Loading...

Loading...
বইসমূহ
১১৩ হাদিসসমূহ
সুওয়াইদ ইবনু নু‘মান (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ খায়বার যুদ্ধের বছর আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে বের হলাম। সহ্বা নামক স্থানে পৌঁছে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিয়ে আসরের সালাত আদায় করলেন। সালাত শেষে তিনি খাবার আনতে বললেন। ছাতু ব্যতীত আর কিছুই আনা হল না। আমরা তা খেলাম এবং পান করলাম। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাগরিবের জন্য দাঁড়ালেন, অতঃপর কুলি করলেন; অতঃপর আমাদের নিয়ে মাগরিবের সালাত আদায় করলেন অথচ তিনি (নতুন) উযূ করলেন না। (২০৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا خالد بن مخلد، قال حدثنا سليمان، قال حدثني يحيى بن سعيد، قال اخبرني بشير بن يسار، قال اخبرني سويد بن النعمان، قال خرجنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم عام خيبر، حتى اذا كنا بالصهباء، صلى لنا رسول الله صلى الله عليه وسلم العصر، فلما صلى دعا بالاطعمة، فلم يوت الا بالسويق، فاكلنا وشربنا، ثم قام النبي صلى الله عليه وسلم الى المغرب فمضمض، ثم صلى لنا المغرب ولم يتوضا
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা মাদ্বীনা বা মক্কার বাগানগুলোর মধ্য হতে কোন এক বাগানের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি এমন দু’ ব্যক্তির আওয়ায শুনতে পেলেন যে, তাদেরকে কবরে আযাব দেয়া হচ্ছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এদের দু’জনকে আযাব দেয়া হচ্ছে, অথচ কোন গুরুতর অপরাধে তাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। তারপর তিনি বললেনঃ ‘হ্যাঁ, এদের একজন তার পেশাব করতে গিয়ে সতর্কতা অবলম্বন করত না। অপর ব্যক্তি চোগলখোরী করত। অতঃপর তিনি একটি খেজুরের ডাল আনতে বললেন, এবং তা ভেঙ্গে দু’ টুকরা করে প্রত্যেকের কবরের উপর এক টুকরা করে রাখলেন। তাঁকে বলা হল, ‘হে আল্লাহর রাসূল! কেন এমন করলেন?’ তিনি বললেনঃ আশা করা যেতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত এ দু’টি শুকিয়ে না যায় তাদের আযাব কিছুটা হালকা করা হবে। (২১৮, ১৩৬১, ১৩৭৮, ৬০৫২, ৬০৫৫; মুসলিম ২/৩৪, হাঃ ২৯২, আহমাদ ১৯৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن مجاهد، عن ابن عباس، قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بحايط من حيطان المدينة او مكة، فسمع صوت انسانين يعذبان في قبورهما، فقال النبي صلى الله عليه وسلم " يعذبان، وما يعذبان في كبير "، ثم قال " بلى، كان احدهما لا يستتر من بوله، وكان الاخر يمشي بالنميمة ". ثم دعا بجريدة فكسرها كسرتين، فوضع على كل قبر منهما كسرة. فقيل له يا رسول الله لم فعلت هذا قال " لعله ان يخفف عنهما ما لم تيبسا او الى ان ييبسا
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِصَاحِب الْقَبْرِ كَانَ لاَ يَسْتَتِرُ مِنْ بَوْلِهِ وَلَمْ يَذْكُرْ سِوَى بَوْلِ النَّاسِ. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক কবরবাসী সম্পর্কে বলেছেন, সে তার পেশাব হতে সতর্ক থাকত না। তিনি শুধু মানুষের পেশাব সম্পর্কেই উল্লেখ করেছেন। ২১৭. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রাকৃতিক প্রয়োজনে বের হলে আমি তাঁর নিকট পানি নিয়ে যেতাম। তিনি তা দিয়ে শৌচকার্য করতেন। (১৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يعقوب بن ابراهيم، قال حدثنا اسماعيل بن ابراهيم، قال حدثني روح بن القاسم، قال حدثني عطاء بن ابي ميمونة، عن انس بن مالك، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم اذا تبرز لحاجته اتيته بماء فيغسل به
ইবনু ‘আব্বাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা দু’টি কবরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। এ সময় তিনি বললেনঃ এদের ‘আযাব দেয়া হচ্ছে, কোন গুরুতর অপরাধের জন্য তাদের শাস্তি দেয়া হচ্ছে না। তাদের একজন পেশাব হতে সতর্ক থাকত না। আর অপরজন চোগলখোরী করে বেড়াত। তারপর তিনি একখানি কাঁচা খেজুরের ডাল নিয়ে ভেঙ্গে দু’ভাগ করলেন এবং প্রত্যেক কবরের উপর একখানি গেড়ে দিলেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! কেন এমন করলেন? তিনি বললেনঃ আশা করা যেতে পারে যতক্ষণ পর্যন্ত এ দু’টি শুকিয়ে না যায় তাদের আযাব কিছুটা হালকা করা হবে। ইবনুল মুসান্না (রহ.) আ‘মাশ (রহ.) বলেনঃ আমি মুজাহিদ (রহ.) হতে অনুরূপ শুনেছি। সে তার পেশাব হতে সতর্ক থাকত। (২১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثنا محمد بن خازم، قال حدثنا الاعمش، عن مجاهد، عن طاوس، عن ابن عباس، قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بقبرين فقال " انهما ليعذبان، وما يعذبان في كبير اما احدهما فكان لا يستتر من البول، واما الاخر فكان يمشي بالنميمة ". ثم اخذ جريدة رطبة، فشقها نصفين، فغرز في كل قبر واحدة. قالوا يا رسول الله، لم فعلت هذا قال " لعله يخفف عنهما ما لم ييبسا ". قال ابن المثنى وحدثنا وكيع قال حدثنا الاعمش قال سمعت مجاهدا مثله " يستتر من بوله
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক বেদুঈনকে মসজিদে পেশাব করতে দেখলেন। তখন তিনি বললেনঃ ‘তাকে ছেড়ে দাও’। সে পেশাব শেষ করলে পানি নিয়ে আসতে বললেন, অতঃপর তা সেখানে ঢেলে দিলেন। (২২১, ৬০২৫ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى بن اسماعيل، قال حدثنا همام، اخبرنا اسحاق، عن انس بن مالك، ان النبي صلى الله عليه وسلم راى اعرابيا يبول في المسجد فقال " دعوه ". حتى اذا فرغ دعا بماء فصبه عليه
আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (২১৯ নম্বর হাদিসের অনুরুপ)
حدثنا ابو اليمان، قال اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عبيد الله بن عبد الله بن عتبة بن مسعود، ان ابا هريرة، قال قام اعرابي فبال في المسجد فتناوله الناس، فقال لهم النبي صلى الله عليه وسلم " دعوه وهريقوا على بوله سجلا من ماء، او ذنوبا من ماء، فانما بعثتم ميسرين، ولم تبعثوا معسرين
حدثنا عبدان، قال اخبرنا عبد الله، قال اخبرنا يحيى بن سعيد، قال سمعت انس بن مالك، عن النبي صلى الله عليه وسلم
بَابُ يُهَرِيقُ الْمَاءَ عَلَى الْبَوْلِ ৪/০০. পেশাবের উপর পানি গড়ানো। حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ قَالَ وَحَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ قَالَ سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ فَبَالَ فِي طَائِفَةِ الْمَسْجِدِ فَزَجَرَهُ النَّاسُ فَنَهَاهُمْ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا قَضَى بَوْلَهُ أَمَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بِذَنُوبٍ مِنْ مَاءٍ فَأُهْرِيقَ عَلَيْهِ. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা জনৈক বেদুঈন এসে মসজিদের এক পাশে পেশাব করে দিল। তা দেখে লোকজন তাকে ধমক দিতে লাগল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের নিষেধ করলেন। সে তার পেশাব করা শেষ করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর আদেশে এর উপর এক বালতি পানি ঢেলে দেয়া হল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২১) ২২২. উম্মুল মু’মিনীন মা ‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট একটি ছেলে শিশুকে আনা হল। শিশুটি তাঁর কাপড়ে পেশাব করে দিল। তিনি পানি আনালেন এবং এর উপর ঢেলে দিলেন। (৫৪৬৮, ৬০০২, ৬৩৫৫ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة ام المومنين، انها قالت اتي رسول الله صلى الله عليه وسلم بصبي، فبال على ثوبه، فدعا بماء فاتبعه اياه
উম্মু কায়স বিনত মিহসান (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, তিনি তাঁর এমন একটি ছোট ছেলেকে নিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এলেন যে তখনো খাবার খেতে শিখেনি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শিশুটিকে তাঁর কোলে বসালেন। তখন সে তাঁর কাপড়ে পেশাব করে দিল। তিনি পানি আনিয়ে এর উপর ছিটিয়ে দিলেন এবং তা ধৌত করলেন না।* (৫৬৯৩; মুসলিম ২/৩১, হাঃ ২৮৭, আহমাদ ২৭০৬৪, ২৭০৭২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، قال اخبرنا مالك، عن ابن شهاب، عن عبيد الله بن عبد الله بن عتبة، عن ام قيس بنت محصن، انها اتت بابن لها صغير، لم ياكل الطعام الى رسول الله صلى الله عليه وسلم، فاجلسه رسول الله صلى الله عليه وسلم في حجره، فبال على ثوبه، فدعا بماء فنضحه ولم يغسله
হুযাইফাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা গোত্রের ময়লা আবর্জনা ফেলার স্থানে আসলেন। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে পেশাব করলেন। অতঃপর পানি আনতে বললেন। আমি তাঁকে পানি এনে দিলে তিনি উযূ করলেন। (২২৫, ২২৬, ২৪৭১ দ্রষ্টব্য) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، قال حدثنا شعبة، عن الاعمش، عن ابي وايل، عن حذيفة، قال اتى النبي صلى الله عليه وسلم سباطة قوم فبال قايما، ثم دعا بماء، فجيته بماء فتوضا
হুযাইফাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমার স্মরণ আছে যে, একদা আমি ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সাথে চলছিলাম। তিনি দেয়ালের পিছনে মহল্লার একটি আবর্জনা ফেলার জায়গায় এলেন। অতঃপর তোমাদের কেউ যেভাবে দাঁড়ায় সে ভাবে দাঁড়িয়ে তিনি পেশাব করলেন। এ সময় আমি তাঁর নিকট হতে সরে যাচ্ছিলাম কিন্তু তিনি আমাকে ইঙ্গিত করলেন। আমি এসে তাঁর পেশাব করা শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে রইলাম। (২২৪; মুসলিম ২/২২, হাঃ ২৭৩, আহমাদ ২৩৩০১, ২৩৪০৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২১৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، قال حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، عن حذيفة، قال رايتني انا والنبي، صلى الله عليه وسلم نتماشى، فاتى سباطة قوم خلف حايط، فقام كما يقوم احدكم فبال، فانتبذت منه، فاشار الى فجيته، فقمت عند عقبه حتى فرغ
আবূ ওয়াইল (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আবূ মূসা (রাযি.) পেশাবের ব্যাপারে খুব কঠোরতা আরোপ করতেন এবং বলতেনঃ বনী ইসরাঈলের কারো কাপড়ে (পেশাব) লাগলে তা কেটে ফেলত। হুযায়ফাহ (রাযি.) বললেন, আবূ মূসা (রাযি.) যদি এ হতে বিরত থাকতেন (তবে ভাল হত)। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মহল্লার আবর্জনা ফেলার স্থানে গিয়ে দাঁড়িয়ে পেশাব করেছেন। (২২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن عرعرة، قال حدثنا شعبة، عن منصور، عن ابي وايل، قال كان ابو موسى الاشعري يشدد في البول ويقول ان بني اسراييل كان اذا اصاب ثوب احدهم قرضه. فقال حذيفة ليته امسك، اتى رسول الله صلى الله عليه وسلم سباطة قوم فبال قايما
আসমা (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললেনঃ (হে আল্লাহর রাসূল!) বলুন, আমাদের কারো কাপড়ে হায়যের রক্ত লেগে গেলে সে কী করবে? তিনি বললেনঃ সে তা ঘষে ফেলবে, তারপর পানি দিয়ে রগড়াবে এবং ভাল করে ধুয়ে ফেলবে। অতঃপর সেই কাপড়ে সালাত আদায় করবে। (৩০৭; মুসলিম ২/৩৩, হাঃ ২৯১, আহমাদ ৬৯৯৮, ২৭০৪৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن المثنى، قال حدثنا يحيى، عن هشام، قال حدثتني فاطمة، عن اسماء، قالت جاءت امراة النبي صلى الله عليه وسلم فقالت ارايت احدانا تحيض في الثوب كيف تصنع قال " تحته، ثم تقرصه بالماء، وتنضحه وتصلي فيه
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ফাতিমাহ বিনতু আবূ হুবায়শ (রাযি.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি একজন রক্ত-প্রদর রোগগ্রস্তা (ইস্তিহাযাহ) মহিলা। আমি কখনো পবিত্র হতে পারি না। এমতাবস্থায় আমি কি সালাত পরিত্যাগ করবো?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ না, এতো শিরা হতে নির্গত রক্ত; হায়য নয়। তাই যখন তোমার হায়য আসবে তখন সালাত ছেড়ে দিও। আর যখন তা বন্ধ হবে তখন রক্ত ধুয়ে ফেলবে, তারপর সালাত আদায় করবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার পিতা বলেছেনঃ অতঃপর এভাবে আরেক হায়িয না আসা পর্যন্ত প্রত্যেক সালাতের জন্য উযূ করবে। (মুসলিম ৩/১৪, হাঃ ৩৩৩, আহমাদ ২৪৫৭৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، قال حدثنا ابو معاوية، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عايشة، قالت جاءت فاطمة ابنة ابي حبيش الى النبي صلى الله عليه وسلم فقالت يا رسول الله اني امراة استحاض فلا اطهر، افادع الصلاة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا، انما ذلك عرق، وليس بحيض، فاذا اقبلت حيضتك فدعي الصلاة، واذا ادبرت فاغسلي عنك الدم ثم صلي ". قال وقال ابي " ثم توضيي لكل صلاة، حتى يجيء ذلك الوقت
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাপড় হতে অপবিত্রতার চিহ্ন ধুয়ে দিতাম এবং কাপড়ে ভিজা চিহ্ন নিয়ে তিনি সালাতে বের হতেন। (২৩০, ২৩১, ২৩২; মুসলিম ২/৩২, হাঃ ২৮৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبدان، قال اخبرنا عبد الله، قال اخبرنا عمرو بن ميمون الجزري، عن سليمان بن يسار، عن عايشة، قالت كنت اغسل الجنابة من ثوب النبي صلى الله عليه وسلم، فيخرج الى الصلاة، وان بقع الماء في ثوبه
সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রাযি.) হতে বর্ণিত। ‘আমি ‘আয়িশাহ (রাযি.)-কে কাপড়ে লাগা বীর্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম।’ তিনি বললেনঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাপড় হতে তা ধুয়ে ফেলতাম। তিনি কাপড় ধোয়ার ভিজা দাগ নিয়ে সালাতে বের হতেন। (২২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، قال حدثنا يزيد، قال حدثنا عمرو، عن سليمان، قال سمعت عايشة، ح وحدثنا مسدد، قال حدثنا عبد الواحد، قال حدثنا عمرو بن ميمون، عن سليمان بن يسار، قال سالت عايشة عن المني، يصيب الثوب فقالت كنت اغسله من ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم، فيخرج الى الصلاة واثر الغسل في ثوبه بقع الماء
‘আমর ইবনু মায়মূন (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ কাপড়ে জানাবাতের অপবিত্রতা লাগা সম্পর্কে আমি সুলায়মান ইবনু ইয়াসার (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেছেনঃ আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাপড় হতে তা ধুয়ে ফেলতাম। অতঃপর তিনি সালাতে বেরিয়ে যেতেন আর তাতে পানি দিয়ে ধোয়ার চিহ্ন অবশিষ্ট থাকত। (২২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا موسى، قال حدثنا عبد الواحد، قال حدثنا عمرو بن ميمون، قال سالت سليمان بن يسار في الثوب تصيبه الجنابة قال قالت عايشة كنت اغسله من ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم، ثم يخرج الى الصلاة واثر الغسل فيه بقع الماء
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাপড় হতে বীর্য ধুয়ে ফেলতেন। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বললেনঃ তারপর আমি তাতে পানির একটি বা কয়েকটি দাগ দেখতে পেতাম। (২২৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمرو بن خالد، قال حدثنا زهير، قال حدثنا عمرو بن ميمون بن مهران، عن سليمان بن يسار، عن عايشة، انها كانت تغسل المني من ثوب النبي صلى الله عليه وسلم، ثم اراه فيه بقعة او بقعا
وَصَلَّى أَبُو مُوسَى فِي دَارِ الْبَرِيدِ وَالسِّرْقِينِ وَالْبَرِّيَّةُ إِلَى جَنْبِهِ فَقَالَ هَا هُنَا وَثَمَّ سَوَاءٌ. আবূ মূসা (রাযি.) দারুল বারীদে সালাত আদায় করেন। আর তার পাশেই গোবর এবং খালি ময়দান ছিল। তিনি বললেনঃ এ জায়গা এবং ঐ জায়গা একই পর্যায়ের। ২৩৩. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ ‘উকল বা ‘উরাইনাহ গোত্রের কিছু লোক (ইসলাম গ্রহণের উদ্দেশে) মদিনা্য় এলে তারা অসুস্থ হয়ে পড়ল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের (সদকার) উটের নিকট যাবার এবং ওর পেশাব ও দুধ পান করার নির্দেশ দিলেন। তারা সেখানে চলে গেল। অতঃপর তারা সুস্থ হয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর রাখালকে হত্যা করল এবং উটগুলো তাড়িয়ে নিয়ে গেল। এ সংবাদ দিনের প্রথম ভাগেই (তাঁর নিকট) এসে পৌঁছল। তিনি তাদের পশ্চাদ্ধাবন করার জন্য লোক পাঠালেন। বেলা বাড়লে তাদেরকে পাকড়াও করে আনা হল। অতঃপর তাঁর আদেশে তাদের হাত পা কেটে দেয়া হল। উত্তপ্ত শলাকা দিয়ে তাদের চোখ ফুটিয়ে দেয়া হল এবং গরম পাথুরে ভূমিতে তাদের নিক্ষেপ করা হল। তারা পানি চাইছিল, কিন্তু তাদেরকে পানি দেয়া হয়নি। আবূ কিলাবাহ (রহ.) বলেন, এরা চুরি করেছিল, হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল, ঈমান আনার পর কুফরী করেছিল এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছিল। (১৫০১, ৩০১৮, ৪১৯২, ৪১৯৩, ৪৬১০, ৫৬৮৫, ৫৬৮৬, ৫৭২৭, ৬৮০২, ৬৮০৩, ৬৮০৪, ৬৮০৫, ৬৮৯৯; মুসলিম ২৮/২, হাঃ ১৬৭১, আহমাদ ১২৯৩৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا سليمان بن حرب، قال حدثنا حماد بن زيد، عن ايوب، عن ابي قلابة، عن انس، قال قدم اناس من عكل او عرينة، فاجتووا المدينة، فامرهم النبي صلى الله عليه وسلم بلقاح، وان يشربوا من ابوالها والبانها، فانطلقوا، فلما صحوا قتلوا راعي النبي صلى الله عليه وسلم واستاقوا النعم، فجاء الخبر في اول النهار، فبعث في اثارهم، فلما ارتفع النهار جيء بهم، فامر فقطع ايديهم وارجلهم، وسمرت اعينهم، والقوا في الحرة يستسقون فلا يسقون. قال ابو قلابة فهولاء سرقوا وقتلوا وكفروا بعد ايمانهم، وحاربوا الله ورسوله
আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ মসজিদে নাবাবী নির্মিত হবার পূর্বে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বকরীর খোঁয়াড়ে সালাত আদায় করতেন।* (৪২৮, ৪২৯, ১৮৬৪, ২১০৬, ২৭৭১, ২৭৭৪, ২৭৭৯, ৩৯৩২; মুসলিম ৫/১, হাঃ ৫২৪, আহমাদ ১৩০১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، قال حدثنا شعبة، قال اخبرنا ابو التياح، يزيد بن حميد عن انس، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي قبل ان يبنى المسجد في مرابض الغنم