Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৩ হাদিসসমূহ
‘আদী ইবনু হাতিম (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি (প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর সম্পর্কে) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেনঃ তুমি যখন তোমার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর শিকার ধরতে ছেড়ে দাও, তখন সে হত্যা করলে তা তুমি খেতে পার। আর সে তার অংশবিশেষ খেয়ে ফেললে তুমি তা খাবে না। কারণ সে তা নিজের জন্যই শিকার করেছে। আমি বললামঃ কখনো কখনো আমি আমার কুকুর (শিকারে) পাঠিয়ে দেই, অতঃপর তার সঙ্গে অন্য এক কুকুরও দেখতে পাই (এমতাবস্থায় শিকারকৃত প্রাণীর কী হুকুম)? তিনি বললেনঃ তবে খেও না। কারণ তুমি বিসমিল্লাহ্ বলেছ কেবল তোমার কুকুরের বেলায়, অন্য কুকুরের বেলায় বিসমিল্লাহ্ বলনি। (২০৫৪, ৫৪৭৫, ৫৪৭৬, ৫৪৭৭, ৫৪৮৩ হতে ৫৪৮৭,৭৩৯৭ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا حفص بن عمر، قال حدثنا شعبة، عن ابن ابي السفر، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم، قال سالت النبي صلى الله عليه وسلم فقال " اذا ارسلت كلبك المعلم فقتل فكل، واذا اكل فلا تاكل، فانما امسكه على نفسه ". قلت ارسل كلبي فاجد معه كلبا اخر قال " فلا تاكل، فانما سميت على كلبك، ولم تسم على كلب اخر
وَقَوْلُ اللهِ تَعَالَى (أَوْ جَاءَ أَحَدٌ مِنْكُمْ مِنَ الْغَائِطِ) আল্লাহ্ তা‘আলার এ বাণীর কারণেঃ ‘‘অথবা তোমাদের কেউ শৌচাগার হতে আসে।’’ (সূরাহ্ আন-নিসা ৪/৪৩) وَقَالَ عَطَاءٌ فِيمَنْ يَخْرُجُ مِنْ دُبُرِهِ الدُّودُ أَوْ مِنْ ذَكَرِهِ نَحْوُ الْقَمْلَةِ يُعِيدُ الْوُضُوءَ ‘আত্বা (রহ.) বলেন, যার পেছনের রাস্তা দিয়ে পোকা বের হয় অথবা যার পুরুষাঙ্গ দিয়ে উকুনের ন্যায় কিছু বের হয়, তার পুনরায় উযূ করতে হবে। وَقَالَ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ إِذَا ضَحِكَ فِي الصَّلاَةِ أَعَادَ الصَّلاَةَ وَلَمْ يُعِدْ الْوُضُوءَ وَقَالَ الْحَسَنُ إِنْ أَخَذَ مِنْ شَعَرِهِ وَأَظْفَارِهِ أَوْ خَلَعَ خُفَّيْهِ فَلاَ وُضُوءَ عَلَيْهِ وَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ لاَ وُضُوءَ إِلاَّ مِنْ حَدَثٍ وَيُذْكَرُ عَنْ جَابِرٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ فِي غَزْوَةِ ذَاتِ الرِّقَاعِ فَرُمِيَ رَجُلٌ بِسَهْمٍ فَنَزَفَهُ الدَّمُ فَرَكَعَ وَسَجَدَ وَمَضَى فِي صَلاَتِهِ وَقَالَ الْحَسَنُ مَا زَالَ الْمُسْلِمُونَ يُصَلُّونَ فِي جِرَاحَاتِهِمْ وَقَالَ طَاوُسٌ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ وَعَطَاءٌ وَأَهْلُ الْحِجَازِ لَيْسَ فِي الدَّمِ وُضُوءٌ وَعَصَرَ ابْنُ عُمَرَ بَثْرَةً فَخَرَجَ مِنْهَا الدَّمُ وَلَمْ يَتَوَضَّأْ وَبَزَقَ ابْنُ أَبِي أَوْفَى دَمًا فَمَضَى فِي صَلاَتِهِ وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ وَالْحَسَنُ فِيمَنْ يَحْتَجِمُ لَيْسَ عَلَيْهِ إِلاَّ غَسْلُ مَحَاجِمِهِ. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ (রাযি.) বলেন, কেউ সালাত অবস্থায় হেসে ফেললে পুনরায় শুধুমাত্র সালাতই আদায় করবে, পুনঃ উযূ করবে না। হাসান (রাযি.) বলেন, কেউ যদি চুল অথবা নখ কাটে অথবা তার মোজা খুলে ফেলে তবে তার পুনরায় উযূ করতে হবে না। আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) বলেন, ‘হাদাস’ ব্যতীত অন্য কিছুতে উযূর প্রয়োজন নেই। জাবির (রাযি.) হতে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘যাতুর রিকা’-এর যুদ্ধে ছিলেন। সেখানে জনৈক ব্যক্তি তীরবিদ্ধ হলেন এবং ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটল, কিন্তু তিনি (সে অবস্থায়ই) রুকূ করলেন, সিজদা করলেন এবং সালাত আদায় করতে থাকলেন। হাসান (রহ.) বলেন, মুসলিমগণ সব সময়ই তাদের যখম অবস্থায় সালাত আদায় করতেন এবং তাঊস (রহ.), মুহাম্মাদ ইবনু ‘আলী (রহ.), ‘আত্বা (রহ.) ও হিজাযবাসীগণ বলেন, রক্তক্ষরণে উযূ করতে হয় না। ইবনু ‘উমার (রাযি.) একদা একটি ছোট ফোঁড়া টিপ দিলেন, তা থেকে রক্ত বের হল, কিন্তু তিনি উযূ করলেন না। ইবনু আবূ আওফা (রাযি.) রক্ত মিশ্রিত থুথু ফেললেন কিন্তু তিনি সালাত আদায় করতে থাকলেন। ইবনু ‘উমার (রাযি.) ও হাসান (রহ.) বলেন, কেউ শিঙ্গা লাগালে কেবল তার শিঙ্গা লাগানো স্থানই ধুয়ে ফেলা দরকার। ১৭৬. আবূ হুরাইরাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বান্দা যে সময়টা মসজিদে সালাতের অপেক্ষায় থাকে, তার সে পুরো সময়টাই সালাতের মধ্যে গণ্য হয় যতক্ষণ না সে হাদাস করে। জনৈক অনারব বলল, হে আবূ হুরাইরাহ! ‘হাদাস কী’? তিনি বললেন, ‘শব্দ করে বায়ু বের হওয়া।’ (৪৪৫, ৪৭৭, ৬৪৭, ৬৪৮, ৬৫৯, ২১১৯, ৩২২৯, ৪৭১৭ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم بن ابي اياس، قال حدثنا ابن ابي ذيب، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " لا يزال العبد في صلاة ما كان في المسجد ينتظر الصلاة، ما لم يحدث ". فقال رجل اعجمي ما الحدث يا ابا هريرة قال الصوت. يعني الضرطة
‘আব্বাস ইবনু তামীম (রহ.), তাঁর চাচার সূত্রে বর্ণনা করেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (কোন মুসল্লী) সালাত থেকে সরে থাকবে না যতক্ষণ না সে শব্দ শুনতে পায় কিংবা গন্ধ পায়। (১৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، قال حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن عباد بن تميم، عن عمه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " لا ينصرف حتى يسمع صوتا او يجد ريحا
মুহাম্মাদ ইবনুল হানাফিয়্যাহ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘আলী (রাযি.) বলেছেন, আমার অধিক পরিমাণে মযী বের হতো। কিন্তু আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে লজ্জাবোধ করছিলাম। তাই আমি মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাযি.)-কে অনুরোধ করলাম, তিনি যেন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট জিজ্ঞেস করেন। তিনি তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বলেনঃ এতে শুধু উযূ করতে হয়। হাদীসটি শু‘বাহ (রহ.) আ‘মাশ (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন। (১৩২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، قال حدثنا جرير، عن الاعمش، عن منذر ابي يعلى الثوري، عن محمد ابن الحنفية، قال قال علي كنت رجلا مذاء، فاستحييت ان اسال رسول الله صلى الله عليه وسلم فامرت المقداد بن الاسود فساله فقال " فيه الوضوء ". ورواه شعبة عن الاعمش
যায়দ ইবনু খালিদ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি ‘উসমান ইবনু ‘আফফান (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করলেনঃ ‘কেউ যদি স্ত্রী সহবাস করে, কিন্তু মনী (বীর্য) বের না হয় (তবে তার হুকুম কী)? ‘উসমান (রাযি.) বললেনঃ ‘সে সালাতের ন্যায় উযূ করে নেবে এবং তার লজ্জাস্থান ধুয়ে ফেলবে। উসমান (রাযি.) বলেন, আমি এ কথা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে শুনেছি। (যায়দ বলেন) তারপর আমি এ সম্পর্কে ‘আলী (রাযি.), যুবায়র (রাযি.), তালহা (রাযি.) ও উবাই ইবনু কা’ব (রাযি.)-কে জিজ্ঞেস করেছি। তাঁরা আমাকে এ নির্দেশই দিয়েছেন।(১) (২৯২; মুসলিম ৩/২১, হাঃ ৩৪৭, আহমাদ ৪৫৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سعد بن حفص، حدثنا شيبان، عن يحيى، عن ابي سلمة، ان عطاء بن يسار، اخبره ان زيد بن خالد اخبره انه، سال عثمان بن عفان رضى الله عنه قلت ارايت اذا جامع فلم يمن قال عثمان يتوضا كما يتوضا للصلاة، ويغسل ذكره. قال عثمان سمعته من رسول الله صلى الله عليه وسلم. فسالت عن ذلك عليا، والزبير، وطلحة، وابى بن كعب رضى الله عنهم فامروه بذلك
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক আনসারীর নিকট লোক পাঠালেন। তিনি আসলেন। তখন তাঁর মাথা থেকে পানির ফোঁটা ঝরছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ‘সম্ভবত আমরা তোমাকে তাড়াহুড়া করতে বাধ্য করেছি।’ তিনি বললেন, ‘জী।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যখন তাড়াহুড়ার কারণে মনী বের না হবে (অথবা বললেন), মনীর অভাবজনিত কারণে তা বের না হবে তখন উযূ করে নিবে। ওয়াহ্ব (রহ.) শু’বাহ (রহ.) সুত্রে এ রকমই বর্ণনা করেন। তিনি [শু‘বাহ (রহ.)] বলেন, আবূ ‘আবদুল্লাহ্ (রহ.) বলেছেনঃ গুনদার (রহ.) ও ইয়াহ্ইয়া (রহ.) শু‘বাহ (রহ.)-এর সূত্রে বর্ণনায় উযূর কথা উল্লেখ করেননি।* (মুসলিম ৩/২১, হাঃ ৩৪৫, আহমাদ ১১১৬২, ১১২০৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق، قال اخبرنا النضر، قال اخبرنا شعبة، عن الحكم، عن ذكوان ابي صالح، عن ابي سعيد الخدري، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ارسل الى رجل من الانصار فجاء وراسه يقطر، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " لعلنا اعجلناك ". فقال نعم. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اذا اعجلت او قحطت، فعليك الوضوء ". تابعه وهب قال حدثنا شعبة. قال ابو عبد الله ولم يقل غندر ويحيى عن شعبة الوضوء
‘উসামা ইবনু যায়দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ‘আরাফাহ হতে ফিরছিলেন, তখন তিনি একটি গিরিপথের দিকে গিয়ে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিলেন। উসামা (রাযি.) বলেন, পরে আমি তাঁকে পানি ঢেলে দিচ্ছিলাম আর তিনি উযূ করছিলেন। অতঃপর আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি কি সালাত আদায় করবেন? তিনি বললেনঃ ‘সালাতের স্থান তোমার সম্মুখে (অর্থাৎ মুযদালিফায়)।’ (১৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن سلام، قال اخبرنا يزيد بن هارون، عن يحيى، عن موسى بن عقبة، عن كريب، مولى ابن عباس عن اسامة بن زيد، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم لما افاض من عرفة عدل الى الشعب، فقضى حاجته. قال اسامة بن زيد فجعلت اصب عليه ويتوضا فقلت يا رسول الله اتصلي فقال " المصلى امامك
মুগীরাহ ইবনু শু‘বাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি কোন এক সফরে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে ছিলেন। এক সময় তিনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে গেলেন। (প্রয়োজন সেরে আসার পর) মুগীরাহ তাঁকে পানি ঢেলে দিচ্ছিলেন এবং তিনি উযূ করছিলেন। তিনি তাঁর মুখমন্ডল এবং দু’হাত ধুলেন এবং তাঁর মাথা মাসেহ করলেন ও উভয় মোজার উপর মাসেহ করলেন। (২০৩, ২০৬, ৩৬৩, ৩৮৮, ২৯১৮, ৪৪২১, ৫৭৯৮, ৫৭৯৯; মুসলিম ২/২২, হাঃ ২৭৪, আহমাদ ১৮১৮৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن علي، قال حدثنا عبد الوهاب، قال سمعت يحيى بن سعيد، قال اخبرني سعد بن ابراهيم، ان نافع بن جبير بن مطعم، اخبره انه، سمع عروة بن المغيرة بن شعبة، يحدث عن المغيرة بن شعبة، انه كان مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في سفر، وانه ذهب لحاجة له، وان مغيرة جعل يصب الماء عليه، وهو يتوضا، فغسل وجهه ويديه ومسح براسه ومسح على الخفين
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن مخرمة بن سليمان، عن كريب، مولى ابن عباس ان عبد الله بن عباس، اخبره انه، بات ليلة عند ميمونة زوج النبي صلى الله عليه وسلم وهي خالته فاضطجعت في عرض الوسادة، واضطجع رسول الله صلى الله عليه وسلم واهله في طولها، فنام رسول الله صلى الله عليه وسلم حتى اذا انتصف الليل، او قبله بقليل او بعده بقليل، استيقظ رسول الله صلى الله عليه وسلم فجلس يمسح النوم عن وجهه بيده، ثم قرا العشر الايات الخواتم من سورة ال عمران، ثم قام الى شن معلقة، فتوضا منها فاحسن وضوءه، ثم قام يصلي. قال ابن عباس فقمت فصنعت مثل ما صنع، ثم ذهبت، فقمت الى جنبه، فوضع يده اليمنى على راسي، واخذ باذني اليمنى، يفتلها، فصلى ركعتين، ثم ركعتين، ثم ركعتين، ثم ركعتين، ثم ركعتين، ثم ركعتين، ثم اوتر، ثم اضطجع، حتى اتاه الموذن، فقام، فصلى ركعتين خفيفتين، ثم خرج فصلى الصبح
আসমা বিনতু আবূ বাকর (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর স্ত্রী ‘আয়িশাহ (রাযি.)-এর নিকট আসলাম। তখন সূর্যে গ্রহণ লেগেছিল। দেখলাম সব মানুষ দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছে এবং ‘আয়িশাহ (রাযি.)-ও দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করছেন। আমি বললাম, লোকদের কী হয়েছে? তিনি তাঁর হাত দিয়ে আকাশের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন ‘সুবহানাল্লাহ্’! আমি বললাম, এটা কি কোন আলামত? তিনি ইঙ্গিত করে বললেনঃ ‘হাঁ’। অতঃপর আমিও সালাতে দাঁড়িয়ে গেলাম। এমনকি আমার জ্ঞান হারিয়ে ফেলার উপক্রম হলো এবং আমি আমার মাথায় পানি দিতে লাগলাম। অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মুসল্লীদের দিকে) ফিরে আল্লাহর হাম্দ ও সানা বর্ণনা করে বললেনঃ ‘‘যেসব জিনিস আমি ইতোপূর্বে দেখিনি সেসব আমার এ স্থানে আমি দেখতে পেয়েছি, এমনকি জান্নাত এবং জাহান্নামও। আর আমার নিকট ওয়াহী পাঠানো হয়েছে যে, কবরে তোমাদের পরীক্ষা করা হবে দাজ্জালের ফিতনার ন্যায় অথবা তার কাছাকাছি।’’ বর্ণনাকারী বলেনঃ আসমা (রাযি.) কোনটি বলেছিলেন, আমি জানি না। তোমাদের প্রত্যেকের নিকট (মালাইকাহ) উপস্থিত হবে এবং তাকে জিজ্ঞেস করা হবে, ‘‘এ ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কী জান?’’-তারপর ‘মু’মিন,’ বা ‘মু’কিন’ ব্যক্তি বলবে- আসমা ‘মুমিন’ বলেছিলেন না ‘মুকিন’ তা আমি জানি না- ইনি আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি আমাদের নিকট মু‘জিযা ও হিদায়াত নিয়ে আগমন করেছিলেন। আমরা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছি, তাঁর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছি এবং তাঁর ইত্তিবা‘ করেছি। তারপর তাকে বলা হবে, নিশ্চিন্তে ঘুমাও। আমরা জানলাম যে, তুমি মু’মিন ছিলে। আর ‘মুনাফিক’ বা ‘মুরতাব’ বলবে- আমি জানি না আসমা এর কোনটি বলেছিলেন- লোকজনকে এর সম্পর্কে কিছু একটা বলতে শুনেছি আর আমিও তা-ই বলেছি। (৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৭৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسماعيل، قال حدثني مالك، عن هشام بن عروة، عن امراته، فاطمة عن جدتها، اسماء بنت ابي بكر انها قالت اتيت عايشة زوج النبي صلى الله عليه وسلم حين خسفت الشمس، فاذا الناس قيام يصلون، واذا هي قايمة تصلي فقلت ما للناس فاشارت بيدها نحو السماء وقالت سبحان الله. فقلت اية فاشارت اى نعم. فقمت حتى تجلاني الغشى، وجعلت اصب فوق راسي ماء، فلما انصرف رسول الله صلى الله عليه وسلم حمد الله واثنى عليه، ثم قال " ما من شىء كنت لم اره الا قد رايته في مقامي هذا حتى الجنة والنار، ولقد اوحي الى انكم تفتنون في القبور مثل او قريبا من فتنة الدجال لا ادري اى ذلك قالت اسماء يوتى احدكم فيقال ما علمك بهذا الرجل فاما المومن او الموقن لا ادري اى ذلك قالت اسماء فيقول هو محمد رسول الله، جاءنا بالبينات والهدى، فاجبنا وامنا واتبعنا، فيقال نم صالحا، فقد علمنا ان كنت لمومنا، واما المنافق او المرتاب لا ادري اى ذلك قالت اسماء فيقول لا ادري، سمعت الناس يقولون شييا فقلته
لِقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (وَامْسَحُوا بِرُءُوسِكُمْ) আল্লাহ তা‘আলার এ বাণীর পরিপ্রেক্ষিতে ‘‘আর তোমাদের মাথা মাসেহ কর’’। (সূরাহ্ আল-মায়িদাহ্ ৫/৬) وَقَالَ ابْنُ الْمُسَيَّبِ الْمَرْأَةُ بِمَنْزِلَةِ الرَّجُلِ تَمْسَحُ عَلَى رَأْسِهَا وَسُئِلَ مَالِكٌ أَيُجْزِئُ أَنْ يَمْسَحَ بَعْضَ الرَّأْسِ فَاحْتَجَّ بِحَدِيثِ عَبْدِ اللهِ بْنِ زَيْدٍ. ইবনুল মুসায়্যিব বলেন, নারী পুরুষের মধ্যে মাথা মাসেহ করার ব্যাপারে ভেদাভেদ নেই। ইমাম মালিক (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হল, মাথার কিছু অংশ মাসেহ করা কি যথেষ্ট হবে? তিনি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.)-এর হাদীস দলীল হিসেবে পেশ করলেন। ১৮৫. ইয়াহ্ইয়া আল-মাযিনী (রহ.) হতে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.)-কে (তিনি ‘আমর ইবনু ইয়াহইয়ার দাদা) জিজ্ঞেস করলঃ আপনি কি আমাদেরকে দেখাতে পারেন, কীভাবে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উযূ করতেন? ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.) বললেনঃ ‘হাঁ। অতঃপর তিনি পানি আনালেন। হাতের উপর সে পানি ঢেলে দু’বার তাঁর হাত ধুলেন। তারপর কুলি করলেন এবং তিনবার নাকে পানি দিয়ে নাক ঝাড়লেন। অতঃপর চেহারা তিনবার ধুলেন। তারপর দু’হাত কনুই পর্যন্ত দু’বার করে ধুলেন। তারপর দু’হাত দিয়ে মাথা মাসেহ করলেন। অর্থাৎ হাতদু’টি সামনে এবং পেছনে নিলেন। মাথার সম্মুখ ভাগ থেকে শুরু করে উভয় হাত পেছনের চুলের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত নিলেন। তারপর আবার যেখান থেকে শুরু করেছিলেন, সেখানেই ফিরিয়ে আনলেন। তারপর দু’পা ধুলেন। (১৮৬, ১৯১, ১৯২, ১৯৭, ১৯৯; মুসলিম ২/৭, হাঃ ২৩৫, আহমাদ ১৬৪৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن عمرو بن يحيى المازني، عن ابيه، ان رجلا، قال لعبد الله بن زيد وهو جد عمرو بن يحيى اتستطيع ان تريني، كيف كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يتوضا فقال عبد الله بن زيد نعم. فدعا بماء، فافرغ على يديه فغسل يده مرتين، ثم مضمض واستنثر ثلاثا، ثم غسل وجهه ثلاثا، ثم غسل يديه مرتين مرتين الى المرفقين، ثم مسح راسه بيديه، فاقبل بهما وادبر، بدا بمقدم راسه، حتى ذهب بهما الى قفاه، ثم ردهما الى المكان الذي بدا منه، ثم غسل رجليه
‘আমর ইবনু আবূ হাসান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উযূ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি এক পাত্র পানি আনলেন এবং তাঁদের (দেখাবার) জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মত উযূ করলেন। তিনি পাত্র থেকে দু’হাতে পানি ঢাললেন। তা দিয়ে হাত দু’টি তিনবার ধুলেন। অতঃপর পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে তিন খাবল পানি নিয়ে কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিয়ে নাক ঝাড়লেন। তারপর আবার হাত ঢুকালেন। তিনবার তাঁর মুখমন্ডল ধুলেন। তারপর আবার হাত ঢুকিয়ে (পানি নিয়ে) দুই হাত কনুই পর্যন্ত দু’বার ধুলেন। তারপর আবার হাত ঢুকিয়ে উভয় হাত দিয়ে সামনে এবং পেছনে একবার মাত্র মাথা মাসেহ করলেন। তারপর দু’ পা টাখনু পর্যন্ত ধুলেন। (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى، قال حدثنا وهيب، عن عمرو، عن ابيه، شهدت عمرو بن ابي حسن سال عبد الله بن زيد عن وضوء النبي، صلى الله عليه وسلم فدعا بتور من ماء، فتوضا لهم وضوء النبي صلى الله عليه وسلم فاكفا على يده من التور، فغسل يديه ثلاثا، ثم ادخل يده في التور، فمضمض واستنشق واستنثر ثلاث غرفات، ثم ادخل يده فغسل وجهه ثلاثا، ثم ادخل يده فغسل يديه مرتين الى المرفقين مرتين، ثم ادخل يده فمسح راسه، فاقبل بهما وادبر مرة واحدة، ثم غسل رجليه الى الكعبين
وَأَمَرَ جَرِيرُ بْنُ عَبْدِ اللهِ أَهْلَهُ أَنْ يَتَوَضَّئُوا بِفَضْلِ سِوَاكِهِ. জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাযি.) তাঁর পরিবারকে মিসওয়াক ধোয়া অবশিষ্ট পানি দিয়ে উযূ করতে নির্দেশ দেন। ১৮৭. আবূ জুহাইফাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন একদা দুপুর বেলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিকট এলেন। তাঁকে উযূর পানি এনে দেয়া হলে তিনি উযূ করলেন। লোকে তার উযুর ব্যবহৃত পানি নিয়ে গায়ে মাখতে লাগল। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের দু’রাক‘আত এবং ‘আসরের দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। আর তাঁর সামনে ছিল একটি লাঠি। (৩৭৬, ৪৯৫, ৪৯৯, ৫০১, ৬৩৩, ৬৩৪, ৩৫৫৩, ৩৫৬৬, ৫৭৮৬, ৫৮৫৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، قال حدثنا شعبة، قال حدثنا الحكم، قال سمعت ابا جحيفة، يقول خرج علينا رسول الله صلى الله عليه وسلم بالهاجرة، فاتي بوضوء فتوضا، فجعل الناس ياخذون من فضل وضويه فيتمسحون به، فصلى النبي صلى الله عليه وسلم الظهر ركعتين والعصر ركعتين، وبين يديه عنزة
আবূ মূসা (রাযি.) বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি পাত্র আনালেন যাতে পানি ছিল। অতঃপর তিনি তার মধ্যে উভয় হাত ও মুখমন্ডল ধুলেন এবং তার দ্বারা কুলি করলেন। অতঃপর তাদের দু’জন [আবূ মূসা (রাযি.) ও বিলাল (রাযি.)]-কে বললেনঃ ‘তোমরা এ থেকে পান কর এবং তোমাদের মুখমন্ডলে ও বুকে ঢাল।’ (১৯৬, ৪৩২৮; মুসলিম ৪/৪৭, হাঃ ৫০৩, আহমাদ ১৮৭৬৯, ১৮৭৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮২ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৮৭ শেষাংশ)
وقال ابو موسى دعا النبي صلى الله عليه وسلم بقدح فيه ماء، فغسل يديه ووجهه فيه، ومج فيه ثم قال لهما اشربا منه، وافرغا على وجوهكما ونحوركما
মাহমূদ ইবনুর-রবী’ হতে বর্ণিত। বর্ণনাকারী বলেনঃ তিনি সে ব্যক্তি, যার মুখমন্ডলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের কুয়া হতে পানি নিয়ে কুলির পানি দিয়েছিলেন। তিনি তখন বালক ছিলেন। ‘উরওয়া (রহ.) মিসওয়ার (রহ.) প্রমুখের নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করেন। এ উভয় বর্ণনা একটি অন্যটির সত্যায়ন স্বরূপ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উযূ করতেন তখন তাঁর ব্যবহৃত পানির উপর তাঁরা (সহাবায়ে কিরাম) যেন হুমড়ি খেয়ে পড়তেন। (১৯৬, ৪৩২৮ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৩ কিন্তু প্রথমাংশ নেই, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، قال حدثنا يعقوب بن ابراهيم بن سعد، قال حدثنا ابي، عن صالح، عن ابن شهاب، قال اخبرني محمود بن الربيع، قال وهو الذي مج رسول الله صلى الله عليه وسلم في وجهه وهو غلام من بيرهم. وقال عروة عن المسور وغيره يصدق كل واحد منهما صاحبه واذا توضا النبي صلى الله عليه وسلم كادوا يقتتلون على وضويه
সায়িব ইবনু ইয়াযীদ (রাযি.) বলেনঃ আমার খালা আমাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললেনঃ ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার ভাগিনা অসুস্থ’। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাথায় হাত বুলালেন এবং বরকতের দু‘আ করলেন। অতঃপর উযূ করলেন। আমি তাঁর উযুর (অবশিষ্ট) পানি পান করলাম। তারপর তাঁর পিছনে দাঁড়ালাম। তখন আমি তাঁর উভয় কাঁধের মধ্যস্থলে নুবূওয়াতের মোহর দেখতে পেলাম। তা ছিল পর্দার ঘুণ্টির মত। (৩৫৪০, ৩৫৪১, ৫৬৭০, ৬৩৫২; মুসলিম ৪৩/৩০, হাঃ ২৩৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الرحمن بن يونس، قال حدثنا حاتم بن اسماعيل، عن الجعد، قال سمعت السايب بن يزيد، يقول ذهبت بي خالتي الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله، ان ابن اختي وجع. فمسح راسي ودعا لي بالبركة، ثم توضا فشربت من وضويه، ثم قمت خلف ظهره، فنظرت الى خاتم النبوة بين كتفيه مثل زر الحجلة
‘আবদুল্লাহ্ ইবনু যায়দ (রাযি.) হতে বর্ণিত। একদা তিনি পাত্র হতে দু’হাতে পানি ঢেলে দু’হাত ধৌত করলেন। অতঃপর এক খাবল পানি দিয়ে (মুখ) ধুলেন বা কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিলেন। তিনবার এরূপ করলেন। তারপর দু’ হাত কনুই পর্যন্ত দু’-দু’বার ধুলেন এবং মাথার সামনের অংশ এবং পেছনের অংশ মাসেহ করলেন। আর টাখনু পর্যন্ত দু’ পা ধুলেন। অতঃপর বললেনঃ ‘‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উযূ এরূপ ছিল।’’ (১৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، قال حدثنا خالد بن عبد الله، قال حدثنا عمرو بن يحيى، عن ابيه، عن عبد الله بن زيد، انه افرغ من الاناء على يديه فغسلهما، ثم غسل او مضمض، واستنشق من كفة واحدة، ففعل ذلك ثلاثا، فغسل يديه الى المرفقين مرتين مرتين، ومسح براسه ما اقبل وما ادبر، وغسل رجليه الى الكعبين، ثم قال هكذا وضوء رسول الله صلى الله عليه وسلم
ইয়াহইয়া (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘আমি একদা ‘আমর ইবনু আবূ হাসান (রাযি.)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ (রাযি.)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর উযূ সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। অতঃপর তিনি পানির একটি পাত্র এনে তাঁদের উযূ করে দেখালেন। তিনি পাত্রটি কাত করে উভয় হাতের উপর পানি ঢেলে তিনবার তা ধুয়ে ফেলেন। তারপর পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকালেন এবং তিন খাবল পানি দিয়ে তিনবার করে কুলি করলেন এবং নাকে পানি দিয়ে তা ঝাড়লেন। অতঃপর পুনরায় পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে তিনবার মুখমন্ডল ধুলেন। অতঃপর পুনরায় পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে উভয় হাত কনুই পর্যন্ত দু’-দু’বার ধুলেন। অতঃপর পুনরায় পাত্রের মধ্যে হাত ঢুকিয়ে তাঁর মাথা হাত দিয়ে সামনে এবং পেছনে মাসেহ করলেন। তারপর আবার পাত্রের মধ্যে তাঁর হাত ঢুকিয়ে দুই পা ধুলেন।* (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯১) উহায়ব (রহ.) সূত্রে মূসা (রহ.) বর্ণনা করেন, মাথা একবার মাসেহ করেন। (১৮৫) (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا وهيب، قال حدثنا عمرو بن يحيى، عن ابيه، قال شهدت عمرو بن ابي حسن سال عبد الله بن زيد عن وضوء النبي، صلى الله عليه وسلم فدعا بتور من ماء، فتوضا لهم، فكفا على يديه فغسلهما ثلاثا، ثم ادخل يده في الاناء، فمضمض واستنشق، واستنثر ثلاثا بثلاث غرفات من ماء، ثم ادخل يده في الاناء، فغسل وجهه ثلاثا، ثم ادخل يده في الاناء، فغسل يديه الى المرفقين مرتين مرتين، ثم ادخل يده في الاناء، فمسح براسه فاقبل بيديه وادبر بهما، ثم ادخل يده في الاناء فغسل رجليه. وحدثنا موسى قال حدثنا وهيب قال مسح راسه مرة
وَتَوَضَّأَ عُمَرُ بِالْحَمِيمِ وَمِنْ بَيْتِ نَصْرَانِيَّةٍ. ‘উমার (রাযি.) গরম পানি দিয়ে এবং নাসারা মহিলার ঘরের পানি দিয়ে উযূ করেন। ১৯৩. ‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল -এর সময় পুরুষ এবং মহিলা একত্রে (এক পাত্র হতে) উযূ করতেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر، انه قال كان الرجال والنساء يتوضيون في زمان رسول الله صلى الله عليه وسلم جميعا
জাবির (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি অসুস্থ থাকা অবস্থায় একবার আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার খোঁজ-খবর নিতে এলেন। আমি তখন এতই অসুস্থ ছিলাম যে আমার জ্ঞান ছিল না। তারপর তিনি উযূ করলেন এবং তাঁর উযূর পানি আমার উপর ছিঁটিয়ে দিলেন। তখন আমার জ্ঞান ফিরে এল। আমি বললামঃ হে আল্লাহর রাসূল! (আমার) ‘মীরাস’ কে পাবে? আমার একমাত্র ওয়ারিস হল কালালাহ*। তখন ফারায়েযের আয়াত অবতীর্ণ হল। (৪৫৭৭, ৫৬৫১, ৫৬৬৪, ৫৬৭৬, ৫৭২৩, ৬৭২৩, ৬৭৪৩, ৭৩০৯ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، قال حدثنا شعبة، عن محمد بن المنكدر، قال سمعت جابرا، يقول جاء رسول الله صلى الله عليه وسلم يعودني، وانا مريض لا اعقل، فتوضا وصب على من وضويه، فعقلت فقلت يا رسول الله لمن الميراث انما يرثني كلالة. فنزلت اية الفرايض