Loading...

Loading...
বইসমূহ
১৯২ হাদিসসমূহ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালা ও মুযাবানা নিষেধ করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৩৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا ابو معاوية، عن الشيباني، عن عكرمة، عن ابن عباس رضى الله عنهما قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن المحاقلة والمزابنة
যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরিয়্যা এর মালিককে তা অনুমানে বিক্রি করার অনুমতি প্রদান করেছেন। (২১৭৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৩৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن مسلمة، حدثنا مالك، عن نافع، عن ابن عمر، عن زيد بن ثابت رضى الله عنهم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم ارخص لصاحب العرية ان يبيعها بخرصها
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উপযোগী হওয়ার আগে ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। (এবং এ-ও বলেছেন যে,) এর কিছুই দ্বীনার ও দিরহাম এর বিনিময় ব্যতীত বিক্রি করা যাবে না, তবে আরায়্যার হুকুম এর ব্যতিক্রম। (১৪৮৭, মুসলিম ২১/১৩, হাঃ ১৫৩৬, আহমাদ ১৪৩৫৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৩৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا يحيى بن سليمان، حدثنا ابن وهب، اخبرنا ابن جريج، عن عطاء، وابي الزبير، عن جابر رضى الله عنه قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن بيع الثمر حتى يطيب، ولا يباع شىء منه الا بالدينار والدرهم الا العرايا
‘আবদুল্লাহ ইবনু আবদুল ওহহাব (রহ.) বলেন যে, আমি মালিকের কাছে শুনেছি, উবায়দুল্লাহ ইবনু রাবী‘ (রহ.) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, আবূ সুফিয়ান (রাঃ) সূত্রে আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে দাঊদ (রহ.) এই হাদীস কি আপনার কাছে বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাঁচ ওসাক অথবা পাঁচ ওসাকের কম পরিমাণে আরিয়্যা বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। (২৩৮২, মুসলিম ২১/১৪, হাঃ ১৫৪১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৩৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن عبد الوهاب، قال سمعت مالكا، وساله، عبيد الله بن الربيع احدثك داود عن ابي سفيان، عن ابي هريرة رضى الله عنه ان النبي صلى الله عليه وسلم رخص في بيع العرايا في خمسة اوسق او دون خمسة اوسق قال نعم
সাহল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুকনো খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করতে বারণ করেছেন এবং আরিয়্যা-এর ক্ষেত্রে অনুমতি প্রদান করেছেন। তা হল তাজা ফল অনুমানে বিক্রি করা, যাতে (ক্রেতা) তাজা খেজুর খাওয়ার সুযোগ লাভ করতে পারে। রাবী সুফইয়ান (রহ.) আর একবার এভাবে বর্ণনা করেছেন, অবশ্য তিনি [আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ] আরিয়্যা এর ক্ষেত্রে অনুমতি দিয়েছেন যে, ফলের মালিক অনুমানে তাজা খেজুর বিক্রয় করে, যাতে তারা (ক্রেতাগণ) তাজা খেজুর খেতে পারে। রাবী বলেন, এ কথা পূর্বের কথা একই এবং সুফইয়ান (রহ.) বলেন, আমি তরুণ বয়সে (আমার উস্তাদ) ইয়াহইয়া [ইবনু সাইদ (রহ.)]-কে বললাম, মক্কাবাসীগণ তো বলে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরায়্যা-এর ক্রয়-বিক্রয়ের অনুমতি দিয়েছেন। তিনি বললেন, মক্কাবাসীদের তা কিসে অবহিত করল? আমি বললাম, তারা জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করে থাকেন। এতে তিনি নীরব হয়ে গেলেন। সুফইয়ান (রহ.) বলেন, আমার কথার মর্ম এই ছিল যে, জাবির (রাঃ) মদিনাবাসী। সুফইয়ান (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হল, এ হাদীসে এ কথাটুকু নাই যে, উপযোগিতা প্রকাশের পূর্বে ফল বিক্রি নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, না। (২৩৮৪, মুসলিম ২১/১৪, হাঃ ১৫৪০, আহমাদ ১৬০৯২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا علي بن عبد الله، حدثنا سفيان، قال قال يحيى بن سعيد سمعت بشيرا، قال سمعت سهل بن ابي حثمة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمر بالتمر، ورخص في العرية ان تباع بخرصها ياكلها اهلها رطبا. وقال سفيان مرة اخرى الا انه رخص في العرية يبيعها اهلها بخرصها، ياكلونها رطبا. قال هو سواء. قال سفيان فقلت ليحيى وانا غلام ان اهل مكة يقولون ان النبي صلى الله عليه وسلم رخص في بيع العرايا. فقال وما يدري اهل مكة قلت انهم يروونه عن جابر. فسكت. قال سفيان انما اردت ان جابرا من اهل المدينة. قيل لسفيان وليس فيه نهى عن بيع الثمر حتى يبدو صلاحه قال لا
وَقَالَ مَالِكٌ الْعَرِيَّةُ أَنْ يُعْرِيَ الرَّجُلُ الرَّجُلَ النَّخْلَةَ ثُمَّ يَتَأَذَّى بِدُخُولِهِ عَلَيْهِ فَرُخِّصَ لَهُ أَنْ يَشْتَرِيَهَا مِنْهُ بِتَمْرٍ وَقَالَ ابْنُ إِدْرِيسَ الْعَرِيَّةُ لاَ تَكُونُ إِلاَّ بِالْكَيْلِ مِنْ التَّمْرِ يَدًا بِيَدٍ لاَ يَكُونُ بِالْجِزَافِ وَمِمَّا يُقَوِّيهِ قَوْلُ سَهْلِ بْنِ أَبِي حَثْمَةَ بِالأوْسُقِ الْمُوَسَّقَةِ وَقَالَ ابْنُ إِسْحَاقَ فِي حَدِيثِهِ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ كَانَتْ الْعَرَايَا أَنْ يُعْرِيَ الرَّجُلُ فِي مَالِهِ النَّخْلَةَ وَالنَّخْلَتَيْنِ وَقَالَ يَزِيدُ عَنْ سُفْيَانَ بْنِ حُسَيْنٍ الْعَرَايَا نَخْلٌ كَانَتْ تُوهَبُ لِلْمَسَاكِينِ فَلاَ يَسْتَطِيعُونَ أَنْ يَنْتَظِرُوا بِهَا رُخِّصَ لَهُمْ أَنْ يَبِيعُوهَا بِمَا شَاءُوا مِنْ التَّمْرِ (ইমাম) মালিক (রহ.) বলেন, আরায়্যা এর অর্থ- কোন একজন কর্তৃক কাউকে খেজুর গাছ (তার ফল খাওয়ার জন্য) দান করা। পরে ঐ ব্যক্তির বাগানে প্রবেশের কারণে সে বিরক্তি বোধ করে, ফলে তাকে অনুমতি দেয়া হয় যে, সে শুকনো ফলের বিনিময়ে গাছগুলো (এর ফল) ঐ ব্যক্তির নিকট হতে ক্রয় করে নিবে। মুহাম্মাদ ইবনু ইদরীস [ইমাম শাফিঈ (রহ.)] বলেন, শুকনো খেজুর এর বিক্রি নগদ নগদ এবং মাপের মাধ্যমে হবে, অনুমান করে হবে না। (ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, ইমাম শাফিঈ (রহ.) এর মতের সমর্থন পাওয়া যায় সাহাল ইবনু আবূ হাসমা (রাঃ)-এর এ কথা থেকে ‘‘সুনির্দিষ্ট মাপের মাধ্যমে’’। নাফি‘ (রহ.)-এর সূত্রে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, মালিক কর্তৃক তার বাগান হতে একটি বা দুটি খেজুর গাছ দান করাকে আরাইয়া বলা হয়। সুফিয়ান ইবনু হুসাইন (রহ.) ইয়াযীদ (রহ.) হতে বর্ণনা করেন যে, আরাইয়া হলো কিছু সংখ্যক খেজুর গাছ গরীব মিসকীনদের দান করা হত, কিন্তু তারা খেজুর পাকা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারত না বিধায় তাদের অনুমতি দেয়া হতো যে, তারা যে পরিমাণ খেজুরের ইচ্ছা, তা বিক্রি করে দিবে। ২১৯২. যায়দ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরাইয়ার ব্যাপারে অনুমতি দিয়েছেন যে, ওযনকৃত খেজুরের বিনিময়ে গাছের অনুমানকৃত খেজুর বিক্রি করা যেতে পারে। মূসা ইবনু ‘উকবা (রহ.) বলেন, আরাইয়া বলা হয়, বাগানে এসে কতগুলো নির্দিষ্ট গাছের খেজুর (শুকনা খেজুরের বদলে) ক্রয় করে নেয়া। (২১৭৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৩৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا محمد، اخبرنا عبد الله، اخبرنا موسى بن عقبة، عن نافع، عن ابن عمر، عن زيد بن ثابت رضى الله عنهم ان رسول الله صلى الله عليه وسلم رخص في العرايا ان تباع بخرصها كيلا. قال موسى بن عقبة والعرايا نخلات معلومات تاتيها فتشتريها
লাইস (রহ.) ... যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সময়ে লোকেরা (গাছের) ফলের বেচা-কেনা করত। আবার যখন লোকদের ফল পাড়ার এবং তাদের মূল্য দেয়ার সময় হত, তখন ক্রেতা ফলে পোকা ধরেছে, নষ্ট হয়ে গিয়েছে, শুকিয়ে গিয়েছে এসব অনিষ্টকারী আপদের কথা উল্লেখ করে ঝগড়া করত। তখন এ ব্যাপারে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকটে অনেক অভিযোগ পেশ হতে লাগল, তখন তিনি বললেন, তোমরা যদি এ ধরনের বেচা কেনা বাদ দিতে না চাও তবে ফলের উপযোগিতা প্রকাশ পাবার পর তার বেচা কেনা করবে। অনেক অভিযোগ উত্থাপিত হবার কারণে তিনি এ কথাটি পরামর্শ স্বরূপ বলেছেন। রাবী বলেন, খারিজা ইবনু যায়দ (রহ.) আমাকে বলেছেন যে, যাইদ ইবনু সাবিত (রাঃ) সুরাইয়া তারকা উদিত হবার পর ফলের হলুদ ও লালচে রঙের পূর্ণ প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তাঁর বাগানের ফল বিক্রি করতেন না। আবূ ‘আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী (রহ.) বলেন, আলী ইবনু বাহর (রহ.) যায়দ (রাঃ) হতে এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল বুয়ু‘ অনুচ্ছেদ ৮৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
وقال الليث عن ابي الزناد، كان عروة بن الزبير يحدث عن سهل بن ابي حثمة الانصاري، من بني حارثة انه حدثه عن زيد بن ثابت رضى الله عنه قال كان الناس في عهد رسول الله صلى الله عليه وسلم يتبايعون الثمار، فاذا جد الناس وحضر تقاضيهم قال المبتاع انه اصاب الثمر الدمان اصابه مراض اصابه قشام عاهات يحتجون بها فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لما كثرت عنده الخصومة في ذلك " فاما لا فلا يتبايعوا حتى يبدو صلاح الثمر ". كالمشورة يشير بها لكثرة خصومتهم. واخبرني خارجة بن زيد بن ثابت ان زيد بن ثابت لم يكن يبيع ثمار ارضه حتى تطلع الثريا فيتبين الاصفر من الاحمر. قال ابو عبد الله رواه علي بن بحر حدثنا حكام حدثنا عنبسة عن زكرياء عن ابي الزناد عن عروة عن سهل عن زيد
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফলের উপযোগিতা প্রকাশ হওয়ার আগে তা বিক্রি করতে ক্রেতা ও বিক্রেতাকে নিষেধ করেছেন। (১৪৮৬, মুসলিম ২১/১৩, হাঃ ১৫৩৪, আহমাদ ৪৫২৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى يبدو صلاحها، نهى البايع والمبتاع
আনাস ইবনু মালিক (রহ.) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুর ফল পোখতা হওয়ার আগে বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেন, অর্থাৎ লালচে হওয়ার আগে। (১৪৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا ابن مقاتل، اخبرنا عبد الله، اخبرنا حميد الطويل، عن انس رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى ان تباع ثمرة النخل حتى تزهو. قال ابو عبد الله يعني حتى تحمر
জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফলের রং পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। রাবী বলেন, অর্থাৎ লালচে বর্ণের বা হলুদ বর্ণের না হওয়া পর্যন্ত এবং তা খাওয়ার যোগ্য না হওয়া পর্যন্ত। (১৪৮৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪২, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا مسدد، حدثنا يحيى بن سعيد، عن سليم بن حيان، حدثنا سعيد بن مينا، قال سمعت جابر بن عبد الله رضى الله عنهما قال نهى النبي صلى الله عليه وسلم ان تباع الثمرة حتى تشقح. فقيل ما تشقح قال تحمار وتصفار ويوكل منها
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফলের উপযোগিতা প্রকাশ হওয়ার আগে তা বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন এবং খেজুরের রং ধরার আগে (বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন)। জিজ্ঞেস করা হল, রং ধরার অর্থ কী? তিনি বলেন, লাল বর্ণ বা হলুদ বর্ণ ধারণ করা। আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেন, আমি মু‘আল্লা ইবনু মানসূর (রহ.) হতে হাদীস লিপিবদ্ধ করেছি। কিন্তু এ হাদীস তাঁর নিকট হতে লিখিনি। (১৪৮৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثني علي بن الهيثم، حدثنا معلى، حدثنا هشيم، اخبرنا حميد، حدثنا انس بن مالك رضى الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم انه نهى عن بيع الثمرة حتى يبدو صلاحها، وعن النخل حتى يزهو. قيل وما يزهو قال يحمار او يصفار
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রং ধারণ করার আগে ফল বিক্রি করতে নিষেধ করেছেন। জিজ্ঞেস করা হল, রং ধারণ করার অর্থ কী? তিনি বললেন, লাল বর্ণ ধারণ করা। পরে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, দেখ, যদি আল্লাহ তা‘আলা ফল ধরা বন্ধ করে দেন, তবে তোমাদের কেউ (বিক্রেতা) কিসের বদলে তার ভাইয়ের মাল (ফলের মূল্য) নিবে? (১৪৮৮, মুসলিম ২২/৩, হাঃ ১৫৫৫, আহমাদ ১২১৩৯) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن حميد، عن انس بن مالك رضى الله عنه ان رسول الله صلى الله عليه وسلم نهى عن بيع الثمار حتى تزهي. فقيل له وما تزهي قال حتى تحمر. فقال " ارايت اذا منع الله الثمرة، بم ياخذ احدكم مال اخيه
ইবনু শিহাব (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন ব্যক্তি যদি ফলের উপযুক্ততা প্রকাশের পূর্বে তা ক্রয় করে, পরে তাতে মড়ক দেখা দেয়, তবে যা নষ্ট হবে তা মালিকের উপর বর্তাবে। [যুহরী (রহ.)] বলেন, আমার নিকট সালিম ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রহ.) ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, উপযোগিতা প্রকাশ হওয়ার পূর্বে তোমরা ফল ক্রয় করবে না এবং শুকনো খেজুরের বিনিময়ে তাজা খেজুর বিক্রি করবে না। (১৪৮৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২০৫৯ শেষাংশ)
قال الليث حدثني يونس، عن ابن شهاب، قال لو ان رجلا، ابتاع ثمرا قبل ان يبدو صلاحه، ثم اصابته عاهة، كان ما اصابه على ربه، اخبرني سالم بن عبد الله عن ابن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " لا تتبايعوا الثمر حتى يبدو صلاحها، ولا تبيعوا الثمر بالتمر
আ‘মাশ (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবরাহীম (রহ.)-এর কাছে বন্ধক রেখে বাকীতে ক্রয় করার ব্যাপারে আলোচনা করলাম। তিনি বললেন, এতে কোন দোষ নেই। এরপর তিনি আসওয়াদ (রহ.) সূত্রে ‘আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দিষ্ট মেয়াদে (মূল্য বাকী রেখে) জনৈক ইয়াহূদীর নিকট হতে খাদ্য ক্রয় করেন এবং তাঁর বর্ম বন্ধক রাখেন। (২০৬৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثنا ابي، حدثنا الاعمش، قال ذكرنا عند ابراهيم الرهن في السلف، فقال لا باس به. ثم حدثنا عن الاسود عن عايشة رضى الله عنها ان النبي صلى الله عليه وسلم اشترى طعاما من يهودي الى اجل، فرهنه درعه
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) ও আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে খায়বারে তহসীলদার নিযুক্ত করেন। সে জানীব নামক (উত্তম) খেজুর নিয়ে উপস্থিত হলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, খায়বারের সব খেজুর কি এ রকমের? সে বলল, না, আল্লাহর কসম, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ নয়, বরং আমরা দু’ সা’ এর পরিবর্তে এ ধরনের এক সা’ খেজুর নিয়ে থাকি এবং তিন সা’ এর পরিবর্তে এক দু’ সা’। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরূপ করবে না। বরং মিশ্রিত খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করে দিরহাম দিয়ে জানীব খেজুর ক্রয় করবে। (২২০১=২৩০২, ৪২৪৪, ৪২৪৬, ৭৩৫০) (২২০২=২৩০৩, ৪২৪৫, ৪২৪৭, ৭৩৫১, মুসলিম ২২/১৮, হাঃ ১৫৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، عن مالك، عن عبد المجيد بن سهيل بن عبد الرحمن، عن سعيد بن المسيب، عن ابي سعيد الخدري، وعن ابي هريرة رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمل رجلا على خيبر، فجاءه بتمر جنيب، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اكل تمر خيبر هكذا ". قال لا والله يا رسول الله، انا لناخذ الصاع من هذا بالصاعين، والصاعين بالثلاثة. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تفعل، بع الجمع بالدراهم، ثم ابتع بالدراهم جنيبا
আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) ও আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে খায়বারে তহসীলদার নিযুক্ত করেন। সে জানীব নামক (উত্তম) খেজুর নিয়ে উপস্থিত হলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন, খায়বারের সব খেজুর কি এ রকমের? সে বলল, না, আল্লাহর কসম, হে আল্লাহর রাসূল! এরূপ নয়, বরং আমরা দু’ সা’ এর পরিবর্তে এ ধরনের এক সা’ খেজুর নিয়ে থাকি এবং তিন সা’ এর পরিবর্তে এক দু’ সা’। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এরূপ করবে না। বরং মিশ্রিত খেজুর দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করে দিরহাম দিয়ে জানীব খেজুর ক্রয় করবে। (২২০১=২৩০২, ৪২৪৪, ৪২৪৬, ৭৩৫০) (২২০২=২৩০৩, ৪২৪৫, ৪২৪৭, ৭৩৫১, মুসলিম ২২/১৮, হাঃ ১৫৯৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، عن مالك، عن عبد المجيد بن سهيل بن عبد الرحمن، عن سعيد بن المسيب، عن ابي سعيد الخدري، وعن ابي هريرة رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم استعمل رجلا على خيبر، فجاءه بتمر جنيب، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " اكل تمر خيبر هكذا ". قال لا والله يا رسول الله، انا لناخذ الصاع من هذا بالصاعين، والصاعين بالثلاثة. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم " لا تفعل، بع الجمع بالدراهم، ثم ابتع بالدراهم جنيبا
ইবনু ‘উমার (রাঃ)-এর আযাদকৃত গোলাম নাফি‘ (রহ.) হতে বর্ণিত যে, তাবীরকৃত খেজুর গাছ ফলের উল্লেখ ব্যতীত বিক্রি করলে যে তাবীর[1] করেছে সে ফলের মালিক হবে। তেমনি গোলাম ও জমির ফসলও মালিকেরই থাকবে। রাবী নাফি‘ (রহ.) এই তিনটিরই উল্লেখ করেছেন। (২২০৪, ২২০৬, ২৩৭৯, ২৭১৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ কিতাবুল বুয়ু‘ অনুচ্ছেদ ৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ অনুচ্ছেদ)
قال ابو عبد الله وقال لي ابراهيم اخبرنا هشام، اخبرنا ابن جريج، قال سمعت ابن ابي مليكة، يخبر عن نافع، مولى ابن عمر ان ايما، نخل بيعت قد ابرت لم يذكر الثمر، فالثمر للذي ابرها، وكذلك العبد والحرث. سمى له نافع هولاء الثلاث
‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ তাবীর করার পরে খেজুর গাছ বিক্রি করলে সে ফলের মালিক থাকবে, অবশ্য ক্রেতা যদি (ফল লাভের) শর্ত করে, তবে সে পাবে। (২২০৩, মুসলিম ২১/১৫, হাঃ ১৫৪৩, আহমাদ ৪৫০২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا عبد الله بن يوسف، اخبرنا مالك، عن نافع، عن عبد الله بن عمر رضى الله عنهما ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال " من باع نخلا قد ابرت فثمرها للبايع، الا ان يشترط المبتاع
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুযাবানা নিষেধ করেছেন, আর তা হলো বাগানের ফল বিক্রয় করা। খেজুর হলে মেপে শুকনো খেজুরের বদলে, আঙ্গুর হলে মেপে কিসমিসের বদলে, আর ফসল হলে মেপে খাদ্যের বদলে বিক্রি করা। তিনি এসব বিক্রি নিষেধ করেছেন। (২১৭১) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما قال نهى رسول الله صلى الله عليه وسلم عن المزابنة ان يبيع ثمر حايطه ان كان نخلا بتمر كيلا، وان كان كرما ان يبيعه بزبيب كيلا او كان زرعا ان يبيعه بكيل طعام، ونهى عن ذلك كله
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি খেজুর গাছে তাবীর করার পরে মূল গাছ বিক্রি করল, সে গাছের ফল যে তাবীর করেছে তারই থাকবে, অবশ্য ক্রেতা যদি ফলের শর্ত করে (তবে সে পাবে)। (২২০৩) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২০৪৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ)
حدثنا قتيبة بن سعيد، حدثنا الليث، عن نافع، عن ابن عمر رضى الله عنهما ان النبي صلى الله عليه وسلم قال " ايما امري ابر نخلا ثم باع اصلها، فللذي ابر ثمر النخل، الا ان يشترطه المبتاع