Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৯২ হাদিসসমূহ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালা [1], মুখাদারা [2], মুলামাসা, মুনাবাযা ও মুযাবানা নিষিদ্ধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا اسحاق بن وهب، حدثنا عمر بن يونس، قال حدثني ابي قال، حدثني اسحاق بن ابي طلحة الانصاري، عن انس بن مالك رضى الله عنه انه قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المحاقلة، والمخاضرة، والملامسة، والمنابذة، والمزابنة
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাকার পূর্বে ফল বিক্রি নিষেধ করেছেন। (রাবী বলেন) আমরা আনাস (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম, ফল পাকার অর্থ কী? তিনি বললেন, লালচে বা হলদে হওয়া। [আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন] বলত, আল্লাহ তা‘আলা যদি ফল নষ্ট করে দেন, তবে কিসের বদলে তোমার ভাইয়ের মাল গ্রহণ করবে? (১৪৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن حميد، عن انس رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع ثمر التمر حتى تزهو. فقلنا لانس ما زهوها قال تحمر وتصفر، ارايت ان منع الله الثمرة بم تستحل مال اخيك
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে ছিলাম, তিনি সে সময়ে খেজুরের মাথি খাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, গাছের মধ্যে এমনও গাছ আছে, যা মু’মিন ব্যক্তির সদৃশ। আমি বলতে ইচ্ছা করলাম যে, তা হল খেজুর গাছ। কিন্তু আমি লক্ষ্য করলাম যে, আমি সকলের মাঝে বয়ঃকনিষ্ঠ (তাই লজ্জায় বলি নাই, কেউ উত্তর না দেয়ায়) তিনি বললেন, তা খেজুর গাছ। (৬১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، هشام بن عبد الملك حدثنا ابو عوانة، عن ابي بشر، عن مجاهد، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال كنت عند النبي صلى الله عليه وسلم وهو ياكل جمارا، فقال " من الشجر شجرة كالرجل المومن ". فاردت ان اقول هي النخلة. فاذا انا احدثهم قال " هي النخلة
وَقَالَ شُرَيْحٌ لِلْغَزَّالِينَ سُنَّتُكُمْ بَيْنَكُمْ رِبْحًا وَقَالَ عَبْدُ الْوَهَّابِ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ مُحَمَّدٍ لاَ بَأْسَ الْعَشَرَةُ بِأَحَدَ عَشَرَ وَيَأْخُذُ لِلنَّفَقَةِ رِبْحًا وَقَالَ النَّبِيُّ لِهِنْدٍ خُذِي مَا يَكْفِيكِ وَوَلَدَكِ بِالْمَعْرُوفِ وَقَالَ تَعَالَى (وَمَنْ كَانَ فَقِيرًا فَلْيَأْكُلْ بِالْمَعْرُوفِ) وَاكْتَرَى الْحَسَنُ مِنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ مِرْدَاسٍ حِمَارًا فَقَالَ بِكَمْ قَالَ بِدَانَقَيْنِ فَرَكِبَهُ ثُمَّ جَاءَ مَرَّةً أُخْرَى فَقَالَ الْحِمَارَ الْحِمَارَ فَرَكِبَهُ وَلَمْ يُشَارِطْهُ فَبَعَثَ إِلَيْهِ بِنِصْفِ دِرْهَمٍ শুরাইহ (রহ.) তাঁতী সম্প্রদায়ের উদ্দেশে বলেন, তোমাদের মাঝে প্রচলিত নিয়ম-নীতি (তোমাদের কাজ-কারবারে) গ্রহণযোগ্য। আবদুল ওহাব (রহ.) আইয়ূব (রহ.) সূত্রে মুহাম্মাদ [ইবনু সীরীন (রহ.)] হতে বর্ণনা করেনঃ দশ টাকায় কৃত বস্তু এগার টাকায় বিক্রি করাতে কোন দোষ নেই; খরচের জন্য লাভ গ্রহণ করা যায়। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম [আবূ সুফিয়ান (রাঃ)]-এর স্ত্রী হিন্দাকে বলেছিলেন, তোমার ও তোমার সন্তানাদির জন্য যা প্রয়োজন, তা বিধিসম্মতভাবে গ্রহণ করতে পার। আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ ‘‘যে অভাবগ্রস্ত, সে যেন সঙ্গত পরিমাণে ভোগ করে’’- (আন-নিসা ৬)। একবার হাসান বসরী (রহ.) ‘আবদুল্লাহ ইবনু মিরদাস (রহ.) হতে গাধা ভাড়া করেন এবং জিজ্ঞেস করেন, ভাড়া কত? ইবনু মিরদাস (রহ.) বলেন, দুই দানিক। এরপর তিনি এতে আরোহণ করেন। দ্বিতীয়বার এসে তিনি বলেন, গাধাটি আন গাধাটি আন। এরপর তিনি গাধায় আরোহণ করলেন, কিন্তু কোন ভাড়া ঠিক করলেন না। পরে অর্ধ দিরহাম (৩ দানিক) পাঠিয়ে দিলেন (তিনি দয়া করে এক দানিক বেশী দিলেন)। ২২১০. আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবূ তায়বা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে শিঙ্গা লাগালেন। তিনি এক সা‘ খেজুর দিতে বললেন এবং তার উপর হতে দৈনিক আয়কর কমানোর জন্য তার মালিককে আদেশ দিলেন। (২১০২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن حميد الطويل، عن انس بن مالك رضى الله عنه قال حجم رسول الله صلى الله عليه وسلم ابو طيبة، فامر له رسول الله صلى الله عليه وسلم بصاع من تمر، وامر اهله ان يخففوا عنه من خراجه
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর মা হিন্দা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে বলেন, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) একজন কৃপণ ব্যক্তি। এমতাবস্থায় আমি যদি তার মাল হতে গোপনে কিছু গ্রহণ করি, তাতে কি আমার গুনাহ হবে? তিনি বললেন, তুমি তোমার ও সন্তানদের প্রয়োজন অনুযায়ী ন্যায়ভাবে গ্রহণ করতে পার। (২৪৬০, ৩৮২৫, ৫৩৫৯, ৫৩৬৪, ৫৩৭০, ৬৬৪১, ৭১৬১, ৭১৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو نعيم، حدثنا سفيان، عن هشام، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها قالت هند ام معاوية لرسول الله صلى الله عليه وسلم ان ابا سفيان رجل شحيح، فهل على جناح ان اخذ من ماله سرا قال " خذي انت وبنوك ما يكفيك بالمعروف
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কুরআনের আয়াতঃ ‘‘যে অভাবমুক্ত সে যেন নিবৃত্ত থাকে এবং যে অভাবগ্রস্ত সে যেন সঙ্গত পরিমাণে ভোগ করে’’- (আন-নিসা ৬)। ইয়াতীমের ঐ অভিভাবক সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়, যে তার তত্ত্বাবধান করে ও তার সম্পত্তির পরিচর্যা করে, সে যদি অভাবগ্রস্ত হয়, তবে তা হতে নিয়মমাফিক খেতে পারবে। (২৭৬৫, ৪৫৭৫, মুসলিম ৫৪ অধ্যায়ের প্রথমে হাঃ ৩০১৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني اسحاق، حدثنا ابن نمير، اخبرنا هشام، وحدثني محمد، قال سمعت عثمان بن فرقد، قال سمعت هشام بن عروة، يحدث عن ابيه، انه سمع عايشة رضى الله عنها تقول {ومن كان غنيا فليستعفف ومن كان فقيرا فلياكل بالمعروف} انزلت في والي اليتيم الذي يقيم عليه، ويصلح في ماله، ان كان فقيرا اكل منه بالمعروف
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে সম্পত্তির ভাগ বাঁটোয়ারা হয়নি, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাতে শুফ‘আ [1] এর অধিকার প্রদান করেছেন। যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং রাস্তা ভিন্ন করা হয়, তখন আর শুফ‘আ এর অধিকার থাকবে না। (২২১৪, ২২৫৭, ২৪৯৫, ২৪৯৬, ২৯৭৬, মুসলিম ২২/২৮, হাঃ ১৬০৮, আহমাদ ১৪৩৪৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمود، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا معمر، عن الزهري، عن ابي سلمة، عن جابر رضى الله عنه جعل رسول الله صلى الله عليه وسلم الشفعة في كل مال لم يقسم، فاذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সম্পত্তির ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়নি, তার মধ্যে শুফ‘আ লাভের ফায়সালা প্রদান করেছেন। তারপর যখন সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায় এবং স্বতন্ত্র করা হয় তখন আর শু‘ফআ এর অধিকার থাকবে না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৭২) মুসাদ্দাদ (রহ.) ....... আবদুল ওয়াহিদ (রহ.) হতে এটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, যে সম্পদ ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়নি (তাতে শু‘ফআ)। হিশাম (রহ.) মা‘মর (রহ.) হতে হাদীস বর্ণনায় মুসাদ্দাদের অনুসরণ করেছেন। আবদুর রাযযাক (রহ.) বলেছেন, যে সম্পদ ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়নি, সে সব সম্পদেই (শুফ‘আ রয়েছে)। হাদীসটি আবদুর রহমান ইবনু ইসহাক (রহ.) যুহরী (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন। (২২১৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن محبوب، حدثنا عبد الواحد، حدثنا معمر، عن الزهري، عن ابي سلمة بن عبد الرحمن، عن جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال قضى النبي صلى الله عليه وسلم بالشفعة في كل مال لم يقسم، فاذا وقعت الحدود وصرفت الطرق فلا شفعة
حدثنا مسدد، حدثنا عبد الواحد، بهذا وقال في كل ما لم يقسم. تابعه هشام عن معمر. قال عبد الرزاق في كل مال. رواه عبد الرحمن بن اسحاق عن الزهري
ইবনু ‘উমার (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা তিন ব্যক্তি হেঁটে চলছিল। এমন সময় প্রবল বৃষ্টি শুরু হলে তারা এক পাহাড়ের গুহায় প্রবেশ করে। হঠাৎ একটি পাথর গড়িয়ে তাদের গুহার মুখ বন্ধ করে দেয়। তাদের একজন আরেকজনকে বলল; তোমরা যে সব ‘আমল করেছ, তার মধ্যে উত্তম আমলের ওয়াসীলা করে আল্লাহর কাছে দু‘আ কর। তাদের একজন বলল, ইয়া আল্লাহ! আমার অতিবৃদ্ধ পিতামাতা ছিলেন, আমি (প্রত্যহ সকালে) মেষ চরাতে বের হতাম। তারপর ফিরে এসে দুধ দোহন করতাম এবং এ দুধ নিয়ে আমার পিতা-মাতার নিকট উপস্থিত হতাম ও তাঁরা তা পান করতেন। তারপরে আমি শিশুদের, পরিজনদের এবং স্ত্রীকে পান করতে দিতাম। একরাত্রে আমি আটকা পড়ে যাই। তারপর আমি যখন এলাম তখন তাঁরা দু’জনে ঘুমিয়ে পড়েছেন। সে বলল, আমি তাদের জাগানো পছন্দ করলাম না। আর তখন শিশুরা আমার পায়ের কাছে (ক্ষুধায়) চীৎকার করছিল। এ অবস্থায়ই আমার এবং পিতা-মাতার ফজর হয়ে গেল। ইয়া আল্লাহ! তুমি যদি জান তা আমি শুধুমাত্র তোমার সন্তুষ্টি লাভের আশায় করেছিলাম তা হলে তুমি আমাদের গুহার মুখ এতটুকু ফাঁক করে দাও, যাতে আমরা আকাশ দেখতে পারি। বর্ণনাকারী বলেন, তখন একটু ফাঁকা হয়ে গেল। আরেকজন বলল, ইয়া আল্লাহ! তুমি জান যে, আমি আমার এক চাচাতো বোনকে এত ভালবাসতাম, যা একজন পুরুষ নারীকে ভালবেসে থাকে। সে বলল, তুমি আমা হতে সে মনস্কামনা সিদ্ধ করতে পারবে না, যতক্ষণ আমাকে একশত দ্বীনার না দেবে। আমি চেষ্টা করে তা সংগ্রহ করি। তারপর যখন আমি তার পদদ্বয়ের মাঝে উপবেশন করি, তখন সে বলে ‘‘আল্লাহকে ভয় কর’’। বৈধ অধিকার ছাড়া মাহরকৃত বস্তুর সীল ভাঙবে না। এতে আমি তাকে ছেড়ে উঠে পড়ি। (হে আল্লাহ) তুমি যদি জান আমি তা তোমারই সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশে করেছি, তবে আমাদের হতে আরো একটু ফাঁক করে দাও। তখন তাদের হতে (গুহার মুখের) দুই-তৃতীয়াংশ ফাঁক হয়ে গেল। অপরজন বলল, হে আল্লাহ! তুমি জান যে, এক ফারাক (পরিমাণ) শস্য দানার বিনিময়ে আমি একজন মজুর রেখেছিলাম। আমি তাকে তা দিতে গেলে সে তা গ্রহণ করতে অস্বীকার করল। তারপর আমি সে এক ফারাক শস্য দানা দিয়ে চাষ করে ফসল উৎপন্ন করি এবং তা দিয়ে গরু ক্রয় করি এবং রাখাল নিযুক্ত করি। কিছুকাল পরে সে মজুর এসে বলল, হে আল্লাহর বান্দা! আমাকে আমার পাওনা দিয়ে দাও। আমি বললাম, এই গরুগুলো ও রাখাল নিয়ে যাও। সে বলল, তুমি কি আমার সাথে উপহাস করছ? আমি বললাম, আমি তোমার সাথে উপহাস করছি না বরং এসব তোমার। হে আল্লাহ! তুমি যদি জান আমি তা তোমারই সন্তুষ্টির উদ্দেশে করেছি, তবে আমাদের হতে (গুহার মুখ) উন্মুক্ত করে দাও। তখন তাদের হতে গুহার মুখ উন্মুক্ত হয়ে গেল। (২২৭২, ২৩৩৩, ২৪৬৫, ৫৯৭৪, মুসলিম ৪৮/২৭, হাঃ ২৭৪৩, আহমাদ ৫৯৮১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابو عاصم، اخبرنا ابن جريج، قال اخبرني موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " خرج ثلاثة يمشون فاصابهم المطر، فدخلوا في غار في جبل، فانحطت عليهم صخرة. قال فقال بعضهم لبعض ادعوا الله بافضل عمل عملتموه. فقال احدهم اللهم، اني كان لي ابوان شيخان كبيران، فكنت اخرج فارعى، ثم اجيء فاحلب، فاجيء بالحلاب فاتي به ابوى فيشربان، ثم اسقي الصبية واهلي وامراتي، فاحتبست ليلة. فجيت فاذا هما نايمان قال فكرهت ان اوقظهما، والصبية يتضاغون عند رجلى، فلم يزل ذلك دابي ودابهما، حتى طلع الفجر اللهم ان كنت تعلم اني فعلت ذلك ابتغاء وجهك فافرج عنا فرجة نرى منها السماء. قال ففرج عنهم. وقال الاخر اللهم ان كنت تعلم اني كنت احب امراة من بنات عمي كاشد ما يحب الرجل النساء، فقالت لا تنال ذلك منها حتى تعطيها ماية دينار. فسعيت فيها حتى جمعتها، فلما قعدت بين رجليها قالت اتق الله، ولا تفض الخاتم الا بحقه. فقمت وتركتها، فان كنت تعلم اني فعلت ذلك ابتغاء وجهك فافرج عنا فرجة، قال ففرج عنهم الثلثين. وقال الاخر اللهم ان كنت تعلم اني استاجرت اجيرا بفرق من ذرة فاعطيته، وابى ذاك ان ياخذ، فعمدت الى ذلك الفرق، فزرعته حتى اشتريت منه بقرا وراعيها، ثم جاء فقال يا عبد الله اعطني حقي. فقلت انطلق الى تلك البقر وراعيها، فانها لك. فقال اتستهزي بي. قال فقلت ما استهزي بك ولكنها لك. اللهم ان كنت تعلم اني فعلت ذلك ابتغاء وجهك فافرج عنا. فكشف عنهم
আবদুর রহমান ইবনু আবূ বাকর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে ছিলাম। সে সময়ে এলোমেলো লম্বা লম্বা চুল বিশিষ্ট এক মুশরিক ব্যক্তি তার বকরী হাঁকিয়ে উপস্থিত হলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেন, এটা কি বিক্রির জন্য, না দান হিসেবে, অথবা তিনি বললেন, না হেবা হিসেবে? সে বলল, বিক্রির জন্য। তখন তিনি তার নিকট হতে একটি বকরী কিনে নিলেন। (২৬১৮, ৫৩৮২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৫৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو النعمان، حدثنا معتمر بن سليمان، عن ابيه، عن ابي عثمان، عن عبد الرحمن بن ابي بكر رضى الله عنهما قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم ثم جاء رجل مشرك مشعان طويل بغنم يسوقها فقال النبي صلى الله عليه وسلم " بيعا ام عطية او قال ام هبة ". قال لا بل بيع. فاشترى منه شاة
وَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِسَلْمَانَ كَاتِبْ وَكَانَ حُرًّا فَظَلَمُوهُ وَبَاعُوهُ وَسُبِيَ عَمَّارٌ وَصُهَيْبٌ وَبِلاَلٌ وَقَالَ اللهُ تَعَالَى ( وَاللهُ فَضَّلَ بَعْضَكُمْ عَلَى بَعْضٍ فِي الرِّزْقِ فَمَا الَّذِينَ فُضِّلُوا بِرَادِّي رِزْقِهِمْ عَلَى مَا مَلَكَتْ أَيْمَانُهُمْ فَهُمْ فِيهِ سَوَاءٌ أَفَبِنِعْمَةِ اللهِ يَجْحَدُونَ ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালমান [ফারসী (রা.)]-কে বলেন, (তোমার মনিবের সঙ্গে) মুক্তির জন্য চুক্তি কর। সালমান (রাঃ) আসলে স্বাধীন ছিলেন, লোকেরা তাকে অন্যায়ভাবে দাস বানিয়ে বিক্রি করে দেয়। আম্মার, সুহাইব ও বিলাল (রাঃ)-কে বন্দী করে দাস বানানো হয়েছিল। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘‘আল্লাহ জীবনোপকরণে তোমাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। যাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দেয়া হয়েছে, তারা তাদের অধীনস্থ দাস-দাসীদেরকে নিজেদের জীবনোপকরণ হতে এমন কিছু দেয় না, যাতে ওরা এ বিষয়ে তাদের সমান হয়ে যায়, তবে কি ওরা আল্লাহর অনুগ্রহ অস্বীকার করে?’’ (আন্-নাহালঃ ৭১) ২২১৭. আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইবরাহীম (আঃ) সারাকে সঙ্গে নিয়ে হিজরত করলেন এবং এমন এক জনপদে প্রবেশ করলেন, যেখানে এক বাদশাহ ছিল, অথবা বললেন, এক অত্যাচারী শাসক ছিল। তাকে বলা হলো যে, ইবরাহীম (নামক এক ব্যক্তি) এক পরমা সুন্দরী নারীকে নিয়ে (আমাদের এখানে) প্রবেশ করেছে। সে তখন তাঁর নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞেস করল, হে ইবরাহীম, তোমার সঙ্গে এ নারী কে? তিনি বললেন, আমার বোন। অতঃপর তিনি সারার নিকট ফিরে এসে বললেন, তুমি আমার কথা মিথ্যা মনে করো না। আমি তাদেরকে বলেছি যে, তুমি আমার বোন। আল্লাহর শপথ! দুনিয়াতে (এখন) তুমি আর আমি ব্যতীত আর কেউ মু’মিন নেই। সুতরাং আমি ও তুমি দ্বীনী ভাই বোন। এরপর ইবরাহীম (আঃ) (বাদশাহর নির্দেশে) সারাকে বাদশাহর নিকট পাঠিয়ে দিলেন। বাদশাহ তাঁর দিকে অগ্রসর হল। সারা উযূ করে সালাত আদায়ে দাঁড়িয়ে গেলেন এবং এ দু‘আ করলেন, হে আল্লাহ! আমিও তোমার উপর এবং তোমার রাসূলের উপর ঈমান এনেছি এবং আমার স্বামী ব্যতীত সকল হতে আমার লজ্জাস্থানের সংরক্ষণ করেছি। তুমি এই কাফিরকে আমার উপর ক্ষমতা দিও না। তখন বাদশাহ বেহুঁশ হয়ে পড়ে মাটিতে পায়ের আঘাত করতে লাগলো। তখন সারা বললেন, আয় আল্লাহ! এ যদি মারা যায় তবে লোকে বলবে, স্ত্রীলোকটি একে হত্যা করেছে। তখন সে সংজ্ঞা ফিরে পেল। এভাবে দু’বার বা তিনবারের পর বাদশাহ বলল, আল্লাহর শপথ! তোমরা তো আমার নিকট এক শয়তানকে পাঠিয়েছ। একে ইবরাহীমের নিকট ফিরিয়ে দাও এবং তার জন্য হাজেরাকে হাদিয়া স্বরূপ দান কর। সারাহ (রাযি.) ইবরাহীম (আঃ)-এর নিকট ফিরে এসে বললেন, আপনি জানেন কি, আল্লাহ তা‘আলা কাফিরকে লজ্জিত ও নিরাশ করেছেন এবং সে এক বাঁদী হাদিয়া হিসেবে দিয়েছে। (২৬৩৫, ২৩৫৭, ২৩৫৮, ৫০৮৪, ৬৯৫০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، حدثنا ابو الزناد، عن الاعرج، عن ابي هريرة رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " هاجر ابراهيم عليه السلام بسارة، فدخل بها قرية فيها ملك من الملوك، او جبار من الجبابرة، فقيل دخل ابراهيم بامراة، هي من احسن النساء. فارسل اليه ان يا ابراهيم، من هذه التي معك قال اختي. ثم رجع اليها، فقال لا تكذبي حديثي فاني اخبرتهم انك اختي، والله ان على الارض مومن غيري وغيرك. فارسل بها اليه، فقام اليها، فقامت توضا وتصلي فقالت اللهم ان كنت امنت بك وبرسولك واحصنت فرجي، الا على زوجي فلا تسلط على الكافر. فغط حتى ركض برجله ". قال الاعرج قال ابو سلمة بن عبد الرحمن ان ابا هريرة قال قالت اللهم ان يمت يقال هي قتلته. فارسل ثم قام اليها، فقامت توضا تصلي، وتقول اللهم ان كنت امنت بك وبرسولك، واحصنت فرجي، الا على زوجي، فلا تسلط على هذا الكافر، فغط حتى ركض برجله. قال عبد الرحمن قال ابو سلمة قال ابو هريرة فقالت اللهم ان يمت فيقال هي قتلته، فارسل في الثانية، او في الثالثة، فقال والله ما ارسلتم الى الا شيطانا، ارجعوها الى ابراهيم، واعطوها اجر. فرجعت الى ابراهيم عليه السلام فقالت اشعرت ان الله كبت الكافر واخدم وليدة
‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস ও ‘আব্দ ইবনু যাম্‘আ উভয়ে এক বালকের ব্যাপারে বিতর্ক করেন। সা‘দ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! এতো আমার ভাই উৎবা উবনু আবী ওয়াক্কাসের পুত্র। সে তার পুত্র হিসাবে আমাকে ওয়াসিয়্যত করে গেছে। আপনি ওর সাদৃশ্যের প্রতি লক্ষ্য করুন। ‘আব্দ ইবনু যাম‘আ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ আমার ভাই, আমার পিতার দাসীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করে। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার চেহারার দিকে তাকিয়ে দেখতে পেলেন যে, উত্বার সাথে তার পরিষ্কার সাদৃশ্য রয়েছে। তিনি বললেন, এ ছেলেটি তুমি পাবে, হে আব্দ ইবনু যাম‘আ! বিছানা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারীর জন্য রয়েছে বঞ্চনা। হে সাওদাহ বিনতু যাম‘আ! তুমি এর হতে পর্দা কর। ফলে সাওদাহ (রাঃ) কখনও তাকে দেখেননি। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن عروة، عن عايشة رضى الله عنها انها قالت اختصم سعد بن ابي وقاص وعبد بن زمعة في غلام، فقال سعد هذا يا رسول الله ابن اخي عتبة بن ابي وقاص، عهد الى انه ابنه، انظر الى شبهه. وقال عبد بن زمعة هذا اخي يا رسول الله ولد على فراش ابي من وليدته. فنظر رسول الله صلى الله عليه وسلم الى شبهه، فراى شبها بينا بعتبة، فقال " هو لك يا عبد، الولد للفراش وللعاهر الحجر واحتجبي منه يا سودة بنت زمعة ". فلم تره سودة قط
‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি সুহাইব (রাঃ)-কে বলেন, আল্লাহ্কে ভয় কর। তুমি নিজ পিতা ছাড়া অন্যকে নিজের পিতা বলে দাবী করো না। এর উত্তরে সুহাইব (রাঃ) বলেন, আমি এতে আনন্দবোধ করব না যে, এত এত সম্পদ হোক আর আমি আমার পিতৃত্বের দাবী অন্যের প্রতি আরোপ করি, বরং (আসল ব্যাপার) আমাকে শৈশবে চুরি করে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن بشار، حدثنا غندر، حدثنا شعبة، عن سعد، عن ابيه، قال عبد الرحمن بن عوف رضى الله عنه لصهيب اتق الله ولا تدع الى غير ابيك. فقال صهيب ما يسرني ان لي كذا وكذا، واني قلت ذلك، ولكني سرقت وانا صبي
হাকীম ইবনু হিযাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি বলুন, আমি জাহিলিয়্যা যুগে দান, খায়রাত, গোলাম আযাদ ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে সদ্ব্যবহার ইত্যাদি যে সব নেকীর কাজ করেছি, এতে কি আমি সাওয়াব পাব? হাকীম (রাঃ) বলেন, রাসূলল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, অতীতের সৎকর্মসহ তুমি ইসলাম গ্রহণ করেছ অর্থাৎ তুমি যে সব নেকী করেছ, তার সম্পূর্ণ পুণ্য অর্জন করবে। (১৪৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو اليمان، اخبرنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني عروة بن الزبير، ان حكيم بن حزام، اخبره انه، قال يا رسول الله، ارايت امورا كنت اتحنث او اتحنت بها في الجاهلية من صلة وعتاقة وصدقة، هل لي فيها اجر قال حكيم رضى الله عنه قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اسلمت على ما سلف لك من خير
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একবার) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক মৃত বকরীর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, তোমরা এর চামড়া কাজে লাগাও না কেন? তারা বললেন, এতো মৃত। তিনি বললেন, শুধু তার গোশত খাওয়া হারাম করা হয়েছে। (১৪৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا زهير بن حرب، حدثنا يعقوب بن ابراهيم، حدثنا ابي، عن صالح، قال حدثني ابن شهاب، ان عبيد الله بن عبد الله، اخبره ان عبد الله بن عباس رضى الله عنهما اخبره ان رسول الله صلى الله عليه وسلم مر بشاة ميتة فقال " هلا استمتعتم باهابها ". قالوا انها ميتة. قال " انما حرم اكلها
وَقَالَ جَابِرٌ حَرَّمَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم بَيْعَ الْخِنْزِيرِ জাবির (রাঃ) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শূকর বিক্রয় হারাম করেছেন। ২২২২. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, শপথ সেই সত্তার, যাঁর হাতে আমার প্রাণ। অচিরেই তোমাদের মাঝে ন্যায় বিচারকরূপে মারইয়ামের পুত্র [ঈসা (আ.)] অবতরণ করবেন। তারপর তিনি ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শূকর হত্যা করবেন, জিয্য়া রহিত করবেন এবং ধন-সম্পদের এরূপ প্রাচুর্য হবে যে, কেউ তা গ্রহণ করবে না। (২৪৭৬, ৩৪৪৮, ৩৪৪৯, মুসলিম ১/৭১, হাঃ ১৫৫, আহমাদ ৭৬৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن ابن شهاب، عن ابن المسيب، انه سمع ابا هريرة رضى الله عنه يقول قال رسول الله صلى الله عليه وسلم " والذي نفسي بيده ليوشكن ان ينزل فيكم ابن مريم حكما مقسطا فيكسر الصليب، ويقتل الخنزير، ويضع الجزية، ويفيض المال حتى لا يقبله احد
رَوَاهُ جَابِرٌ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم জাবির (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে তা বর্ণনা করেছেন। ২২২৩. ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট সংবাদ পৌঁছল যে, অমুক ব্যক্তি শরাব বিক্রি করেছে। তিনি বললেন, আল্লাহ তা‘আলা অমুকের বিনাশ করুন। সে কি জানে না যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা ইয়াহূদীদের সর্বনাশ করুন, তাদের জন্য চর্বি হারাম করা হয়েছিল; কিন্তু তারা তা গলিয়ে বিক্রি করে। (৩৪৬০, মুসলিম ২২/১৩, হাঃ ১৫৮২, আহমাদ ১৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا الحميدي، حدثنا سفيان، حدثنا عمرو بن دينار، قال اخبرني طاوس، انه سمع ابن عباس رضى الله عنهما يقول بلغ عمر ان فلانا باع خمرا فقال قاتل الله فلانا، الم يعلم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قاتل الله اليهود، حرمت عليهم الشحوم فجملوها فباعوها
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা ইয়াহূদীদের বিনাশ করুন। তাদের জন্য চর্বি হারাম করা হয়েছে। তারা তা (গলিয়ে) বিক্রি করে তার মূল্য ভোগ করে। (মুসলিম ২২/১৩, হাঃ ১৫৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৮৩) আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহ.) বলেন ( قَاتَلَهُمْ اللهُ ) এর অর্থ আল্লাহ তাদের বিনাশ করুন( قُتِلَ ) অর্থ বিনাশ করা গেল ( الْخَرَّاصُونَ ) এর অর্থ মিথ্যাবাদী।
حدثنا عبدان، اخبرنا عبد الله، اخبرنا يونس، عن ابن شهاب، سمعت سعيد بن المسيب، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " قاتل الله يهودا حرمت عليهم الشحوم فباعوها، واكلوا اثمانها ". قال ابو عبد الله قاتلهم الله لعنهم قتل لعن الخراصون الكذابون
সা‘ঈদ ইবনু আবুল হাসান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম, এমন সময়ে তাঁর কাছে এক ব্যক্তি এসে বলল, হে আবূ আববস! আমি এমন ব্যক্তি যে, আমার জীবিকা হস্তশিল্পে। আমি এসব ছবি তৈরী করি। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) তাঁকে বলেন, (এ বিষয়ে) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে আমি যা বলতে শুনেছি, তাই তোমাকে শোনাব। তাঁকে আমি বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি কোন ছবি তৈরী করে আল্লাহ তা‘আলা তাকে শাস্তি দিবেন, যতক্ষণ না সে তাতে প্রাণ সঞ্চার করে। আর সে তাতে কখনো প্রাণ সঞ্চার করতে পারবে না। (এ কথা শুনে) লোকটি ভীষণভাবে ভয় পেয়ে গেল এবং তার চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে গেল। এতে ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বললেন, আক্ষেপ তোমার জন্য, তুমি যদি এ কাজ না-ই ছাড়তে পার, তবে এ গাছপালা এবং যে সকল জিনিসে প্রাণ নেই, তা তৈরী করতে পার। আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহ.) বলেন, সা‘ঈদ (রাঃ) বলেছেন, আমি নযর ইবনু আনাস (রাঃ) হতে শুনেছি তিনি বলেছেন, ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হাদীস বর্ণনা করার সময় আমি তার কাছে ছিলাম। ইমাম বুখারী (রহ.) আরো বলেন, সা‘ঈদ ইবনু আবূ আরুবাহ (রহ.) একমাত্র এ হাদীসটি নযর ইবনু আনাস (রহ.) হতে শুনেছেন। (৫৯৬৩, ৭০৪২, মুসলিম ৩৭/২৬, হাঃ ২১১০, আহমাদ ২১৬২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৬৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، حدثنا يزيد بن زريع، اخبرنا عوف، عن سعيد بن ابي الحسن، قال كنت عند ابن عباس رضى الله عنهما اذ اتاه رجل فقال يا ابا عباس اني انسان، انما معيشتي من صنعة يدي، واني اصنع هذه التصاوير. فقال ابن عباس لا احدثك الا ما سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول سمعته يقول " من صور صورة فان الله معذبه، حتى ينفخ فيها الروح، وليس بنافخ فيها ابدا ". فربا الرجل ربوة شديدة واصفر وجهه. فقال ويحك ان ابيت الا ان تصنع، فعليك بهذا الشجر، كل شىء ليس فيه روح. قال ابو عبد الله سمع سعيد بن ابي عروبة من النضر بن انس هذا الواحد