Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৯২ হাদিসসমূহ
(وَأَحَلَّ اللهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَا ) وَقَوْلُهُ ( إِلاَّ أَنْ تَكُونَ تِجَارَةً حَاضِرَةً تُدِيرُونَهَا بَيْنَكُمْ ) এবং আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ আল্লাহ বেচা-কেনাকে বৈধ এবং সুদকে অবৈধ করেছেন- (আল-বাকারা ২৭৫)। এবং আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ কিন্তু তোমরা পরস্পর যে ব্যবসায় নগদ আদান-প্রদান কর.......... (আল-বাকারা ২৮২)। (فَإِذَا قُضِيَتْ الصَّلاَةُ فَانْتَشِرُوا فِي الأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللهِ وَاذْكُرُوا اللهَ كَثِيرًا لَعَلَّكُمْ تُفْلِحُونَ وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا وَتَرَكُوكَ قَائِمًا قُلْ مَا عِنْدَ اللهِ خَيْرٌ مِنْ اللَّهْوِ وَمِنْ التِّجَارَةِ وَاللهُ خَيْرُ الرَّازِقِينَ) وَقَوْلِهِ (لاَ تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ إِلاَّ أَنْ تَكُونَ تِجَارَةً عَنْ تَرَاضٍ مِنْكُمْ) ‘‘সালাত শেষ হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ অনুসন্ধান করবে ও আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণ করবে যাতে তোমরা সফলতা লাভ করতে পার। যখন তারা দেখল ব্যবসায় কৌতুক তখন তারা আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল। বলুন, আল্লাহর নিকট যা আছে, তা ক্রীড়া-কৌতুক ও ব্যবসা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট। আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা।’’ (জুমু‘আহ : ১০) আর আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা পরস্পর পরস্পরের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না। কিন্তু তোমাদের পরস্পর সন্তুষ্টচিত্তে ব্যবসা করা বৈধ।’’ (আন্-নিসাঃ ২৯) ২০৪৭. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমরা বলে থাক, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বেশি বেশি হাদীস বর্ণনা করে থাকে এবং আরো বলেন, মুহাজির ও আনসারদের কী হলো যে, তারা তো আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর হাদীস বর্ণনা করে না? আমার মুহাজির ভাইয়েরা বাজারে ক্রয়-বিক্রয়ে ব্যস্ত থাকত আর আমি কোন প্রকারে আমার পেটের চাহিদা মিটিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকটে পড়ে থাকতাম। তাঁরা যখন অনুপস্থিত থাকত আমি তখন উপস্থিত থাকতাম। তাঁরা যা ভুলে যেত আমি তা মুখস্থ করতাম। আর আমার আনসার ভাইয়েরা নিজেদের ক্ষেত-খামারের কাজে ব্যস্ত থাকতেন। আমি ছিলাম সুফ্ফার মিসকীনদের একজন মিসকীন। তাঁরা যা ভুলে যেতো, আমি তা মুখস্থ রাখতাম। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক বর্ণনায় বললেন, আমার এ কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যে কেউ তার কাপড় বিছিয়ে দিবে এবং পরে নিজের শরীরের সাথে তার কাপড় জড়িয়ে নেবে, আমি যা বলছি সে তা স্মরণ রাখতে পারবে। [আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) বলেন] আমি আমার গায়ের চাদরখানা বিছিয়ে দিলাম যতক্ষণ না আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর কথা শেষ করলেন, পরে আমি তা আমার বুকের সাথে জড়িয়ে ধরলাম। ফলে আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সে কথার কিছুই ভুলে যাইনি। (১১৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯০৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯১৯) [২০৪৭ নং হাদীস থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ চতুর্থ খন্ড মার্চ ২০০৩ সংস্করণ অবলম্বনে করা হয়েছে]
حدثنا ابو اليمان، حدثنا شعيب، عن الزهري، قال اخبرني سعيد بن المسيب، وابو سلمة بن عبد الرحمن ان ابا هريرة رضى الله عنه قال انكم تقولون ان ابا هريرة يكثر الحديث عن رسول الله صلى الله عليه وسلم. وتقولون ما بال المهاجرين والانصار لا يحدثون عن رسول الله صلى الله عليه وسلم بمثل حديث ابي هريرة وان اخوتي من المهاجرين كان يشغلهم صفق بالاسواق، وكنت الزم رسول الله صلى الله عليه وسلم على ملء بطني، فاشهد اذا غابوا واحفظ اذا نسوا، وكان يشغل اخوتي من الانصار عمل اموالهم، وكنت امرا مسكينا من مساكين الصفة اعي حين ينسون، وقد قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في حديث يحدثه " انه لن يبسط احد ثوبه حتى اقضي مقالتي هذه، ثم يجمع اليه ثوبه الا وعى ما اقول ". فبسطت نمرة على، حتى اذا قضى رسول الله صلى الله عليه وسلم مقالته جمعتها الى صدري، فما نسيت من مقالة رسول الله صلى الله عليه وسلم تلك من شىء
‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা যখন মদ্বীনায় আসি, তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার এবং সা‘দ ইবনু রাবী‘ (রাঃ)-এর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন সৃষ্টি করে দেন। পরে সা‘দ ইবনু রাবী‘ বললেন, আমি আনসারদের মধ্যে অধিক ধনাঢ্য ছিলাম। আমার অর্ধেক সম্পত্তি তোমাকে বণ্টন করে দিচ্ছি এবং আমার উভয় স্ত্রীকে দেখে যাকে তোমার পছন্দ হয়, বল আমি তাকে তোমার জন্য পরিত্যাগ করব। যখন সে (ইদ্দত পূর্ণ করবে) তখন তুমি বিবাহ করবে। আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন, এ সবে আমার কোন প্রয়োজন নেই। বরং (আপনি বলুন) ব্যবসা-বাণিজ্য করার মতো কোন বাজার আছে কি? তিনি বললেন, কায়নুকার বাজার আছে। পরদিন ‘আবদুর রহমান (রাঃ) সে বাজারে গিয়ে পনীর ও ঘি (খরিদ করে) নিয়ে আসলেন। এরপর ক্রমাগত যাওয়া-আসা করতে থাকেন। কিছুকাল পরে ‘আবদুর রহমান (রাঃ)-এর কাপড়ে বিয়ের হলুদ রঙের চিহ্ন দেখা গেল। এরপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি বিবাহ করেছ? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, সে কে? তিনি বললেন, জনৈকা আনসারী মহিলা। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, কী পরিমাণ মাহর দিয়েছ? ‘আবদুর রহমান (রাঃ) বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেন, একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর। (৩৭৮০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯০৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد العزيز بن عبد الله، حدثنا ابراهيم بن سعد، عن ابيه، عن جده، قال قال عبد الرحمن بن عوف رضى الله عنه لما قدمنا المدينة اخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بيني وبين سعد بن الربيع فقال سعد بن الربيع اني اكثر الانصار مالا، فاقسم لك نصف مالي، وانظر اى زوجتى هويت نزلت لك عنها، فاذا حلت تزوجتها. قال فقال عبد الرحمن لا حاجة لي في ذلك، هل من سوق فيه تجارة قال سوق قينقاع. قال فغدا اليه عبد الرحمن، فاتى باقط وسمن قال ثم تابع الغدو، فما لبث ان جاء عبد الرحمن عليه اثر صفرة، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " تزوجت ". قال نعم. قال " ومن ". قال امراة من الانصار. قال " كم سقت ". قال زنة نواة من ذهب او نواة من ذهب. فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " اولم ولو بشاة
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ‘আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রাঃ) মদ্বীনায় আগমন করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ও সা‘দ ইবনু রাবী‘ আনসারীর মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন করে দেন। সা‘দ (রাঃ) ধনী ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ‘আবদুর রহমান (রাঃ)-কে বললেন, আমি তোমার উদ্দেশে আমার সম্পত্তি অর্ধেক অর্ধেক ভাগ করে নিতে চাই এবং তোমাকে বিবাহ করিয়ে দিতে চাই। তিনি বলেন, আল্লাহ তা‘আলা তোমার পরিবার ও সম্পদে বরকত দান করুন। আমাকে বাজার দেখিয়ে দাও। তিনি বাজার হতে মুনাফা করে নিয়ে আসলেন পনীর ও ঘি। এভাবে কিছুকাল কাটালেন। একদিন তিনি এভাবে আসলেন যে, তাঁর গায়ে বিয়ের হলুদ রংয়ের চিহ্ন লেগে আছে। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কী ব্যাপার? তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি জনৈকা আনসারী মহিলাকে বিবাহ করেছি। তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ] জিজ্ঞেস করলেন, তুমি তাকে কী দিয়েছ? তিনি বললেন, খেজুরের এক আঁটি পরিমাণ স্বর্ণ। তিনি [নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ] বললেন, একটি বকরী দিয়ে হলেও ওয়ালীমা কর। (২২৯৩, ৩৭৮১, ২৯৩৭, ৫০৭২, ৫১৪৮, ৫১৫৩, ৫১৫৫, ৫১৬৭, ৬০৮২, ৬৩৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯০৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا احمد بن يونس، حدثنا زهير، حدثنا حميد، عن انس رضى الله عنه قال قدم عبد الرحمن بن عوف المدينة فاخى النبي صلى الله عليه وسلم بينه وبين سعد بن الربيع الانصاري، وكان سعد ذا غنى، فقال لعبد الرحمن اقاسمك مالي نصفين، وازوجك. قال بارك الله لك في اهلك ومالك، دلوني على السوق. فما رجع حتى استفضل اقطا وسمنا، فاتى به اهل منزله، فمكثنا يسيرا او ما شاء الله فجاء وعليه وضر من صفرة، فقال له النبي صلى الله عليه وسلم " مهيم ". قال يا رسول الله تزوجت امراة من الانصار. قال " ما سقت اليها ". قال نواة من ذهب، او وزن نواة من ذهب. قال " اولم ولو بشاة
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, উকায, মাজিন্না ও যুল-মাজায জাহিলীয়্যাতের যুগে বাজার ছিল। ইসলামের আগমনের পরে লোকেরা ঐ সমস্ত বাজারে যেতে গুনাহ মনে করতে লাগল। ফলে অবতীর্ণ হলঃ ‘‘তোমাদের প্রভুর অনুগ্রহ তালাশে তোমাদের কোন গুনাহ নেই’’- (আল-বাকারা ১৯৮)। ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) (আয়াতের সঙ্গে) হাজ্জের মওসুমে কথাটুকুও পড়লেন। (১৭৭০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯০৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا سفيان، عن عمرو، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال كانت عكاظ ومجنة وذو المجاز اسواقا في الجاهلية، فلما كان الاسلام فكانهم تاثموا فيه فنزلت {ليس عليكم جناح ان تبتغوا فضلا من ربكم } في مواسم الحج، قراها ابن عباس
নু‘মান ইবনু বাশীর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হালাল সুস্পষ্ট এবং হারামও সুস্পষ্ট, উভয়ের মাঝে বহু অস্পষ্ট বিষয় রয়েছে। যে ব্যক্তি গুনাহের সন্দেহযুক্ত কাজ পরিত্যাগ করে, সে ব্যক্তি যে বিষয়ে গুনাহ হওয়া সুস্পষ্ট, সে বিষয়ে অধিকতর পরিত্যাগকারী হবে। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি গুনাহের সন্দেহযুক্ত কাজ করতে দুঃসাহস করে, সে ব্যক্তির সুস্পষ্ট গুনাহের কাজে পতিত হবার যথেষ্ট আশঙ্কা রয়েছে। গুনাহসমূহ আল্লাহর সংরক্ষিত এলাকা, যে জানোয়ার সংরক্ষিত এলাকার চার পাশে চরতে থাকে, তার ঐ সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করার সম্ভাবনা রয়েছে। (৫২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯০৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد بن المثنى، حدثنا ابن ابي عدي، عن ابن عون، عن الشعبي، سمعت النعمان بن بشير رضى الله عنه سمعت النبي صلى الله عليه وسلم. حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا ابن عيينة، عن ابي فروة، عن الشعبي، قال سمعت النعمان، عن النبي صلى الله عليه وسلم. حدثنا عبد الله بن محمد، حدثنا ابن عيينة، عن ابي فروة، سمعت الشعبي، سمعت النعمان بن بشير رضى الله عنهما عن النبي صلى الله عليه وسلم. حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، عن ابي فروة، عن الشعبي، عن النعمان بن بشير رضى الله عنه قال قال النبي صلى الله عليه وسلم " الحلال بين، والحرام بين وبينهما امور مشتبهة، فمن ترك ما شبه عليه من الاثم كان لما استبان اترك، ومن اجترا على ما يشك فيه من الاثم اوشك ان يواقع ما استبان، والمعاصي حمى الله، من يرتع حول الحمى يوشك ان يواقعه
وَقَالَ حَسَّانُ بْنُ أَبِي سِنَانٍ مَا رَأَيْتُ شَيْئًا أَهْوَنَ مِنْ الْوَرَعِ دَعْ مَا يَرِيبُكَ إِلَى مَا لاَ يَرِيبُكَ হাসসান ইবনু আবূ সিনান (রহ.) বলেন, আমি পরহেযগারী হতে বেশী সহজ কাজ দেখতে পাইনি। (তা হলো) যা তোমার কাছে সন্দেহযুক্ত মনে হয়, তা পরিত্যাগ করে সন্দেহমুক্ত কাজ কর। ২০৫২. উকবা ইবনু হারিস (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, একজন কালো মেয়েলোক এসে দাবী করলো যে, সে তাদের উভয় (উকবা ও তার স্ত্রী-কে দুধপান করিয়েছে। তিনি এ কথা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বর্ণনা করলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হতে মুখ ফিরিয়ে নিলেন এবং মুচকি হেসে বললেন, কিভাবে? অথচ এমনটি বলা হয়ে গেছে। তাঁর স্ত্রী ছিলেন আবূ ইহাব তামীমীর মেয়ে। (৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯০৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن كثير، اخبرنا سفيان، اخبرنا عبد الله بن عبد الرحمن بن ابي حسين، حدثنا عبد الله بن ابي مليكة، عن عقبة بن الحارث رضى الله عنه ان امراة، سوداء جاءت، فزعمت انها ارضعتهما، فذكر للنبي فاعرض عنه، وتبسم النبي صلى الله عليه وسلم. قال " كيف وقد قيل ". وقد كانت تحته ابنة ابي اهاب التميمي
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উতবা ইবনু আবূ ওয়াক্কাস তার ভাই সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-কে ওয়াসীয়াত করে যান যে, যাম‘আর বাঁদীর গর্ভস্থিত পুত্র আমার ঔরসজাত; তুমি তাকে (ভ্রাতুষ্পুত্র রূপে) তোমার অধীনে নিয়ে আসবে। ‘আয়িশাহ (রাযি.) বলেন, মক্কা বিজয়ের কালে ঐ ছেলেটিকে সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) নিয়ে নিলেন এবং বললেন, এ আমার ভাইয়ের পুত্র। তিনি আমাকে এর সম্পর্কে ওয়াসীয়াত করে গেছেন। এদিকে যাম‘আর পুত্র ‘আব্দ দাবী করে যে, এ আমার ভাই, আমার পিতার বাঁদীর পুত্র।। তার শয্যা সঙ্গিনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছে। তারপর উভয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে গেলেন। সা‘দ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! এ আমার ভাইয়ের পুত্র, সে এর ব্যাপারে আমাকে ওয়াসীয়াত করে গেছে এবং ‘আব্দ ইবনু যাম‘আ বললেন, আমার ভাই। আমার পিতার দাসীর পুত্র, তাঁর সঙ্গে শায়িনীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে ‘আব্দ ইবনু যাম‘আ! এ ছেলেটি তোমার প্রাপ্য। তারপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, শয্যা যার, সন্তান তার। ব্যভিচারী যে, বঞ্চিত সে। এরপর তিনি নবী সহধর্মিনী সাওদা বিনতে যাম‘আ (রাঃ)-কে বললেন, তুমি ঐ ছেলেটি হতে পর্দা করবে। কারণ তিনি ঐ ছেলেটির মধ্যে উতবার সাদৃশ্য দেখতে পান। ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ঐ ছেলেটি আর সাওদাহ (রাঃ)-কে দেখেনি। (২২১৮, ২৪২১, ২৫৩৩, ২৭৪৫, ৪৩০৩, ৬৭৪৯, ৬৭৬৫, ৬৮১৭, ৭১৮২, মুসলিম ১৭/১০, হাঃ ১৪৫৭, আহমাদ ২৪১৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن قزعة، حدثنا مالك، عن ابن شهاب، عن عروة بن الزبير، عن عايشة رضى الله عنها قالت كان عتبة بن ابي وقاص عهد الى اخيه سعد بن ابي وقاص ان ابن وليدة زمعة مني فاقبضه. قالت فلما كان عام الفتح اخذه سعد بن ابي وقاص وقال ابن اخي، قد عهد الى فيه. فقام عبد بن زمعة، فقال اخي، وابن وليدة ابي، ولد على فراشه. فتساوقا الى النبي صلى الله عليه وسلم. فقال سعد يا رسول الله، ابن اخي، كان قد عهد الى فيه. فقال عبد بن زمعة اخي وابن وليدة ابي، ولد على فراشه. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " هو لك يا عبد بن زمعة ". ثم قال النبي صلى الله عليه وسلم " الولد للفراش، وللعاهر الحجر ". ثم قال لسودة بنت زمعة زوج النبي صلى الله عليه وسلم " احتجبي منه ". لما راى من شبهه بعتبة، فما راها حتى لقي الله
আদী ইবনু হাতিম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে পার্শ্বফলা বিহীন তীর (দ্বারা শিকার) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, যদি তীরের ধারালো পার্শ্ব আঘাত করে, তবে সে (শিকারকৃত জানোয়ারের গোশত) খাবে, আর যদি এর ধারহীন পার্শ্বের আঘাতে মারা যায়, তবে তা খাবে না। কেননা তা প্রহারের মৃত যবহকৃত নয়। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি বিসমিল্লাহ পড়ে আমার (শিকারী) কুকুর ছেড়ে দিয়ে থাকি। পরে তার সাথে শিকারের কাছে (অনেক সময়) অন্য কুকুর দেখতে পাই যার উপর আমি বিসমিল্লাহ পড়িনি এবং আমি জানি না, উভয়ের মধ্যে কে শিকার ধরেছে। তিনি বললেন, তুমি তা খাবে না। তুমি তো তোমার কুকুরের উপর বিসমিল্লাহ পড়েছ, অন্যটির উপর পড়নি। (১৭৫, মুসলিম ২৪/১, হাঃ ১৯২৯, আহমাদ ১৯৪০৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو الوليد، حدثنا شعبة، قال اخبرني عبد الله بن ابي السفر، عن الشعبي، عن عدي بن حاتم رضى الله عنه قال سالت النبي صلى الله عليه وسلم عن المعراض فقال " اذا اصاب بحده فكل، واذا اصاب بعرضه فلا تاكل، فانه وقيذ ". قلت يا رسول الله ارسل كلبي واسمي، فاجد معه على الصيد كلبا اخر لم اسم عليه، ولا ادري ايهما اخذ. قال " لا تاكل، انما سميت على كلبك ولم تسم على الاخر
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (একদা) পথ অতিক্রমকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পড়ে থাকা একটি খেজুর দেখে বললেন, এটা যদি সদাকার খেজুর বলে সংশয় না থাকতো, তবে আমি তা খেতাম। আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে হাম্মাম (রহ.) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, আমার বিছানায় পড়ে থাকা খেজুর আমি পাই। (২৪৩১, মুসলিম ১২/৫০, হাঃ ১০৭১, আহমাদ ১৪১১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১২ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قبيصة، حدثنا سفيان، عن منصور، عن طلحة، عن انس رضى الله عنه قال مر النبي صلى الله عليه وسلم بتمرة مسقوطة فقال " لولا ان تكون صدقة لاكلتها ". وقال همام عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اجد تمرة ساقطة على فراشي
আব্বাদ ইবনু তামীমের চাচা (‘আবদুল্লাহ ইবনু যায়দ ইবনু আসিম) (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হল যে, সালাত আদায়কালে তার অযূ ভঙ্গের কিছু হয়েছে বলে মনে হয়, এতে কি সে সালাত ছেড়ে দেবে? তিনি বলেন, না, যতক্ষণ না সে আওয়াজ শোনে বা দুর্গন্ধ টের পায় অর্থাৎ নিশ্চিত না হয়। (৩৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৩ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৯২৮) ইবনু আবূ হাফসাহ্ (রহ.) যুহরী (রহ.) হতে বর্ণনা করেন, তুমি গন্ধ না পেলে অথবা আওয়াজ না শুনলে অযূ করবে না।
حدثنا ابو نعيم، حدثنا ابن عيينة، عن الزهري، عن عباد بن تميم، عن عمه، قال شكي الى النبي صلى الله عليه وسلم الرجل يجد في الصلاة شييا، ايقطع الصلاة قال " لا، حتى يسمع صوتا او يجد ريحا ". وقال ابن ابي حفصة عن الزهري لا وضوء الا فيما وجدت الريح او سمعت الصوت
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, কিছু সংখ্যক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! বহু লোক আমাদের কাছে গোশত নিয়ে আসে আমরা জানি না, তারা বিসমিল্লাহ পড়ে যবহ করেছিল কিনা? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তোমরা এর উপর আল্লাহর নাম লও এবং তা খাও (ওয়াসওয়াসার শিকার হয়ো না)। (৫৫০৭, ৭৩৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৪ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني احمد بن المقدام العجلي، حدثنا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي، حدثنا هشام بن عروة،، عن ابيه، عن عايشة رضى الله عنها ان قوما، قالوا يا رسول الله، ان قوما ياتوننا باللحم لا ندري اذكروا اسم الله عليه ام لا فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " سموا الله عليه وكلوه
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা (নবী)-এর সঙ্গে সালাত আদায় করছিলাম। তখন সিরিয়া হতে একটি ব্যবসায়ী কাফেলা খাদ্য নিয়ে আগমন করল। লোকজন সকলেই সে দিকে চলে গেলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে মাত্র বারোজন থেকে গেলেন। এ প্রসঙ্গে নাযিল হলঃ ‘‘যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুক তখন তারা সে দিকে ছুটে গেল’’। (৯৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৫ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا طلق بن غنام، حدثنا زايدة، عن حصين، عن سالم، قال حدثني جابر رضى الله عنه قال بينما نحن نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم اذ اقبلت من الشام عير، تحمل طعاما، فالتفتوا اليها، حتى ما بقي مع النبي صلى الله عليه وسلم الا اثنا عشر رجلا فنزلت {واذا راوا تجارة او لهوا انفضوا اليها}
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, এমন এক যুগ আসবে, যখন মানুষ পরোয়া করবে না যে, সে কোথা হতে সম্পদ উপার্জন করল, হালাল হতে না হারাম হতে। (২০৮৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৬ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ادم، حدثنا ابن ابي ذيب، حدثنا سعيد المقبري، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " ياتي على الناس زمان، لا يبالي المرء ما اخذ منه امن الحلال ام من الحرام
আবুল মিনহাল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সোনা-রূপার ব্যবসা করতাম। এ সম্পর্কে আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফাযল ইবনু ই‘য়াকূব (রহ.) অন্য সনদে ..... আবুল মিনহাল (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বারা ইবনু ‘আযিব ও যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা উভয়ে বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে ব্যবসায়ী ছিলাম। আমরা তাঁকে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি হাতে হাতে (নগদ) হয়, তবে কোন ক্ষতি নেই; আর যদি বাকী হয় তবে জায়িয নয়। (২০৬০=২১৮, ২৪৯৭, ৩৯৩৯) (২০৬১=২১৮১, ২৪৯৮, ৩৯৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم، عن ابن جريج، قال اخبرني عمرو بن دينار، عن ابي المنهال، قال كنت اتجر في الصرف، فسالت زيد بن ارقم رضى الله عنه فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم. وحدثني الفضل بن يعقوب، حدثنا الحجاج بن محمد، قال ابن جريج اخبرني عمرو بن دينار، وعامر بن مصعب، انهما سمعا ابا المنهال، يقول سالت البراء بن عازب وزيد بن ارقم عن الصرف، فقالا كنا تاجرين على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسالنا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصرف فقال " ان كان يدا بيد فلا باس، وان كان نساء فلا يصلح
আবুল মিনহাল (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি সোনা-রূপার ব্যবসা করতাম। এ সম্পর্কে আমি যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ফাযল ইবনু ই‘য়াকূব (রহ.) অন্য সনদে ..... আবুল মিনহাল (রহ.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বারা ইবনু ‘আযিব ও যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ)-কে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তাঁরা উভয়ে বললেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর যুগে ব্যবসায়ী ছিলাম। আমরা তাঁকে সোনা-রূপার ব্যবসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি হাতে হাতে (নগদ) হয়, তবে কোন ক্ষতি নেই; আর যদি বাকী হয় তবে জায়িয নয়। (২০৬০=২১৮, ২৪৯৭, ৩৯৩৯) (২০৬১=২১৮১, ২৪৯৮, ৩৯৪০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৭ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابو عاصم، عن ابن جريج، قال اخبرني عمرو بن دينار، عن ابي المنهال، قال كنت اتجر في الصرف، فسالت زيد بن ارقم رضى الله عنه فقال قال النبي صلى الله عليه وسلم. وحدثني الفضل بن يعقوب، حدثنا الحجاج بن محمد، قال ابن جريج اخبرني عمرو بن دينار، وعامر بن مصعب، انهما سمعا ابا المنهال، يقول سالت البراء بن عازب وزيد بن ارقم عن الصرف، فقالا كنا تاجرين على عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم فسالنا رسول الله صلى الله عليه وسلم عن الصرف فقال " ان كان يدا بيد فلا باس، وان كان نساء فلا يصلح
وَقَوْلِ اللهِ تَعَالَى (فَانْتَشِرُوا فِي الأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللهِ) মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ সন্ধান কর।’’ (জুমু‘আহ : ১০) ২০৬২. ‘উবায়দুল্লাহ ইবনু ‘উমাইর (রহ.) হতে বর্ণিত যে, আবূ মূসা আল-আশ‘আরী (রাঃ) ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর নিকট প্রবেশের অনুমতি চাইলে তাকে অনুমতি দেয়া হয়নি; সম্ভবতঃ তিনি কোন কাজে ব্যস্ত ছিলেন। তাই আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে আসেন। পরে ‘উমার (রাঃ) পেরেশান হয়ে বললেন, আমি কি ‘আবদুল্লাহ ইবনু কায়স (আবূ মূসার নাম)-এর আওয়াজ শুনতে পাইনি? তাঁকে আসতে বল। কেউ বলল, তিনি তো ফিরে চলে গেছেন। ‘উমার (রাঃ) তাঁকে ডেকে পাঠালেন। তিনি (উপস্থিত হয়ে) বললেন, আমাদের এরূপই নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ‘উমার (রাঃ) বললেন, তোমাকে এর উপর সাক্ষী পেশ করতে হবে। আবূ মূসা (রাঃ) ফিরে গিয়ে আনসারদের এক মজলিসে পৌঁছে তাদের এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলেন। তাঁরা বললেন, এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-ই সাক্ষ্য দেবে। তিনি আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ)-কে নিয়ে গেলেন। ‘উমার (রাঃ) (তার কাছ হতে সে হাদীসটি শুনে) বললেন, (কি আশ্চর্য) আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নির্দেশ কি আমার কাছ হতে গোপন রয়ে গেল? (আসল ব্যাপার হল) বাজারের ক্রয়-বিক্রয় অর্থাৎ ব্যবসায়ের জন্য বের হওয়া আমাকে বেখবর রেখেছে। (২২৪৫, ৭৩৫৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৮ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد بن سلام، اخبرنا مخلد بن يزيد، اخبرنا ابن جريج، قال اخبرني عطاء، عن عبيد بن عمير، ان ابا موسى الاشعري، استاذن على عمر بن الخطاب رضى الله عنه فلم يوذن له، وكانه كان مشغولا فرجع ابو موسى، ففرغ عمر فقال الم اسمع صوت عبد الله بن قيس ايذنوا له قيل قد رجع. فدعاه. فقال كنا نومر بذلك. فقال تاتيني على ذلك بالبينة. فانطلق الى مجلس الانصار، فسالهم. فقالوا لا يشهد لك على هذا الا اصغرنا ابو سعيد الخدري. فذهب بابي سعيد الخدري. فقال عمر اخفي على من امر رسول الله صلى الله عليه وسلم الهاني الصفق بالاسواق. يعني الخروج الى تجارة
وَقَالَ مَطَرٌ لاَ بَأْسَ بِهِ وَمَا ذَكَرَهُ اللهُ فِي الْقُرْآنِ إِلاَّ بِحَقٍّ ثُمَّ تَلاَ (وَتَرَى الْفُلْكَ مَوَاخِرَ فِيهِ وَلِتَبْتَغُوا مِنْ فَضْلِهِ) وَالْفُلْكُ السُّفُنُ الْوَاحِدُ وَالْجَمْعُ سَوَاءٌ وَقَالَ مُجَاهِدٌ تَمْخَرُ السُّفُنُ الرِّيحَ وَلاَ تَمْخَرُ الرِّيحَ مِنْ السُّفُنِ إِلاَّ الْفُلْكُ الْعِظَامُ মাত্বার (রহ.) বলেন, এতে কোন দোষ নেই এবং তা যথাযথ বলেই আল্লাহ কুরআনে এর উল্লেখ করেছেন। তারপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ ‘‘এবং তোমরা এতে নৌযানকে দেখতে পাও তার বুক চিরে চলাচল করে, যা এজন্য যে, তাঁর অনুগ্রহের অনুসন্ধান করতে পার’’- (ফাতির ১২)। আয়াতে উল্লেখিত ........ ‘আল-ফুলক’ শব্দের অর্থ নৌযান। একবচন ও বহুবচনে সমভাবে ব্যবহৃত হয়। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, নৌযান, বায়ু বিদীর্ণ করে চলে এবং নৌযানের মধ্যে বৃহৎ নৌযানই বায়ুতে বিদীর্ণ করে চলে। ২০৬৩. আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত যে, তিনি বনী ইসরাঈলের এক ব্যক্তির আলোচনায় বলেন, সে নদীপথে বের হল এবং নিজের প্রয়োজন সেরে নিল। এরপর রাবী পুরা হাদীসটি বর্ণনা করেন। (১৪৯৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল বুয়ু‘ অনুচ্ছেদ-১০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
وقال الليث حدثني جعفر بن ربيعة، عن عبد الرحمن بن هرمز، عن ابي هريرة رضى الله عنه عن رسول الله صلى الله عليه وسلم انه ذكر رجلا من بني اسراييل، خرج في البحر فقضى حاجته. وساق الحديث. حدثني عبد الله بن صالح قال حدثني الليث بهذا
(وَإِذَا رَأَوْا تِجَارَةً أَوْ لَهْوًا انْفَضُّوا إِلَيْهَا) وَقَوْلُهُ جَلَّ ذِكْرُهُ (رِجَالٌ لاَ تُلْهِيهِمْ تِجَارَةٌ وَلاَ بَيْعٌ عَنْ ذِكْرِ اللهِ) وَقَالَ قَتَادَةُ كَانَ الْقَوْمُ يَتَّجِرُونَ وَلَكِنَّهُمْ كَانُوا إِذَا نَابَهُمْ حَقٌّ مِنْ حُقُوقِ اللهِ لَمْ تُلْهِهِمْ تِجَارَةٌ وَلاَ بَيْعٌ عَنْ ذِكْرِ اللهِ حَتَّى يُؤَدُّوهُ إِلَى اللهِ আল্লাহর বাণী- ‘‘যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুক তখন তারা আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল’’- (জুমুআহ ১১)। এবং তাঁর বাণীঃ ‘‘সে সব লোক, যাদেরকে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর যিক্র হতে গাফিল রাখে না।’’ (আন্-নূরঃ ৩৭) কাতাদাহ (রহ.) বলেন, সাহাবীগণ (রাঃ) ব্যবসা-বাণিজ্য করতেন বটে, কিন্তু যখন তাঁদের সামনে আল্লাহর কোন হক এসে উপস্থিত হতো, যতক্ষণ না তাঁরা এ হক আল্লাহর সমীপে আদায় করে দিতেন, ততক্ষণ ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয় আল্লাহর যিকির হতে গাফিল করতে পারত না। ২০৬৪. জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে জুমু‘আর দিন সালাত আদায় করছিলাম। এমন সময় এক বাণিজ্যিক কাফেলা এসে হাযির হয়, তখন বারোজন লোক ছাড়াই সকলেই সে কাফেলার দিকে ছুটে যান। তখন এ আয়াত নাযিল হয়ঃ ‘‘যখন তারা দেখল ব্যবসা ও কৌতুক তখন তারা আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল’’- (সূরা জুমু‘আ ১১)। (৯৩৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯১৯ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني محمد، قال حدثني محمد بن فضيل، عن حصين، عن سالم بن ابي الجعد، عن جابر رضى الله عنه قال اقبلت عير، ونحن نصلي مع النبي صلى الله عليه وسلم الجمعة، فانفض الناس الا اثنى عشر رجلا، فنزلت هذه الاية {واذا راوا تجارة او لهوا انفضوا اليها وتركوك قايما}
‘আয়িশাহ (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী বলেছেন, যখন কোন মহিলা তার ঘরের খাদ্যসামগ্রী হতে ফাসাদের উদ্দেশ্য ব্যতীত খরচ করে তখন তার জন্য সাওয়াব রয়েছে তার খরচ করায়, তার স্বামীর জন্য সাওয়াব রয়েছে তার উপার্জনের এবং সংরক্ষণকারীর জন্যও অনুরূপ রয়েছে। তাদের কারো কারণে কারোর সাওয়াব কিছুই কমতি হবে না। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২০ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عثمان بن ابي شيبة، حدثنا جرير، عن منصور، عن ابي وايل، عن مسروق، عن عايشة رضى الله عنها قالت قال النبي صلى الله عليه وسلم " اذا انفقت المراة من طعام بيتها، غير مفسدة، كان لها اجرها بما انفقت، ولزوجها بما كسب، وللخازن مثل ذلك، لا ينقص بعضهم اجر بعض شييا
আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) সূত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন কোন মহিলা তার স্বামীর উপার্জন হতে তার অনুমতি ছাড়াই ব্যয় করবে, তখন তার জন্য অর্ধেক সাওয়াব রয়েছে। (৫১৯২, ৫১৯৫, ৫৩৬০) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ১৯২১ , ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني يحيى بن جعفر، حدثنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام، قال سمعت ابا هريرة رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال " اذا انفقت المراة من كسب زوجها عن غير امره، فله نصف اجره