Loading...

Loading...
বইসমূহ
৫২৫ হাদিসসমূহ
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম চারটি ‘উমরাহ পালন করেছেন। তিনি হাজ্জের সঙ্গে যে ‘উমরাহ্টি পালন করেন সেটি ব্যতীত সবকটিই যুলকাদাহ্ মাসে। হুদাইবিয়াহর ‘উমরাহ্টি ছিল যুলকাদাহ্ মাসে। হুদাইবিয়াহর পরের বছরের ‘উমরাহ্টি ছিল যুলকাদাহ্ মাসে এবং হুনাইনের প্রাপ্ত গানীমাত যে জিঈরানা নামক স্থানে বণ্টন করেছিলেন, সেখানের ‘উমরাহ্টিও ছিল যুলকাদাহ্ মাসে, আর তিনি হাজ্জের সঙ্গে একটি ‘উমরাহ্ পালন করেন। [১৭৭৮, ১৭৭৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا هدبة بن خالد، حدثنا همام، عن قتادة، ان انسا رضى الله عنه اخبره قال اعتمر رسول الله صلى الله عليه وسلم اربع عمر كلهن في ذي القعدة، الا التي كانت مع حجته. عمرة من الحديبية في ذي القعدة، وعمرة من العام المقبل في ذي القعدة، وعمرة من الجعرانة حيث قسم غنايم حنين في ذي القعدة، وعمرة مع حجته
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুদাইবিয়াহর যুদ্ধের বছর আমরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে রওয়ানা করেছিলাম। তখন তাঁর সাহাবীগণ ইহরাম বেঁধেছিলেন কিন্তু আমি ইহরাম বাঁধিনি। [১৮২১] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعيد بن الربيع، حدثنا علي بن المبارك، عن يحيى، عن عبد الله بن ابي قتادة، ان اباه، حدثه قال انطلقنا مع النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية فاحرم اصحابه، ولم احرم
বারাআ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, মক্কা্ বিজয়কে তোমরা বিজয় মনে করছ। মক্কা বিজয়ও একটি বিজয়। কিন্তু হুদাইবিয়াহর দিনের বাইআতে রিদওয়ানকে আমরা প্রকৃত বিজয় মনে করি। সে সময় আমরা চৌদ্দ’শ সাহাবী নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলাম। হুদাইবিয়াহ একটি কূপ। আমরা তা’ থেকে পানি উঠাতে উঠাতে তাতে এক বিন্দুও বাকী রাখিনি। এ সংবাদ নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে পৌঁছলে তিনি এসে সে কূপের পাড়ে বসলেন। তারপর এক পাত্র পানি আনিয়ে অযু করলেন এবং কুল্লি করলেন। শেষে দু‘আ করে অবশিষ্ট পানি কূপের মধ্যে ফেলে দিলেন। আমরা অল্প সময় কূপের পানি উঠানো বন্ধ রাখলাম। এরপর আমরা আমাদের নিজেদের ও আরোহী পশুর জন্য ইচ্ছে মত পানি কূপ থেকে উঠালাম। [৩৫৭৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبيد الله بن موسى، عن اسراييل، عن ابي اسحاق، عن البراء رضى الله عنه قال تعدون انتم الفتح فتح مكة، وقد كان فتح مكة فتحا، ونحن نعد الفتح بيعة الرضوان يوم الحديبية. كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم اربع عشرة ماية، والحديبية بير فنزحناها، فلم نترك فيها قطرة، فبلغ ذلك النبي صلى الله عليه وسلم فاتاها، فجلس على شفيرها، ثم دعا باناء من ماء فتوضا ثم مضمض ودعا، ثم صبه فيها فتركناها غير بعيد ثم انها اصدرتنا ما شينا نحن وركابنا
আবূ ইসহাক (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমাকে বারাআ ইবনু ‘আযিব (রাঃ) সংবাদ দিয়েছেন যে, হুদাইবিয়াহর যুদ্ধের দিন তাঁরা চৌদ্দ’শ কিংবা তার চেয়েও অধিক লোক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে ছিলেন। তারা একটি কূপের পার্শ্বে অবতরণ করেন এবং তা থেকে পানি উত্তোলন করতে থাকেন। (পানি নিঃশেষ হয়ে গেলে) তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে তা জানালেন। তখন তিনি কূপটির নিকট এসে ওটার পাড়ে বসলেন। এরপর বললেন, আমার কাছে ওটা থেকে এক বালতি পানি নিয়ে আস। তখন তা নিয়ে আসা হলো। তিনি এতে থুথু ফেললেন এবং দু‘আ করলেন। এরপর তিনি বললেন, কিছুক্ষণের জন্য তোমরা এ থেকে পানি উঠানো বন্ধ রাখ। এরপর সকলেই নিজেদের ও আরোহী জন্তুগুলোর তৃষ্ণা নিবারণ করে যাত্রা করলেন। [৩৫৭৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني فضل بن يعقوب، حدثنا الحسن بن محمد بن اعين ابو علي الحراني، حدثنا زهير، حدثنا ابو اسحاق، قال انبانا البراء بن عازب رضى الله عنهما انهم كانوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية الفا واربعماية او اكثر، فنزلوا على بير فنزحوها، فاتوا رسول الله صلى الله عليه وسلم فاتى البير، وقعد على شفيرها ثم قال " ايتوني بدلو من مايها ". فاتي به فبصق فدعا ثم قال " دعوها ساعة ". فارووا انفسهم وركابهم حتى ارتحلوا
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুদাইবিয়াহর দিন লোকেরা পিপাসার্ত হয়ে পড়লেন। এ সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট একটি চামড়ার পাত্র ভর্তি পানি ছিল। তিনি তা দিয়ে ওযু করলেন। তখন লোকেরা তাঁর দিকে এগিয়ে আসলে তিনি তাদেরকে বললেন, কী হয়েছে তোমাদের? তারা বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার চর্মপাত্রের পানি বাদে আমাদের কাছে এমন কোন পানি নেই যা দিয়ে আমরা ওযু করতে এবং পান করতে পারি। বর্ণনাকারী জাবির (রাঃ) বলেন, এরপর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাত ঐ চর্মপাত্রে রাখলেন। অমনি তার আঙ্গুলগুলো থেকে ঝরণার মতো পানি উথলে উঠতে লাগল। জাবির (রাঃ) বলেন, আমরা সে পানি পান করলাম এবং ওযু করলাম। [সালিম (রহ.) বলেন] আমি জাবির (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, আপনারা সেদিন কতজন ছিলেন? তিনি বললেন, আমরা যদি একলাখও হতাম তবু এ পানিই আমাদের জন্য যথেষ্ট হত। আমরা ছিলাম পনের’শ। [৩৫৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يوسف بن عيسى، حدثنا ابن فضيل، حدثنا حصين، عن سالم، عن جابر رضى الله عنه قال عطش الناس يوم الحديبية ورسول الله صلى الله عليه وسلم بين يديه ركوة، فتوضا منها، ثم اقبل الناس نحوه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " ما لكم ". قالوا يا رسول الله ليس عندنا ماء نتوضا به، ولا نشرب الا ما في ركوتك. قال فوضع النبي صلى الله عليه وسلم يده في الركوة، فجعل الماء يفور من بين اصابعه كامثال العيون، قال فشربنا وتوضانا. فقلت لجابر كم كنتم يوميذ قال لو كنا ماية الف لكفانا، كنا خمس عشرة ماية
ক্বাতাদাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সা‘ঈদ ইবনু মুসায়্যিব (রহ.)-কে বললাম, আমি শুনতে পেয়েছি যে, জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) বলতেন, তাঁরা (হুদাইবিয়াহ্য়) চৌদ্দশ’ ছিলেন। সা‘ঈদ (রাঃ) আমাকে বললেন, জাবির (রাঃ) আমাকে বর্ণনা করেছেন যে, হুদাইবিয়াহর দিন যাঁরা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে বাই‘আত গ্রহণ করেছিলেন, তাদের সংখ্যা ছিল পনের শত। আবূ দাউদ কুররা (রাঃ)-এর মাধ্যমে ক্বাতাদাহ (রাঃ) থেকে একই রকম বর্ণনা করেছেন। মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহ.)-ও অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ দাউদ (রহ.) (অন্য সানাদে) শু’বাহ (রহ.) থেকেও একই রকম বর্ণনা করেছেন। [৩৫৭৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الصلت بن محمد، حدثنا يزيد بن زريع، عن سعيد، عن قتادة، قلت لسعيد بن المسيب بلغني ان جابر بن عبد الله، كان يقول كانوا اربع عشرة ماية. فقال لي سعيد حدثني جابر كانوا خمس عشرة ماية الذين بايعوا النبي صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية. تابعه ابو داود حدثنا قرة عن قتادة
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুদাইবিয়াহর যুদ্ধের দিন আমাদেরকে বলেছেন, পৃথিবীবাসীদের মধ্যে তোমরাই সর্বোত্তম। সেদিন আমরা ছিলাম চৌদ্দশ। আজ আমি যদি দেখতাম, তাহলে আমি তোমাদেরকে সে গাছের জায়গাটি দেখিয়ে দিতাম। [৩৫৭৬; মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৬; আহমাদ ১৪৩১৭] ‘আমাশ (রহ.) হাদীসটি সালিম (রহ.)-এর মাধ্যমে জাবির (রাঃ)-এর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন চৌদ্দশ। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي، حدثنا سفيان، قال عمرو سمعت جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قال لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم يوم الحديبية " انتم خير اهل الارض ". وكنا الفا واربعماية، ولو كنت ابصر اليوم لاريتكم مكان الشجرة. تابعه الاعمش سمع سالما سمع جابرا الفا واربعماية
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আউফা (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, গাছের নীচে বাই‘আত গ্রহণকারীদের সংখ্যা ছিল তেরশ। আসলাম গোত্রীয়রা ছিলেন মুহাজিরগণের মোট সংখ্যার এক-অষ্টমাংশ। [মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৩৮৪৫) মুহাম্মাদ ইবনু বাশ্শার (রহ.) তাঁর অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। আবূ দাউদ (রহ.) ও শু’বাহ (রহ.) আমাদেরকে হাদীস বর্ণনা করেছেন।
وقال عبيد الله بن معاذ حدثنا ابي، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، حدثني عبد الله بن ابي اوفى رضى الله عنهما كان اصحاب الشجرة الفا وثلاثماية، وكانت اسلم ثمن المهاجرين. تابعه محمد بن بشار حدثنا ابو داود حدثنا شعبة
কায়েস (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি হুদাইবিয়াহর সন্ধির দিন বৃক্ষতলের সাহাবী মিরদাস আসলামীকে বলতে শুনেছেন যে, নেককার লোকদেরকে একের পর এক উঠিয়ে নেয়া হবে। এরপর বাকী থাকবে খেজুর ও যবের খোসার মতো খোসাগুলো আল্লাহ যাদের কোন তোয়াক্কা করবেন না। [৬৪৩৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابراهيم بن موسى، اخبرنا عيسى، عن اسماعيل، عن قيس، انه سمع مرداسا الاسلمي، يقول وكان من اصحاب الشجرة يقبض الصالحون الاول فالاول، وتبقى حفالة كحفالة التمر والشعير، لا يعبا الله بهم شييا
মারওয়ান এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ই বলেছেন যে, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সাহাবীকে সঙ্গে নিয়ে মদিনা থেকে বের হলেন। যুল-হুলাইফাহ্[1]তে পৌঁছে তিনি কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, পশুর কুজ কাটলেন এবং সেখান থেকে ইহরাম বাঁধলেন। (বর্ণনাকারী) বলেন, এ হাদীস সুফ্ইয়ান থেকে কয় দফা শুনেছি তার সংখ্যা আমি গণনা করতে পারছি না। পরিশেষে তাঁকে বলতে শুনেছি, যুহরী থেকে কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধা এবং ইশআর করার কথা আমার স্মরণ নেই। রাবী ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেন, সুফ্ইয়ান এ কথা বলে কী বোঝাতে চেয়েছেন তা আমি জানি না। তিনি কি এ কথা বলতে চেয়েছেন যে, যুহরী থেকে ইশআর ও কিলাদা করার কথা তাঁর স্মরণ নেই, নাকি সম্পূর্ণ হাদীসটি স্মরণ না থাকার কথা বলতে চেয়েছেন? [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن مروان، والمسور بن مخرمة، قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة ماية من اصحابه، فلما كان بذي الحليفة قلد الهدى واشعر واحرم منها. لا احصي كم سمعته من سفيان حتى سمعته يقول لا احفظ من الزهري الاشعار والتقليد، فلا ادري يعني موضع الاشعار والتقليد، او الحديث كله
মারওয়ান এবং মিসওয়ার ইবনু মাখরামাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তাঁরা উভয়ই বলেছেন যে, হুদাইবিয়াহর বছর নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সহস্রাধিক সাহাবীকে সঙ্গে নিয়ে মদিনা থেকে বের হলেন। যুল-হুলাইফাহ্[1]তে পৌঁছে তিনি কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধলেন, পশুর কুজ কাটলেন এবং সেখান থেকে ইহরাম বাঁধলেন। (বর্ণনাকারী) বলেন, এ হাদীস সুফ্ইয়ান থেকে কয় দফা শুনেছি তার সংখ্যা আমি গণনা করতে পারছি না। পরিশেষে তাঁকে বলতে শুনেছি, যুহরী থেকে কুরবানীর পশুর গলায় কিলাদা বাঁধা এবং ইশআর করার কথা আমার স্মরণ নেই। রাবী ‘আলী ইবনু ‘আবদুল্লাহ বলেন, সুফ্ইয়ান এ কথা বলে কী বোঝাতে চেয়েছেন তা আমি জানি না। তিনি কি এ কথা বলতে চেয়েছেন যে, যুহরী থেকে ইশআর ও কিলাদা করার কথা তাঁর স্মরণ নেই, নাকি সম্পূর্ণ হাদীসটি স্মরণ না থাকার কথা বলতে চেয়েছেন? [১৬৯৪, ১৬৯৫] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، عن الزهري، عن عروة، عن مروان، والمسور بن مخرمة، قالا خرج النبي صلى الله عليه وسلم عام الحديبية في بضع عشرة ماية من اصحابه، فلما كان بذي الحليفة قلد الهدى واشعر واحرم منها. لا احصي كم سمعته من سفيان حتى سمعته يقول لا احفظ من الزهري الاشعار والتقليد، فلا ادري يعني موضع الاشعار والتقليد، او الحديث كله
কা‘ব ইবনু উজরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে এমন অবস্থায় দেখলেন যে, উকুন তার মুখমন্ডলে ঝরে পড়ছে। তখন তিনি বললেন, কীটগুলো কি তোমাকে কষ্ট দিচ্ছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মাথা মুন্ডিয়ে ফেলার জন্য নির্দেশ দেন যখন তিনি হুদাইবিয়াহ্তে অবস্থান করছিলেন। তখন সাহাবীগণ মক্কা প্রবেশ করার জন্য খুবই আগ্রহী হয়ে উঠেছিলেন। হুদাইবিয়াহ্তেই তাদেরকে হালাল হতে হবে এ কথা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কাছে বর্ণনা করেননি। তাই আল্লাহ ফিদইয়ার বিধান অবতীর্ণ করলেন। এ কারণেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে ছয়জন মিসকীনকে এক ফারাক (প্রায় বারো সের) খাদ্য খাওয়ানোর অথবা একটি বাকরী কুরবানী করার অথবা তিন দিন সওম পালনের নির্দেশ দিলেন। [১৮১৪] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحسن بن خلف، قال حدثنا اسحاق بن يوسف، عن ابي بشر، ورقاء، عن ابن ابي نجيح، عن مجاهد، قال حدثني عبد الرحمن بن ابي ليلى، عن كعب بن عجرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم راه وقمله يسقط على وجهه فقال " ايوذيك هوامك ". قال نعم. فامره رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يحلق وهو بالحديبية، لم يبين لهم انهم يحلون بها، وهم على طمع ان يدخلوا مكة، فانزل الله الفدية، فامره رسول الله صلى الله عليه وسلم ان يطعم فرقا بين ستة مساكين، او يهدي شاة، او يصوم ثلاثة ايام
আসলাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে বাজারে বের হলাম। সেখানে একজন যুবতী মহিলা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার স্বামী ছোট ছোট বাচ্চা রেখে মারা গেছেন। আল্লাহর কসম! তাদের খাওয়ার জন্য পাকানোর মতো কোন বাকরীর খুরও নেই এবং নেই কোন ফসলের ব্যবস্থা ও দুধেল উট, বাকরী। আমার আশঙ্কা হচ্ছে পোকা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে অথচ আমি হলাম খুফাফ ইবনু আইমা গিফারীর কন্যা। আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্য় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) তাকে অতিক্রম না করে পার্শ্বে দাঁড়ালেন। এরপর বললেন, তোমার গোত্রকে মোবারাকবাদ। তাঁরা তো আমার খুব নিকটের মানুষ। এরপর তিনি ফিরে এসে আস্তাবলে বাঁধা উটের থেকে একটি মোটা তাজা উট এনে দুই বস্তা খাদ্য এবং এর মধ্যে কিছু নগদ অর্থ ও বস্ত্র রেখে এগুলো উটের পিঠে তুলে দিয়ে মহিলার হাতে এর লাগাম দিয়ে বললেন, তুমি এটি টেনে নিয়ে যাও। এগুলো শেষ হওয়ার আগেই হয়তো আল্লাহ তোমাদের জন্য এর চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি তাকে খুব অধিক দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক।[১] আল্লাহর কসম! আমি দেখেছি এ মহিলার আববা ও ভাই দীর্ঘদিন পর্যন্ত একটি দূর্গ অবরোধ করে রেখেছিলেন এবং পরে তা জয় করেছিলেন। এরপর ঐ দূর্গ থেকে প্রাপ্ত তাদের অংশ থেকে আমরাও যুদ্ধলব্ধ সম্পদের দাবী করি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن زيد بن اسلم، عن ابيه، قال خرجت مع عمر بن الخطاب رضى الله عنه الى السوق، فلحقت عمر امراة شابة فقالت يا امير المومنين هلك زوجي وترك صبية صغارا، والله ما ينضجون كراعا، ولا لهم زرع ولا ضرع، وخشيت ان تاكلهم الضبع، وانا بنت خفاف بن ايماء الغفاري، وقد شهد ابي الحديبية مع النبي صلى الله عليه وسلم، فوقف معها عمر، ولم يمض، ثم قال مرحبا بنسب قريب. ثم انصرف الى بعير ظهير كان مربوطا في الدار، فحمل عليه غرارتين ملاهما طعاما، وحمل بينهما نفقة وثيابا، ثم ناولها بخطامه ثم قال اقتاديه فلن يفنى حتى ياتيكم الله بخير. فقال رجل يا امير المومنين اكثرت لها. قال عمر ثكلتك امك، والله اني لارى ابا هذه واخاها قد حاصرا حصنا زمانا، فافتتحاه، ثم اصبحنا نستفيء سهمانهما فيه
আসলাম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমি ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর সঙ্গে বাজারে বের হলাম। সেখানে একজন যুবতী মহিলা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! আমার স্বামী ছোট ছোট বাচ্চা রেখে মারা গেছেন। আল্লাহর কসম! তাদের খাওয়ার জন্য পাকানোর মতো কোন বাকরীর খুরও নেই এবং নেই কোন ফসলের ব্যবস্থা ও দুধেল উট, বাকরী। আমার আশঙ্কা হচ্ছে পোকা তাদেরকে খেয়ে ফেলবে অথচ আমি হলাম খুফাফ ইবনু আইমা গিফারীর কন্যা। আমার পিতা নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্য় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এ কথা শুনে ‘উমার (রাঃ) তাকে অতিক্রম না করে পার্শ্বে দাঁড়ালেন। এরপর বললেন, তোমার গোত্রকে মোবারাকবাদ। তাঁরা তো আমার খুব নিকটের মানুষ। এরপর তিনি ফিরে এসে আস্তাবলে বাঁধা উটের থেকে একটি মোটা তাজা উট এনে দুই বস্তা খাদ্য এবং এর মধ্যে কিছু নগদ অর্থ ও বস্ত্র রেখে এগুলো উটের পিঠে তুলে দিয়ে মহিলার হাতে এর লাগাম দিয়ে বললেন, তুমি এটি টেনে নিয়ে যাও। এগুলো শেষ হওয়ার আগেই হয়তো আল্লাহ তোমাদের জন্য এর চেয়ে উত্তম কিছু দান করবেন। তখন এক ব্যক্তি বললেন, হে আমীরুল মু’মিনীন! আপনি তাকে খুব অধিক দিলেন। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক।[১] আল্লাহর কসম! আমি দেখেছি এ মহিলার আববা ও ভাই দীর্ঘদিন পর্যন্ত একটি দূর্গ অবরোধ করে রেখেছিলেন এবং পরে তা জয় করেছিলেন। এরপর ঐ দূর্গ থেকে প্রাপ্ত তাদের অংশ থেকে আমরাও যুদ্ধলব্ধ সম্পদের দাবী করি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل بن عبد الله، قال حدثني مالك، عن زيد بن اسلم، عن ابيه، قال خرجت مع عمر بن الخطاب رضى الله عنه الى السوق، فلحقت عمر امراة شابة فقالت يا امير المومنين هلك زوجي وترك صبية صغارا، والله ما ينضجون كراعا، ولا لهم زرع ولا ضرع، وخشيت ان تاكلهم الضبع، وانا بنت خفاف بن ايماء الغفاري، وقد شهد ابي الحديبية مع النبي صلى الله عليه وسلم، فوقف معها عمر، ولم يمض، ثم قال مرحبا بنسب قريب. ثم انصرف الى بعير ظهير كان مربوطا في الدار، فحمل عليه غرارتين ملاهما طعاما، وحمل بينهما نفقة وثيابا، ثم ناولها بخطامه ثم قال اقتاديه فلن يفنى حتى ياتيكم الله بخير. فقال رجل يا امير المومنين اكثرت لها. قال عمر ثكلتك امك، والله اني لارى ابا هذه واخاها قد حاصرا حصنا زمانا، فافتتحاه، ثم اصبحنا نستفيء سهمانهما فيه
মুসাইয়্যাব (ইবনু হুযন) (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (যেটির নীচে বাই‘আত করা হয়েছিল) আমি সে গাছটি দেখেছিলাম। কিন্তু পরে যখন ওখানে আসলাম তখন আর সেটা চিনতে পারলাম না। মাহমুদ (রহ.) বলেন, (মুসাইয়্যাব ইবনু হুয্ণ বলেছেন) পরে ওটা আমাকে ভুলিয়ে দেয়া হয়েছে। [৪১৬৩, ৪১৬৪, ৪১৬৫; মুসলিম ৩৩/১৮, হাঃ ১৮৫৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن رافع، حدثنا شبابة بن سوار ابو عمرو الفزاري، حدثنا شعبة، عن قتادة، عن سعيد بن المسيب، عن ابيه، قال لقد رايت الشجرة، ثم اتيتها بعد فلم اعرفها. قال محمود ثم انسيتها بعد
তারিক ইবনু ‘আবদুর রহমান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি হাজ্জে রওয়ানা হয়েছিলাম। পথে সালাতরত এক কাওমের নিকট দিয়ে পথ অতিক্রমকালে তাদেরকে বললাম, এটা কেমন সালাতের স্থান? তাঁরা বললেন, এটা হল সেই গাছ যেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাই‘আতে রিদওয়ান গ্রহণ করেছিলেন। তখন আমি সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রহ.)-এর কাছে গিয়ে এ ব্যাপারে তাঁকে জানালাম। তখন সা‘ঈদ (ইবনু মুসাইয়্যাব) (রহ.) বললেন, আমার পিতা আমার কাছে বর্ণনা করেছেন, গাছটির নীচে যাঁরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর হাতে বাই‘আত গ্রহণ করেছিলেন তিনি ছিলেন তাঁদের মধ্যে একজন। মুসাইয়্যাব (রাঃ) বলেছেন, পরের বছর আমরা যখন সেখানে গেলাম তখন আমাদেরকে ওটা ভুলিয়ে দেয়া হয়েছিল যার ফলে তা নির্দিষ্ট করতে পারলাম না। সা‘ঈদ (রহ.) বললেন, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণ ওটা চিনতে পারলেন না আর তোমরা তা চিনে ফেললে? তাহলে তোমরাই দেখছি অধিক জান! [৪১৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمود، حدثنا عبيد الله، عن اسراييل، عن طارق بن عبد الرحمن، قال انطلقت حاجا فمررت بقوم يصلون قلت ما هذا المسجد قالوا هذه الشجرة، حيث بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم بيعة الرضوان. فاتيت سعيد بن المسيب فاخبرته فقال سعيد حدثني ابي انه كان فيمن بايع رسول الله صلى الله عليه وسلم تحت الشجرة، قال فلما خرجنا من العام المقبل نسيناها، فلم نقدر عليها. فقال سعيد ان اصحاب محمد صلى الله عليه وسلم لم يعلموها وعلمتموها انتم، فانتم اعلم
মুসাইয়্যাব (রহ.) হতে বর্ণিত। গাছের তলে যাঁরা বাই‘আত নিয়েছিলেন তিনি ছিলেন তাঁদের একজন। (তিনি বলেন) পরের বছর আমরা আবার সে গাছের কাছে গেলে আমরা গাছটিকে চিনতে পারলাম না। এ ব্যাপারে আমাদেরকে ভ্রান্তিতে নিপতিত করা হয়েছে। [৪১৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى، حدثنا ابو عوانة، حدثنا طارق، عن سعيد بن المسيب، عن ابيه، انه كان ممن بايع تحت الشجرة، فرجعنا اليها العام المقبل فعميت علينا
তারিক (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তিনি বলেছেন, সা‘ঈদ ইবনু মুসাইয়্যাব (রাঃ)-এর কাছে সে গাছটির কথা উল্লেখ করা হলে তিনি হেসে বললেন, আমার পিতা আমাকে জানিয়েছেন যে, তিনি সেখানের বায়আতে উপস্থিত ছিলেন। [৪১৬২] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن طارق، قال ذكرت عند سعيد بن المسيب الشجرة فضحك فقال اخبرني ابي وكان، شهدها
‘আমর ইবনু মুররা (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বৃক্ষতলে বাই‘আতকারী সাহাবী ‘আবদুল্লাহ ইবনু আবূ আউফাকে বলতে শুনেছি যে, তিনি বলেছেন, কোন কাওম নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে সদাকাহর অর্থ নিয়ে আসলে তিনি তাদের জন্যে বলতেন, ‘‘হে আল্লাহ! আপনি তাদের উপর রহম করুন’’। এ সময় আমার পিতা তাঁর কাছে সদাকাহর অর্থ নিয়ে আসলে তিনি বললেন, ‘‘হে আল্লাহ! আপনি আবূ আউফার পরিবারবর্গের উপর রহম করুন’’। [১৪৯৭] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم بن ابي اياس، حدثنا شعبة، عن عمرو بن مرة، قال سمعت عبد الله بن ابي اوفى وكان من اصحاب الشجرة قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا اتاه قوم بصدقة قال " اللهم صل عليهم ". فاتاه ابي بصدقته فقال " اللهم صل على ال ابي اوفى
আব্বাদ ইবনু তামীম (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাররার দিন যখন লোকজন ‘আবদুল্লাহ ইবনু হানযালা (রাঃ)-এর হাতে বাই‘আত গ্রহণ করেছিলেন, তখন ইবনু যায়দ (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ইবনু হানযালা (রাঃ) কিসের উপর লোকেদের বাই‘আত গ্রহণ করছেন? তখন তাঁকে বলা হল, মৃত্যুর উপর। তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরে এর উপর আমি আর কারো কাছে বাই‘আত গ্রহণ করব না। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে হুদাইবিয়াহ্য় উপস্থিত ছিলেন। [২৯৫৯] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৮৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل، عن اخيه، عن سليمان، عن عمرو بن يحيى، عن عباد بن تميم، قال لما كان يوم الحرة والناس يبايعون لعبد الله بن حنظلة فقال ابن زيد على ما يبايع ابن حنظلة الناس قيل له على الموت. قال لا ابايع على ذلك احدا بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم. وكان شهد معه الحديبية