغرت انا وابن عمر يوم بدر، وكان المهاجرون يوم بدر نيفا على ستين، والانصار نيفا واربعين ومايتين
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যে সব সাহাবী বদরে উপস্থিত ছিলেন তারা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, তাদের সংখ্যা তালুতের যে সব সঙ্গী নদী পার হয়েছিলেন তাদের সমান ছিল। তাদের সংখ্যা ছিল তিনশ’ দশেরও কিছু বেশী। বারা’ (রাঃ) বলেন, আল্লাহর কসম, ঈমানদার ব্যতীত আর কেউই তাঁর সঙ্গে নদী পার হতে পারেনি। [৩৯৫৮-৩৯৫৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن خالد، حدثنا زهير، حدثنا ابو اسحاق، قال سمعت البراء رضى الله عنه يقول حدثني اصحاب، محمد صلى الله عليه وسلم ممن شهد بدرا انهم كانوا عدة اصحاب طالوت الذين جازوا معه النهر، بضعة عشر وثلاثماية. قال البراء لا والله ما جاوز معه النهر الا مومن
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ পরস্পর আলোচনা করতাম যে, বাদর যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাহাবীদের সংখ্যা তালুতের সঙ্গে যারা নদী পার হয়েছিলেন তাদের সমানই ছিল এবং তিনশ’ দশ জনের অধিক ঈমানদার ব্যতীত কেউ তাঁর সঙ্গে নদী পার হতে পারেনি। [৩৯৫৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن رجاء، حدثنا اسراييل، عن ابي اسحاق، عن البراء، قال كنا اصحاب محمد صلى الله عليه وسلم نتحدث ان عدة اصحاب بدر على عدة اصحاب طالوت الذين جاوزوا معه النهر، ولم يجاوز معه الا مومن، بضعة عشر وثلاثماية
বারা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা পরস্পর আলোচনা করতাম যে, বাদর যুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী সাহাবীগণের সংখ্যা তিনশ’ দশ জনেরও কিছু অধিক ছিল, তালুতের যে সংখ্যক সাথী তাঁর সঙ্গে নদী পার হয়েছিল; মু’মিন ব্যতীত কেউ তার সঙ্গে নদী পার হতে পারেনি। [৩৯৫৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن ابي شيبة، حدثنا يحيى، عن سفيان، عن ابي اسحاق، عن البراء،. وحدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن ابي اسحاق، عن البراء رضى الله عنه قال كنا نتحدث ان اصحاب بدر ثلاثماية وبضعة عشر، بعدة اصحاب طالوت الذين جاوزوا معه النهر، وما جاوز معه الا مومن
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা’বার দিকে মুখ করে কুরাইশের কতিপয় লোকের তথা- শায়বাহ্ ইবনু রাবী’আহ, ‘উত্বাহ ইবনু রাবী‘আ, ওয়ালীদ ইবনু ‘উত্বাহ এবং আবূ জাহ্ল ইবনু হিশামের বিরুদ্ধে দু’আ করেন। আমি আল্লাহর নামে সাক্ষ্য দিচ্ছি, অবশ্যই আমি এ সমস্ত লোকদেরকে (বদরের ময়দানে) নিহত হয়ে বিক্ষিপ্তভাবে পড়ে থাকতে দেখেছি। প্রচন্ড রোদ তাদের দেহগুলোকে বিকৃত করে দিয়েছিল। দিনটি ছিল প্রচন্ড গরম। [২৪০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৬৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عمرو بن خالد، حدثنا زهير، حدثنا ابو اسحاق، عن عمرو بن ميمون، عن عبد الله بن مسعود رضى الله عنه قال استقبل النبي صلى الله عليه وسلم الكعبة فدعا على نفر من قريش، على شيبة بن ربيعة، وعتبة بن ربيعة والوليد بن عتبة، وابي جهل بن هشام. فاشهد بالله لقد رايتهم صرعى، قد غيرتهم الشمس، وكان يوما حارا
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, বাদর যুদ্ধের দিন আবূ জাহ্ল যখন মৃত্যুর মুখোমুখী তখন তিনি (‘আবদুল্লাহ) তার কাছে গেলেন। তখন আবূ জাহ্ল বলল, (আজ) তোমরা যাকে হত্যা করলে তার চেয়ে নির্ভরযোগ্য লোক আর আছে কি? (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابن نمير، حدثنا ابو اسامة، حدثنا اسماعيل، اخبرنا قيس، عن عبد الله رضى الله عنه انه اتى ابا جهل وبه رمق يوم بدر، فقال ابو جهل هل اعمد من رجل قتلتموه
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (বদরের দিন) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ জাহলের কী অবস্থা হল কেউ তা দেখতে পার কি? তখন ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বের হলেন এবং দেখতে পেলেন যে, ‘আফ্রার দুই পুত্র তাকে এমনিভাবে মেরেছে যে, মুমূর্ষু অবস্থায় মাটিতে পড়ে আছে। ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) বললেন, তুমিই কি আবূ জাহ্ল? রাবী বলেনঃ আবূ জাহ্ল বললঃ সেই লোকটির চেয়ে উত্তম আর কেউ আছে কি যাকে তার গোত্রের লোকেরা হত্যা করল অথবা বলল তোমরা যাকে হত্যা করলে? আহমাদ বিন ইউনুসের বর্ণনায় এসেছে, তুমি আবূ জাহ্ল। [৩৯৬৩, ৪০২০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا سليمان التيمي، ان انسا، حدثهم قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ح وحدثني عمرو بن خالد حدثنا زهير عن سليمان التيمي عن انس رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " من ينظر ما صنع ابو جهل " فانطلق ابن مسعود، فوجده قد ضربه ابنا عفراء حتى برد قال اانت ابو جهل قال فاخذ بلحيته. قال وهل فوق رجل قتلتموه او رجل قتله قومه? قال احمد بن يونس انت ابو جهل?
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, বদরের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আবূ জাহ্ল কী করল, তোমাদের মধ্যে কে তা জেনে আসবে? তখন ইবনু মাস‘উদ (রাঃ) চলে গেলেন এবং তিনি দেখতে পেলেন, ‘আফরার দুই পুত্র তাকে এমনিভাবে পিটিয়েছে যে, সে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে আছে। তখন তিনি তার দাড়ি ধরে বললেন,তুমি কি আবূ জাহ্ল? উত্তরে সে বলল, সেই লোকটির চেয়ে উত্তম আর কেউ আছে কি যাকে তার গোত্রের লোকেরা হত্যা করল অথবা বলল তোমরা যাকে হত্যা করলে? [1] ইবনু মুসান্না (রহ.).....আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে অনুরূপ একটি রিওয়ায়াত বর্ণিত আছে। [৩৯৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن سليمان التيمي، عن انس، رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم يوم بدر " من ينظر ما فعل ابو جهل ". فانطلق ابن مسعود، فوجده قد ضربه ابنا عفراء حتى برد، فاخذ بلحيته فقال انت ابا جهل قال وهل فوق رجل قتله قومه او قال قتلتموه
حدثني ابن المثنى، اخبرنا معاذ بن معاذ، حدثنا سليمان، اخبرنا انس بن مالك، نحوه
ইব্রাহীমের দাদা থেকে বাদর তথা ‘আফরার দুই ছেলের সম্পর্কে এক রেওয়ায়ত বর্ণনা করেছেন। [৩১৪১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، قال كتبت عن يوسف بن الماجشون، عن صالح بن ابراهيم، عن ابيه، عن جده، في بدر. يعني حديث ابنى عفراء
‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সর্বপ্রথম আমিই কিয়ামতের দিন দয়াময়ের সামনে বিবাদ মীমাংসার জন্য হাঁটু গেড়ে বসব। ক্বায়স ইবনু ‘উবাদ (রাঃ) বলেন, এদের সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়েছেঃ هٰذَانِ خَصْمَانِ اخْتَصَمُوْا فِيْ رَبِّهِمْ ‘‘এরা দু’টি বিবদমান পক্ষ তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বিতর্ক করে’’- (সূরাহ হাজ্জ ২২/১৯)। তিনি বলেন, (মুসলিম পক্ষের) তারা হলেন হাম্যা, ‘আলী ও ‘উবাইদাহ অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) আবূ ‘উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রাঃ) (অপরপক্ষে) শায়বা বিন রাবী‘আহ, ‘উত্বাহ বিন রাবী‘আহ এবং ওয়ালীদ ইবনু ‘উত্বাহ যারা বাদর যুদ্ধের দিন পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। [1] [৩৯৬৭, ৪৭৪৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن عبد الله الرقاشي، حدثنا معتمر، قال سمعت ابي يقول، حدثنا ابو مجلز، عن قيس بن عباد، عن علي بن ابي طالب رضى الله عنه انه قال انا اول، من يجثو بين يدى الرحمن للخصومة يوم القيامة. وقال قيس بن عباد وفيهم انزلت {هذان خصمان اختصموا في ربهم} قال هم الذين تبارزوا يوم بدر حمزة وعلي وعبيدة او ابو عبيدة بن الحارث وشيبة بن ربيعة وعتبة والوليد بن عتبة
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ ‘‘এরা দু’টি বিবদমান দল তারা তাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে বিতর্ক করে’’- (সূরাহ হাজ্জ ২২/১৯) আয়াতটি কুরাইশ গোত্রীয় ছয়জন লোক সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। তারা হলেন, (মুসলিম পক্ষ) ‘আলী, হামযাহ, ‘উবাইদাহ ইবনুল হারিস (রাঃ) ও (কাফির পক্ষে) শায়বা ইবনু রাবী‘আহ, ‘উত্বাহ ইবনু রাবী‘আহ এবং ওয়ালীদ ইবনু ‘উত্বাহ। [৩৯৬৮, ৩৯৬৯, ৪৭৪৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن ابي هاشم، عن ابي مجلز، عن قيس بن عباد، عن ابي ذر رضى الله عنه قال نزلت {هذان خصمان اختصموا في ربهم} في ستة من قريش علي وحمزة وعبيدة بن الحارث وشيبة بن ربيعة وعتبة بن ربيعة والوليد بن عتبة
কায়স ইবনু উবাদ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আলী (রাঃ) বলেছেনঃ ‘‘এরা দু’টি বিবদমান পক্ষ, তারা তাদের প্রতিপালক সম্পর্কে বিতর্ক করে’’- (সূরাহ হাজ্জ ২২/১৯) আয়াতটি আমাদের সম্পর্কেই অবতীর্ণ হয়েছে। [৩৯৬৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن ابراهيم الصواف، حدثنا يوسف بن يعقوب كان ينزل في بني ضبيعة وهو مولى لبني سدوس حدثنا سليمان التيمي، عن ابي مجلز، عن قيس بن عباد، قال قال علي رضى الله عنه فينا نزلت هذه الاية {هذان خصمان اختصموا في ربهم}
حدثني يحيى بن بكير، حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبد الرحمن بن عبد الله بن كعب، ان عبد الله بن كعب، قال سمعت كعب بن مالك رضى الله عنه يقول لم اتخلف عن رسول الله صلى الله عليه وسلم في غزوة غزاها الا في غزوة تبوك، غير اني تخلفت عن غزوة بدر، ولم يعاتب احد تخلف عنها، انما خرج رسول الله صلى الله عليه وسلم يريد عير قريش، حتى جمع الله بينهم وبين عدوهم على غير ميعاد
حدثنا ابو نعيم، حدثنا اسراييل، عن مخارق، عن طارق بن شهاب، قال سمعت ابن مسعود، يقول شهدت من المقداد بن الاسود مشهدا، لان اكون صاحبه احب الى مما عدل به، اتى النبي صلى الله عليه وسلم وهو يدعو على المشركين فقال لا نقول كما قال قوم موسى {اذهب انت وربك فقاتلا} ولكنا نقاتل عن يمينك وعن شمالك وبين يديك وخلفك. فرايت النبي صلى الله عليه وسلم اشرق وجهه وسره. يعني قوله