Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫২৫ হাদিসসমূহ
আবূ জামরাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। (তিনি বলেন) আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-কে বললামঃ আমার একটি কলসী আছে। তাতে আমার জন্য (খেজুর ভিজিয়ে) নবীয তৈরী করা হয় এবং পানি মিঠা হলে আমি তা আরেকটি পাত্রে ঢেলে পানি করি। কিন্তু কখনো যদি ঐ পানি অধিক পরিমাণ পান করে লোকজনের সঙ্গে বসে যাই এবং দীর্ঘ সময় মসজিদে বসে থাকি তখন আমার ভয় হয় যে, (নেশার কারণে) আমি অপমানিত হব। তখন ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, ‘আবদুল কায়স গোত্রের একটি প্রতিনিধি দল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে আসলে তিনি বললেন, কাওমের জন্য খোশ-আমদেদ যাদের আগমন না ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় হয়েছে, না অপমানিত অবস্থায়। তারা আরয করল, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের ও আপনার মধ্যে মুদার গোত্রের মুশরিকরা প্রতিবন্ধক হয়ে আছে। এ জন্য আমরা আপনার কাছে নিষিদ্ধ মাসসমূহ ব্যতীত অন্য সময়ে আসতে পারি না। কাজেই আমাদেরকে সংক্ষিপ্ত কয়েকটি কথা বলে দিন, যেগুলোর উপর ‘আমল করলে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব। আর যাঁরা আমাদের পেছনে (বাড়িতে) রয়ে গেছে তাদেরকে এর দা‘ওয়াত দেব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি জিনিস পালন করার নির্দেশ দিচ্ছি। আর চারটি জিনিস থেকে বিরত থাকতে বলছি। আল্লাহর প্রতি ঈমান আনার নির্দেশ দিচ্ছি। তোমরা কি জান আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা কাকে বলে? তা হলঃ ‘আল্লাহ ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই’- এ কথার সাক্ষ্য দেয়া, আর সালাত আদায় করা, যাকাত দেয়া, রমাযানের সওম পালন করা এবং গানীমাতের মালের এক-পঞ্চমাংশ জমা দেয়ার নির্দেশ দিচ্ছি। আর চারটি জিনিস-লাউয়ের পাত্র, কাঠের তৈরী নাকীর নামক পাত্র, সবুজ কলসী এবং মুযাফ্ফাত নামক তৈল মাখানো পাত্রে নবীয* তৈরী করা থেকে নিষেধ করছি। [৫৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني اسحاق، اخبرنا ابو عامر العقدي، حدثنا قرة، عن ابي جمرة، قلت لابن عباس رضى الله عنهما ان لي جرة ينتبذ لي نبيذ، فاشربه حلوا في جر ان اكثرت منه، فجالست القوم، فاطلت الجلوس خشيت ان افتضح فقال قدم وفد عبد القيس على رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " مرحبا بالقوم غير خزايا ولا الندامى ". فقالوا يا رسول الله، ان بيننا وبينك المشركين من مضر، وانا لا نصل اليك الا في اشهر الحرم، حدثنا بجمل من الامر، ان عملنا به دخلنا الجنة، وندعو به من وراءنا. قال " امركم باربع، وانهاكم عن اربع، الايمان بالله، هل تدرون ما الايمان بالله شهادة ان لا اله الا الله، واقام الصلاة، وايتاء الزكاة وصوم رمضان، وان تعطوا من المغانم الخمس، وانهاكم عن اربع ما انتبذ في الدباء، والنقير، والحنتم، والمزفت
আবূ জামরাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে শুনেছি, তিনি বলেছেন-আবদুল কায়স গোত্রে একটি প্রতিনিধি দল নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এসে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা অর্থাৎ এই ছোট্ট দল রাবী‘আহ’র গোত্র। আমাদের এবং আপনার মাঝখানে প্রতিবন্ধক হয়ে আছে মুদার গোত্রের মুশরিকরা। কাজেই আমরা নিষিদ্ধ মাসগুলো ব্যতীত অন্য সময়ে আপনার কাছে আসতে পারি না। এ জন্য আপনি আমাদেরকে এমন কিছু বিষয়ের নির্দেশ দিয়ে দিন যেগুলোর উপর আমরা ‘আমল করতে থাকব এবং যারা আমাদের পেছনে রয়েছে তাদেরকেও সেই দিকে আহবান জানাব। তিনি বললেন, আমি তোমাদেরকে চারটি বিষয়ের হুকুম দিচ্ছি এবং চারটি বিষয় থেকে নিষেধ করছি। (বিষয়গুলো হল) আল্লাহর উপর ঈমান আনা অর্থাৎ আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন ইলাহ নেই এ কথার সাক্ষ্য দেয়া। (কথাটি বলে) তিনি আঙ্গুলের সাহায্যে এক গুণলেন। আর সালাত আদায় করা, যাকাত দেয়া এবং তোমরা যে গানীমাত লাভ করবে তার এক-পঞ্চমাংশ আল্লাহর জন্য জমা দেয়া। আর আমি তোমাদেরকে লাউয়ের পাত্র, নাকীর নামক খোদাইকৃত কাঠের পাত্র, সবুজ কলসী এবং মুযাফ্ফাত নামক তৈল মাখানো পাত্র ব্যবহার থেকে নিষেধ করছি। [৫৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، حدثنا حماد بن زيد، عن ابي جمرة، قال سمعت ابن عباس، يقول قدم وفد عبد القيس على النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا يا رسول الله انا هذا الحى من ربيعة، وقد حالت بيننا وبينك كفار مضر، فلسنا نخلص اليك الا في شهر حرام، فمرنا باشياء ناخذ بها وندعو اليها من وراءنا. قال " امركم باربع وانهاكم عن اربع، الايمان بالله شهادة ان لا اله الا الله وعقد واحدة واقام الصلاة، وايتاء الزكاة، وان تودوا لله خمس ما غنمتم، وانهاكم عن الدباء، والنقير والحنتم والمزفت
বুকায়র (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম কুরাইব (রহ.) তাকে বর্ণনা করেছেন যে, ইবনু ‘আব্বাস, আবদুর রহমান ইবনু আযহার এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামা (রাঃ) (এ তিনজনে) আমাকে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠিয়ে বললেন, তাঁকে আমাদের সবার পক্ষ থেকে সালাম জানাবে এবং তাঁকে আসরের পরের দু’রাক‘আত সালাত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করবে। কারণ আমরা অবহিত হয়েছি যে, আপনি নাকি এই দু’রাক‘আত সালাত আদায় করেন অথচ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতে নিষেধ করেছেন-এ হাদীসও আমাদের কাছে পৌঁছেছে। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, আমি ‘উমার (রাঃ)-এর উপস্থিতিতে এ দু’রাক‘আত সালাত আদায়কারী লোকদেরকে প্রহার করতাম। কুরায়ব (রহ.) বলেন, আমি তাঁর [‘আয়িশাহ (রাঃ)] কাছে গেলাম এবং তারা আমাকে যে ব্যাপারে পাঠিয়েছেন তা জানালাম। তিনি বললেন, বিষয়টি উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর কাছে জিজ্ঞেস কর। এরপর আমি তাঁদেরকে জানালে তাঁরা আবার আমাকে উম্মু সালামাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠালেন যেভাবে তারা আমাকে ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর কাছে পাঠিয়েছিলেন। তখন উম্মু সালামাহ (রাঃ) বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি, তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করা থেকে নিষেধ করেছেন। কিন্তু একদিন তিনি ‘আসরের সালাত আদায় করে আমার ঘরে প্রবেশ করলেন। এ সময় আমার কাছে ছিল আনসারদের বানী হারাম গোত্রের কতিপয় মহিলা। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। আমি তখন পরিচারিকাকে পাঠিয়ে বললাম, তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে এবং বলবে, ‘‘ উম্মু সালামাহ (রাঃ) আপনাকে এ কথা বলছেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি কি আপনাকে এ দু’রাক‘আত আদায় করা থেকে নিষেধ করতে শুনিনি অথচ দেখতে পাচ্ছি আপনি সে দু’রাক‘আত আদায় করছেন?’’ এরপর যদি তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করেন তাহলে পিছনে সরে যাবে। পরিচারিকা গিয়ে সেভাবেই বলল। তিনি হাত দিয়ে ইঙ্গিত করলেন। পরিচারিকা পেছনের দিকে সরে গেল। সালাত সম্পাদন করে তিনি বললেন, হে আবূ উমাইয়াহর কন্যা! (উম্মু সালামাহ) তুমি আমাকে আসরের পরের দু’রাক‘আত সালাতের কথা জিজ্ঞেস করছ। আসলে আজ ‘আবদুল কায়স গোত্র থেকে তাদের কতিপয় লোক আমার কাছে ইসলাম গ্রহণ করতে এসেছিল। তাঁরা আমাকে ব্যস্ত রাখার কারণে যুহরের পরের দু’রাক‘আত সালাত আদায় করতে পারিনি। সেই দু’রাক‘আত হল এ দু’রাক‘আত সালাত। [১২৩৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن سليمان، حدثني ابن وهب، اخبرني عمرو،. وقال بكر بن مضر عن عمرو بن الحارث، عن بكير، ان كريبا، مولى ابن عباس حدثه ان ابن عباس وعبد الرحمن بن ازهر والمسور بن مخرمة ارسلوا الى عايشة رضى الله عنها فقالوا اقرا عليها السلام منا جميعا، وسلها عن الركعتين بعد العصر، وانا اخبرنا انك تصليها، وقد بلغنا ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عنها، قال ابن عباس وكنت اضرب مع عمر الناس عنهما. قال كريب فدخلت عليها، وبلغتها ما ارسلوني، فقالت سل ام سلمة. فاخبرتهم، فردوني الى ام سلمة بمثل ما ارسلوني الى عايشة، فقالت ام سلمة سمعت النبي صلى الله عليه وسلم ينهى عنهما، وانه صلى العصر ثم دخل على وعندي نسوة من بني حرام من الانصار، فصلاهما، فارسلت اليه الخادم فقلت قومي الى جنبه فقولي تقول ام سلمة يا رسول الله الم اسمعك تنهى عن هاتين الركعتين فاراك تصليهما. فان اشار بيده فاستاخري. ففعلت الجارية، فاشار بيده، فاستاخرت عنه، فلما انصرف قال " يا بنت ابي امية، سالت عن الركعتين بعد العصر، انه اتاني اناس من عبد القيس بالاسلام من قومهم، فشغلوني عن الركعتين اللتين بعد الظهر، فهما هاتان
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মসজিদে জুমু‘আহর সালাত জারী করার পরে সর্বপ্রথম যে মসজিদে জুমু‘আহর সালাত জারী করা হয়েছিল তা হল বাহরাইনের জুয়াসা এলাকায় অবস্থিত ‘আবদুল ক্বায়স গোত্রের মাসজিদ। [৮৯২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد الجعفي، حدثنا ابو عامر عبد الملك، حدثنا ابراهيم هو ابن طهمان عن ابي جمرة، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال اول جمعة جمعت بعد جمعة جمعت في مسجد رسول الله صلى الله عليه وسلم في مسجد عبد القيس بجواثى. يعني قرية من البحرين
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদল অশ্বারোহী সৈন্য নজদের দিকে পাঠিয়েছিলেন। তারা সুমামাহ ইবনু উসাল নামক বনু হানীফার এক লোককে ধরে আনলেন এবং মসজিদে নাববীর একটি খুঁটির সঙ্গে তাকে বেঁধে রাখলেন। তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে গিয়ে বললেন, ওহে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? সে উত্তর দিল, হে মুহাম্মাদ! আমার কাছে তো ভালই মনে হচ্ছে। যদি আমাকে হত্যা করেন তাহলে আপনি একজন খুনীকে হত্যা করবেন। আর যদি আপনি অনুগ্রহ করেন তাহলে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তিকে অনুগ্রহ করবেন। আর যদি আপনি অর্থ সম্পদ পেতে চান তাহলে যতটা ইচ্ছা দাবী করুন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সেই অবস্থার উপর রেখে দিলেন। এভাবে পরের দিন আসল। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার তাকে বললেন, ওহে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? সে বলল, আমার কাছে সেটিই মনে হচ্ছে যা আমি আপনাকে বলেছিলাম যে, যদি আপনি অনুগ্রহ করেন তাহলে একজন কৃতজ্ঞ ব্যক্তির উপর অনুগ্রহ করবেন। তিনি তাকে সেই অবস্থায় রেখে দিলেন। এভাবে এর পরের দিনও আসল। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, হে সুমামাহ! তোমার কাছে কেমন মনে হচ্ছে? সে বলল, আমার কাছে তা-ই মনে হচ্ছে যা আমি পূর্বেই বলেছি। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা সুমামাহর বন্ধন ছেড়ে দাও। এবার সুমামাহ মসজিদে নাববীতে প্রবেশ করে বলল, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল। (তিনি বললেন) হে মুহাম্মাদ! আল্লাহর কসম! ইতোপূর্বে আমার কাছে যমীনের উপর আপনার চেহারার চেয়ে অধিক অপছন্দনীয় আর কোন চেহারা ছিল না। কিন্তু এখন আপনার চেহারাই আমার কাছে সকল চেহারা অপেক্ষা অধিক প্রিয়। আল্লাহর কসম! আমার কাছে আপনার দ্বীন অপেক্ষা অধিক ঘৃণিত অন্য কোন দ্বীন ছিল না। এখন আপনার দ্বীনই আমার কাছে সকল দ্বীনের চেয়ে প্রিয়তম। আল্লাহর কসম! আমার মনে আপনার শহরের চেয়ে অধিক খারাপ শহর অন্য কোনটি ছিল না। কিন্তু এখন আপনার শহরটিই আমার কাছে সকল শহর চেয়ে অধিক প্রিয়। আপনার অশ্বারোহী সৈনিকগণ আমাকে ধরে এনেছে, সে সময় আমি ‘উমরাহর উদ্দেশে বেরিয়ে ছিলাম। এখন আপনি আমাকে কী হুকুম করেন? তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে সু-সংবাদ প্রদান করলেন এবং ‘উমরাহ্ আদায়ের নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি যখন মক্কা্য় আসলেন তখন এক ব্যক্তি তাকে বলল, বেদ্বীন হয়ে গেছ? তিনি উত্তর করলেন, না, বরং আমি মুহাম্মাদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ইসলাম গ্রহণ করেছি। আর আল্লাহর কসম! নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুমতি ব্যতীত তোমাদের কাছে ইয়ামামাহ থেকে গমের একটি দানাও আসবে না। [৪৬২; মুসলিম ৩২/১৯, হাঃ ১৭৬৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، حدثنا الليث، قال حدثني سعيد بن ابي سعيد، انه سمع ابا هريرة رضى الله عنه قال بعث النبي صلى الله عليه وسلم خيلا قبل نجد، فجاءت برجل من بني حنيفة يقال له ثمامة بن اثال، فربطوه بسارية من سواري المسجد، فخرج اليه النبي صلى الله عليه وسلم فقال " ما عندك يا ثمامة ". فقال عندي خير يا محمد، ان تقتلني تقتل ذا دم، وان تنعم تنعم على شاكر، وان كنت تريد المال فسل منه ما شيت. حتى كان الغد ثم قال له " ما عندك يا ثمامة ". قال ما قلت لك ان تنعم تنعم على شاكر. فتركه حتى كان بعد الغد، فقال " ما عندك يا ثمامة ". فقال عندي ما قلت لك. فقال " اطلقوا ثمامة "، فانطلق الى نخل قريب من المسجد فاغتسل ثم دخل المسجد فقال اشهد ان لا اله الا الله، واشهد ان محمدا رسول الله، يا محمد والله ما كان على الارض وجه ابغض الى من وجهك، فقد اصبح وجهك احب الوجوه الى، والله ما كان من دين ابغض الى من دينك، فاصبح دينك احب الدين الى، والله ما كان من بلد ابغض الى من بلدك، فاصبح بلدك احب البلاد الى، وان خيلك اخذتني وانا اريد العمرة، فماذا ترى فبشره رسول الله صلى الله عليه وسلم وامره ان يعتمر، فلما قدم مكة قال له قايل صبوت. قال لا، ولكن اسلمت مع محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولا والله لا ياتيكم من اليمامة حبة حنطة حتى ياذن فيها النبي صلى الله عليه وسلم
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি ‘‘আমি তোমাকে তেমনই দেখতে পাচ্ছি যেমন আমাকে দেখানো হয়েছিল’’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) আমাকে জানালেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একদিন আমি ঘুমাচ্ছিলাম তখন স্বপ্নে দেখলাম, আমার দু’হাতে স্বর্ণের দু’টি কঙ্কন। কঙ্কন দু’টি আমাকে চিন্তিত করল। তখন ঘুমের মধ্যেই আমার প্রতি ওয়াহী করা হল, কাঁকন দু’টিতে ফুঁ দাও। আমি সে দু’টিতে ফুঁ দিলে তা উড়ে গেল। আমি এর ব্যাখ্যা করেছি দু’জন মিথ্যাচারী (নবী) যারা আমার পরে বের হবে। তাদের একজন ‘আনসী, অন্যজন মুসাইলামাহ। [৩৬২১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن عبد الله بن ابي حسين، حدثنا نافع بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال قدم مسيلمة الكذاب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل يقول ان جعل لي محمد من بعده تبعته. وقدمها في بشر كثير من قومه، فاقبل اليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه ثابت بن قيس بن شماس، وفي يد رسول الله صلى الله عليه وسلم قطعة جريد حتى وقف على مسيلمة في اصحابه، فقال " لو سالتني هذه القطعة ما اعطيتكها ولن تعدو امر الله فيك، ولين ادبرت ليعقرنك الله، واني لاراك الذي اريت فيه ما رايت، وهذا ثابت يجيبك عني ". ثم انصرف عنه. قال ابن عباس فسالت عن قول، رسول الله صلى الله عليه وسلم " انك ارى الذي اريت فيه ما اريت ". فاخبرني ابو هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بينا انا نايم رايت في يدى سوارين من ذهب، فاهمني شانهما، فاوحي الى في المنام ان انفخهما، فنفختهما فطارا فاولتهما كذابين يخرجان بعدي، احدهما العنسي، والاخر مسيلمة
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি ‘‘আমি তোমাকে তেমনই দেখতে পাচ্ছি যেমন আমাকে দেখানো হয়েছিল’’ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) আমাকে জানালেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, একদিন আমি ঘুমাচ্ছিলাম তখন স্বপ্নে দেখলাম, আমার দু’হাতে স্বর্ণের দু’টি কঙ্কন। কঙ্কন দু’টি আমাকে চিন্তিত করল। তখন ঘুমের মধ্যেই আমার প্রতি ওয়াহী করা হল, কাঁকন দু’টিতে ফুঁ দাও। আমি সে দু’টিতে ফুঁ দিলে তা উড়ে গেল। আমি এর ব্যাখ্যা করেছি দু’জন মিথ্যাচারী (নবী) যারা আমার পরে বের হবে। তাদের একজন ‘আনসী, অন্যজন মুসাইলামাহ। [৩৬২১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن عبد الله بن ابي حسين، حدثنا نافع بن جبير، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال قدم مسيلمة الكذاب على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فجعل يقول ان جعل لي محمد من بعده تبعته. وقدمها في بشر كثير من قومه، فاقبل اليه رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه ثابت بن قيس بن شماس، وفي يد رسول الله صلى الله عليه وسلم قطعة جريد حتى وقف على مسيلمة في اصحابه، فقال " لو سالتني هذه القطعة ما اعطيتكها ولن تعدو امر الله فيك، ولين ادبرت ليعقرنك الله، واني لاراك الذي اريت فيه ما رايت، وهذا ثابت يجيبك عني ". ثم انصرف عنه. قال ابن عباس فسالت عن قول، رسول الله صلى الله عليه وسلم " انك ارى الذي اريت فيه ما اريت ". فاخبرني ابو هريرة ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بينا انا نايم رايت في يدى سوارين من ذهب، فاهمني شانهما، فاوحي الى في المنام ان انفخهما، فنفختهما فطارا فاولتهما كذابين يخرجان بعدي، احدهما العنسي، والاخر مسيلمة
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি ঘুমাচ্ছিলাম এমতাবস্থায় (স্বপ্নে) আমাকে পৃথিবীর সকল দেয়া হল এবং আমার হাতে দু’টি স্বর্ণ কঙ্কন রাখা হল। এ দু’টি আমার কাছে গুরুতর মনে হল। তখন ওয়াহী যোগে আমাকে জানানো হল যে, ও দু’টিতে ফুঁ দাও। আমি ফুঁ দিলাম, তখনও দু’টি উধাও হয়ে গেল। আমি এ দু’টির ব্যাখ্যা করলাম যে, এরা সেই দু’ মিথ্যাচারী (নবী) যাদের মাঝখানে আমি অবস্থান করছি। অর্থাৎ সান‘আর অধিবাসী (আসওয়াদ আনসী) এবং ইয়ামামার অধিবাসী (মুসাইলামাতুল কায্যাব)। [৩৬২১; মুসলিম ৪২/৪, হাঃ ২২৭৪, আহমাদ ১১৮১৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن نصر، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، انه سمع ابا هريرة رضى الله عنه يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " بينا انا نايم اتيت بخزاين الارض، فوضع في كفي سواران من ذهب، فكبرا على فاوحي الى ان انفخهما، فنفختهما فذهبا فاولتهما الكذابين اللذين انا بينهما صاحب صنعاء، وصاحب اليمامة
রাবী মাহদী (রহ.) বলেন, আমি আবূ রাজা (রহ.)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নবুয়ত লাভের সময় আমি ছিলাম অল্প বয়স্ক বালক। আমি আমাদের উট চরাতাম। যখন আমরা তাঁর অভিযানের কথা শুনলাম তখন আমরা পালিয়ে এলাম জাহান্নামের দিকে অর্থাৎ মিথ্যাচারী (নবী) মুসাইলামাহর দিকে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الصلت بن محمد، قال سمعت مهدي بن ميمون، قال سمعت ابا رجاء العطاردي، يقول كنا نعبد الحجر، فاذا وجدنا حجرا هو اخير منه القيناه واخذنا الاخر، فاذا لم نجد حجرا جمعنا جثوة من تراب، ثم جينا بالشاة فحلبناه عليه، ثم طفنا به، فاذا دخل شهر رجب قلنا منصل الاسنة. فلا ندع رمحا فيه حديدة ولا سهما فيه حديدة الا نزعناه والقيناه شهر رجب. وسمعت ابا رجاء، يقول كنت يوم بعث النبي صلى الله عليه وسلم غلاما ارعى الابل على اهلي، فلما سمعنا بخروجه فررنا الى النار الى مسيلمة الكذاب
রাবী মাহদী (রহ.) বলেন, আমি আবূ রাজা (রহ.)-কে বলতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নবুয়ত লাভের সময় আমি ছিলাম অল্প বয়স্ক বালক। আমি আমাদের উট চরাতাম। যখন আমরা তাঁর অভিযানের কথা শুনলাম তখন আমরা পালিয়ে এলাম জাহান্নামের দিকে অর্থাৎ মিথ্যাচারী (নবী) মুসাইলামাহর দিকে। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الصلت بن محمد، قال سمعت مهدي بن ميمون، قال سمعت ابا رجاء العطاردي، يقول كنا نعبد الحجر، فاذا وجدنا حجرا هو اخير منه القيناه واخذنا الاخر، فاذا لم نجد حجرا جمعنا جثوة من تراب، ثم جينا بالشاة فحلبناه عليه، ثم طفنا به، فاذا دخل شهر رجب قلنا منصل الاسنة. فلا ندع رمحا فيه حديدة ولا سهما فيه حديدة الا نزعناه والقيناه شهر رجب. وسمعت ابا رجاء، يقول كنت يوم بعث النبي صلى الله عليه وسلم غلاما ارعى الابل على اهلي، فلما سمعنا بخروجه فررنا الى النار الى مسيلمة الكذاب
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ (রহ.) বলেন, আমাদের কাছে এ খবর পৌঁছে যে, [রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যামানায়] মিথ্যাচারী মুসাইলামাহ একবার মদিনা্য় এসে হারিসের কন্যার ঘরে অবস্থান করেছিল। হারিস ইবনু কুরাইযের কন্যা তথা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমিরের মা ছিল তার (মুসাইলামাহর) স্ত্রী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে আসলেন। তখন তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবিত ইবনু কায়স ইবনু শাম্মাস (রাঃ) আর তিনি হলেন সেই ব্যক্তি যাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খতীব বলা হত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে ছিল একটি খেজুরের ডাল। তিনি তার কাছে গিয়ে তার সঙ্গে কথাবার্তা বললেন। মুসাইলামাহ তাঁকে [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে] বলল, আপনি ইচ্ছা করলে আমার এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের মাঝে বাধা এভাবে তুলে দিতে পারেন যে, আপনার পরে তা আমার জন্য নির্দিষ্ট করে দিবেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি যদি এ ডালটিও আমার কাছে চাও, তাও আমি তোমাকে দেব না। আমি তোমাকে ঠিক তেমনই দেখছি যেমনটি আমাকে (স্বপ্নযোগে) দেখানো হয়েছে। এই সাবিত ইবনু কায়স আমার পক্ষ থেকে তোমার জবাব দেবে। এ কথা বলে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেলেন। [৩৬২০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن محمد الجرمي، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن عبيدة بن نشيط وكان في موضع اخر اسمه عبد الله ان عبيد الله بن عبد الله بن عتبة قال بلغنا ان مسيلمة الكذاب قدم المدينة، فنزل في دار بنت الحارث، وكان تحته بنت الحارث بن كريز، وهى ام عبد الله بن عامر، فاتاه رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه ثابت بن قيس بن شماس، وهو الذي يقال له خطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي يد رسول الله صلى الله عليه وسلم قضيب، فوقف عليه فكلمه فقال له مسيلمة ان شيت خليت بيننا وبين الامر، ثم جعلته لنا بعدك. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لو سالتني هذا القضيب ما اعطيتكه واني لاراك الذي اريت فيه ما اريت، وهذا ثابت بن قيس وسيجيبك عني ". فانصرف النبي صلى الله عليه وسلم. قال عبيد الله بن عبد الله سالت عبد الله بن عباس عن رويا، رسول الله صلى الله عليه وسلم التي ذكر فقال ابن عباس ذكر لي ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بينا انا نايم اريت انه وضع في يدى سواران من ذهب، ففظعتهما وكرهتهما، فاذن لي فنفختهما فطارا، فاولتهما كذابين يخرجان ". فقال عبيد الله احدهما العنسي الذي قتله فيروز باليمن، والاخر مسيلمة الكذاب
‘উবাইদুল্লাহ ইবনু ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উতবাহ (রহ.) বলেন, আমাদের কাছে এ খবর পৌঁছে যে, [রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যামানায়] মিথ্যাচারী মুসাইলামাহ একবার মদিনা্য় এসে হারিসের কন্যার ঘরে অবস্থান করেছিল। হারিস ইবনু কুরাইযের কন্যা তথা ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমিরের মা ছিল তার (মুসাইলামাহর) স্ত্রী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার কাছে আসলেন। তখন তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাবিত ইবনু কায়স ইবনু শাম্মাস (রাঃ) আর তিনি হলেন সেই ব্যক্তি যাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর খতীব বলা হত। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে ছিল একটি খেজুরের ডাল। তিনি তার কাছে গিয়ে তার সঙ্গে কথাবার্তা বললেন। মুসাইলামাহ তাঁকে [রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে] বলল, আপনি ইচ্ছা করলে আমার এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের মাঝে বাধা এভাবে তুলে দিতে পারেন যে, আপনার পরে তা আমার জন্য নির্দিষ্ট করে দিবেন। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, তুমি যদি এ ডালটিও আমার কাছে চাও, তাও আমি তোমাকে দেব না। আমি তোমাকে ঠিক তেমনই দেখছি যেমনটি আমাকে (স্বপ্নযোগে) দেখানো হয়েছে। এই সাবিত ইবনু কায়স আমার পক্ষ থেকে তোমার জবাব দেবে। এ কথা বলে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম চলে গেলেন। [৩৬২০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن محمد الجرمي، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن عبيدة بن نشيط وكان في موضع اخر اسمه عبد الله ان عبيد الله بن عبد الله بن عتبة قال بلغنا ان مسيلمة الكذاب قدم المدينة، فنزل في دار بنت الحارث، وكان تحته بنت الحارث بن كريز، وهى ام عبد الله بن عامر، فاتاه رسول الله صلى الله عليه وسلم ومعه ثابت بن قيس بن شماس، وهو الذي يقال له خطيب رسول الله صلى الله عليه وسلم وفي يد رسول الله صلى الله عليه وسلم قضيب، فوقف عليه فكلمه فقال له مسيلمة ان شيت خليت بيننا وبين الامر، ثم جعلته لنا بعدك. فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لو سالتني هذا القضيب ما اعطيتكه واني لاراك الذي اريت فيه ما اريت، وهذا ثابت بن قيس وسيجيبك عني ". فانصرف النبي صلى الله عليه وسلم. قال عبيد الله بن عبد الله سالت عبد الله بن عباس عن رويا، رسول الله صلى الله عليه وسلم التي ذكر فقال ابن عباس ذكر لي ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " بينا انا نايم اريت انه وضع في يدى سواران من ذهب، ففظعتهما وكرهتهما، فاذن لي فنفختهما فطارا، فاولتهما كذابين يخرجان ". فقال عبيد الله احدهما العنسي الذي قتله فيروز باليمن، والاخر مسيلمة الكذاب
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজরান এলাকার দু’জন সরদার আকিব এবং সাইয়িদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে তাঁর সঙ্গে মুবাহালা করতে চেয়েছিল। বর্ণনাকারী হুযাইফাহ (রাঃ) বলেন, তখন তাদের একজন তার সঙ্গীকে বলল, এরূপ করো না। কারণ আল্লাহর কসম! তিনি যদি নবী হয়ে থাকেন আর আমরা তাঁর সঙ্গে মুবাহালা[1] করি তাহলে আমরা এবং আমাদের পরবর্তী সন্তান-সন্ততি (কেউ) রক্ষা পাবে না। তারা উভয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলল, আপনি আমাদের নিকট হতে যা চাবেন আপনাকে আমরা তা-ই দেব। তবে এর জন্য আপনি আমাদের সঙ্গে একজন আমানতদার ব্যক্তিকে পাঠিয়ে দিন। আমানতদার ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তিকে আমাদের সঙ্গে পাঠাবেন না। তিনি বললেন, আমি তোমাদের সঙ্গে অবশ্যই এমন একজন আমানতদার পাঠাবো যে প্রকৃতই আমানতদার এবং পাক্কা আমানতদার। এ পদে ভূষিত হওয়ার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ আগ্রহান্বিত হলেন। তখন তিনি বললেন, হে আবূ ‘উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ্! তুমি উঠে দাঁড়াও। তিনি যখন দাঁড়ালেন, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এ হচ্ছে এই উম্মতের সত্যিকার আমানতদার। [৩৭৪৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عباس بن الحسين، حدثنا يحيى بن ادم، عن اسراييل، عن ابي اسحاق، عن صلة بن زفر، عن حذيفة، قال جاء العاقب والسيد صاحبا نجران الى رسول الله صلى الله عليه وسلم يريدان ان يلاعناه، قال فقال احدهما لصاحبه لا تفعل، فوالله لين كان نبيا فلاعنا، لا نفلح نحن ولا عقبنا من بعدنا. قالا انا نعطيك ما سالتنا، وابعث معنا رجلا امينا، ولا تبعث معنا الا امينا. فقال " لابعثن معكم رجلا امينا حق امين ". فاستشرف له اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " قم يا ابا عبيدة بن الجراح ". فلما قام قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هذا امين هذه الامة
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাজরান অধিবাসীরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, আমাদের জন্য একজন আমানতদার ব্যক্তি পাঠিয়ে দিন। তিনি বললেনঃ তোমাদের কাছে আমি একজন আমানতদার ব্যক্তিকেই পাঠাব যিনি সত্যিই আমানতদার। লোকের এ সম্মান অর্জনের জন্য আগ্রহান্বিত হল। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ্ (রাঃ)-কে পাঠালেন। [৩৭৪৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، قال سمعت ابا اسحاق، عن صلة بن زفر، عن حذيفة رضى الله عنه قال جاء اهل نجران الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالوا ابعث لنا رجلا امينا. فقال " لابعثن اليكم رجلا امينا حق امين ". فاستشرف له الناس، فبعث ابا عبيدة بن الجراح
আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ প্রত্যেক উম্মতের জন্য একজন আমানতদার রয়েছে। আর এ উম্মাতের আমানতদার হল আবূ ‘উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ্। [৩৭৪৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، عن خالد، عن ابي قلابة، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لكل امة امين، وامين هذه الامة ابو عبيدة بن الجراح
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, বাহরাইনের অর্থ-সম্পদ (জিযিয়া) আসলে তোমাকে এত দেব, এত দেব এত দেব। তিনবার বললেন। এরপর বাহরাইন থেকে আর কোন অর্থ-সম্পদ আসেনি। এমতাবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাত হয়ে গেল। এরপর আবূ বাকরের যুগে যখন সেই অর্থ সম্পদ আসল তখন তিনি একজন ঘোষণাকারীকে নির্দেশ দিলেন। সে ঘোষণা করলঃ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে যার প্রাপ্য ঋণ আছে কিংবা কোন ওয়াদা অপূর্ণ আছে সে যেন আমার কাছে আসে। জাবির (রাঃ) বলেনঃ আমি আবূ বাকর (রাঃ)-এর কাছে এসে তাঁকে জানালাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছিলেন, যদি বাহরাইন থেকে অর্থ-সম্পদ আসে তা হলে তোমাকে আমি এত দেব, এত দেব, এত দেব। তিনবার বললেন। জাবির (রাঃ) বলেনঃ তখন আবূ বাকর (রাঃ) আমাকে অর্থ-সম্পদ দিলেন। জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর (আবার) আমি আবূ বাকর (রাঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং তার কাছে মাল চাইলাম। কিন্তু তিনি আমাকে কিছুই দিলেন না। এরপর আমি তাঁর কাছে দ্বিতীয়বার আসি, তিনি আমাকে কিছুই দেননি। এরপর আমি তাঁর কাছে তৃতীয়বার এলাম। তখনো তিনি আমাকে কিছুই দিলেন না। কাজেই আমি তাঁকে বললামঃ আমি আপনার কাছে এসেছিলাম কিন্তু আপনি আমাকে দেননি। তারপর (আবার) এসেছিলাম তখনো দেননি। এরপরেও এসেছিলাম তখনো আমাকে আপনি দেননি। কাজেই এখন হয় আপনি আমাকে সম্পদ দিবেন নয়তো আমি মনে করবঃ আপনি আমার ব্যাপারে কৃপণতা করছেন। তখন তিনি বললেনঃ এ কী বলছ ‘আমার ব্যাপারে কৃপণতা করছেন।’ কৃপণতা থেকে মারাত্মক ব্যাধি আর কী হতে পারে। কথাটি তিনি তিনবার বললেন। (এরপর তিনি বললেন) যতবারই আমি তোমাকে সম্পদ দেয়া থেকে বিরত রয়েছি ততবারই আমার ইচ্ছা ছিল যে, তোমাকে দেব। ‘আমর [ইবনু দ্বীনার (রহ.)] মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলী (রাঃ)-এর কাছে আসলে তিনি আমাকে বললেন, এ (আশরাফী)গুলো গুণো, আমি এগুলো গুণে দেখলাম এখানে পাঁচশ’ (আশরাফী) রয়েছে। তিনি বললেন, এ পরিমাণ আরো দু’বার উঠিয়ে নাও। [২২৯৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا سفيان، سمع ابن المنكدر، جابر بن عبد الله رضى الله عنهما يقول قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم " لو قد جاء مال البحرين لقد اعطيتك هكذا وهكذا ثلاثا ". فلم يقدم مال البحرين حتى قبض رسول الله صلى الله عليه وسلم فلما قدم على ابي بكر امر مناديا فنادى من كان له عند النبي صلى الله عليه وسلم دين او عدة فلياتني. قال جابر فجيت ابا بكر، فاخبرته ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " لو جاء مال البحرين اعطيتك هكذا وهكذا ثلاثا ". قال فاعطاني. قال جابر فلقيت ابا بكر بعد ذلك فسالته، فلم يعطني، ثم اتيته فلم يعطني، ثم اتيته الثالثة فلم يعطني، فقلت له قد اتيتك فلم تعطني، ثم اتيتك فلم تعطني، ثم اتيتك فلم تعطني، فاما ان تعطيني، واما ان تبخل عني. فقال اقلت تبخل عني واى داء ادوا من البخل قالها ثلاثا ما منعتك من مرة الا وانا اريد ان اعطيك. وعن عمرو عن محمد بن علي سمعت جابر بن عبد الله يقول جيته، فقال لي ابو بكر عدها. فعددتها فوجدتها خمسماية، فقال خذ مثلها مرتين
وَقَالَ أَبُوْ مُوْسَى عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم هُمْ مِنِّيْ وَأَنَا مِنْهُمْ. নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে, আশ‘আরীগণ আমার অন্তর্ভুক্ত আর আমি তাদের অন্তর্ভুক্ত। ৪৩৮৪. আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি এবং আমার ভাই ইয়ামান থেকে এসে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত অবস্থান করেছি। এ সময়ে ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) ও তাঁর মায়ের অধিক আসা-যাওয়া ও নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার কারণে আমরা তাঁদেরকে আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত মনে করেছিলাম। [৩৭৬৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد، واسحاق بن نصر، قالا حدثنا يحيى بن ادم، حدثنا ابن ابي زايدة، عن ابيه، عن ابي اسحاق، عن الاسود بن يزيد، عن ابي موسى رضى الله عنه قال قدمت انا واخي، من اليمن، فمكثنا حينا ما نرى ابن مسعود وامه الا من اهل البيت، من كثرة دخولهم ولزومهم له
যাহদাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ মূসা (রাঃ) এ এলাকায় এসে জারম গোত্রের লোকদেরকে সম্মানিত করেছেন। একদা আমরা তাঁর কাছে বসা ছিলাম। এ সময়ে তিনি মুরগীর গোশ্ত দিয়ে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। লোকদের মধ্যে এক ব্যক্তি বসা ছিল। তিনি তাকে খানা খেতে ডাকলেন। সে বলল, আমি মুরগীটিকে এমন জিনিস খেতে দেখেছি যার জন্য খেতে আমার অরুচি লাগছে। তিনি বললেন, এসো। কেননা আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মুরগী খেতে দেখেছি। সে বলল, আমি শপথ করে ফেলছি যে, এটি খাব না। তিনি বললেন, এসে পড়। তোমার শপথ সম্বন্ধে আমি তোমাকে জানাচ্ছি যে, আমরা আশ‘আরীদের একটি দল নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটে এসে তাঁর কাছে সাওয়ারী চেয়েছিলাম। তিনি আমাদেরকে সওয়ারী দিতে অস্বীকার করলেন। এরপর আমরা (আবার) তাঁর কাছে সাওয়ারী চাইলাম। তিনি তখন শপথ করে বললেন যে, আমাদেরকে তিনি সওয়ারী দেবেন না। কিছুক্ষণ পরেই নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে গানীমাতের কিছু উট আনা হল। তিনি আমাদেরকে পাঁচটি করে উট দেয়ার আদেশ দিলেন। উটগুলো হাতে নেয়ার পর আমরা পরস্পর বললাম, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর শপথ থেকে অমনোযোগী করে ফেলছি এমন অবস্থায় আর কখনো আমরা কামিয়াব হতে পারব না। কাজেই আমি তাঁর কাছে এসে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি শপথ করেছিলেন যে, আমাদের সাওয়ারী দেবেন না। এখন তো আপনি আমাদের সাওয়ারী দিলেন। তিনি বললেন, নিশ্চয়ই। তবে আমার নিয়ম হল, আমি যদি কোন ব্যাপারে শপথ করি আর এর বিপরীত কোনটিকে এ অপেক্ষা উত্তম মনে করি তাহলে উত্তমটিকেই গ্রহণ করে নেই। [৩১৩৩] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا عبد السلام، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن زهدم، قال لما قدم ابو موسى اكرم هذا الحى من جرم، وانا لجلوس عنده وهو يتغدى دجاجا، وفي القوم رجل جالس، فدعاه الى الغداء، فقال اني رايته ياكل شييا فقذرته. فقال هلم، فاني رايت النبي صلى الله عليه وسلم ياكله. فقال اني حلفت لا اكله. فقال هلم اخبرك عن يمينك، انا اتينا النبي صلى الله عليه وسلم نفر من الاشعريين، فاستحملناه فابى ان يحملنا فاستحملناه، فحلف ان لا يحملنا، ثم لم يلبث النبي صلى الله عليه وسلم ان اتي بنهب ابل، فامر لنا بخمس ذود، فلما قبضناها قلنا تغفلنا النبي صلى الله عليه وسلم يمينه، لا نفلح بعدها ابدا فاتيته فقلت يا رسول الله انك حلفت ان لا تحملنا وقد حملتنا. قال " اجل، ولكن لا احلف على يمين فارى غيرها خيرا منها الا اتيت الذي هو خير منها
‘ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বানী তামীমের লোকজন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে আসলে তিনি তাদেরকে বললেন, হে বানী তামীম! সুসংবাদ গ্রহণ কর। তারা বলল, আপনি সুসংবাদ তো দিলেন, কিন্তু আমাদেরকে (কিছু অর্থ-সম্পদ) দান করুন। কথাটি শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চেহারা বিবর্ণ হয়ে গেল। এমন সময়ে ইয়ামানী কিছু লোক আসল। নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, বানী তামীম যখন সুসংবাদ গ্রহণ করল না, তাহলে তোমরাই তা গ্রহণ কর। তাঁরা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তা গ্রহণ করলাম। [৩১৯০] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عمرو بن علي، حدثنا ابو عاصم، حدثنا سفيان، حدثنا ابو صخرة، جامع بن شداد حدثنا صفوان بن محرز المازني، حدثنا عمران بن حصين، قال جاءت بنو تميم الى رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال " ابشروا يا بني تميم ". قالوا اما اذ بشرتنا فاعطنا. فتغير وجه رسول الله صلى الله عليه وسلم، فجاء ناس من اهل اليمن، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " اقبلوا البشرى اذ لم يقبلها بنو تميم ". قالوا قد قبلنا يا رسول الله
আবূ মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানের দিকে তাঁর হাত দিয়ে ইশারা করে বলেছেন, ঈমান হল ওখানে।[1] আর কঠোরতা ও হৃদয়হীনতা হল রাবী‘আহ ও মুযার গোত্রদ্বয়ের সেসব মানুষের মধ্যে যারা উটের লেজের কাছে দাঁড়িয়ে চীৎকার দেয়, যেখান থেকে শয়তানের দু’ শিং উদিত হয়।[2] [৩৩০২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني عبد الله بن محمد الجعفي، حدثنا وهب بن جرير، حدثنا شعبة، عن اسماعيل بن ابي خالد، عن قيس بن ابي حازم، عن ابي مسعود، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " الايمان ها هنا ". واشار بيده الى اليمن " والجفاء وغلظ القلوب في الفدادين، عند اصول اذناب الابل من حيث يطلع قرنا الشيطان ربيعة ومضر