Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৩ হাদিসসমূহ
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা সালাতের সময় উপস্থিত হলে যাঁদের বাড়ি নিকটে ছিল তাঁরা (উযূ করার জন্য) বাড়ি চলে গেলেন। আর কিছু লোক রয়ে গেলেন (তাঁদের কোন উযূর ব্যবস্থা ছিল না)। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর জন্য একটি পাথরের পাত্রে পানি আনা হল। পাত্রটি এত ছোট ছিল যে, তার মধ্যে তাঁর উভয় হাত মেলে দেয়া সম্ভব ছিল না। তা থেকেই কওমের সকল লোক উযূ করলেন। আমরা জিজ্ঞেস করলামঃ ‘আপনারা কতজন ছিলেন’? তিনি বললেনঃ ‘আশিজন বা তারও কিছু অধিক।’ (১৬৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن منير، سمع عبد الله بن بكر، قال حدثنا حميد، عن انس، قال حضرت الصلاة، فقام من كان قريب الدار الى اهله، وبقي قوم، فاتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بمخضب من حجارة فيه ماء، فصغر المخضب ان يبسط فيه كفه، فتوضا القوم كلهم. قلنا كم كنتم قال ثمانين وزيادة
আবূ মূসা (রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন যে, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পানি ভর্তি পাত্র আনালেন। তাতে তাঁর উভয় হাত ও মুখমন্ডল ধুলেন এবং কুলি করলেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ)
حدثنا محمد بن العلاء، قال حدثنا ابو اسامة، عن بريد، عن ابي بردة، عن ابي موسى، ان النبي صلى الله عليه وسلم دعا بقدح فيه ماء، فغسل يديه ووجهه فيه ومج فيه
‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাযি.) বলেনঃ একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বাড়ি এলেন। আমরা তাঁকে পিতলের একটি পাত্রে পানি দিলে তা দিয়ে তিনি উযূ করলেন। তাঁর মুখমন্ডল তিনবার ও উভয় হাত দু’-দু’বার করে ধুলেন এবং তাঁর হাত সামনে ও পেছনে এনে মাথা মাসেহ করলেন আর উভয় পা ধুলেন। (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، قال حدثنا عبد العزيز بن ابي سلمة، قال حدثنا عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، قال اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم فاخرجنا له ماء في تور من صفر فتوضا، فغسل وجهه ثلاثا ويديه مرتين مرتين، ومسح براسه فاقبل به وادبر، وغسل رجليه
‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর অসুস্থতা বেড়ে গেলে তিনি আমার ঘরে শুশ্রূষার জন্য তাঁর স্ত্রীদের নিকট অনুমতি চাইলে তাঁরা অনুমতি দিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার ঘরে আসার জন্য) দু’ ব্যক্তির উপর ভর করে বের হলেন। আর তাঁর পা দু’খানি তখন মাটিতে চিহ্ন রেখে যাচ্ছিল। তিনি ‘আব্বাস (রাযি.) ও অন্য এক ব্যক্তির মাঝখানে ছিলেন। ‘উবাইদুল্লাহ (রহ.) বলেনঃ ‘আমি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-কে এ কথা জানালাম। তিনি বললেনঃ সে অন্য ব্যক্তিটি কে তা কি তুমি জান? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ তিনি হলেন ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাযি.)। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে আসলে অসুস্থতা আরো বৃদ্ধি পেল। তিনি বললেনঃ ‘তোমরা আমার উপর মুখের বাঁধন খোলা হয়নি এমন সাতটি মশকের পানি ঢেলে দাও, তাহলে হয়ত আমি মানুষকে কিছু উপদেশ দিতে পারব।’ তাঁকে তাঁর স্ত্রী হাফসাহ (রাযি.)-এর একটি বড় পাত্রে বসিয়ে দেয়া হল। অতঃপর আমরা তাঁর উপর সেই সাত মশক পানি ঢালতে লাগলাম। এভাবে ঢালার পর এক সময় তিনি আমাদের প্রতি ইঙ্গিত করলেন, (এখন থাম) তোমরা তোমাদের কাজ করেছ। অতঃপর তিনি বের হয়ে জনসম্মুক্ষে গেলেন। (৬৬৪, ৬৬৫, ৬৭৯, ৬৮৩, ৬৮৭, ৭১২, ৭১৩, ৭১৬, ২৫৮৮, ৩০৯৯, ৩৩৮৪, ৪৪৪২, ৪৪৪৫, ৫৭১৪, ৭৩০৩ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، قال اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، ان عايشة، قالت لما ثقل النبي صلى الله عليه وسلم واشتد به وجعه، استاذن ازواجه في ان يمرض في بيتي، فاذن له، فخرج النبي صلى الله عليه وسلم بين رجلين تخط رجلاه في الارض بين عباس ورجل اخر. قال عبيد الله فاخبرت عبد الله بن عباس فقال اتدري من الرجل الاخر قلت لا. قال هو علي. وكانت عايشة رضى الله عنها تحدث ان النبي صلى الله عليه وسلم قال بعد ما دخل بيته واشتد وجعه " هريقوا على من سبع قرب، لم تحلل اوكيتهن، لعلي اعهد الى الناس ". واجلس في مخضب لحفصة زوج النبي صلى الله عليه وسلم، ثم طفقنا نصب عليه تلك حتى طفق يشير الينا ان قد فعلتن، ثم خرج الى الناس
ইয়াহ্ইয়া (রহ.) বলেনঃ আমার চাচা উযূর পানি অধিক খরচ করতেন। একদা তিনি ‘আব্দুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.)-কে বললেনঃ ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কীভাবে উযূ করতেন আপনি কি তা দেখেছেন?’ তিনি এক গামলা পানি আনালেন। সেটি উভয় হাতে কাত করে (তা থেকে পানি ঢেলে) হাত দু’টি তিনবার ধুলেন, অতঃপর তার হাত গামলায় ঢুকালেন। অতঃপর এক খাবল (করে) পানি দিয়ে তিনবার কুলি করলেন এবং নাক ঝাড়লেন। তারপর পানিতে তাঁর হাত ঢুকালেন। উভয় হাতে এক খাবল (করে) পানি নিয়ে মুখমন্ডল তিনবার ধুলেন। অতঃপর উভয় হাত কনুই পর্যন্ত দু’বার করে ধুলেন। অতঃপর উভয় হাতে পানি নিয়ে মাথার সামনে এবং পেছনে মাসেহ করলেন এবং দু’ পা ধুলেন। তারপর বললেনঃ ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এভাবেই উযূ করতে দেখেছি।’ (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خالد بن مخلد، قال حدثنا سليمان، قال حدثني عمرو بن يحيى، عن ابيه، قال كان عمي يكثر من الوضوء، قال لعبد الله بن زيد اخبرني كيف رايت النبي صلى الله عليه وسلم يتوضا فدعا بتور من ماء، فكفا على يديه فغسلهما ثلاث مرار، ثم ادخل يده في التور، فمضمض واستنثر ثلاث مرات من غرفة واحدة، ثم ادخل يده فاغترف بها فغسل وجهه ثلاث مرات، ثم غسل يديه الى المرفقين مرتين مرتين، ثم اخذ بيده ماء، فمسح راسه، فادبر بيديه واقبل ثم غسل رجليه، فقال هكذا رايت النبي صلى الله عليه وسلم يتوضا
وَقَالَ مَنْصُورٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ لاَ بَأْسَ بِالْقِرَاءَةِ فِي الْحَمَّامِ وَبِكَتْبِ الرِّسَالَةِ عَلَى غَيْرِ وُضُوءٍ وَقَالَ حَمَّادٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ إِنْ كَانَ عَلَيْهِمْ إِزَارٌ فَسَلِّمْ وَإِلاَّ فَلاَ تُسَلِّمْ. ইবরাহীম (রহ.) বর্ণনা করেনঃ বিনা উযূতে গোসলখানায় (কুরআন) পাঠ এবং পত্র লেখায় কোন দোষ নেই। হাম্মাদ (রহ.) ইবরাহীম (রহ.) থেকে বর্ণনা করেন, গোসলখানার লোকদের পরনে লুঙ্গি থাকলে সালাম দিও নইলে সালাম দিও না। ১৮৩. ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রী মাইমূনাহ (রাযি.)-এর ঘরে রাত কাটান। তিনি ছিলেন ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.)-এর খালা। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেনঃ অতঃপর আমি বিছানার প্রশস্ত দিকে শুলাম এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -ও তাঁর স্ত্রী বিছানার লম্বা দিকে শুলেন; আর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুমিয়ে পড়লেন। এমনিভাবে রাত যখন অর্ধেক হয়ে গেল তার কিছু পূর্বে কিংবা কিছু পরে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাগলেন। তিনি বসে হাত দিয়ে তাঁর মুখমন্ডল থেকে ঘুমের আবেশ মুছতে লাগলেন। অতঃপর সূরাহ্ আলু-‘ইমরানের শেষ দশটি আয়াত তিলাওয়াত করলেন। অতঃপর দাঁড়িয়ে একটি ঝুলন্ত মশক হতে সুন্দরভাবে উযূ করলেন। অতঃপর সালাতে দাঁড়িয়ে গেলেন। ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) বলেন, আমিও উঠে তিনি যেরূপ করেছেন তদ্রুপ করলাম। তারপর গিয়ে তাঁর বাম পাশে দাঁড়ালাম। তিনি তাঁর ডান হাত আমার মাথার উপর রাখলেন এবং আমার ডান কান ধরে একটু নাড়া দিয়ে ডান পাশে এনে দাঁড় করালেন। অতঃপর তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। তারপর দু‘রাক‘আত, তারপর দু’রাক‘আত, তারপর দু’রাক‘আত, তারপর দু’রাক‘আত, তারপর দু’রাক‘আত, তারপর বিতর আদায় করলেন। তারপর শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর তাঁর নিকট মুয়ায্যিন এলে তিনি দাঁড়িয়ে হাল্কাভাবে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। তারপর বেরিয়ে গিয়ে ফজরের সালাত আদায় করলেন। (১১৭; মুসলিম ৬/২৬, হাঃ ৭৬৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا حماد، عن ثابت، عن انس، ان النبي صلى الله عليه وسلم دعا باناء من ماء، فاتي بقدح رحراح فيه شىء من ماء، فوضع اصابعه فيه. قال انس فجعلت انظر الى الماء ينبع من بين اصابعه، قال انس فحزرت من توضا ما بين السبعين الى الثمانين
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সা‘ (৪ মুদ) হতে পাঁচ মুদ পর্যন্ত পানি দিয়ে গোসল করতেন এবং উযু করতেন এক মুদ দিয়ে। (মুসলিম ৩/১০, হাঃ ৩২৫, আহমাদ ১৪০০২, ১৪০৯৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا مسعر، قال حدثني ابن جبر، قال سمعت انسا، يقول كان النبي صلى الله عليه وسلم يغسل او كان يغتسل بالصاع الى خمسة امداد، ويتوضا بالمد
সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াককাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর উভয় মোজার উপর মাসেহ করেছেন। ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (তাঁর পিতা) ‘উমার (রাযি.)-কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ ‘হাঁ! সা’দ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কিছু বর্ণনা করলে সে ব্যাপারে আর অন্যকে জিজ্ঞেস করো না।’ মূসা ইবনু ‘উকবাহ (রহ.)....সা‘দ হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ অতঃপর ‘উমার (রাযি.) ‘আবদুল্লাহ (রাযি.)-কে অনুরূপ বললেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اصبغ بن الفرج المصري، عن ابن وهب، قال حدثني عمرو، حدثني ابو النضر، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن عبد الله بن عمر، عن سعد بن ابي وقاص، عن النبي صلى الله عليه وسلم انه مسح على الخفين. وان عبد الله بن عمر سال عمر عن ذلك فقال نعم اذا حدثك شييا سعد عن النبي صلى الله عليه وسلم فلا تسال عنه غيره. وقال موسى بن عقبة اخبرني ابو النضر ان ابا سلمة اخبره ان سعدا حدثه فقال عمر لعبد الله. نحوه
মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বাইরে গেলে তিনি (মুগীরাহ) পানি সহ একটা পাত্র নিয়ে তাঁর অনুসরণ করলেন। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজন শেষ করে এলে তিনি তাঁকে পানি ঢেলে দিলেন। আর তিনি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ করলেন এবং উভয় মোজার উপর মাসেহ করলেন। (১৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن خالد الحراني، قال حدثنا الليث، عن يحيى بن سعيد، عن سعد بن ابراهيم، عن نافع بن جبير، عن عروة بن المغيرة، عن ابيه المغيرة بن شعبة، عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه خرج لحاجته فاتبعه المغيرة باداوة فيها ماء، فصب عليه حين فرغ من حاجته، فتوضا ومسح على الخفين
উমাইয়াহ যামরী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে উভয় মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছেন। হার্ব ও আবান (রহ.) ইয়াহ্ইয়া (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (২০৫ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا شيبان، عن يحيى، عن ابي سلمة، عن جعفر بن عمرو بن امية الضمري، ان اباه، اخبره انه، راى النبي صلى الله عليه وسلم يمسح على الخفين. وتابعه حرب بن شداد وابان عن يحيى
উমাইয়াহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে তাঁর পাগড়ীর উপর এবং উভয় মোজার উপর মাসেহ করতে দেখেছি’। মা‘মার (রহ.) ‘আমর (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেনঃ ‘আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে তা করতে দেখেছি।’’ (২০৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، قال اخبرنا عبد الله، قال اخبرنا الاوزاعي، عن يحيى، عن ابي سلمة، عن جعفر بن عمرو، عن ابيه، قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم يمسح على عمامته وخفيه. وتابعه معمر عن يحيى عن ابي سلمة عن عمرو قال رايت النبي صلى الله عليه وسلم
মুগীরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে কোন এক সফরে ছিলাম। (উযূ করার সময়) আমি তাঁর মোজা দু’টি খুলতে চাইলে তিনি বললেনঃ ‘ও দু’টো থাক, আমি পবিত্র অবস্থায় ও দু’টি পরেছিলাম’। (এই বলে) তিনি তার উপর মাসেহ করলেন। (১৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، قال حدثنا زكرياء، عن عامر، عن عروة بن المغيرة، عن ابيه، قال كنت مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفر، فاهويت لانزع خفيه فقال " دعهما، فاني ادخلتهما طاهرتين ". فمسح عليهما
وَأَكَلَ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمْ فَلَمْ يَتَوَضَّئُوا. আবূ বাকর, ‘উমার ও ‘উসমান (রাযি.) গোশত খেয়ে উযূ করেননি। ২০৭. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরীর কাঁধের গোশত খেলেন। অতঃপর সালাত আদায় করলেন; কিন্তু উযূ করলেন না। (৫৪০৪, ৫৪০৫; মুসলিম ৩/২৪, হাঃ ৩৫৪, আহমাদ ১৯৯৪, ১৯৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن زيد بن اسلم، عن عطاء بن يسار، عن عبد الله بن عباس،. ان رسول الله صلى الله عليه وسلم اكل كتف شاة، ثم صلى ولم يتوضا
উমাইয়াহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে একটি বকরীর কাঁধের গোশ্ত কেটে খেতে দেখলেন। এ সময় সালাতের জন্য আহবান হল। তিনি ছুরিটি ফেলে দিলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন; কিন্তু উযূ করলেন না। (৬৭৫, ২৯২৩, ৫৪০৮, ৫৪২২, ৫৪৬২; মুসলিম ৩/২৪, হাঃ ৩৫৫, আহমাদ ১৭২৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، قال حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، قال اخبرني جعفر بن عمرو بن امية، ان اباه، اخبره انه، راى رسول الله صلى الله عليه وسلم يحتز من كتف شاة، فدعي الى الصلاة فالقى السكين فصلى ولم يتوضا
সুওয়াইদ ইবনু নু‘মান (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ খায়বার যুদ্ধের বছর তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে বের হলেন। চলতে চলতে তাঁরা যখন সাহবা-য় পৌঁছলেন, এটি খায়বরের নিকটবর্তী অঞ্চল, তখন তিনি আসরের সালাত আদায় করলেন। অতঃপর খাবার আনতে বললেনঃ কিন্তু ছাতু ব্যতীত আর কিছুই আনা হল না। অতঃপর তিনি নির্দেশ দিলে তাতে পানি মেশানো হয়। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা খেলেন এবং আমরাও খেলাম। অতঃপর তিনি মাগরিবের জন্য দাঁড়ালেন, এবং কুলি করলেন এবং আমরাও কুলি করলাম। পরে তিনি সালাত আদায় করলেন; উযূ করলেন না। (২১৫, ২৯৮১, ৪১৭৫, ৪১৯৫, ৫৩৮৪, ৫৩৯০, ৫৪৫৪, ৫৪৫৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن يحيى بن سعيد، عن بشير بن يسار، مولى بني حارثة ان سويد بن النعمان، اخبره. انه، خرج مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام خيبر، حتى اذا كانوا بالصهباء وهي ادنى خيبر فصلى العصر، ثم دعا بالازواد، فلم يوت الا بالسويق، فامر به فثري، فاكل رسول الله صلى الله عليه وسلم واكلنا، ثم قام الى المغرب، فمضمض ومضمضنا، ثم صلى ولم يتوضا
উম্মুল মু’মিনীন মাইমূনাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট (বকরীর) কাঁধের গোশত খেলেন, অতঃপর সালাত আদায় করলেন অথচ অযূ করলেন না। (মুসলিম ৩/২৪, হাঃ ৩৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
وحدثنا اصبغ، قال اخبرنا ابن وهب، قال اخبرني عمرو، عن بكير، عن كريب، عن ميمونة، ان النبي صلى الله عليه وسلم اكل عندها كتفا، ثم صلى ولم يتوضا
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুধ পান করলেন। অতঃপর কুলি করলেন এবং বললেনঃ ‘এতে রয়েছে তৈলাক্ত বস্তু’ (কাজেই কুলি করা উত্তম)। ইউনুস ও সালিহ ইবনু কায়সার (রাযি.) যুহরী (রহ.) হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। (৫৬০৯; মুসলিম ৩/২৪, হাঃ ৩৫৮, আহমাদ ১৯৫১, ৩০৫১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن بكير، وقتيبة، قالا حدثنا الليث، عن عقيل، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ابن عباس، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم شرب لبنا، فمضمض وقال " ان له دسما ". تابعه يونس وصالح بن كيسان عن الزهري
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সালাতরত অবস্থায় তোমাদের কেউ তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়লে সে যেন ঘুমের আমেজ চলে না যাওয়া পর্যন্ত ঘুমিয়ে নেয়। কারণ, যে তন্দ্রাবস্থায় সালাত আদায় করে সে জানে না যে, সে কি ইস্তেগফার করছে নাকি নিজেকে গালি দিচ্ছে। (মুসলিম ৬/৩১, হাঃ ৭৮৬, আহমাদ ২৪৩৪১, ২৫৭৫৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن هشام، عن ابيه، عن عايشة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " اذا نعس احدكم وهو يصلي فليرقد حتى يذهب عنه النوم، فان احدكم اذا صلى وهو ناعس لا يدري لعله يستغفر فيسب نفسه
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ যদি সালাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, সে যেন ততক্ষণ ঘুমিয়ে নেয়, যতক্ষণ না সে কী পড়ছে, তা অনুধাবন করতে সক্ষম হয়। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو معمر، قال حدثنا عبد الوارث، حدثنا ايوب، عن ابي قلابة، عن انس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا نعس احدكم في الصلاة فلينم حتى يعلم ما يقرا
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক সালাতের সময় উযূ করতেন। আমি বললামঃ আপনারা কী করতেন? তিনি বললেনঃ হাদাস (উযূ ভঙ্গের কারণ) না হওয়া পর্যন্ত আমাদের (পূর্বের) উযূ যথেষ্ট হত। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن يوسف، قال حدثنا سفيان، عن عمرو بن عامر، قال سمعت انسا، ح قال وحدثنا مسدد، قال حدثنا يحيى، عن سفيان، قال حدثني عمرو بن عامر، عن انس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يتوضا عند كل صلاة. قلت كيف كنتم تصنعون قال يجزي احدنا الوضوء ما لم يحدث