Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫২৫ হাদিসসমূহ
কায়স ইবনু উবাদ (রহ.) হতে বর্ণিত। (তিনি বলেছেন) আমি আবূ যার (রাঃ)-কে কসম করে বলতে শুনেছি যে, উপর্যুক্ত আয়াতগুলো উল্লিখিত বদরের দিন ঐ ছয় ব্যক্তি সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছিল। [৩৯৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن جعفر، اخبرنا وكيع، عن سفيان، عن ابي هاشم، عن ابي مجلز، عن قيس بن عباد، سمعت ابا ذر رضى الله عنه يقسم لنزلت هولاء الايات في هولاء الرهط الستة يوم بدر. نحوه
ক্বায়স (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আমি আবূ যার (রাঃ)-কে কসম করে বলতে শুনেছি যে, ‘‘এরা দু’টি বিবদমান পক্ষ তারা তাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে বিতর্ক করে’’ আয়াতটি বদরের দিন পরস্পর যুদ্ধে লিপ্ত হামযা, ‘আলী, ‘উবাইদাহ ইবনুল হারিস, রাবী‘আহর দুই পুত্র ‘উত্বাহ ও শায়বাহ এবং ওয়ালীদ ইবনু ‘উত্বাহর সম্বন্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। [৩৯৬৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا هشيم، اخبرنا ابو هاشم، عن ابي مجلز، عن قيس، قال سمعت ابا ذر، يقسم قسما ان هذه الاية {هذان خصمان اختصموا في ربهم } نزلت في الذين برزوا يوم بدر حمزة وعلي وعبيدة بن الحارث وعتبة وشيبة ابنى ربيعة والوليد بن عتبة
আবূ ইসহাক (রহ.) হতে বর্ণিত যে, আমি শুনলাম, এক ব্যক্তি বারা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করল, ‘আলী (রাঃ) কি বাদর যুদ্ধে যোগদান করেছিলেন? তিনি বললেন, ‘আলী ঐ যুদ্ধে মুকাবালা করেছিলেন এবং হাক্কে বিজয়ী করেছিলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني احمد بن سعيد ابو عبد الله، حدثنا اسحاق بن منصور، حدثنا ابراهيم بن يوسف، عن ابيه، عن ابي اسحاق، سال رجل البراء وانا اسمع، قال اشهد علي بدرا قال بارز وظاهر
‘আবদুর রাহমান ইবনু ‘আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি উমাইয়াহ ইবনু খালফে্র সঙ্গে একটি চুক্তি করেছিলাম। বাদর যুদ্ধের দিন তিনি ‘উমাইয়াহ ইবনু খালাফ ও তার পুত্রের নিহত হওয়ার কথা উল্লেখ করলে বিলাল (রাঃ) বললেন, যদি ‘উমাইয়াহ ইবনু খালাফ প্রাণে বেঁচে যেত তাহলে আমি সফল হতাম না। [1] [২৩০১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، قال حدثني يوسف بن الماجشون، عن صالح بن ابراهيم بن عبد الرحمن بن عوف، عن ابيه، عن جده عبد الرحمن، قال كاتبت امية بن خلف، فلما كان يوم بدر، فذكر قتله وقتل ابنه، فقال بلال لا نجوت ان نجا امية
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি সূরাহ নাজ্ম তিলাওয়াত করলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে সাজ্দাহ করলেন। এক বৃদ্ধ ব্যতীত নবীজীর নিকট যারা উপস্থিত ছিলেন তারা সকলেই সাজ্দাহ করলেন। সে বৃদ্ধ একমুষ্ঠি মাটি উঠিয়ে কপালে লাগিয়ে বলল, আমার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট। ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, কিছু দিন পর আমি তাকে কাফির অবস্থায় নিহত হতে দেখেছি।[1] [১০৬৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৮৩ প্রথমাংশ)
حدثنا عبدان بن عثمان، قال اخبرني ابي، عن شعبة، عن ابي اسحاق، عن الاسود، عن عبد الله رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم انه قرا {والنجم} فسجد بها، وسجد من معه، غير ان شيخا اخذ كفا من تراب فرفعه الى جبهته فقال يكفيني هذا. قال عبد الله فلقد رايته بعد قتل كافرا
ইব্রাহীম ইবনু মূসা ..... হিশামের পিতা (‘উরওয়াহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (তার পিতা) যুবায়রের শরীরে তিনটি মারাত্মক জখমের চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। এর একটি ছিল তার স্কন্ধে। ‘উরওয়াহ বলেন, আমি আমার আঙ্গুলগুলো ঐ ক্ষতস্থানে ঢুকিয়ে দিতাম, বর্ণনাকারী ‘উরওয়াহ বলেন, ঐ আঘাত তিনটির দু’টি ছিল বাদর যুদ্ধের এবং একটি ছিল ইয়ারমুক যুদ্ধের। ‘উরওয়াহ বলেন, ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যুবায়র শহীদ হলেন তখন ‘আবদুল মালিক ইবনু মারওয়ান আমাকে বললেন, হে ‘উরওয়াহ, যুবায়রের তরবারি তুমি কি চিন? আমি বললাম হাঁ চিনি। ‘আবদুল মালিক বললেন, এর কি কোন নিশানা আছে? আমি বললাম, এর ধারে এক জায়গায় ভাঙ্গা আছে যা বাদর যুদ্ধের দিন ভেঙ্গে ছিল। তখন তিনি বললেন, হাঁ তুমি ঠিক বলেছ, (তারপর তিনি একটি কবিতাংশ আবৃত্তি করলেন) بِـهِـنَّ فُـلُوْلٌ مِـنْ قِـرَاعِ الْـكَـتَـائِـبِ সে তরবারির ভাঙ্গন ছিল শত্রু সেনাদের আঘাত করার কারণে। এরপর ‘আবদুল মালিক তরবারি খানা ‘উরওয়ার নিকট ফিরিয়ে দিলেন। হিশাম বলেন, আমরা নিজেরা এর মূল্য স্থির করেছিলাম তিন হাজার দিরহাম। এরপর আমাদের এক ব্যক্তি সেটা নিল। আমার ইচ্ছে হয়েছিল যদি আমি তরবারিটি নিয়ে নিতাম। [৩৭২১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৬৮৩ শেষাংশ)
اخبرني ابراهيم بن موسى، حدثنا هشام بن يوسف، عن معمر، عن هشام، عن عروة، قال كان في الزبير ثلاث ضربات بالسيف، احداهن في عاتقه، قال ان كنت لادخل اصابعي فيها. قال ضرب ثنتين يوم بدر، وواحدة يوم اليرموك. قال عروة وقال لي عبد الملك بن مروان حين قتل عبد الله بن الزبير يا عروة، هل تعرف سيف الزبير قلت نعم. قال فما فيه قلت فيه فلة فلها يوم بدر. قال صدقت. بهن فلول من قراع الكتايب ثم رده على عروة. قال هشام فاقمناه بيننا ثلاثة الاف، واخذه بعضنا، ولوددت اني كنت اخذته
হিশামের পিতা (‘উরওয়াহ) (রহ.) হতে বর্ণিত যে, যুবায়র (রাঃ)-এর তরবারি রৌপ্যের কারুকার্য মন্ডিত ছিল। হিশাম (রহ.) বলেন, ‘উরওয়াহ (রহ.)-এর তরবারিটিও রৌপ্যের কারুকার্য মন্ডিত ছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا فروة، عن علي، عن هشام، عن ابيه، قال كان سيف الزبير محلى بفضة. قال هشام وكان سيف عروة محلى بفضة
‘উরওয়াহ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, ইয়ারমুকের দিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সহাবাগণ যুবায়র (রাঃ) কে বলেন যে, (মুশরিকদের প্রতি) আপনি কি আক্রমণ জোরদার করবেন না তাহলে আমরাও আপনার সঙ্গে আক্রমণ জোরদার করব। তখন তিনি বলেন, আমি যদি আক্রমণ জোরালো করি তখন তোমরা পিছে সরে পড়বে। তখন তারা বললেন, আমরা তা করব না। এরপর তিনি তাদের উপর আক্রমণ করলেন। এমনকি শত্রুদের ব্যুহ ভেদ করে সামনে এগিয়ে গেলেন। তার সঙ্গে আর কেউই ছিল না। ফেরার সময় শত্রুর মুখে পড়লে তাঁর ঘোড়ার লাগাম ধরে ফেলে এবং তাঁর কাঁধের উপর দু’টি আঘাত করে, যে আঘাত দু’টির মাঝেই রয়েছে বাদর দিনের আঘাতের চিহ্নটি। ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, বাল্যাবস্থায় ঐ ক্ষত চিহ্নগুলোতে আমার সবগুলো আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিয়ে আমি খেলা করতাম। ‘উরওয়াহ (রহ.) আরো বলেন, ঐদিন তার সঙ্গে ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়র (রাঃ)-ও ছিলেন, তখন তার বয়স ছিল দশ বছর। যুবায়র (রাঃ), তাকে ঘোড়ার পিঠে উঠিয়ে নিলেন এবং এক ব্যক্তিকে তার দেখাশোনার দায়িত্ব দিলেন। [৩৭২১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن محمد، حدثنا عبد الله، اخبرنا هشام بن عروة، عن ابيه، ان اصحاب، رسول الله صلى الله عليه وسلم قالوا للزبير يوم اليرموك الا تشد فنشد معك فقال اني ان شددت كذبتم. فقالوا لا نفعل، فحمل عليهم حتى شق صفوفهم، فجاوزهم وما معه احد، ثم رجع مقبلا، فاخذوا بلجامه، فضربوه ضربتين على عاتقه بينهما ضربة ضربها يوم بدر. قال عروة كنت ادخل اصابعي في تلك الضربات العب وانا صغير. قال عروة وكان معه عبد الله بن الزبير يوميذ وهو ابن عشر سنين، فحمله على فرس وكل به رجلا
আবূ ত্বলহা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, বদরের দিন আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশে চবিবশজন কুরাইশ সর্দারের লাশ বাদর প্রান্তরের একটি নোংরা আবর্জনাপূর্ণ কূপে নিক্ষেপ করা হল। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন দলের বিরুদ্ধে জয় লাভ করলে সে স্থানের পার্শ্বে তিন দিন অবস্থান করতেন। বাদর প্রান্তরে অবস্থানের পর তৃতীয় দিনে তিনি তাঁর সাওয়ারী প্রস্তুত করার আদেশ দিলেন, সাওয়ারীর জিন শক্ত করে বাঁধা হল। এরপর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম পদব্রজে অগ্রসর হলে সাহাবীগণও তাঁর পেছনে পেছনে চললেন। তাঁরা বলেন, আমরা ভাবছিলাম, কোন প্রয়োজনে তিনি কোথাও যাচ্ছেন। অতঃপর তিনি ঐ কূপের কিনারে গিয়ে দাঁড়ালেন এবং কূপে নিক্ষিপ্ত ঐ নিহত ব্যক্তিদের নাম ও তাদের পিতার নাম ধরে ডাকতে শুরু করলেন, হে অমুকের পুত্র অমুক, হে অমুকের পুত্র অমুক! তোমরা কি এখন অনুভব করতে পারছ যে, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য তোমাদের জন্য পরম খুশীর বিষয় ছিল? আমাদের প্রতিপালক আমাদেরকে যে ওয়াদা দিয়েছিলেন আমরা তো তা সত্য পেয়েছি, তোমাদের প্রতিপালক তোমাদেরকে যে ওয়াদা দিয়েছিলেন তোমরাও তা সত্য পেয়েছ কি? বর্ণনাকারী বলেন, ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! আপনি আত্মাহীন দেহগুলোর সঙ্গে কী কথা বলছেন? নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ঐ মহান সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ, আমি যা বলছি তা তাদের চেয়ে তোমরা অধিক শুনতে পাচ্ছ না। ক্বাতাদাহ (রাঃ) বলেন, আল্লাহ রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথার মাধ্যমে তাদেরকে ধমক, লাঞ্ছনা, দুঃখ-কষ্ট, আফসোস এবং লজ্জা দেয়ার জন্য (সাময়িকভাবে) তাদের দেহে প্রাণসঞ্চার করেছিলেন। [৩০৬৫; মুসলিম ৫১/১৭, হাঃ ২৮৭৫, আহমাদ হাঃ ১২০২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، سمع روح بن عبادة، حدثنا سعيد بن ابي عروبة، عن قتادة، قال ذكر لنا انس بن مالك عن ابي طلحة، ان نبي الله صلى الله عليه وسلم امر يوم بدر باربعة وعشرين رجلا من صناديد قريش فقذفوا في طوي من اطواء بدر خبيث مخبث، وكان اذا ظهر على قوم اقام بالعرصة ثلاث ليال، فلما كان ببدر اليوم الثالث، امر براحلته فشد عليها رحلها، ثم مشى واتبعه اصحابه وقالوا ما نرى ينطلق الا لبعض حاجته، حتى قام على شفة الركي، فجعل يناديهم باسمايهم واسماء ابايهم " يا فلان بن فلان، ويا فلان بن فلان، ايسركم انكم اطعتم الله ورسوله فانا قد وجدنا ما وعدنا ربنا حقا، فهل وجدتم ما وعد ربكم حقا ". قال فقال عمر يا رسول الله، ما تكلم من اجساد لا ارواح لها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفس محمد بيده، ما انتم باسمع لما اقول منهم ". قال قتادة احياهم الله حتى اسمعهم قوله توبيخا وتصغيرا ونقيمة وحسرة وندما
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি (اَلَّذِيْنَ بَدَّلُوْا نِعْمَةَ اللهِ كُفْرًا) অর্থাৎ ‘‘যারা আল্লাহর অনুগ্রহের পরিবর্তে অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে’’ সূরা ইবরাহীম-এর ২৮ আয়াতাংশ সম্পর্কে বলেছেন, আল্লাহর কসম, এরা হল কাফির কুরাইশ গোষ্ঠী। ‘আমর (রহ.) বলেন, এরা হচ্ছে কুরাইশ গোষ্ঠী এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হচ্ছেন আল্লাহর নি‘য়ামাত এবং (وَأَحَلُّوْا قَوْمَهُمْ دَارَ الْبَوَارِ) (নিজেদের জাতিকে তারা নামিয়ে আনে ধ্বংসের পর্যায়ে) সূরা ইবরাহীম-এর ২৮ আয়াতাংশের মাঝে বর্ণিত الْبَوَارِ এর অর্থ হচ্ছে النار জাহান্নাম। (অর্থাৎ বাদর যুদ্ধের দিন তারা তাদের জাতিকে জাহান্নামে পৌঁছিয়ে দিয়েছে।) [৪৭০০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو، عن عطاء، عن ابن عباس رضى الله عنهما {الذين بدلوا نعمة الله كفرا} قال هم والله كفار قريش. قال عمرو هم قريش ومحمد صلى الله عليه وسلم نعمة الله {واحلوا قومهم دار البوار } قال النار يوم بدر
তিনি [‘আয়িশাহ (রাঃ)] বলেন, এ কথাটি ঐ কথাটিরই মত যা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ কূপের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, যে কূপে বাদর যুদ্ধে নিহত মুশরিকদের নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তিনি তাদেরকে যা বলার বললেন (এবং জানালেন) যে, আমি যা বলছি তারা তা সবই শুনতে পাচ্ছে। তিনি বললেন, এখন তারা ভালভাবে জানতে পারছে যে, আমি তাদেরকে যা বলছিলাম তা ছিল সঠিক। এরপর ‘আয়িশাহ (রাঃ) (إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتٰى) অর্থাৎ ‘‘তুমি তো মৃতকে শুনাতে পারবে না’’- (সূরাহ নামল ২৭/৮০) (وَمَا أَنْتَ بِمُسْمِعٍ مَّنْ فِي الْقُبُوْرِ) অর্থাৎ ‘‘এবং তুমি শুনাতে সমর্থ হবে না তাদেরকে যারা কবরে রয়েছে’’- (সূরাহ ফাতির ৩৫/২২) আয়াতাংশ দু’টো তিলাওয়াত করলেন। ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, এর মানে হচ্ছে জাহান্নামে যখন তারা তাদের আসন গ্রহণ করে নেবে। [১৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، قال ذكر عند عايشة رضى الله عنها ان ابن عمر رفع الى النبي صلى الله عليه وسلم " ان الميت يعذب في قبره ببكاء اهله ". فقالت انما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انه ليعذب بخطييته وذنبه، وان اهله ليبكون عليه الان ". قالت وذاك مثل قوله ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على القليب وفيه قتلى بدر من المشركين، فقال لهم ما قال انهم ليسمعون ما اقول. انما قال " انهم الان ليعلمون ان ما كنت اقول لهم حق ". ثم قرات {انك لا تسمع الموتى} {وما انت بمسمع من في القبور} تقول حين تبوءوا مقاعدهم من النار
তিনি [‘আয়িশাহ (রাঃ)] বলেন, এ কথাটি ঐ কথাটিরই মত যা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঐ কূপের পাশে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, যে কূপে বাদর যুদ্ধে নিহত মুশরিকদের নিক্ষেপ করা হয়েছিল। তিনি তাদেরকে যা বলার বললেন (এবং জানালেন) যে, আমি যা বলছি তারা তা সবই শুনতে পাচ্ছে। তিনি বললেন, এখন তারা ভালভাবে জানতে পারছে যে, আমি তাদেরকে যা বলছিলাম তা ছিল সঠিক। এরপর ‘আয়িশাহ (রাঃ) (إِنَّكَ لَا تُسْمِعُ الْمَوْتٰى) অর্থাৎ ‘‘তুমি তো মৃতকে শুনাতে পারবে না’’- (সূরাহ নামল ২৭/৮০) (وَمَا أَنْتَ بِمُسْمِعٍ مَّنْ فِي الْقُبُوْرِ) অর্থাৎ ‘‘এবং তুমি শুনাতে সমর্থ হবে না তাদেরকে যারা কবরে রয়েছে’’- (সূরাহ ফাতির ৩৫/২২) আয়াতাংশ দু’টো তিলাওয়াত করলেন। ‘উরওয়াহ (রহ.) বলেন, এর মানে হচ্ছে জাহান্নামে যখন তারা তাদের আসন গ্রহণ করে নেবে। [১৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبيد بن اسماعيل، حدثنا ابو اسامة، عن هشام، عن ابيه، قال ذكر عند عايشة رضى الله عنها ان ابن عمر رفع الى النبي صلى الله عليه وسلم " ان الميت يعذب في قبره ببكاء اهله ". فقالت انما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " انه ليعذب بخطييته وذنبه، وان اهله ليبكون عليه الان ". قالت وذاك مثل قوله ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قام على القليب وفيه قتلى بدر من المشركين، فقال لهم ما قال انهم ليسمعون ما اقول. انما قال " انهم الان ليعلمون ان ما كنت اقول لهم حق ". ثم قرات {انك لا تسمع الموتى} {وما انت بمسمع من في القبور} تقول حين تبوءوا مقاعدهم من النار
ইবন ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরে অবস্থিত কূপের পাশে দাঁড়িয়ে বললেন, (হে মুশরিকগণ) তোমাদের রব তোমাদের কাছে যা ওয়াদা করেছিলেন তা তোমরা সত্য হিসেবে পেয়েছ কি? পরে তিনি বললেন, এ মুহূর্তে তাদেরকে আমি যা বলছি তারা তা সবই শুনতে পাচ্ছে। এ বিষয়টি ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর সামনে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তার অর্থ হল, তারা এখন জানতে পারছে যে, আমি তাদেরকে যা বলতাম তাই সঠিক ছিল। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: (إِنَّكَ لَا تسْمِعُ الْمَوْتٰى) ‘‘তুমি তো মৃতকে শুনাতে পার না’’- (সূরাহ নামল ২৭/৮০) এভাবে পুরো আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন। [১৩৭০-৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عثمان، حدثنا عبدة، عن هشام، عن ابيه، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال وقف النبي صلى الله عليه وسلم على قليب بدر فقال {هل وجدتم ما وعد ربكم حقا ثم قال انهم الان يسمعون ما اقول} فذكر لعايشة فقالت انما قال النبي صلى الله عليه وسلم " انهم الان ليعلمون ان الذي كنت اقول لهم هو الحق ". ثم قرات {انك لا تسمع الموتى} حتى قرات الاية
ইবন ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বদরে অবস্থিত কূপের পাশে দাঁড়িয়ে বললেন, (হে মুশরিকগণ) তোমাদের রব তোমাদের কাছে যা ওয়াদা করেছিলেন তা তোমরা সত্য হিসেবে পেয়েছ কি? পরে তিনি বললেন, এ মুহূর্তে তাদেরকে আমি যা বলছি তারা তা সবই শুনতে পাচ্ছে। এ বিষয়টি ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর সামনে উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন তার অর্থ হল, তারা এখন জানতে পারছে যে, আমি তাদেরকে যা বলতাম তাই সঠিক ছিল। এরপর তিনি তিলাওয়াত করলেন: (إِنَّكَ لَا تسْمِعُ الْمَوْتٰى) ‘‘তুমি তো মৃতকে শুনাতে পার না’’- (সূরাহ নামল ২৭/৮০) এভাবে পুরো আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন। [১৩৭০-৩৭১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عثمان، حدثنا عبدة، عن هشام، عن ابيه، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال وقف النبي صلى الله عليه وسلم على قليب بدر فقال {هل وجدتم ما وعد ربكم حقا ثم قال انهم الان يسمعون ما اقول} فذكر لعايشة فقالت انما قال النبي صلى الله عليه وسلم " انهم الان ليعلمون ان الذي كنت اقول لهم هو الحق ". ثم قرات {انك لا تسمع الموتى} حتى قرات الاية
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলতেন, হারিসাহ (রাঃ) একজন নও জওয়ান লোক ছিলেন। বাদর যুদ্ধে তিনি শাহাদাত বরণ করার পর তাঁর আম্মা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! হারিসাহ আমার কত প্রিয় ছিল আপনি তা অবশ্যই জানেন। সে যদি জান্নাতী হয় তাহলে আমি সবর করব এবং আল্লাহর নিকট সাওয়াবের আশা পোষণ করব। আর যদি ব্যাপার অন্য রকম হয় তাহলে আপনি তো দেখতেই পাবেন, আমি যা করব। তখন তিনি সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমার কী হল, তুমি কি অজ্ঞান হয়ে গেলে? জান্নাত কি একটি? জান্নাত অনেকগুলি, সে তো জান্নাতুল ফিরদাউসে রয়েছে। [২৮০৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، حدثنا معاوية بن عمرو، حدثنا ابو اسحاق، عن حميد، قال سمعت انسا رضى الله عنه يقول اصيب حارثة يوم بدر وهو غلام، فجاءت امه الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله، قد عرفت منزلة حارثة مني، فان يكن في الجنة اصبر واحتسب، وان تك الاخرى ترى ما اصنع فقال " ويحك اوهبلت اوجنة واحدة هي انها جنان كثيرة، وانه في جنة الفردوس
‘আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ মারসাদ, যুবায়র (রাঃ) ও আমাকে কোন স্থানে প্রেরণ করেছিলেন এবং আমরা সকলেই ছিলাম অশ্বারোহী। তিনি আমাদেরকে বললেন, তোমরা যাও। যেতে যেতে তোমরা ‘রাওযা খাখ’ নামক জায়গায় পৌঁছে সেখানে একজন স্ত্রীলোক দেখতে পাবে। তার কাছে মুশরিকদের প্রতি লিখিত হাতিব ইবনু আবূ বালতার একটি চিঠি আছে। (সেটা নিয়ে আসবে।) ‘আলী (রাঃ) বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নির্দেশিত জায়গায় গিয়ে তাকে ধরে ফেললাম। সে তখন তার একটি উটের উপর চড়ে পথ অতিক্রম করছিল। আমরা তাকে বললাম, পত্রখানা আমাদের নিকট দিয়ে দাও। সে বলল, আমার নিকট কোন পত্র নেই। আমরা তখন তার উটটিকে বসিয়ে তার তল্লাশী করলাম। কিন্তু পত্রখানা বের করতে পারলাম না। আমরা বললাম, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিথ্যা বলেননি। তোমাকে চিঠিটি বের করতেই হবে। নতুবা আমরা তোমাকে উলঙ্গ করে ছাড়ব। যখন আমাদের শক্ত মনোভাব বুঝতে পারল তখন স্ত্রীলোকটি তার কোমরের পরিহিত বস্ত্রের গিঁটে কাপড়ের পুঁটুলির মধ্য থেকে চিঠিখানা বের করে দিল। আমরা তা নিয়ে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উপস্থিত হলাম। ‘উমার (রাঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম! সে তো আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল এবং মু’মিনদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। আপনি আমাকে অনুমতি দিন, আমি তার গর্দান উড়িয়ে দিই। তখন নবী [হাতিব ইবনু আবূ বালতা (রাঃ) কে ডেকে] বললেন, তোমাকে এ কাজ করতে কিসে বাধ্য করল? হাতিব (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি আমি অবিশ্বাসী নই। বরং আমার মূল উদ্দেশ্য হল শত্রু দলের প্রতি কিছু অনুগ্রহ করা যাতে আল্লাহ্ এ উসিলায় আমার মাল এবং পরিবার ও পরিজনকে রক্ষা করেন। আর আপনার সাহাবীদের প্রত্যেকেরই কোন না কোন আত্মীয় সেখানে রয়েছে, যার দ্বারা আল্লাহ্ তার ধন-মাল ও পরিজনকে রক্ষা করছেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে ঠিক কথাই বলেছে। সুতরাং তোমরা তার সম্পর্কে ভাল ব্যতীত আর কিছু বলো না। তখন ‘উমার (রাঃ) বললেন, সে তো আল্লাহ্, তাঁর রাসূল ও মু’মিনদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। সুতরাং আপনি আমাকে ছেড়ে দিন, আমি তাঁর গর্দার উড়িয়ে দেই। রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে কি বাদ্রী সাহাবী নয়? অবশ্যই বাদর যুদ্ধে যোগদানকারীদেরকে বুঝে শুনেই আল্লাহ্ বলেছেনঃ ‘‘তোমাদের যা ইচ্ছে কর’’ তোমাদের জন্য জান্নাত অবধারিত অথবা (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) আমি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছি। এতে ‘উমার (রাঃ)-এর দু’নয়ন অশ্রু সিক্ত হয়ে উঠল। তিনি বললেন, আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলই সবচেয়ে অধিক জ্ঞাত।[1] [৩০০৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني اسحاق بن ابراهيم، اخبرنا عبد الله بن ادريس، قال سمعت حصين بن عبد الرحمن، عن سعد بن عبيدة، عن ابي عبد الرحمن السلمي، عن علي رضى الله عنه قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم وابا مرثد والزبير وكلنا فارس قال " انطلقوا حتى تاتوا روضة خاخ، فان بها امراة من المشركين، معها كتاب من حاطب بن ابي بلتعة الى المشركين ". فادركناها تسير على بعير لها حيث قال رسول الله صلى الله عليه وسلم فقلنا الكتاب. فقالت ما معنا كتاب. فانخناها فالتمسنا فلم نر كتابا، فقلنا ما كذب رسول الله صلى الله عليه وسلم، لتخرجن الكتاب او لنجردنك. فلما رات الجد اهوت الى حجزتها وهى محتجزة بكساء فاخرجته، فانطلقنا بها الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال عمر يا رسول الله، قد خان الله ورسوله والمومنين، فدعني فلاضرب عنقه. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " ما حملك على ما صنعت ". قال حاطب والله ما بي ان لا اكون مومنا بالله ورسوله صلى الله عليه وسلم اردت ان يكون لي عند القوم يد يدفع الله بها عن اهلي ومالي، وليس احد من اصحابك الا له هناك من عشيرته من يدفع الله به عن اهله وماله. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " صدق، ولا تقولوا له الا خيرا ". فقال عمر انه قد خان الله ورسوله والمومنين، فدعني فلاضرب عنقه. فقال " اليس من اهل بدر ". فقال " لعل الله اطلع الى اهل بدر فقال اعملوا ما شيتم فقد وجبت لكم الجنة، او فقد غفرت لكم ". فدمعت عينا عمر وقال الله ورسوله اعلم
আবূ উসায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বাদর যুদ্ধের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে বলেছিলেন, দুশমনরা তোমাদের নিকটবর্তী হলে তোমরা তীর চালনা করবে এবং তীর ব্যবহারে সংযম অবলম্বন করবে। [২৯০০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد الجعفي، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا عبد الرحمن بن الغسيل، عن حمزة بن ابي اسيد، والزبير بن المنذر بن ابي اسيد، عن ابي اسيد رضى الله عنه قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم بدر " اذا اكثبوكم فارموهم واستبقوا نبلكم
আবূ উসায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বাদর যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন যে, তারা তোমাদের নিকটবর্তী হলে তাদের প্রতি তীর চালনা করবে এবং তীর ব্যবহারে সংযম অবলম্বন করবে। [২৯০০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن عبد الرحيم، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا عبد الرحمن بن الغسيل، عن حمزة بن ابي اسيد، والمنذر بن ابي اسيد، عن ابي اسيد رضى الله عنه قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم بدر " اذا اكثبوكم يعني كثروكم فارموهم، واستبقوا نبلكم
বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উহূদ যুদ্ধের দিন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘আবদুল্লাহ ইবনু যুবায়রকে তীরন্দাজ বাহিনীর নেতা নিযুক্ত করেছিলেন। তারা (মুশরিকরা) আমাদের সত্তর জনকে শহীদ করে দেয়। বাদর যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীগণ মুশরিকদের একশ চল্লিশ জনকে নিহত ও গ্রেফতার করে ফেলেছিলেন। যাদের সত্তর জন বন্দী হয়েছিল এবং সত্তর জন নিহত হয়েছিল। আবূ সুফইয়ান (রাঃ)[1] বললেন, আজকের দিন হল বদরের বদলা। যুদ্ধ কূপের বালতির মত যাতে হাত বদল হয়। [৩০৩৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عمرو بن خالد، حدثنا زهير، حدثنا ابو اسحاق، قال سمعت البراء بن عازب رضى الله عنهما قال جعل النبي صلى الله عليه وسلم على الرماة يوم احد عبد الله بن جبير، فاصابوا منا سبعين، وكان النبي صلى الله عليه وسلم واصحابه اصابوا من المشركين يوم بدر اربعين وماية سبعين اسيرا وسبعين قتيلا. قال ابو سفيان يوم بيوم بدر، والحرب سجال
আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি স্বপ্নে[1] যে কল্যাণ দেখেছিলাম সে তো ঐ কল্যাণ যা পরবর্তী সময়ে আল্লাহ্ তা‘আলা আমাদেরকে দান করেছেন। আর উত্তম প্রতিদান বিষয়ে যা দেখেছিলাম তা তো আল্লাহ্ আমাদেরকে দান করেছেন বদর যুদ্ধের পর। [৩৬২২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৬৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن العلاء، حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن جده ابي بردة، عن ابي موسى،، اراه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " واذا الخير ما جاء الله به من الخير بعد، وثواب الصدق الذي اتانا بعد يوم بدر